Tag: Kolkata political news

  • Absconding TMC Leader: কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ গ্রেফতার, পুরীতে গিয়ে ধরল এসটিএফ

    Absconding TMC Leader: কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ গ্রেফতার, পুরীতে গিয়ে ধরল এসটিএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের জালে কলকাতা পুরসভার আরও এক প্রাক্তন কাউন্সিলর (Absconding TMC Leader)। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) পুরী থেকে গ্রেফতার করে সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh) নামের ওই তৃণমূল নেতাকে। সূত্রের খবর, আজ, বুধবার পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্তকে। তোলাবাজি-সহ একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন বলে অভিযোগ।

    সুশান্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Absconding TMC Leader)

    সুশান্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ, হকারদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আদায় করতেন সুশান্তও। এই মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই গা-ঢাকা দেন তিনি। তাঁকে ধরতে কলকাতা পুলিশ হানা দেয় ওড়িশায়। তদন্তকারীদের দাবি, পুলিশি তল্লাশির সময় সুশান্ত রাস্তায় গাড়ি ফেলেই পালিয়ে যান। গ্রেফতার করা হয় তাঁর গাড়ির চালক সুজিত চৌধুরীকে। জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের হকারদের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা তোলার অভিযোগে হকার্স কমিটির কয়েকজন সদস্য আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয় তদন্ত। সুশান্তকে ধরতে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে পুলিশ। শেষমেশ এদিন পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    সম্পদের পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকা

    প্রসঙ্গত, গত মাসে ১২ নম্বর বরো কমিটির চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুশান্ত। যদিও আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন কাউন্সিলর পদ। পরে মেয়র ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতেই ভেঙে যায় কলকাতা পুরসভার বোর্ড। প্রশাসক পদে বসানো হয় পুর-কমিশনার স্মিতা পান্ডেকে (Absconding TMC Leader)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে সুশান্তর নামে এবং বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁর সঙ্গে যুক্ত সম্পদের পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং তোলাবাজির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা এবং কাউন্সিলরের (Sushanta Ghosh) বিরুদ্ধে তদন্ত ও গ্রেফতারের ঘটনা সামনে আসছে। কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলরও ইতিমধ্যেই পুলিশের জালে। এই তালিকায় (Absconding TMC Leader) নবতম সংযোজন সুশান্ত ঘোষ।

  • West Bengal Government: ‘‘এই সরকার বিজেপির সরকার নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার হবে’’, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর বার্তা শমীকের

    West Bengal Government: ‘‘এই সরকার বিজেপির সরকার নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার হবে’’, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বার্তা দেন। তিনি বলেন, “সরকার তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। বিজেপির সঙ্কল্পপত্র বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সঙ্গে দলের সমন্বয় থাকবে। তবে এই সরকার বিজেপির সরকার নয়, এটা পশ্চিমবঙ্গ সরকার হবে।” শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য বেশ স্পষ্ট। বার্তাটা পরিষ্কার, বর্তমান সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে।

    শমীকের বাড়িতে শুভেন্দু

    সোমবার সকালে চিনার পার্কের বাসভবন থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় প্রথমে পৌঁছয় সল্টলেকের বিএইচ ব্লকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের পৈতৃক বাড়িতে। সেখানে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন দু’জন। কিছু সময় ব্যক্তিগত আলাপচারিতার পর শমীকের সঙ্গে একই গাড়িতে বিজেপির সেক্টর ফাইভের রাজ্য কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর আগমন ঘিরে সকাল থেকেই শমীকের বাড়ির সামনে ভিড় জমায় বহু সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে পদ্মফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়। বাড়ির ভিতরে শমীক ভট্টাচার্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেন্দুর পরিচয়পর্ব ও সৌজন্য বিনিময় হয়। মিষ্টিমুখ এবং এক কাপ চায়ের পর দু’জনে একসঙ্গে দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশে বেরিয়ে যান।

    ফুলে-মালায় বরণ শুভেন্দুকে

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সেক্টর ফাইভের দলীয় দফতরে শমীক-শুভেন্দুর বৈঠক আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তবে তার আগে রাজ্য সভাপতির বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ছিল সৌজন্যমূলক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর কাজ শুরুর আগে শুভেচ্ছা জানাতেই তিনি শমীকের বাড়িতে যান বলে দলীয় সূত্রের দাবি। এদিকে, বিজেপির সল্টলেক কার্যালয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ। শঙ্খধ্বনি, উত্তরীয় এবং ২০৭টি পদ্মফুলের মালা দিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। মহিলা বিজেপি কর্মীরা বরণডালা নিয়ে শুভেন্দুকে স্বাগত জানান এবং তাঁকে মা দুর্গার একটি মূর্তি উপহার দেন।

    ‘‘বিজেপি সরকার নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার’’

