Tag: kolkata metro

kolkata metro

  • Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সংযোগস্থল চিংড়িঘাটায় মেট্রো (Kolkata Metro) প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেত মেলার পর আগামী ১৫ মে থেকে এই এলাকায় নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করতে কলকাতা পুলিশ এবং মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের (Chingrighata) একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরে কাজ শুরু (Kolkata Metro)

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসন হওয়ায় নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো (Kolkata Metro) করিডোরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ পুনরায় শুরু করার পথ প্রশস্ত হলো। প্রশাসন সূত্রে খবর, কাজের গুরুত্ব এবং যানজটের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে পর্যায়ক্রমে ট্রাফিক ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হবে। আরভিএনএল জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটা মোড়ে (Chingrighata) মেট্রো পিলারের কাজ শুরু হবে। চিংড়িঘাটায় ট্রাফিক ব্লক করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। এরপর ধীরে ধীরে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে বর্ষা আসার আগেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “আমরা প্রথমবার দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। মামলা এতোদূর পর্যন্ত গড়িয়েছে যে এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ আগে?”

    বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত

    ৩৬৬ মিটার অংশে পিলারের উপরে গার্ড বাসানো হবে। যার উপরে মেট্রোর লাইন বাসানো হবে। এই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও আইনি বাধা দূর হয়েছে। চিংড়িঘাটা (Chingrighata) সংলগ্ন ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক অভিমুখী রাস্তায় যানজট এড়াতে ট্রাফিক ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই অংশের কাজ সম্পন্ন হলে সল্টলেক ও বিমানবন্দরের সঙ্গে মেট্রো সংযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা দূর হবে।

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে। শহরের পূর্ব প্রান্তের পরিবহন ব্যবস্থায় এই পদক্ষেপ এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

  • Chingrighata Metro: ‘জেদ করে উন্নয়ন আটকানোর চেষ্টা’! চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যকে তুলোধনা সুপ্রিম কোর্টের

    Chingrighata Metro: ‘জেদ করে উন্নয়ন আটকানোর চেষ্টা’! চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যকে তুলোধনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসাধারণের জন্য প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করবেন না। চিংড়িঘাটায় (Chingrighata Metro) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা মেট্রো প্রকল্প নিয়ে, সোমবার রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ওই প্রকল্পে ৩৬৬ মিটারের বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্য সরকারের মামলায় হস্তক্ষেপও করল না সুপ্রিম কোর্ট। চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ শেষ করার বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গত ১১ ফেব্রুয়ারি কোর্টে যায় রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হয় মামলা। সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালতেও ধাক্কা খেল রাজ্য। রাজ্যের মামলায় হস্তক্ষেপই করল না সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে হাইকোর্টের কথা মেনেই রাজ্য সরকারকে কাজ করার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যের গাফিলতি

    রাজ্যের যুক্তি ধোপে টিকল না। ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে। চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে। মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি থাকায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। রাজ্য়ের সঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বারবার সংঘাত তৈরি হয়েছে এই নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠকে বসেও কোনও লাভ হয়নি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন।  আর এবার সেই ইস্যুতেই রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি মেট্রো। পুলিশের বিরুদ্ধে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাজ করার ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছে রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশ মানার বদলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে রাজ্য সরকার।

    হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে কোনও ত্রুটি নেই

    সোমবার সেই মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল মনুভাই পঞ্চোলীর বেঞ্চে। আদালত মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। উল্টে রাজ্য সরকারকে মামলা তুলে নিতে বলা হয়। তা না করা হলে মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেওয়া হবে, জানান বিচারপতি। চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্য সরকার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেছে বলেও মন্তব্য করে আদালত। সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের তরফে বলা হয়েছে, এটা কিছু আধিকারিকের একগুঁয়েমিকেই প্রতিফলিত করছে। যারা আদতে কলকাতা শহরে মেট্রো রেল প্রকল্পটিতে আরও দেরি করতে চায় অথবা বন্ধ করিয়ে দিতে চায়। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে কোনও ত্রুটি নেই।

    উন্নয়ন অপেক্ষা উৎসব গুরুত্বপূর্ণ!

    রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য বলে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য,‘‘আমরা প্রথমবার দেখছি, কোনও রাজ‍্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। এই মামলা এত দূর গড়িয়েছে যে, এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ ব‍্যবস্থার উন্নতি করা আগে? আপনারা হাইকোর্টকে জানিয়েছেন যে, আপনাদের উৎসব আয়োজনের কাজ রয়েছে। তাই নির্মাণকাজের জন্য আপনারা পুলিশি সহায়তা দিতে পারবেন না। আপনাদের কাছে উন্নয়ন অপেক্ষা উৎসবই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে আশা করি না যে, তারা বলবে পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণের কাজটি আপাতত উপেক্ষা করা হোক।’’ আদালত আরও বলে, ‘‘একবার বলা হল উৎসব চলছে, একবার বলা হচ্ছে পরীক্ষা চলছে। এখন বলা হচ্ছে নির্বাচন আছে! এটা কী হচ্ছে?’’ শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ হবে, হাইকোর্টই সময় বেঁধে দিয়ে কাজ করবে। রাজ্যের প্রতি কড়াভাব দেখিয়েই বিচারপতি বলেন,‘‘সুযোগ দিচ্ছি হয় মামলা তুলে নিন, না হলে খারিজ করে দেব।’’

    রাজ্য কী প্রকল্প বন্ধ করিয়ে দিতে চায়?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বললেন, ‘‘রাজ্য নিজের সংবিধানগত দায়িত্ব পালনে গাফিলতি দেখাচ্ছে। উন্নয়ন আটকাতে জেদি মনোভাব দেখানো হচ্ছে।’’ আদালতের বক্তব্য, এত অজুহাত দেখালে চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের বকেয়া কাজ কবে হবে? বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার আগে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে আপনারা এটিকে আরেকটি অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাবেন, এমনটা আমরা কিছুতেই হতে দেব না।’’

    সবকিছুর রাজনীতিকরণ করবেন না

    মেট্রো লাইনের কাজে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। কলকাতা হাইকোর্ট বকেয়া কাজ শেষ করার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। এই মামলা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘সবকিছুর রাজনীতিকরণ করবেন না। এটি একটি উন্নয়নমূলক বিষয়।’’

    মুখ্য সচিব এবং ডিজিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা!

    এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বলা হয়,‘‘আমাদের মে মাস পর্যন্ত সময় দিন। নির্বাচন চলছে, তাই এই বিলম্ব।’’ এরপর প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের উপর আরও ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘‘হাইকোর্ট খুবই নরম মনোভাব দেখিয়েছে। এটি এমন একটি মামলা যেখানে আপনাদের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। এই ঘটনায় তাঁদের কর্তব্যের প্রতি সম্পূর্ণ অবহেলা প্রকাশ পাচ্ছে। যেখানে আদতে রাজনীতির কোনও জায়গা নেই, সেখানে এটিকে রাজনীতিকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

    চিংড়িঘাটা নিয়ে কী জটিলতা

    চিংড়িঘাটায় মাত্র ৩১৬ স্কোয়ার মিটার অংশের জন্য থমকে রয়েছে নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন সম্প্রসারণের কাজ। এই কাজ সম্পন্ন করতে হলে সাময়িক ভাবে বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুমতি দিচ্ছে না। ফলে কাজও এগোচ্ছে না। কলকাতা হাইকোর্ট এ বিষয়ে রাজ্য, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক), ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ট্রাফিক) ছাড়পত্র (এনওসি) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। জট কাটাতে আদালতের নির্দেশে মেট্রো, রাজ্য এবং নির্মাণকারী সংস্থার একাধিক বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরোয়নি।

    কাজ শেষ হতে কতদিন

    নির্মাণকারী সংস্থা জানিয়েছিল, সাময়িক যান নিয়ন্ত্রণ করে চিংড়িঘাটায় মেট্রোর বাকি কাজ শেষ করতে ন’মাস লাগবে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও রাজ্য ‘এনওসি’ দেয়নি বলে অভিযোগ। ফলে কাজ শুরু করা যায়নি। বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এবং গঙ্গাসাগর মেলার জন্য রাতের ট্রাফিক আটকানো যাবে না বলে আগে জানিয়েছিল সরকার। এবার ভোটের জন্য সমস্যার কথাও বলা হয়েছে। রাজ্যের এই ভূমিকাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশেই কাজ হবে। ইতিমধ্যে গত মাসে মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশু শেখর মিশ্র জানান, চিংড়িঘাটায় জটের কারণে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ‘ডেডলাইন’ আরও এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের মধ্যে অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর মেট্রো করিডর) কাজ শেষ করার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, সেটা পিছিয়ে ২০২৮ সাল করে দেওয়া হয়েছে।

  • Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষের আগেই মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা করল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো (Kolkata Metro) চালাবে কলকাতা মেট্রো (Metro Services)। তবে এখন তা পরীক্ষামূলক ভাবেই করা হবে। অফিস আওয়ার বা ব্যস্ততার সময়ে এই পরিষেবা চালানো হবে। একটি চলবে সকালের ব্যস্ততার সময়ে আরেকটি চলবে বিকেলের ব্যস্ততার সময়ে।

    দুটো মেট্রো চলবে (Kolkata Metro)

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি সকালে এবং অপরটি বিকেলে। যে সময় পিক আওয়ার এবং যাত্রীদের ভিড় বেশি থাকবে সেই সময়েই চালানো হবে ট্রেন। আগে যারা বিমান বন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট কিংবা মহানায়ক উত্তম কুমার বা শহিদ ক্ষুদিরামের-এর দিকে যেতে চান আগে তাদের ট্রেন বদল করতে হতো। এখন থেকে বিমান বন্দরে যারা নামেন তাদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবেনা। ভোগান্তি কমবে এবং যাত্রা হবে আরও সুন্দর এবং স্বচ্ছ বলে মত অনেকের। তবে মেট্রো নিজের সূচি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথম ডাইরেক্ট পরিষেবা সকাল ৯ টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে ট্রেন (Metro Services)। আর দ্বিতীয় পরিষেবাটি ছাড়বে রাত্রি ৯টায়। তবে দুই ট্রেন যাবে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। এই যাতায়েত পরিষেবায় কোন রকম যাত্রীদের ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।

    এখনও চিংড়িঘাটা মোড়ের জট

    মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের অবশ্য বক্তব্য, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। তবে যাত্রীদের সুবিধা এবং চাহিদা অনুযায়ী গাড়ির সংখ্যা আগামীতে আরও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, কবি সুভাষ থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পরিষেবা এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। চিংড়িঘাটা মোড়ের জট না কাটায় এখনও পর্যন্ত তিন পিলারের লাইনে পাতার কাজ বাকি। সেই কাজ সম্পন্ন হলেই সরাসরি পৌঁছে যাবে বিমানবন্দর (Metro Services) পর্যন্ত। বর্তমানে কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলছে।

  • PM Modi in Kolkata: ‘‘বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম’’, বৃষ্টিস্নাত বিকেলে তিন মেট্রো পথের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Kolkata: ‘‘বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম’’, বৃষ্টিস্নাত বিকেলে তিন মেট্রো পথের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতাবাসী পেল নতুন তিন মেট্রো লাইন (Metro Railway Projects)। এই নতুন পরিষেবা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন রুটের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল কলকাতার পরিবহণ মানচিত্রও। শুক্রবার বৃষ্টিস্নাত বিকেলে এই তিন সম্প্রসারিত মেট্রো লাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ পর্যন্ত নবনির্মিত ইয়লো লাইন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে বেলিয়াঘাটা পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইন এবং গ্রিন লাইন- ১ ও ২ অর্থাৎ শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত আন্তঃসংযুক্ত মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন করলেন তিনি। শুক্রবার সন্ধে থেকেই সাধারণ মানুষ চড়তে পারবেন নয়া লাইনের মেট্রোয়।

