Tag: killed

killed

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

  • Operation Sankalp: সীমান্তপারে জঙ্গি-নিধনে ‘অপারেশন সিঁদুর’, দেশে ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী

    Operation Sankalp: সীমান্তপারে জঙ্গি-নিধনে ‘অপারেশন সিঁদুর’, দেশে ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি-ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে  ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়েছে ভারতীয় ফৌজ। সীমান্তপার সন্ত্রাস যেমন এক হাতে দমন করা হচ্ছে, ঠিক একইভাবে, দেশের ভেতর মাওবাদীদের দমন করতে চলছে  ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ (Operation Sankalp)। আর এই অভিযানে খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী গেরিলা (Maoists Killed)। ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনের বিজাপুর জেলা এবং পড়শি রাজ্য তেলঙ্গানার সীমানায় পাহাড়-জঙ্গলঘেরা এলাকায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছে ওই মাওবাদীরা। গত ১৮ দিন ধরে ওই এলাকায় ধারাবাহিক সংঘর্ষ চলছে। নিহত মাওবাদীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এবং বিস্ফোরকও উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সিআরপিএফের এক আধিকারিক বলেন, “চার মহিলা-সহ মোট ২৬ জন মাওবাদী এই অভিযানে নিহত হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক, অস্ত্র তৈরির ফ্যাক্টরি ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, এই অপারেশন চালানোর জন্য ১৯ এপ্রিল থেকে সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল জিপি সিং রায়পুর ও জগদলপুরে ঘাঁটি গেড়েছিলেন।

    অপারেশন সঙ্কল্প (Operation Sankalp)

    দিন কুড়ি আগে ওই জঙ্গলে ৫০০-রও বেশি মাওবাদী জড়ো হয়েছে বলে খবর পায় যৌথবাহিনী। তার পরেই শুরু হয় ‘অপারেশন সঙ্কল্প’। জঙ্গলটি ঘিরে রেখেছে প্রায় ২৪ হাজার আধাসেনা ও পুলিশ। সিআরপিএফের জঙ্গলযুদ্ধ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো বাহিনী কোবরা-র পাশাপাশি ছত্তিশগড়ের সশস্ত্র পুলিশ, বস্তার ফাইটার্স ও ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনী, মহারাষ্ট্র পুলিশের সি-৬০, তেলঙ্গানা পুলিশের মাওবাদী দমন বাহিনীও রয়েছে এই অভিযানে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ-র এক নম্বর ব্যাটেলিয়নের ঘাঁটি রেগুট্টা এবং দুর্গামগুট্টার ঘন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড় ঘিরে গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ নামের ওই অভিযান সংহত করা হচ্ছে (Operation Sankalp)।

    বাহিনীর জাঁতাকলে আটকে ৫০০

    ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুর থেকে প্রায় সাড়ে চারশো কিলোমিটার দূরে বস্তার ডিভিশনের ওই দুর্গম এলাকায় মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও বাহিনীর জাঁতাকলে আটকে পড়েছেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। এই দলেই রয়েছে তেলঙ্গানা রাজ্য কমিটি ও দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটির অধিকাংশ গেরিলা কমান্ডার। এই পরিস্থিতিতে নজরদারির কাজে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের (Maoists Killed) নিশ্চিহ্ন করার কথা ঘোষণা করেছেন। সেই লক্ষ্যেই ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ ছত্রিশগড় সরকারের (Operation Sankalp)।

  • Lashkar E Taiba: পাকিস্তানে ফের অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে নিহত হাফিজ-ঘনিষ্ঠ আরও এক লস্কর নেতা

