Tag: Kishtwar

Kishtwar

  • Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) জইশ-ই-মহম্মদ (JeM) জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানা ভেঙে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চালানো ব্যাপক তল্লাশি অভিযান মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে পড়েছে। জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। চলমান ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’-(Operation Trashi-I) এর মধ্য দিয়ে জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরার খোঁজ পায় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই ডেরা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী—রেশন, ঘি, বাসনপত্র, গ্যাস সিলিন্ডার ও স্টোভ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে জঙ্গিরা 

    সূত্রের খবর, আস্তানাটি শীতকালের জন্য পর্যাপ্ত রেশনে ভর্তি ছিল এবং একাধিক জঙ্গির থাকার মতো বড় ছিল। এই সাফল্য আসে তার একদিন পর, যখন কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক প্যারাট্রুপার শহিদ হন। রবিবার কিশতওয়ারের চাত্রু এলাকার সোনার গ্রাম সংলগ্ন মান্দ্রাল–সিংহপোরা অঞ্চলে অভিযান শুরু হয়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে এনকাউন্টার ঘটে। পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত ২–৩ জন জঙ্গি এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে বলে ধারণা। জঙ্গিরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের একটি সুসজ্জিত আস্তানা ভেঙে দিতে সক্ষম হয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ শীতকালীন রসদ—খাবার, কম্বল ও বাসনপত্র—মজুত ছিল।

    জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক

    অভিযান তদারকিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জম্মু জোনের আইজি পুলিশ ভীম সেন তুতি এবং সিআরপিএফ-এর আইজি (জম্মু) আর গোপাল কৃষ্ণ রাও। তাঁদের সঙ্গে একাধিক সেনা আধিকারিকও সেখানে শিবির গেড়েছেন। এদিকে মঙ্গলবার সকালে জম্মুতে শহিদ স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো হাবিলদার গজেন্দ্র সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সাতওয়ারিতে একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহিদের মরদেহ নিজ গ্রামে পাঠানো হয়। সোমবার দুপুরে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ওই জঙ্গি আস্তানা উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী এখন সেই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (OGW) শনাক্ত করার চেষ্টা করছে, যারা জঙ্গিদের জন্য বিপুল পরিমাণ রেশন, ডাল, বাসনপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ ও পরিবহণে সহায়তা করেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী অন্তত চারজন জঙ্গির দীর্ঘ শীতকালীন থাকার জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস জানিয়েছে, চাত্রু এলাকায় ‘অপারেশন ত্রাশি-আই’ (Operation Trashi-I) অব্যাহত রয়েছে। কর্পস, পুলিশ ও সিআরপিএফ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি আরও জোরদার করেছে। কঠিন ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল ও খাড়া ঢালের মধ্যেও ড্রোন ও স্নিফার ডগের সাহায্যে সেনা, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে। সীমিত দৃশ্যমানতা ও চলাচলের অসুবিধা সত্ত্বেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত দুই থেকে তিনজন জঙ্গি ওই এলাকায় আটকে থাকতে পারে।

  • Kishtwar Encounter: কিশতওয়ারে ফের গুলির লড়াই, মৃত্যু সেনা জওয়ানের! ৩ জইশ জঙ্গির খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান

    Kishtwar Encounter: কিশতওয়ারে ফের গুলির লড়াই, মৃত্যু সেনা জওয়ানের! ৩ জইশ জঙ্গির খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) কিশতওয়ার (Kishtwar encounter) জেলায় সিংহপোড়া এলাকায় সোন্নার গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী ও পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সংঘর্ষের সময় ভারী গুলিবর্ষণে আরও সাতজন জওয়ান আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তান সমর্থিত জইশ-ই-মহম্মদের তিনজন জঙ্গি (Jaish-e-Mohammed terrorists) গ্রেনেড ছুড়ে বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

