Tag: kolkata police

kolkata police

  • Kolkata Police: লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বারের জাল লাইসেন্স দিয়েছিলেন ধৃত কলকাতা পুলিশের এসিপি!

    Kolkata Police: লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বারের জাল লাইসেন্স দিয়েছিলেন ধৃত কলকাতা পুলিশের এসিপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার হওয়ায় ধৃত সোমনাথ ভট্টাচার্যের কথা অনেকেই বিশ্বাস করতেন। নিজের পদকে ব্যবহার করেই বারের লাইসেন্স বা চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় বসু নামে উত্তরপাড়ার বাসিন্দা বারের লাইসেন্সের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। অন্য একজনের কাছে ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। সঞ্জয়বাবুকে বারের লাইসেন্সও পাইয়ে দিয়েছিলেন সোমনাথবাবু। আবগারি দফতরের স্ট্যাম্পসহ সব কিছুই ওই লাইসেন্সে ছিল। সঞ্জয়বাবু দোকান খোলার জন্য উদ্যোগও নিয়েছিলেন। পরে, আবগারি দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেই জানতে পারে, সমস্ত কাগজপত্র জাল। এরপরই তিনি বরাহনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য একজনও প্রতারিত হয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, পুরসভার বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে বহু লোকজনের কাছে তিনি চার-পাঁচ লক্ষ টাকা করে তুলেছেন। সব মিলিয়ে তিনি প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি তুলেছিলেন বলেই পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে, জাল নথি তিনি কী করে তৈরি করলেন তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা করছে।

    পুলিশ অফিসারের (kolkata Policeলক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ারও নিয়ম ছিল, কী সেটা জানেন?

    পুলিশের চোখে ধূলো দিতেই কারও কাছ থেকে চেক বা অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা নিতেন না। সমস্ত টাকা নগদে নিতেন কলকাতার (Kolkata Police) এসিপি সোমনাথ ভট্টাচার্য। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দারা এই তথ্য জানতে পেরেছেন। মূলত বরাহনগরে বনহুগলির বাড়িতে বসেই সে এই কারবার চালাত। অফিসে কারও সামনে এসব বিষয়ে কথা পর্যন্ত বলত না। বাড়িতে বসেই এই সব বিষয়ে কথাবার্তা এবং লেনদেনও হত সেখানে। ইতিমধ্যেই তার বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা এবং বেশ কিছু কাগজপত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। তবে, বাকি টাকার খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। আর ওই পুলিশ অফিসারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একসঙ্গে নগদ এত টাকা নিয়ে তিনি কোথায় রাখতেন তা পুলিশ আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি এক শিক্ষক ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় এবং তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় ওই কেলেঙ্কারি ফের অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। কিন্তু এবার দেখা গেল, সরষের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে ভূত। এবার একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এক পদস্থ কর্তাকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুই ব্যক্তিকে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বড় অঙ্কের টাকা তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারিত এক ব্যক্তি বরাহনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে ওই অভিযোগের তদন্তভার হাতে নেয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। গ্রেফতার করা হয় সোমনাথ ভট্টাচার্য নামে ওই আধিকারিককে, যিনি কলকাতা পুলিশের অষ্টম ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে কর্মরত ছিলেন।

    কী অভিযোগ ওই অফিসারের বিরুদ্ধে ?

    অভিযোগ অনুযায়ী, বরাহনগরের বাসিন্দা এক ব্যক্তির কাছ থেকে ওই পুলিশ অফিসার (Kolkata Police) দু-দফায় ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। পানশালার লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বোনের চাকরি করে দেবেন, এমন আশ্বাসও তিনি দিয়েছিলেন। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে যা হয়, সেটাই ঘটেছে। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পরও পানশালার লাইসেন্স মেলেনি, বোনের চাকরিও হয়নি। উত্তরপাড়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তিও একই অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, তাঁর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৩০ লক্ষ টাকা। এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ কমিশনারেট পুলিশকর্তাকে গ্রেফতার করে। আদালতে এই অফিসারের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ হয়েছে।