    Lashkar E Taiba: পাকিস্তানে ফের অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে নিহত হাফিজ-ঘনিষ্ঠ আরও এক লস্কর নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুশির ইদের দিনেও রক্তাক্ত হল পাকিস্তান (Pakistan)। গুলি করে খুন করা হল লস্কর ই তৈবা (Lashkar E Taiba) প্রধান তথা ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদ ঘনিষ্ঠ জঙ্গিনেতাকে। মৃতের নাম আবদুল রহমান। এদিন ইদের আনন্দে মেতেছিলেন পাকিস্তানের নাগরিকরা। সেই সময় আচমকাই খুব কাছ থেকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে খুন করে তাঁকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবদুলের।

    লস্করের হয়ে ফান্ড জোগাড় (Lashkar E Taiba)

    জানা গিয়েছে, লস্করের আর্থিক লেনদেন-সহ একাধিক কাজ করতেন নিহত আবদুল। লস্করের হয়ে ফান্ড জোগাড় করাটাও ছিল তাঁর অন্যতম কাজ। তাই পাকভূমে তাঁর খুন হওয়াটা বিস্মিত করেছে পাক প্রশাসনকেও। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পাকিস্তানের পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে কোনও জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি। দিন কয়েক আগে প্রায় একই কায়দায় খুন হতে হয়েছিল লস্কর ই তৈবার কুখ্যাত জঙ্গি আবু কাতালকে। মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার একেবারে ওপরের দিকে নাম ছিল তাঁর। লস্কর প্রধানের ডান হাত হিসেবে কাজ করতেন কাতাল।

    একই কায়দায় খুন হয়েছিলেন কাতালও

    মুম্বই হামলা (Lashkar E Taiba) ছাড়াও কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা ও নিরীহ নাগরিকের ওপর একাধিক হামলার নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কাতাল। যার সর্বশেষ উদাহরণ গত বছর রিয়াসিতে হিন্দু পুণ্যার্থীদের ওপর হামলা। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে রাজৌরিতে আমজনতাকে টার্গেট করে হামলা চালায় লস্কর জঙ্গিরা। সেই হামলায় মৃত্যু হয় ন’জনের। এই রাজৌরি হামলার ঘটনায় এনআইএর চার্জশিটেও নাম ছিল কাতালের। এহেন কাতাল একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন দুষ্কৃতী গুলি করে খুন করে তাঁকে। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের খুন জঙ্গি নেতা। এবং সেই পাকিস্তানের মাটিতেই।

    আবদুলের খুনের ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইদের সকালে এলাকার একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন আবদুল। সেই সময় বাইকে করে তাঁর সামনে চলে আসেন দুজন। আবদুলকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় তারা (Lashkar E Taiba)। আবদুল মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই বাইকে করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এই জঙ্গিনেতার (Pakistan)।

  • Terrorists Attacked: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    Terrorists Attacked: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জঙ্গি হামলা জম্মু-কাশ্মিরে (Jammu and Kashmir)। ৩০ এপ্রিলের পর ৭ জুলাই। প্রথম শোক সামলে উঠতে না উঠতেই এল দ্বিতীয় দুঃসংবাদ। দু’মাসের ব্যবধানে শহিদ হলেন একই পরিবারের দুই সন্তান। ঘটনার জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে সমগ্র পরিবার। শোকে কার্যত পাথর হয়ে গিয়েছেন বাবা-মা।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorists Attacked)

    জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কাঠুয়া (Kathua) জেলার মাছেদি এলাকায় রুটিন টহলদারি চালাচ্ছিল সেনাবাহিনী। ঠিক সেই সময় সেনার কনভয় লক্ষ্য করে অতর্কিতে হামলা (Terrorists Attacked) চালায় একদল জঙ্গি। এই হামলায় শহিদ হন ৫ সেনা জওয়ান। তাঁদেরই একজন ২৬ বছরের আদর্শ নেগি। 
    আর এর আগে ৩০ এপ্রিল রাতে উত্তরাখণ্ডের গ্রামের বাড়িতে এসেছিল এই একই দুঃসংবাদ। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিল নেগি পরিবার। আদর্শর খুড়তুতো দাদা অর্থাৎ পরিবারের বড় সন্তান ৩৩ বছরের মেজর প্রণয় নেগি আর নেই। লেহতে ডিউটি করার সময় অক্সিজেনের অভাবে শহিদ (Terrorists Attacked) হয়েছিলেন তিনি। আর তাঁর মৃত্যুর দুমাসের মধ্যেই ফের দুঃসংবাদ পেল নেগি পরিবার।