    রাস্তার দু’ধারে উপচে পড়া ভিড়

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবুজ পতাকা নেড়ে উদ্বোধন করেন সম্প্রসারিত মেট্রোর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, শান্তনু ঠাকুর এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। নয়া মেট্রো পথের উদ্বোধনের পরেই যশোর রোড মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠের দিকে রওনা দেয় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। রাস্তার দু’ধারে উপচে পড়ে সাধারণ মানুষের ভিড়। ‘মোদি মোদি’ স্লোগান দিতে থাকেন সাধারণ মানুষ। গাড়ির মধ্যে থেকে প্রধানমন্ত্রীকেও হাত নাড়তে দেখা যায়।

    ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস

    দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানে পৌঁছে প্রথমে সরকারি একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন তিনি। সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এদিন ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি নানা প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করে মোদি বলেন, “আজ অনেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব আনন্দ হয়েছে। এই মেট্রো যাত্রা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভারত আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে। সেখানে দমদম, কলকাতার বড় ভূমিকা থাকবে।” হাওড়া থেকে শিয়ালদা মেট্রোর নতুন রুট চালু হওয়ায় যাত্রীদের অনেক সময় বাঁচবে বলে প্রধানমন্ত্রী এদিন মন্তব্য করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক এখন ভারতে। কলকাতার গণপরিবহণের খরচ আরও কমল। যাতায়াতের আরও সুবিধা হল। শিয়ালদা, হাওড়ার মতো ব্যস্ত রেলস্টেশনের সঙ্গে মেট্রো জুড়ে গেল। তার ফলে ঘণ্টার সফর এখন কয়েক মিনিটে হয়ে যাবে। একইভাবে বিমানবন্দর থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া সহজ হল। আজ আরও একবার বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম। সকলেই খুশি যে কলকাতার গণপরিবহণ আধুনিক হচ্ছে। কলকাতাবাসী, বাংলাবাসীকে অনেক শুভেচ্ছা। কলকাতা মেট্রো আগে ২৮ কিলোমিটার বিস্তৃত ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ৩৯ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করেছেন। আরও ২২ কিলোমিটার সম্প্রসারণ হবে।”

    কোনা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ৫২০০ কোটিরও বেশি টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। জনসভা শুরুর আগে সেন্ট্রাল জেল ময়দানে প্রশাসনিক সভার মঞ্চ থেকে তিনি শিলান্যাস করেন ছয় লেনের এলিভেটেড কোনা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের। ৭.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করতে ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

    মেট্রোয় জুড়ল শহর

    শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির পথে আরও একধাপ। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই এক মেট্রোয় হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। মেট্রো সূত্রে খবর, হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ যেতে যাত্রীদের সময় লাগবে ৩২ মিনিট। আর হাওড়া থেকে ৩০ মিনিট মতো। বাসে যেতে ঘণ্টা দেড়েক লাগত তাই এবার পাতালপথে লাগবে আধ ঘণ্টা। হাওড়া থেকে সেক্টর ফাইভে ভাড়া ২৫ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা। এদিকে শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড মেট্রোর সঙ্গে জুড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো পুরো যাত্রাপথে ছুটবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। নোয়াপাড়ার সঙ্গে যুক্ত হল দমদম বিমানবন্দর (জয় হিন্দ)। শিয়ালদহের সঙ্গে যুক্ত হল এসপ্ল্যানেড। রুবির (হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে জুড়ল বেলেঘাটা (মেট্রোপলিস)। মোট ১৪ কিলোমিটারের পথ। নোয়াপাড়া থেকে দমদম বিমানবন্দর (জয় হিন্দ স্টেশন) প্রায় ৬.২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে দুটি ট্রেন চলবে এবং প্রতিটির মধ্যে ১৫ মিনিটের ব্যবধান থাকবে। হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ (ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু) এই রুট চালু হওয়ায় মাত্র ১২ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে হাওড়া পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে। রুবি থেকে বেলেঘাটা মেট্রো প্রায় ৪.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই অংশটি চালু হওয়ায় শহরের পূর্ব অংশের যাত্রীদের খুব সুবিধা হবে।

  • Kolkata Metro: মাত্র ৩৬৬ মিটার জমির জন্য থমকে নিউ গড়িয়া-সেক্টর ৫ মেট্রো! মমতার নীতিকে সংসদে তুলোধনা শমীকের

    Kolkata Metro: মাত্র ৩৬৬ মিটার জমির জন্য থমকে নিউ গড়িয়া-সেক্টর ৫ মেট্রো! মমতার নীতিকে সংসদে তুলোধনা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেট্রোপথে (Kolkata Metro) জুড়ে যাচ্ছে শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড। অরেঞ্জ লাইনে রুবির সঙ্গে যোগ হচ্ছে বেলেঘাটা। অন্যদিকে, ইয়োলো লাইনে বিমানবন্দরের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে নোয়াপাড়া। সব মিলিয়ে মেট্রো নেটওয়ার্কে একদিকে যেমন হাওড়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কলকাতা বিমানবন্দর, তেমনি এবার হাওড়া ময়দান থেকে গঙ্গার নীচ দিয়ে পৌঁছে যাওয়া যাবে সেক্টর ফাইভেও। এই মেট্রো রুটগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে ২২ অগাস্ট শহরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার আগেই বাংলায় ৪৩টি রেল প্রকল্প আটকে থাকার কথা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। বুধবার সংসদে সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শমীক জানান, একটা ছোট জায়গার কাজ হচ্ছে না বলেই আটকে আছে নিউ গড়িয়া-সেক্টর ৫-বিমানবন্দর মেট্রো করিডরের কাজ।

