Tag: khardah

khardah

  • Khardah: খড়দায় আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর

    Khardah: খড়দায় আদিবাসী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের জমি দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কুলীনপাড়া এলাকায়। দাদাগিরি দেখিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলরের এই জমি দখলের ঘটনায় আদিবাসী পরিবারের লোকজন রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁরা ইতিমধ্যে পুর কর্তৃপক্ষের কাছে দরবার করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Khardah)

    জানা গিয়েছে, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কুলীনপাড়া (Khardah) এলাকায় বহু আদিবাসী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা এই জমিতে প্রায় ১০০ বছর ধরে বসবাস করছি। জমির কাগজপত্র নেই বলে আমরা কাউন্সিলরের কাছে দরবার করেছিলাম। আমাদের নামে কাগজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫০০ টাকা করে চেয়েছিলেন। সেই টাকা আমরা দিয়েছিলাম। কিন্তু, সেই কাগজ আমরা কেউ পাইনি। আমাদের টাকাও কাউন্সিলর ফেরত দেননি। এখন আমাদের জমিতে কাউন্সিলরের নজর পড়েছে। কোনও আলাপ-আলোচনা না করেই কাউন্সিলর আমাদের জমি দখল করার পরিকল্পনা করে। এই এলাকায় নোংরা ফেলার জন্য আমাদের জমি হাতানোর চেষ্টা করে কাউন্সিলর। এমনিতেই আমরা সামান্য জমিতে বসবাস করছি। তার ওপর যদিও কিছুটা জায়গা কাউন্সিলর দখল করে নেয়, তাহলে আমরা হাঁটাচলা করতে পারব না। বিষয়টি আমরা কাউন্সিলরকে বলার পরও কোনও কর্ণপাত করেননি। এরপর খড়দা থানায় জানাই। একইসঙ্গে আমরা চেয়ারম্যানকে জানাই। তিনি জমি দখল করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তৃণমূল কাউন্সিলর স্বরাজ দাস বলেন, জোর করে কোনও কিছু করা হয়নি। ওদের জানিয়ে সব কাজ করেছিলাম। আর টাকা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে এসব করে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    আরও পড়ুন: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুর কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    পুরসভার চেয়ারম্যান (Trinamool Congress) নীলু সরকার বলেন, সরকারি জমিতেই আদিবাসী পরিবারগুলি ১০০ বছর ধরে রয়েছে। ফলে, কাগজপত্র না থাকলেও জমির মালিক তাঁরা। ওই জমি দখল করে কোনও কিছু করা হবে না। বিষয়টি জানার পরই আমি কাজ বন্ধ রেখেছি। আদিবাসী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: ভোটের আগের দিন খড়দায় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান! শোরগোল

    Khardah: ভোটের আগের দিন খড়দায় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই দমদম লোকসভায় ভোট। তার ঠিক আগের দিন এই লোকসভার অন্তর্গত বিধানসভা খড়দায় (Khardah) বিজেপি কর্মীর বাড়ির সামনে সাদা থান ফেলে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। বিজেপি কর্মীর পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগও করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    শুক্রবার খড়দা (Khardah) পুরসভা এলাকার পূর্ব কল্যাণনগর এলাকায় বিজেপি কর্মী পিন্টু পালের বাড়ির সামনে সাদা থান রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এদিন  সকালে ঘুম থেকে উঠে সাদা থান থেকে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিজেপি কর্মী পিন্টু পাল বলেন, আমি সক্রিয়ভাবে বিজেপি করি। গত বিধানসভা নির্বাচনেও আমার ওপর হামলা চালিয়েছিল তৃণমূল। কোনও ক্রমে দলীয় কর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে প্রাণে বাঁচান। আসলে এসব করে ভোটের দিন যাতে বুথের কাজ আমি না করি, সেই জন্যই তৃণমূল ভয় দেখাচ্ছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। বিজেপি কর্মীর স্ত্রী অপর্ণা পাল বলেন, সকালে উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি সামনে একটা সাদা থান আর তার ওপরে কালো পলিথিন ব্যাগে কিছু রাখা আছে। ভয় পেয়ে যাই। আমার স্বামী বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানায়। প্রথমে ভেবেছিলাম পলিথিনের মধ্যে বোমা রাখা আছে। কিন্তু, পরে দেখা যায় বোমার মতো দেখতে সুতলির গোলা রাখা ছিল। সকালে উঠে এসব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। আমরা চাই, দোষীদের গ্রেফতার করা হোক।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, খড়দায় (Khardah) দলীয় কোন্দলে ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের। দুর্নীতির জন্য তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন আমাদের যেসব কর্মী বুক দিয়ে বুথ রক্ষা করবেন, তাঁদের এভাবে ভয় দেখিয়ে বুথে যাতে না যান তারজন্য এসব করছে তৃণমূল। কিন্তু, এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ আমাদের পক্ষে রয়েছে। তৃণমূল নেতা দিব্যেন্দু চৌধুরী বলেন, বিজেপির এখানে কোনও ভোট নেই। তাই, এসব করে ভোটের আগে ওরা নাটক করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বের করুক। কারণ, তৃণমূল এরকম নোংরামো করে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সন্দেশখালির পর এবার খড়দা! ভোটের মুখে ফের উদ্ধার হল অস্ত্র

