Tag: Kolkata Police Commissioner

Kolkata Police Commissioner

  • Kolkata Police Commissioner: বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে করা হল এডিজি, মমতা কি ঘুরিয়ে পুরস্কারই দিলেন?

    Kolkata Police Commissioner: বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে করা হল এডিজি, মমতা কি ঘুরিয়ে পুরস্কারই দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলেনর চাপে সোমবার রাতে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সরানোর ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, আজ, মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ রদবদল করা হবে। সেই মোতাবেক, এদিন বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনারের নাম ঘোষণা করল নবান্ন। কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার (Kolkata Police Commissioner) হলেন মনোজ কুমার ভার্মা (Manoj Kumar Verma)। তিনি এতদিন এডিজি আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন। বিনীতকে সরিয়ে এডিজি স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরানো হল ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও। তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ইএফআর-এর সেকেন্ড ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার পদে। এদিকে পুলিশ কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে বলে যে দাবি উঠেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে মমতার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফের বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, এক জায়গা থেকে সরিয়ে তাঁকে ফের নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। অনেকেই বলছেন, এটা কী ধরনের শাস্তি হল! মমতা কি তাঁকে এভাবে ঘুরিয়ে পুরস্কৃত করলেন? 

    কোথায় কোথায় রদবদল

    ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা (Manoj Kumar Verma)। এর আগে তিনি রাজ্য পুলিশে এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) ছিলেন। এবার শুরু হতে চলেছে তাঁর নতুন ইনিংস। কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার (Kolkata Police Commissioner) হচ্ছেন তিনি। কিছুক্ষণ আগেই এই বিষয়ে বিজ্ঞাপিত জারি করা হয় নবান্ন থেকে। রাজ্য পুলিশের যে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো রয়েছে তার নতুন এডিজি হচ্ছেন জ্ঞানবন্ত সিং। জাভেদ শামিম যিনি এতদিন পর্যন্ত এডিজি আইবি ছিলেন, তিনি এবার রাজ্য পুলিশের নতুন এডিজি আইন-শৃঙ্খলা হচ্ছেন। কলকাতার নতুন ডিসি নর্থ হলেন দীপক সরকার। এতদিন এই দায়িত্বে ছিলেন অভিষেক গুপ্তা। তাঁকে পাঠানো হল সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নে। নতুন ডিসি নর্থ দীপক সরকার বাম আমলে এসডিপিও খড়্গপুর হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন। মাওবাদী দমন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। অ্যাডিশনাল এসপি হিসাবে বীরভূম, নদিয়ায় কাজ করেছেন। তিনি পদোন্নতিতে আইপিএস হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: অভিযুক্তই সিভিক! তাও নিরাপত্তার দায়িত্বে ঠিকাকর্মী? রাজ্যকে তোপ শীর্ষ আদালতের

    মনোজ ভার্মার পরিচয়

    বিভিন্ন সময়ে সংকট মোকাবিলার কাজে পুলিশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মনোজ কুমার ভার্মা (Manoj Kumar Verma)। ১৯৯৮ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার (Kolkata Police Commissioner) ছিলেন। জঙ্গলমহলে, দার্জিলিঙেও কাজ করেছেন। সেখানে সরকারের সাফল্য এসেছে। কলকাতা পুলিশে তিনি ডিসি ডিডি (স্পেশাল), ডিসি (ট্র্যাফিক) পদেও ছিলেন। আলোচনায় অন্য কয়েক জন আইপিএস অফিসারের নাম থাকলেও শেষ অবধি মনোজেই সিলমোহর দিয়েছে নবান্ন। ১৯৬৮ সালে মনোজের জন্ম। সেপ্টেম্বরই তাঁর জন্মমাস। ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মদিন। রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরে মনোজের জন্ম। ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করা মনোজ ২০১৯ পর্যন্ত দার্জিলিঙের আইজি পদে ছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    CV Ananda Bose: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশের তিন প্রথম সারির আধিকারিকের বিরুদ্ধে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ করার সুপারিশ জানালেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) এ নিয়ে চিঠি লিখেছেন সিভি আনন্দ বোস। নর্থ ব্লক সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় রয়েছেন রাজ্যপালের নিশানায়।

    কবে লিখলেন চিঠি (CV Ananda Bose)