    কী বললেন শমীক

    সংসদে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, খোদ মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার কয়েকদিন আগেই আক্ষেপ করে বলেছেন, চিংড়িঘাটার মাত্র ৩৬৬ মিটার এবং নব দিগন্ত থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্পের জন্য যে জমি প্রয়োজন ছিল, দেয়নি রাজ্য। বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও দেওয়া হয়নি। এই জমিটুকু পাওয়া গেলে ওই অংশের কাজ শেষ হয়ে যেত। ফলে কবি সুভাষ থেকে জয়হিন্দ মেট্রো স্টেশন বা কলকাতা বিমান বন্দর পর্যন্ত মেট্রো করিডরের অনেকটা অংশই চালু করে দেওয়া যেত। তিনি উল্লেখ করেন, ওই অংশের কাজ না হওয়ায় পডুয়া থেকে আইটি সেক্টরের কর্মী, সবারই অসুবিধা হচ্ছে।

    জমি নীতিই বাধা

    শমীক বলেন, ‘‘একটা রাজ্যের যদি কোনও নির্দিষ্ট জমি নীতি না থাকে, একটি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই যদি ঘোষণা করে যে আমরা এক বর্গফুট জমিও নতুন করে অধিগ্রহণ করব না, তা হলে পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা রেলের প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করতে গিয়েই বুঝতে পারছি।’’ শমীক বলেন, ‘‘সেক্টর ফাইভের সঙ্গে কলকাতার সংযোগ শুধু চিংড়িঘাটার জন্য বন্ধ হয়ে রয়েছে। আমার সঙ্গে ওখানকার স্থানীয় বিধায়ক এবং মন্ত্রী সুজিত বসুর কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন যে, রাস্তার এ পার পর্যন্ত যা হয়েছে, সেটা তাঁর দায়িত্ব। ওখানে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাকি অংশের ক্ষেত্রে দমকলমন্ত্রী তাঁর অপাগরতার কথাও জানিয়েছেন।’’ কলকাতা পুলিশ এবং ট্র্যাফিক পুলিশের অসহযোগিতার কারণে তিনটি পিলার নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে শমীক দাবি করেছেন।

    সুজিত বসুর সঙ্গে কথা শমীকের

    বঙ্গবাসীর স্বার্থে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দমদমে এক সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য নিজেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। তাঁর বক্তব্য, সল্টলেক থেকে কলকাতার কানেকশানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বহুদিন ধরেই আটকে আছে। সেই কারণেই তিনি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। শমীক জানান, দমকল মন্ত্রী তাঁকে বলেছেন যে, তাঁর তত্ত্বাবধানে এক প্রান্তের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু চিংড়িঘাটা অঞ্চলে কলকাতা পুলিশ এবং ট্র্যাফিক পুলিশের আপত্তির কারণে তিনটি স্তম্ভ সরানো যাচ্ছে না। সেই কারণেই পুরো প্রকল্প আটকে রয়েছে। দমকল মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি কিছু করতে পারছেন না। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাধা

    শমীকের অভিযোগ, কেন্দ্রের বিরোধিতা করার জন্যই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প রাজ্যে শুরু করা সম্ভব হয়নি। উন্নয়ন বারবার ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কেন্দ্রের প্রস্তাবগুলিকে আটকে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।’’ রাজ্য বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, ‘‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় বিশ্বাসী। তাঁর লক্ষ্য রাজ্যের উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করা। কিন্তু রাজ্য সরকারের নীতির কারণে উন্নয়ন থমকে যাচ্ছে।’’

    নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

    শুক্রবার, রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দমদমে (Kolkata Metro) প্রশাসনিক কর্মসূচি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সূচনার পাশাপাশি জনসভা রয়েছে তাঁর। দমদমের প্রশাসনিক কর্মসূচি থেকেই নতুন তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত চলে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রো। এবার সেই লাইনের সম্প্রসারিত অংশেও চলবে মেট্রো। উদ্বোধন হবে রুবি থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত অংশের। এতদিন গ্রিন লাইনে মেট্রো চলছিল হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড এবং শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ। গতবছর ৬ মার্চ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড রুটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর হাত ধরেই গঙ্গার নীচে দিয়ে মেট্রো রুটের সূচনা হয়। এবার হাওড়া থেকে যেমন সরাসরি সল্টলেকে পৌঁছানো যাবে তেমনই মেট্রোর সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে বিমানবন্দরও। অন্যদিকে, ১৬ অগাস্ট শনিবার কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি নোয়াপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট সম্প্রসারিত রুটেরও পরিদর্শন করেন। ইতিমধ্যেই মিলেছে ছাড়পত্র। অর্থাৎ ওই একইদিনে শহরের আরেক রুটেও মেট্রো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Kolkata Metro: দেড় বছর পর ফের কলকাতা মেট্রোয় সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, যশোর রোড থেকে যাবেন বিমানবন্দর স্টেশনে

    Kolkata Metro: দেড় বছর পর ফের কলকাতা মেট্রোয় সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, যশোর রোড থেকে যাবেন বিমানবন্দর স্টেশনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের প্রথম বিমানবন্দর সংযোগকারী মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন হতে চলেছে আগামী শুক্রবার। নয়া রুটে মেট্রোয় সওয়ারি হবেন নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২২ অগাস্ট কলকাতায় এসে তিনটি নতুন মেট্রোপথের উদ্বোধন করবেন তিনি। তার মধ্যে একটি রুটে সফর করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এর আগে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেডের মাঝে মেট্রো চলাচলের সূচনা করে গঙ্গার তলা দিয়ে মেট্রো সফর করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেড় বছর পর ফের একবার কলকাতা মেট্রোয় সফর করবেন তিনি। আগামী ২২ তারিখে তিনটি নয়া মেট্রো রুটের পাশাপাশি হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর পর সারবেন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সভা।

