Tag: kolkata rain

kolkata rain

  • Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ছিল অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম। কিন্তু দুপুর গড়াতেই যেন আচমকা বদলে গেল প্রকৃতির মেজাজ। মুহূর্তের মধ্যে কালো মেঘে ঢেকে গেল আকাশ, তারপর শুরু হল ঝোড়ো হাওয়া, প্রবল বর্ষণ এবং একের পর এক বিকট শব্দে বজ্রপাত। বৃহস্পতিবারের কলকাতা যেন সাক্ষী থাকল প্রকৃতির এক বিরল ও রুদ্র রূপের। সাম্প্রতিক অতীতে এত ঘনঘন এবং এত তীব্র বজ্রপাতের অভিজ্ঞতা খুব কমই হয়েছে মহানগরবাসীর। আকাশ চিরে পরপর বিদ্যুতের ঝলকানি এবং কানফাটানো বজ্রধ্বনিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। শহরের বহুতল আবাসন থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট— সর্বত্রই অনুভূত হয় বজ্রপাতের তীব্রতা।

    ঝড়-বৃষ্টিতে কার্যত থমকে শহর

    বৃহস্পতিবার দুপুরের এই আকস্মিক দুর্যোগে কলকাতার স্বাভাবিক জনজীবনে বড়সড় প্রভাব পড়ে। ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, এসপ্ল্যানেড, কলকাতা হাইকোর্ট চত্বর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বজ্রপাতের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পরিবেশ। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসফেরত মানুষ, পথচারী ও নিত্যযাত্রীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে বাধ্য হন। বহু এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। শুধু কলকাতাই নয়, এই ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টিপাতের খবর মিলেছে।

    কেন এত তীব্র বজ্রপাত? ব্যাখ্যা আবহাওয়া দফতরের

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির নেপথ্যে কাজ করছে একাধিক সক্রিয় আবহাওয়াজনিত সিস্টেম। বর্তমানে উত্তর বিহার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর দিয়ে বিস্তৃত হয়েছে। একই সময়ে রাজস্থান থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গ পর্যন্ত মৌসুমী অক্ষরেখাও সক্রিয় রয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আবার বঙ্গোপসাগরের উপরও এই মরশুমের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় হয়েছে। এই সমস্ত আবহাওয়াগত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাবে সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প এবং দিনের তাপমাত্রাজনিত অস্থিরতার ফলে দ্রুত তৈরি হচ্ছে বিশালাকার কিমিউলোনিম্বাস (Cumulonimbus) বা বজ্রগর্ভ মেঘ। এই মেঘ থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে প্রবল বজ্রঝড় এবং ঘনঘন বজ্রপাতের ঘটনা।

    কী সতর্কতা মেনে চলবেন?

    আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ অনুযায়ী—

    • ● বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, ছাদ বা গাছের নিচে দাঁড়াবেন না।
    • ● মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।
    • ● বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকুন।
    • ● ঝড় শুরু হলে পাকা বাড়ি বা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করুন।
    • ● অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।

    সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরে চলা দফায় দফায় বৃষ্টি এবং ঝড়ের কারণে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে আবহাওয়া দফতরের মতে, আপাত স্বস্তির মাঝেও দুর্যোগের আশঙ্কা এখনও কাটেনি। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই পরিস্থিতির জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

    বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে—

    • ● উত্তর ২৪ পরগনা
    • ● দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • ● পূর্ব বর্ধমান
    • ● পশ্চিম বর্ধমান
    • ● বীরভূম
    • ● মুর্শিদাবাদ
    • ● নদিয়া
    • ● পুরুলিয়া
    • ● বাঁকুড়া
    • ● ঝাড়গ্রাম
    • ● পূর্ব মেদিনীপুর

    এই জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে প্রবল বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক

    দক্ষিণবঙ্গে যেখানে মূল উদ্বেগ বজ্রপাত ও ঝড়বৃষ্টি, সেখানে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে অতিভারী বৃষ্টির কারণে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় আগামী কয়েকদিনে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০ সেন্টিমিটারও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস। অতিভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা, তোর্সা, বালাসন-সহ একাধিক পাহাড়ি নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জল জমা, নদী উপচে পড়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় লাল ও কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তাল সমুদ্র, মৎস্যজীবীদের সতর্কবার্তা