    গত ৬ জুন এবং ২০ জুন শাহকে (Amit Shah) লেখা দু’টি চিঠিতে, রাজ্যপাল  (CV Ananda Bose) অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (এআইএস)-এর অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে অভিযুক্ত করেছেন। সূত্রের খবর, এর আগে বিনীত গোয়েল এবং ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং (ডিওপিটি)-কে চিঠি লিখেছিলেন বোস। 

    কী লিখলেন চিঠিতে (CV Ananda Bose)

    ৬ জুন শাহকে (Amit Shah) পাঠানো চিঠিতে গোপালিক, বিনীত, ইন্দিরার নাম করে বোস (CV Ananda Bose) লিখেছেন, ‘‘এই অফিসারেরা নির্লজ্জ ভাবে সংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং বিশেষ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। যদি ওই কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তা হলে ভুল বার্তা যাবে। যার ফলে পরিষেবার আরও অবনতি হতে পারে এবং এর ফলে জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।’’ ওই চিঠিতে গোপালিকের বিরুদ্ধে আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ‘দুর্নীতিতে সহায়তা করা এবং উৎসাহ দেওয়ার’ অভিযোগ এনেছেন বোস। এ প্রসঙ্গে চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি, উপাচার্য নিয়োগে অনিয়ম এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়েছেন শাহকে। ২০ জুনের চিঠিতে বিনীত এবং গোপালিকের নাম করে বোস তাঁর বিরুদ্ধে রাজভবনকাণ্ডে তদন্তের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তাঁকে রাজ্য থেকে সরানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: বাঁচতে হলে দূরে থাকুন! মৃত্যু-ঝুঁকি বাড়াতে পারে আলট্রাপ্রসেসড ফুড, বলছে গবেষণা

    কেন এই চিঠি (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত, সম্প্রতি রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে রাজভবনের এক মহিলা কর্মী শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন। কিন্তু সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের না করা হলেও মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়েছিল  কলকাতা পুলিশ। ওই ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস’ (এআইএস)-এর অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনে’র অভিযোগ এনেছেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে মুখ্যসচিব গোপালিকের বিরুদ্ধে আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন এবং ‘দুর্নীতিতে সহায়তা করা এবং উৎসাহ দেওয়ার’ অভিযোগ এনেছেন বোস। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘আদালতের নির্দেশ কি খেলনা?’ কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘আদালতের নির্দেশ কি খেলনা?’ কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ না মানায় কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।  একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশকে কিছু সিসিটিভি ফুটেজ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আাদালত। নির্দেশে মান্যতা না দেওয়ার জন্যেই ভর্ৎসনা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    এদিন সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের অর্ডার কি খেলার জিনিস? পুলিশ কি মনে করছে? হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অর্ডার না মানলেও চলবে? কিন্তু পুলিশ যদি ভাবে কোর্ট অর্ডার না মানলেও চলবে, তাহলে ভুল করছে। কেন আদালত অবমাননার জন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেব না? পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি এও বলেন, “ভুলে যাবেন না, হাইকোর্টের ক্ষমতা।” এরপরই মামলার পরবর্তী শুনানিতে এজলাসে হাজির হয়ে পুলিশ কমিশনারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    আরও পড়ুন: ফের বিজেপিতে অর্জুন, ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু

    আদালতের নির্দেশ

    মোবাইল টাওয়ার লোকেশন সংক্রান্ত একটি মামলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  দ্বারস্থ হয়েছিলেন মামলাকারী পঙ্কজ কুমার দুগার। ওই মামলায় আলিপুর পুলিশ কোর্ট থেকে হাজারা ক্রসিং  এবং কালীঘাট ফায়ার স্টেশন পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ কমিশনারকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই নির্দেশের পরেও কাজ হয়নি। উল্টে  পুলিশ কমিশনারের হয়ে কালীঘাট থানার ওসি রিপোর্ট দেয় আদালতকে। ২২ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন সিপিকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক মামলায় কলকাতা পুলিশ বা রাজ্য পুলিশকে আদালতের রোষের মুখে পড়তে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মামলা থেকে শুরু করে অন্য কোনও অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। 

    আরও পড়ুন: দাড়িভিটকাণ্ডে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের বিরুদ্ধে রুল ইস্যু হাইকোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share