Tag: Kolkata Highcourt

Kolkata Highcourt

  • Tapas Saha: দমকল নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত ভারও কি সিবিআইয়ের হাতে!  কী বললেন বিচারপতি মান্থা? 

    Tapas Saha: দমকল নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত ভারও কি সিবিআইয়ের হাতে! কী বললেন বিচারপতি মান্থা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমকলে নিয়োগের দুর্নীতির ভারও কি তবে সিবিআই পেতে চলেছে। অন্তত, কলকাতা হাইকোর্টের শুনানিতে সেরকম ইঙ্গিতই মিলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। স্কুলে নিয়োগ নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। তারমধ্যেই দমকলে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার (Tapas Saha)বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ তুলে মামলা হয়েছে হাইকোর্টে।

    কী বললেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

    মঙ্গলবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে শুনানি হয়। সেই শুনানিতে রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল জানান, এই মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হলে কোনও সমস্যা নেই।

    রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা সময় মতো চার্জশিট দেয়নি বলে অভিযোগ

    এই মামলার তদন্ত রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা করছে। নিম্ন আদালতে এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় তাপস সাহা (Tapas Saha), প্রবীর কয়াল, শ্যামল কয়াল, সুনীল মণ্ডলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তাপস সাহার (Tapas Saha) বিরুদ্ধে সময় মতো চার্জশিট জমা দেওয়া হয়নি বলে তিনি জামিন পেয়ে যান।

    মামলার আগামী শুনানি ৩০ মার্চ

    মঙ্গলবার, এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফ থেকে ২ দিন সময় চাওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, তারা একটি রিপোর্ট দেবে। বিচারপতি মান্থা রাজ্যের আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি এদিন এই মামলার পর্যবেক্ষণে জানান, এই অভিযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিলম্ব করা যাবে না। আগামী বৃহস্পতিবার ৩০ মার্চ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সেদিনই স্থির করা হবে এই মামলার তদন্তভার দুর্নীতি দমন শাখার হাতেই থাকবে নাকি অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তদন্ত করানো হবে।

    তাপস সাহার (Tapas Saha) বিরুদ্ধে অভিযোগ কী

    নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই তাপস সাহার নাম জড়িয়েছিল। সরকারি দফতর ও স্কুলে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। দিন দু’য়েক আগে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি একটি অডিও ক্লিপ সামনে এনে দাবি করেছিলেন দমকল বিভাগে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা চাইছেন তাপস (Tapas Saha)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • DA: ‘কর্মীদের বঞ্চিত করা যাবে না’, বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    DA: ‘কর্মীদের বঞ্চিত করা যাবে না’, বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থার কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র (DA) পুরোটা এখনও মেটায়নি রাজ্য সরকার। রাজ্যের এহেন ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। শুক্রবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে বকেয়া ডিএ-র পুরোটা না মেটানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন কর্মীদের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের এজি (AG) এসএন মুখোপাধ্যায়।

    রিভিউ পিটিশন…

    এদিন ওই মামলার শুনানি শুরু হতেই এজি বলেন, আমরা বকেয়া মেটানো নিয়ে আগের রায়ের রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছি। সেটা ১৪ ডিসেম্বর শুনানি। এর পরেই বিচারপতি মান্থা বলেন, রিভিউ পিটিশন করলেই পুরানো টাকা মেটানোর নির্দেশ কার্যকর না করার সুযোগ জন্মায় না। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, আগের বকেয়া মেটাতেই হবে। ১৪ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৬ জানুয়ারি রিভিউ মামলার শুনানি করবে আদালত। তার আগে মেটাতে হবে বকেয়া পুরানো ডিএ-র টাকা।

    কর্মীরা রয়েছে বলেই..