    শুধু স্থলভাগ নয়, বঙ্গোপসাগরও বর্তমানে উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। উত্তর ওড়িশা উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদ বন্দরে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের স্পষ্ট বার্তা, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে বজ্রঝড় ও বৃষ্টির এই অস্থির আবহাওয়া বজায় থাকবে। ফলে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

  • Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই বৃষ্টির ছোঁয়া। রাতভর বৃষ্টি হল কলকাতায়। শনিবার সকাল থেকেও আকাশের মুখ ভার। রোদ ওঠেনি। উল্টে ঝিরঝির বৃষ্টি হয়ে চলেছে। কয়েকদিন এমন আবহাওয়া (Rain in Bengal) থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও দেখা দিতে পারে শিলাবৃষ্টি। সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্রও আপাতত দু’দিন উত্তাল থাকবে। ঘূর্ণাবর্তের কারণেই শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর (Weather Update)।

    দক্ষিণবঙ্গে ধারাপাত

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি রয়েছে। বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু অঞ্চলে আজ ঝড়ো হাওয়ার গতি আরও বেশি হতে পারে- ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সেই সঙ্গে থাকতে পারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও। কলকাতা ও বাকি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (West Bengal Today) দমকা হাওয়ার গতি ৫০-৬০ কিমির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। রবিবারও বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে দক্ষিণবঙ্গে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রবিবার হালকা বৃষ্টিপাত (Weather Update) দেখা যেতে পারে।

    রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশের উপর এবং ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সেখান থেকে একটি অক্ষরেখা মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ হয়ে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। তা গিয়েছে ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণ অসমের উপর দিয়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অক্ষরেখাটির উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

    ঠান্ডা হাওয়ার দাপট

    ঝড়বৃষ্টির (Rain Forecast) কারণে এক ধাক্কায় কলকাতার পারদ নেমে গিয়েছে ছ’ডিগ্রি। শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে তা হয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও যা ৪.৪ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু’দিন পারদ নামার পর ফের তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। মালদা, উত্তর দিনাজপুর-সহ উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলবে।

  • Weather Update: রাতভর বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতা! ঘূর্ণাবর্তের জেরে শক্তি বাড়ল নিম্নচাপের, চলবে দুর্যোগ

    Weather Update: রাতভর বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতা! ঘূর্ণাবর্তের জেরে শক্তি বাড়ল নিম্নচাপের, চলবে দুর্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক রাতের বৃষ্টিতেই (Weather Update) জলমগ্ন কলকাতা। বিপর্যস্ত শহরের স্বাভাবিক জীবন। উত্তর-থেকে দক্ষিণ, মধ্য কলকাতা কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও আবার গোড়ালি পর্যন্ত জল। ফিয়ার্স লেন, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, নর্থ পোর্ট থানা লাগোয়া এলাকা-সহ বেশ কিছু জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কাঁকুড়গাছি, পাতিপুকুর এবং উল্টোডাঙা আন্ডারপাসেও জল জমেছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে আজ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির (Rain in Kolkata) সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি চলবে। জেলার কিছু অংশে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে।

    জলমগ্ন উত্তর থেকে দক্ষিণ

    কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, প্রবল বৃষ্টির (Rain in Kolkata) সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি চলবে। জেলার কিছু অংশে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটাফলে ঠনঠনিয়া, কলেজ স্ট্রিট, বৌবাজারের একাংশ থেকে শুরু করে বেহালা, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াবুরুজ-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জল জমেছে। এই সব এলাকা থেকে জল বার করার চেষ্টাও শুরু হয়েছে। তবে যেহেতু অনেক ক্ষণ ধরে বৃষ্টি হচ্ছে, তাই জল নামতে দেরি হচ্ছে। বিভিন্ন গলিপথগুলি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। তবে, মাত্র এক রাতের বৃষ্টিতেই এত জল জমা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে শহরবাসীর মনে। মঙ্গলবারও সারাদিন ধরেই কমবেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেলে জল জমার পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

