Tag: khejuri

khejuri

  • BJP: ভোটের আগে খেজুরিতে জোর ধাক্কা খেল তৃণমূল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি যোগ দিলেন বিজেপিতে

    BJP: ভোটের আগে খেজুরিতে জোর ধাক্কা খেল তৃণমূল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট যত এগিয়ে আসছে শুভেন্দুর গড় পূর্ব মেদিনীপুরে ক্রমশ জমি আলগা হচ্ছে তৃণমূলের। আর পাল্লা দিয়ে বিজেপির ভিত শক্ত হচ্ছে। এমনিতেই এই জেলায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানপর্ব লেগেই রয়েছে। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন খেজুরি-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উদয়শঙ্কর মাইতি। শুক্রবার সন্ধ্যায় খেজুরির হলুদবাড়িতে বিজেপির (BJP) এক সভায় তৃণমূল ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ভোটের আগে এই যোগদান বিজেপি কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)

    খেজুরি-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে ১৫টি আসন। এরমধ্যে বিজেপির ৯টি, তৃণমূলের ৬টি। গত পঞ্চায়েত ভোটে উদয়শঙ্কর মাইতি বিজেপির (BJP) টিকিটে জয়ী হন। পরে তৃণমূলে যোগ দিয়ে খেজুরি-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন তিনি। এছাড়া আরও একজন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে সহ সভাপতির পদ পান। লোকসভা ভোটের মুখে সেই উদয়ের ফের বিজেপিতে ফিরলেন। তবে, উদয়বাবুর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ফলে তৃণমূলের হাতে রইল ৭ জন। আর এই পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বেড়ে হল ৮। ফলে, এই পঞ্চায়েত সমিতিতে এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ হল বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    খেজুরি-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সমুদ্ভব দাসের বলেন “শুনেছি উদয়বাবু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির সভায় তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। আমরা বিষয়টি ঠিক জানি না। তব, উদয়বাবু কয়েকদিন এলাকায় ছিলেন না। মোবাইলেও যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এখন বিজেপিতে (BJP) গেলেও চলে যেতে পারেন। কারণ, বিজেপি তাঁর পুরানো দল। তাই, তিনি চলে গেলেও তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি তাপস দোলুই বলেন, “বিজেপি সর্বভারতীয় দল। এখানে কেউ যদি নিজের ভুল বুঝতে পেরে বিজেপিতে ফিরে আসেন স্বাগত। তাঁর মতো নেতা দলে ফিরে আসায় এলাকায় দলের সংগঠন আরও মজবুত হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে সমুদ্র সৈকতে এক মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি (Khejuri) বিধানসভা এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি। রাস্তায় নেমে আন্দোলনও হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khejuri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সমুদ্র সৈকতে (Khejuri) এলাকার কিছু মহিলা প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন ওই মূক-বধির মহিলা। অভিযোগ, তখনই জোর করে ওই মহিলাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে সমুদ্র পাড়ে ধর্ষণ করে এলাকারই এক যুবক। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ঘটনা দেখে দ্রুত গ্রামে ফিরে গিয়ে বিষয়টি জানান দলে থাকা অন্যান্য মহিলারা। নির্যাতিতা মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রতিবেশীরা। বিজেপির লোকজনের সঙ্গেই অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার লোকজন। পথ অবরোধও হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে খেজুরি থানা ও তালপাটি থানা বিশাল পুলিশ বাহিনী। তোলা হয় অবরোধ। গ্রেফতার করা হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন খেজুরির (Khejuri) বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। তিনি আবার ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব কাজ করছে। পুলিশের ছত্রছায়া ওরা বেড়ে উঠেছে। ওদের মধ্যে একজন মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন খেজুরি ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমুদ্ভব দাশ। তিনি  বলেন, “অভিযুক্ত তৃণমূলের কেউ নয়, কোনও দিন তৃণমূল করত না। আমরা পুলিশকে বলেছি দোষীর যেন কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি হয়। আর বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: ফের আদালতে ধাক্কা খেল রাজ্য, খেজুরিতে শুভেন্দুর সভারও অনুমতি দিল সেই হাইকোর্ট!