    বিএসসি পাশ করে সেনায় যোগ 

    ২০১৮ সালে গারওয়াল রাইফেলসে যোগ দিয়েছিলেন আদর্শ। তাঁর বাবা কৃষক। পরিবারে রয়েছে মা, ভাই ও দিদি। পরিবার তরফে জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন তিনি। গারওয়াল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাশ করে সেনায় যোগ দেন রাইফেলম্যান হিসেবে। শারীরিক দিক থেকেও ছিলেন দারুণ ফিট। এবার সেই তরুণের আকস্মিক শহিদ (Terrorists Attacked) হওয়ার খবরে ভেঙে পড়েছে গোটা নেগি পরিবার। 

    আরও পড়ুন: দুধের গাড়িতে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস, উত্তরপ্রদেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ১৮

    শোকে পাথর পরিবার (Terrorists Attacked) 

    এদিন আদর্শর মৃত্যুর খবর তাঁর উত্তরাখণ্ডের গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নেগি পরিবার। দু’মাসের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ উত্তরাখণ্ডের তেহরি জেলার থাটি দেগার গ্রাম। এ প্রসঙ্গে আদর্শের কাকা বলবন্ত সিং নেগি বলেন, ”মাত্র দু’মাস আগে দেশ রক্ষায় নিয়োজিত পরিবারের এক সন্তানকে হারিয়েছি। সে ছিল মেজর। আর সোমবার আদর্শকে হারালাম।”
    অন্যদিকে, আদর্শ নেগির বাবা দলবীর সিং নেগি বলেন, “গত রবিবার ওর সঙ্গে কথা বললাম। ও তখন খাচ্ছিল। বলল-এখনই দৌড়তে হবে। বিয়েবাড়ির জন্য শেষবার ছুটি নিয়ে গ্রামে এসেছিল ছেলে। যদিও মার্চ মাসে বিয়ে মিটলে ও আবার সেনাবাহিনীতে ফিরে গিয়েছিল।”  তিনি আরও বলেন, ”দু’মাসের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারালাম। গাড়ওয়াল এবং কুমায়ুন থেকে যাঁরা সেনায় কাজ করতে যান, তাঁরা প্রায়ই শহিদ হন। সরকারকে বলব এই নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorists killed in encounter: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    Terrorists killed in encounter: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভূস্বর্গে জঙ্গি হামলা। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-kashmir) দোদায় নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে (Terrorists killed in encounter) নিহত হয়েছে দুই জঙ্গি। বারামুলায় জঙ্গিরা হামলা চালাতে পারে বলে সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, সম্ভাব্য জঙ্গিহানা ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হচ্ছে। চালানো হচ্ছে তল্লাশি অভিযানও। তেমনই এক অভিযানের সময় গত ১৯ জুন জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই বাধে। সেই সময় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয় ২ জঙ্গি। এখন পর্যন্ত দুই জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorists killed in encounter)

    জানা গিয়েছে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-kashmir)। জঙ্গিদের খোঁজে ডোডা জেলার জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। আসলে গত ১১ ও ১২ জুন দুবার জঙ্গি হামলা চলে কাশ্মীরে। আর সেই হামলা পাকিস্তানী জঙ্গিরা করিয়েছিল বলে জানা যায়। তারপরেই পাকিস্তানী জঙ্গিদের ধরতে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশসূত্রের খবর, চার আতঙ্কবাদীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ লক্ষ টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপরেই ১৯ জুন সকাল ৯টা ৫০ নাগাদ বারামুলা জেলায় জঙ্গিদের সন্ধান মেলে। সেখানেই সেনা জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। তবে বাকিদের খোঁজে এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান। 