    গাঙ্গেয় বঙ্গের উপর রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত

    রাজ্যে এই মুহূর্তে বর্ষার (Rain in Kolkata) সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি চলবে। জেলার কিছু অংশে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটাবাতাস অত্যন্ত সক্রিয়। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় বঙ্গের উপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং দু’টি অক্ষরেখা। এর প্রভাবেই বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অংশে। কলকাতাতে সোমবার রাত থেকে নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে। এর ফলে শিয়ালদহ মেইন শাখাতেও কিছু জায়গায় লাইনে জল জমতে শুরু করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বেশ কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে চলাচল করছে বলে খবর। ফলে সকালের বৃষ্টির দুর্ভোগের মধ্যে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে অফিসযাত্রীদের। রাস্তাতেও জল জমে থাকার কারণে গাড়ি ধীরে চলাচল করছে। শহরের বেশ কিছু জায়গায় ফুটপাথও জল জমে গিয়েছে। ফলে পথচারীদেরও রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

    কতদিন পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি

    দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি (Weather Update) হতে পারে উত্তরবঙ্গে। একই অবস্থা বজায় থাকবে হিমালয় সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিকিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। কলকাতায় আজ মূলত মেঘলা আকাশ থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। শনিবার থেকে ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে।

     

  • West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের জেরে বঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি, মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের জেরে বঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি, মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী কয়েক দিন বর্ষা হবে বঙ্গ জুড়ে। স্বস্তির বৃষ্টি বেশ কয়েকদিন স্থায়ী হবে এমনটাই পূর্বানুমান আবহাওয়া দফতরের। একাধিক জেলায় (West Bengal Weather Update) দুর্যোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে রাজ্যে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে ঘনিয়েছে নিম্নচাপ। যা উড়িষ্যার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে বঙ্গেও বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    ২১ জুলাইয়ের সভা নিয়ে চিন্তা শাসকের (West Bengal Weather Update)

    উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলা সহ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাকি জেলায় মাঝারি বৃষ্টি হবে (West Bengal Weather Update) বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ২০ এবং ২১ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের অনুমান ২১ জুলাই কলকাতায় (Kolkata Weather) ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে নামবে ভক্তদের ঢল, বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল

    সে ক্ষেত্রে ২১ জুলাইয়ের সভা পণ্ড হওয়ার একটি সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবছর রাজ্যের শাসক দল ২১ জুলাই কলকাতায় একটি সমাবেশ করে থাকে। বৃষ্টির জেরে সমাবেশ নিয়ে চিন্তিত শাসক শিবির।

    মৎস্যজীবীদের সুমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উত্তরের অংশ ঝঞ্ঝাপূর্ণ হবে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে হাওয়া বইবে সমুদ্র ও উপকুলে। ১৯ থেকে ২২ জুলাই ঝঞ্ঝা থাকবে সমুদ্রে। সেই সময় (West Bengal Weather Update)  সাগর অত্যন্ত চঞ্চল থাকবে। এই সময় মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।   

  • Cyclone Michaung: আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! তাণ্ডব অন্ধ্রপ্রদেশে, বাংলায় বুধবার থেকে বৃষ্টি

    Cyclone Michaung: আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! তাণ্ডব অন্ধ্রপ্রদেশে, বাংলায় বুধবার থেকে বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থলভাগে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর এবং মছলিপত্তনমের মাঝে বাপাটলা উপকূলে দুপুরে স্থলভাগে প্রবেশ করে মিগজাউম। অন্ধ্রের নেল্লোর এবং মছিলিপত্তনমের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে ভূভাগে প্রবেশ করছে ঘূর্ণিঝড়টি। এই আবহে অন্ধ্র উপকূলে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। দমকা হাওয়ার বেগ ১১০ কিমিতে পৌঁছে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ অন্ধ্রের জন্য লাল সতর্কবার্তা জারি করেছে হাওয়া অফিস। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশে জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।