    এরপর বিজেপির রাজ্য দফতরে শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে শমীক আবারও জোর দিয়ে বলেন, সরকার দলীয় সীমারেখা ছাড়িয়ে রাজ্যের স্বার্থে কাজ করবে। তিনি বলেন, “এই সরকার বিজেপির সরকার নয়, এটা পশ্চিমবঙ্গ সরকার হবে।”  এই বার্তার মাধ্যমে মূলত নতুন সরকারকে শুধুমাত্র দলীয় সরকারের ছাপ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী নবান্নের উদ্দেশে রওনা দেন। শমীক বলেছেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে, দলের সঙ্কল্পপত্র বাস্তবায়নে যোগাযোগ থাকবে।” অর্থাৎ দল নীতিগত দিশা দেবে, কিন্তু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকার নেবে। এতে বোঝানো হচ্ছে যে সরকার শুধুমাত্র পার্টি অফিস থেকে পরিচালিত হবে না।

    নবান্নয় শুভেন্দুর কর্মসূচি

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে সোমবার প্রথম নবান্নে শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার কথা। আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। বিকেল তিনটে নাগাদ নবান্ন সভাঘরে বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হবে। পাশাপাশি তিনটি প্রশাসনিক বৈঠকও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর। প্রথম বৈঠকটি দুপুরে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে প্রথমে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তিনি। এর পর বিকেল ৪টে নাগাদ সব জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক। বিকেল ৫টা নাগাদ ডিজি, এডিজি আইনশৃঙ্খলা, সিপি ও এসপিদের নিয়ে বৈঠক করবেন শুভেন্দু।

  • CM Suvendu Adhikari: মমতার নেমপ্লেট সরিয়ে বিধানসভায় বসল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নাম, ১৫ বছর পর আমূল বদলের ছবি

    CM Suvendu Adhikari: মমতার নেমপ্লেট সরিয়ে বিধানসভায় বসল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নাম, ১৫ বছর পর আমূল বদলের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর সঙ্গে বিধানসভাতে (West Bengal Assembly) পরিবর্তন লক্ষ্য করে গেল। যেখানে এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেমপ্লেট ছিল। সেখানে আজ বসানো হল শুভেন্দু অধিকারীর নেমপ্লেট। বাকি ঘরগুলিও খোলা হয়েছে। দফতর নির্ধারিত হওয়ার পরেই সেখানেও নেপপ্লেট বসে যাবে। এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে রাজ্য বিধানসভা চত্বরে। বিধানসভা রং করা থেকে শুরু করে সংস্কারের কাজ চলছে জোরকদমে। বিধানসভাকে মুড়ে ফেলা হচ্ছে গেরুয়া আলোয়৷ ইতিমধ্যেই বসানো হচ্ছে ৩৫০টি আলোর সেট।

    ১৫ বছর পর রাজ্যে পালাবদল…

    ১৫ বছর পর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বিধানসভার ভেতর ও বাইরের সাজসজ্জাও অনেকটা বদলে গিয়েছে। এ বার আর বিরোধী দলনেতা নয়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিধানসভায় প্রবেশ করবেন শুভেন্দু। তাঁর বসার ব্যবস্থাও মুখ্যমন্ত্রীর পুরনো ঘরে। প্রথমে ঠিক হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী বসবেন অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের কথা মাথায় রেখে এবং অন্য কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ঠিক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরেই বসবেন শুভেন্দু। নতুন সরকারের শপথগ্রহণের দিন তোড়জোড় দেখা গেল বিধানসভায়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘর নতুন করে সাজানোর পাশাপাশি জিনিসপত্র গোছগাছের কাজ চলছে। শুক্রবার পর্যন্ত বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ছিল মমতার নামে নেমপ্লেট। শনিবার, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, ওই ঘরে বসল শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেমপ্লেট। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে যে ঘরে বসতেন শুভেন্দু, সেখান থেকে তার নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    বিধানসভায় আমূল পরিবর্তন…

    বিধানসভায় প্রত্যেক দফতরের মন্ত্রীর জন্য বসার নির্দিষ্ট ঘর রয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মলয় ঘটক, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং ফিরহাদ হাকিমরা যে ঘরগুলিতে বসতেন, সেগুলি পরিস্কার করা হয়েছে। এমনকি নেমপ্লেটও বদল করা হয়েছে। প্রায় চার বছর পর খোলা হল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ওই ঘরটি তালাবন্ধ অবস্থায় ছিল। শুক্রবার তালা খুলে ঘরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। বিধানসভার সব ফ্লোরেই পরিবর্তন চোখে পড়েছে। প্রাক্তন সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ, প্রাক্তন ডেপুটি চিফ গভর্নমেন্ট হুইপ দেবাশিস কুমার, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নামফলক স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে খোলা হয়। সরকারি প্রটোকল মেনে ঘরগুলি ‘স্যানিটাইজ’ করছে পিডব্লিউডি বা পূর্ত দফতর। নতুন আসবাবপত্র আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এক আমূল পরিবর্তনের ছবি ধরা পড়ছে বিধানসভার অলিন্দে।

