Tag: kolkata municipal corporation

kolkata municipal corporation

  • Kolkata Municipal Corporation: কলকাতা পুরনিগমের বোর্ড বিলুপ্ত, প্রশাসক পদে নিযুক্ত হলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে

    Kolkata Municipal Corporation: কলকাতা পুরনিগমের বোর্ড বিলুপ্ত, প্রশাসক পদে নিযুক্ত হলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দননগর ও বিধাননগরের পর এবার কলকাতা পুরনিগমেও (Kolkata Municipal Corporation) প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার। পুর বিষয়ক দফতরের এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বর্তমান পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে (Smita Pandey) কলকাতার নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই এই পদে বহাল থাকবেন।

    পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম

    সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে বিভিন্ন পুরনিগম (Kolkata Municipal Corporation) ও পুরসভার কাউন্সিলররা পদত্যাগ করতে শুরু করেন, যার ফলে একের পর এক নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে যায়। সেই রাজনৈতিক ডামাডোলের আঁচ এসে পড়ে কলকাতা পুরনিগমেও। গত ৫ জুন কলকাতার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম। মেয়রের ইস্তফার পর বর্তমান বোর্ডের অস্তিত্ব ও বৈধতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দেয়।

    মেয়রের পদত্যাগের দিনই পুর দফতর থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের (Smita Pandey) কাছে জানতে চাওয়া হয়— কেন বর্তমান বোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না? এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য তাঁকে তিন দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন মেয়র নির্বাচনের জন্য কোনও আবেদন জমা না পড়লে বোর্ড বিলুপ্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।

    ১৯৮০-র ১১৭ ধারার উপধারা (১) প্রয়োগ

    সোমবার পুর কমিশনারের (Kolkata Municipal Commissioner) কাছে জানতে চাওয়া হয়, মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও চিঠি বা প্রস্তাব তাঁর কাছে এসেছে কি না। জবাবে স্মিতা পাণ্ডে জানান, কোনও পক্ষ থেকেই এমন কোনও আবেদন তিনি পাননি। পাশাপাশি, সরকারের নির্দেশ অনুসারে তিনি যথাসময়ে তাঁর উত্তর জমা দিয়েছেন। এর পরেই সোমবার সন্ধ্যায় পুর বিষয়ক দফতরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড বিলুপ্তির চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়।

    সরকারি চিঠিতে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরনিগম আইন, ১৯৮০-র ১১৭ ধারার উপধারা (১) প্রয়োগ করে এই নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেওয়া হলো। এর ফলে মেয়রের পাশাপাশি ‘মেয়র-ইন-কাউন্সিল’ এবং উক্ত আইনের অধীনে গঠিত পুরনিগমের সমস্ত কমিটি ও চেয়ারম্যান পদের অবলুপ্তি ঘটল। এখন থেকে পুর আইনের ১১৮ ধারার উপধারা (১)-এর দফা (খ) অনুযায়ী রাজ্য সরকার নিযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমেই পরিচালিত হবে পুরনিগমের সমস্ত কাজ।

    এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়াররাই তদারকি করবেন

    রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে এমআইসি (MIC)-রা পুরনিগমে আসছেন না। তবে এই পরিস্থিতিতে নাগরিক পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে। তিনি জানান, উচ্চপদস্থ এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত সমস্ত প্রশাসনিক কাজ তদারকি করেন এবং আগামীদিনেও তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন। এটি একটি সরকারি দফতরের নিয়ম মেনেই এখানে কাজ সচল রয়েছে।

    সামনে বর্ষাকাল হওয়ায় কলকাতা পুর-এলাকায় (Kolkata Municipal Corporation) জল জমার (ওয়াটার লগিং) দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ১০ জুন উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রশাসক। তিনি জানান, শহরের নিকাশি নালাগুলি পরিষ্কারের ওপর এখন থেকেই বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে এবং যেখানেই সমস্যার খবর মিলছে, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • TMC Councilor: তোলাবাজি-দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা পুরসভার আরও ২ কাউন্সিলর গ্রেফতার, সংখ্যা বেড়ে ৫