    এশিয়ার সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ মেট্রো টার্মিনাস

    বিমানবন্দর স্টেশনে ভারতবর্ষ তথা এশিয়ার সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ মেট্রো টার্মিনাস গড়ে উঠেছে। স্টেশনটি ৫৫০ মিটার লম্বা ও ৪১.৬ মিটার চওড়া। এই স্টেশন নির্মাণের সময় ‘এয়ারপোর্ট অথারিটি অব ইন্ডিয়া’ বিশেষ কারণে আপত্তি জানিয়েছিল। কারণ, সেই সময়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী স্টেশনটি হওয়ার কথা ছিল মাটির উপর। তাছাড়া, বিমানবন্দরের এত কাছে স্টেশনের বিশাল নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী সময়ে মাটির নীচেই মেট্রো স্টেশন তৈরির অনুমোদন মেলে। বিমানবন্দরের টার্মিনাল বিল্ডিং থেকে ১৫০ মিটার দূরে গড়ে উঠেছে দেশের গভীরতম এই অত্যাধুনিক মেট্রো স্টেশন। এই পথ সাবওয়ের মাধ্যমে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ‘মুভিং ওয়াকওয়ে’র মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, গত বছর ৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় গঙ্গার তলদেশ দিয়ে মেট্রো সফর করেছিলেন। ওই অংশে যাত্রী পরিষেবা শুরু হয়েছিল সেই বছর ১৫ মার্চ।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি…

    শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে যশোর রোড মেট্রো স্টেশনে পৌঁছবেন। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি তিনটি মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এরপর প্রথম ট্রেনটিতে করে নিজেই যশোর রোড স্টেশন থেকে বিমানবন্দর বা জয়হিন্দ স্টেশন পর্যন্ত যাবেন। তারপরে জয়হিন্দ স্টেশন থেকে আবার মেট্রোয় করেই যশোর রোড স্টেশনে ফিরবেন। সেখান থেকে সড়কপথে দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানে যাবেন। ওই মাঠেই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক সভা।

    ৪৩টি রেল প্রকল্প আটকে, রাজ্যের জমি-নীতিকে দুষলেন শমীক

    অন্যদিকে, রাজ্যে ৪৩টি রেল প্রকল্প আটকে থাকার কথা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণও করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তিনি বলেন, ‘‘সেক্টর ফাইভের সঙ্গে কলকাতার সংযোগ শুধু চিংড়িঘাটার জন্য বন্ধ হয়ে রয়েছে। আমার সঙ্গে ওখানকার স্থানীয় বিধায়ক এবং মন্ত্রী সুজিত বসুর কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন যে, রাস্তার এ পার পর্যন্ত যা হয়েছে, সেটা তাঁর দায়িত্ব। ওখানে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাকি অংশের ক্ষেত্রে দমকলমন্ত্রী তাঁর অপাগরতার কথাও জানিয়েছেন।’’ এই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যর্থ নীতির তীব্র সমালোচনা করেন শমীক। বলেন, ‘‘একটা রাজ্যের যদি কোনও নির্দিষ্ট জমি নীতি না থাকে, একটি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই যদি ঘোষণা করে যে আমরা এক বর্গফুট জমিও নতুন করে অধিগ্রহণ করব না, তা হলে পরিণতি কী হতে পারে তা আমরা রেলের প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করতে গিয়েই বুঝতে পারছি।’’

  • Kolkata Metro: মোদির হাত ধরে পুজোর আগেই মেট্রোপথে জুড়ছে শিয়ালদা-হাওড়া, কতটা লাভবান হবেন নিত্যযাত্রীরা?

    Kolkata Metro: মোদির হাত ধরে পুজোর আগেই মেট্রোপথে জুড়ছে শিয়ালদা-হাওড়া, কতটা লাভবান হবেন নিত্যযাত্রীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে দুর্গাপুজোর বড় উপহার দিতে আগামী শুক্রবার ফের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যেমন তেমন কোনও উপহার নয়, ঐতিহাসিক উপহার। নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতেই আগামী ২২ তারিখ কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন দমদমে প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকেই নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনটি নতুন পাতালরেল রুট হল— রুট তিনটি হল শিয়ালদা-এসপ্লানেড (২.৪৫ কিলোমিটার), নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ বিমানবন্দর (৬.৭৭ কিলোমিটার), হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি)-বেলেঘাটা (৪.৩৯ কিলোমিটার)।

    মেট্রোপথে জুড়ে যাচ্ছে শিয়ালদা-হাওড়া

    বলা বাহুল্য, এই তিনটি রুট চালু হলে শহরের উত্তর, মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। এই তিনটে রুটের মধ্যে আবার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল শিয়ালদা থেকে এসপ্ল্যানেড রুটটি। এটি মেট্রোর গ্রিন লাইন হাওড়া ময়দান-সেক্টর ৫ রুটের একটি অংশ। মোদির হাত ধরে এই রুটের ২টি অংশ জুড়বে আগামী ২২ তারিখ। এতদিন গ্রিন লাইন ১-এর অন্তর্গত সেক্টর ৫ থেকে শিয়ালদা এবং গ্রিন লাইন ২-এর অন্তর্গত হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেড পর্যন্ত বিভক্তভাবে চালু ছিল মেট্রো। মাঝে এসপ্লানেড ও শিয়ালদার মধ্যে সংযোগ ছিল না। ২২ তারিখ সেটাই হয়ে যাবে। ফলে, (মেট্রো) রেল পথে জুড়ে যাবে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন। শিয়ালদা-এসপ্লানেড রুট চালু হলে প্রায় ১ ঘণ্টার রাস্তা পার করা যাবে ১১ মিনিটে। এই দুই স্টেশনেই সহজে যেতে পারবেন রেলযাত্রীরা। মোট ১৫.৬৬ কিলোমিটার পথে চলবে মেট্রো। এই রুটে ৮ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে বলে জানা যাচ্ছে।