    বিচারপতি মান্থা এদিন এজিকে বলেন, আমি আপনার বিড়ম্বনা বাড়াতে চাই না। তাই লিখিতভাবে নতুন অর্ডার দিলাম। তিনি বলেন, ডিএ (DA) কর্মীদের অধিকার। এটা দয়া নয়, এটা এখন স্পষ্ট। আর কর্মীরা রয়েছে বলেই প্রতিষ্ঠান আছে। না হলে কোথায় থাকত প্রতিষ্ঠান? তিনি বলেন, এটা চলতে পারে না। নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট এই ডিএ মেটানো নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    এর পরেই সরকারি আইনজীবী জানান, ৫১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি। বিচারপতি মান্থা ফের বলেন, ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। যদি বিচারব্যবস্থায় ভরসা না থাকে, তাহলে অন্য কথা। কিন্তু কর্মীদের বঞ্চিত করা যাবে না। এটা তাদের কষ্টের দাম। কতদিন এভাবে বঞ্চিত থাকবে তারা? আগে ১৪ ডিসেম্বর রিভিউ শুনানি ছিল। সেটা পিছিয়ে দিলাম। কিন্তু এর মধ্যে আগের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ (DA) দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। কলকাতা হাইকোর্টের রায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষেই গিয়েছিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। সোমবার হবে শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এবার…’’! অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এবার…’’! অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhisek Banerjee) সমন করেছে সিবিআই। শনিবার সকালেই তাঁকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমন পাওয়ার পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অপরাধ করলে ফাঁসির দড়িতে আমাকে ঝুলিয়ে দেবেন।’’ সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সিবিআই সমনের কপি নিজের ট্যুইটারে পোস্ট করে তৃণমূলের সেকেণ্ড-ইন-কমান্ডকে তীব্র আক্রমণ শানান বালুরঘাটের সাংসদ।

    ট্যুইটে কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    অভিষেক (Abhisek Banerjee) প্রসঙ্গে এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তাঁর ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হব! ফাঁসির মঞ্চে চড়ব! আবার অব্যাহতি চাইতে কোর্টেও যাব, এক মুখে এত রকম কথা! নির্দোষ হলে জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করতে এত ভয় কেন আপনার? আগেই সহযোগিতা করলে ২৫ লাখের থাপ্পর হজম করে সিবিআই এর কাছে যেতে হতো না। বারেবারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান এবার ঘুঘু তোমার বধিব পরাণ!’’

    বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে হাজিরা দিতে হচ্ছে অভিষেককে 

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু পরে টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার ইস্যুতে তাঁকে এই মামলা থেকে সরানো হয় এবং তাঁর বদলে আসেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। হাকিম বদলেও হুকুম বহাল থাকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিবিআই দফতরে হাজিরা, তার সঙ্গে ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School Teacher Transfer: সব শিক্ষক কলকাতায় এলে গ্রামের স্কুল ফাঁকা হয়ে যাবে তো! মন্তব্য বিচারপতির

    School Teacher Transfer: সব শিক্ষক কলকাতায় এলে গ্রামের স্কুল ফাঁকা হয়ে যাবে তো! মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব শিক্ষকরাই যদি বদলি নিয়ে কলকাতা বা আশপাশের স্কুলে কাজ করতে চান তাহলে তো গ্রামের স্কুল ফাঁকা হয়ে যাবে। শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত একটি মামলায় (Teachers Transfer Case) বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এব্যাপারে রাজ্যের নীতি কী তা স্পষ্ট করে জানতে চাইলেন বিচারপতি। এই বিষয়টা নিয়ে রাজ্য সরকারের গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত বলে জানান বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: অষ্টম শ্রেণি পাশেই প্রাথমিকের শিক্ষক! ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানকে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টে

    কী বললেন বিচারপতি

    আদালতে দাখিল হওয়া রাজ্যের রিপোর্ট দেখে বিচারপতি বসু এদিন অবাক হয়ে যান। তিনি বলেন, “কলকাতায় ১১৫টি স্কুল আছে যেখানে ৫০০-র বেশি শিক্ষক আছেন, কিন্তু স্কুল প্রতি ৫০ জনের কম পড়ুয়া। ছাত্র রয়েছে এমন স্কুলে বদলির আবেদনও শুনতে হয়েছে !” পাশাপাশি তাঁর পর্যবেক্ষণ, “যদি রাজ্যের মনে হয় শিক্ষক বেশি হয়ে গেছে, তাহলে নতুন নিয়োগ কেন ? যেখানে ছাত্র নেই সেখানকার শিক্ষকদের অন্য স্কুলে পাঠানো হোক।’ এই বিষয়ে নীতি তৈরিতে রাজ্যের বাধা কোথায় ? রাজ্যকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি বসু। 

