Tag: kolaghat

kolaghat

  • Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বেআইনি বাজি কারখানায়  বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল আস্ত বাড়ি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থানার পয়াগ গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    সোমবার সকাল থেকে পয়াগ গ্রামে পুলিশ পিকেট রয়েছে। যাচ্ছে ফরেন্সিক টিমও। এদিন সকাল থেকে থমথমে রয়েছে এলাকা। জানা গিয়েছে, আনন্দ মাইতি নামে এক ব্যক্তির একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত (Bomb Blast) হয়ে গিয়েছে। বাড়ির লোকজন ছুটে পালিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে স্থানীয় আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত কতজন জখম হয়েছেন, সেই সংখ্যা পরিষ্কার নয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত সেই শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলেন, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাড়িটিতে অবৈধ বাজি কারখানা ছিল। বহুবার পুলিশকে বলার পরও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তারপরই এই বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। অবিলম্বে যারা এই কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    খাদিকুল থেকে কোলাঘাট, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    ২০২৩ সালের ১৬ মে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ৯ জনের। সেই ঘটনার এক বছরের মাথায় আবার পূর্ব মেদিনীপুরের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটল। খাদিকুলের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, সেই ঘটনার এক বছর কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বার বার এই ধরনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolaghat: প্রকাশ্যে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Kolaghat: প্রকাশ্যে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটেছিল বারাকপুরের একটি সোনার দোকানে। সোনার দোকানের মালিকের ছেলেকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এবার শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে (Kolaghat)। ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা থেকে খড়্গপুরগামী ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম সমীর পাড়িয়া (৩৭)। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানার কোলাঘাটের উত্তর জিঁয়াদা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kolaghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত পৌনে নটা নাগাদ সমীর পাড়িয়া (৩৭) নামে ওই ব্যবসায়ী কোলাঘাটের (Kolaghat) জিঁয়াদা বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ই বাইকে চড়ে সেখানে হাজির হয় তিন দুষ্কৃতী। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অন্তত তিনটি বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা ওই ব্যবসায়ীর পথ আটকায়। বাইকে থাকা সমীরবাবুর পথ আটকে তাঁর কাছে থাকা ব্যাগে সোনার গয়না এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। তখনই ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্তরা। ওই ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর কাছে থাকা সোনার গয়না এবং নগদ টাকা লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা। ব্যবসায়ীর চিৎকার এবং গুলির আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরা এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় সড়কের উপরে পড়ে রয়েছেন সমীরবাবু। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যবসায়ীর। এর পরেই ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা কলকাতা-খড়্গপুরগামী ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

    জাতীয় সড়কে নজরদারি নেই পুলিশের, সরব স্থানীয়রা

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর জাতীয় সড়কের উপর সেভাবে পুলিশের নজরদারি থাকে না। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। অবিলম্বে জাতীয় সড়কে পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: করমণ্ডলের থেকেও ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল এরাজ্যে! কীভাবে হয়েছিল সেই দুর্ঘটনা?

    Train Accident: করমণ্ডলের থেকেও ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল এরাজ্যে! কীভাবে হয়েছিল সেই দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Train Accident) রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার রাত দশটা নাগাদ মেদিনীপুর হাওড়া শেষ লোকাল ট্রেন লাইনচ্যুত হয় খড়গপুর ঢোকার মুখে। জ্ঞানেশ্বরী, করমণ্ডলের পর নতুন করে আবার মেদিনীপুর হাওড়া লোকাল ট্রেন। বারে বারে এই রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) মনে করিয়ে দিচ্ছে  ৭৫ বছর আগে এক ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কথা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ওই দুর্ঘটনায় রূপনারায়ণের জল মৃতদেহের রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল।

    ৭৫ বছর আগে কীভাবে ঘটেছিল সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)?

    কোলাঘাটের ইলিশের স্বাদ সে সময় ছিল জগৎজোড়া। শোনা যায়, পরাধীন ভারতে বহু ভারতীয় কোলাঘাটের ইলিশ খাইয়ে সাহেবদের তোষামোদ করতেন। মাছ অন্যত্র রফতানির জন্য কোলাঘাট রেল স্টেশনে নিয়মিত ট্রেন থামানো হতো। এরজন্য নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনের জন্য অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করে রাখা হত। তখন রূপনারায়ণ নদের উপর দুই দিক খোলা রেলের দু’টি সেতুও ছিল। ১৯৪৮ সালের ১৪ অক্টোবরের দুর্ঘটনার (Train Accident) রাতে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। যদিও সেই বৃষ্টি চলছিল কয়েক দিন ধরেই। বৃষ্টির জেরে রূপনারায়ণের গাঙে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছিল। ১৪ অক্টোবর রাত ৯ টা নাগাদ হাওড়া থেকে ছেড়ে আপ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস এসে থামে কোলাঘাট স্টেশনে। ট্রেনে তখন ইলিশের ঝাঁকা তোলা চলছিল। হঠাৎই একই লাইনে এসে পড়ে হাওড়াগামী  ডাউন নাগপুর এক্সপ্রেস। প্রচণ্ড গতিতে পুরুলিয়া এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে ধাক্কা মারে সেটি। দুমড়ে মুচড়ে যায় দু’টি ট্রেনের একাধিক কামরা। দুর্ঘটনার জেরে রেল স্টেশন চত্বর এবং কোলাঘাটের পাড়ে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য মৃত দেহ।

    স্থানীয় পত্রিকায় বেরিয়েছিল সেই দুর্ঘটনার খবর

    ‘কোলাঘাট সম্পদ’ নামে স্থানীয় একটি পত্রিকা থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওই ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি যাত্রী। রক্তে ভেসে গিয়েছিল রূপনারায়ণের জল। দুর্ঘটনার সুযোগ নিয়ে সে সময় দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেন দু’টিতে ব্যাপক লুঠপাঠও চলেছিল বলে অভিযোগ। তখন কোলাঘাট ছিল পাঁশকুড়া থানার অধীন। পরের দিন পাঁশকুড়া থানার পুলিশ এসে দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। রেলের উদ্যোগে বহু দেহ কোলাঘাট স্টেশনের নীচে রেলের কাঠের পুরনো স্লিপার দিয়ে দাহ করা হয়েছিল।

    সেদিনের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)  নিয়ে কী বললেন স্থানীয় প্রবীণরা?

    বারে বারে এই ট্রেন দুর্ঘটনা প্রায় ৭৫ বছর আগের সেই ঘটনার কথায় মনে করিয়ে দিচ্ছে বহু প্রবীণদের। মহাদেব সেনগুপ্ত নামে কোলাঘাটের এক সমাজসেবী বলেন, “সেদিনের দুর্ঘটনার (Train Accident) পর একাধিক গাড়িতে করে পুলিশ মৃতদেহ বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সে ছবি এখনও আমার চোখে ভাসছে। করমণ্ডল দুর্ঘটনার মতোই ভয়াবহ ছিল স্বাধীন ভারতের প্রথম বড় রেল দুর্ঘটনা।’’ কোলাঘাটের বাসিন্দা বাগনান কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক জয়মোহন পাল বলেন, “সেদিন বৃষ্টির জন্য কোলাঘাটে জেলেদের জালে টনটন ইলিশ উঠছিল।মাছ তোলার জন্য ট্রেন অতিরক্ত সময় ধরে দাঁড়িয়েছিল। সম্ভবত ভুল সিগন্যালের জন্যই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। প্রায় ৪০০ জন যাত্রী সেদিনের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share