Tag: Kharagpur

Kharagpur

  • Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত ও মসৃণ করতে আঞ্চলিক দ্রুতগতির গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব। দিল্লি-সহ জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে চালু ‘নমো ভারত’-এর ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গেও এমন রেলপথ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লালের কাছে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি একটি প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত চারটি করিডরের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে (NaMo-Bharat)।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, কলকাতার ময়দানকে কেন্দ্রীয় সংযোগস্থল ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরকে চারটি করিডরের মাধ্যমে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বন্দর, শিক্ষা ও পর্যটনকেন্দ্রগুলির সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রস্তাবের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রস্তাবিত চার রুট (Samik Bhattacharya)

    প্রথম করিডরটি হবে কলকাতা-ময়দান থেকে কল্যাণী, কৃষ্ণনগর হয়ে মায়াপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে নদিয়া ও সংলগ্ন এলাকার সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে।

    দ্বিতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল পর্যন্ত। প্রায় ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দুর্গাপুর ও আসানসোলের সঙ্গে পৃথক দ্রুতগতির গণপরিবহণ সংযোগের কথাও প্রস্তাবে রয়েছে।

    তৃতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার, হলদিয়া হয়ে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত। প্রায় ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটের মাধ্যমে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের শিল্প ও বন্দর এলাকার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    চতুর্থ করিডরটি কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি, কোলাঘাট, খড়গপুর হয়ে মেদিনীপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    রেললাইন-জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে করিডর তৈরির প্রস্তাব

    প্রস্তাবে জমি অধিগ্রহণের সমস্যা ও খরচ কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেলপথের পাশ দিয়ে নতুন দ্রুতগতির রেল করিডর তৈরির কথা বলা হয়েছে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শমীকের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের নগর ও পরিকাঠামোগত বিকাশ এখনও মূলত কলকাতাকেন্দ্রিক। অন্যদিকে দুর্গাপুর, আসানসোল, খড়গপুর, কৃষ্ণনগর ও হলদিয়ার মতো শহর শিল্প, শিক্ষা, বন্দর ও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই শহরগুলির মধ্যে দ্রুত ও উচ্চক্ষমতার যাত্রী পরিবহণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁর প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে (Samik Bhattacharya)।

    যৌথ মালিকানায় নয়া সংস্থার প্রস্তাব

    প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ মালিকানায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সংস্থার নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল র‍্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের পরিবহণ ব্যবস্থার আদলে এই সংস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্পের প্রকৌশলগত দিক, সম্ভাব্য যাত্রীসংখ্যা এবং আর্থিক বিষয় খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Samik Bhattacharya) করার জন্য কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের কাছে (NaMo-Bharat) আবেদন জানিয়েছেন শমীক।

     

  • Kharagpur: খড়্গপুরে শাসক দলের পার্টি অফিসের সামনে বন্দুকবাজের হামলা, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    Kharagpur: খড়্গপুরে শাসক দলের পার্টি অফিসের সামনে বন্দুকবাজের হামলা, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শ্যুটআউট। তাও আবার তৃণমূলের কার্যালয়ের সামনে। মঙ্গলবার দুপুরে এমনই বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা ঘটল পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর (Kharagpur) টাউন থানা এলাকায়। গুলিবিদ্ধ হলেন এক তৃণমূল কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, জখম তৃণমূল কর্মীর নাম বি সন্তোষ। তাঁর বাড়ি নিউ সেটেলমেন্ট এলাকায়। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিনেমার কায়দায় এই গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kharagpur)

