Tag: kolkata police

kolkata police

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট-বিক্ষোভের দিনে যে পুলিশকর্মী চাকরিপ্রার্থীকে কামড়েছেন, তাঁকে নবান্ন অভিযানের (Nabanna March) দিনও পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। চাকরি চেয়ে আন্দোলনে নেমে, প্রার্থীদের কারও কপালে জুটেছে পুলিশের কামড়। কেউ খেয়েছেন পুলিশের ঘুষি। বুধবার আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে পুলিশ যে ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন: ‘‘যে হাত দিয়ে চড় মেরেছেন, সেই হাত দিয়েই…’’ কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়, ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন তিনি। সে দিনের ছবি আর বুধবার চাকরিপ্রার্থীদের পুলিশের কামড়ের ছবি পাশাপাশি দিয়ে, বিরোধী দলনেতা ট্যুইটারে লিখেছেন, “নবান্ন অভিযানের দিন মমতা পুলিশের নতুন হিংস্র ও নিষ্ঠুর রেজিমেন্টের প্রমীলা বাহিনীকে কোন অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল, তা আজ বোঝা গেল।” শুভেন্দুর দাবি, “দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আকাশ মাঘারিয়া একটা মহিলা টিম করেছে। এই টিমটার আমি নাম দিয়েছি মহিলা পুলিশের হিংসাশ্রয়ী রেজিমেন্ট। এই রেজিমেন্টে আমি এর আগে একজনকে বলেছিলাম, মারিয়া বলে, তিনি নবান্ন অভিযানের দিন আমার এখানে কাঁধে তিনটে ব্লো মেরেছিলেন। সেদিনকে আমি ডোন্ট টাচ মাই বডি বলতে তো অনেকরকম ব্যঙ্গ তিরস্কার করেছেন ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানি। সেদিন তো এই বেবি তামাংকে পাঠিয়েছিলেন আমার হাত কামড়াতে। আমি হাতটা কামড়ানোর সুযোগ দিইনি। কালকে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, কলেজের গেট থেকে তিনি উঠে এসেছেন, তাই সেদিনকার পরিস্থিতি তিনি আগে থেকেই আঁচ করে নিতে পেরেছিলেন। 

    নন্দীগ্রামের চটি-পুলিশ প্রসঙ্গ

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেন, গুণ্ডাদের দিয়ে রাজ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোন দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাম আমলে নন্দীগ্রামের চটি পুলিশের কথা বলেন। আর এরা কোন পুলিশ। জোঁড়াসাকোয় রবীন্দ্র ভারতীর ক্যাম্পাসে হেরিটেজ আইন ভেঙে ইউনিয়ন রুম করেছে তৃণমূলের কর্মী পরিষদ। এব্যাপারে সরকারকে জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সেখানকার উপাচার্য। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন। আর রবীন্দ্রনাথের ছবি সরিয়ে তাঁর এবং ভাইপোর ছবি বসানো হয়েছে, তাতে তো তিনি (মমতা) খুশি!” চলচ্চিত্র উৎসবে উত্তম কুমার কিংবা সত্যজিৎ রায়ের ছবি না থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সেখানে থাকে বলেও মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন : নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Police: ডিউটি শেষে অস্ত্র জমা রাখার নির্দেশ কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে, কেন?

    Kolkata Police: ডিউটি শেষে অস্ত্র জমা রাখার নির্দেশ কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন ডিউটির শেষে আগ্নেয়াস্ত্র ফিরিয়ে দিতে হবে নিকটবর্তী কোনও থানায়। সম্প্রতি এমনই নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। ইন্টেলিজেন্স বিভাগের যুগ্ম কমিশনার এই নির্দেশ দিয়ে বলেন, “অস্ত্র নেওয়া এবং জমা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ম মাফিক করা হচ্ছে না। বার বার নিয়ম ভাঙা হচ্ছে।” সূত্রমতে, স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চেই সম্প্রতি প্রায় ২০টি আইন ভাঙার খবর সামনে এসেছে। 

    এক পুলিশ কর্তা বলেন, “যেসব পুলিশকর্মীদের ডিউটির জন্যে অস্ত্র দেওয়া হয়, তাদের ডিউটি শেষে দৈনিক সেই অস্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু অনেক পুলিশ কর্তাই সেই নিয়ম পালন করেন না।”

    একাধিক পুলিশ কনস্টেবল, অপহরণ, ডাকাতি, চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পরেই এই বিষয়ে কড়াকড়ি শুরু করে কলকাতা পুলিশ।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে?

    গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।

    আরও পড়ুন: কাটল আইনি বাধা, এবার ভারতে প্রত্যর্পণ নিশ্চিত নীরব মোদির?  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন।

    আর এই  ঘটনাগুলি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বিভাগ। ডিউটিতে পাওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে অপরাধের সংখ্যা কমাতেই এই সক্রিয়তা। 

    এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “অনেক সময়ই দেখা যায় অনেক কর্মী ডিউটি ছাড়াও নিজের কাছে অস্ত্র রাখেন। এই প্রবণতা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যেকোনও অনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হতে পারে সেই অস্ত্র।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     
  • TET Agitation: টেট বিক্ষোভকারীর হাতে কামড় পুলিশের! জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার আক্রান্তই

    TET Agitation: টেট বিক্ষোভকারীর হাতে কামড় পুলিশের! জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার আক্রান্তই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি চেয়ে পুলিশের (Kolkata Police) কামড় খাওয়া চাকরিপ্রার্থীকেই, গ্রেফতার করল পুলিশ। টেট (TET Agitation) বিক্ষোভে আক্রান্ত চাকরিপ্রার্থী অরুণিমা পাল (Arunima Paul)-সহ আরও ৩০ জনকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানো, পুলিশের উপর হামলা-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হবে। বুধবার এক্সাইড মোড়ে ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের জমায়েত-বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধে। দিনভর চলে উত্তেজনা। বিক্ষোভ সরাতে চ্যাংদোলা করে চাকরিপ্রার্থীদের তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রিজন ভ্যানের নীচে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বেশকিছু বিক্ষোভকারী। তাঁদের টেনে হিঁচড়ে বের করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ২৮২ জন চাকরিপ্রার্থীকে। বুধবার রাতে ৩০ জন বাদে বাকি চাকরিপ্রার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে হেয়ার স্ট্রিট থানা থেকে।

    কী ঘটেছিল এদিন

    বুধবার দুপুরে এক্সাইড মোড় থেকে একদল চাকরিপ্রার্থী দৌড়তে দৌড়তে, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসের সামনে এসে পড়ে।  স্মারকলিপি জমা দিতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাঁদের টেনে হিচড়ে তোলার চেষ্টা করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের (TET Agitation) অভিযোগ, ঠিক তখনই আচমকাই দৌড়ে এসে এক আন্দোলনকারীর হাতে কামড়ে দেন কলকাতা পুলিশের এক মহিলা কনস্টেবল। প্রশিক্ষিত উর্দিধারী পুলিশ কর্মীদের এহেন আচরণে হতবাক প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও!অভিযুক্ত ওই পুলিশকর্মী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাল্টা পুলিশের অভিযোগ ওই আন্দোলনকারীই পুলিশকর্মীকে কামড়ে দিয়েছেন। পুলিশকর্মীর হাতে রয়েছে, কামড়ানোর দাগ! SSKM হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ওই পুলিশকর্মীকে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বরখাস্ত শিক্ষকেরা চাইলে চাকরিতে যোগ দিতে পারেন, জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ

    উদ্বিগ্ন অরুণিমার পরিবার

    টেট বিক্ষোভকারীদের (TET Agitation) কথায়, চিকিত্‍‍সা চেয়েছিলেন অরুণিমা। সূত্রের খবর, হেয়ার স্ট্রিট থানায় যখন অরুণিমাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, সেই সময় তিনি অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেন সহযোদ্ধারা। অভিযোগ, প্রাথমিক পর্যায়ে অরুণিমার চিকিৎসা করাতে রাজি হয় না পুলিশ। অভিযোগ আরও বড়। চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, “একজন অফিসার বলেন ওঁ যদি মারা যায় সেই দায় আমরা নেব…” পরে অবশ্য ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয় আক্রান্ত অরুণিমার। অরুণিমার গ্রেফতারির খবর জানতে পেরে চরম উৎকন্ঠায় তাঁর পরিবার। অরুণিমার শারীরিক অবস্থা নিয়েও চরম উদ্বিগ্ন তাঁর স্বামী, সন্তান সহ পরিবারের অন্যান্যরা।