    আরও কার কার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন, শুরু তদন্ত

    পুলিশ এখন ওই অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইছে, কার কার কাছ থেকে তিনি কত টাকা নিয়েছিলেন। এই ধরনের দুর্নীতির জাল আরও কতদূর বিস্তৃত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অফিসারকে গ্রেফতার করার আগে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সরকারের বিভিন্ন গ্রুপ ডি এবং অস্থায়ী পদে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা তুলতেন। পাশাপাশি মদের দোকানের লাইসেন্স পেতে অনেকেই তাঁকে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এত বড় পদে থেকে কিভাবে তিনি এই ধরনের কাজ করলেন, তা দেখে অনেকেই অবাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রাজপথ সরগরম। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসছে বিজেপি। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দু’দিনের ধর্নায় বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন তো চলছেই। আর সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে আজই তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের সমাবেশ। যেখানে প্রধান বক্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পথে নামছে বাম-কংগ্রেসও। সপ্তাহের মধ্যে কর্মব্যস্ত দিনে শহরের রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

    বিজেপির ধর্না

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নার দিনই রাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে অবস্থানে বসছে বঙ্গ বিজেপি।  শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের গেটের কাছে ৪০ ফুটের ধর্না মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ধর্নায় বসছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষও। বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। শ্যামবাজারে দলীয় ধর্না মঞ্চে হাজির থাকার কথা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। থাকতে বলা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের দলীয় বিধায়কদেরও। 

    বিজেপির প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এখনও কেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে প্রাপ্ত অর্থের হিসেব দিচ্ছে না দিল্লিকে? কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে কাটমানি৷ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আবাস যোজনা৷ এইধরনের নানান ইস্যুকে হাতিয়ার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এদিন সুর সপ্তমে তুলতে চাইছেন শুভেন্দু- সুকান্ত- দিলীপরা। শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের সামনে কর্মসূচি হবে বিজেপির। গাড়ি বন্ধ হবে না। তবে দুপুরের দিকে রাস্তার একাংশ বন্ধ করে যানযট নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মোতায়েন থাকবে প্রচুর পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    তৃণমূলের অবস্থান

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুধবারই ধর্না দেবেন আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে। সেখানে নিরাপত্তায় উপস্থিত থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাড়ি যাবে সভাস্থলের দিকে। ধর্মতলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের শহিদ মিনারের সভার জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন অফিসার, ২ জন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, ৪ জন ডিসি। এছাড়াও ৫০০-র বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকছে। পুলিশ সভাস্থলে ৩০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবে। এছাড়া আরও বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে আয়োজকদের তরফে। অন্যদিকে, ডিএ-র ধর্নামঞ্চে থাকছেন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার একজন। এছাড়াও বেশ কিছু পুলিশ মোতায়েন থাকবে শহিদ মিনারে।

    বাম-কংগ্রেসের মিছিল

    একই দিনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ পথে নামছে বাম-কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে রামলীলা ময়দান থেকে মিছিল শুরু করে মৌলালীর দিকে এগিয়ে যাবে। মল্লিক বাজার হয়ে পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট পার করে লেডি ব্র্যাবর্ন কলেজের সামনে শেষ হবে মিছিল। ফলে ওই সময় মৌলালি, এন্টালি, শিয়ালদহ, এপিসি রোড, পার্ক সার্কাস এলাকায় প্রবল যানজট হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে জোর ধাক্কা কলকাতা পুলিশের, কৌস্তভের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে জোর ধাক্কা কলকাতা পুলিশের, কৌস্তভের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীর বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর তদন্তে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালত জানাল, ‘কোর্টের অনুমতি ছাড়া কৌস্তভের বিরুদ্ধে কোনও থানা পদক্ষেপ করতে পারবে না।’ কৌস্তভের দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে বুধবার ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এছাড়াও মাঝরাতে কংগ্রেস নেতার বাড়ি গিয়ে গ্রেফতার করার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে আদালতে রিপোর্ট পেশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা।