    High Court: ফের আদালতে ধাক্কা খেল রাজ্য, খেজুরিতে শুভেন্দুর সভারও অনুমতি দিল সেই হাইকোর্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সভা হলেই তাতে অনুমতি না দেওয়া এবং শেষমেশ হাইকোর্টের (High Court) গুঁতোয় অনুমতি দিতে বাধ্য হওয়া। তৃণমূল শাসনে এটাই যেন দস্তুর। মাত্র কদিন আগে ধর্মতলায় বিজেপির সভা নিয়েও সেই হাইকোর্টের থাপ্পড় খেল সরকার। কিন্তু এত ঘটনা ঘটে গেলেও বোধোদয় তাদের হয়নি। তাই একের পর এক সভায় বাধা দিয়েই চলেছে পুলিশ এবং প্রশাসন। বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ অন্তত তেমনই। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এমনটাই তারা করেছিল খেজুরিতে শুভেন্দুর সভা নিয়ে। কিন্তু এখানেও একই পরিণতি। হাইকোর্ট দিয়ে দিল সভার অনুমতি। নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করার কৌশল কাজে দিল না মমতার সরকারের। শুধু অনুমতি দেওয়াই নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এমন সব মন্তব্য করেছে, যা যে কোনও প্রশাসনের পক্ষেই লজ্জাজনক। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হাইকোর্ট প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে, শাসক দলের ক্ষেত্রে কি একই নিয়ম মেনে চলা হয়, যা বিজেপির ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে? হাইকোর্টের বিচারপতি রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, বিরোধী দলকে সভার অনুমতি পেতে এভাবে বারবার হাইকোর্টেই বা আসতে হবে কেন?

    অনুমতি দিতে টালবাহানা

    উল্লেখ্য, আগামীকাল, রবিবার খেজুরিতে শুভেন্দু অধিকারীর সভা। এই সভার জন্য অনেক আগেই পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে চরম টালবাহানা শুরু করে। অনুমতি তো দেয়ইনি, আবেদন খারিজও করেনি। তাই বাধ্য হয়ে তৃণমূল হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হয়। মামলাটি এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাশে উঠেছিল শুনানির জন্য। সেখানেই রাজ্যের কাছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, ‘শাসকদল কি কর্মসূচির ১৫ দিন আগে পুলিশকে জানায়? সব সময় কেন বিরোধী দলকে অনুমতির জন্য আদালতে আসতে হবে?

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা (High Court)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কতখানি এলাকা জুড়ে এই সভা করা হবে, তা রাজ্য জানতে চেয়েছিল। বিষয়টি উত্থাপন করে বিচারপতি (High Court) রাজ্যকে বলেন, ‘মঞ্চের আয়তন জানতে চাইছেন কেন? শেষবার যখন শাসকদল সভা করেছিল, তখন মঞ্চের আয়তন জানতে চেয়েছিলেন?’ তবে এদিন অনুমতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, শব্দ দূষণ যাতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। বজায় রাখতে হবে শান্তি। তাছাড়া উস্কানিমূলক বক্তব্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার নামে গিমিক করছেন’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার নামে গিমিক করছেন’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী এখন গেরুয়া খুঁজে বেড়াচ্ছেন। ভোগীদের চোখে গেরুয়া আগুন লাগবেই। কারণ, গেরুয়া হচ্ছে ত্যাগের প্রতীক। আর তিনি এখন ভোগী হয়ে গেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোগী বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার এক বর্ধিত সাধারণ সভার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরিতে এই কথা বলেন তিনি।  

    ভোট পরবর্তী হিংসায় চাকরি দেওয়া নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় চাকরি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari) বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃতদের তালিকা আগে প্রকাশ করুক সরকার। তৃণমূলের হয়ে বোম মারতে গিয়ে যারা মারা গেছেন তাদেরকে সুবিধা দিতে সরকার এমন উদ্যোগ নিয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা, যারা গণতন্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের আত্ম বলিদান দিয়েছেন তাদের নাম হয়তো এই তালিকায় থাকবে না। এমনই আশঙ্কা করেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, আদালতে ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃতদের যে তালিকা আছে তার ভিত্তিতেই সরকারি সুবিধা বা চাকরি দেওয়া হোক। এছাড়াও তিনি বলেন, এই সামান্য বেতনের অস্থায়ী হোম গার্ডের চাকরি না দিয়ে রাজ্য সরকার ভোট পরবর্তী হিংসায় শুধু পঞ্চায়েত ভোট নয় ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পরেও যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারের একজনকে স্থায়ী সরকারি চাকরি দিক। লোকসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দেওয়ার নামে গিমিক করছেন। এমনই অভিযোগ করেন তিনি।

    আইনমন্ত্রী প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু?