    Khardah: সন্দেশখালির পর এবার খড়দা! ভোটের মুখে ফের উদ্ধার হল অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল পরমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার খড়দা (Khardah) থানা এলাকা থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র। ভোটের আগে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার হল অস্ত্র? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) এক চাল ব্যবসায়ীর মোটা টাকা চেয়ে হুমকি দিচ্ছিল এলাকারই এক যুবক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। তদন্তের নেমে পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উদ্ধার হল প্রচুর অস্ত্র। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচুর অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করল খরদা থানার পুলিশ। আইপিএল খেলায় বেটিং লাগিয়ে হেরে যাওয়ায় খড়দা থানার বিবেকনগরে এক ব্যবসায়ীর কাছে মোটা টাকা তোলা চেয়ে হুমকি ফোন করেছিল কিছু দুষ্কৃতী। অভিযোগ, তোলার টাকা না দেওয়ায় গত ৭ তারিখ বিবেকনগরে ওই ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করে খড়দা থানার পুলিশ। টিটাগর এলাকা থেকে মূল দুষ্কৃতী ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুষ্কৃতী ওয়াসিমকে জেরা করে তার কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ অমিত শাহের

    কী কী অস্ত্র উদ্ধার হল?

    এমনিতেই ভোটের আগে পুলিশের অভিযান চলতে থাকে। মাঝে মধ্যে অস্ত্র উদ্ধার হয়। কিন্তু, এক দুষ্কৃতীকে ধরতে গিয়ে তার ডেরা থেকে একাধিক অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় পুলিশ আধিকারিকরা হতবাক হয়ে গিয়েছে। দুষ্কৃতীর ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি সেভেন এম এম পিস্তল, একটি রিভলভার ও ১৮ টি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত ওয়াসিমের সঙ্গে বিহারের দুই দুষ্কৃতীর যোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই দুই দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে খড়দা থানার পুলিশ। লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে এত অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় চিন্তিত পুলিশ প্রশাসনও। ফের অভিযান শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সৌগতর সমর্থনে শহর তৃণমূলের মিছিল, গরহাজির প্রার্থী, বিধায়ক, পুর চেয়ারম্যান, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Khardah: সৌগতর সমর্থনে শহর তৃণমূলের মিছিল, গরহাজির প্রার্থী, বিধায়ক, পুর চেয়ারম্যান, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদম লোকসভার খড়দায় (Khardah) শাসক দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শহর তৃণমূলের সভাপতির ডাকা মিছিলে গরহাজির পুরসভার চেয়ারম্যান সহ একাধিক কাউন্সিলর। ফলে, ভোট যত এগিয়ে আসছে তত বেআব্রু হচ্ছে খড়দায় শাসক দলের কোন্দল। পরিস্থিতি এমন যে রীতিমতো আড়াআড়ি বিভাজন হয়ে গিয়েছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের মিছিলে নেই বিধায়ক, চেয়ারম্যান ও একাধিক কাউন্সিলর (Khardah)

    গত ১ মার্চ খড়দা (Khardah) রবীন্দ্রভবনে নির্বাচনী কমিটির চেয়ারম্যান স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আহ্বানে দমদমের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে কর্মী সভায় অনুপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল খড়দা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর সহ ব্লক স্তরের অনেক নেতাকে। সেই কাউন্সিলরদেরই একাংশ খড়দা শহর তৃণমূলের ব্যানারে রহড়া মন্দিরপাড়া থেকে মাঠ রাস্তা মোড় পর্যন্ত সৌগত রায়ের সমর্থনে মিছিল করলেন। যদিও এদিনের মিছিলে মন্ত্রী কিংবা তাঁর গোষ্ঠীর কেউ, পুরসভার পুরপ্রধান থেকে গোটা আটেক কাউন্সিলর অনুপস্থিত ছিলেন।  রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, এদিনের মিছিল ছিল পাল্টা শক্তি প্রদর্শন। মিছিলের সামনের সারিতে শহর তৃণমূল সভাপতি ও কাউন্সিলর সুকণ্ঠ বণিক, উপ পুরপ্রধান সায়ন মজুমদার সহ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    পাল্টা মিছিলের ডাক তৃণমূল বিধায়কের

