Tag: kolkata municipal corporation

kolkata municipal corporation

  • BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ কলকাতা পুরসভার অন্দরে (BJP-TMC Clash)। অভিযোগ, বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে পুরসভার অধিবেশন চলাকালীন ধাক্কা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। এ নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় পুরসভার ভিতরে। তবে এই দিনের ঘটনা নতুন কিছু নয়, গত মাসেই পুরসভার অন্দরে এমন কাণ্ড দেখা গিয়েছিল। শ্যামপুকুর বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি (BJP-TMC Clash) নেতার বাড়ি জেসিপি নামিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে পুরসভার বিরুদ্ধে। সে নিয়ে পুরসভার অন্দরে সরব হতেই তৃণমূল কাউন্সিলাররা মারধর করে বিজেপি কাউন্সিলরদের। একমাসের ব্যবধানে পের একবার তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখা গেল কলকাতা পুরসভায়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখছে সাধারণ মানুষ। রাস্তার সন্ত্রাস এবার উঠে এসেছে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানেও।

    ঠিক কি ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, এদিন পুরসভার অধিবেশনে বিজেপির তরফে টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ দুর্নীতি প্রস্তাব উত্থাপন করতেই ঝাঁপিয়ে পড়েন তৃণমূল কাউন্সিলররা এবং মারধর শুরু করে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সজল ঘোষকে (BJP-TMC Clash)। শুধু তাই নয়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কাউন্সিলার অসীম বসুর বিরুদ্ধে। এরপরেই অধিবেশ বয়কট করেন বিজেপি কাউন্সিলাররা। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই মেয়র বলেন, ‘‘বিরোধীরা এখানে প্রশ্নই করেনা! আমাদের কাউন্সিলারদেরই প্রশ্ন করতে হয়।’’ মেয়রের সামনেই দেখা গেল বিরোধীরা প্রশ্ন করলে ঠিক কী পরিণতি হয়।

    বিক্ষোভ বিজেপির

    বিজেপি কাউন্সিলাররা এদিনের ঘটনা পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। পুরসভার অন্দরে তাঁদের যে কোনও নিরাপত্তা নেই একথাও বলেন  গেরুয়া শিবিরের কাউন্সিলাররা। মারামারির ঘটনা নিয়ে সজল ঘোষ এবং অসীম বসু দুজনের কাছেই জবাব তলব করেছেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন চেয়ারপার্সন, তবে ব্যবস্থা গ্রহণ যে কতটা পক্ষপাতহীন হবে তা নিয়ে সন্দিহান গেরুয়া শিবিরের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বমুখী! তথ্য বলছে, চিন্তার কারণ বাড়াচ্ছে দক্ষিণ কলকাতা। বছরভর একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেও কাজ বিশেষ হয়েছে কিনা, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডেঙ্গির দাপট বাড়তেই প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ইতিমধ্যেই ডেঙ্গির (Dengue) সমস্ত রেকর্ড পেরিয়ে গিয়েছে। আগের বছরগুলোর তুলনায় এ বছরে ডেঙ্গির প্রকোপ অনেক বেশি। তাই কলকাতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, এই শহরেই ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০ জন। যা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১০ জন। ২০২১ সালে ছিল ৫৬৭ জন। ২০২২ সালে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছিল ১১২৩ জন। চলতি বছর অবশ্য আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। 
    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। তাই ওই এলাকাগুলো নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে।

    কলকাতার কোন এলাকায় ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার দক্ষিণে সবচেয়ে শক্তিশালী ডেঙ্গি (Dengue)। তাই বেহালা, তিলজলা, মুকুন্দপুর, টালিগঞ্জ, বাঁশদ্রোণী, কসবা, তপসিয়া, নিউ আলিপুর, যাদবপুর এই জায়গাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে। কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ এই এলাকার বাসিন্দা। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে কলকাতার ১৬০০ ডেঙ্গি আক্রান্তের মধ্যে ১০৮৮ জন দক্ষিণ কলকাতার এই সব এলাকায় থাকেন।