    TMC Councilor: তোলাবাজি-দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা পুরসভার আরও ২ কাউন্সিলর গ্রেফতার, সংখ্যা বেড়ে ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভায় (Kolkata Municipal Corporation) আর্থিক অনিয়ম ও বেআইনি কাজকর্মের অভিযোগে পুলিশি তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে। এবার তোলাবাজি ও হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে পুরসভার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councilor) মহেশকুমার শর্মাকে। একই ভাবে গ্রেফতার হয়েছেন ১১২ নম্বর ওয়ার্ডের আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, যার নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল। গত কয়েক দিনে এই নিয়ে শাসকদলের মোট ৫ কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়লেন।

    তৃণমূলের গ্রেফতার হওয়া কাউন্সিলর (TMC Councilor) বিশ্বজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগগুলি হল-

    • ● অভিযোগের সূত্রপাত: রিজেন্ট পার্ক এলাকার (Kolkata Municipal Corporation) এক আবাসন নির্মাতার (প্রোমোটার) কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।
    • ● শারীরিক হেনস্থা: অভিযোগকারী জানান, টাকা দিতে অস্বীকার করায় কাউন্সিলর এবং তাঁর অনুগামীরা মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
    • ● আইনি পদক্ষেপ: ভুক্তভোগী প্রোমোটার রিজেন্ট পার্ক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ তদন্তে নামে।

    পুলিশের তদন্ত ও গ্রেফতারি

    অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ (Kolkata Municipal Corporation) সক্রিয় হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে পাঠানো হয়। বয়ানে অসঙ্গতি থাকায় এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় পুলিশ তাকে সরকারিভাবে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় এলাকার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। কাউন্সিলর (TMC Councilor) মহেশকুমার শর্মার গ্রেফতারি ও অভিযোগের পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে।কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা তোলা, প্রোমোটারকে মারধর, হুমকি এবং বেআইনি কাজের অভিযোগে তাকে আটক করার পর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযোগের সূত্রপাত

    ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বড়বাজার থানায় মহেশকুমার শর্মার (TMC Councilor) বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    • নির্দিষ্ট ধারাসমূহ: তদন্ত প্রক্রিয়ার পর পোস্তা এলাকার বাসিন্দা মহেশকুমার শর্মার বিরুদ্ধে একাধিক জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
      • অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (ধারা-৬১/২)
      • সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দেওয়া বা বলপ্রয়োগ (ধারা-১৩২)
      • তোলাবাজি (ধারা-৩০৮) ও অপরাধের চেষ্টা (ধারা-৬২)
      • ভয় প্রদর্শন ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় (ধারা-৩০৮/৩ এবং ৩০৮/৬)
      • ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা (ধারা-৩৫২)

    সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতার হওয়া অন্যান্য কাউন্সিলর

    প্রশাসনের এই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত কয়েক দিনে আরও বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে (TMC Councilor) গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে হলেন-

    • ১. অরিজিৎ দাস ঠাকুর (১০৬ নম্বর ওয়ার্ড): স্থানীয় প্রোমোটার ও ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় ও ‘কাটমানি’ চাওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গড়ফা থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
    • ২. শচীন সিংহ (৩৬ নম্বর ওয়ার্ড): ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তাকে একই রাতে গ্রেফতার করে।
    • ৩. সুদীপ পোল্লে (১২৩ নম্বর ওয়ার্ড ও ১৬ নম্বর বরোর তৎকালীন চেয়ারম্যান): এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগে গত মে মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    প্রশাসনিক অবস্থান

    পর পর এই গ্রেফতারির ঘটনায় শহরের (Kolkata Municipal Corporation) রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন অমান্যকারী ও তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার আপস না করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • Abhishek Banerjee Properties: অভিষেকের ২৪, সোনা পাপ্পুর ২৪, জাভেদ খানের ছেলের ৯০টা সম্পত্তি! ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’ বললেন শুভেন্দু