    হাইকোর্টে জোর ধাক্কা কলকাতা পুলিশের

    গত ৪ মার্চ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের বড়তলা থানা। গভীর রাতে কৌস্তভের বাড়ি গিয়ে তাঁকে জেরা করে গ্রেফতার করেন পুলিশ আধিকারিকরা। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়। কিন্তু সেদিনই বিকেলে আদালত থেকে মাত্র ১০০০ টাকার বন্ডে জামিন পান কৌস্তভ। এরপরেই পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন কৌস্তভ। সেই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন আইনজীবী। তবে অন্যদিকে চাপ বাড়ল রাজ্য পুলিশের। কারণ তদন্তর উপর স্থগিতাদেশ তো দিয়েছেই, এর পাশাপাশি পুলিশ কমিশনারকে পুলিশের অভিযান নিয়েও রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

    আরও পড়ুন: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    বিচারপতি মান্থা কী বলেছেন?

    এদিন মামলার শুনানিতে বুধবার বিচারপতি মান্থা বলেন, “কোনও নোটিশ না পাঠিয়ে নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছে পুলিশ। কীসের ভিত্তিতে মাঝরাতে কৌস্তভের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ? সারা রাত তাঁর বাড়িতে থেকে পরদিন সকালে কীসের ভিত্তিতে গ্রেফতার? পুলিশের এই ভূমিকা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরোধী। এক্ষেত্রে বড়তলা থানার ভূমিকা খতিয়ে দেখে ৩ সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিপিকে। আগামী ৪ সপ্তাহ কৌস্তভের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর-এর তদন্তপ্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে।”

    এছাড়াও আদালত (Calcutta High Court) প্রাথমিক ভাবে মনে করছে, কৌস্তভ বাগচীকে হুমকি দেওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ফলে আদালতের নির্দেশ, আগামী সোমবার সিআরপিএফ-কে জানাতে হবে, তারা নিরাপত্তা দিতে পারবে কি না। আপাতত ব্যারাকপুর পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অন্তত পাঁচজন পুলিশের নিরাপত্তা দেওয়া হয় কৌস্তভের বাড়িতে। সশস্ত্র কনস্টেবলও দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Gariahat: বালিগঞ্জের পর গড়িয়াহাট! গাড়ি থেকে উদ্ধার ‘টাকার পাহাড়’, গ্রেফতার ২

    Gariahat: বালিগঞ্জের পর গড়িয়াহাট! গাড়ি থেকে উদ্ধার ‘টাকার পাহাড়’, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কোটি কোটি টাকা উদ্ধার মহানগরীতে! এবার, বালিগঞ্জের পর গড়িয়াহাট! আজ, বৃহস্পতিবার গড়িয়াহাট মোড় থেকে নগদ এক কোটি টাকা উদ্ধার করল পুলিশ। জানা যায়, গাড়িতে করে টাকা নিয়ে যাচ্ছিল ২ ব্যক্তি। এক কোটি টাকা-সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের গড়িয়াহাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর। এই টাকাও কয়লা পাচারের টাকা কিনা তা নিয়ে তদন্তে ইডি।

    এসটিএফ-এর গোপন সূত্রে টাকা উদ্ধার

    জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা এবং এসটিএফ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যৌথ ভাবে অভিযান চালায়। আর সেই অভিযানে গড়িয়াহাটের কাছাকাছি এলাকা থেকে একটি সন্দেহভাজন গাড়ি আটক করেন পুলিশ আধিকারিকরা। আর এরপরেই গাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হয়। আর তখনই গাড়ির পিছন থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার হয়। সেই ব্যাগে দেখা যায় বান্ডিল বান্ডিল টাকা। মোট নগদ ১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এরপরেই গাড়ি থেকে দু’জন সন্দেজভাজনকে আটক করে পুলিশ। গড়িয়াহাট থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানেই টাকা গোনার কাজ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এক কোটি টাকা গোনা হয়েছে বলে খবর। তবে পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেই জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি টাকা ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    ধৃতদের জেরা করছে পুলিশ

