Tag: Kill

Kill

  • North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (North 24 Parganas) থানার অন্তর্গত বামনগাছির মালিয়াপুর এলাকায় ছেলের হাতে খুন হলেন বাবা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বাবা রঘুনাথ শিকদার, বয়স ৫৫। বাড়িতে বসে তিনি পুজো করছিলেন। আর ঠিক সেই সময় ছেলে হৃদয় শিকদার পিছন থেকে গিয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে গলায় কোপ বসায়। এরপর দত্তপুকুর থানায় খবর দিলে, পুলিশ এসে রঘুনাথ শিকদারকে বারাসত হসপিটালে নিয়ে যায় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। আর এই কারণে বাবাকে ধারালো বঁটি দিয়ে কোপ মারে। পুলিশ মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্ত হৃদয়কে আটক করে দত্তপুকুর থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

    কীভাবে করা হল খুন (North 24 Parganas)?

    হৃদয় শিকদারের মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, হৃদয়ের বাবা ঠাকুর ঘরে (North 24 Parganas) পুজো করছিলেন। হঠাৎ তীব্র চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি, ওর বাবা মাটিতে পড়ে রয়েছেন। পিছন থেকে বঁটি দিয়ে কোপ দেয় হৃদয়। ঘর রক্তাক্ত হয়ে যায়। মা আরও বলেন, ছেলের মাথায় অনেক দিন ধরেই সমস্যা ছিল। মা আরও বলেন, আগে নেশা করত, তবে মাস কয়েক ধরে ঠিক ছিল হৃদয়। তেমন কিছুর জন্য দাবিদাওয়াও করেনি। তবে কেন যে এমন কাজ করল, বুঝতেই পারছি না।

    প্রতিবেশীর বক্তব্য

    প্রতিবেশী (North 24 Parganas) দীপালী দে বলেন, একসময় পড়াশুনায় বেশ ভালো ছাত্র ছিল হৃদয়। কিন্তু নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে বাড়িতে রোজই টাকার জন্য অশান্তি, ঝামেলা করত। টাকা না দিলে রোজ বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করত। প্রায় পাগালের মতো হয়ে গিয়েছিল হৃদয়। অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর মানসিক রোগ নিরাময় হয়নি। হৃদয় কয়েকদিন যাবত সব সময় ঘরেই থাকত, বাড়ির বাইরেও বের হত না। আজ সকাল ৬ টায় চিৎকার শুনতে পেয়ে দেখি এই ঘটনা ঘটছে। পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে হৃদয়কে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় বিজেপি কর্মীকে ছুরি মেরে খুনের চেষ্টা, রাজনৈতিক আক্রোশই কি কারণ?

    Malda: মালদায় বিজেপি কর্মীকে ছুরি মেরে খুনের চেষ্টা, রাজনৈতিক আক্রোশই কি কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত থেকেই নিখোঁজ। তার পর আজ বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে এক বিজেপি কর্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। ওই বিজেপি কর্মীকে ছুরি মেরে খুন করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মী মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Malda)?

    ঘটনাটি ঘটেছে মালদার বৈষ্ণবনগর (Malda) থানার সব্দলপুর এলাকায়। জানা গেছে, ওই বিজেপি কর্মীর নাম অজিত মণ্ডল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর কাকা অনিল মণ্ডল, বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী। রাজনৈতিক আক্রোশের কারণেই এই ঘটনা হতে পারে, অনুমান পরিবারের। তবে সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয় পরিবারের সদস্যদের কাছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, গতকাল রাতে বাড়ি ফেরেননি অজিত মণ্ডল। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে দূরে শ্মশান কালী মন্দিরের পাশের রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। এরপর উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং পরে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় বৈষ্ণবনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।‌

    পরিবারের বক্তব্য

    আক্রান্ত বিজেপি (Malda) কর্মী অজিত মণ্ডলের মেয়ে সীমা মণ্ডল বলেন, বাবা বিজেপি করতেন। সকাল বেলা আমার ঠাকুমা মাঠে গেলে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা পড়ে রয়েছে। গতকাল রাতে ভোটের কাজে বেরিয়েছিলেন, তারপর বাবা বাড়িতে আর আসেননি। এরপর আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে কিছুই জানতে পারিনি। বাবাকে দুষ্কৃতীরা পেটের মধ্যে চাকু দিয়ে আঘত করেছে এবং অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সীমা। বাবা নিজে নির্বাচনের প্রার্থী না হলেও ভোটের প্রচারের কাজে যেতেন। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি। অজিত মণ্ডলের স্ত্রী বলেন, উনার শরীরের অবস্থা ভালো নয়। আমরা খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীর প্রাণসংশয়! উড়ো ফোন দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীর প্রাণসংশয়! উড়ো ফোন দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোন বাজল। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০.২০ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রাণসংশয়। ফোন করে এমনই দাবি করেছিলেন এক ব্যক্তি। কাল ব্যয় করেনি পুলিশ! টেলিফোন নম্বর ট্র্যাক করা হয়।  ওই ব্যক্তির লোকেশন অনুযায়ী অবস্থান দেখে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। 

    উড়ো ফোন

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি মত্ত অবস্থায় ওই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পুলিশ কন্ট্রোল রুমে (পিসিআর) একটি ফোন আসে। সেখানে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Narendra Modi) মেরে ফেলা হবে। এ কথা শুনেই তৎপর হয় পুলিশ। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে দেখা যায় ফোনটি এসেছিল করোলবাগ এলাকা থেকে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সেখানে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে থানায় তুলে আনে। সেই সময় তিনি মত্ত অবস্থায় ছিলেন।

    হতাশা থেকেই তামাশা! 

    পুলিশ জানিয়েছে, তারা জানতে পেরেছে ওই ব্যক্তির নাম হেমন্ত কুমার। এই ব্যক্তি কারোলবাগের রায়গড়পুরার বাসিন্দা। দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার প্রণব তায়াল বলেন, ‘তাঁকে পুলিশ স্টেশনে আনা হয়েছে ও যৌথভাবে জেরা করা হচ্ছে।’ পুলিশ জানতে পেরেছে যে, গত ৬ বছর ধরে বেকারত্বে ভুগছেন অভিযুক্ত হেমন্ত কুমার। এছাড়াও তাঁর মদ্য পানের অভ্যাস রয়েছে। তাঁর বয়স ৪৮। বৃহস্পতিবার মদ্যপান করে তিনি পুলিশকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) প্রাণসংশয়ের কথা বলেন।

    আরও পড়ুন: সোমবার অশান্ত মণিপুরে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু ফাঁক ফোকড়ের ছবি উঠে এসেছে। পাঞ্জাবের পর সদ্য কর্ণাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে একাধিকবার নিরাপত্তার ফাঁকে পড়েন মোদি (Narendra Modi)। কখনও ব্যারিকেড ভেঙে তাঁর দিকে ছুটে আসেন কেউ, আবার কখনও মোদির দিকে উড়ে আসে মোবাইল। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এই ব্যক্তির ফোন আসার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজধানীতে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share