Tag: kidnapping

kidnapping

  • Bangladesh: ঢাকায় মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণের অভিযোগ, নির্যাতনের পর আদায় করা হল মুক্তিপণের টাকাও

    Bangladesh: ঢাকায় মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণের অভিযোগ, নির্যাতনের পর আদায় করা হল মুক্তিপণের টাকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই হিন্দুদের নিরাপত্তার ফস্কা গেরো খসে পড়ছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। এবার রাজধানী ঢাকার ওয়ারি এলাকা থেকে এক হিন্দু আইন পড়ুয়া তথা মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণ করে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠল। জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বছর পঁচিশের সুভাষ দেউরীকে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি (Hindu Priest Kidnapped)। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সুভাষ পুরানো ঢাকার সেন্ট্রাল ল’ কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে স্থায়ী পুরোহিতের অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে সহকারী হিসেবে পুজোও করতেন তিনি। তবে তাঁকে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে টার্গেট করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    অপহৃতের পরিবারের অভিযোগ (Bangladesh)

    সুভাষের স্বজনদের অভিযোগ, সোমবার রাত আটটা নাগাদ রিকশায় চড়ে তিনি পৌঁছন স্বামীবাগ এলাকায়। সেখান থেকেই তাঁকে অপহরণ করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন। মঙ্গলবার সকালে তিনি কোনওভাবে অপহরণকারীদের খপ্পর থেকে পালিয়ে রুমমেটের সাহায্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন (Bangladesh)। সুভাষের বোন জয়া জানান, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে তাঁর দাদার মোবাইল নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্তে থাকা একজন সুভাষের মুক্তিপণ বাবদ ৩০ হাজার বাংলাদেশি টাকা দাবি করে। পরে অপহরণকারীদের দেওয়া একটি নম্বরে ২৬ হাজার টাকা পাঠানোর পর সুভাষকে পুরানো ঢাকার একটি সড়কে ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতীরা।সুভাষের আত্মীয় দীপু বর্মণ জানান, সুভাষের পা ও কোমরের হাড় ভেঙে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর অস্ত্রোপচার করতে হবে।

    পুলিশের বক্তব্য

    ওয়ারি থানার (Bangladesh) ওসি মোফিজুর রহমান জানান, সুভাষ পুলিশকে জানিয়েছেন সোমবার রাতে তিনি স্বামীবাগের একটি মন্দিরে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন তাঁকে অপহরণ করে একটি বাড়িতে আটকে রাখে (Hindu Priest Kidnapped)। ওসি বলেন, “ভোরের দিকে ভবনের একটি অংশ থেকে লাফ দিয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। এই সময় গুরুতর আহত হন তিনি।” ওসি জানান, তদন্ত শুরু হয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সদস্য সচিব অনীক কুমার দাস জানান, সুভাষ মন্দিরের স্থায়ী পুরোহিত নন। তিনি বলেন, “আমাদের স্থায়ী পুরোহিত সাইকত পাঠক। তাঁর অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে সুভাষ পুজোপাঠ করতেন। এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের মন্দিরের কোনও সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে আমরা আমাদের ফেসবুক পেজেও ব্যাখ্যা দিয়েছি (Hindu Priest Kidnapped)।”

    সংখ্যালঘু সংগঠনের প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র কাজল দেবনাথ জানান, তাঁরা বিষয়টি জানেন। এটি নিছকই একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত অপহরণ—খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুভাষের বাড়ি খুলনা বিভাগের মাগুরা জেলায়। তিনি ঢাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে রুম শেয়ার করে থাকতেন (Bangladesh)।

     

  • New Town Murder: ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল, ৩০ লক্ষ টাকা না মেলাতেই নৃশংস খুন ছাত্রকে?

    New Town Murder: ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল, ৩০ লক্ষ টাকা না মেলাতেই নৃশংস খুন ছাত্রকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে রেস্তোরাঁ মালিকের খাটের নিচে স্যুটকেস থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের মৃতদেহ (New Town Murder)। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, সেলোটেপ দিয়ে আটকানো ছিল মুখ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ছাত্রকে অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল এবং সেই টাকা না মেলায় খুন করা হয়েছে। ওই রেস্তোরাঁ মালিকের বাড়িতেই ভাড়ায় থাকতেন ওই ছাত্র। 

    মৃত ছাত্রের পরিচয় (New Town Murder)

    এই মৃত ছাত্রের নাম সাজিদ হোসেন। মূলত ডাক্তারি পরীক্ষা এনআইআইটির (নিট) কোচিং নেওয়ার জন্য নিউ টাউনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। মহিষবাথান বক্স ব্রিজের কাছে থাকতেন এই ছাত্র। মালদার কালিয়াচকে তাঁর বাড়ি। মৃত্যুর পর পরিবারে তীব্র শোকের ছায়া।  

    কীভবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল?

    সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ মিলছিল না। এরপর সহপাঠীরা তাঁর নিখোঁজের কথা বাড়িতে জানান। নিউ টাউনে মূলত ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির পড়াশুনা করছিলেন ওই ছাত্র। ৫ তারিখে নিউ টাউন থানায় মিসিং ডায়েরি করে পরিবার। সূত্রে আরও জানা গেছে, সাজিদের মুখে সেলোটেপ লাগানো এবং হাত-পা বাঁধা একটি ছবি পরিবারকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে মুক্তিপণ বাবদ ৩০ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবি করেছিল অপহরণকারীরা। পাঠানোর পরে আবার অপহরণকারীরা সেই ছবি ডিলিট করে দেয়। এরপর আজ ভোররাতে উদ্ধার হয় সাজিদের দেহ (New Town Murder)। এই ছাত্রের পরিবার মাসে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠাতো। আর এই খবর পেয়ে দুষ্কৃতীরা মনে করে, পরিবারের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে। এরপর পরিকল্পনা করে খুন করা হয় বলে অনুমান। এই ঘটনায় পুলিশ গৌতম নামে এক যুবকের সঙ্গে আরও চারজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    শুক্রবার এই ঘটনাকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এল কালিয়াচকের ১৬ মাইল গুরুটোলা এলাকায়। মৃত সাজিদ হোসেনের (New Town Murder) বয়স ১৯ বছর। বাবার নাম মোক্তার হোসেন। বাবা মোক্তার হোসেন বলেন, “সাজিদ নিউ টাউনের তারুলিয়া সেকেন্ড লেন এলাকার গৌতম নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থেকে নিটের কোচিং নিচ্ছিল। তার ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু চলতি মাসের ৪ তারিখে সে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে বুঝতে পারি ওর বন্ধুরা মিলে যোগসাজশ করে অপহরণ করেছে। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে পরিবারের কাছে ৩০ লক্ষ টাকা দাবি করে। কিন্তু এর মধ্যেই অপহরণকারীরা তাকে খুন করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসক বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে এসে অপহৃত তরুণী। চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করে, নার্সিং পড়ুয়া ওই চিকিৎসকের বান্ধবীকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসক ভর্তি মেদিনীপুর (Medinipur) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চিরুনি তল্লাশির পর গ্রামবাসীদের তৎপরতায় উদ্ধার হয় তরুণী। হাড়হিম করা ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

    কোথায় ঘটনা ঘটল (Medinipur)?

    শুক্রবার বিকেলে মেদিনীপুর (Medinipur) হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজের এক হাউস স্টাফ চিকিৎসক তাঁর বান্ধবী নার্সিং পড়ুয়াকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিল মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ফুলপাহাড়ী ড্যামে। সন্ধ্যার মুখে হঠাৎই মোটরবাইকে করে মুখে গামছা বেঁধে দুই ব্যক্তি হাজির হয় সামনে। প্রথমে চিকিৎসকের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল এবং পকেটে থাকা টাকা। এরপর বেধড়ক প্রহার করা হয় তাঁকে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাহায্যের জন্য যখন চিকিৎসক চিৎকার শুরু করে, আর ঠিক তখনই তরুণীকে নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে খবর দেয় গুড়গুড়িপাল থানায়। রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসককে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন ওঁই চিকিৎসক।

    পুলিশের ভূমিকা

    ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশকে খবর দিলে, ঘটনাস্থলের চারপাশে কার্যত চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে (Medinipur) পৌঁছায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ একাধিক ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক। মেদিনীপুর পুলিশ লাইন থেকে নিয়ে আসা হয় বিশাল বাহিনী। আশেপাশের প্রতিটা গ্রামে তন্নতন্ন করে খোঁজা হয় তরুণীকে। প্রায় ছয় ঘণ্টা তল্লাশির পর রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ স্থানীয়দের তৎপরতায় জঙ্গল লাগোয়া একটি মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও শারীরিকভাবে সুস্থ অবস্থাতেই উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। প্রাথমিক অনুমান, ধর্ষণ করে তরুণীকে ফেলে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। জেলা পুলিশের ডিএসপি ওয়াই কাদেরির দাবি, কিভাবে ঘটলো এমন ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নেমে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    ঘটনার পর এলাকাবাসীদের দাবি, রাত বাড়লেই ফুলপাহাড়ী (Medinipur) ড্যামে বাড়ছে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা। বাড়ছে অসামাজিক কাজ। অবিলম্বে ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছে এলাকাবাসীর তরফে। যদিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনও ব্যক্তিকে এখনও পর্যন্ত আটক কিংবা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মেদিনীপুর শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটারের দূরত্বে এমন ঘটনা কিভাবে ঘটলো? তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। হাড়হিম করা এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে মেদিনীপুর শহরজুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share