    কেন দক্ষিণ কলকাতায় বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে যে ধারাবাহিক কাজ জরুরি, তার ঘাটতির জেরেই বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক নির্মীয়মাণ এলাকা রয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখানে জল জমছে। আর তাতেই মশা জন্ম নিচ্ছে। এর ফলে দাপট বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক বড় পুজো হয়। বাঁশ এবং অন্যান্য সামগ্রী পড়ে থাকছে। সেখানেও জল জমছে। আর মশার আঁতুরঘর তৈরি হচ্ছে। বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। তবে, সবচেয়ে জোরালো সমস্যা নিকাশি ব্যবস্থা। কসবা, বালিগঞ্জ কিংবা বেহালা-দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেও জল জমে থাকে। নর্দমা পরিষ্কার হয় না। ফলে, মশার উপদ্রব বাড়ছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ।

    কী বলছে কলকাতা পুরসভা? 

    ডেঙ্গির প্রকোপ বেড়ে চলায় সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়ছে কলকাতা পুরসভা। কারণ, বছরভর কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। পাশাপশি ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পুর প্রশাসনের! ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ায়, তাই প্রশ্ন উঠছে, কলকাতা পুরসভা কি তার দায়িত্ব পালন করতে পারছে না? পুরসভা অবশ্য জানাচ্ছে, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। জল জমলে যেখানে নিকাশির কাজ করা হচ্ছে। তাছাড়া কেউ আক্রান্ত (Dengue) হলে সেখানে প্রয়োজনীয় নজরদারি করা হচ্ছে। তবে, সাধারণ মানুষের সচেতনতা আরও জরুরি বলেও মনে করছে পুরসভা। তারা জানাচ্ছে, সে বিষয়ে আরও জোরালো কর্মসূচি চালানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: কাউন্সিলরের সামনে বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল! বিরক্ত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: কাউন্সিলরের সামনে বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল! বিরক্ত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা পুরসভায় (Kolkata Municipal Corporation) রেজিস্টারের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অর্থাৎ পুরসভার প্রতিনিধি বা কাউন্সিলররা কাদের চিঠি পাঠাচ্ছেন বা কার কাছ থেকে তাঁদের কাছে চিঠি আসছে, অফিসে এই সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে একটি খাতায় তা উল্লেখ রাখতে হবে। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। একবালপুরে একটি বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন তিনি। 

    কী বললেন বিচারপতি

    বুধবার ওই মামলার শুনানির সময় স্থানীয় কাউন্সিলর সোমা দাসের উপর বেজায় অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য, “২ বছর হল, কাউন্সিলর হয়েছেন। আপনার চোখের সামনে একটি বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল, অথচ আপনি জানতেই পারলেন না।” কাউন্সিলরের কাছে কোনও রেজিস্টার নেই জানতে পেরে অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি। তিনি বলেন, “এটা কী ধরনের অফিস? যেখানে একটা রেজিস্টার মেইনটেইন হয় না?” কাউন্সিলরের অফিস নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন তিনি। আদালতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) পর্যবেক্ষণ, “একটা আড্ডাখানা তো আছে! যেখানে সবাই মিলে বসে আড্ডা দেন।” 

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

    কেমন হবে রেজিস্টার

    প্রত্যেক কাউন্সিলর অফিসে ঠিকঠাক রেজিস্টার মেইনটেন করেন কি না, তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। এমন একটি রেজিস্টার যেখানে কাউন্সিলর কাকে চিঠি পাঠাচ্ছেন, বা কার কাছ থেকে চিঠি আসছে অফিসে, সেসব বিষয়ে উল্লেখ থাকবে। এর পাশাপাশি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এদিন কলকাতা পুরসভাকে (Kolkata Municipal Corporation) নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে বিষয়টি তলিয়ে দেখা হয়। যাতে কাউন্সিলরদের রেজিস্টার মেইনটেন করা বাধ্যতামূলক করা হয়, সেই দিকেও পদক্ষেপ করার জন্য পুরনিগমকে বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে এর আগেও বার বার কড়া মন্তব্য করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (municipality recruitment scam) এবার রাজ্যের এক মন্ত্রীকে তলব করল সিবিআই। ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে তলবের চিঠি স্পিড পোস্ট করে দেওয়া হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর,আগামী ৩১ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। 

