Tag: Killing

Killing

  • Justin Trudeau: মুখ পুড়ল ট্রুডোর! নিজ্জর হত্যায় ভারত-যোগের প্রমাণ নেই, বলছে কানাডার রিপোর্টই

    Justin Trudeau: মুখ পুড়ল ট্রুডোর! নিজ্জর হত্যায় ভারত-যোগের প্রমাণ নেই, বলছে কানাডার রিপোর্টই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ ছাড়াই নিজ্জর খুনে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। এবার নিজের দেশের রিপোর্টেই জানা গেল ট্রুডোর দাবি ভিত্তিহীন। স্বাভাবিকভাবেই মুখ পুড়ল কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর। কানাডার রিপোর্টেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নিজ্জর হত্যায় (Nijjars Killing) কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের যোগের নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই।

    নিজ্জর খুনে কানাডার অভিযোগ (Justin Trudeau)

    ২০২৩ সালের ১৮ জুন কানাডার সারেতে একটি গুরুদ্বারের বাইরে খুন হন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং পুরী নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতীয় এজেন্টের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ট্রুডো। কেবল দাবি করাই নয়, কানাডার সংসদেও এমন দাবি করেছিলেন তিনি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করেছিল ভারত। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, নিজ্জর খুনে ভারতের কোনও হাত নেই। এবার কানাডা কমিশনের নয়া রিপোর্টেও জানিয়ে দেওয়া হল, খালিস্তানপন্থী নেতা নিজ্জর খুনে ভারতের হাতই নেই। মঙ্গলবার ‘পাবলিক ইনকোয়ারি ইনটু ফরেন ইন্টারফেয়ারেন্স ইন ফেডারেল ইলেক্টোরাল প্রসেসেস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটিক ইনস্টিটিউশনস’ শীর্ষক রিপোর্টেই এ কথা জানানো হয়েছে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি

    খালিস্তানপন্থী নেতা নিজ্জর খুনের জেরে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ছ’জন ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করে কানাডা। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ভারতও বহিষ্কার করে কানাডার ছ’জন কূটনীতিককে। নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের জেরে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত-কানাডার সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। পরবর্তীকালে দুই দেশের সম্পর্কের আরও অবনতি হয়। ১২৩ পাতার ওই রিপোর্টে কমিশনার মেরি জোসি হোগ বলেন (Justin Trudeau), “বিভ্রান্তিমূলক তথ্যকে এখানে একটি প্রতিশোধমূলক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী সিদ্ধান্তগুলির জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।” অর্থাৎ ভারতের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে কমিশনের রিপোর্টে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যায় সন্দেহভাজন ভারতীয় জড়িত থাকার বিষয়ে কানাডার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পরে পাল্টা ভারতের তরফে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হয়েছে। তবে রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে বিদেশের যোগ নেই (Nijjars Killing)।

    কী বলছে কমিশনের রিপোর্ট

    জানা গিয়েছে, কানাডার নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সে দেশের গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলির ওপর বিদেশিদের হস্তক্ষেপ নিয়ে তদন্ত করছিল ওই কমিশন। সেই কমিশনের রিপোর্টেই বলা হয়েছে, নিজ্জর খুনে কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের ভূমিকা রয়েছে বলে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অথচ কানাডার প্রধানমন্ত্রী ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলার পরে পরেই গত মে মাসে নিজ্জর খুনের অভিযোগে চারজন ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে গ্রেফতার করে কানাডা পুলিশ। চলতি মাসেই জামিন পান তাঁরা। এঁরা হলেন করণ ব্রার, আমনদীপ সিং, কমলপ্রীত সিং এবং করণপ্রীত সিং। অবশ্য জামিন মিললেও, জেলমুক্তি হয়নি তাঁদের। জানা গিয়েছে, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বন্দিদশা ঘুঁচবে না ওই চার অভিযুক্তের (Justin Trudeau)। ঘরে-বাইরে অসন্তোষের জেরে ইতিমধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ট্রুডো। তবে এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমতাবস্থায় প্রকাশ্যে এল কমিশনের রিপোর্ট। যে রিপোর্টের জেরে আদতে মুখ পুড়ল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর।

    উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক

    গত অক্টোবরেই কানাডা সরকার অভিযোগ করেছিল, বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরকে খুনের ঘটনায় ভারত জড়িত। কিন্তু বুধবার সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানান, এই বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। আছে কেবল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রাপ্ত কিছু ধারণা। সেই সব সম্ভাবনার কথা ভারতকে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন ট্রুডো। ট্রুডোর ওই স্বীকারোক্তির পরে পরেই বিবৃতি দেয় বিদেশমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ (Nijjars Killing) দেগে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মন্ত্রক জানায়, তারা যা বলে আসছিল, তা-ই অবশেষে সত্যি হল (Justin Trudeau)। সেই সময় বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল (Justin Trudeau), অভিযোগের প্রেক্ষিতে কানাডা আমাদের কাছে কোনও প্রমাণ দেয়নি। তার পরেই কানাডার প্রধানমন্ত্রীর রুক্ষ আচরণের নিন্দা করে নয়াদিল্লির তরফে বলা হয়, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যে প্রভাব পড়েছে, তার দায় কেবল ট্রুডোর।

    নিজ্জরকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা

    ২০২০ সালে খালিস্তানপন্থী নেতা নিজ্জরকে সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করে ভারত। এর ঠিক তিন বছর পর খুন হন খালিস্তানপন্থী ওই নেতা। তার পরেই ভারতকে কাঠগড়ায় তোলেন ট্রুডো স্বয়ং। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এহেন অভিযোগের ভিত্তিতে দলের মধ্যেই সমালোচনার শিকার হন ট্রুডো। তিনি যতই ভারতকে নিশানা করেছেন, ততই তাঁর দলের মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়েছে বিদ্রোহ। যার জেরে তাঁকে সরতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে। চলতি বছরের শেষের দিকে কানাডায় সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচনে ট্রুডোকে সামনে রেখে লড়তে রাজি নয় তাঁর দল। সেটাও ট্রুডোকে সরিয়ে দেওয়ার একটা বড় কারণ। এমতাবস্থায় ট্রুডোর মুখোশ খুলে দিল তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট (Nijjars Killing)।

    এর পর ফের প্রার্থী হলে আদৌ জিততে পারবেন তো কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Justin Trudeau)?

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর লাগাতার কট্টরপন্থী মুসলমানদের আক্রমণের ফলে সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত সঙ্কটের মুখে। ওই দেশের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের প্রশাসন এবং সেনা শাসন যৌথ ভাবে হিন্দু নিধনে আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য প্রতিবাদ জানিয়ে সারা ভারত জুড়ে আন্দোলনে নেমেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishva Hindu Parishad)। বাংলাদেশে ক্রমাগত হিন্দুদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর, সম্পত্তি দখল, মঠ-মন্দির ভাঙচুর, ধর্মগুরুদের মিথ্যা মামলায় জেলে বন্দি করা, খুন-ধর্ষণ হত্যার কথা তুলে ধরে বিরাট কর্মসূচির আয়োজন করেছে এই হিন্দু সংগঠন। একই ভাবে সেখানে হিন্দুদের জন্য ন্যায় বিচার এবং আঞ্চলিক স্বার্থকে সুনিশ্চিত করার দাবিও তোলা হয়েছে।

    আমরা হিন্দুদের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Bangladesh)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বানসাল বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বার্থ সুরক্ষার প্রসঙ্গ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল লাগাতার বাংলাদেশে হওয়া হিন্দু নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাজপথে অবতরণ করবে। বাংলাদেশে মুসলমানরা হিন্দুদের ধন-সম্পত্তি, মঠ-মন্দির, মূর্তি নিরন্তর ভেঙে চলেছে। হিন্দুধর্মের মা-বোনরা কেউ সুরক্ষিত নন। বাংলাদেশের হিন্দু সাধু-সন্তদের টার্গেট করে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। আগামিকাল সারা ভারতে বিক্ষোভে নামব জেহাদি মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। ভারতীয় বংশ উদ্ভূত, মানবিক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার জায়গায় থেকে আমরা হিন্দুদের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সকলে হিন্দু আমরা সকলে এক। সকল মানুষকে একত্রিত হয়ে আমাদের বিক্ষোভে যোগদানের আহ্বান জানাই।”

