Tag: khobar

  • Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি। শনিবার রাতে করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় ওই ঘটনায় সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রথম গুলির শব্দ শোনা মাত্রই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দ্রুত ওয়াশিংটনের ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় (Shooting In White House)। উপস্থিত অতিথিরা টেবিলের নীচে আশ্রয় নেন। যদিও আধিকারিকরা জানান, ট্রাম্প জখম হননি, হতাহতেরও খবর মেলেনি। সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ভোজসভা কক্ষে ঢুকে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় অতিথিদের মধ্যে। “স্যার, সরে যান!”, “নীচে ঝুঁকে পড়ুন!”—এমন চিৎকার শোনা যায়।

    আট রাউন্ড গুলি! (Shooting In White House)

    উপস্থিত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, তাঁরা পাঁচ থেকে আটটি গুলির মতো শব্দ শুনেছেন। শত শত সাংবাদিক, সেলিব্রিটি এবং জাতীয় নেতায় ভরা ভোজসভা কক্ষটি দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয় এবং অতিথিদের বের হতে দেওয়া হলেও, ফের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, হেড টেবিলে ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তখন মটরশুঁটি ও বুরাটা সালাড খাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে নীচে ঝুঁকে পড়তে বলে (Shooting In White House)।

    “অনুষ্ঠান চলতে দিন”

    এই হোটেলটি সাধারণত এই অনুষ্ঠানের সময়ও সাধারণ অতিথিদের জন্য খোলা থাকে, নিরাপত্তা প্রধানত বলরুম এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে। ঘটনার পর ট্রাম্প বলেন, “অনুষ্ঠান চলতে দিন।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তিনি অনুষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেন (Donald Trump)। তিনি সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুইয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উপস্থিতি। মিডিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর গুলিবর্ষণ হয়েছিল। সেবার তাঁর কানে হালকা আঘাত লেগেছিল। ওই ঘটনায় একজন দর্শক নিহত হয়েছিলেন। জখমও হয়েছিলেন দু’জন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে গুলি করে নিকেশ করে (Shooting In White House)।

     

  • India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    India Russian Oil Imports: ভারতে রুশ তেলের চালান রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে রুশ তেলের চালান এপ্রিল এবং মে মাসজুড়ে রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Supply Stability), এটি ভারতের কৌশলগত জ্বালানি পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক বিঘ্ন সত্ত্বেও সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতারই প্রতিফলন (India Russian Oil Imports)।

    অপরিশোধিত তেলের চাহিদা (India Russian Oil Imports)

    ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই বিকল্প, নিষেধাজ্ঞামুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার একটি বড় অংশ নিশ্চিত করেছে। চিনের পরে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা এবং রাশিয়ার প্রধান উরালস গ্রেডের শীর্ষ আমদানিকারী দেশ হিসেবে ভারত জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য এবং সরবরাহ নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে। মার্চ মাসে দেশটি প্রতিদিন রেকর্ড ২.২৫ মিলিয়ন ব্যারেল (bpd) রাশিয়ান তেল আমদানি করেছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ এবং মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা একটি অস্থির বৈশ্বিক পরিবেশে জ্বালানি সংগ্রহে ভারতের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে।

    বাড়ছে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি

    সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, অল্প সময়ের বিঘ্নের পর ফের ভারতীয় বন্দরে রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি বাড়ছে। ২০–২৭ এপ্রিল সপ্তাহে আমদানি ২.১ মিলিয়ন বিপিডিতে পৌঁছনোর পূর্বাভাস রয়েছে, যা তার আগের সপ্তাহের ১.৬৭ মিলিয়ন বিপিডি থেকে বেশি। এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক পতনের প্রধান কারণ ছিল মার্চের শেষ দিকে রাশিয়ার বন্দর পরিকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলার ফলে রফতানি বিঘ্ন। তবে বর্তমানে সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে এবং মাসিক গড় ২ মিলিয়ন বিপিডির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, মে মাসে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনাও আছে। ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ইতিমধ্যেই মে মাসের কার্গো আগেভাগেই নিশ্চিত করেছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় বাড়ানোর আগেই (India Russian Oil Imports)। এই সক্রিয় ক্রয় কৌশল সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলি মে মাসের সরবরাহের জন্য ডেটেড ব্রেন্টের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ৭ থেকে ৯ ডলার বেশি মূল্য দিচ্ছে, যা এপ্রিলের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্থিতিশীল চাহিদা ও অনুকূল বাণিজ্যিক ব্যবস্থার প্রতিফলন (Supply Stability)।

    ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

    মার্চের মাঝামাঝি সময়ে জারি করা এবং সম্প্রতি বাড়ানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া-সংক্রান্ত ছাড় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত জনিত বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে। যদিও রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে, এই ছাড়ের ফলে নিয়ম মেনে চলা সংস্থাগুলির মাধ্যমে রাশিয়া তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছে, ফলে দেশগুলি বড় ধরনের কোনও বিঘ্ন ছাড়াই আমদানি করে চলেছে (India Russian Oil Imports)। জ্বালানি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে ভারত তার সামুদ্রিক বীমা ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করেছে। অনুমোদিত রাশিয়ান বীমা সংস্থার সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১১ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ লজিস্টিক নমনীয়তা বাড়ায় এবং চালানের জন্য বন্দরের কার্যকলাপকে আরও মসৃণ করে (Supply Stability)।

    সামগ্রিকভাবে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভারতের ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগত অংশগ্রহণ তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং স্থিতিস্থাপকতাকে তুলে ধরে। নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে এবং জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার (Supply Stability) মধ্যেও এগিয়ে চলেছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে (India Russian Oil Imports)।

     

  • Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও উচিত নয় সরাসরি রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত (Sabarimala Case) হওয়া। সুপ্রিম কোর্টকে (SC) এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন্দ্রের বক্তব্য (Sabarimala Case)

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই বক্তব্যটি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নয়-সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের সামনে উপস্থাপন করেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূ্র্য কান্ত। বেঞ্চটি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা এবং ২৬ নম্বরের অধীনে রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছে, যা শবরীমালা রিভিউ পিটিশনস থেকে উদ্ভূত।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল

    কেন্দ্রের অবস্থান ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সিস্টেমের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্যের ওপর জোর দেয়। সরকার সাফ  জানিয়ে দিয়েছে, তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সরাসরি সরকারি পরিচালনার পক্ষে নয়। যদিও অনুচ্ছেদ ২৫(২) রাষ্ট্রকে আর্থিক ও রাজনৈতিক মতো ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অনুমতি দেয়, সরকার যুক্তি দেয় যে এটি চিরকালের জন্য মন্দির দখলের অনুমতি দেয় না। সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, “সংবিধানের ব্যাখ্যা সব ধর্মের জন্য সমান হওয়া উচিত এবং কোনও একক ধর্মের প্রথার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়।” কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অনেক হিন্দু প্রথা স্বভাবতই বহুমাত্রিক, যেখানে কিছু মন্দিরে রীতিনীতির ভিত্তিতে প্রবেশ সীমাবদ্ধ থাকে, এবং এই বৈচিত্র্য উপেক্ষা করে একরূপ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে (Sabarimala Case)।

    পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

    যদিও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে কথা বলা হয়েছে, বেঞ্চ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালতের মন্তব্য, সম্পূর্ণ বর্জনের অধিকার সমাজকে (SC) বিভক্ত করতে পারে এবং হিন্দু ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ক্ষুণ্ণ করতে পারে। বিচারপতি বিভি নাগারাথনার মন্তব্য, “সবারই প্রতিটি মন্দির ও মঠে প্রবেশাধিকার থাকতে হবে”। সামাজিক সংস্কার ও বৈষম্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ২৫(২)(খ)-এর অধীনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট রায়গুলিতে আদালত ধারাবাহিকভাবে বলেছে যে মন্দিরের অর্থ “দেবতার সম্পত্তি” এবং তা শুধুমাত্র মন্দিরের স্বার্থেই ব্যবহার করা উচিত, অন্য কোনও সরকারি ব্যয় বা বাণিজ্যিক কাজে নয়।

    বিতর্কিত বিষয়

    এই বিষয়টি এখনও বিতর্কিত। অনেকেরই যুক্তি, হিন্দু মন্দিরগুলিই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে, যেখানে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারগুলি সাধারণত স্বশাসিত। ভক্তরা প্রায়ই আপত্তি করেন যে মন্দিরের আয় ধর্মীয় কার্যকলাপের ক্রমের বদলে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আশঙ্কা রয়েছে যে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান বা ভক্তি নাও থাকতে পারে (Sabarimala Case)। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণ মন্দির বোর্ডগুলোকে ‘রাজনৈতিক পার্কিং লটে’ পরিণত করতে পারে, যেখানে নিয়োগগুলি যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় (SC)।

