Tag: Kiran Mazumdar Shaw

Kiran Mazumdar Shaw

  • Roshni Nadar Malhotra: ফের ভারতের ধনী মহিলাদের শীর্ষস্থানে রোশনি নাদার মালহোত্রা

    Roshni Nadar Malhotra: ফের ভারতের ধনী মহিলাদের শীর্ষস্থানে রোশনি নাদার মালহোত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে দেশের ধনীতম মহিলাদের তালিকা। এবছরও ধনীতম মহিলার খেতাব জয় করলেন এইচসিএল টেকনোলজিসের (HCL Technologies) চেয়ারপার্সন রোশনি নাদার মালহোত্রা (Roshni Nadar Malhotra)।

    আরও পড়ুন: বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় বাতিল সরকারি অনুষ্ঠান! শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর

    ২০২১ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রোশনির সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। এই মুহূর্তে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৪,৩৩০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৫৪,৮৫০ কোটি টাকা। এইচসিএল টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা শিব নাদারের মেয়ে রোশনি। বয়স ৪০ বছর। শিব নাদার অবসর নেওয়ার পরে রোশনি সংস্থার দায়িত্ব নেন।

    আরও পড়ুন: ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডি-র  

    বুধবার প্রকাশিত হয়েছে কোটাক প্রাইভেট ব্যাঙ্কিং হুরুন তালিকা (Kotak Private Banking and Hurun India)। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর অবধি কোন ধনী মহিলার কত সম্পত্তি তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই তালিকা। আর সেই তালিকাতেই শীর্ষস্থানে রোশনি। তালিকা অনুসারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নাইকা কসমেটিক্সের (Nykaa Cosmetics) প্রতিষ্ঠাতা ফাল্গুনী নায়ার (Falguni Nayar)। প্রায় ১০ বছর আগে চাকরি ছেড়ে এই কসমেটিক্স ব্র্যান্ড তৈরি করেছিলেন এই ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার। বর্তমানে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৫৭,৫২০ কোটি টাকা। এই বছরে তাঁর সম্পত্তি ৯৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   

    তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বায়োটেকনোলজি সংস্থা বায়োকন লিমিটেডের চেয়ারপার্সন (chairperson of Biocon) এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর কিরণ মজুমদার শ (Kiran Mazumdar Shaw)। তিনিই এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৯ হাজার ৩০ কোটি টাকা। শিল্পোদ্যোগী এবং অন্যান্য ভূমিকার জন্যে পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণের মত একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।   

    দেশের মোট ১০০ জন ধনী মহিলার নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই ১০০ জন মহিলার সামগ্রিক সম্পত্তি এক বছরে ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০২০ সালে ছিল ২.৭২ লক্ষ কোটি টাকা, ২০২১ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। ভারতের জিডিপিতে বর্তমানে তাঁদের অবদান ২ শতাংশ। 

     

  • Drug Controller: ঘুষ নিয়ে ট্রায়াল মকুব! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ড্রাগ কন্ট্রোলার সহ ৫ 

    Drug Controller: ঘুষ নিয়ে ট্রায়াল মকুব! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ড্রাগ কন্ট্রোলার সহ ৫ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে ইঞ্জেকশনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মকুব করার গুরুতর অভিযোগে যুগ্ম ড্রাগ কন্ট্রোলার (Joint Drugs Controller) এস ইশ্বর রেড্ডিকে (S Eswara Reddy) গ্রেফতার করল সিবিআই (CBI)। দিল্লির (Delhi) এক বেসরকারি সংস্থাকে বেআইনিভাবে ইনসুলিন ইঞ্জেকশনের অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বায়োকন বায়োলজিকস (Biocon Biologics) নামে একটি সংস্থার থেকে এই কাজের জন্যে চার লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে সংস্থার অ্যাসোসিয়েট ভাইস প্রেসিডেন্ট এল প্রবীণ কুমার সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও সেই ওষুধ কোম্পানি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করেছে। 

    আরও পড়ুন: শেষ হল নেজাল ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল, শীঘ্রই মিলবে ছাড়পত্র?

    দিল্লির ড্রাগ কন্ট্রোলারের হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন রেড্ডি। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে অ্যাসিস্ট্যান্ট ড্রাগ ইন্সপেক্টর অনিমেশ কুমারকে। আর গ্রেফতার করা হয়েছে দীনেশ দুয়া এবং গুলজিৎ চৌধুরীকে। অভিযোগ, ওষুধের অনুমোদন দেওয়ার জন্য একাধিক সংস্থার থেকে মোট ৯ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন রেড্ডি।

    আরও পড়ুন: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা   
     
    বহুদিন ধরেই রেড্ডির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তক্কে-তক্কে ছিল সিবিআই। অভিযুক্তকে হাতে নাতে ধরার জন্য ফাঁদ পেতেছিলেন সিবিআই অফিসাররা। অবশেষে এই ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাথে ধরা পড়েন তিনি। দিল্লির ১১টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। 

    সিবিআই আধিকারিকরা জানান, বায়োকন (Biocon) বায়োলজিকসের তিনটি ফাইল রেড্ডির টেবিলে বহুদিন ধরে আটকে পড়েছিল। ঘুষের টাকা পাওয়ার পরেই ফাইলগুলিকে ছাড়পত্র দেন রেড্ডি। শিল্পপতি কিরণ মজুমদার শ (Kiran Mazumdar Shaw)-এর প্রতিষ্ঠিত সংস্থা বায়োকন বায়োলজিকস। এই সংস্থার ওষুধকেই তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Clinical trial) ছাড়াই বেআইনিভাবে অনুমোদন দিয়েছিলেন রেড্ডি।

LinkedIn
Share