Tag: Kolkata Medical College

Kolkata Medical College

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সাহয্যের হাত বাড়ালেন সুকান্ত মজুমদার, কলকাতায় চিকিৎসা পেলেন বৃদ্ধা

    Sukanta Majumdar: সাহয্যের হাত বাড়ালেন সুকান্ত মজুমদার, কলকাতায় চিকিৎসা পেলেন বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) প্রচেষ্টায় বিনামূল্যের চিকিৎসা পেলো এক বৃদ্ধা। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূষিলা এলাকার গুজুরি পাহান নামে এক বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে গিয়ে তাঁর পা ভেঙে যায়। তাঁকে বালুরঘাট হাসপাতাল থেকে রেফার করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় শয্যাশায় অবস্থায় রয়েছেন। পরিবারের লোকেদের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করার সামর্থ্য না থাকায় তাঁরা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে দ্বারস্থ হন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর নিজের তহবিল থেকে অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবস্থা করে কলকাতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করান। এই সাহয্যে খুশি পরিবারের সদস্যরা।

    চিকিৎসা পেয়ে বৃদ্ধার বক্তব্য (Sukanta Majumdar)

    সাহায্য পেয়ে এবিষয়ে বৃদ্ধা গুজরি পাহান বলেন, “টাকার জন্য চিকিৎসা করাতে পারিনি। দেড় মাস ধরে বিছানাগত। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আমাকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাচ্ছেন। এবার হয়তো আমার চিকিৎসা সম্ভব হবে। আমি আমার নিজের পায়ে হাঁটাচলা করতে চাই।”

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    এই বিষয়ে এক এলাকবাসী জানান, বৃদ্ধা বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে পারছিলেন না পরিবারের লোকেরা। তাঁরা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কাছে চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। এদিন সাংসদের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠিয়ে তাঁকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হল। আমরা এই বিষয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে কুর্নিস জানাই। তিনি সবসময় মানুষের পাশে আছেন।

    কী বললেন সুকান্ত

    এবিষয়ে বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “ওই মহিলার দুরাবস্থার কথা জানতে পেরে আমি তাঁর চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থা করেছি। তাঁকে বালুরঘাট থেকে অ্যাম্বুল্যান্স করে নিয়ে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগামী দিনেও তাঁর পাশে সর্বদা রয়েছি।”

    এবিষয়ে বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভ চক্রবর্তী বলেন, “গতকাল রাতে অসহায় ওই বৃদ্ধাকে আমরা অ্যাম্বুল্যান্স করে কলকাতায় পাঠিয়েছি। তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন সাংসদ নিজে। হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ালেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Medical College: ব্রিটিশ শাসনের পর ফের মেডিক্যালে স্বঘোষিত ছাত্র নির্বাচন! বৈধতা আছে কি?

    Kolkata Medical College: ব্রিটিশ শাসনের পর ফের মেডিক্যালে স্বঘোষিত ছাত্র নির্বাচন! বৈধতা আছে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীন ভারতে এমন নজির দেখা যায়নি। তৃণমূল সরকারের জামানায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (Kolkata Medical College), যেন ফিরে গেল ব্রিটিশ ভারতের সময়ে, অন্তত ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে এমনি বলছেন রাজ্যের বিশিষ্ট মানুষেরা। 

    স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ মত, ২২ ডিসেম্বর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (Kolkata Medical College) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ সেই নির্দেশ বাতিল করে স্বাস্থ্য দফতর। আর এরপরেই গোলমাল শুরু হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচনের দাবিতে অবরোধ, অবস্থান বিক্ষোভ, মিছিল এমনকি ছাত্ররা অনশন শুরু করে। কয়েক সপ্তাহ পরে চিকিৎসক বিনায়ক সেন, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়ের মত সমাজকর্মীদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পড়ুয়ারা অনশন তুলে নেন। কিন্তু তারা স্বঘোষিত ছাত্র নির্বাচনের কথা জানান।