    সতর্কতা জারি

    মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব চলল অন্ধ্র উপকূলে। দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের ল্যান্ডফলের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘূর্ণিঝড়টি প্রবেশ করে নেল্লোর এবং মছিলিপত্তনমের মাঝামাঝি জায়গা দিয়ে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি, নেল্লোর, প্রকাশম, বাপতালা, কৃষ্ণ, পশ্চিম গোদাবরী, কোনাসীমা ও কাকিনাড়া জেলায়। তেলঙ্গানার বহু জায়গাতেও আজ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে অন্ধ্রপ্রদেশে উপকূলে। জারি হয়েছে সতর্ককা। মঙ্গলবার উপকূলবর্তী সব এলাকাতেই ভারী বৃষ্টি হবে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে চলেছে। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন। অন্যদিকে একাধিক বিমান বাতিল করেছে উড়ান সংস্থাগুলি। গতকাল চেন্নাইয়ে বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছিল। 

    কথা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মিগজাউম আছড়ে পড়ার আগেই টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, পুদুচেরির বিস্তীর্ণ এলাকা। তেলঙ্গানা ও ওড়িশাকেও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া দফতরের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সমস্ত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যাপ্ত জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।  জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার আগেভাগেই আটটি জেলায় সতর্কতা জারি করেছে। তিরুপতি, নেলোর, প্রকাশম, বাপটলা, কৃষ্ণা, পশ্চিম গোদাবরি, কোনসিমা এবং কাকিনাদায় সকলকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। পুদুচেরির উপকূলীয় অঞ্চলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বাড়ির বাইরে বেরতেই বারণ করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। 

    আরও পড়ুন: কলকাতায় শুরু বৃষ্টি! ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর পরোক্ষ প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে

    বাংলায় প্রভাব

    মিগজাউমের প্রভাব পড়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা বঙ্গে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। হলুদ সতর্কবার্তা জারি রয়েছে বাংলা এবং ওড়িশা উপকূলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    Dengue Update: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, তার ওপর টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা। শহরবাসীর এই বিপদের দিনে কলকাতায় নেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মহানাগরিক গিয়েছেন দিল্লিতে। দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে। তাঁর ডেপুটি অতীন ঘোষও ধর্না দিতে রয়েছেন দিল্লিতে। শহরবাসীর নিরাপত্তা যেখানে প্রশ্নের মুখে সেখানে রাজধানীতে নিজেদের স্বার্থ গোছাতে ব্যস্ত ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) এবং ডেপুটি মেয়র তথা মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) অতীন ঘোষ (Atin Ghosh)।

    শহরে ফের ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু

    পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। কলকাতায় ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। পাটুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক ১০ বছরের বালিকার মৃত্যু হল। মৃতার নাম তিথি হালদার। শনিবার জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তিথিকে। আজ সকালে বালিগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক সপ্তাহে শহরে ৯৭৭ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। গত দু’দিন ধরে বৃষ্টি হওয়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে, বলে মনে করা হচ্ছে। 

    জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা

    মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। বিক্ষিপ্ত ভাবে জল জমেছে আর এন মুখার্জি রোড, মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন ইস্টার্ন রোড এবং বিবাদী বাগের বেশ কিছু অংশে। অবিরাম বর্ষণের কারণে জলে ডুবে রয়েছে মহাত্মা গান্ধী রোড এবং রবীন্দ্র সরণীর একাংশ। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউের মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, মহাত্মা গান্ধী রোড থেকে হাওড়া যাওয়ার রাস্তা এবং কলেজ স্ট্রিটের কাছে বেশ কয়েকটি অংশে বৃষ্টির জল জমে রয়েছে। আর্মহার্স্ট স্ট্রিট এবং কেশবচন্দ্র স্ট্রিটেরও বেশ কিছু অংশ জলমগ্ন থাকায় তীব্র যানজট এবং যাত্রীদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। যাতায়াতের পথে জল জমায় সমস্যার মুখে পড়েছেন ওই রাস্তাগুলি সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষ।কলকাতার পাতিপুকুর এবং কাঁকুড়গাছি আন্ডারপাসে জল জমেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির জলে ডুবে গিয়েছে দমদমের বিভিন্ন এলাকাও। বৃষ্টির জল জমে বেহাল অবস্থা বেহালার শকুন্তলা পার্কের আশপাশের বেশ কয়েকটি রাস্তার। বিভিন্ন জায়গায় জল জমে থাকায় ডেঙ্গির মশা বংশ বিস্তার করতে পারে বলে অনুমান।