    Abhishek Banerjee Properties: অভিষেকের ২৪, সোনা পাপ্পুর ২৪, জাভেদ খানের ছেলের ৯০টা সম্পত্তি! ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ফের তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সরকার গঠনের পর থেকেই দুর্নীতি ও সম্পত্তি কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির কথা বলে আসা বিজেপি সরকার এবার সরাসরি নিশানায় আনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক প্রভাবশালী নেতাকে। সম্প্রতি বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চারজনের বিপুল সম্পত্তির খতিয়ান সরকারের হাতে এসেছে এবং সেই সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    সক্রিয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে নির্দিষ্ট কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পত্তির নথি সংগ্রহের নির্দেশ দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই তিনি জনসমক্ষে একাধিক নাম ও সম্পত্তির সংখ্যা প্রকাশ করেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “বাংলাকে যারা লুট করেছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে যারা প্রাসাদ গড়েছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের মুখোমুখি করা হবে।”

    কার কত সম্পত্তি?

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ করা তালিকায় প্রথমেই উঠে আসে বেলেঘাটার তৃণমূল নেতা রাজু নস্করের নাম। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর নামে ১৮টি সম্পত্তি রয়েছে। দ্বিতীয় নাম কসবার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার, যার নামে ২৪টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে দাবি সরকারের। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী আক্রমণের কেন্দ্রে আনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর অভিযোগ, “ভাইপো”-অভিষেকের নামে ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত সংস্থা লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস্-এর নামে মিলিয়ে মোট ২৪টিরও বেশি সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়াও অভিষেকের বাবার নামেও একাধিক সম্পত্তির উল্লেখ করেন তিনি। তালিকার চতুর্থ নাম হিসেবে উঠে আসে কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের ছেলের নাম, যার নামে একাই ৯০টি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অভিষেকের ৪৩টি সম্পত্তির তালিকা বিজেপির হাতে!

    সূত্রের দাবি, ২৪ নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত মোট ৪৩টি সম্পত্তির তালিকা নাকি হাতে এসেছে বিজেপি সরকারের। যদিও সেই তালিকার সব সম্পত্তিই তাঁর একক মালিকানাধীন নয়। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তিনি যুগ্ম মালিক বা পারিবারিক অংশীদার হিসেবে রয়েছেন। তবুও এই বিপুল সম্পত্তির উৎস কী, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে হেম দে লেন, ধর্মতলা রোড, গিরিন্দ্র শেখর বোস রোড, পণ্ডিত মদন মোহন মালব্য সরণী, দেবেন্দ্র ঘোষ রোড, রাজকৃষ্ণ ঘোষাল রোড, বৈষ্ণবঘাটা বাই লেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রোড, পূর্বাচল রোড, বরাখোলা, ব্রহ্মপুর এবং কালিয়াপাড়া মুখার্জি রোডের একাধিক ঠিকানা। কয়েকটি সম্পত্তি ফ্ল্যাট, আবার কয়েকটি আবাসন ও বাণিজ্যিক ইউনিট হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে বলে দাবি।

    ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’

    এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কলকাতা পুরসভার ফাইল খোলা হচ্ছে। কীভাবে বাংলাকে লুট করা হয়েছে, মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না। আমরা ক্যাবিনেটে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছি। এই কমিটি প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই।” শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বোস এবং পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরও বড় রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযান চলবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

    ইডির জালে সোনা পাপ্পু, পুলিশের হাতে রাজু নস্কর…

    এরইমধ্যে, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি গ্রেফতার করেছে সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে। জমি দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, হাওয়ালা লেনদেন এবং তোলাবাজির অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বেলেঘাটার রাজু নস্করও ইতিমধ্যেই অপহরণ ও মারধরের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে তৃণমূলের একাধিক স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

    গ্রেফতারি এড়াতে হাইকোর্টে অভিষেক!