    মলয় ঘটককে ইডি-র তলব নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের রায় প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, কয়লাকাণ্ডের ডায়েরিতে এমজি বলে একটি নাম লেখা ছিল। তাঁকে ৫০ লক্ষ টাকা মাসে দিতে হত। এই এম জি কে তা সবাই জানেন। মলয় ঘটকের পিএ-র স্ত্রী নিউ টাউন, আসানসোলে কত সম্পত্তি রয়েছে তা সকলেই জানেন। আমরা রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে খুব শীঘ্রই আমরা অনুব্রত মণ্ডলের পাশে দেখতে চাই। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat Election: খেজুরিতে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী! নির্দেশ আদালতের

    Gram Panchayat Election: খেজুরিতে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী! নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat Election) বোর্ড গঠনে বোমাবাজির অভিযোগ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী বোর্ড গঠনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  নিরাপত্তায় করতে হবে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া। রাজ্য অবিলম্বে এর জন্য কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চাইবে। আদালতের আরও নির্দেশ, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ওই জেলার পুলিশ সুপার। আগের দিনের চাইতে বেশি সংখ্যায় রাজ্য পুলিশের কর্মী মোতায়েন করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ওই বোর্ড গঠনের কাজ হবে বিডিও অফিসের পরিবর্তে জেলাশাসকের দফতরে।

    কী নির্দেশ দিল আদলত?

    ৫ সেপ্টেম্বর খেজুরিতে পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat Election) স্থায়ী সমিতি গঠন নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে তিনটি মামলা হয় হাইকোর্টে। কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী সেদিন বিডিও অফিসে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। তখনই শিশিরের গাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। শিশিরের গাড়িতে যথেচ্ছ বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। এবার ওই মামলায় বিস্ফোরক আইন যুক্ত করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। মামলার শুনানিতে শিশিরের আইনজীবীর মোবাইল ফোনে বোমাবাজির ফুটেজ দেখেন বিচারপতি। এরপরই রাজ্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কি মনে হয় না যে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে? এখানে তো আদালত মামলাকারীদের নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছিল। মামলাকারীরা যদি এফআইআর দায়েরের ক্ষেত্রে কোনও ভুল করেও থাকেন, তবে পুলিশ কী করছিল? তিনি আরও বলেন, ‘আদালতকে বোকা ভাবার কোনও কারণ নেই। যেখানে মানুষের প্রাণ সংশয়ে আছে, সেখানে পুলিশের এই ভূমিকা কেন?’ রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানা হয়, ঘটনার দিন ২৫০ জন পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। তবে, তারা বাইরে ছিল। বিডিও অফিসের ভিতরে গন্ডগোল হয়েছে। বিচারকের প্রশ্ন, পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও ঘটনার মোকাবিলা করা গেল না কেন? তাহলে তাদের বাইরের বাহিনীর সাহায্য প্রয়োজন।

    খেজুরিকাণ্ডে গ্রেফতারি নিয়ে আদালতে কী জানাল রাজ্য?

    শিশিরের সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Gram Panchayat Election) সময় নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী খুকুমণি মণ্ডল। যেহেতু বিস্ফোরণ হয়েছে, সেই কারণে এই মামলার তদন্তের অধিকার রাজ্যের নেই বলে দাবি করেন কেন্দ্রের আইনজীবী। রাজ্য জানায়, মোট ৯ জন গ্রেফতার হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari:  খেজুরিতে আক্রান্ত শিশির অধিকারী, ভাঙল গাড়ির কাচ, কী বললেন জখম সাংসদ?