    এই বিতর্ক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মন্দির পরিচালনায় ব্যাপক সরকারি অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে চলছে। কেরলের বিভিন্ন দেবস্বম বোর্ড প্রায় ৩,০০০ মন্দির পরিচালনা করে। তামিলনাড়ুতে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস বিভাগ ৩০,০০০-এরও বেশি মন্দির পরিচালনা করে। অন্ধ্রপ্রদেশে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমস তিরুপতি বালাজি মন্দির পরিচালনা (Sabarimala Case) করে। কর্নাটক ও উত্তরাখণ্ড-সহ অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কাঠামো রয়েছে।

     

  • Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “আরএসএস হল জনগণের স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে প্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত।” ২৩ এপ্রিল আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির হাডসন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনায় সংগঠনের তৃণমূলস্তরের কাজ এবং মতাদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

    আরএসএস স্বেচ্ছাসেবী জনআন্দোলন (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএসের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “আরএসএস জনগণের একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন, যা ভারতের প্রাচীন সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধ থেকে অনুপ্রাণিত, যা সাধারণত হিন্দু সংস্কৃতি নামে পরিচিত…।” তিনি বলেন, “চরিত্র, আত্মবিশ্বাস, সমাজের প্রতি সেবাবোধ এবং সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে আরএসএস প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক এক ঘণ্টার সমাবেশের আয়োজন করে (Dattatreya Hosabale)।”

    জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি

    সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই এক ঘণ্টার সমাবেশের মাধ্যমে আমরা জীবনের মূল্যবোধ গড়ে তুলি… সমাজের উন্নতি ও জাতীয় ঐক্যের জন্য মানবিক সামাজিক পুঁজি তৈরি করি… প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আরএসএস ত্রাণ কার্য পরিচালনা করে… আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় ৪০টি নাগরিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে (RSS)।” ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে পরিচয় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু পরিচয়কে আরএসএস একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। আরএসএসের মতে, হিন্দু পরিচয় একটি সভ্যতাগত পরিচয়, ধর্মীয় নয়… আরএসএস সব সময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়েছে, যা সরাসরি কোনও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয় (Dattatreya Hosabale)।”

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরএসএসের বক্তব্য

    ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থ, ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য কারণে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আরএসএস বিশ্বাস করে যে সকল গোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক ও বিস্তৃত আলাপ-আলোচনা এই ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করবে… আরএসএস সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং তাদের নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনায় যুক্ত রয়েছে (RSS)।” আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিভিন্ন কারণে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে, বিশেষত তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। গত কয়েক দশকে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে… সমস্যা মূলত একটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে, যা ভারতের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে। এখন তা প্রতিবেশী দেশ হলেও, অনেক শক্তি সেই দেশকে ব্যবহার করে সমস্যা তৈরি করছে।”

    হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই

    আরএসএসকে ‘হিন্দু আধিপত্যবাদী’ সংগঠন বলা হয়। এহেন অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে হোসাবলে বলেন, “হিন্দু দর্শন ও সংস্কৃতি স্বভাবতই আধিপত্যবাদী নয়… আমরা সব কিছুর মধ্যেই ঐক্য দেখি—জীবিত বা জড়। যখন এটাই হিন্দুদের মৌলিক দর্শন, তখন আধিপত্যবাদী হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইতিহাসে হিন্দুরা কখনও অন্য দেশ আক্রমণ করেনি বা কাউকে দাসত্বে আবদ্ধ করেনি (RSS)। হিন্দুদের ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই (Dattatreya Hosabale)।”

     

  • WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    WB Assembly Election 2026: ভোটগ্রহণের সময় গন্ডগোল করতে গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে নামিয়েছিল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনব্যবস্থা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হারানোর আশঙ্কায় নড়বড়ে (Post Poll Violence) হয়ে পড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের সময় বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত সৃষ্টি করতে তারা তাদের গুন্ডাবাহিনীকে মাঠে (Post Poll Violence) নামিয়েছে। জানা গিয়েছে, গুন্ডাবাহিনীকে বিরত রাখতে এবং মমতা সরকারের পতন ঠেকাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করেছে (WB Assembly Election 2026)। সংবাদ মাধ্যমে এমন ৯টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার ঘটেছে (WB Assembly Election 2026)।

    ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা (WB Assembly Election 2026)

    এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে। জনতা প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দেন, তাকে তাড়িয়ে দেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ৫৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেয়। অভিযোগের পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রথম দফার ভোটের সময় তৃণমূলের তরফে দুষ্কৃতীরা কুমারগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে হেনস্থা করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা (Post Poll Violence) করছে। দোষীরা পালানোর চেষ্টা করলেও, পুলিশ হামলাকারীদের থামাতে কিছুই করেনি বলে অভিযোগ।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা

    একই কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে বিজেপি কর্মীরা তাদের তাড়িয়ে দেন। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) মুর্শিদাবাদের রাস্তায় নেমে গিয়ে যান চলাচল ব্যাহত করে। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তারা তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যায় বলে অভিযোগ (WB Assembly Election 2026)। এদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সমর্থকদের মধ্যে (Post Poll Violence) সংঘর্ষ হয়। কবীর, যিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা, তাঁকে তৃণমূল কর্মীরা প্রচারে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এর ফলে দু’পক্ষের মধ্যে লাঠি ও পাথর নিয়ে তীব্র সংঘর্ষ হয়। একটি ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করতে এবং হুমকি দিতে শোনা যায়।

    লুঙ্গি বাহিনীর তাণ্ডব

    বৃহস্পতিবার (২৩শে এপ্রিল) মমতা সরকারের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। ঘটনাটি ঘটে বীরভূম জেলার দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জনতা ইট-পাথর ছুড়ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে (Post Poll Violence)। তারা একটি পুলিশের গাড়ির কাচও ভাঙচুর করে (WB Assembly Election 2026)। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীরভূম জেলার লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা (WB Assembly Election 2026) বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ফেলে এবং লাথি-ঘুষি মারে। উত্তেজিত জনতা গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে দেয়, আর পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে আক্রমণ

    পরে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির এক পোলিং এজেন্টকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ কেন্দ্রে বুথ দখলের খবরও সামনে আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় এবং তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল শহরে বিজেপি (WB Assembly Election 2026) প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তারা তাঁর গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে গুরুতরভাবে আঘাত করার চেষ্টা করে। তবে বিজেপি নেত্রী অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন (WB Assembly Election 2026)। পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

    মমতা সরকার এবং তাদের তথাকথিত ‘লুঙ্গি বাহিনী’ ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা এবং হিংসার মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে এগিয়ে আসেন এবং তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

     

  • India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ক (SAARC Currency) কারেন্সি সোয়াপ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় প্রথমবারের মতো মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত (India)। এর জেরে দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তা আরও জোরদার হল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ভারতীয় হাইকমিশনের বক্তব্য (India)

    মালের ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই অর্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং মলদ্বীপ সরকারের মধ্যে হওয়া চুক্তির প্রথম কিস্তি হিসেবে ছাড়া হচ্ছে। এই চুক্তিটি হয়েছিল মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজুর ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, নয়াদিল্লি সফরের সময়। উল্লেখ্য, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে মলদ্বীপের নেওয়া পূর্ববর্তী ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসুবিধার মেয়াদপূর্তির পর। এটি নেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরেই। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই ঋণ শোধ সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা পালনের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে (India)।

    ‘নেবারহুড ফার্স্ট’

    ২০১২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক চালু হওয়ার পর থেকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মলদ্বীপকে মোট ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (SAARC Currency) বেশি সোয়াপ সাহায্য দিয়েছে। হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, এই সুবিধাটি মলদ্বীপের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India)। এছাড়া, ভারত তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ (Neighbourhood First) নীতি এবং ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR) -এর আওতায় মলদ্বীপকে সাহায্য দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি প্রয়োজনে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার ও প্রথম সাহায্যকারী হিসেবে ফের একবার নিশ্চিত করল ভারতের ভূমিকা (SAARC Currency)।

     

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ এপ্রিল ছিল আদি শঙ্করাচার্য জয়ন্তী। এই শুভ দিনে ত্রিপুরার মোহনপুর মহকুমার ফকিরমুরা গ্রামে মা ত্রিপুরেশ্বরীর উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ী মন্দিরের উদ্বোধন করা হল (Mohan Bhagwat)। চিন্ময় মিশন দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরের উদ্বোধন সংস্থাটির ৭৫তম বার্ষিকীর সঙ্গে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় (RSS)। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতারাও।

    উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা (Mohan Bhagwat)

    আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল তথা ত্রিপুরা রাজবংশের জিষ্ণু দেববর্মণ এবং রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী। অনুষ্ঠানের পর মন্দির প্রাঙ্গণে একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক অংশগ্রহণের এক অপূর্ব মিশ্রণ প্রতিফলিত হয়। এই সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক আরএসএসের মোহন ভগবত, সমাজের দুর্বল অংশের জন্য চিন্ময় হরিহর বিদ্যালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য-সহ সমাজের প্রতি চিন্ময় মিশনের সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    জ্ঞান বা পাণ্ডিত্যের সংজ্ঞা

    প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ভাষণে  ভগবত জ্ঞান এবং প্রকৃত উপলব্ধির মধ্যে গভীর পার্থক্যের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে কেবল বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি। গত দু’হাজার বছরে, বিশ্ব বিজ্ঞান থেকে সমাজতন্ত্র পর্যন্ত সব কিছু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবুও আজ, তামাম বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজন ভারতের বিশ্বদৃষ্টি এবং সনাতন ধর্মের পথনির্দেশনা।” তাঁর মতে, সনাতন ধর্ম বর্তমানে সমগ্র বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাচ্ছে। মন্দিরের সামাজিক ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, এটি ভারতীয় সামাজিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুও। বর্তমান যুগে শক্তির পাশাপাশি ভক্তিও প্রয়োজন (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের সতর্কবার্তা

    দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরসঙ্ঘচালক একটি সতর্কবার্তাও দেন। তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের শক্তি নিহিত। কিন্তু ভারতের এই উত্থান থামাতে বহিরাগত শক্তিগুলি ক্রমাগত আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরার রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী ভারতের শাশ্বত ঐক্যের বার্তা দেন (RSS)। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের সকলের মাতৃভূমি হল আমাদের ভারতবর্ষ।” তিনি প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে ভারতমাতার প্রতি আত্মসমর্পণের চেতনা জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানান। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁর ভাষণে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Mohan Bhagwat)।

    মন্দিরের স্থাপত্যের প্রশংসা

    মন্দিরের সুন্দর স্থাপত্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই মন্দিরটি শুধু ত্রিপুরার জন্যই নয়, সমগ্র ভারতের মানুষের জন্য আধ্যাত্মিকতা ও শ্রদ্ধার আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।” মুখ্যমন্ত্রী চিন্ময় মিশনের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদানের এই মহান উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দাসেনা রেড্ডি বর্তমান ভোগবাদী সামাজিক ব্যবস্থায় চিন্ময় মিশনের ভূমিকার গভীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরার মতো একটি সীমান্ত রাজ্যে এই (RSS) বিদ্যালয় ও মন্দির স্থাপন করা কেবল একটি ধর্মীয় কাজ নয়, এটি একটি অনন্য সামাজিক সংস্কার প্রচেষ্টা (Mohan Bhagwat)।”

     

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

  • ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই ফের দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং রথীন ঘোষকে চলতি সপ্তাহেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৪ এপ্রিল শুক্রবার তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে খবর। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সেদিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুজিত এবং রথীনের।

    নির্বাচনের আবহে দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির (ED)

    বিধাননগর কেন্দ্র থেকে লড়ছেন সুজিত, আর মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রথীন। এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার ইডি তলব করেছিল তাঁদের। সেই মতো ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরাও দিয়েছিলেন তাঁরা। পরে ইডির তলব পেয়ে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে গিয়েছিলেন সুজিতের ছেলে। বৃহস্পতিবার ২৩ তারিখে হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এই আবহে তৃণমূলের আরও এক প্রার্থী দেবাশিস কুমারকেও একাধিকবার তলব করেছে ইডি। তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতরে হানা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    মমতার প্রতিক্রিয়া 

    লাগাতার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব পেয়েছেন দলের একের পর এক নেতা। তার প্রেক্ষিতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় ইডি-সহ কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বারবার তলবের মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যস্ত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Sujit Bose)।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেআইনি জমি দখলের মামলায় তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। শহরের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে ইডির তরফে। ইডির দাবি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী শহরের একাধিক জমি অবৈধভাবে দখল করতেন। পরে পুরসভা থেকে নথি তৈরি করে বিক্রি করতেন অন্যদের কাছে। সম্প্রতি রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে (Sujit Bose)। তার জেরে তলব করা হয়েছিল নুসরতকেও (ED)।

     

LinkedIn
Share