    আরও পড়ুন: “লজ্জাজনক… সব নিয়োগ বাতিল করে দেব”, অভিযুক্ত ২১জনকে সিবিআই জেরার নির্দেশ বিচারপতি বসুর

    বিচারপতি জানান, বদলি চেয়ে অনেকেই হাইকোর্টে আসছেন। বেশির ভাগ শিক্ষকই কলকাতা বা তার আশপাশের স্কুলে বদলি চাইছেন। বুধবারই এমন এক শিক্ষক আদালতে এসেছিলেন, যিনি একটি নির্দিষ্ট স্কুলে বদলি চাইছেন। এ প্রসঙ্গে রাজ্য কী ভাবছে জানতে চান বিচারপতি। রাজ্যের তরফে জানান হয়, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা চলছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই বিস্তারিত জানিয়ে একটা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্কুলগুলিতে কোথায় কী অবস্থা তার সব তথ্য সেখানে দেওয়া আছে। মামলাকারীকে রিপোর্ট পড়ে তাঁর মতামত জানাতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Calcutta High Court: নিয়োগ দুর্নীতি কি স্বাস্থ্য দফতরেও? জেলাস্তরে গঠিত সিলেকশন কমিটি বাতিল করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: নিয়োগ দুর্নীতি কি স্বাস্থ্য দফতরেও? জেলাস্তরে গঠিত সিলেকশন কমিটি বাতিল করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য নিয়োগ দুর্নীতিতে জেরবার রাজ্য। এবার পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় স্বাস্থ্য দফতরে (health department) নিয়োগের জন্য জেলাস্তরে গঠিত ২৮ জনের সিলেকশন কমিটি (selection committee) বাতিল করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।  এই কমিটিতে ছিলেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী এবং শাসকদলের নেতা। 

    আদালতের অভিমত

    উচ্চ আদালতের অভিমত, গত বছর ২৬ নভেম্বর স্বাস্থ্য দফতরের নিয়োগের জন্য যে সিলেকশন কমিটি গঠন করেছিল, তার মাথায় কোনও নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে রাখা উচিত। এর ফলে প্রার্থীদের সিলেকশন প্রক্রিয়া নিয়ে নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা দরকার। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের ডিরেক্টরকে হাইকোর্টের নির্দেশ, দু’সপ্তাহের মধ্যে সিলেকশন কমিটি পুনর্গঠন করতে হবে। চেয়ারম্যান হিসাবে এমন গুরুত্বপূ্র্ণ ব্যক্তিকে নিয়োগ করতে হবে যাঁর বিরুদ্ধে কোনও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ থাকবে না। যিনি অরাজনৈতিক ব্যক্তি হবেন। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকার গঠিত মনোনয়ন কমিটির মাথায় কোনও নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে রাখা হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ্ব হবে।

    আরও পড়ুন: আত্মঘাতী হয়েছে লালন শেখ, বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু নিয়ে দাবি সিবিআইয়ের

    প্রসঙ্গত, গত বছর নভেম্বর মাসে রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে এই সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরে। সেই কমিটিতে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, গৌতম দেব, চন্দ্রনাথ সিংহ, শান্তা ছেত্রী, মলয় ঘটক, অখিল গিরি, শেখ সুফিয়ানের মতো তৃণমূলের একাধিক নেতামন্ত্রী। তারপরই এই কমিটিকে নিয়ে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন পীযূষ পাত্র। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের ১১,৫২১ পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি হয়ে থাকতে পারে। মামলাকারীর আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি ছিল, মনোনয়ন কমিটির প্রায় সকল সদস্যই শাসকদলের নেতা-মন্ত্রী। ফলে এই নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপোষণ বা দুর্নীতি হয়ে থাকতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share