    আরও পড়ুন: ‘হয় নিয়োগ দিন, নয়…’, টেট প্রার্থীদের বিক্ষোভে এক্সাইড মোড়ে ধুন্ধুমার, ঝরল রক্ত

    বিক্ষোভ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে

    সকালেই ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অফিস অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সল্টলেকের করুণাময়ীতে জমায়েতের (TET Agitation) ডাক দেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেক্টর ফাইভ মেট্রো স্টেশনেই বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। আটক বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী। এদিন চাকরিপ্রার্থীদের অভিযান ঠেকাতে সল্টলেকের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশন ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিয়ালদা স্টেশনেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। বিক্ষোভকারী সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সন্ধ্যায় শিয়ালদহে মোমবাতি মিছিল করেন টেট আন্দোলনকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    Crime by Police: কলকাতায় পাঁচ মাসে ১১ পুলিশ কর্মী গ্রেফতার, কোন কোন ‘অপরাধে’ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষকই ভক্ষক! চুরি-ডাকাতি সহ নানা অপরাধে দুষ্কৃতীদের ধরাই যাঁদের কাজ, সেই পুলিশই কী না গ্রেফতার পুলিশের (Police) হাতে! আজ্ঞে হ্যাঁ। গত পাঁচ মাসে কলকাতায় (Kolkata) অন্তত ১১ জন পুলিশ (Kolkata Police) কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে। ধৃত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এই সব সমস্যায় পড়লে বিপদগ্রস্ত মানুষ যেখানে পুলিশের ভরসায় থাকেন, সেখানে পুলিশই অভিযুক্ত হওয়ায় রাজ্যজুড়ে হাসির ছররা!

    অপহরণ, প্রতারণা, চুরি এবং হেনস্থা করার মতো গুরুতর অভিযোগে যেসব পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা সবাই যে সাধারণ পুলিশ কর্মী, তা নন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যেমন ন জন কনস্টেবল রয়েছেন, রয়েছেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, তেমনি রয়েছেন একজন অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইনসপেক্টরও।  

    ধৃত পুলিশ কর্মীদের অপরাধের ধরনও আলাদা। জনবহুল বাজার থেকে কাউকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে কোনও এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। অপহৃত ব্যক্তিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার আগে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। যাঁরা সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র দিতে চাননি, তাঁদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    কিছুদিন আগেই রাজ্যে ইনসপেক্টর জেনারেল পদ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রবীণ এক আইপিএস আধিকারিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আধিকারিক বলেন, এত কম সময়ে এক সঙ্গে এতজন পুলিশ কর্মীর, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ রয়েছে, গ্রেফতারি আমি চাকরি জীবনে দেখিনি। তিনি বলেন, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এই দফতরটা দেখেন।

    জানা গিয়েছে, সাদা পোশাক পরে অপরাধ (Crime by Police) করেননি গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্মীরা। অপরাধ করার সময় তাঁরা পরেছিলেন পুলিশের উর্দিই। যার অর্থ, পুলিশের পরিচয়েই অপরাধ করেছেন তাঁরা। পুলিশের পরিচয়ে তাঁরা প্রথমে শিকারের বিশ্বাস অর্জন করেছেন, পরে সব কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করে ছেড়েছেন। এক পুলিশ কর্মীর সরস মন্তব্য, অপরাধ করলে পুলিশও যে পার পাবে না, এটা একটা ভাল লক্ষণ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Agitation: “এই সরকারকে একটাও ভোট না”, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চাকরিপ্রার্থীরা

    TET Agitation: “এই সরকারকে একটাও ভোট না”, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চাকরিপ্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর রাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল করুণাময়ী। অনশন আন্দোলনের (TET Agitation) মাঝেই চ্যাংদোলা করে টেনে হিঁচড়ে করুণাময়ীতে আন্দোলনকারীদের তুলে দিল পুলিশ। ৬১ ঘণ্টার অনশন ভেঙে দিল ১৫ মিনিটেই! প্রতিবাদে সরব আন্দোলনকারীরা। তিনটি বাসে ঠাসাঠাসি করে তোলা হল চাকরিপ্রার্থীদের। আটক করে নিয়ে যাওয়া হল থানায়। প্রায় ছয় ঘণ্টার বাক্য বিনিময়। তারপর অবশেষে জোর করে অনশন আন্দোলন ভেঙে দিল পুলিশ। পাঁজাকোলা করে যখন পুলিশ ভ্যানে তোলা হচ্ছিল চাকরিপ্রার্থীদের। আর সেই সময়ই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন আন্দোলনকারীরা।