    ভিএইচপি এবং বজরং দলের দাবি

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) পক্ষ থেকে বলা হয়-

    ১> বাংলাদেশে (Bangladesh) নৃশংস অত্যাচারের নিন্দা করা দরকার। উগ্র মুসলমান কট্টরপন্থীরা যে ভাবে হিন্দু জনজীবনকে নিধন করছে, তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অবিলম্বে পাশবিক অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।

    ২> বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করতে হবে। হিন্দু সুরক্ষার বিষয় তুলে ধরে লাগাতার বাংলাদেশের উপর চাপবৃদ্ধি করতে হবে ভারত সরকারকে।

    ৩> ভারতের মধ্যে হিন্দু সমাজের সুরক্ষাকে সুনিশ্চিত করতে সকলকে একত্রিত হতে হবে। বাংলাদেশের দুর্দশাকে তুলে ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে।

    গত ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। ‘কোটা’ বিরোধিতার নামে আন্দোলন করে জামাত শিবির এবং বিএনপি হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করেছে। এরপর ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছেন মহম্মদ ইউনূস। তারপর থেকেই ওই দেশে হিন্দুদের উপর লাগাতার আক্রমণ চলছে মৌলবাদীদের। সম্প্রতি হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ মহারাজকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে এই সরকার। এরপর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়ে উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে নীরব কংগ্রেস, তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    Himanta Biswa Sarma: বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে নীরব কংগ্রেস, তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন নিয়ে কংগ্রেসকে (Congress) তীব্র আক্রমণ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। একটি সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিম বিশ্বে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে কংগ্রেস সব সময় সোচ্চার হলেও, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে সম্পূর্ণ চুপ। মুখে কুলুপ দিয়ে বসে রয়েছেন কংগ্রেসের নেতারা।” উল্লেখ্য, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে গাজায় আক্রমণ নিয়ে কংগ্রেসকে যতটা সরব হতে দেখা গিয়েছিল, গত ৫ অগাস্টের পর থেকে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সনাতনী হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে, দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায়নি। আর এখানেই বিজেপি নেতার প্রশ্ন। 

    ঠিক কী বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)?

    সামনেই ঝাড়খণ্ড রাজ্যের নির্বাচন। এই রাজ্যে দলের তরফ থেকে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। শনিবার এখানে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগদান করে বাংলাদেশে হিন্দুনিধনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। সেই দেশের হিন্দুদের উপর আক্রমণ সম্পর্কে কংগ্রেসকে (Congress) তোপ দেগে বলেন, “দেশের বিরোধী দল কংগ্রেস এখন নীরবতা পালন করছে। তাঁরা গাজা নিয়ে সব সময় বেশি করে উদ্বিগ্ন থাকেন। বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি চলছে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি নিশ্চিত ভারতের কেন্দ্র সরকার কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে এই সমস্যাটির সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    আরও পড়ুনঃ”হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ!

    আর কী বললেন?

    আবার বিরসা মুন্ডা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সামনে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) আরও বলেন, “এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। হিন্দুদের দুর্দশার বিষয়ে কংগ্রেসের কোনও মাথাব্যথাই নেই। কংগ্রেসের নেতারা মুসলমানদের হয়ে বার বার প্রতিবাদ জানান। কিন্তু তাঁরা কতবার বাংলাদেশে হিন্দুদের পক্ষে কথা বলেছেন, এই প্রশ্ন করা উচিত। বাংলাদেশ থেকে অনেক শরণার্থী ভারতে আসতে চাইছেন। কিন্তু ভারত সরকার কাউকে সীমান্ত অতিক্রম করার অনুমতি দেয়নি। কারণ তাতে স্থায়ী সমাধান হবে না। একমাত্র সমাধান হল বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলে সেই দেশেই হিন্দুদের স্বার্থকে সুনিশ্চিত করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Texas Shootout: মার্কিন মুলুকে ফের বন্দুকবাজ বিভীষিকা, নিহত ১৯ শিশুসহ মোট ২১ জন