    Sisir Adhikari: খেজুরিতে আক্রান্ত শিশির অধিকারী, ভাঙল গাড়ির কাচ, কী বললেন জখম সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হামলার মুখে পড়লেন সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)। কাঁথির সাংসদের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গাড়ি লক্ষ্য করে ইঁট মেরে ভেঙে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাচ। ভাঙচুর করা হয়েছে সাংসদের গাড়িতেও। জানা গিয়েছে, ইটের ঘায়ে আহত হয়েছেন শিশিরবাবু। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে খেজুরির তেঁতুলতলা এলাকায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    মঙ্গলবার খেজুরি-২ ব্লকে গিয়েছিলেন সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) । সেখানে এদিন পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির নির্বাচন ছিল। সেই ভোট দান প্রক্রিয়াতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। শিশির অধিকারীর ভোট দানকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। শিশির অধিকারীর সামনে দাবি তোলা হয়, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দান করতে হবে এবং সম্পূর্ণভাবে দেখিয়ে প্রকাশ্যে ভোট দিতে হবে। এমনটাই দাবি ছিল স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের। পরে, গন্ডগোলের জেরে যদিও বিডিও অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় ভোটদান প্রক্রিয়া এদিনের মতো বন্ধ হয়ে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে খেজুরির তেঁতুলতলাতে শিশির অধিকারীর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের ইটের আঘাতে মাথায় চোট লাগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীর। কনভয়ের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীদের তৎপরতায় তাঁকে উদ্ধার করে কাঁথির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

     কী বললেন শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)  ও তাঁর পরিবারের লোকজন?

    ঘটনার পর সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) বলেন, আমাকে আক্রমণ করাই ওদের লক্ষ্য ছিল। খুনের চেষ্টা হয়েছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এমন ঘটনা ঘটেনি। হামলাকারীদের আমি চিনতে পেরেছি। ওদের আগেও দেখেছি। আমি একজন সাংসদ। তাই যেখানে যেখানে অভিযোগ জানানোর প্রয়োজন সেখানে অভিযোগ জানাব। এই নিয়ে তমলুকের সাংসদ তথা শিশির অধিকারীর সেজ ছেলে দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, বাবা খেজুরি থেকে ফিরছিলেন। তখনই ওঁর গাড়িতে ইট যারা হয়। তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে।  আমাদের পরিবারকে লক্ষ্য করেই একের পর এক হামলা হচ্ছে। যে কোনও দিনই খুন হয়ে যেতে পারে অধিকারী পরিবারের যে কেউ।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূলের তরফে এই হামলার নিন্দা করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ওকে আগে বলতে হবে তৃণমূলের উপর তৃণমূল হামলা কেন চালাবে? উনি তাহলে কোন দলের সাংসদ, সেটা তিনি আগে স্পষ্ট করে বলুন। উনি তৃণমূল সাংসদ হলে ওর উপর হামলায় প্রশ্ন তুলছে কেন বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভা করার কথা আগেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সভার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। অবশেষে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় শনিবার সন্ধ্যায় নির্ধারিত সভা বাতিল করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । এদিন খেজুরিতে সভা করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিরোধী দলনেতা। সভা করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধী দলনেতার বচসা বাধে। এরপর খেজুরিতেই সভা করার হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু। এ-বিষয়ে সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। শনিবার শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বেতন পায়। সোমবার আদালতে যাব। আগামী শনিবার আসব। আলিপুর বাজারেই আমি সভা করব।’

    কেন সভা?

    গত ১০ অগাস্ট খেজুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন ছিল। খেজুরির ২৮টি আসনের মধ্যে ১৬টি আসন দখল করে বিজেপি ও ১২টি আসন পায় তৃণমূল। সেই বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে দুই দলের কর্মীদের বচসা হয়। পরে, হাতাহাতিতে পৌঁছায়। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, ওই দিনের ঘটনায় তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর আহত ওই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে শনিবার সভা করতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু, মেলেনি পুলিশি অনুমতি । পালটা পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে গোটা এলাকায়। সভা অনুমতি না দেওয়ার প্রতিবাদেই বিরোধী দলনেতা এদিন শ্যামপুর মোড়ে আসেন। বিজেপি কর্মী- সমর্থকদের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হব।