    সেনা -জওয়ান নিহত

    পুলিশ সূত্রে খবর, পাকিস্তান-ভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের (Jaish-e-Mohammed) দু’ থেকে তিনজন জঙ্গি ওই অঞ্চলে লুকিয়ে রয়েছে—এই প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতেই দুপুর নাগাদ সোন্নার গ্রামে অভিযান শুরু করেছিল নিরাপত্তাবাহিনী। অপারেশনটির (Kishtwar encounter) নেতৃত্ব দেয় জম্মু-ভিত্তিক সেনা ইউনিট হোয়াইট নাইট কোর। গুলির লড়াই চলাকালীন আটজন জওয়ান স্প্লিন্টার ইনজুরিতে আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা চলাকালীন একজন জওয়ানের মৃত্যু হয়। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্সেস (SF)-এর এক প্যারাট্রুপার শহিদ হয়েছেন। সোমবার সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান দ্বিতীয় দিনে প্রবেশ করেছে। শহিদ সেনার নাম হাবিলদার গজেন্দ্র সিং। সেনা কর্মকর্তাদের মতে, সন্ত্রাস দমন অভিযানের সময় তিনি গুরুতর আহত হন। ভারতীয় সেনার হোয়াইট নাইট কোর তাদের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, “হোয়াইট নাইট কোরের জিওসি এবং সমস্ত পদমর্যাদার সেনাকর্মীরা স্পেশাল ফোর্সেসের হাবিলদার গজেন্দ্র সিংকে গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। ১৮–১৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যরাতে চলমান অপারেশন ‘ ত্রাসি–১’-এর আওতায় সিংপুরা এলাকায় সন্ত্রাস দমন অভিযানে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমরা তাঁর অদম্য সাহস, বীরত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং এই গভীর শোকের মুহূর্তে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছি।”

    চলছে তল্লাশি অভিযান

    কিশতওয়ার জেলার (Kishtwar encounter) ওই এলাকায় এখনও তল্লাশি ও অভিযান চলছে। যাতে জঙ্গিরা কোনওভাবেই পালাতে না পারে, তার জন্য ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো এলাকা। পুলিশ ও সেনা সূত্র জানাচ্ছে, মানদ্রাল–সিংহপোড়া অঞ্চলের কাছে চাট্রুর সোন্নার গ্রামে ‘অপারেশন ত্রাশি–১’-এর অংশ হিসেবে চলছিল কর্ডন অ্যান্ড সার্চ অপারেশন। দুপুর নাগাদ তল্লাশি অভিযান চলাকালীন আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। জওয়ানরা জঙ্গিদের অবস্থান চিহ্নিত করার চেষ্টা করতেই শুরু হয় গুলিবর্ষণ। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জঙ্গিদের গুলির জবাব দিতে গিয়ে কঠিন ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও জওয়ানরা ‘অসাধারণ পেশাদারিত্ব’ দেখিয়েছেন। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলতে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে অভিযান চালানো হচ্ছে। কঠিন ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল ও খাড়া ঢালের কারণে রবিবার গভীর রাতে অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে সোমবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই কিশতওয়ার জেলার উঁচু পার্বত্য এলাকায় ফের তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। সেনা, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর একাধিক দল ড্রোন ও স্নিফার ডগের সাহায্যে এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে। জঙ্গিরা যাতে পালাতে না পারে, সে জন্য পুরো এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক মাসে বাড়ছে সংঘর্ষ

    চলতি বছর এই নিয়ে তৃতীয়বার নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ হয়েছে জম্মু এলাকায় (Jammu Kashmir)। এর আগে ৭ জানুয়ারি এবং ১৩ জানুয়ারিও গুলির লড়াই হয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে কিশতওয়ারের চাট্রু এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযানে জঙ্গিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল সেনা ও পুলিশ। অপারেশন সিঁদুরের পরেই নতুন করে ‘ঘাতক’ হয়ে উঠেছে জইশ সন্ত্রাসীরা। শ্রীনগরে নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে হয়ে পড়েছে কৌশলী।