    মন্ত্রীর ডাকা কর্মী সভায় সৌগত রায় উপস্থিত থাকলেও এদিনের মিছিলে সৌগত রায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা। যদিও আয়োজকদের দাবি, হঠাৎ করেই মিছিল ঠিক হওয়ায় সৌগত রায়ের অন্য জায়গায় প্রচার কর্মসূচি থাকায় তিনি আসতে পারেননি। এতে অবশ্য তারা দোষের কিছু দেখছেন না। এদিকে জানা গিয়েছে, এদিনের মিছিলের পাল্টা হিসেবে আগামী রবিবার মন্ত্রীর গোষ্ঠীর লোকজন মন্ত্রী এবং তাদের প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে মোড়লপাড়া থেকে খড়দা স্টেশন পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে। তবে, খড়দা দ্বন্দ্ব যে সহজেই মিটবে না, তা শোভনদেব এবং সৌগত রায়ের কথাতেই স্পষ্ট হওয়া গিয়েছে। শোভনদেব বলেন, “মিছিল সম্পর্কে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। গোষ্ঠী থাকতে পারে, দ্বন্দ্ব তো করছি না। আমি কোনও কর্মসূচি করলে একজনকে বাদ দিয়ে সবাইকেই বলি।”  কিন্তু সেই একজন কে, তা খোলসা করেননি মন্ত্রী। আবার সৌগত রায় বলেন, “যারা আলাদা মিছিল করেছেন, তারাও দলের অনুগত সৈনিক। আমি বিশ্বাস করি তারা এমন কিছু করবেন না যাতে দলের ক্ষতি হয়।”

    প্রার্থী আসেননি বলে বিধায়ককে জানানো হয়নি

    খড়দহ শহর তৃণমূলের সভাপতি সুকণ্ঠ বণিক বলেন, “মন্ত্রী প্রচণ্ড ব্যস্ত মানুষ। যেহেতু এদিন প্রার্থী সময় দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন, তাই ওনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। প্রার্থী এলে অবশ্যই বলতাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদম লোকসভার খড়দা (Khardah) বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী রণকৌশলের থেকে খড়দার গোষ্ঠী কোন্দল মেটানো এখন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত খড়দার ক্ষেত্রে লড়াইটা এবার যত না বেশী বিজেপি ও সিপিএমের সঙ্গে, তার থেকেও বেশি তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের! আর এটাই এখন তৃণমূলের প্রার্থীর কাছে মস্তবড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত (Khardah)

    দমদম লোকসভা কেন্দ্রের অধীন খড়দায় (Khardah) দলের কোন্দল মেটা তো দূরে থাক, উল্টে যত দিন যাচ্ছে তত বেআব্রু হচ্ছে কোন্দল। সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী এবং বিজেপির শীলভদ্র দত্ত যখন খড়দহে চুটিয়ে প্রচার সারছেন তখন তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত। দলীয় প্রার্থী সৌগত রায়কে নিয়ে কে কোথায় প্রচার করবেন, দেশের সরকার নির্বাচনে খড়দায় প্রচারের রণকৌশল কী হবে সেদিকে যেন কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই স্থানীয় স্তরের নেতা কর্মীদের একটা বড় অংশের। প্রার্থী হিসেবে সৌগত রায়ের ভূমিকা কি, কি ই বা ভূমিকা স্থানীয় বিধায়ক তথা কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দলেরই একাংশ। দিন কয়েক আগে রহড়া বাজারে দলীয় একটি সভায় স্থানীয় এক নেতার সঙ্গে মঞ্চে বিতর্কে জড়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    সৌগত রায়ের সভায় গরহাজির একাধিক নেতা