    আরও পড়ুুন: ‘বালি মাফিয়াদের জন্য রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি, কোনও নজরদারি নেই’, তোপ আলুওয়ালিয়ার

    মেয়র কেন দিল্লিতে

    ডেঙ্গি আতঙ্ক ও বৃষ্টির জোড়া ফলায় শহরবাসী যখন ঘায়েল,  তখন দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে গিয়েছেন মেয়র ও ডেপুটি মেয়র। এমনকী, কলকাতার (Kolkata) একাধিক কাউন্সিলর থেকে শুরু করে বোরো চেয়ারম্যান বেশিরভাগই দিল্লিতে গিয়েছেন। আর এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরাও। তাদের বক্তব্য, ডেঙ্গি-ত্রাসের মধ্যে মেয়র, ডেপুটি মেয়র-সহ অধিকাংশ পুর-প্রতিনিধির দিল্লি-অভিযান অত্যন্ত বেমানান। এর ফলে শহরের ডেঙ্গি পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এ প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, ‘মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের কলকাতার বাইরে থাকার অর্থ, ডেঙ্গি আরও ভয়াবহ চেহারা নেবে। মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) মশা মারতে ড্রোন ওড়াচ্ছেন। আর যখন তাঁর কলকাতায় বেশি করে থাকার কথা, তখনই তিনি উধাও!’ বিরোধীরা মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের পদত্যাগও দাবি করেন। বিরোধীদের কথায়, ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য তথা কলকাতা পুরসভার কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অথচ, মেয়র, ডেপুটি মেয়র দিল্লিতে ছুটি কাটাচ্ছেন!

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৪-৫ দিন চলবে বৃষ্টি

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৪-৫ দিন চলবে বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ৪-৫ দিন ধরে বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গে। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হয়েছে শহরে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা যে কারণে জলমগ্ন। ফলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও সমস্যা হচ্ছে। যানজটের সমস্যা হচ্ছে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে শহরে।

    কোন কোন রাস্তা জলমগ্ন

    কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জল জমেছে থিয়েটার রোড, এজেসি ফ্লাইওভার, এজেসি বোস রোড, বর্ধমান রোডে। এছাড়া সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড ও কলেজ স্ট্রিটের বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। আমহার্স্ট স্ট্রিট এবং বিধান সরণিতেও জল দাঁড়িয়েছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকাতেও জল। প্রবল বৃষ্টিতে জল জমেছে দমদম এবং উল্টোডাঙা আন্ডারপাসেও। দক্ষিণ কলকাতারও কিছু এলাকাতে জল জমেছে। গোলপার্ক, গড়িয়াহাট এবং কসবায় হালকা জল জমেছে। বেহালার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল রয়েছে বলে খবর।

    হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    কলকাতায় মূলত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। বৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত। তবে স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকেও বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে এখনই কলকাতায় তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হবে না। আলিপুরের হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার কলকাতায় সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৪২.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বিকেলেও বৃষ্টি চলতে পারে। এই মুহূর্তে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যার অবস্থান উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর। মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের ওপরে রয়েছে। ঘূর্ণাবর্তের জন্য প্রচুর মেঘ তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের উপর। এর ফলে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনায়।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তের জাল গুটিয়ে আনছে ইডি, নোটিশ ১২টি পুরসভাকে

    উত্তরবঙ্গে আগামী চার পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। যেহেতু ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরের উপর তাই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হবে আগামী ৪-৫ দিন। দক্ষিণবঙ্গে আগামী চার-পাঁচ দিন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। আগামী রবিবার দক্ষিণবঙ্গের পাঁচটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে আলিপুর। তবে কলকাতায় এই মুহূর্তে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share