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে দায়ের হওয়া একটি মামলায় সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতে সোমবারই তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জাান গিয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ জবাব দেওয়া হয়নি, দলের অন্দরে এই ইস্যু ঘিরে চাপা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।

    “দুর্নীতিবিরোধী সরকার” হওয়ার লক্ষ্যে…

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর বিজেপি প্রশাসনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে উঠছে দুর্নীতি ও সম্পত্তি তদন্ত। একদিকে যেমন বিরোধী শিবিরে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে এই অভিযানকে সামনে রেখে নিজেদের “দুর্নীতিবিরোধী সরকার” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। আগামী দিনে এই তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং সত্যিই কোনও বড় আইনি পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

  • Malaria in Kolkata: সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত হাজারের বেশি! কলকাতা পুর-এলাকায় অব্যাহত ম্যালেরিয়ার দাপট

    Malaria in Kolkata: সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত হাজারের বেশি! কলকাতা পুর-এলাকায় অব্যাহত ম্যালেরিয়ার দাপট

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উৎসবের মরশুমে ফের বিপদ বাড়ছে। আগাম সতর্কতা জারির পরেও পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। সচেতন না হলে অবস্থা আরও জটিল হতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দুর্গাপুজো শেষ! কিন্তু আর মাত্র কয়েক দিন পরেই দীপাবলির উৎসবে মেতে উঠবেন বঙ্গবাসী। কিন্তু তার মধ্যেই ম্যালেরিয়ার দাপট নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য প্রশাসন। স্বাস্থ্য ভবনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় মাসে মারাত্মক হারে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। উৎসবের আমেজের তাল কাটতে পারে মশাবাহিত এই রোগ। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে তথ্য?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে শুধুমাত্র কলকাতা কর্পোরেশন এলাকাতেই নতুন ভাবে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অগাস্ট মাস পর্যন্ত কলকাতায় ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৫৬ জন। কিন্তু অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৮০ জন। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে মারাত্মক হারে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, বিগত বছরে কেন্দ্রের তরফে কলকাতার ৬৯টি ওয়ার্ডকে ম্যালেরিয়া প্রবণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই সমস্ত এলাকায় বাড়তি নজরদারির পরামর্শ ও দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে কলকাতার ১১টি ওয়ার্ডকে বিশেষ স্পর্শকাতর এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উত্তরে শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক থেকে দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর, টালিগঞ্জের বিস্তৃর্ণ এলাকায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। তবে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার পাশপাশি হুগলি, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও গত এক মাসে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তাই ম্যালেরিয়ার দাপট নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    উৎসবের মরশুমে কেন ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপ‌ট বৃদ্ধির পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো আবহাওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর এই দুই মাসে রাজ্যে প্রবল বৃষ্টি হয়। রাজ্যের অধিকাংশ জায়গা থাকে জলমগ্ন। আর এই আর্দ্র আবহাওয়া এবং জলমগ্ন পরিবেশ মশার বংশবিস্তারের আদর্শ। তাই বছরের এই সময়ে মশাবাহিত রোগের দাপট বাড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মশাবাহিত রোগ এই রাজ্যে নতুন স্বাস্থ্য সঙ্কট নয়। তাই বছরের এই সময়ে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপট রুখতে আগাম পরিকল্পনা জরুরি। স্বাস্থ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সাল থেকেই কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছিল, আগামী কয়েক বছরে দেশজুড়ে ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়তে পারে। ট্রপিক্যাল আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরেই এই সমস্যা হবে। তাই আগাম নানান পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো বিভিন্ন স্তরে একাধিক বৈঠক হয়। কিন্তু বাস্তবিক পরিস্থিতি আশানুরূপ হয়নি এমনটাই মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    পুজো কমিটি ও প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব এবং সর্বপরি সচেতনতার অভাবকেই ম্যালেরিয়ার দাপট বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাধিক জায়গায় দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল তৈরির জন্য জমা জল‌ পরিষ্কার হয়নি। এমনকি আশপাশের আবর্জনা ও সময় মতো পরিষ্কার করা হয়নি। পাশপাশি দুর্গাপুজোর উৎসব শেষের পরেও কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় বর্জ্য পদার্থ পড়ে রয়েছে। এর ফলে মশার দাপট বাড়ছে। তাই ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। যদিও কলকাতার অধিকাংশ পুজো কমিটি এবং পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, শহর পরিষ্কারের কাজ তৎপরতার সঙ্গে হয়েছে। ম্যালেরিয়া রুখতে সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। তাই ওয়ার্ড ভিত্তিক সচেতনতা কর্মসূচি চলছে।