    গাড়ি চালক দুলাল মণ্ডল এবং মুকেশ সারস্বত নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। দুলাল বেলিগাছিয়া এলাকার বাসিন্দা। মুকেশের বাড়ি রাজস্থানে। বিপুল পরিমাণ এই টাকা কোথায় এবং কেন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা নিয়ে জেরা করা হচ্ছে বলেই খবর। তবে জেরায় পুলিশ সন্তোষজনক কোনও উত্তর পায়নি বলেই জানা যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে নেমে গতকালই বালিগঞ্জে এক বেসরকারি দফতরে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু ডিজিটাল তথ্যও। ইডি জানতে পারে, এই বেসরকারি সংস্থাটির মাধ্যমে কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হত। এ ভাবে কালো টাকা সাদা করা হত বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। ফলে গতকালের ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই শহরে ফের টাকার হদিশে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। এখন প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বালিগঞ্জের টাকার সঙ্গে গড়িয়াহাটের যোগসূত্র রয়েছে? গড়িয়াহাটের টাকাও কি কয়লা পাচারের টাকা? এরই তদন্তে ইডি।

  • Sukanta Majumdar:  রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব সুকান্ত! জানেন কী বললেন তিনি?

    Sukanta Majumdar: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব সুকান্ত! জানেন কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া নিয়ে সওয়াল করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট একাধিকবার রাজ্য সরকারের গালে থাপ্পড় মারলেও সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিচ্ছে না রাজ্য।”

    সুকান্তর দাবি

    সোমবার গঙ্গা আরতি মামলায় জামিন পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP Sukanta Majumdar)। সেই মামলায় আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে এই মত ব্যক্ত করেন তিনি। গত ১০ জানুয়ারি বাবুঘাটে বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় গ্রেফতার হন সুকান্ত মজুমদার-সহ ৮১ জন বিজেপি নেতা কর্মী। ঘটনার দিন থানা থেকে জামিন নিয়েছিলেন তাঁরা। তবে জামিনের শর্ত ছিল, বিচার ভবন থেকে নিয়ম মেনে জামিনের আবেদন করে জামিন নিশ্চিত করতে হবে। সেইমতো এদিন ৪৪ জন জামিন পেলেন। এদিন জামিন নিয়ে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের কী অবস্থা দেখুন। গঙ্গা আরতি করতে গেলেও তার জন্য মামলা হচ্ছে। আমি গঙ্গা আরতি করেছি বলে আমার নামে মামলা করা হয়েছে। তার জামিন আজ হল। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন কর্মীরও জামিন হল। এখনও ২৩ জনের জামিন হয়নি। আগামিদিনে হবে। আমরা দেখেছি ঔরঙ্গজেবও এক সময় এরকম করত। তবে আমরা লড়াই করতে জানি।”

    আরও পড়ুন: সরকারি বাসভবনে থেকেও পুলিশকর্তাদের একাংশ বাড়িভাড়া ভাতা পান কীভাবে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    আদালত সূত্রে খবর, গঙ্গা আরতির সময় সুকান্ত মজুমদার-সহ ৮১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাতে সকলেই গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে জামিন পান। এদিন ৪৪ জন আত্মসমর্পণ করে, ‘রেগুলার বেল’ পেলেন। নিয়ম অনুযায়ী থানা থেকে ‘পিএস বেল’ পেলে ‘রেগুলার বেল’-এর জন্য আবেদন করতে হয়। সেখানে জামিন নিশ্চিত হয়। এদিন ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান সুকান্তরা। এদিন তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “বিজেপি গত নির্বাচনে ক্ষতায় আসার পর বলা হয়েছিল মুসলিমদের স্বার্থে আঘাত আসবে। তাদের মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হবে না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মুসলিমদের অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে, এগুলি অপপ্রচার। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI: দুর্নীতির অভিযোগ! কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    CBI: দুর্নীতির অভিযোগ! কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে অমিত আগরওয়াল নামক এক ব্যবসায়ী এবং কলকাতা পুলিশের কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল সিবিআই (CBI)। অভিযোগ, নগদ টাকার বিনিময়ে মিথ্যে মামলা দায়ের করেছেন অভিযুক্তরা। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক বলেন, “বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় এজেন্সি কলকাতা এবং ঝাড়খণ্ডের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। কলকাতার একজন ব্যবসায়ী, কলকাতা পুলিশের অজ্ঞাত পরিচয় আধিকারিক এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    কী জানা গেল? 