    তীব্র শীতেও সতর্ক সেনা

    সাধারণত ‘চিল্লাই কলান’-এ (অতিরিক্ত শীতের সময়) অভিযান কিছুটা কমে। তবে এবারে সেনা নতুন কৌশলে বরফে ঢাকা উঁচু এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে। ধারণা, জঙ্গিরা সেখানেই ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা করছে। থার্মাল ইমেজিং ডিভাইস এবং ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি রাতের অভিযান এবং বিপজ্জনক ভূখণ্ডে অপারেশন চালাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক। তাঁর কথায়, “এই প্রযুক্তি আর সেনার ভূখণ্ড–পরিচিতি মিলিয়ে এখন কোনও এলাকাই নজরদারির বাইরে থাকছে না।” সেনা সূত্রে খবর, অভিযান (Kishtwar encounter) শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর কেন্দ্রীয় স্তর থেকেও নজর রাখা হচ্ছে। সেনাদের বক্তব্য, অভিযান দীর্ঘস্থায়ী হলেও জঙ্গিদের পালানোর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না। সেনা আধিকারিকদের মতে শান্তি বজায় রাখাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • Cloudburst: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূ-স্বর্গে হড়পা বান, উদ্ধার ৪৬ দেহ, আরও প্রাণহানির আশঙ্কা

    Cloudburst: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূ-স্বর্গে হড়পা বান, উদ্ধার ৪৬ দেহ, আরও প্রাণহানির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই উত্তরাখণ্ডে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে (Cloudburst) ভয়াবহ হড়পা বানের ছবি দেখা গিয়েছিল। এবার সেই একই ধারা দেখা গেল জম্মু ও কাশ্মীরেও। কিস্তওয়ার জেলায় প্রবল বৃষ্টির ফলে হড়পা বান নেমে এসেছে, যার ফলে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই সিআইএসএফ জওয়ানও। আহত হয়েছেন প্রায় ১০০ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কিস্তওয়ারের (Kishtwar) পুলিশ কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৪৬টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান।

    শোক প্রকাশ মোদির (Cloudburst)

    প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ইতিমধ্যেই আগামীকাল স্বাধীনতা দিবসের নির্ধারিত সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, পতাকা উত্তোলন, মার্চ পাস্ট ও ভাষণের মতো কর্মসূচি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই হবে বলে জানিয়েছেন তিনি (Cloudburst)।

    হড়পা বানের সময় চলছিল উৎসব

    লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা উদ্ধার কাজে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছেন এবং দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। কিস্তওয়ারের ডেপুটি কমিশনার পঙ্কজ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, চাসোতি গ্রামে হড়পা বান নেমে আসে। এই গ্রাম থেকেই ‘মচৈল মাতা যাত্রা’ শুরু হয়। হড়পা বানের সময় বহু পুণ্যার্থী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে যাত্রাটি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে (Cloudburst) ।

    কী বলছেন স্থানীয় বিধায়ক সুনীল কুমার শর্মা

    স্থানীয় বিধায়ক সুনীল কুমার শর্মা জানিয়েছেন, একাধিক প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে (Kishtwar) দ্রুত ও সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্য পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে, ৫ অগাস্ট উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধরালী ও হর্ষিল গ্রামেও ভয়াবহ হড়পা বান নেমেছিল। সেই দুর্যোগে ধরালীর অধিকাংশ অংশ পাথর ও কাদার নিচে চাপা পড়ে যায়। উত্তরাখণ্ডের ওই ঘটনায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে (Cloudburst) ।

  • Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    Jammu Kashmir: রাতভর অভিযান কাশ্মীরে সাফল্য সেনার, নিহত ২ জঙ্গি, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকায় বড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নানা জায়গায় একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনায় মাঝেই শ্রীনগরে সেনার গুলিতে নিহত হল ২ জঙ্গি। শুক্রবার রাত থেকে বারামুল্লার সোপোর এলাকায় জঙ্গি দমনে অভিযান চালায় সেনা। জঙ্গিদের নিকেশ করার পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। কাশ্মীর পুলিশের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, ‘সোপোরে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। মৃত জঙ্গিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।’ 