    তৃণমূল সূত্রে খবর, খড়্গপুর (Kharagpur) টাউন থানার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সেটেলমেন্ট এলাকার তৃণমূলের কার্যালয়ের ঠিক বাইরে একটি গাছের তলায় বসেছিলেন কয়েক জন তৃণমূল কর্মী। সিসিটিভি থেকে পাওয়া ফুটেজ এবং আহত তৃণমূল কর্মীর বয়ান অনুযায়ী, গাছের তলায় কয়েকজন যখন বসে ছিলেন, তখনই একটি স্কুটিতে করে তিন যুবক আসে। তাদের মুখ ঢাকা ছিল। তাদের দেখেই ছুটে পালান গাছের তলায় বসে থাকা তৃণমূল কর্মীরা। স্কুটি থেকে নামা একজনের হাতে বন্দুক রয়েছে দেখতে পেয়ে কয়েকজন তাঁদের দিকে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পাল্টা ধেয়ে আসে গুলি। চার-পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। একটি গুলি এসে লাগে তৃণমূল কর্মী সন্তোষের গায়ে। আহত ওই তৃণমূল কর্মীর ডান পায়ের হাঁটুতে সমস্যা রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। তাই তিনি দৌড়ে পালাতে পারেননি। আর একটি গুলি লাগে তাঁর কোমরের নীচে। তিন আততায়ীর মুখ ঢাকা থাকায় তাঁদের চেনা যায়নি বলে জানিয়েছেন তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীরা। তারা গুলি চালিয়ে ফের স্কুটি করেই এলাকা ছেড়়ে পালিয়ে যায়। তবে, কী কারণে হামলা চালালো তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। একটি খালি কার্তুজও উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই স্কুটি এবং দুষ্কৃতীদের চিহ্নিতকরণও করা হয়েছে। কী কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে (Heatwave Alert) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। বেশিরভাগ জেলায় বইছে লু। আগামী ৭ দিন গরম থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। হু হু করে চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আর এরই মধ্যে রেকর্ড গড়ল রাজ্য। শনিবার দেশের উষ্ণতম স্থান ছিল কলাইকুণ্ডা। তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরের কাছে কলাইকুন্ডায় (kalaikunda Weather Update) এদিন তাপমাত্রার পারদ উঠে গিয়েছিল ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এই নিয়ে পর পর দুই দিন দেশের উষ্ণতম শহর কলাইকুন্ডা।

    দেশের মধ্যে সর্বাধিক তাপমাত্রা (Heatwave Alert) 

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডার তাপমাত্রা (Heatwave Alert) দেশের মধ্যে সর্বাধিক বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামীকাল থেকে আরও পারদ চড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিনে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    শনিবারও জ্বালাপোড়া গরম জেলায় জেলায়

    অন্যদিকে কলাইকুন্ডা (kalaikunda Weather Update) পাশাপাশি তাপপ্রবাহের (Heatwave Alert) পরিস্থিতি চলবে কলকাতাতেও। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.১ ডিগ্রি। এর আগে ৪৪ বছর আগে ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও শনিবার বর্ধমান, ব্যারাকপুর, ঝাড়গ্রাম শহরে দিনের তাপমাত্রা (Temperature) ৪৩ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। শ্রীনিকেতন, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, পুরুলিয়া, সিউড়ির তাপমাত্রা ছিল ৪২-এরও বেশি। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৭ দিন বৃষ্টির (Rain fall) সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    কলাইকুন্ডার তাপমাত্রার (kalaikunda Weather Update) কথা মাথায় রেখে এমত পরিস্থিতিতে (Heatwave Alert) আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা, প্রয়োজন ছাড়া সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত রোদে বেরোবেন না। বেরোলেও সাথে ছাতা, টুপি সানগ্লাস এবং পর্যাপ্ত জল নিয়ে বেরোতে হবে। সাদা বা হালকা রঙের সুতির জামা পরতে হবে। সর্বোপরি নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur: ধানজমিতে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পাইলটরা

    Kharagpur: ধানজমিতে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার বিমান, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পাইলটরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে (Kharagpur) ভেঙে পড়ল বাযুসেনার যুদ্ধবিমান। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা বায়ুসেনা ছাউনি থেকে উড়েছিল। বিমানটি ভেঙে পড়ে খড়গপুর লোকাল থানার শুকনিবাসা, দিয়াসা এলাকায়। তবে, বিমান ভেঙে পড়ার আগেই দুজন পাইলট প্যারাশুটের সাহায্যে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kharagpur)