    কেন মন্ত্রীকে তলব

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আস্তে আস্তে জাল গোটাচ্ছেন তদন্তকারীরা। হাইকোর্টের আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ার পরই আরও তৎপর সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস থেকে বুধবারই স্পিড পোস্টে নোটিস পাঠানো হল রাজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে। যাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তিনি একজন হেভিওয়েট মন্ত্রী। তিনি দুর্নীতির সময় পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের কীভাবে পরিচয়, দুর্নীতি কাণ্ডে তাঁর ভূমিকাই বা কী ছিল, কীভাবে এবং কবে এই দুর্নীতির শুরু, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, অয়ন শীল গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথম পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। এই মামলায় সিবিআই-কে তদন্ত করার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে হাইকোর্টে এই মামলার বেঞ্চ বদল হয়। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখে। এরপর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। কিন্তু সেখানেও কার্যত ধাক্কা খায় রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চালিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এ এস ভি রাজু সওয়াল করেছিলেন, দুটি মামলা অর্থাৎ স্কুল ও পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির ক্ষেত্রে এক সাধারণ অভিযুক্ত রয়েছেন। এই সওয়ালকে মান্যতা দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পরই প্রথম রাজ্যের কোনও মন্ত্রীকে তলব করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মোকাবিলায় (Dengue Scare) কলকাতা পুরসভার তরফে জারি করা হল অ্যাডভাইসারি (Advisory)। শহরের সরকারি ও বেসরকারি সব স্কুলগুলিকে অ্যাডভাইসরি নোটিস পাঠানো হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। মশার কামড় (Mosquito Bite) থেকে বাঁচতে পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় বৈঠক

    স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। মঙ্গলবার, ডেঙ্গি পর্যালোচনায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে কলকাতা পুরসভার বৈঠক হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম-সহ একাধিক অধিকর্তারা ছিলেন। ছিলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। পুর কমিশনার বিনোদ কুমার, কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক-সহ কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্তারা। কলকাতা পুরসভার বরো চেয়ারম্যানও ছিলেন বৈঠকে। ছিলেন কলকাতা পুরসভার পতঙ্গ বিশেষজ্ঞ দেবাশিস বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: করোনায় ফের একের পর এক শিশুমৃত্যু! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    স্কুলগুলিকে কী কী নির্দেশ

    স্কুল ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে এডিস এজিপ্টাই প্রজাতি মশার লার্ভা না জন্মাতে পারে। প্রয়োজনে কলকাতা পুরসভার সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারে স্কুল কর্তৃপক্ষ।  স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের যতটা সম্ভব শরীর ঢেকে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট পড়া বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ। যাতে  এডিস এজিপ্টাই মশা ছাত্র ছাত্রীদের শরীরের কোনও অংশে কামড়াতে না পাড়ে। স্কুলে কোনও ছাত্র ছাত্রীর জ্বর হলে পুরসভার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট কলকাতা পুরসভার কাছে পাঠাতে হবে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে। রক্তের নমুনা ডেঙ্গি পজেটিভ হলে তা কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে জানাতে হবে। যদি বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা করা হয়, নমুনা রিপোর্ট মেইল করে কলকাতা পৌরসভার প্রধান কার্যালয়ে জানানো যেতে পারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে গোটা রাজ্য। কোভিডের পর এবার নয়া আতঙ্কের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। জানা গিয়েছে, বাংলায় একাধিক শিশু এই ভাইরাসের বলি হয়েছে। শহর থেকে জেলা, হাসপাতালগুলিতে ভিড় বাড়ছে শিশুদের। এই পরিস্থিতিতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। চিকিৎসক থেকে নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, কাকে কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    পুরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আলাদা আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সকলকেই। মেডিক্যাল অফিসার থেকে শুরু করে ‘আশা’ কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব। এমনকী স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পক্ষ থেকেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে।

    মেডিক্যাল অফিসারদের জন্য কী কী নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে?

