Tag: King Charles III

King Charles III

  • Keir Starmer: ব্রিটেনে রাজনৈতিক ভূমিকম্প, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন স্টার্মার, এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য

    Keir Starmer: ব্রিটেনে রাজনৈতিক ভূমিকম্প, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন স্টার্মার, এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের রাজনীতিতে বড় ধরনের নাটকীয় মোড়! ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়ে শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) ও দলীয় নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। সোমবার ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে আবেগঘন ভাষণে তিনি জানান, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত স্টার্মারের (Keir Starmer)

    বছর তেষট্টির স্টার্মার বলেন, ‘‘আমার দল এখন প্রশ্ন তুলছে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি সঠিক ব্যক্তি কিনা? সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং সেই সিদ্ধান্ত আমি সসম্মানে মেনে নিচ্ছি। দেশের স্বার্থকে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সোমবার সকালেই ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসকে (King Charles III) অবহিত করেছেন বলেও জানান তিনি। স্টার্মারের কথায়, ‘‘আমি আজ সকালে মহামান্য রাজার সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমার সিদ্ধান্তের কথা তাঁকে জানিয়েছি। আমি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটিকে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ জানাব, যাতে সেপ্টেম্বর মাসে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব নিতে পারেন।’’

    নেতৃত্ব নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি

    তিনি জানান, নতুন নেতৃত্বকে পূর্ণ সমর্থন করবেন এবং বিশ্বাস করেন যে তাঁর উত্তরসূরি আরও শক্তিশালী ব্রিটেনের নেতৃত্ব দেবেন (UK Prime Minister)। স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্টার্মার বলেন, ‘‘ভালো সময়ে ও খারাপ সময়ে উনি (ভিক্টোরিয়া) আমার পাশে অটল থেকেছেন।’’ তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটাতে চান তিনি। স্টার্মারের কথায়, ‘‘দেশের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছেড়ে আমি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে চাই—একজন ভালো স্বামী ও একজন ভালো বাবা হওয়া।’’ লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি (NEC) ইতিমধ্যেই নেতৃত্ব নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করেছে। ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে, চলবে ১৬ জুলাই পর্যন্ত (Keir Starmer)। যদি একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন, তাহলে পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব নির্বাচন হবে। লক্ষ্য, সেপ্টেম্বর মাসে সংসদ ফের বসার আগেই নতুন লেবার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা।

    অ্যান্ডি বার্নহামের উত্থানেই কি শেষ হল স্টার্মার যুগ?

    রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, স্টার্মারের পদত্যাগের পেছনে বড় কারণ দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহামের (Andy Burnham) ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ নির্বাচনে বার্নহামের জয় লেবার পার্টির অভ্যন্তরে শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বার্নহাম প্রকাশ্যেই স্টার্মারের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। সোমবারই নতুন সাংসদ হিসেবে শপথ নিচ্ছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহামের উত্থানই স্টার্মারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয় (UK Prime Minister)।

    ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) রবিবারই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথে দাবি করেছিলেন, স্টার্মার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। যদিও ব্রিটিশ সরকারের এক কর্তা জানান, এ বিষয়ে ট্রাম্পকে সরকারিভাবে কোনও তথ্য জানানো হয়নি এবং স্টার্মারের সঙ্গেও তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি (Keir Starmer)। তাই ট্রাম্পের ওই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে সৃষ্টি হয়েছে নয়া বিতর্কের।

    কেন বাড়ছিল স্টার্মারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ?

    ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিপুল জয়ের মাধ্যমে লেবার পার্টিকে ক্ষমতায় ফিরিয়েছিলেন স্টার্মার। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। মূল অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থতা, জনসেবামূলক পরিষেবার উন্নতিতে ধীরগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় সঙ্কট মোকাবিলায় অক্ষমতা, একাধিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভুল সিদ্ধান্ত, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ করা নিয়ে বিতর্ক। এসবের জেরে দলের ভেতরেই স্টার্মারের বিরুদ্ধে জমছিল অসন্তোষের মেঘ। যার জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন (UK Prime Minister) তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টি একদিকে উদারপন্থী ভোটারদের একটি অংশকে হারাচ্ছে গ্রিন পার্টি অফ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের (Green Party of England and Wales) কাছে, অন্য দিকে অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের জন্য জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে রিফর্ম ইউকে (Reform UK)। নাইজেল ফারেজের (Nigel Farage) নেতৃত্বাধীন রিফর্ম ইউকে বর্তমানে একাধিক জাতীয় জনমত সমীক্ষায় এগিয়ে রয়েছে বলে (Keir Starmer) দাবি করা হচ্ছে। ফলে আগামী নির্বাচনের আগে নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তা—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি লেবার পার্টি।

    এক দশকে ৭ প্রধানমন্ত্রী?