    বিধানসভাতেই তৈরি হবে সিএমও

    এদিকে, বিধানসভাতেই তৈরি হবে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় (Chief Minister’s Secretariat)। এতদিন নবান্ন থেকে সরকার পরিচালনা করতেন মমতা। ২০১৩ সালে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর গঙ্গার ও পারে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যান তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছিলেন, বছর দশেকের মধ্যে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সংস্কারের কাজ শেষ হলে আবার সচিবালয় ফিরবে সেখানে। যদিও তিনি ফেরেননি। তবে বিজেপি নেতৃত্ব আগেই জানিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এসে নবান্ন নয়, রাজ্য সচিবালয় চলবে রাইটার্স বিল্ডিংস বা মহাকরণ থেকেই। তবে, সেখানে সংস্কারের কাজ ৫০ শতাংশও হয়নি। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জন্য নির্দিষ্ট ঘর এখনও তৈরি হয়নি। ফলে যতদিন না তা তৈরি হচ্ছে, ততদিন বিধানসভার বাইরের প্ল্যাটিনাম জুবলি কক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় কাজ করবেন তিনি। সূত্রের খবর, মহাকরণে সংস্কারের জন্য আপাতত মাস ছয়েক বিধানসভা থেকে সচিবালয় চালাতে পারেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় বা সিএমও-র আধিকারিকরা আপাতত বিধানসভার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী স্মারক ভবনে বসবেন বলেই ঠিক হয়েছে। এই ভবনে দু’টি হল, গ্রন্থাগার ছাড়াও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কোনও দপ্তরের মন্ত্রী বা সচিবের সেখান থেকে অফিসে করতে কোনও সমস্যা হবে না। রাইটার্স বিল্ডিংসের সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে গোটা সচিবালয় সেখানে উঠে আসার কথা। তবে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রী না–বসলেও কিছু দফতর সেখানে থাকতে পারে।

  • Income Tax Raid: ইডির পর এবার আয়কর হানা দেবাশিস কুমারের বাড়ি, দফতরে, ভোটের মুখে বিপাকে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী

    Income Tax Raid: ইডির পর এবার আয়কর হানা দেবাশিস কুমারের বাড়ি, দফতরে, ভোটের মুখে বিপাকে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) পর এবার আয়কর দফতর। ভোটের মুখে আরও বিপাকে দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাশিস কুমার (TMC MLA Debasish Kumar)। শুক্রবার ভোরেই দক্ষিণ কলকাতার মনোহরপুকুর রোডে শাসক দলের বিদায়ী বিধায়ক তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র-ইন-কাউন্সিল (MMIC) সদস্য দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে একযোগে এই তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর (Income Tax Raid)।

    ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় রাসবিহারীতে ভোটগ্রহণ

    জানা গিয়েছে, আয়কর দফতরের দুটি দল কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)-এর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে সকাল প্রায় ৬টা থেকে ৬টা ৩০-এর মধ্যে হাজির হয় মনোহরপুকুর রোডে অবস্থিত কুমারের বাসভবন এবং তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্প অফিসে। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। দেবাশিস কুমার বর্তমানে রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ওই কেন্দ্র থেকেই পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় রাসবিহারীতে ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। এই কেন্দ্রে তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী করেছে বিজেপি, যাঁর নাম স্বপন দাশগুপ্ত। এদিকে, তল্লাশির খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেবাশিস কুমারের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল সমর্থকরা সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।

    বেআইনি জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় অভিযান

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি বেআইনি জমি দখল সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এর আগে একই মামলায় একাধিকবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) দেবাশিস কুমারকে তলব করেছিল। গত ১, ৩ এবং ৯ এপ্রিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় এবং তিনি প্রতিবারই হাজিরা দেন। তদন্তকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে, ব্যবসায়ী অমিত গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেবাশিস কুমারের কোনও আর্থিক লেনদেন ছিল কি না। উল্লেখ্য, ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।

    শহরের অন্য প্রান্তে সক্রিয় ইডি

    একদিকে যেমন দেবাশিস কুমারের বাড়ি-দফতরে আয়কর তল্লাশি চলছে, ঠিক একই সময়ে শহরের অন্য প্রান্তে চলছে ইডি অভিযান। শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির একাধিক দল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। এরপর তারা নির্দিষ্ট একটি নির্মাণকারী সংস্থার একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায়। সূত্রের খবর, আর্থিক তছরুপের মামলাকে কেন্দ্র করেই এই অভিযান। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ওই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তখন ইডি দাবি করেছিল, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন রুখতে এবং জমি সংক্রান্ত লেনদেনের তথ্য খতিয়ে দেখতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। সেই তল্লাশি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শুক্রবার ফের ওই নির্মাণকারী সংস্থার দফতর-সহ একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি, সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share