    কিছুদিন আগে ব্যবসায়ীকে তোলা চেয়ে মারধরের ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের কোন্দল। সেখানে একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল। তারও কয়েক মাস আগে খড়দহ গ্রামীণ এলাকায় দুপক্ষ নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের একটি হোটেল মালিকের কাছে তোলা চেয়ে না পেয়ে সেখানে ঢুকে মারপিট এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূলের এক নেতার ভাই ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেটিতেও প্রতিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল শোভনদেবের গলায়। পরিস্থিতি যা তাতে খড়দা (Khardah) শহর এবং গ্রামীণ উভয় এলাকাতেই তৃণমূলের প্রতিপক্ষ এখন তৃণমূলই। মিটিং মিছিল থেকে দলীয় সভায় লোক হাজির করাতে গিয়ে কার্যত হিমশিম অবস্থা! রবিবার খড়দহ রবীন্দ্রভবনে দলের প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে একটি কর্মী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেও দলের কতিপায় কাউন্সিলর যেমন গরহাজির ছিলেন, তেমনি গ্রামীণ এলাকার কয়েকজন নেতাকেও সেখানে দেখা যায়নি।

    কী বললেন সৌগত?

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে নিয়ে  সৌগত রায় বলেন, ‘ কারও কারও অভিযোগ আছে। ইতিমধ্যেই দু তিন বার তাদের নিয়ে বসেছি এবং অনুরোধ করেছি। রবিবারের মিটিংয়েও কেউ কেউ অনুপস্থিত ছিল। আবার ওদের সঙ্গে বসবো এবং ওদের বোঝাবো নির্বাচনটা একটা আলাদা প্রেক্ষিত। এখানে ব্যক্তির কোনও বিষয় নেই, দলের বিষয় থাকে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে সোমবার সকাল থেকেই রং খেলায় (Holi 2024) মেতে ওঠেন সকলে। দুপুরের পর গঙ্গায় স্নান করতে নেমেই বিপত্তি। চার বন্ধু তলিয়ে যায় নদীতে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা থানার আগরপাড়ার আশ্রমঘাট এলাকায়। এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং বাঁকুড়ায় স্নান করতে নেমেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দোলের পর এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আগরপাড়ায় গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন তিনজন, কালনায় মৃত ২ (Holi 2024)

    এদিন দুপুরে দোল খেলার পর উত্তর ২৪ পরগনার খড়দার আগরপাড়ার আশ্রমঘাটের গঙ্গায় দোল খেলে (Holi 2024)  স্নান করতে গিয়েছিল চারজন। হঠাৎ বান চলে আসায় তাদের মধ্যে চারজনই তলিয়ে যান। চোখের সামনে ভাসতে এই বিপত্তি স্থানীয় লোকজন দেখে গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি তিনজনের হদিশ মেলেনি। অন্যদিকে, রঙ খেলা শেষে পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধারা এলাকায় একটি দিঘিতে এলাকার ছেলেরা স্নান করতে নেমেছিল। অনেকে স্নান করে উঠে যায়। পরে, ওই দিঘিতে স্নান করতে নামেন দুই ভাই। ভাবতেও পারেননি কত বড় বিপদ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। স্নান করতে নেমেই একজন প্রথমে  তলিয়ে যেতে থাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অন্যজনও তলিয়ে যায। আশপাশের লোকজন বিষয়টা বুঝতে পেরেই দিঘিতে দুই ভাইকে উদ্ধার করেন। তাঁদের কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: তারকা প্রচারকরা বিধি না মানলে, বাতিল হবে দলের স্বীকৃতি, সিদ্ধান্ত কমিশনের

    দামোদরের জলে মৃত্যু হল দুজনের

    এদিকে এদিকে রঙ খেলার (Holi 2024) পর বন্ধুদের সঙ্গে স্নান করতে গিয়ে দামোদরের জলে ডুবে মৃত্যু হল বাঁকুড়ার দুজনের। মৃতরা সম্পর্কে দুই ভাই, সানি কুমার ও সোনু কুমার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎই জলের তোড়ে ভেসে যায় ওই দুজন। মৃতদেহ উদ্ধার করে বড়জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃতরা বিহারের বাসিন্দা। তাঁরা বড়জোড়া রায় কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। ইতিমধ্যেই দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: গলায় বিদ্যুতের তার জড়ানো নিথর মেয়ে, কাপড়ের ফাঁসে আত্মঘাতী মা!