    স্থানীয় ও বায়ুসেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়্গপুরের (Kharagpur) এক নম্বর ব্লকের দিয়াসায় একটি গ্রামের ধানের জমির মধ্যে যুদ্ধবিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারলেও সামান্য আহত হন দুই পাইলট। স্থানীয় গ্রামবাসীরাই তাঁদের প্রাথমিক শুশ্রূষা করেন। বায়ুসেনার পাইলটের বিচক্ষণতা ও দক্ষতায় ভিড় এলাকায় এড়িয়ে দূরে গিয়ে পড়ে বিমানটি। একটি ফাঁকা চাষের জমিতে গিয়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। ফলে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিকট আওয়াজ শুনে কেঁপে ওঠেন এলাকার মানুষ। কী হয়েছে বুঝতে না পেরে ছোটাছুটি শুরু করেন তাঁরা। পরে জানতে পারেন ধান জমিতে ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমান। রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এলাকায়। খবর পেয়েই কলাইকুন্ডা এয়ার বেস থেকে বায়ুসেনার অফিসাররা হেলিকপ্টারে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের উদ্ধারকারী দল। ইতিমধ্যেই বিমান ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বায়ুসেনার পক্ষ থেকে কী বলা হল?

    বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, নিয়মমাফিক উড়ানে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বায়ুসেনার একটি ‘হক’ প্রশিক্ষণ বিমান। উভয় পাইলটই ভেঙে পড়ার আগে সময়মতো ইজেক্ট করে প্যারাশুটে করে নেমে আসেন। এই ঘটনার তদন্তে একটি কোর্ট অফ এনক্যোয়ারি গঠন করা হয়েছে। কোনও সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি বা সম্পত্তির ক্ষতি হয়নি।

     </p


    >ধান জমিতে পড়ল বোমা!

    এর আগে, সোমবার সাঁকরাইল ব্লকের কেশিয়াপাতা এলাকার পেঁচাবিদা ও চেমটিডাঙা গ্রামের পিচ রাস্তার পাশে দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ ধান জমিতে একটি বোমা পড়ে। কেঁপে ওঠে চারিদিক। তীব্র শব্দ শুনে গ্রামবাসীরা ভিড় জমান। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার তাদের মহড়া চলছিল। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বোমাটি সেখানে পড়ে। যদিও ওই এলাকাটিও ফায়ারিং রেঞ্জের মধ্যেই ছিল। তাই হতাহত হননি কেউ। তবে, গ্রামবাসীদের অনেকের ধান পুড়ে যায়। এবার ধানের জমিতে ভেঙে পড়ল আস্ত একটি যুদ্ধ বিমান। ফলে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur:  লক্ষ্মীপুজোর দিনই খড়্গপুরে ফুল বোঝাই গাড়িতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৬

    Kharagpur: লক্ষ্মীপুজোর দিনই খড়্গপুরে ফুল বোঝাই গাড়িতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুজোর দিন ভোরে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তিন ফুল ব্যবসায়ী সহ ৬ জনের মৃত্যু হল। শনিবার ভোর তিনটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ডেবরা টোল প্লাজা কাছে খড়্গপুর (Kharagpur) লোকাল থানার বুড়ামালাতে এলাকায়। দুর্ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর জখম হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকের বাড়ি খড়্গপুর লোক থানার অন্তর্গত মুকসুদপুর এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে পুলিশ যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kharagpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে শনিবার ভোরে খড়্গপুর (Kharagpur) লোকাল থানার বুড়ামালা এলাকায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে ফুল লোডিংয়ের কাজ চলছিল। ফুল নিয়ে কোলাঘাটে যাওয়ার কথা ছিল গাড়িটির। গাড়িতে ফুল তোলার কাজ করছিলেন কয়েক জন ফুল ব্যবসায়ী-সহ মোট দশ থেকে পনেরো জন। সেই সময় হঠাৎই সিমেন্ট বোঝাই ওই লড়িটি সজোরে এসে ধাক্কা মারে ফুলের গাড়িতে। পাশের একটি নয়নজুলিতে গিয়ে পড়ে ফুলের গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিন জনের। এই ঘটনায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে, আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে একজনকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তপন সামন্ত এক ব্যক্তি। আর উত্তমকুমার বাগ নামে এক ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে, একসঙ্গে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় জাতীয় সড়কে যান চলাচলের গতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যে পুরোপুরি ব্যর্থ তা আরও একবার প্রমাণিত হল।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের কী বক্তব্য?

    এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বাসস্ট্যান্ডের কাছেই গাড়িতে ফুল লোড করার কাজ চলছিল। খড়্গপুর (Kharagpur) লোকাল থানার বুড়ামালা থেকে ফুল বোঝাই গাড়িটি কোলাঘাটের দেউলটি যাওয়ার কথা ছিল। দ্রুত গতিতে আসা ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই ফুল বোঝাই গাড়িটিকে পিষে দেয়। তাতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু-তিনজনকে উদ্ধার করি। অনেকে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের প্রথমে ধমক, রাজি না হলে বাড়ি-গাড়ির প্রলোভন!

    Paschim Medinipur: বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের প্রথমে ধমক, রাজি না হলে বাড়ি-গাড়ির প্রলোভন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করার জন্য বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের বাড়িতে গিয়ে ধমক দিচ্ছে তৃণমূলের নেতারা। শুধু তাই নয়, বোর্ড গঠনের জন্য বাড়ি-গাড়ি দেওয়ারও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনলেন বিজেপির বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Paschim Medinipur)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরের দিন,পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার খড়্গপুর ১ নম্বর ব্লকের গোপালী বাজারে পৌঁছে যান খড়্গপুর সদরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ১১ জন পঞ্চায়েত প্রার্থী ও একজন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী জয়ী হওয়ায় স্থানীয় লোকেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন তিনি। ঠিক তার পরেই বোর্ড গঠনের জন্য তৃণমূল প্রলোভন দিচ্ছে বলে বিস্ফোরক হন বিজেপির এই বিধায়ক।

    কত আসন?

    গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েতে (Paschim Medinipur) মোট আসন সংখ্যা ২৪ টি। তৃণমূল কংগ্রেসর ১১ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বিজেপির জয়ী হয়েছেন ১১ জন প্রার্থী। আর রয়েছেন সিপিএমের ১ জন এবং নির্দলের ১ জন প্রার্থী।

    কেন প্রলোভন?

    নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গ্রাম পঞ্চায়েত (Paschim Medinipur) এখন ত্রিশঙ্কু অবস্থায় রয়েছে। যে দল বোর্ড গঠন করুক না কেন, অন্য দল থেকে নিজেদের দলে ২ জন পঞ্চায়েত প্রার্থীকে যোগ দেওয়ার পরেই গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করতে পারবে। এছাড়াও গোপালীতে বিজেপির ১ জন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ কী?

    খড়গপুর (Paschim Medinipur) সদরের বিজেপির বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখানকার কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছিলাম। ফল প্রকাশ হওয়ার পর এখানে এসে আমরা সবাই শপথ নিলাম। চোরেদের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা জয়ী হয়েছি। তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী গতকাল রাত থেকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে, প্রলোভন দেখাচ্ছে গাড়ি-বাড়ি-টাকা দেবে বলে। কিন্তু চোরেদের দলে আমরা যাব না। ওরাও ১১ টায় জয়ী হয়েছে, আমরাও ১১ টায় জয়ী হয়েছি। বোর্ড গঠনের জন্য আমাদের দল ভাঙতে ওরা এই পথ নিয়েছে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে। হিরণ আরও অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে! এটাই তো নির্বাচন কমিশনারের চরিত্র। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের সঙ্গে উনি মদ্যপান করতে বসে যান। এই নির্বাচন কমিশনার কী করবে! পা চাটবে। এই কমিশনার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটে কাজে লাগায়নি‌।

    উল্টো দিকে এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব অজিত মাইতি বলেন, বিজেপির এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। পালে হাওয়া নেই, তাই এমন অভিযোগ তুলছেন বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী  পরিদর্শনের পরেই বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম (DRM) মহম্মদ সুজাত হাসমি। চলতি মাসের ২ তারিখ খড়গপুর ডিভিশনের ওড়িশার বালেশ্বেরর কাছে বাহানাগায় মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। প্রায় ৩০০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিবিআই। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আমির খান নামে এক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। রেল দুর্ঘটনার তিন সপ্তাহের মধ্যে ডিআরএমকে (DRM) বদলি করে দেওয়ার ঘটনা যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    নতুন কে ডিআরএম (DRM) হলেন?