    স্টার্মারের পদত্যাগ গৃহীত হলে গত এক দশকে ব্রিটেন তার সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নেতৃত্বের দ্রুত পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বারবার চর্চায় এসেছে (UK Prime Minister)। নয়া নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে লেবার পার্টি সেই (Keir Starmer) অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার।

     

  • Prince Andrew: এপস্টিন কেলঙ্কারিতে জড়ানোর জের! ভাই অ্যান্ড্রুর খেতাব কাড়লেন রাজা তৃতীয় চার্লস

    Prince Andrew: এপস্টিন কেলঙ্কারিতে জড়ানোর জের! ভাই অ্যান্ড্রুর খেতাব কাড়লেন রাজা তৃতীয় চার্লস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদ ছাড়তে হচ্ছে রাজকুমার অ্যান্ড্রুকে (Prince Andrew)। তাঁর সমস্ত রাজকীয় খেতাব এবং সম্মাননাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাকিংহাম প্রাসাদের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজা চার্লস এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাকিংহাম প্যালেস একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার ছোট ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে উইন্ডসরের বাসভবন খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন ছাড়তে হচ্ছে রাজপ্রাসাদ

    জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চাপ বেড়েছে রাজপরিবারের উপর। নতুন করে সমালোচনার ঝড় ওঠার পরে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘রাজা প্রিন্স অ্যান্ড্রুর স্টাইল, উপাধি এবং সম্মান সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।’ সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যাঁরা যে কোনও ধরনের নিগ্রহের শিকার, ব্রিটেনের রাজপরিবারের সমবেদনা তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। সরাসরি কোনও ঘটনার কথা উল্লেখ না-করা হলেও স্পষ্ট যে, আমেরিকার কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ এবং তাঁর বিরুদ্ধে যৌন কেচ্ছায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠতেই এই পদক্ষেপ করলেন ব্রিটেনের রাজা।

    কোথায় থাকবেন রাজকুমার

    বিবৃতি অনুযায়ী, উইন্ডসর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে বিকল্প বাসস্থানে উঠে যেতে হবে অ্যান্ড্রুকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজকুমার অ্যান্ড্রুর নতুন নাম হবে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর। তিনি আর ‘ডিউক অফ ইয়র্ক’ থাকবেন না। কিছু দিন আগে পর্যন্তও ‘ডিউক অফ ইয়র্ক’ খেতাব পাওয়া রাজকুমার অ্যান্ড্রু এত দিন প্রাক্তন স্ত্রী সারা ফার্গুসনের সঙ্গে রাজপ্রাসাদে থাকতেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুসারে, দু’জনেই এবার উইন্ডসরের বাসভবন থেকে সান্ড্রিংহাম এস্টেটে উঠে যাবেন। প্রসঙ্গত, এই এস্টেট রাজা তৃতীয় চার্লসের মালিকানাধীন। ভাইয়ের থাকার খরচ বহন করবেন রাজা চার্লসই।

    চির বিতর্কিত এক চরিত্র অ্যান্ড্রু

    ৬৫ বছর বয়সি অ্যান্ড্রু অবশ্য চির বিতর্কিত এক চরিত্র। বছর ছয়েক আগে এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। ভার্জিনিয়া জিওফ্রে নামের এক ভদ্রমহিলা অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন। অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে নাবালিকাদের সঙ্গে জোর করে যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগও ওঠে। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ বার বারই অস্বীকার করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের তৃতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে অর্থের বিনিময়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন অ্যান্ড্রু। যদিও, কত টাকা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।