    জঙ্গি দমনে অভিযান

    পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে খবর আসে বারামুল্লার (Jammu Kashmir) সোপোর এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে নামে সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। সোপোরের পানিপুরায় গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। সেনার উপস্থিতি টের পেয়ে এবং পিছু হটবার জায়গা না থাকায় নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে দুই তরফের গুলির লড়াইয়ের পর ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপের ঘটনা ঘটছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কিস্তওয়ার জেলায় দুই ভিডিজি (ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড) সদস্যকে অপহরণ করে খুন করল জঙ্গিরা। পুলিশ সূত্রের খবর, ওহলি-কুন্তওয়ারা গ্রামের ওই দুই বাসিন্দার নাম নাজির আহমেদ ও কুলদীপ কুমার। পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের ‘ছায়া সংগঠন’ কাশ্মীর টাইগার্স খুনের দায় স্বীকার করেছে। নিহত দুই ভিডিজি সদস্যের ছবিও প্রকাশ করেছে তারা। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জঙ্গি হানায় দুই ভিডিজি সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘এই সন্ত্রাসের চক্র আমরা ধ্বংস করবই।’’ সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে উপত্যকায় জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস রুখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান জারি থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu & kashmir: কাশ্মীরের কিশতওয়ার থেকে গ্রেফতার পাক মৌলবী গুপ্তচর

    Jammu & kashmir: কাশ্মীরের কিশতওয়ার থেকে গ্রেফতার পাক মৌলবী গুপ্তচর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আবারও এক বড় সাফল্য অর্জন করল ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) কিশতওয়ারে (Kishatwar)  এক পাক গুপ্তচরকে (Cleric) গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। ধৃতের নাম আব্দুল ওয়াহিদ। মৌলবীর ছদ্মবেশে গুপ্তচরবৃত্তি করত সে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিশতওয়ার পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তথ্যের সূত্রে আব্দুল ওয়াহিদ (Abdul Wahid) নামের সেই মৌলবীকে গ্রেফতার করা হয়েছি। ওই মৌলবী চের্গী ডুলের বাসিন্দা। সে পাকিস্তানের এক গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসাবে কাজ করে।

    জানা গিয়েছে, ২২ বছর বয়সী মৌলবী আব্দুল ওয়াহিদ পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সংগঠন কাশ্মীরি ফোর্সের হয়ে কাজ করত। তার কাজ ছিল কিশতওয়ার থেকে সেনাবাহিনী ও প্রশাসন সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে তা পাকিস্তানে পাঠানো।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে গুলিবিদ্ধ বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, এনকাউন্টারে খতম ২ জইশ জঙ্গি

    সূত্র থেকে আরও জানা যায়, আব্দুল ওয়াহিদ কিশতওয়ারের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে এবং স্থানীয় একটি মসজিদে মৌলবি হিসেবে কাজ করে। রাজৌরি আর্মি ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলার পর থেকে, কীভাবে সন্ত্রাসবাদীরা বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে, সেই খবর খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। এরপর এই তদন্তের সময়ই, এটি সামনে এসেছিল যে পাকিস্তানের কেউ কিশতওয়ারে বসে কাশ্মীরি বাহিনীর সদস্যদের সামরিক ক্যাম্প, জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশের পথগুলি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাচার করছে। এরপর সেনাবাহিনী যখন কিশতওয়ারে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে, তখন মৌলবী আব্দুল ওয়াহিদকে তারা খুঁজে পায়। তখনই জানা যায়, মৌলবী কিশতওয়ারে সেনা মোতায়েন, তাদের ক্যাম্প ইত্যাদি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানে পাঠাচ্ছে। নিশ্চিত হওয়ার পর সেনাবাহিনী মৌলবী আব্দুল ওয়াহিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    জানা গিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওয়াহিদ স্বীকার করেছে যে সে কিশতওয়ারে বসে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী সংগঠন কাশ্মীরি ফোর্সের হয়ে কাজ করে। এছাড়া সে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে সেনাবাহিনী সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও দিয়ে আসছিলেন। ওয়াহিদ বলেছে যে তিনি কিশতওয়ারে নিযুক্ত সেনা সদস্যদের মোতায়েন, তাদের অফিসারদের ছবি এবং তাদের প্রতিদিনের যাতায়াত সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। এছাড়া পাকিস্তান থেকে কিশতওয়ারে অনুপ্রবেশের পথ কী কী হতে পারে সে সম্পর্কেও তথ্য দিচ্ছিল।

    তবে আবদুল ওয়াহিদ অতীতে কিশতওয়ারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টায় জড়িত ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী। সব তথ্য সংগ্রহের পর ওই মৌলবীকে আদালতে হাজির করে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নেবে সেনাবাহিনী। আব্দুল ওয়াহিদকে গ্রেফতার করার পর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ তার নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার পর কিশতওয়ারে নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share