    বুধবার খড়গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এর আগে দুর্ঘটনার পর পরই তিনি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে থেকে তিনি ট্রেন চলাচল শুরু করার পরই তিনি এলাকা ছাড়েন। রেলমন্ত্রীর এই ভূমিকায় সারা দেশবাসী প্রশংসা করেছিলেন। দুর্ঘটনার পর পরই রেলের সুরক্ষা কমিটি খড়্গপুর এসে একাধিক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। সমস্ত রিপোর্ট রেলের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার কয়েকদিন পরই সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রেলমন্ত্রী ফের পরিদর্শনে আসেন। রেলমন্ত্রী পরিদর্শনের পরেই বৃহস্পতিবারই বদলির নির্দেশ দেওয়া হল ডিআরএমকে। খড়গপুর ডিভিশনের নতুন ডিআরএম হতে চলেছেন কে আর চৌধুরী। তিনি এতদিন উত্তর-পশ্চিম রেলের রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ সামলেছেন।

    পরিদর্শনে এসে কী বলেছিলেন রেলমন্ত্রী?

    ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে বাহানাগা রেল দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রেল। প্রশ্ন উঠেছে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম নিয়ে। এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের সদর খড়গপুর স্টেশনে এসেই এশিয়ার বৃহত্তম রুট রিলে ইন্টারলকিংয়ের পরিকাঠামো পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, আরও শক্তিশালী করা হবে খড়্গপুরের রুটে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেমকে। একই সঙ্গে রেল দুর্ঘটনা নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন এড়িয়ে যান রেলমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: লক্ষ্য নিরাপত্তা, খড়্গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    Paschim Medinipur: লক্ষ্য নিরাপত্তা, খড়্গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল ট্রেন (Coromandel Express) দুর্ঘটনা ঘটেছিল ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে বাহানাগা রেল স্টেশনের পাশেই। এই রেল দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই বড় রেল দুর্ঘটনা থেকে প্রশ্ন উঠেছে রেলের রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম নিয়ে। এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনের সদর খড়্গপুর (Paschim Medinipur) স্টেশনে এসে এশিয়ার বৃহত্তম রুট রিলে ইন্টারলকিং পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেই সঙ্গে রেল মন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আরও শক্তিশালী করা হবে খড়্গপুরের রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেমকে। রেল মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব খড়্গপুরে এসে রেলের অফিস থেকে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, খড়্গপুর (Paschim Medinipur) রেল স্টেশন হল এশিয়ার সব থেকে কমপ্লেক্স রেল স্টেশন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন হল এই খড়্গপুর। যেহেতু খুব বড় স্টেশন, তাই খুব সচেতন ভাবে এখানে কাজ করতে হয়। সুরক্ষা বিধি এবং আগামী পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেন জানান তিনি। রেলমন্ত্রী আরও জানান, সকল দিক খতিয়ে দেখার জন্য খড়্গপুর রেল স্টেশনে এসেছেন তিনি। কীভাবে রেলকে খড়্গপুর শহরের সঙ্গে জুড়ে নতুন ভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেই বিষয়েও রেলের আধিকারিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এই জংশনের ইন্টারলকিং ব্যবস্থা সব থেকে বৃহৎ ইন্টারলকিং ব্যবস্থা। আর তাই এর সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করে কাজ সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ নেওয়া হয়েছে। রেলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সচল, নিরাপদ এবং সুরক্ষিত হওয়াটা একান্ত প্রয়োজনীয়। আর তাই রেল বিভাগ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Derailed: লাইনচ্যুত মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল, সামান্য আহত কয়েকজন

    Train Derailed: লাইনচ্যুত মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল, সামান্য আহত কয়েকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইনচ্যুত (Train Derailed) হল মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল। খড়্গপুর স্টেশনে ঢোকার আগেই এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, ট্রেনটির একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েকজন যাত্রী। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের আধিকারিকরা। তাঁরা অবশ্য জানাচ্ছেন, সামান্য দুর্ঘটনাই ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতি সেভাবে কিছুই হয়নি। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    ঘটনার বিবরণ