    আরও পড়ুন: মূল্যবৃদ্ধির জেরে অগ্নিগর্ভ কেনিয়া! ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    প্রসঙ্গত, গত ৯ জুন মোদি সরকারের শপথের দিন থেকে কাশ্মীরে (Jammu-kashmir) সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে দিন জম্মুর রিয়াসি জেলায় পুণ্যার্থীদের বাসে জঙ্গি হামলার ঘটনায় নজনের মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনার পর কাঠুয়া ও ডোডা জেলার বেশ কিছু এলাকায় হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত জঙ্গি হামলায় এক সিআরপিএফ জওয়ান-সহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা বহু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যেই ফের মাওবাদী বিরোধী অভিযানে সাফল্য। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok sabha vote 2024) হবে। আর তার আগেই ছত্তিশগড়ের (Chhatisgarh) বস্তার লাগোয়া জঙ্গলে একসঙ্গে ৭ মাওবাদীকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলাও রয়েছে বলে জানা গেছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) যৌথ ভাবে নারায়ণপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ওই সাত জনকে নিকেশ করেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Chhattisgarh Encounter)

    সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর কাঙ্কের সীমান্তে অবুঝমাড়ের জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoists) আস্তানার খোঁজ পেয়ে সেখানে হানা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর মঙ্গলবার সকালে সেখানেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াইয়ের পরে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে জখম হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়। এরপর নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করে। জানা গেছে, একটি একে ৪৭ (AK47) এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দুষ্কৃতী দলের বাকি সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ (Police) জানিয়েছে, গুলির লড়াই এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) নারায়ণপুরের জঙ্গল থেকে ২ মহিলাসহ ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    পুলিশের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার রেঞ্জের পুলিশ কর্তা জানান, “সকাল ৬টা নাগাদ সংঘর্ষ শুরু হয়। অবুঝমাড় জঙ্গলের টেকমেটা এবং কাকুর গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বাহিনী দেখে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। জঙ্গলে মাওবাদীদের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ঘাপটি মেরে রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল। সেই মতো রাত থেকেই তল্লাশি শুরু করে যৌথ বাহিনী।” তবে এই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর (security forces) কেউ আহত হননি। উল্লেখ্য গত ১৫ দিনের মধ্যে এটাই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বড়সড় অভিযান। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল কাঙ্কের জেলায় গুলির লড়াইয়ে ২৯ জন মাওবাদীকে খতম করেছিল জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) যৌথ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি প্রার্থীকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি, অভিযোগের তীর তৃণমূল প্রধানের দিকে

    Nadia: বিজেপি প্রার্থীকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি, অভিযোগের তীর তৃণমূল প্রধানের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই হুমকির অভিযোগ বিদায়ী তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। হুমকির অডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। এমনকি ক্যামেরার সামনেও তুলে আনার হুমকি দিলেন বিদায়ী তৃণমূল প্রধান। প্রাণহানির আশঙ্কায় ভুগছেন বিজেপি প্রার্থী।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের বেলগড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। বেলগড়িয়া দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান দীপক মন্ডলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিরোধীরা সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। কোথাও মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ার জন্য হুমকি, আবার কোথাও মনোনয়নপত্র তুলে নেওয়ার জন্য বিরোধী প্রার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সব অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধেই। এবার বেলঘড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির সমিতির প্রার্থীকে ফোন করে তুলে নিয়ে আসার হুমকি দিল ওই অঞ্চলেরই বিদায়ী তৃণমূল প্রধান দীপক মন্ডল। সেই অডিও ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী (Nadia) গোবিন্দ রাজবংশী, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও বিধানসভা ভোটে বিজেপি করার অপরাধে তাঁর বাড়ি ভাঙচুর চালায় শাসক দলের দুষ্কৃতীরা। ওই এলাকায় তৃণমূলের সমর্থন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণে, তাঁকে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করানোর জন্য একাধিকবার শাসানি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করেনি তিনি। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়ে সমিতিতে লড়াই করছেন। সেই কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় ভুগছেন। প্রচন্ড আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। আপাতত পুলিশকে জানিয়েছেন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বিদায় তৃণমূল প্রধান (Nadia) দীপক মন্ডল বলেন, আমি ওই এলাকায় পুনরায় পঞ্চায়েত প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল হয়ে লড়াই করছি। কিন্তু বিজেপির সমিতি প্রার্থী গোবিন্দ রাজবংশী আমার এলাকায় এসে আমার নামে কুপ্রচার করছেন। মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে আমাকে। সেই কারণেই আমি বারংবার তাঁকে বলেছি আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে তার প্রমাণ দিতে। কিন্তু সে আমার সঙ্গে দেখা করছে না! এরপরেই তিনি আবার হুমকির সুরে বলেন,“দেখা করতেই হবে! না করলে প্রয়োজনের তুলে আনবো!” ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Nadia: বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী নয় খুন হয়েছেন পরিবারের দাবি

