Tag: Kirti Azad

Kirti Azad

  • Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা সরব বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভোটের মুখে এর আগেও বারংবার শিরোনামে উঠে এসছেন দিলীপ ঘোষ। এবার আরও একবার শাসক দলকে নিশানা করলেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন দিলীপ ঘোষ। বর্ধমানের ডিভিসি বাংলোর পাশের ময়দানে প্রাতভ্রমণে (morning walk) বের হন তিনি। সেখান থেকে বাজার হয়ে যান নীলপুর শ্রীগুরু সঙ্ঘের একটি আশ্রমে। সেখানেই তৃণমূলের গুন্ডামির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপির অস্ত্র ভোট (Dilip Ghosh)

    প্রচারের মাঝে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) একাধিক বিষয়ে মত প্রকাশ করেন। তৃণমূলের চেলা কাঠ প্রসঙ্গে উত্তর দিয়ে বলেন, “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব। যে যা ইচ্ছা বলবে, ওই দিন চলে গিয়েছে। আমরাও পাল্টা বলব। বিজেপির (BJP) কিছু লাগে না। ভোটই (vote) অস্ত্র আমাদের। মানুষ ওটা দেবে আমাদের, এভাবেই হারাবো তৃণমূলকে।” একই ভাবে অনন্ত মহারাজ দলে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনন্ত মহারাজ অনেক দিন বাইরে থেকে সাপোর্ট করেছেন। এবারে যোগ দিয়ে দলের হয়ে কাজ করছেন। এটা ভালো কথা।”

    শাহজাহান প্রসঙ্গে কী বললেন?

    শাজাহানের প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শাজাহানকে (sheikh shahjahan) টিএমসি (TMC) ব্যবহার করেছে। তৃণমূলের হয়ে টাকা তুলেছেন তিনি। দুমাস চেষ্টা করল তাঁকে রক্ষা করতে। এখন তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে সিবিআই তদন্ত করলে আরও অনেকে ধরা পড়বেন।” উল্লেখ্য গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে ঢুকে ভাষণ দিয়েছেন, শরবত খেয়েছেন দিলীপ। তা নিয়ে প্রশ্ন এলে তিনি বলেন, “কোনও রঙ কারও কেনা নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা আমায় ডেকেছেন। আমায় ভাষণ দিতেও বলে ছিলেন ওঁরা। রাজনীতি (politics) ছাড়া কিছুই বোঝে না তৃণমূল। ভালোবেসে খাওয়ালে শরবতও মিষ্টি লাগে। ওঁরা কাল ভালোবেসে খাইয়েছেন। যাঁরা আমার গাড়িতে হামলা করত তাঁরাই যদি শরবত খাওয়ায় তাহলে বুঝতেই পারছেন পরিস্থিতি কেমন এখন।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটারদের দেখে নেওয়ার হুমকি চোপড়ার বিধায়কের

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে কী বললেন?

    কীর্তি আজাদ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি বলেছিলাম একসপ্তাহ পরে দেখবেন। কীর্তি আজাদ (kirti azad) অনেক বড়বড় কথা বলে ছিলেন। মনোনয়নের আগেই বুঝবেন কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি লাল মেঘ দেখছেন। লাল মেঘ দেখলে গরু যেমন লাফায় তেমন লাফাচ্ছেন।” আবার নিয়োগ মামলায় এফআইআর প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এফআইআর হয়েছে। মানুষ ক্ষুদ্ধ, বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে মানুষ আশাহত হবেন। এবারে আশাকরি ওঁরা সাজা পেয়ে যাবেন।” বিনয় তামাং প্রসঙ্গে তিনি আবার বলেন, “বিনয় তামাং (binay tamang) এন্ড কোম্পানি আমার উপর হামলা করেছিল। আমার এফআইআর নেয়নি সেই সময়। এখন এফআইআর হয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    Dilip Ghosh: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) কুমন্তব্য করলেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’ বললেন এই তৃণমূল প্রার্থী। এই মন্তব্যের জেরে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে দিলীপ এই তৃণমূল প্রার্থীকে আবার বাংলায় বহিরাগত বলেছিলেন। এই ঘটনার পর বর্ধমানে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক তর্জা শুরু হয়েছে।

    কী বলেছেন দিলীপকে (Dilip Ghosh)?

    শনিবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কামনাড়ার গৌরকালী বাড়িতে পুজো দিয়েছেন বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর পুজো দিয়ে মন্দিরের পুরোহিতকে বলেন, “মাকে বলুন যাতে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের সম্মান রাখতে পারি। বহিরাগতদের যেন জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জামা কাপড় যেন রেখে পালিয়ে যায়।” কিন্তু অপর দিকে এদিন মন্তেশ্বরে ভোটের প্রচারে এসে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ, দিলীপকে একেবারে অসুরের সঙ্গে তুলনা করে বসেন। তিনি কুমন্তব্য করে বলেন, “এমন মহিষাসুরকে বিজেপির লোক হাসপাতালে পাঠাক। না পাঠালে আমারা চাঁদা তুলে ওঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করাবো। মমতাদিদির তৃণমূল টিম ঐ মহিষাসুরকে ভোটে হারিয়ে বধ করবে।”