    Texas Shootout: মার্কিন মুলুকে ফের বন্দুকবাজ বিভীষিকা, নিহত ১৯ শিশুসহ মোট ২১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে ফের বন্দুকবাজের (US Shootout) বিভীষিকা। রক্তাক্ত হল টেক্সাসের (Texas) ইউভালেড কাউন্টিতে অবস্থিত রব এলিমেন্টারি (Robb Elementary School) স্কুল প্রাঙ্গণ। বন্দুকবাজের নৃশংস হামলায়  নিহত ১৯ শিশুসহ মোট ২১ জন। গত এক দশকে আমেরিকায় এইরকম ঘটনার নজির নেই। 

    স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯ শিশু এবং দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক এই হামলায় নিহত হয়েছেন। অধিকাংশ শিশু দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। প্রত্যেকের বয়স ৭ থেকে ১০-এর মধ্যে ছিল। পুলিশসূত্রে খবর, হামলার পর পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অভিযুক্ত ওই বন্দুকবাজের। এনকাউন্টারে জখম হন দুজন পুলিশও। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। 

    জানা গিয়েছে, রব এলিমেন্টারি প্রাথমিক স্কুলের গুলিকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা বন্দুকবাজের নাম সালভাদর রামোস। ১৮ বছরের এই যুবক মঙ্গলবার ওই প্রাথমিক স্কুলে হ্যান্ডগান এবং রাইফেল নিয়ে ঢুকে পড়ে। এর পর এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় ১৯ শিশু। নিহত হন দুজন শিক্ষক। আহত হয়েছে অনেকে।

    আরও পড়ুনঃ “ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আস্থার সম্পর্ক”, বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য মোদির

    টেক্সাসের ইতিহাসে এইরকম ঘটনা নজিরবিহীন। ঘটনার জেরে ট্যুইট করে শোকবার্তা জানিয়েছেন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। রাজ্যবাসীকে একজোট হয়ে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।  [tw]


    [/tw]

    হোয়াইট হাউসের (White House) তরফে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক ব্যক্ত করতে ২৮ মে অবধি সূর্যাস্ত পর্যন্ত দেশের পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডো বাইডেন (Joe Biden)। 

    হামলাকারি সম্পর্কে বড় তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, স্কুলে হামলা করতে আসার আগে নিজের ঠাকুমাকে গুলি করে পালিয়ে বন্দুকবাজ। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসারত। পুলিশের মতে, হামলাকারী স্কুলে প্রবেশের আগে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে ছিল। স্কুলে প্রবেশের সময় হামলাকারীর হাতে ছিল একটি রাইফেল। এরপর সে  স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসে গিয়ে গুলি করতে থাকে সে।   

    আরও পড়ুনঃ অতিমারি ঠেকাতে মোদির ভূমিকা, প্রশংসায় বাইডেন

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden) বন্দুকবাজদের এবার কড়া হাতে দমনের বার্তা দিয়েছেন। ট্যুইটারে তিনি বলেন, “আমাদের প্রশ্ন করতে হবে, কবে আমরা বন্দুকবাজদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরের নামে একজোট হয়ে দাঁড়াব? এসব দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। এবার রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।”   

    [tw]


    [/tw]

    প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (Barack Obama) ট্যুইটারে লেখেন, “গোটা দেশজুড়ে বাবা-মায়েরা তাঁদের সন্তানকে ঘুম পাড়াচ্ছেন, গল্পের বই পড়ে শোনাচ্ছেন, ঘুমপাড়ানি গান শোনাচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরছে কাল কী হবে? তাঁদের বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানোর পর কী হবে? কিংবা কোনও দোকান বা জনবহুল এলাকায় তাঁদের সন্তানকে নিয়ে যাওয়া সুরক্ষিত কি? এখনই রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।” 

    [tw]


    [/tw]

    ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস দেশের অস্ত্রনীতি বদলের পক্ষে সওয়াল করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের এমন কোনও নীতি গ্রহণ করতে হবে যাতে এইরকম ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে।” 

    বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে এবং আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই গুলি হামলায় অনেক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

LinkedIn
Share