    সিবিআইয়ের একজন প্রবীণ আধিকারিক জানান, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়াল অর্থ তছরুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ব্যক্তি রাঁচি হাই কোর্টের আইনজীবী রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা (CBI) দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গতবছর ঝাড়খণ্ডের ওই আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। কলকাতার এক ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে সেই আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ধৃত আইনজীবীর নাম রাজীব কুমার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, একটি জনস্বার্থ মামলা প্রত্যাহারের জন্য সেই আইনজীবী এক ব্যবসায়ীর থেকে ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন। উল্লেখ্য, এই আইনজীবী ঝাড়খণ্ড সরকারের বিরুদ্ধে মনরেগা সংক্রান্ত মামলা লড়ছেন। এই মনরেগা মামলাতেই ইডি প্রাক্তন খনি সচিব পুজা সিংহলকে গ্রেফতার করেছিল। এদিকে মনরেগা মামলা ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে চলা এক মামলাও লড়ছেন ওই আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির   

    এই পরিস্থিতিতে রাজীবকে কলকাতার একটি শপিংমল থেকে গ্রেফতার (CBI) করা হয়েছিল। ধৃত ব্যক্তির থেকে ৫০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল বলেও চার্জশিটে জানিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের অভিযোগ, “অভিযুক্ত আইনজীবী কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রাঁচি হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য তিনি প্রথমে ব্যবসায়ীর কাছে ১০ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। আলোচনার পরে তিনি তাঁর দাবির পরিমাণ কমিয়ে কমিয়ে ৪ কোটি করেন। পরে ১ কোটি টাকায় রফা হয় মামলাটি। আরও অভিযোগ, এই এক কোটি টাকা দুই কিস্তিতে নেওয়ার কথা ছিল আইনজীবীর। সেই কিস্তি নিতেই কলকাতায় এসেছিলেন রাজীব।  

    সিবিআই- এর (CBI) অভিযোগ, ধৃত অমিত আগরওয়াল ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বেআইনি টাকা পাচার করত। হেমন্তের বিরুদ্ধে রাজীব যাতে মামলা লড়তে না পারে, তাই তাঁকে মিথ্যে কেসে ফাঁসানো হয়। আর মিথ্যে মামলা সাজাতে অমিতকে সাহায্য করেন কলকাতা পুলিশের কয়েকজন আধিকারিক। আর তার জেরেই কলকাতা পুলিশের এই আধিকারিকদের এবং অমিত আগরওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Abdul Raquib Qureshi: দোকানের আড়ালে চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ! আইএসের স্লিপার সেলের দায়িত্বে ছিল কুরেশি!

    Abdul Raquib Qureshi: দোকানের আড়ালে চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ! আইএসের স্লিপার সেলের দায়িত্বে ছিল কুরেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি যোগের অভিযোগে দিন কয়েক আগেই কলকাতা পুলিশের এসটিএফ (STF) গ্রেফতার করেছিল মহম্মদ সাদ্দাম ও মহম্মদ সঈদকে। সেই সূত্রে ৯ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয় আবদুল রাকিব কুরেশিকে (Abdul Raquib Qureshi)। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    কুরেশি…