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (Kolkata Medical College) সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ শাসিত ভারতে ছাত্রদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৎকালীন পড়ুয়ারা। নিজেরাই কর্তৃপক্ষকে নির্বাচনের দিন জানিয়ে ছাত্র ভোট পরিচালিত করেছিলেন। কিন্তু স্বাধীন ভারতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ফিরে এল সেই সময়।

    আরও পড়ুন: রাজ্যকে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার আর্জি সুকান্ত-শুভেন্দুর! আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন দীর্ঘদিন বন্ধ। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনে ও উন্নতিতে যে অর্থ ছাত্র সংসদের কাছে থাকার কথা, তার বরাদ্দও বন্ধ। ব-কলমে সব টাকা থাকছে তৃণমূলের নেতাদের কাছে। হস্টেলের ঘর কে পাবে, সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে শাসক দল। কলেজের অনুষ্ঠান আয়োজনের নামে যথেচ্ছ অর্থের অপচয় হচ্ছে। কিন্তু তার হিসাব বোঝা যাচ্ছে না। কোনও কিছুতেই স্বচ্ছতা নেই। পড়ুয়াদের প্রতিনিধি না থাকায়, তারা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কোনও মতামত দিতে পারছেন না। এই রকম পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চাইছেন পড়ুয়াদের একাংশ। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের প্রতিনিধি কলেজের সমস্ত সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করুক, এটাই মত অধিকাংশ পড়ুয়ার। 

    আগামীকাল ছাত্রদের স্বঘোষিত নির্বাচন হওয়ার কথা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (Kolkata Medical College)। বুধবার মনোনয়ন জমা দেওয়া ও প্রত্যাহারের শেষ দিন। সব কাজ চললেও কলেজের অধ্যক্ষ এবং সুপার হাসপাতালে যাচ্ছেন না। তারা স্বাস্থ্য ভবনে থেকেই যাবতীয় কাজ করছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছেন, ই-মেল মারফত তারা ছাত্র নির্বাচন প্রসঙ্গে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। নির্বাচনের দিন, মনোনয়ন জমা, প্রত্যাহার সবটাই ই-মেল করে জানানো হয়েছে। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি তারা কিছু জানেন না। কোনও ই-মেল পাননি। 

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন, “স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ মতই সব কাজ হবে।” স্বাস্থ্য ভবন ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন বাতিল করেছে। ছাত্ররা স্বঘোষিত নির্বাচন করছে। সেই ছাত্র সংসদ আদৌও বৈধ হবে কি? কর্তৃপক্ষের থেকে যে অর্থ বরাদ্দ হয় ছাত্র সংসদের জন্য, এই নির্বাচনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সংসদ সেই বরাদ্দ অর্থ পাবে? 

    এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দিতেই চান না কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (Kolkata Medical College) কর্তৃপক্ষ। তবে, ছাত্রদের কথায়, অধিকারের জন্য তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন। যদিও চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তাতে মেডিক্যাল কলেজে সমস্যা আরও বাড়বে। এই সবকিছুর জন্য শেষ পর্যন্ত পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটবে কিনা, সে নিয়েও সংশয় রয়েছে।

  • Kolkata Medical College: পড়ুয়াদের বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    Kolkata Medical College: পড়ুয়াদের বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে একের পর এক বিক্ষোভ আন্দোলন লেগেই রয়েছে। আর এবারে বিক্ষোভে বসেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের (Kolkata Medical College) ডাক্তারি পড়ুয়ারা। ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিক্ষোভে বসেছেন তাঁরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাতভর ঘেরাও করে রাখা হয়েছে কলকাতা হাসপাতালের সুপার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার এবং বিভাগীয় প্রধানদের। ৭ বছর পর ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ছাত্ররা। অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের নার্সরা তাঁদের বিভাগীয় প্রধানদের ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে পাল্টা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। ফলে বিক্ষোভ পাল্টা বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। আর এই বিক্ষোভের জেরে তুমুল অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে রোগী পরিষেবা। তাই নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন রোগীর পরিবার। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে এই মামলার জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে। বুধবার মামলার শুনানি হওয়ার কথা। 