    এপস্টিন ফাইলে নাম থাকাই কাল

    প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্তের দাবিতে ক্রমশ চাপ বাড়ছিল ব্রিটেনের রাজপরিবারের উপরে। চলতি মাসেই নানা অভিযোগ-বাণে জর্জরিত অ্যান্ড্রু সমস্ত রাজখেতাব ছেড়ে দেন। ঘটনাচক্রে, একই মাসে তাঁকে ‘শাস্তি’ দিল রাজপরিবার। রাজপ্রাসাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, অ্যান্ড্রু অভিযোগ অস্বীকার করলেও তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, রাজা চার্লস এবং রানী ক্যামিলা, নির্যাতনের শিকার হওয়া সকলের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং এই সিদ্ধান্তের নীতিগত প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। যৌন অপরাধ, নারী পাচারে অভিযুক্ত এপস্টিনের সঙ্গে বহু বিখ্যাত ব্যক্তির নাম জড়িয়েছে। ইতিমধ্যে একাধিক বার কানাঘুষো শোনা গিয়েছে, এপস্টিন ফাইলে নাম রয়েছে বিল ক্লিন্টন থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিফেন হকিং থেকে মাইকেল জ্যাকসন-সহ বিশ্বের তাবড় ব্যক্তির। যদিও এই ফাইল এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।

  • PM Modi: রাজ্যাভিষেক তৃতীয় চার্লসের, শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মোদি

    PM Modi: রাজ্যাভিষেক তৃতীয় চার্লসের, শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের পড়ন্ত বিকেলে রাজমুকুট মাথায় উঠেছে রাজা তৃতীয় চার্লসের। যদিও তিনি রাজা হয়েছিলেন গত সেপ্টেম্বরেই, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা যাওয়ার পরেই। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি রাজা হলেন এদিন, রাজমুকুট পরিয়ে দেওয়ার পর। রানির স্বীকৃতি পেলেন তৃতীয় চার্লসের স্ত্রী ক্যামেলিয়া। সেই উপলক্ষে এদিন ব্রিটেনের রাজা-রানিকে শুভেচ্ছা-বার্তা পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বার্তা…

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, রাজ্যাভিষেক উপলক্ষে রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামেলিয়াকে শুভেচ্ছা। আমরা নিশ্চিত যে আগামী দিনগুলিতে ভারত এবং ব্রিটেনের সম্পর্ক আরও শক্তপোক্ত হবে। ইংল্যান্ডের ৪০তম রাজা হলেন তৃতীয় চার্লস। বৃষ্টিস্নাত শনিবারে তাঁর মাথায় রাজমুকুট উঠল ৭০ বছর পরে। এতদিন রাজপাট সামলাচ্ছিলেন তাঁর মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এদিন রাজমুকুট পরানোর আগে পালিত হয় ধর্মীয় রীতি। ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ তৃতীয় চার্লসকে পবিত্র তেল মাখান। পরে তাঁকে পরানো হয় রাজকীয় পোশাক। এর পরেই আর্চবিশপ ব্রিটিশ জনগণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের নতুন রাজার কল্যাণে প্রার্থনা করতে বলেন।

    আরও পড়ুুন: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, বন্দুকবাজের গুলিতে হত শিশু সহ ৯

    তৃতীয় চার্লসের মাথায় (PM Modi) রাজমুকুট তুলে দেওয়ার পর রানি হন তাঁর স্ত্রী ক্যামেলিয়া। একটি ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁকে রানি ঘোষণা করা হয়। তাঁর মাথায় তুলে দেওয়া হয় রানি মেরির ক্রাউন। অনুষ্ঠানে বাইবেলের একটি অংশ পাঠ করেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়, সোনম কাপুর প্রমুখ। এঁরা ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের ২০৩টি দেশের প্রতিনিধিরা। এদিনের অনুষ্ঠান শেষে তৃতীয় চার্লস ব্রিটেন তো বটেই, হলেন আরও ১৪টি দেশেরও রাজা। ইংল্যান্ডের চার্চের সুপ্রিম গভর্নরও তিনি-ই।

    প্রসঙ্গত, এদিন বিকেলে ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি তৃতীয় চার্লসের মাথায় তুলে দেন ৩৬০ বছরের পুরানো খাঁটি (PM Modi) সোনার রাজ মুকুট। এক সময় এই মুকুট পরেছিলেন সেন্ট এডওয়ার্ড। এর পরেই অ্যাঙ্গলিকান চার্চের আধ্যাত্মিক নেতা ঘোষণা করেন, ঈশ্বর রাজাকে রক্ষা করুন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • King Charles III: রাজ্যাভিষেক রাজা তৃতীয় চার্লসের, জানুন রাজকীয় প্রথা সম্পর্কে