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে একজন বলেন, “মেয়েদেরকে মেরেছে, এটা অমানবিক আজ থেকে আমরা প্রতিজ্ঞা করলাম, এই সরকারকে আর একটাও ভোট দেব না।” অন্য আরেকজন অভিযোগ করেন, “পুলিশ নাকে ঘুষি মেরেছে।” অপরজন বলেন, “এই সরকারের সব কাজ রাতের অন্ধকারে হয়। রাত্রে প্রার্থীদের তোলা হয়। রাত্রে রেজাল্ট বের করা হয়। রাত্রে নিয়োগ হয়।” আন্দোলনকারীদের মধ্যে তিনজন নিখোঁজ বলেও অভিযোগ করা হয়েছে এদিন। এক মহিলা টেট উত্তীর্ণ আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থী বলেন, “অচিন্ত্য ধারা, অচিন্ত্য সামন্ত, অর্ণব ঘোষ, এই তিন জনের কোনও ট্রেস আমরা পাচ্ছি না। এই তিন জনের গায়ে যদি একটাও আঁচড় লাগে, কলকাতার রাজপথে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এখানে চাকরিপ্রার্থীদের লাশ দেখবেন।” এক আন্দোলনকারীর আক্ষেপ, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী একজন মহিলা৷ তাঁর নির্দেশ ছাড়া এসব হয়নি৷ মুখ্যমন্ত্রী এতটা নির্মম হবেন, ভাবতে পারিনি৷”  আন্দোলনকারীদের নির্যাতনের প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে কুরুক্ষেত্র করুণাময়ী, জোর করে টেট উত্তীর্ণদের তুলল পুলিশ

    ভোররাতে আটক চাকরিপ্রার্থীদের পুলিশ বাসে করে এনে শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশনে ছেড়ে দেয়। তবে এত কিছুর পরেও আজ ভোরেই ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণদের একাংশ শিয়ালদা স্টেশন চত্বর থেকে ফিরে যান ধর্মতলায় মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে তাঁদের অবস্থান মঞ্চে। আন্দোলনকারী মহিলাদের নিরাপত্তা প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পুলিশ কীভাবে মহিলা আন্দোলনকারীদের ভোররাতে শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশন চত্বরে ছেড়ে দিল? তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কে নেবে? এই প্রশ্নও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। 

    এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ সল্টলেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসের সামনে ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণদের অবস্থানকে নির্মমভাবে বলপ্রয়োগ করে তুলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, না কি, হিটলারের জার্মানি?”

     


    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইটে লেখেন, “হিটলারের বাহিনীর মতো মাঝরাতে অভিযান চালিয়ে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্মমভাবে বলপ্রয়োগ করে আন্দোলনরত ২০১৪-র টেট  উত্তীর্ণদের তুলে দিয়েছে। যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসের কাছে আইন মেনেই অবস্থান করছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর হিংসায় (Mominpur clash) ভোট বাক্সের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বিজেপি (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইট করে এ নিয়ে খোঁচা দিয়েছন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন এত বড় ঘটনা যেখানে তিন জন আইপিএস অফিসার আক্রান্ত, আহত একাধিক পুলিশ কর্মী সেখানে কেন চুপ রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো?  ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে তাঁরা কোনও গোষ্ঠীকে আড়াল করছেন? 

    প্রসঙ্গত, গত ১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্তা। সেই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসএসকেএমে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর এসএসকেএম চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন যে পুলিশ অনেক সংযত থেকেছে। তিনি থাকলে বিজেপি কর্মীদের মাথায় গুলি করতেন। তাহলে এখন প্রকৃত দোষীদের মাথায় গুলি করার কথা বলছেন না কেন অভিষেক ? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি ওই ঘটনায় আক্রান্ত  সিএমআরআই-তে চিকিৎসাধীন অফিসারদের সঙ্গে দেখাও করতে যাননি কেউ। তবে কী নিজের গা বাঁচিয়ে চলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? 