    আরও সহজে বিমানবন্দর…

    অন্যদিকে, নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো রুট চালু হলেও উপকৃত হবেন রেলযাত্রীরা। নোয়াপাড়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর বা জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত যে রুট চালু হবে, সেটি অতিক্রম করবে প্রায় ৬.২৫ কিলোমিটার। মেট্রো সূত্রে খবর, এই রুটে চলা দুটি ট্রেনের মধ্যে সম্ভাব্য সময়ের ফারাক থাকবে ১৫ মিনিট। সম্পূর্ণ নতুন সাজে সেজে উঠেছে এটি। ভূগর্ভস্থ নির্মাণে তৈরি এই স্টেশনকে ইতিমধ্যেই এশিয়ার অন্যতম বড় মেট্রো স্টেশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মুম্বই, দিল্লি, লখনউ ও চেন্নাইয়ের পর কলকাতা হল ভারতের পঞ্চম শহর, যেখানে বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি মেট্রো পরিষেবা যুক্ত হচ্ছে। এই রুটে নোয়াপাড়া ও এয়ারপোর্ট ছাড়া রয়েছে দুটি স্টেশন- যশোর রোড ও দমদম ক্যান্টনমেন্ট। ঠিক যেভাবে শিয়ালদা আর দমদমে রেল স্টেশনের সংযোগকারী মেট্রো স্টেশন রয়েছে, সেভাবেই আরও দমদম ক্যান্টনমেন্টেও সংযোগকারী মেট্রো স্টেশন তৈরি হবে। শহরের দক্ষিণ থেকে বিমানবন্দর যেতে গেলে আর পোহাতে হবে না বাইপাস ও ভিআইপি রোডের জ্যামের ঝক্কি। সরাসরি ব্লু লাইন (কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর) রুটের মেট্রো ধরে নোয়াপাড়ায় নেমে লাইন বদলে ইয়েলো লাইন ধরে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যাবে বিমানবন্দর। নোয়াপাড়া স্টেশনটি ইন্টারচেঞ্জিং হবে।

    বিকল্প পথে শিয়ালদা…

    আবার, অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া (কবি সুভাষ) থেকে রুবি (হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) পর্যন্ত মেট্রো চালু রয়েছে। এবার সেই রুটই বিস্তৃত হচ্ছে বেলেঘাটা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলবে এবার। মোট ৯.৭৯ কিলোমিটার পথ। এই রুটে ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে বলে জানা যাচ্ছে। বেলেঘাটা ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় জুড়ে গেলে, বেলেঘাটা থেকে যাত্রীরা সোজা কবি সুভাষ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারবেন। আর কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে যোগ রয়েছে নিউ গড়িয়া রেল স্টেশনের। অর্থাৎ শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার সঙ্গে সরাসরি জুড়ে যাবে মেট্রো স্টেশন। ফলে, যাত্রীরা মেট্রোতে চেপে পৌঁছে যেতে পারবেন স্টেশনে। তবে, বর্তমানে ব্লু লাইনের প্রান্তিক কবি সুভাষ স্টেশন বন্ধ। যাতায়াত হবে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন অবধি।

    আশায় নিত্যযাত্রীরা

    রুটের নিত্যযাত্রীরাও আশায় আছেন এই রুট নিয়ে। এবার মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হল যে নতুন রুটগুলি চালু হলে ঠিক কতটা সুবিধা হবে লোকাল ট্রেনের যাত্রীদের। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেন নিজের কর্মস্থলে। কিন্তু স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছতে যে যানজটের যন্ত্রণা পেরতে হয়, সেই সমস্যার কিছুটা সুরাহা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, শুধুমাত্র নিত্যযাত্রীরাই নন, এই মেট্রো চালু হলে পুজোর দর্শণার্থীদেরও বিশেষ সুবিধা হবে। রাস্তার যানজটও অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নতুন রুটে ভাড়া কেমন?

    নতুন ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ন্যূনতম ভাড়া রাখা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৭০ টাকা। উদাহরণস্বরূপ, বিমানবন্দর থেকে যশোর রোড যেতে খরচ হবে ৫ টাকা, আর নোয়াপাড়া যেতে দিতে হবে ২০ টাকা। একইভাবে, বিমানবন্দর থেকে চাঁদনি চক বা এসপ্ল্যানেড যেতে খরচ হবে ৪০ টাকা। কবি সুভাষ পর্যন্ত পৌঁছতে ভাড়া ৪৫ টাকা। এয়ারপোর্ট থেকে শিয়ালদা যেতে খরচ হবে সর্বাধিক ৫০ টাকা। বিমানবন্দর থেকে হাওড়া যেতে যাত্রীদের দিতে হবে ৫০ টাকা। রুবি মোড় (হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) যেতে গুনতে হবে ৬৫ টাকা। আর বিমানবন্দর থেকে সেক্টর ফাইভ বা করুণাময়ী পর্যন্ত যাত্রার জন্য সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা।

  • Kolkata Metro: শিয়ালদা থেকে ১১ মিনিটেই ধর্মতলা! সফল হল মেট্রোর প্রথম ট্রায়াল রান, পরিষেবা চালু কবে?

    Kolkata Metro: শিয়ালদা থেকে ১১ মিনিটেই ধর্মতলা! সফল হল মেট্রোর প্রথম ট্রায়াল রান, পরিষেবা চালু কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের আওতায় শিয়ালদা থেকে ধর্মতলার মধ্যে প্রথম ট্রায়াল রান চালানো হয়। শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে ছোটানো হয় মেট্রোর রেক। এই প্রথম ট্রায়াল রান সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের দাবি, সব মাপকাঠিই পূরণ হয়েছে। মঙ্গলবার প্রথম ট্রায়াল রানের সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) জিএম পি উদয়কুমার রেড্ডি-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    শিয়ালদা থেকে ১১ মিনিটেই ধর্মতলা (Kolkata Metro)

    এদিন ট্রায়াল রানের সময় মোটরম্যানের কেবিনে ছিলেন মেট্রো (Kolkata Metro) রেলের জেনারেল ম্যানেজার তথা কলকাতা মেট্রোর চেয়ারম্যান পি উদয়কুমার রেড্ডি। মঙ্গলবার শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ শুরু হয় ট্রায়াল রান। সেই মেট্রো এসপ্ল্যানেড পৌঁছয় ১১টা ৩১ মিনিট নাগাদ। শিয়ালদা থেকে ধর্মতলার দূরত্ব পেরোতে সবমিলিয়ে ১১ মিনিট সময় লাগে। ট্রায়াল রান শেষে উদয়কুমার সকলকে শুভেচ্ছা জানান। পরে কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন (কেএমআরসিএল) এবং অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। প্রথম ট্রায়াল রান সফল হওয়ায় এই রুটে মেট্রো চালুর বিষয়ে আশাবাদী সকলেই। খুব শীঘ্রই শিয়ালদা এবং এসপ্ল্যানেডের মধ্যে পরিষেবা শুরু হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    কবে চালু হবে পরিষেবা?

    হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো (Kolkata Metro) পরিষেবায় যে অংশ মাটির নীচ দিয়ে যাবে, সেখানে দু’টি সুড়ঙ্গ (Kolkata East West Metro) রয়েছে। তার মধ্যে পূর্বমুখী অর্থাৎ শিয়ালদামুখী (Sealdah) সুড়ঙ্গের কাজ অনেক দিন আগেই শেষ হয়েছে। লাইন পাতাও শেষ। ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে মেট্রোর খালি রেক প্রায়ই যাতায়াত করে। কিন্তু বিপত্তি ঘটে পশ্চিমমুখী সুড়ঙ্গ খোঁড়ার সময়। শিয়ালদা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত ওই সুড়ঙ্গ কাটার সময় সমস্যা হয় বৌবাজারের কাছে। ২০১৯ সালে অগাস্ট মাসে সুড়ঙ্গ কাটার যন্ত্রের মাধ্যমে মাটি কাটার সময় ধস নামে বৌবাজার এলাকায়। তড়িঘড়ি বন্ধ করতে হয় কাজ। ওই সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার। ২০২২ সালের মে এবং অক্টোবরে ওই অংশ কাজ করার সময় দফায় দফায় কাজ বন্ধ করতে হয়। জল ঢুকে পড়ে সুড়ঙ্গের মধ্যে। বার বার বিপত্তির কারণে এত দিনেও শিয়ালদা এবং এসপ্ল্যানেডের মধ্যে পরিষেবা চালু সম্ভব হয়নি। এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদা সুড়ঙ্গপথে জুড়লেই হাওড়া ময়দান থেকে সোজা পৌঁছে যাওয়া যাবে সেক্টর ফাইভে। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে বৌবাজারের ওই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নীচ দিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট রুটে মেট্রো ছুটল। সব ঠিক থাকলে, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই যাত্রী পরিষেবা শুরু করা যাবে বলে আশাবাদী মেট্রো কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডর, যা সল্টলেক থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত বিস্তৃত, তাকে গ্রিন লাইনও বলা হয়। কলকাতায় মেট্রোর এই গ্রিন লাইনের অধীনেই দেশের মধ্যে প্রথম বার জলের নীচ দিয়ে মেট্রো ছুটছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: চলবে সিগন্যালের কাজ, আগামী দেড় মাস বন্ধ থাকবে কলকাতা মেট্রোর এই রুটের পরিষেবা

    Kolkata Metro: চলবে সিগন্যালের কাজ, আগামী দেড় মাস বন্ধ থাকবে কলকাতা মেট্রোর এই রুটের পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) দেড়মাস বন্ধ থাকবে। মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বউবাজারে মেট্রোর কাজ শেষ হওয়ার পর এবার হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হবে। এই লাইনে সম্পূর্ণ সিগন্যাল ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে। ফ্রান্সের একসংস্থা এই কাজ করবে। এই কাজের জন্য প্রায় এক মাসের বেশি সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে। ফলে সাময়িক ভাবে যাত্রীদের কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য আগেও মেট্রোরও তরফে জানানো হয়েছে যে চলতি মাসের ১২ এবং ১৯ জানুয়ারি রবিবার গ্রিন লাইনের মেট্রো বন্ধ থাকবে। পরপর দুটি রবিবার সিগন্যালিংয়ের কাজের জন্য বন্ধ রাখা হবে পরিষেবা।

    ফরাসি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজের দায়িত্ব (Kolkata Metro)

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে সমগ্র গ্রিন লাইনে। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেডগামী এবং শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকবে। ফলে এই দুই রুটের নিত্যযাত্রীদের কিছু সময়ের জন্য সমস্যায় পড়তে হবে। কাজ করতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তাই ওই সংস্থার পক্ষ থেকে মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর তাই মেট্রো কর্তৃপক্ষ এই পরিষেবা বন্ধ রাখার পদক্ষেপ করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    সিগন্যাল এবং লাইনের বাকি কাজ চলবে

    উল্লেখ্য, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (Kolkata Metro) প্রকল্পের অধীনে বউবাজার অংশের কাজ করতে গিয়ে নানা রকম বাধা এবং সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। কাজ আদৌ করা যাবে কিনা, করলে কবে করা যাবে এই নিয়ে একটা বিরাট সঙ্কটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তিন-চারবার বিপর্যয় ঘটায় বার বার থমকে গিয়েছিল কাজ। এরপর কাজ শেষ করতে উদ্যোগী হয়েছিল মেট্রো। ফলে বিলম্ব হওয়ায় সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এবার বাকি কাজ শেষ হলে সেক্টর ফাইভ থেকে সরাসরি হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চলে যাওয়া যাবে। তাই সিগন্যাল এবং লাইনের বাকি কাজ দেড় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Project: মমতার জন্যই বছরে ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি কলকাতা মেট্রোয়, থমকে বহু রেল প্রকল্পও, সংসদে অশ্বিনী

    Rail Project: মমতার জন্যই বছরে ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি কলকাতা মেট্রোয়, থমকে বহু রেল প্রকল্পও, সংসদে অশ্বিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা সরকারের দোষেই প্রতি বছর ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে কলকাতা মেট্রোতে (Rail Project)। সরকারের উদাসীনতার কারণেই একাধিক মেট্রো প্রকল্প লোকসানের শিকার হচ্ছে। রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ সমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে উত্তর দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। সেই সঙ্গে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন, রাজ্যে একাধিক রেল প্রকল্পের কাজও থমকে রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ না করার জন্য অনেক প্রজেক্টের কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এই পরিসংখ্যান দিয়ে মমতা সরকারের গাফিলতির কথা তুলে ধরেছেন রেল মন্ত্রী। উল্লেখ্য আগেও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের একাধিক জনমুখী সুবিধা পৌঁছে দিতে টালবাহানার অভিযোগের কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন।