    Nadia: বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী নয় খুন হয়েছেন পরিবারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল গোটা রাজ্যজুড়ে খুন ও ধর্ষণের রাজনীতি করছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার আগে পুলিশ কীভাবে বলে এটা আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনা? আর তাই নিয়েই রীতিমতন প্রশ্ন উঠছে পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালিতে বিজেপি নেতার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যের শাসকদল ও প্রশাসনকে কটাক্ষ করলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। আর এই ঘটনায় এলাকার রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    নদিয়ার (Nadia) বিজেপি কর্মীর পরিবার বলছেন আত্মঘাতী নয় খুন

    গতকাল নদিয়ার হাঁসখালি (Nadia) থানার পিপুলবেড়িয়া এলাকা থেকে বিজেপি বুথ সভাপতির মৃতদেহ আম বাগান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ওই বুথ সভাপতি নাম নকুল হালদার, বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পরিবারের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে রেখেছে। বিজেপি কর্মী নকুল হালদারের একটি পা ভাঙ্গা অবস্থায় ঝুলতে দেখা গেছে। তিনি যদি আত্মঘাতী হয়ে থাকবেন, তাহলে পা ভাঙলো কে? এই প্রশ্ন তুলেছে পরিবারের লোকজন।

    রাণাঘাট (Nadia) সাংসদের অভিযোগ

    খুনের ঘটনায় তদন্ত কত দূর এগোলো, সে বিষয়ে জানতে হাঁসখালিতে (Nadia) রওনা হয় বিজেপির এক প্রতিনিধি দল। মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার, বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী এবং কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক আশিষ বিশ্বাস। প্রথমে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, এরপর যেখান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেই ঘটনাস্থলকে পরিদর্শন করেন। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, তৃণমূল গোটা রাজ্যজুড়ে খুন এবং ধর্ষণের রাজনীতি করছে। বুথ সভাপতি নকুল হালদারকে তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা সুপরিকল্পিত ভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ করেন। আর ময়নাতদন্তের আগেই হাঁসখালি থানার কোনও এক পুলিশ এসে বলছেন, এটি আত্মহত্যার ঘটনা! পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার আগে কীভাবে জানতে পারল এটা আত্মহত্যার ঘটনা? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি প্রশাসন নিরপেক্ষ নন বলে উল্লেখ করেছেন। পুলিশ প্রশাসন শাসক দলের হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেন প্রতিনিধি দলের বাকি নেতারাও। সেই সঙ্গে তৃণমূল প্রশাসনের উপর আস্থা না রেখে সিবিআই তদন্তের দাবী জানান বিজেপির এই প্রতিনিধি দল। এখন এই মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবার কবে ন্যায় বিচার পাবেন তাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share