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশে রাজ্যের পাঠানো রিপোর্ট বিশ্লেষণের পর মোমিনপুর হিংসায় NIA-তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  শুক্রবার রাতে ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নেতৃত্বে রেখে সিট গঠন করে। কারা এই হামলায় যুক্ত তা খুঁজে বার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলে আদালত। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এই ঘটনার রিপোর্ট নিয়ম মেনে কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে তারা। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে মোমিনপুরে NIA তদন্ত প্রয়োজন কি না তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, NIA তদন্ত হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mominpur Ekbalpur: মোমিনপুর-একবালপুর কাণ্ডে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

    Mominpur Ekbalpur: মোমিনপুর-একবালপুর কাণ্ডে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর ও একবালপুর (Mominpur Ekbalpur) এলাকায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ সংক্রান্ত মামলায় (Ekbalpur Mominpur Case) বেলা ২টোর মধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে সরব হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল। এবারে বুধবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিচারপতিও। এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনায় এনআইএ-কে (NIA) কেন জানানো হয়নি, সেই প্রশ্ন তোলে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ।

    মোমিনপুর-একবালপুর (Mominpur Ekbalpur) ঘটনার জেরে গতকাল আদালতের দ্বারস্থ হন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। এর পাশাপাশি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হয়। ফলে এইসব মামলার শুনানি হয় আজ। তখনই মোমিনপুর সংঘর্ষ সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন তোলে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। প্রথমেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এদিন কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে কটাক্ষ করে বলেন, এলাকা থেকে যে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, রাজ্য পুলিশ সে ব্যাপারে কী তদন্ত করেছে বা অন্যান্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা জানাতে হবে আদালতকে। এর পাশাপাশি প্রশ্ন করা হয়েছে, বোমাবাজি হওয়া সত্ত্বেও কেন এখনও পর্যন্ত এনআইএ-র ধারায় মামলা রুজু করা হয়নি? ফলে এইসব প্রশ্ন করে পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের থেকে জবাব চায় আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আজ বেলা ২টোর সময়।

    এই ঘটনার জল (Mominpur Ekbalpur) আদালত পর্যন্ত গড়ালে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্ট। এই রিপোর্টে জানাতে হবে, জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, ক্ষতিপূরণ নিয়ে কী চিন্তাভাবনা করেছে রাজ্য এবং সেই এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি ফেরাতে কী করা হচ্ছে? এখানেই শেষ নয়, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে তলবেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আদালত। নির্দেশ না মানলে ডাকা হতে পারে তাঁকেও, এমনই তথ্য জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, মোমিনপুর-একবালপুর (Mominpur Ekbalpur) ঘটনায় জোড়া মামলা দায়ের করা হয়। এক হলেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দও ও অপরজন নবেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন আদালতে আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত বলেন, “৮ তারিখ থেকে ঝামেলা শুরু হয়েছে। বস্তিতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি ঘটনার দিন গিয়েছিলাম আক্রান্ত এলাকায়। ময়ুরভঞ্জ এলাকায় যে বস্তি রয়েছে, সেখানে কোনও পুলিশের নিরাপত্তা ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন লাঠি হাতে পুলিশ সেখানে ছিলেন।” অপর পিটিশনার নবেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, “কার্নিভালের জন্য রেড রোডে বিরাট আয়োজন করা হল কার্নিভালের। তারই পাশে এই পরিস্থিতি, তবুও পুলিশ কিছু করতে পারল না?”

    এছাড়াও পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ঘটনায় এপর্যন্ত ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও ৩৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। নোটিস পাঠিয়ে ৪১ জনকে সতর্ক করা হয়েছে। অশান্তির ছবি ছড়ানোর জন্য ৮০টি ভিন্ন ভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারাও। ফলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

  • KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেকে-র মৃত্যুর (KK Death) ঘটনায় কাঠগড়ায় আয়োজক-উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে হল ও অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষ।  এমনকি, বাদ যায়নি পুলিশও। সকলের বিরুদ্ধেই উঠেছে চরম উদাসীনতা, অপেশাদারিত্ব, অপরিণামদর্শিতার অভিযোগ। সমাজ থেকে শুরু করে সমাজ-মাধ্যম— সর্বত্র কেকে-র (KK) মৃত্যু নিয়ে চলছে দোষারোপের পালা। চলছে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ।

    পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে অভিযোগের আঙুল। যে হল-এ সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীর অনুষ্ঠান ছিল, সেই নজরুল মঞ্চের (Nazrul Manch) ব্যবস্থাপনায় একের পর এক খামতির খতিয়ান প্রকাশ্যে আসতে শুরু হওয়ায় প্রশ্নের মুখে আরক্ষা বাহিনীর পারদর্শিতা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী করে, পুলিশের তরফে এত বড় খামতি থেকে গেল? কী করেই বা ২৪০০ আসন বিশিষ্ট হলে ৭০০০ মানুষ ঢুকে পড়ল? 