    North 24 Parganas: গলায় বিদ্যুতের তার জড়ানো নিথর মেয়ে, কাপড়ের ফাঁসে আত্মঘাতী মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মধ্যে গলায় ইলেকট্রিকের তার জড়ানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে মেয়ে। আর পাশেই গলায় কাপড়ের ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন মা। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) খড়দা থানার আগরপাড়ার পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম  মৌসুমী সান্যাল (৫৫) এবং মেয়ে দিয়া সান্যাল (১৯)। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আগরপাড়ার পীড়তলা এলাকায় সান্যাল পরিবার ঘরভাড়া আসে। বাড়ির কর্তা রজততেন্দ্র সান্যাল অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। মেয়ে বাড়়িতে জয়েন্টের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বাড়িতে তিনজনেই থাকতেন। আত্মীয়স্বজন আসা যাওয়া দেখতে পাননি প্রতিবেশীরা। জানা গিয়েছে, অন্যান্যদিনের মতো এদিন সকালবেলা রজতবাবু বাজার করতে গিয়েছিলেন। বাজারে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বাইরে থেকে তালা মেরে যান। এদিনও বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে তিনি বাজারে চলে যান। বাড়ি ফেরার পর দরজা খুলেই দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, এলাকায় ঘরভাড়া আসার পর থেকে সান্যাল পরিবারের লোকজন খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। বাড়ির দরজা, জানলা সব সময় দেওয়া থাকত। মেয়ে জয়েন্টে প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে আমরা জানতি পারি। তার বেশি তাঁরা আর কিছু বলেনি।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃতের স্বামী রজতবাবু বলেন, মেয়ে গতবার নিট পরীক্ষা দিয়েছিল। পরীক্ষায় সে অকৃতকার্য হয়েছিল। তারপর থেকে ও মানসিক অবসাদে ভুগছিল। ওর চিকিৎসা চলছিল। মায়ের সঙ্গে প্রায় ঝামেলা লাগত। মেয়ের প্রস্তুতির জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করছিলাম। ও ভাল প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এর মধ্যেই এভাবে এই ঘটনা ঘটবে তা ভাবতেই পারছি না। পুলিশ মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে। তবে, কী কারণে মা ও মেয়ে এই ধরনের চরম সিদ্ধান্ত নিল তার রহস্য উদঘাটন করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে কামারহাটি এলাকায় দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অবাধেই আগ্নেয়াস্ত্র ঘোরাফেরা করছে দুষ্কৃতী থেকে সাধারণ যুবকদের হাতে। খড়দার (Khardah) খেলার মাঠে গন্ডগোলের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দা (Khardah) পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শিবমন্দির এলাকায় রবিবার রাতে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলছিল। সেখানে অনেক দর্শকও ছিল। খেলার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আচমকা দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা বাধে। গন্ডগোলের কারণে মাঝপথেই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। খেলোয়াড়রা ব্যাট, বল ছেড়ে একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। অভিযোগ, সেই সময় খেলোয়াড়দের এক পক্ষের হয়ে বাইর থেকে দলবল নিয়ে খেলার মাঠে হাজির হয়। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিকাশ রাজভর নামে এক খেলোয়াড়। তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বিকাশ রাজভর নামে ওই খেলোয়াড়ের উপর চড়াও হন। বন্দুকের বাঁট দিয়ে বিকাশের মাথায় আঘাত করা হয়। হামলার জেরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খড়দা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শটার বন্দুক উদ্ধার করে। যদিও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, খেলার মাঠে কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হতেই পারে, তার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালাতে হবে? সেখানে প্রচুর দর্শক ছিল। গুলি চললে বড় বিপদ হতে পারত। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি অভাবের কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আগামীদিনে আরও অনেক বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: নির্মল ঘোষের পানিহাটি উৎসবে মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীরা অধরা

    Panihati: নির্মল ঘোষের পানিহাটি উৎসবে মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীরা অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কিংবা উৎসবে ভিড়ের মধ্যে শ্লীলতাহানি বা কোনও অপরাধ রুখতে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে বিশেষ বাহিনী তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীরা তো রয়েইছে। এসবের পরও এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের শ্লীলতাহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে পানিহাটিতে (Panihati)। তিনি বর্তমানে রাজ্য পুলিশের র‍্যাফে কর্মরত রয়েছেন। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতা পুলিশকর্মী খড়দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, ঘটনা ঘটার পর প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল, পুলিশ অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    গত ২৩ ডিসেম্বর পানিহাটি (Panihati) উৎসবে ডিউটিতে গিয়েছিলেন ওই পুলিশকর্মী। গায়ে উর্দি পরেছিলেন তিনি। ঘড়িতে তখন রাত আনুমানিক দশটা থেকে সাড়ে দশটা। অভিযোগ, সেই সময় একদল মদ্যপ যুবক র‍্যাফের ওই মহিলা কর্মীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। অভিযুক্তরা স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওই মহিলা পুলিশকর্মীর শ্লীলতাহানিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে মহিলা পুলিশকর্মী বলেছিলেন, আমাকে সেখানে গালিগালাজ করা হয়েছিল। এমনকী ধাক্কাধাক্কির সময় অভব্য আচরণও করা ও হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যে সেখানে কর্তব্যরত অন্যান্য পুলিশ অফিসাররা এসে আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেছিলেন। এরপরই খড়দা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানাই।

    বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সরব হয়েছেন

    এই বিষয় নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্যোশাল মিডিয়ায় মহিলার অভিযোগপত্র তুলে ধরে লিখেছেন, বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ পরিচালিত পানিহাটি (Panihati) উৎসবে তৃণমূলের এক কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এক মহিলা পুলিশকর্মীকে হুমকি, গালিগালাজ ও শ্লীলতাহানি করা হয়। ৬দিন হতে চলল পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। রাজ্যে নারী সুরক্ষার হাল এতটাই খারাপ যে সাধারণ মহিলা তো বটেই , কর্তব্যরত মহিলা পুলিশও ছাড় পান না তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত থেকে।

    অভিযোগে কী লিখেছেন মহিলা পুলিশ কর্মী?

    অভিযোগপত্রে মহিলা পুলিশকর্মী কাউকে চিনতে না পারার কারণে, কারও নাম উল্লেখ করেননি। এফআইআর-ও দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীর উপর চড়াও হওয়া-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চালাচ্ছে খড়দা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত সাধারণ মহিলারা। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ কর্মী সুরক্ষিত না হলে সাধারণ মহিলাদের নিরাপত্তা কে দেবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: দোকানে হামলা, ভাঙচুর, তৃণমূল নেতা-ঘনিষ্ঠ ডাম্পারের তোলাবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

    Khardah: দোকানে হামলা, ভাঙচুর, তৃণমূল নেতা-ঘনিষ্ঠ ডাম্পারের তোলাবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। এমনকী দোকানে ভাঙচুরও করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) থানার কল্যাণনগর এলাকায়। আক্রান্ত ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে খড়দার রহড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীসহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর নাম ডাম্পার। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা গোপাল সাহার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। গোপালবাবু খড়দা (Khardah) শহর তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। গোপালের ছায়াসঙ্গী হচ্ছেন তোলাবাজিতে অভিযুক্ত ডাম্পার। তাঁর মাথায় তৃণমূল নেতার হাত থাকায় এলাকায় রমরমিয়ে তোলাবাজি করেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, খড়দার কল্যাণনগর এলাকায় রাস্তার উপরে দীপু সাহার দোকান রয়েছে। রবিবার রাতে তৃণমূল কর্মী ডাম্পার দলবল নিয়ে এসে ওই ব্যবসায়ীর দোকানে চড়াও হন। প্রথমে তিনি প্রায় পাঁচ হাজার টাকা তোলা চান বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ী তোলার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায়, তাঁর দোকানের ভিতরে ঢুকে মারধর করা হয়। দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। ব্যবসায়ী দীপু সাহা বলেন, দাদা আর আমি দোকানে ছিলাম। ওরা এসে প্রথমে টাকা দাবি করে। অতগুলো টাকা একসঙ্গে দিতে রাজি ছিলাম না। এরপরই আমার উপর চড়াও হয়। আমার দাদাকে দোকানের মধ্যে ঢুকে মারধর করে। আমার জামা ছিড়ে দেয়। দোকানের আসবাবপত্র নষ্ট করে। আমার দাদাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। এই ঘটনা পর আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছে। আমাদের দাবি যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যেন পুলিশ প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে, আমরা ব্যবসা চালাতে পারব না। পুলিশ প্রশাসনের অবশ্যই দেখা দরকার।

    পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কী বললেন?

    খড়দা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন মজুমদার বলেন, গোপাল একসময় সিপিএমের কর্মী ছিলেন। এখন আমাদের দলে ঢুকেছেন। এলাকায় অপরাধমূলক কাজকর্মের সঙ্গে তিনি যুক্ত। তার জন্য এলাকা অশান্ত রয়েছে। এই ঘটনার জন্য দলের মুখ পুড়ছে। এই ঘটনার পর দলের পক্ষ থেকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share