    শিশুদের অভিভাবকের কথা শুনে পরীক্ষা করতে হবে। বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব নাকি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, তা জানাতে হবে। শিশুর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বাড়িতে রাখলে অভিভাবকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, কী দেখে তাঁরা সতর্ক হবেন।

    নার্সদের কী করতে হবে?

    কোনও শিশু জ্বর, কাশি নিয়ে পুরসভার স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রে এলেই অভিভাবককে জিজ্ঞেস করতে হবে, কতদিন ধরে জ্বর আসছে। অপ্রয়োজনে গুচ্ছ গুচ্ছ অ‌্যান্টিবায়োটিক নয়। জানতে হবে, জ্বর কেমন থাকছে, খেতে অনীহা দেখা যাচ্ছে কি না, প্রস্রাবে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। বিপদ বুঝলেই দেরি না করে মেডিক্যাল অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

    অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যকর্মী এবং ‘আশা’ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানবেন শিশুদের অসুস্থতা প্রসঙ্গে। কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ‌্যবিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ৭০০ আশাকর্মী রয়েছেন কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। এছাড়াও রয়েছেন ১০০ দিনের স্বাস্থ‌্যকর্মীরা। আজ থেকে এদের প্রত্যেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শিশুদের স্বাস্থ‌্য পরীক্ষা করবেন।

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশিকা

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া যেন কোনও রকম ওষুধ কাউকে না দেওয়া হয়। মেডিক্যাল অফিসারদের দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। কোন ওষুধ কখন খেতে হবে, তা অভিভাবকদের ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। শিশুরা অসুস্থ হলে কোনো ভাবেই ফেলে রাখা রাখা যাবে না বাড়িতে, এমনই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষের তরফে।

    আমজনতার জন্যেও পুরসভার নির্দেশিকা

    অন্যদিকে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যেও বলা হয়েছে, ইন্টারনেট দেখে কোনও রকমের চিকিৎসা করা যাবে না। তাই কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকা, “শিশুর তুমুল জ্বর, কাশিতে নিজেরা ইচ্ছেমত চিকিৎসা করবেন না। পরামর্শ নিন রেজিস্টার্ড মেডিক‌্যাল প্র্যাকটিশনারের।”

  • Dengue: মেয়রের ওয়ার্ড সর্বাধিক ডেঙ্গি প্রবণ, মারাত্মক আকার নিলেও ডেঙ্গি তথ্য নিয়ে সরকারের লুকোচুরি অব্যহত!

    Dengue: মেয়রের ওয়ার্ড সর্বাধিক ডেঙ্গি প্রবণ, মারাত্মক আকার নিলেও ডেঙ্গি তথ্য নিয়ে সরকারের লুকোচুরি অব্যহত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:   ডেঙ্গি (dengue) আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে লুকোচুরি খেলা অব্যাহত। প্রত্যেক বছরের মতো এই বছরেও ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়তেই সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠছে। আগষ্ট মাস থেকেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতে ডেঙ্গি মারাত্মক আকার নিয়েছে। কিন্তু তারপরেও ডেঙ্গি মোকাবিলার তুলনায় তথ্য গোপন নিয়েই বেশি ব্যস্ত প্রশাসনিক মহল। অন্তত সংশ্লিষ্ট মহলের এমনই অভিযোগ।

    সূত্রের খবর, বেসরকারি হিসাবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। যদিও স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে রাজ্যে মোট আক্রান্ত পাঁচ হাজার। অর্থাৎ, সরকারি ও বেসরকারি হিসাবে গড়মিল আকাশ ছোঁয়া। বেসরকারি হিসাবে রাজ্যের প্রতিদিন গড়ে হাজারের কাছাকাছি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। শুধুমাত্র কলকাতাতেই গড়ে সাড়ে চারশো মানুষ দিনে ডেঙ্গি আক্রান্ত । যদিও স্বাস্থ্য দফতরের হিসাব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা এত বেশি নয়।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে হু-হু করে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ, নিজেকে বাঁচাবেন কী করে?

    কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭টি বরোর মধ্যে আটটি বরোয় ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ১,৬,৭,৮,৯,১০,১১ এবং ১২ নম্বর বরোয় ডেঙ্গি পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। অর্থাৎ, বালিগঞ্জ, বেক বাগান, শ্যামবাজার, কাশীপুর-বেলগাছিয়ায় প্রত্যেক দিন যে হারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা যথেষ্ট চিন্তার।

    কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ৬, ৬৯, ৮২, ৮৩ এবং ১১২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গি পরিস্থিতি খারাপ। পুরসভা বিশেষ নজর দিচ্ছে। উল্লেখ্য, এরমধ্যে রয়েছে খোদ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওয়ার্ড। অর্থাৎ, ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। চেতলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশ উদ্বেগজনক।

    ইতিমধ্যেই ডেঙ্গিতে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু তারপরেও সরকারের তথ্য নিয়ে লুকোচুরি জারি রয়েছে। ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে কলকাতার বাঁশদ্রোণী থেকে বেলগাছিয়া একাধিক জায়গার বাসিন্দারা মেয়রকে ফোন করে ডেঙ্গি সমস্যার কথা বলেছেন। প্রত্যেককেই অবশ্য মেয়রের উত্তর, পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। একাংশের মতে, এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ জরুরি। কিন্তু পুরসভার সেই ভূমিকা নেই।

    তবে, শুধু কলকাতা নয়। কলকাতার আশপাশের জেলাগুলোতেও ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সমস্ত বিভাগ জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে। নিয়মিত যোগাযোগ রেখে একযোগে ডেঙ্গি মোকাবিলা করা হচ্ছে। এক কর্তার কথায়, “একদিনে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নির্মূল করা যাবে না। তবে প্রশাসন তৎপর। যা প্রয়োজন, করা হচ্ছে। “

    যদিও প্রশাসনের মনোভাব দায় সাড়া বলেই মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। সরকারি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে অনেক বেশি জোর দেওয়া হয়, কতজন ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি হলো, সেই তথ্য যেন গোপন থাকে, সে দিকে।

    এক চিকিৎসকের কথায়, “কয়েক বছর আগে চিকিৎসক অরুণাচল দত্ত চৌধুরীর ঘটনা আমরা ভুলিনি। ডেঙ্গির আসল তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। তাই তাকে সরকারের কোপে পড়তে হয়েছিল। ডেঙ্গি নিয়ে হাসপাতাল প্রশাসন যতগুলো মিটিং করেন, তাতে বারবার তথ্য নিয়ে যেন মুখ না খোলা হয়, সে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়। কিন্তু একটা সংক্রামক রোগ বাড়লে, তা গোপন করা যায় না। গোপন করতে চাইলে বিপদ আরও বাড়বে। এটা কবে রাজ্য সরকার বুঝবে জানি না। “

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, আরজিকর, এনআরএস, বেলেঘাটা আইডি, বাঙ্গুর হাসপাতালে ডেঙ্গি রোগী ভর্তির জন্য শয্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বেশ সঙ্কটজনক। তাই শয্যা না বাড়লে রোগী মৃত্যু আশঙ্কাও বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    রাজ্যের ডেঙ্গি তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে শুধু চিকিৎসক মহল নয়, বিরক্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও। ডেঙ্গি আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য ঠিকমতো নিয়মিত স্বাস্থ্য মন্ত্রকে ও পাঠানো হচ্ছে না। ফলে, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে অসুবিধা হচ্ছে। যদিও রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, “কেন্দ্রের নিজস্ব মেকানিজম আছে। তারা তাদের মতো তথ্য সংগ্রহ করুন।”

LinkedIn
Share