    তবুও দিলীপ আত্ম বিশ্বাসী

    এদিন কীর্তি আজাদ দিলীপকে (Dilip Ghosh) উদ্দেশ্য করে আক্রমণ করে আরও বলেন, “দিলীপ ঘোষ এমন ব্যক্তি, যাঁর সমাজে কোনও জায়গা নেই। তিনি মা দুর্গা এবং মমতাদিদিকে অপমান করেছেন। মহিলাদের উনি অপমান করেন। দিলীপ ঘোষ এবং আরএসএস মহিলাদের সম্মান করতে জানেন না।” আগামী ৩১ মে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভায় ভোটের দিন। ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় কীর্তি। তিনি তৃণমূলের হয়ে এই প্রথম এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন। অপর দিকে ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ। এইবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল। তবে দিলীপ তাঁর নতুন লড়াইয়ের ময়দানে নিজের জয় নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে জেলার বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “তৃণমূল নেতারা বাংলার নারীদের অসম্মান করেন। এই এলাকার মানুষ চিনিয়ে দেবে কে আসল মহিষাসুর। বাংলায় নারী নির্যাতনে তৃণমূল সব সীমাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।” আবার তৃণমূল নেতা তথা তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “দিলীপ (Dilip Ghosh) খারাপ কথা বলে বাংলার মানুষকে অপমান করে চলেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    Amit Malviya: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই ঘোষণা হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনে বিহার থেকে উড়িয়ে এনে ঘাসফুল শিবির প্রার্থী করেছে কীর্তি আজাদকে (Kirti Azad)। উল্লেখ্য, বিজেপিকে বহিরাগতদের দল বলে আক্রমণ শানানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই কীর্তি আজাদের নাম ঘোষণা করেন অভিষেক। রবিবার সন্ধ্যাতেই কীর্তি আজাদের পরিবারের বাঙালি বিদ্বেষী আচরণ নিয়ে তোপ দেগে বিস্ফোরক ট্যুইট করেছেন বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। অমিত মালব্যের ট্যুইট অনুযায়ী, ভাগলপুর থেকে ৫০ হাজার বাঙালিকে বিতাড়নের জন্য দায়ী ছিল কীর্তি আজাদের বাবা (Kirti Azad)। আর সেইরকম এক পরিবারের ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। তৃণমূল কি আদৌ বাঙালিদের কথা ভাবে?

    বাঙালি মেয়ের অপহরণকারীদের পাশে ছিলেন কীর্তির বাবা!

    অমিত মালব্যের (Amit Malviya) ট্যুইট অনুযায়ী, বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) বাবা, ভগবত ঝা আজাদ ছিলেন একদা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা ভাগলপুরে এক বাঙালি মেয়েকে তাঁর নিজের বাড়ি থেকে অপহরণ করে। পাপড়ি বোস রায় নামের ওই মহিলাকে অপহরণে কারণে, সেখানে এতটাই ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয় যে প্রায় ৫০ হাজার বাঙালি ভাগলপুর ছাড়তে বাধ্য হন, এমনটাই জানিয়েছেন অমিত। বিজেপি নেতার আরও দাবি, সেসময় বাঙালি মেয়ে অপহরণকারীদের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন কীর্তি আজাদের বাবা, যিনি ছিলেন তৎকালীন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় বাঙালিদের মনে প্রবল ভীতি সঞ্চার করে তাদের ভিটেছাড়া করতে বাধ্য করেছিলেন কীর্তির বাবা ভগবত ঝা আজাদ, এমনটাই দাবি অমিতের।

    শাহজাহানের মতো কীর্তিকেও রক্ষা করছেন মমতা

    এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান লেখেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একজনকেই প্রার্থী করল। যা লজ্জার।’’ অমিত (Amit Malviya) আরও জানিয়েছেন, শাহজাহানের মতো কীর্তি আজাদকেও রক্ষা করছেন মমতা। কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) গোটা পরিবার যে এমন অভিশাপের জন্যই বিহারের রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে, তাও নিজের ট্যুইটে লেখেন অমিত মালব্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kirti Azad: ‘না নর, না নারী…’, প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ!

    Kirti Azad: ‘না নর, না নারী…’, প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘না নর, না নারী, তিনি কেবল ফ্যাশনের পূজারি!’ ঠিক এই ভাষায়ই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আক্রমণ করে বিতর্কে তৃণমূল (TMC) নেতা তথা প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। মেঘালয়ের শিলংয়ে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সেখানকার ট্র্যাডিশনাল খাসি পোশাক পরেছিলেন মোদি। সেই ছবি পোস্টও করেছিলেন তিনি। তৃণমূল নেতা কীর্তি আজাদ সেই ছবির পাশে অনলাইনে বিক্রি হওয়া একই রকম পোশাক পরিহিত এক মহিলার ছবি পোস্ট করেছেন। তার পরেই লিখেছেন ব্যাঙ্গাত্মক কবিতা। তার জেরে বিজেপির নিশানায় এই ক্রিকেটার-রাজনীতিক।