    জানা গিয়েছে, কুরেশির নিজের একটি দোকান রয়েছে। সেই দোকানের আড়ালেই চালাত জঙ্গি কার্যকলাপ। সরকারি আইনজীবীর দাবি, কুরেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে জঙ্গিদের ফিনান্স করত, সংগঠনের প্ল্যানিং করত, টেররিস্টদের লজিস্টিক সাপোর্টও দিত। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জেহাদি বই, মোবাইল, চিপ, মানি ব্যাগ, টাকা এবং পেন ড্রাইভ। সে যে দেশদ্রোহী কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল, তারও প্রমাণ মিলেছে। জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসবাদী হামলার ছকও কষেছিল কুরেশি। গোটা দেশে জাল বিস্তার করেছিল এই জঙ্গিরা। কুরেশির কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া নোটবুক থেকে জেহাদি চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণও মিলেছে। যুবকদের মগজধোলাই করে স্লিপার সেল চালানোর চেষ্টাও করছিল সে। ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রানজিট রিমান্ডে পাওয়ায় কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে কুরেশিকে। তাকে আরও জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ! কর্নাটকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও দুই

    প্রসঙ্গত, তদন্তকারীরা আগেই জানিয়েছিলেন, জঙ্গি সংগঠন আইএসের (IS) নামে শপথ নিয়েছিল হাওড়ার বাসিন্দা মহম্মদ সাদ্দাম। তাকে গ্রেফতার করার সময় তার কাছ থেকে যে ডায়েরি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, সেখান থেকেই এই তথ্য মিলেছে। ওই ডায়েরিতে যা লেখা হয়েছে, তা আরবিতে। এই ডায়েরির এক জায়গায় ধৃত সাদ্দাম লিখেছে, আইএসের প্রতি তার আনুগত্য বজায় রাখবে সে। সংগঠনের হয়ে কাজ করবে। এ ব্যাপারে শপথও নিয়েছে সে। এই ডায়েরি থেকেই জঙ্গি সংগঠনে কুরেশির (Abdul Raquib Qureshi) যুক্ত থাকার ইঙ্গিত মেলে। শেষমেশ মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পরে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Loan App Scam: মুম্বই থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার লোন অ্যাপ প্রতারণা চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’

    Loan App Scam: মুম্বই থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার লোন অ্যাপ প্রতারণা চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোন অ্যাপ প্রতারণা চক্রের (Loan App Scam) মাস্টারমাইন্ড-কে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। ধৃত এই যুবতী দুবাই থেকে বসে প্রতারণার কারবার চালাচ্ছিলেন। এই নিয়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে বলে দাবি কলকাতা পুলিশের। কলকাতার এক বাসিন্দাকে ঠকানোর অভিযোগে এবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ধৃতের নাম সোনিয়া খারাটমল ও তিনি দুবাইয়ের বাসিন্দা। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত মহিলাকে।

    লোন অ্যাপ প্রতারণার চক্রের মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত সোনিয়া বোনের বিয়েতে যোগ দিতে দুবাই থেকে মুম্বইয়ে এসেছিলেন। আর সেসময়েই কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখার জালে ধরা পড়লেন এই যুবতী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋণ দেওয়ার নাম করে তথ্য হাতিয়ে ব্ল্যাকমেল করত এই যুবতী। এইভাবে প্রতারণা করেই একাধিক ব্যক্তির থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এমনকী গত ২৭ জুন লালবাজারে এই নিয়ে একটি অভিযোগও দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে একটি বড় চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পুলিশের হাতে উঠে আসে।

    আরও পড়ুন: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    তবে তার আগে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল একই ঘটনায় (Loan App Scam)। তাদের জেরা করেই মাস্টারমাইন্ডের কথা জানা যায়। তখন তদন্ত করে দেখা যায় এই যুবতী দুবাইয়ে বসে প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয়, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রেও এরা প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ। তবে‌ এবারে পুলিশের জালে স্বয়ং মাস্টারমাইন্ড। আরও জানা গিয়েছে, সোনিয়া মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এবং গত ৬ মাস ধরে তিনি দুবাইয়ে। আর সেখান থেকেই সবাইকে কন্ট্রোল করতেন।