    উত্তাল মেডিক্যাল কলেজ

    ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছাত্র সংসদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের অধ্যক্ষ, এবং বিভাগীয় প্রধানদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। গতকাল দুপুর থেকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন তাঁরা। ৭ বছরের পর ছাত্র সংসদের নির্বাচন দাবি করে বিক্ষোভে বসেছেন তাঁরা। পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন নার্সিং স্টাফরা। তাঁদের দাবি হাসপাতালের নার্সিং হেডকে অবিলম্বে ঘেরাও মুক্ত করতে হবে।

    ঘটনাটি কী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০১৬ সালে শেষবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। এরপর নির্বাচনের দাবি করা হলে ২২ ডিসেম্বর ভোটের দিন ঠিক হলেও তা নিয়ে চূড়ান্ত নিশ্চয়তা পাননি ডাক্তারি পড়ুয়ারা। এরপর গতকাল হঠাৎই কোনও কারণ ছাড়া জানানো হয় এই নির্বাচন হচ্ছে না। তখন থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ও পড়ুয়ারা বিক্ষোভের রাস্তাকেই বেছে নেয়। গতকাল দুপুর ৩টে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয় ও রাতভর তা চলে। প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান ডাক্তারি পডুয়ারা। অন্যদিকে আজ সকালে, এই বিক্ষোভের পাল্টা বিক্ষোভ দেখান নার্সরাও।

    আরও পড়ুন: পৃথক রাজ্যের দাবিতে কেপিপি-র রেল রোকো অভিযান! ময়নাগুড়ি স্টেশনে থমকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস

    নার্সদের কী দাবি?

    ছাত্র বিক্ষোভে যখন উত্তাল মেডিক্যাল কলেজ চত্বর, তখন ময়দানে নামেন নার্সিং স্টাফরাও। কারণ ডাক্তারি পড়ুয়ারা আটকে রেখেছেন নার্সিং সুপার শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তীকে। তাঁরা বলেন, “‌আমাদের ম্যাডামকে ছেড়ে দিতে হবে। নার্সিং সুপারকে ছেড়ে দিতে হবে। ম্যাডাম ডাক্তারদের মধ্যে পড়েন না। ওনাকে আটকে রাখা অনৈতিক। না হলে হাসপাতাল আজকে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

    রোগী পরিষেবা বিঘ্নিত 

    এই বিক্ষোভে বসার ফলে পরিষেবা বিঘ্নিত হবে কি না তা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে, এক নার্স জানান, হাসপাতালের ভিতরে এক জন করে নার্স রেখে এসেছেন তাঁরা। এক বিক্ষোভকারী জানিয়েছেন, যাঁদের ডিউটি নেই, তাঁরাই বিক্ষোভে শামিল হচ্ছেন। পরিষেবার কোনও গাফিলতি হচ্ছে না বলেই দাবি করেন তিনি।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, কিছু রোগীর পরিবারকে সুপারের ঘরের সামনে হাজির হতে দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষানিরীক্ষা করানোর জন্য কিছু কাগজপত্রে সুপারের সই লাগবে, সেগুলি নিয়েই সুপারের ঘরের সামনে অপেক্ষা করছেন তাঁরা। ফলে রোগী পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। আর এতেই রোগীর পরিবারের তরফে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হল।

     

  • Kolkata Medical College: ভোগান্তি চলছেই, মেডিক্যালের অচলাবস্থার জন্য কাঠগড়ায় শাসক দলের ভূমিকা