     

    প্রশ্ন উঠছে, কেন অনুষ্ঠানে এক ঘণ্টার জন্য এসি বন্ধ ছিল? কেন কেকে বারবার অনুরোধ করা সত্বেও মঞ্চে গরম স্পটলাইট নেভানো হয়নি? কেন ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্প্রে করা হচ্ছিল? একের পর এক গাফিলতি ও অবহেলার অভিযোগ ওঠায় গোটা ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে যে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    এখন কেকে-র মৃত্যুর পর ঘুম ভাঙল পুলিশের। সারা দেশ তোলপাড় হওয়ার পর শেষে নড়েচড়ে বসল পুলিশ। কলকাতায় কনসার্ট করা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার! অবশেষে জারি করা হয়েছে ৯ দফা নির্দেশিকা। আয়োজকদের একটি আন্ডারটেকিং নিতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুষ্ঠান সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আগে জানাতে হবে স্থানীয় থানাকে। আসন সংখ্যার বেশি পাস ইস্যু করা যাবে না। আয়োজকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, দর্শক সংখ্যা হলের ক্যাপাসিটির ঊর্ধ্বে হবে না।

     

    এছাড়া, ৯ দফার নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে— পাস ছাড়া হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। একটি পাসে একজনই প্রবেশ করতে পারবেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রবেশ ও প্রস্থানের প্রত্যেকটি পয়েন্টে যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তারক্ষী/স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। এছাড়া, অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি, কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটবর্তী কোনও হাসপাতালে আইসিইউ সমেত আগাম ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

  • Coal Smuggling Case: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Coal Smuggling Case: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কলকাতায় (Kolkata) জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইডি (ED) আধিকারিকদের সবরকম সুরক্ষা দিতে হবে কলকাতা পুলিশকে (Kolkata Police)। রাজ্য সরকার (Mamata government) ইডি  আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। কয়লা পাচারকাণ্ডে (coal smuggling case) তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার (Rujira) আবেদনের ভিত্তিতে জানালো সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু, কখন কোথায় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক-রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়, তা ৭২-ঘন্টা আগে রাজ্য সরকারকে জানাতে হবে। 

    এর আগে বিচারপতি ইউ ইউ ললিত, এস রবীন্দ্র ভাট এবং সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ ইডির কাছে জানতে চায়, তৃণমূল সাংসদের দাবি মেনে কলকাতায় অভিষেক ও রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে অসুবিধা কিসের? তখন ইডির পক্ষ থেকে নারদকাণ্ডে (narada case) সিবিআইয়ের (CBI) তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

    ২০২১-এর ১৮ মে সিবিআইয়ের রিজিওনাল অফিস নিজাম প্যালেস (nizam palace) ঘেরাও করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা। যেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেন। দাবি জানান, মন্ত্রীদের গ্রেফতার করার আগে তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয় অভিষেক ও রুজিরা “রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী”। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, কয়লা পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কলকাতায় যাওয়া ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে কলকাতা পুলিশকে। রাজ্য সরকার তাঁর দায়িত্ব এড়াতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ইডি আধিকারিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। 

    কয়লা পাচারকাণ্ডে আর্থিক তছরুপ মামলায় তৃণমূল সাংসদ ও তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (Enforcement Directorate)। প্রতিবারই নানা অজুহাতে এড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা।

    শেষপর্যন্ত এবছর মার্চে দিল্লিতেই ইডির মুখোমুখি হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক। কিন্তু সেবারও জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যান, অভিষেক-পত্নী রুজিরা। গত ১১ মার্চ দিল্লি হাইকোর্টে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করেন অভিষেক ও রুজিরা। সাংসদের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। ফলে, ২১ ও ২২ মার্চ ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে, সেবারও জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যান রুজিরা। এরপরই দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান তৃণমূল সাংসদ ও তাঁর স্ত্রী। তারই শুনানি হল বৃহস্পতিবার। তৃণমূল সাংসদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিব্বাল।                                                                                                                                                                                                                                            

LinkedIn
Share