    সভায় পুলিশি বাধা নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?  (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিজেপি নেতা গোপাল মাইতির বাড়িতে যান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । অভিযোগ, পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনের দিন তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন আর তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে বাড়ি ফিরেছেন গোপাল । তাই গোপালের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু। এরপর খেজুরি বিদ্যাপীঠ এলাকায় একটি মিটিং হলে দলীয় জয়ী সদস্যদের নিয়ে তিনি সভা করেন। পুলিশ সভার অনুমতি না দেওয়া প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘আমাকে এরা ভয় পেয়েছে। তাই ১৪৪ ধারা জারি করেছে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, আগামী সোমবার হাইকোর্টে মামলা হবে। আদালতের অনুমতি নিয়েই আগামী শনিবার আলিপুর বাজারেই সভা করব। এই এলাকায় বিজেপি জিতেছে। তাই পুলিশের মদতে তৃণমূলের লোকেরা গণ্ডগোল করছে। আজকে আমাদের কর্মসূচি ছিল। তৃণমূলের কয়লা, বালি, গরু বিক্রির অনেক টাকা আছে। সেই টাকা দিয়ে আমাদের পঞ্চায়েত সমিতির দু’জনকে কিনেছে। দু’জনকে কেনার পরেও পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি গঠনে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ  আছি। আমাদের সাতজন সদস্য আছে, তিনজন প্রধান আছেন। এমপি, এমএলএ মিলিয়ে আমরা ১৩ জন আছি।’ এদিন শুভেন্দুর কনভয়ের সামনে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা স্লোগান দেন। পালটা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেন বিজেপি সমর্থকরা। তাতে কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শুভেন্দুর সভার আগেই খেজুরিতে তৃণমূলীদের তাণ্ডব! একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, আক্রান্ত বহু বিজেপি কর্মী

    BJP: শুভেন্দুর সভার আগেই খেজুরিতে তৃণমূলীদের তাণ্ডব! একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, আক্রান্ত বহু বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সফরে এসে খেজুরির ঠাকুরনগরে ৩ রা এপ্রিল প্রশাসনিক জনসভা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল ১০ এপ্রিল সেই মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা রাজনৈতিক জনসভা করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। প্রশাসন সভার অনুমতি না দিলেও কলকাতা হাইকোর্ট অনুমতি দিয়েছে। আর সেই সভার আগেই তৃণমূলীদের তাণ্ডব ও দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হল খেজুরিতে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। জানা গিয়েছে, খেজুরি-১ ব্লকের বীরবন্দর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কন্ঠীবাড়ী গ্রামে।  রাস্তাঘাট নেই। বারবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা। ফলে, এই ক্যাম্পের কোনও প্রয়োজন নেই বলে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।  পাশাপাশি খেজুরির বারাতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বহু বিজেপি (BJP) কর্মীর বাড়িতে ও দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, বারাতলা অঞ্চলের ১৭০ নম্বর বুথে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি (BJP)  কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়। একাধিক কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে। হামলায় একজন মহিলা কর্মী কোমরে গুরুতর চোট পেয়েছেন। হাতও ভেঙে দিয়েছে। দু- তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে তৃণমূলীরা। আলো বালা রঞ্জিত, আঙ্গুরবালা রঞ্জিত, দিপালী পাত্র ,স্বপন মালি ,সুকুমার বেরা, সুমন মালি সহ কয়েকজন বিজেপি (BJP)  কর্মী জখম হয়ে তমলুক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    কেন হামলা চালাল তৃণমূল?

    রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম ও তার পাশের বিধানসভা খেজুরি। গত বিধানসভা ভোটে জমি রক্ষার আন্দোলন খ্যাত নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  পাশের বিধানসভা খেজুরিতেও পরাজিত হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী। যে জমি আন্দোলন,  যে নন্দীগ্রাম খেজুরির হাত ধরে রাজ্যের মসনদে বসেছে তৃণমূল সেই নন্দীগ্রাম ও খেজুরি পুন:দখলই এই পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান লক্ষ্য।  উল্টোদিকে, বিধানসভা ভোটের সাফল্য ধরে রেখে নন্দীগ্রাম খেজুরি থেকে তৃণমূলকে একদমে উৎখাত করে দেওয়াই লক্ষ্য বিজেপির (BJP) । এমন প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সভা ও পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari) সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ ক্রমে বাড়ছে খেজুরি, নন্দীগ্রাম সহ গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।  পঞ্চায়েত ভোটের আগে হারানো মাটি ফিরে পেতে চাইছে তৃণমূল। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভার আগে এলাকায় বিজেপি (BJP)  কর্মীদের উপর সন্ত্রাস তৈরি করতেই তৃণমূলীরা হামলা চালায়। এমনই অভিযোগ বিজেপির (BJP) ।

    কী বললেন বিজেপির বিধায়ক ?