    King Charles III: রাজ্যাভিষেক রাজা তৃতীয় চার্লসের, জানুন রাজকীয় প্রথা সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাজা হয়েছিলেন গত সেপ্টেম্বরেই, রানি (Queen) প্রয়াত হওয়ার পরেই। তবে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যাভিষেক হল তৃতীয় চার্লসের (King Charles III)। ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবেতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার পদস্থ অতিথি সাক্ষী রইলেন এই রাজকীয় অনুষ্ঠানের। রাজ্যাভিষেকের এই অনুষ্ঠান দেখতে এদিন বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেন্ট্রাল লন্ডনে জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের ২০৩টি দেশের প্রতিনিধিরা। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্যাভিষেক হয় তৃতীয় চার্লসের। এখন থেকে তিনি ব্রিটেন তো বটেই, হলেন আরও ১৪টি দেশেরও রাজা। ইংল্যান্ডের চার্চের সুপ্রিম গভর্নরও তিনি-ই।

    তৃতীয় চার্লসের (King Charles III) রাজ্যাভিষেক… 

    এদিন বিকেলে ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি তৃতীয় চার্লসের মাথায় তুলে দেন ৩৬০ বছরের পুরানো খাঁটি সোনার রাজ মুকুট। এক সময় এই মুকুট পরেছিলেন সেন্ট এডওয়ার্ড। এর পরেই অ্যাঙ্গলিকান চার্চের আধ্যাত্মিক নেতা ঘোষণা করেন, ঈশ্বর রাজাকে রক্ষা করুন। এদিন রাজ্যাভিষেকের (King Charles III) মূল অনুষ্ঠানটি হয় দু ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ধরে। ১৯৫৩ সালে রাজ্যাভিষেক হয়েছিল তৃতীয় চার্লসের মা দ্বিতীয় এলিজাবেথের। সেদিন অনুষ্ঠান হয়েছিল ঘণ্টা তিনেক ধরে। হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে যে প্রথা ব্রিটেনে চলে এসেছে, এদিন সেই প্রথা মেনেই হয়েছে রাজ্যাভিষেক। আর্চবিশপ বলেন, ইংল্যান্ডের চার্চ দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যাতে বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    রাজমুকুট পরানোর আগে পালিত হয় ধর্মীয় রীতি। ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ তৃতীয় চার্লসকে পবিত্র তেল মাখান। পরে তাঁকে পরানো হয় রাজকীয় পোশাক। এর পরেই আর্চবিশপ ব্রিটিশ জনগণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের নতুন রাজার কল্যাণে প্রার্থনা করতে বলেন। তৃতীয় চার্লসের (King Charles III) মাথায় রাজমুকুট তুলে দেওয়ার পর রানি হন তাঁর স্ত্রী ক্যামেলিয়া। একটি ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁকে রানি ঘোষণা করা হয়। তাঁর মাথায় তুলে দেওয়া হয় রানি মেরির ক্রাউন। প্রসঙ্গত, এই প্রথম রাজা এবং রানির জন্য নতুন মুকুটের ব্যবস্থা করা হয়নি। তাঁরা দুজনেই পরেছেন তাঁদের পূর্বসূরিদের মুকুট। অনুষ্ঠানে বাইবেলের একটি অংশ পাঠ করেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়, সোনম কাপুর প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী শুক্র এবং শনিবার ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে হাজির থাকবেন তিনি। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘‘ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। অনেক মিল এবং পরিপূরকতা রয়েছে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থায়।’’