    সুস্থ থাকতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ম্যালেরিয়ার বিপদ এড়াতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মশা কামড়ানোর ঝুঁকি কমাতে মশারি টাঙানোর রেওয়াজ ফিরিয়ে আনা জরুরি। এছাড়া আশপাশের এলাকা পরিষ্কার দিকে নজরদারি প্রয়োজন। জমা জল মশার বংশবিস্তারে সাহায্য করে। তাই বাড়িতে কিংবা আশপাশের এলাকায় জমা জল যাতে না থাকে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের পাশপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। জ্বরে তিন দিনের বেশি সময় ভুগলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্তপরীক্ষা জরুরি। তাতে রোগ সহজে ধরা পড়বে। সময় মতো‌ ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানো সহজ হবে।

  • BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ কলকাতা পুরসভার অন্দরে (BJP-TMC Clash)। অভিযোগ, বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে পুরসভার অধিবেশন চলাকালীন ধাক্কা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। এ নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় পুরসভার ভিতরে। তবে এই দিনের ঘটনা নতুন কিছু নয়, গত মাসেই পুরসভার অন্দরে এমন কাণ্ড দেখা গিয়েছিল। শ্যামপুকুর বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি (BJP-TMC Clash) নেতার বাড়ি জেসিপি নামিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে পুরসভার বিরুদ্ধে। সে নিয়ে পুরসভার অন্দরে সরব হতেই তৃণমূল কাউন্সিলাররা মারধর করে বিজেপি কাউন্সিলরদের। একমাসের ব্যবধানে পের একবার তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখা গেল কলকাতা পুরসভায়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখছে সাধারণ মানুষ। রাস্তার সন্ত্রাস এবার উঠে এসেছে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানেও।

    ঠিক কি ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, এদিন পুরসভার অধিবেশনে বিজেপির তরফে টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ দুর্নীতি প্রস্তাব উত্থাপন করতেই ঝাঁপিয়ে পড়েন তৃণমূল কাউন্সিলররা এবং মারধর শুরু করে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সজল ঘোষকে (BJP-TMC Clash)। শুধু তাই নয়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কাউন্সিলার অসীম বসুর বিরুদ্ধে। এরপরেই অধিবেশ বয়কট করেন বিজেপি কাউন্সিলাররা। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই মেয়র বলেন, ‘‘বিরোধীরা এখানে প্রশ্নই করেনা! আমাদের কাউন্সিলারদেরই প্রশ্ন করতে হয়।’’ মেয়রের সামনেই দেখা গেল বিরোধীরা প্রশ্ন করলে ঠিক কী পরিণতি হয়।

    বিক্ষোভ বিজেপির

    বিজেপি কাউন্সিলাররা এদিনের ঘটনা পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। পুরসভার অন্দরে তাঁদের যে কোনও নিরাপত্তা নেই একথাও বলেন  গেরুয়া শিবিরের কাউন্সিলাররা। মারামারির ঘটনা নিয়ে সজল ঘোষ এবং অসীম বসু দুজনের কাছেই জবাব তলব করেছেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন চেয়ারপার্সন, তবে ব্যবস্থা গ্রহণ যে কতটা পক্ষপাতহীন হবে তা নিয়ে সন্দিহান গেরুয়া শিবিরের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বমুখী! তথ্য বলছে, চিন্তার কারণ বাড়াচ্ছে দক্ষিণ কলকাতা। বছরভর একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেও কাজ বিশেষ হয়েছে কিনা, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডেঙ্গির দাপট বাড়তেই প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ইতিমধ্যেই ডেঙ্গির (Dengue) সমস্ত রেকর্ড পেরিয়ে গিয়েছে। আগের বছরগুলোর তুলনায় এ বছরে ডেঙ্গির প্রকোপ অনেক বেশি। তাই কলকাতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, এই শহরেই ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০ জন। যা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১০ জন। ২০২১ সালে ছিল ৫৬৭ জন। ২০২২ সালে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছিল ১১২৩ জন। চলতি বছর অবশ্য আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। 
    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। তাই ওই এলাকাগুলো নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে।