    রাজ্য সরকার কোনও ইতিবাচক ভূমিকা নেয়নি (Rail Project)

    রেলের (Rail Project) তরফ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) সংসদে লিখিত প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তথ্যে দেখা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে কলকাতা মেট্রোর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৪৮৭.৩৭ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সেই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২৪.২৪ কোটি, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬৫.১১ কোটি টাকা। ক্ষতির কারণ হল রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রতি উদাসীনতা। অশ্বিনী জানান, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে তেঘরিয়া পর্যন্ত লাইনে কাজের ক্ষেত্রে হলদিরাম (তেঘরিয়া) পর্যন্ত ব্যয় ৫০:৫০ অনুপাতে রাজ্যের সঙ্গে ভাগ করা হবে বলে প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তাতে রাজ্য সরকার কোনও সায় দেয়নি।”

    জমি জটে আটকে নোয়াপাড়া-বারাসত মেট্রো

    মেট্রো (Rail Project) প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী আরও বলেন, “নিউ গড়িয়া থেকে দমদম এয়ারপোর্ট লাইনে ৩২ কিমি মোট রাস্তায় ৯.৮ কিমি লাইনের কাজ হলেও ২২.২ কিমি কাজ অত্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে। কাজের গতিতে ধীর, তার কারণ হল ট্র্যাফিক অন্যত্র সরানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি রাজ্য সরকার। একই চিত্র দেখা গিয়েছে জোকা থেকে বিবাদী বাগ পর্যন্ত ১৪ কিমি রাস্তার কাজেও। সব জায়গায় জমি জট একটি বড় সমস্যা। যেমন-নোয়াপাড়া থেকে বারাসত পর্যন্ত মোট রাস্তা হবে ১৮ কিমি। এখানেও ১৫.১৬ কিমি রাস্তার কাজে দেরি হচ্ছে। এর মধ্যে মাইকেল নগর থেকে বারাসত পর্যন্ত ৮.১২ কিমি রাস্তা জমি জটের জন্য থমকে রয়েছে। অপর দিকে কলকাতা পুরসভা থেকে দেওয়া জলের পাইপলাইন রাজ্য সরকার অন্যত্র সরাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বরানগর থেকে বারাকপুর লাইনে কাজে দেরি হচ্ছে। ফলে রাজ্য সরকার কোনও রকম ভাবে কাজের অগ্রগতির জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। তাতেই লোকসানের পরিমাণ বাড়ছে দিন দিন।”

    মমতার আমল থেকে তিনগুণ বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে

    রেল প্রকল্পে (Rail Project) ক্ষতি প্রসঙ্গে অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইউপিএ ২ সরকারের সময়ের তুলনায় ২০২৪-২৫ চলতি বছরে পশ্চিমবঙ্গের জন্য রেলের প্রকল্পে তিনগুণ বাজেটে অর্থ বরাদ্ধ করা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে রেল প্রকল্পের বাজেট ছিল প্রতিবছর ৪৩৮০ কোটি টাকা। এখন এনডিএ জোট সরকার শুধুমাত্র ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে বাজেট বরাদ্ধ হয়েছে ১৩,৯৪১ কোটি টাকা।”

    আরও পড়ুনঃ ‘চিকেন্স নেক’ কবজা করে ভারতে নাশকতার ছক ছিল বাংলাদেশি জঙ্গিদের! জেরায় মিলল তথ্য

    নবদ্বীপ ঘাট-নবদ্বীপ ধাম নিউ লাইনের কাজ বন্ধ

    নবদ্বীপ ঘাট-নবদ্বীপ ধাম নিউ লাইন (Rail Project) প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় রেল প্রকল্পের জন্য মোট জমির প্রয়োজন ৩০৪০ হেক্টর। তার মধ্যে জমি অধিগৃহীত হয়েছে ৬৪০ হেক্টর। মোট প্রয়োজনের মাত্র ২১ শতাংশ হাতে এসেছে। এখনও ২৪০০ হেক্টর বা ৭৯ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি রাজ্য সরকার। নবদ্বীপ ঘাট-নবদ্বীপ ধাম নিউ লাইনের মোট ১০৬.৮৬ হেক্টর জমি দরকার, কিন্তু এখনও প্রায় ১০৬.৬৯ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ বাকি রয়েছে। পাশাপাশি চন্দনেশ্বর-জলেশ্বর নিউ লাইনে মোট জমি প্রয়োজন ১৫৮ হেক্টর। ১ ছটাক জমিও এখনও অধিগ্রহণ করতে পারনি মমতা সরকার।”

    বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্প আটকে

    বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের (Rail Project) কথা তুলে ধরে অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, “অপর দিকে নৈহাটি-রানাঘাট থার্ড লাইনে মোট জমির প্রয়োজন ৮৭.৮৩ হেক্টর। অধিগ্রহণ হয়েছে মাত্র ০.০৯ হেক্টর। যার মধ্যে ৮৭.৭৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ বাকি রয়েছে। আবার বালুরঘাট-হিলি নিউ লাইনে মোট জমির প্রয়োজন ১৫৬.৩৮ হেক্টর। অধিগ্রহণ হয়েছে ৬৭.৩৮ হেক্টর। এখনও ৮৮ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন। একই ভাবে সাঁইথিয়া এবং সীতারামপুরে বাইপাসে মোট জমির প্রয়োজন ২২.২৮ হেক্টর। অধিগ্রহণ হয়েছে ২.২২ হেক্টর। ২২.০৬ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ এখনও বাকি। ফলে রাজ্যের রেল প্রকল্পগুলিও বিরাট মাত্রায় ঝুলে রয়েছে। রাজ্য সরকারের কোনও মাথা ব্যাথা নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share