    কেমন হবে অনুষ্ঠান

    ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর  প্রয়াত হন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রানির মৃত্যুর পরই ৭৩ বছর বয়সে রাজার গদি পান তৃতীয় চার্লস। রাজা হওয়ার ৮ মাস পরে, শনিবার রাজ্যাভিষেক হবে তৃতীয় চার্লসের। তাঁর রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশিষ্টজনদের। রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারতও। ব্রিটেনের রাজার শপথ গ্রহণে ভারতীয় সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। সে দিনই আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘কুইন কনসর্ট’ ঘোষণা করা হবে চার্লসের স্ত্রী ক্যামিলাকেও। প্রথামাফিক, ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকবেন আর্চবিশপ অব ক্যান্টারবেরি।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ ! মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বাকিংহামের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬ মে প্রায় ২ হাজার বিদেশি অতিথির সমাগম হবে। অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য এক ঘণ্টা। ১৯৫৩ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেকের অনুষ্ঠানের থেকে অনেকটাই ‘ছোট মাপের’ হবে চার্লসের রাজ্যাভিষেক। রানির অভিষেকের অনুষ্ঠানে ছিলেন ৮ হাজার বিদেশি অতিথি। অনুষ্ঠান চলেছিল ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যেও আমন্ত্রিত ছিল ভারত। সেই সময় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ব্রিটেনে গিয়েছিলেন এবং রানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন। এবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, আগামী ৫ ও ৬ তারিখ ব্রিটেন সফরে যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী ৬ মে ব্রিটেনের রাজা হিসাবে তৃতীয় চার্লস ও কুইন কনসর্ট হিসাবে তাঁর স্ত্রী ক্যামিলা শপথ গ্রহণ করবেন। সেই অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রিত ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন উপরাষ্ট্রপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Prince Harry and William: ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানিকে শেষ বিদায়, সামরিক পোশাকে প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

    Prince Harry and William: ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানিকে শেষ বিদায়, সামরিক পোশাকে প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্য ১৯ সেপ্টেম্বর৷ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ১১টায় রানিকে শেষ বিদায় জানানো হবে বলে ঘোষণা করেছে বাকিংহ্যাম প্যালেস। তাঁর আগেই প্রিন্স হ্যারি (Prince Harry) ও উইলিয়ামকে (William) ওয়েস্টমিনার হলে সামরিক পোশাকে দেখা গেল। গতকাল ব্রিটেনের দীর্ঘমেয়াদি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে সম্মান জানাতে প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি তাঁদের অন্যান্য ভাইদের সঙ্গে সম্মান জানাতে ওয়েস্টমিনার হলে সামরিক পোশাক পরেছিলেন। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রিন্স হ্যারিকে দেখা যাচ্ছিল সাধারণ পোশাকেই। ২০২০ সালের পর এই প্রথম বার সামরিকপোশাকে দেখা গেল হ্যারিকে।

    যদিও শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারলেও প্রিন্স হ্যারির ওপর সামরিক পোশাক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে শনিবার সামরিক পোশাকেই দেখা যায়। প্রিন্স হ্যারি এবং তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে এসেছিলেন। তাই প্রিন্স হ্যারি সামরিক ইউনিফর্ম পড়ার অধিকারী নন বলে জানা যায়। যদিও এই প্রসঙ্গে অনেক বিতর্ক শুরু হয়েছিল ও পরে তাঁকে ও মিলিটারি পোশাকে দেখা যায়। জানা গিয়েছে তিনি রাজা তৃতীয় চার্লস শেষপর্যন্ত মিলিটারি পোশাক পরার অনুমতি দিয়েছেন। গতকাল এই সম্মান জানানোয় ব্রিটেনের বর্তমান রাজা চার্লস, প্রিন্স হ্যারি এবং প্রিন্স উইলিয়ামের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রুর কন্যা প্রিন্সেস বিট্রিস এবং ইউজেনি, প্রিন্সেস অ্যানের সন্তান পিটার ফিলিপস এবং জারা টিন্ডাল এবং প্রিন্স এডওয়ার্ডের সন্তান লুইস এবং জেমস।

    আরও পড়ুন: তিনবার ভারত সফরে এসেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ! ফিরে দেখা ঐতিহাসিক মূহূর্ত

    রাজা চার্লসের দুই ছেলে ও বাকিরা কফিনের পাশে ১৫ মিনিটের জন্য নীরবতা পালন করেন। এছাড়াও হাজার হাজার মানুষ ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ও এবং রানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষা করছিলেন।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ৷ ৭০ বছরের রাজত্বের অবসান ঘটে, যা ব্রিটিশ রাজপরিবারের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ছিল। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য ইতিমধ্যেই লন্ডনের সর্বত্র কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন জায়গাও ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং শেষকৃত্যের আগে অনেকগুলি রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে৷ এদিন প্রায় ৭ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের আসার কথা।

LinkedIn
Share