    তৃণমূলীদের হামলার প্রতিবাদে শনিবার খেজুরির গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যাপীঠ মোড়ে বিজেপি (BJP)  কর্মীরা রাস্তা অবরোধ করেন। খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেন, এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই তৃণমূলীরা হামলা চালায়। বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকায় তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আসলে ভয় দেখিয়ে কেউ জনসভায় না যায়, সেই চেষ্টা করছে তৃণমূল। এসব করে আমাদের কর্মীদের ভয় দেখানো যাবে না। দলীয় সভায় কর্মীদের ভিড় উপচে পড়বে।

    হামলা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের খেজুরি ২ ব্লকের সভাপতি শ্যামল মিশ্র বলেন, তৃণমূল উন্নয়ন করেছে, গন্ডগোল করার দরকার নেই। মানুষ ভালোবেসে ভোট দেবেন আমাদের। এইসব মিথ্যা অভিযোগ করে প্রচারে থাকার চেষ্টা করছে বিজেপি (BJP) ।  পঞ্চায়েত ভোটের পর এদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: শাসকের কৌশল ব্যর্থ! ২৬ অগাস্ট খেজুরিতে শুভেন্দুর সভা হবে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: শাসকের কৌশল ব্যর্থ! ২৬ অগাস্ট খেজুরিতে শুভেন্দুর সভা হবে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার মাঠে মারা গেল শুভেন্দুর সভায় বাধা দেওয়ার শাসকের কৌশল! ১৯ অগাস্ট পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে সভা করার কথা ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। ১৪ অগাস্ট এ ব্যাপারে অনুমতি চেয়েছিল পদ্মশিবির।

    সভায় বাধা পুলিশেরও

    বিজেপির আইনজীবীর (Calcutta High Court) দাবি, সভার ঠিক আগের দিন ওই এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। এরপর সভার দিন বদল করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। ঠিক হয়, সভা হবে ২৬ অগাস্ট। এবার বাধ সাধে পুলিশ। বিজেপিকে সভার অনুমতি দেয়নি তালপাতি ঘাট উপকূল থানা। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। বিজেপির আইনজীবীর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে প্রতি পদে বাধা দিচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন।

    শুভেন্দুর সভা ২৬ অগাস্ট 

    বৃহস্পতিবার আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ, ২৬ অগাস্ট খেজুরিতে সভা করতে পারবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সভা করতে পারবে বিজেপি। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে। আদালত জানিয়ে দেয়, সামান্য অশান্তি হলেই ১৪৪ ধারা জারি করা যায় না। এ রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি হয়নি। রাজ্যের যুক্তি মেনে অশান্তির কারণে যদি খেজুরিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, তবে যাদবপুরে নয় কেন? কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, “এটা পুলিশ শাসিত রাজ্য নয় বা জরুরি অবস্থাও জারি হয়নি। এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় না। বিরোধীদের আটকাতে বাচ্চাদের মতো লড়াই করছেন কেন? আর অশান্তির কথা যদি বলেন, যাদবপুরে কি ১৪৪ ধারা জারি করেছেন?”

    আরও পড়ুুন: “আমরা তো চাঁদেই বাস করছি”! ভারতের ‘চাঁদমারি’তে শ্লেষ পাক নাগরিকের

    তাঁর মন্তব্য, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের। কিন্তু কেবল বিরোধীদের আটকাতে এমন বাচ্চাদের মতো যুক্তি খাড়া করা যায় না।” বিচারপতি (Calcutta High Court) সেনগুপ্ত বলেন, “যে যে ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়, তার কোনওটাই খেজুরির ক্ষেত্রে ঘটেনি। ভাঙড়েও ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে। খেজুরি তো ভাঙড় নয়!” বিচারপতির নির্দেশ, ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশ খারিজ করা হল। আগামী ২৬ অগাস্ট খেজুরিতে সভা করতে পারবে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share