    কলকাতার কোন এলাকায় ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার দক্ষিণে সবচেয়ে শক্তিশালী ডেঙ্গি (Dengue)। তাই বেহালা, তিলজলা, মুকুন্দপুর, টালিগঞ্জ, বাঁশদ্রোণী, কসবা, তপসিয়া, নিউ আলিপুর, যাদবপুর এই জায়গাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে। কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ এই এলাকার বাসিন্দা। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে কলকাতার ১৬০০ ডেঙ্গি আক্রান্তের মধ্যে ১০৮৮ জন দক্ষিণ কলকাতার এই সব এলাকায় থাকেন।

    কেন দক্ষিণ কলকাতায় বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে যে ধারাবাহিক কাজ জরুরি, তার ঘাটতির জেরেই বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক নির্মীয়মাণ এলাকা রয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখানে জল জমছে। আর তাতেই মশা জন্ম নিচ্ছে। এর ফলে দাপট বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক বড় পুজো হয়। বাঁশ এবং অন্যান্য সামগ্রী পড়ে থাকছে। সেখানেও জল জমছে। আর মশার আঁতুরঘর তৈরি হচ্ছে। বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। তবে, সবচেয়ে জোরালো সমস্যা নিকাশি ব্যবস্থা। কসবা, বালিগঞ্জ কিংবা বেহালা-দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেও জল জমে থাকে। নর্দমা পরিষ্কার হয় না। ফলে, মশার উপদ্রব বাড়ছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ।

    কী বলছে কলকাতা পুরসভা? 

    ডেঙ্গির প্রকোপ বেড়ে চলায় সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়ছে কলকাতা পুরসভা। কারণ, বছরভর কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। পাশাপশি ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পুর প্রশাসনের! ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ায়, তাই প্রশ্ন উঠছে, কলকাতা পুরসভা কি তার দায়িত্ব পালন করতে পারছে না? পুরসভা অবশ্য জানাচ্ছে, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। জল জমলে যেখানে নিকাশির কাজ করা হচ্ছে। তাছাড়া কেউ আক্রান্ত (Dengue) হলে সেখানে প্রয়োজনীয় নজরদারি করা হচ্ছে। তবে, সাধারণ মানুষের সচেতনতা আরও জরুরি বলেও মনে করছে পুরসভা। তারা জানাচ্ছে, সে বিষয়ে আরও জোরালো কর্মসূচি চালানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: কাউন্সিলরের সামনে বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল! বিরক্ত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: কাউন্সিলরের সামনে বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল! বিরক্ত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা পুরসভায় (Kolkata Municipal Corporation) রেজিস্টারের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অর্থাৎ পুরসভার প্রতিনিধি বা কাউন্সিলররা কাদের চিঠি পাঠাচ্ছেন বা কার কাছ থেকে তাঁদের কাছে চিঠি আসছে, অফিসে এই সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে একটি খাতায় তা উল্লেখ রাখতে হবে। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। একবালপুরে একটি বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন তিনি। 