    এই বিষয়ে ডিসি সাইবার ক্রাইম অতুল ভি বলেন, ‘প্রতারণার (Loan App Scam) মাস্টারমাইন্ড সোনিয়াকে শুক্রবার আদালতে তোলা হয়েছে। এই যুবতী রীতিমত হুমকি দিয়ে ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। নানা ব্যাঙ্কের সঙ্গে আঁতাত করে কোটি টাকা রোজগার করেছেন কয়েক মাসে। অভিযুক্ত সোনিয়াকে কলকাতায় নিয়ে আসার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।

  • Bengal Police: মুম্বই গিয়ে তোলা চাইছেন রাজ্য সিআইডি কর্তা! অভিযোগ দায়ের ব্যবসায়ীর

    Bengal Police: মুম্বই গিয়ে তোলা চাইছেন রাজ্য সিআইডি কর্তা! অভিযোগ দায়ের ব্যবসায়ীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও শাসকদলের হয়ে কাজ করা, কখনও তোলাবাজি, আবার কখনও আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার-এমন একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে রাজ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে (Bengal Police)। আর এবার রাজ্যের সিআইডি (CID) কর্তার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হল মুম্বইয়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, মুম্বইয়ের এক ব্যবসায়ীর থেকে ২০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিক-সহ মোট ৪ জন। এমনকি, ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি। যদিও সিআইডি সূত্রে দাবি, ব্যবসায়ীর অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাই এই বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তোলাবাজির অভিযোগ সিআইডি কর্তার বিরুদ্ধে

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্যবসায়ীর নাম জিতেন্দ্র নাভলানি। তিনি মুম্বইয়ের ওরলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন (Bengal Police)। জিতেন্দ্র অভিযোগ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি বিভাগের এক কর্মী সহ ৪ জন তাঁর থেকে জোর করে টাকা আদায় করেছেন। এই সিআইডি কর্তার নাম রাজর্ষি ব্যানার্জি। শুধু তাই নয়, তাঁর স্ত্রীকে খুন করারও হুমকি দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, মে মাসে কলকাতার রানিগঞ্জে একটি নাকাবন্দির সময় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ৩.০২ কোটি টাকা জব্দ করার পর থেকে আরও টাকা জোর করে আদায় করা শুরু করেন। এরপর কলকাতা পুলিশের তরফে জারি করা লুক আউট নোটিসের ভিত্তিতে হঠাৎ তাঁর স্ত্রীকে মুম্বই বিমানবন্দরে আটকানো হয়। তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসারও হুমকি দেওয়া হয়।

    নাভলানির আইনজীবী যাদব জানিয়েছেন, “তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে যখন এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, তখন কলকাতা সিআইডি পুলিশ নাভলানি এবং তাঁর স্ত্রীকে কোনও নোটিশ দেয়নি এবং লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছিল৷ এরপর কলকাতা সিআইডি অফিসার তাঁকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন৷” আরও অভিযোগ উঠেছে যে, জামিনের জন্য ১০ কোটি আদায় করেছিলেন ও পরে দফায় দফায় লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ২০ লক্ষ টাকা জোর করে আদায় করেছেন সিআইডি অফিসার রাজর্ষি ব্যানার্জি (Bengal Police)।

    এখানেই শেষ নয়, নাভলানির আইনজীবী যাদব জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ (Bengal Police) নাভলানির এক বন্ধু অরুণাভ অধিকারীকে নাভিলানির বিরুদ্ধে প্রতারণা করার অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য করেন। পরে যদিও যাদব দাবি করেছেন যে, অধিকারী পরে এফআইআর বাতিলের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।

    ওরলি পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “আমরা মামলাটি তদন্ত করছি।” সিআইডি অফিসার সহ ওই চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ১২০বি, ৩৮৪ ও ৩৮৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের (Bengal Police) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের মধ্যে বাংলার সিআইডি কর্তার বিরুদ্ধে তোলাবাজির গুরুতর অভিযোগ ওঠায় রাজ্য জুড়ে ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে সরকারি তরফে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

LinkedIn
Share