    কীর্তির ‘কীর্তি’…

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস মেঘালয়ের সংস্কৃতির অসম্মান করেছে। এদিকে বিজেপি আদিবাসী মোর্চার তরফেও তৃণমূলের সমালোচনা করা হয়েছে। কীর্তির (Kirti Azad) ‘কীর্তি’ ট্যুইটকে রিটুইট করে হিমন্ত লিখেছেন, এটা খুবই দুঃখের বিষয় যে কীর্তি আজাদ মেঘালয়ের সংস্কৃতির অসম্মান করছেন এবং আমাদের আদিবাসী পোশাকের মজা ওড়াচ্ছেন। তৃণমূলের তরফে এনিয়ে কিছুই বলা হয়নি। যার অর্থ, তারা এই মন্তব্যকে সমর্থন করছে। মানুষ তৃণমূলকে ক্ষমা করবে না। যদিও কীর্তি আজাদের দাবি, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পোশাকের অসম্মান করছিলেন না। বরং তিনি মোদির ফ্যাশনের বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। বিতর্ক সত্ত্বেও তিনি অবশ্য সেই ট্যুইট ডিলিট করেননি।

    নতুন বছরে হতে চলেছে মেঘালয় বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে এ রাজ্যে পায়ের নীচের মাটি বেশ খানিকটা শক্ত করে ফেলেছে তৃণমূল। কংগ্রেস বিধায়কদের ভাঙিয়ে এ রাজ্যে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা অর্জন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এই আবহে কীর্তির (Kirti Azad) এহেন মন্তব্য বিজেপির হাতে তুলে দিয়েছে নয়া অস্ত্র। তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে তৃণমূল আসলে মেঘালয়ের সংস্কৃতিকে অসম্মান করেছে। রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির সমীর ওরাঁও বলেন, যদি তৃণমূলের ওই নেতার (কীর্তি আজাদ) কোনও জ্ঞান না থাকে, তাহলে তাঁর আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন যে প্রধানমন্ত্রী যা পরেছিলেন, সেটা আদতে উপজাতিদের পোশাক। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁর, জানেন?

    অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডু ট্যুইটারে কীর্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি লেখেন, আপনার ভাষা নারীত্বের অবমাননা। আপনি মেঘালয়ের ঐতিহ্যকেও অপমান করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kirti Azad: প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, চাপে পড়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ

    Kirti Azad: প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, চাপে পড়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল (TMC) নেতা কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন এই ক্রিকেটার কাম রাজনীতিক। তা নিয়ে দেশজুড়ে বয়ে গিয়েছিল সমালোচনার ঝড়। শেষমেশ এক প্রকার বাধ্য হয়েই ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের কীর্তি। ট্যুইটবার্তায় এই তৃণমূল নেতা লিখেছেন, আমি ভারতের বৈচিত্রের সংস্কৃতিকে সমর্থন করি। আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছিল। যাঁদের সেন্টিমেন্টকে আমার কথা আঘাত করেছে, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    ট্র্যাডিশনাল খাসি পোশাক…

    প্রসঙ্গত, মেঘালয়ের শিলংয়ে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সেখানকার ট্র্যাডিশনাল খাসি পোশাক পরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি পোস্টও করেছিলেন তিনি। তৃণমূল নেতা কীর্তি আজাদ সেই ছবির পাশে অনলাইনে বিক্রি হওয়া একই রকম পোশাক পরিহিত এক মহিলার ছবি পোস্ট করেন। তার পরেই লেখেন, ‘না নর, না নারী, তিনি কেবল ফ্যাশনের পূজারি!’ তার জেরে বিজেপির নিশানায় এই ক্রিকেটার-রাজনীতিক। দেশজুড়েও শুরু হয় প্রবল সমালোচনা।

    প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) নিজেকে তৃণমূলের সৈনিক বলে দাবি করেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি সব সময় সংবিধানের পথ অনুসরণ করেন। যে সংবিধান ভারতের বৈচিত্রকে সম্মান করতে শেখায়। সেই আজাদের মুখেই প্রধানমন্ত্রীর পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্যে তাঁর পাশ থেকে সরে দাঁড়ায় তৃণমূলও। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে ক্ষমা চান ক্রিকেটার রাজনীতিক কীর্তি আজাদ।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের উপহার! ২০২৩-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেবে কেন্দ্র

    এদিকে, বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুন্নাওয়ালা কীর্তির মন্তব্য নিয়ে সিডিউল ট্রাইব কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, মেঘালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরেছিলেন সেই পোশাক ট্রাইবাল সম্প্রদায়ের বড় গর্বের। বিশেষত মেঘালয় এবং উত্তর-পূর্বে। একে উপহাস করছেন, কারণ আপনি একজনকে ঘৃণা করছেন, আপনি গোটা উত্তর-পূর্বের সংস্কৃতিকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন, ঘৃণা করতে শুরু করেছেন উত্তর-পূ্র্বের সমগ্র ট্রাইবাল সম্প্রদায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

LinkedIn
Share