    কী বললেন বিচারপতি

    বুধবার ওই মামলার শুনানির সময় স্থানীয় কাউন্সিলর সোমা দাসের উপর বেজায় অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য, “২ বছর হল, কাউন্সিলর হয়েছেন। আপনার চোখের সামনে একটি বেআইনি নির্মাণ হয়ে গেল, অথচ আপনি জানতেই পারলেন না।” কাউন্সিলরের কাছে কোনও রেজিস্টার নেই জানতে পেরে অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি। তিনি বলেন, “এটা কী ধরনের অফিস? যেখানে একটা রেজিস্টার মেইনটেইন হয় না?” কাউন্সিলরের অফিস নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন তিনি। আদালতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) পর্যবেক্ষণ, “একটা আড্ডাখানা তো আছে! যেখানে সবাই মিলে বসে আড্ডা দেন।” 

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

    কেমন হবে রেজিস্টার

    প্রত্যেক কাউন্সিলর অফিসে ঠিকঠাক রেজিস্টার মেইনটেন করেন কি না, তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। এমন একটি রেজিস্টার যেখানে কাউন্সিলর কাকে চিঠি পাঠাচ্ছেন, বা কার কাছ থেকে চিঠি আসছে অফিসে, সেসব বিষয়ে উল্লেখ থাকবে। এর পাশাপাশি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এদিন কলকাতা পুরসভাকে (Kolkata Municipal Corporation) নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে বিষয়টি তলিয়ে দেখা হয়। যাতে কাউন্সিলরদের রেজিস্টার মেইনটেন করা বাধ্যতামূলক করা হয়, সেই দিকেও পদক্ষেপ করার জন্য পুরনিগমকে বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে এর আগেও বার বার কড়া মন্তব্য করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম রাজ্যের ‘হেভিওয়েট’ মন্ত্রীকে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (municipality recruitment scam) এবার রাজ্যের এক মন্ত্রীকে তলব করল সিবিআই। ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে তলবের চিঠি স্পিড পোস্ট করে দেওয়া হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর,আগামী ৩১ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। 

    কেন মন্ত্রীকে তলব

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আস্তে আস্তে জাল গোটাচ্ছেন তদন্তকারীরা। হাইকোর্টের আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ার পরই আরও তৎপর সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস থেকে বুধবারই স্পিড পোস্টে নোটিস পাঠানো হল রাজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে। যাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তিনি একজন হেভিওয়েট মন্ত্রী। তিনি দুর্নীতির সময় পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের কীভাবে পরিচয়, দুর্নীতি কাণ্ডে তাঁর ভূমিকাই বা কী ছিল, কীভাবে এবং কবে এই দুর্নীতির শুরু, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, অয়ন শীল গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথম পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। এই মামলায় সিবিআই-কে তদন্ত করার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে হাইকোর্টে এই মামলার বেঞ্চ বদল হয়। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখে। এরপর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। কিন্তু সেখানেও কার্যত ধাক্কা খায় রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চালিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এ এস ভি রাজু সওয়াল করেছিলেন, দুটি মামলা অর্থাৎ স্কুল ও পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির ক্ষেত্রে এক সাধারণ অভিযুক্ত রয়েছেন। এই সওয়ালকে মান্যতা দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পরই প্রথম রাজ্যের কোনও মন্ত্রীকে তলব করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মোকাবিলায় (Dengue Scare) কলকাতা পুরসভার তরফে জারি করা হল অ্যাডভাইসারি (Advisory)। শহরের সরকারি ও বেসরকারি সব স্কুলগুলিকে অ্যাডভাইসরি নোটিস পাঠানো হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। মশার কামড় (Mosquito Bite) থেকে বাঁচতে পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় বৈঠক

    স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। মঙ্গলবার, ডেঙ্গি পর্যালোচনায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে কলকাতা পুরসভার বৈঠক হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম-সহ একাধিক অধিকর্তারা ছিলেন। ছিলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। পুর কমিশনার বিনোদ কুমার, কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক-সহ কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্তারা। কলকাতা পুরসভার বরো চেয়ারম্যানও ছিলেন বৈঠকে। ছিলেন কলকাতা পুরসভার পতঙ্গ বিশেষজ্ঞ দেবাশিস বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: করোনায় ফের একের পর এক শিশুমৃত্যু! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    স্কুলগুলিকে কী কী নির্দেশ