    Kolkata Medical College: ভোগান্তি চলছেই, মেডিক্যালের অচলাবস্থার জন্য কাঠগড়ায় শাসক দলের ভূমিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার অন্যতম বড় সরকারি হাসপাতাল। কলকাতা কিংবা আশপাশের জেলাই নয়, রাজ্যের সমস্ত অংশের মানুষ চিকিৎসা করাতে আসেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। আর প্রায় দু’দিন সেই হাসপাতালের রোগী পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু সে নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী কিংবা প্রশাসনিক প্রধানের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    ছাত্র ভোটকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে না, জানার পরেই বিক্ষুব্ধ হয় পড়ুয়ারা। নির্দিষ্ট সময়ে ছাত্র নির্বাচনের দাবিতে তারা অবস্থান শুরু করেন। আর এরপরেই জটিলতা তৈরি হয়।

    কখনও অধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-চিকিৎসককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা, আবার কখনও চিকিৎসক-পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে অবস্থানে বসেন কর্মরত নার্সেরা। আবার পড়ুয়াদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় রোগীর পরিজনদের। কিন্তু তারপরেও প্রশাসন চুপ! দিনভর সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পরেও প্রশাসনের তরফে কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া যায়নি। তাই অচলাবস্থা চলছেই মেডিক্যাল কলেজে। 

    কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের বিক্ষোভ চলাকালীন তৃণমূলের কিছু বহিরাগত নেতা হাসপাতাল চত্বরে ঢুকে হুমকি দেয়। অভিযোগ, পড়ুয়াদের হোস্টেলে থাকতে দেওয়া হবে না, বিক্ষোভ করলে মারধর করা হবে এমন হুমকিও দেওয়া হয়। এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। 

    মঙ্গলবার সকালে আউটডোর পরিষেবা শুরু হতেই পরিস্থিতি জটিল হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষেরা জানান, বিক্ষোভের জেরে তাদের পরিষেবা স্বাভাবিক হচ্ছে না। এমনকি জরুরি শারীরিক পরীক্ষাও করা যাচ্ছে না। রোগীর পরিজনদের একাংশ অবস্থানরত পড়ুয়াদের দরজার তালা ভাঙার চেষ্টা করলে পড়ুয়া ও রোগীর পরিজনদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। মঙ্গলবার সারাদিন মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে দফায় দফায় গোলমাল হয়। যার জেরে ভুগতে হয় সাধারণ মানুষকে। 

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে জরুরি চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন জটিল অস্ত্রোপচার হয়। এমনিই রোগীর চাপ মারাত্মক। তাই এক জন রোগী কয়েক মাস অপেক্ষার পরে অস্ত্রোপচারের দিন নির্ধারিত হয়। ফলে, একদিন কাজ পরিষেবা বন্ধ থাকার জেরে কয়েক হাজার মানুষের চিকিৎসা থমকে গেল। কিন্তু তারপরেও হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের। স্বাস্থ্য ভবন থেকে কোনও রকম সমাধান সূত্র মেলেনি। 

    আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মেডিক্যাল কলেজের বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের দাবি, নির্ধারিত সময়ে ছাত্র নির্বাচন না হলে আন্দোলন চলবে। তাদের অভিযোগ, তৃণমূলের দাদাগিরি বন্ধ করতে হবে। কলেজ চত্বরে বহিরাগত তৃণমূল নেতাদের যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। তাদের সমস্যায় কেন তৃণমূলের বহিরাগত নেতারা মাথা গলাবে, এতে তাদের আপত্তি। স্বাস্থ্য ভবন থেকে ঠিকমত আশ্বাস না পেলে, তারা আন্দোলন চালাবেই। 

    যদিও কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। হাসপাতালের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস জানান, ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ মতই কাজ হবে। তিনি আলাদা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। তবে, তৃণমূলের কোনও নেতা মেডিক্যাল কলেজের অচলাবস্থা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। 

    বিরোধীরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও নেই। আর স্বাস্থ্য মন্ত্রীও অনুপস্থিত। দিনভর হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে, একটা মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসন কার্যত পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ, তারপরেও রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কী ভূমিকা কেউ জানতে পারল না। এতেই বোঝা যায়, এ রাজ্যের সরকারের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা কতখানি গুরুত্বহীন।

LinkedIn
Share