    নির্ধারিত সময় শনিবার রাত ৯ টা ৫ মিনিট নাগাদ মেদিনীপুর স্টেশন থেকে ছাড়ে হাওড়া লোকাল। রাত পৌনে ১০টা নাগাদ গিরি ময়দান থেকে খড়্গপুর স্টেশনের মাঝে লাইনচ্যুত হয় লোকালটি। লাইনচ্যুত ট্রেনটি লাইনের পাশের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পরেই খড়্গপুর রেল দফতরে সাইরেন বেজে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ আধিকারিকরা। এই ঘটনায় কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে টিম পাঠানো হয়।”

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বলছেন রেল আধিকারিক?

    এই বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, “ছোট একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। জ্যাক দিয়ে ট্রেনটিকে লাইনে তুলে দেওয়া হয়েছে। খড়্গপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে সাড়ে ১১টা নাগাদ।”

    ভেঙে গেল সরাইঘাট এক্সপ্রেসের প্যান্টোগ্রাফ 

    পূর্ব বর্ধমানের জরলার বনপাশ স্টেশনে ঢোকার আগেই ভেঙে গেল ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফ। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। যে কারণে দাঁড়িয়ে পড়ে হাওড়া-গুয়াহাটি সরাইঘাট এক্সপ্রেস। আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যান যাত্রীরা। চলতি মাসে এরকম একাধিকবার ট্রেনের প্যান্টোগ্রাম ভেঙে গিয়ে বিপত্তি ঘটেছে।

     

    আরও পড়ুুন: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Accident: কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তদন্তে সংগ্রহ করা হল নমুনা

    Coromandel Accident: কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তদন্তে সংগ্রহ করা হল নমুনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনা (Coromandel Accident) সাম্প্রতিক কালের বড় ঘটনা। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২৭৫ জনের, আহতের সংখ্যা প্রায় ১০০০। এত বড় দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। নিরাপত্তায় গাফিলতি, নাকি কোনও চক্রান্ত? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। রেল বোর্ড রীতিমতো সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যেই রেলের সেফটি কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ছিল তদন্তের দ্বিতীয় দিন। সূত্র মারফত জানা গেছে, এদিন রেলকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি সংগ্রহ করা হয়েছে নমুনা। 

    দুর্ঘটনায় (Coromandel Accident) কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তদন্তের দ্বিতীয় দিন

    কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির দ্বিতীয় দিনের তদন্ত প্রক্রিয়ায় খড়্গপুরের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য সংগ্রহ। দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনে কর্মরত বেশ কয়েকজন রেলকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর রেল সূত্রে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া।

    ইতিমধ্যেই গতকাল রেলের কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি বিশেষ মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যে তদন্ত প্রক্রিয়ার বিষয়টি কেমন হবে, তা একবার দেখে নেওয়া যেতে পারে।

    কী বলেছিলেন কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি?

    প্রথম পর্যায়ের জিজ্ঞাসাবাদ এবং নথি সংগ্রহের পরেই সিআরএস আনন্দ এম চৌধুরী বলেছিলেন, তদন্ত করে রেলের সিগন্যালিং সিস্টেম, ইন্টারলকিং সিস্টেম সহ সমস্ত বিষয়ে বিশদে তথ্য নিতে হবে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যে অনেক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই কাজ আগামী দিন তিনেক ধরে চলবে বলেও জানান তিনি। তদন্ত শেষে রেল বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হবে রিপোর্ট। ইতিমধ্যে ট্রেন দুর্ঘটনার (Coromandel Accident) বিষয় নিয়ে পাঁচ-ছজন রেলকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানা গিয়েছিল। এই ট্রেন দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এই বিষয়ে সিআরএস বলেন, আমাদের রেলের পক্ষ থেকে এই তদন্ত, সিবিআই তদন্তের সঙ্গেই চলবে। ফলে এতে কোনও সমস্যা হবে না। সমন্বয় রেখে তদন্ত প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share