    স্কুল ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে এডিস এজিপ্টাই প্রজাতি মশার লার্ভা না জন্মাতে পারে। প্রয়োজনে কলকাতা পুরসভার সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারে স্কুল কর্তৃপক্ষ।  স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের যতটা সম্ভব শরীর ঢেকে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট পড়া বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ। যাতে  এডিস এজিপ্টাই মশা ছাত্র ছাত্রীদের শরীরের কোনও অংশে কামড়াতে না পাড়ে। স্কুলে কোনও ছাত্র ছাত্রীর জ্বর হলে পুরসভার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট কলকাতা পুরসভার কাছে পাঠাতে হবে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে। রক্তের নমুনা ডেঙ্গি পজেটিভ হলে তা কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে জানাতে হবে। যদি বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা করা হয়, নমুনা রিপোর্ট মেইল করে কলকাতা পৌরসভার প্রধান কার্যালয়ে জানানো যেতে পারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে গোটা রাজ্য। কোভিডের পর এবার নয়া আতঙ্কের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। জানা গিয়েছে, বাংলায় একাধিক শিশু এই ভাইরাসের বলি হয়েছে। শহর থেকে জেলা, হাসপাতালগুলিতে ভিড় বাড়ছে শিশুদের। এই পরিস্থিতিতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। চিকিৎসক থেকে নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, কাকে কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    পুরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আলাদা আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সকলকেই। মেডিক্যাল অফিসার থেকে শুরু করে ‘আশা’ কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব। এমনকী স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পক্ষ থেকেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে।

    মেডিক্যাল অফিসারদের জন্য কী কী নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে?

    শিশুদের অভিভাবকের কথা শুনে পরীক্ষা করতে হবে। বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব নাকি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, তা জানাতে হবে। শিশুর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বাড়িতে রাখলে অভিভাবকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, কী দেখে তাঁরা সতর্ক হবেন।

    নার্সদের কী করতে হবে?

    কোনও শিশু জ্বর, কাশি নিয়ে পুরসভার স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রে এলেই অভিভাবককে জিজ্ঞেস করতে হবে, কতদিন ধরে জ্বর আসছে। অপ্রয়োজনে গুচ্ছ গুচ্ছ অ‌্যান্টিবায়োটিক নয়। জানতে হবে, জ্বর কেমন থাকছে, খেতে অনীহা দেখা যাচ্ছে কি না, প্রস্রাবে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। বিপদ বুঝলেই দেরি না করে মেডিক্যাল অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

    অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যকর্মী এবং ‘আশা’ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানবেন শিশুদের অসুস্থতা প্রসঙ্গে। কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ‌্যবিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ৭০০ আশাকর্মী রয়েছেন কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। এছাড়াও রয়েছেন ১০০ দিনের স্বাস্থ‌্যকর্মীরা। আজ থেকে এদের প্রত্যেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শিশুদের স্বাস্থ‌্য পরীক্ষা করবেন।

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশিকা

    ফার্মাসিস্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া যেন কোনও রকম ওষুধ কাউকে না দেওয়া হয়। মেডিক্যাল অফিসারদের দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। কোন ওষুধ কখন খেতে হবে, তা অভিভাবকদের ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। শিশুরা অসুস্থ হলে কোনো ভাবেই ফেলে রাখা রাখা যাবে না বাড়িতে, এমনই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষের তরফে।

    আমজনতার জন্যেও পুরসভার নির্দেশিকা

    অন্যদিকে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যেও বলা হয়েছে, ইন্টারনেট দেখে কোনও রকমের চিকিৎসা করা যাবে না। তাই কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকা, “শিশুর তুমুল জ্বর, কাশিতে নিজেরা ইচ্ছেমত চিকিৎসা করবেন না। পরামর্শ নিন রেজিস্টার্ড মেডিক‌্যাল প্র্যাকটিশনারের।”

LinkedIn
Share