Tag: Kolkata

Kolkata

  • West Bengal Weather: স্বস্তির দিন ফুরিয়ে আসছে! আবার গরমে নাজেহাল হবে বাংলা

    West Bengal Weather: স্বস্তির দিন ফুরিয়ে আসছে! আবার গরমে নাজেহাল হবে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : স্বস্তির দিন ফুরিয়ে আসছে। আবার বাড়বে গরম। নাজেহাল হবে বাংলা। এপ্রিলের শুরু থেকেই অসহ্য গরমে বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো প্রতীক্ষায় ছিল মানুষ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর অবশ্য পূর্বাভাস দিয়েছিল গত সপ্তাহ থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। সেই মতোই নামে বৃষ্টি। ফলে তীব্র দহনের পর স্বস্তি এনে দিয়েছিল সেই বৃষ্টি। গত কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির প্রায় সর্বত্রই কমবেশি ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। যার প্রভাবে একধাক্কায় কমেছে অনেকটা তাপমাত্রা। কিন্তু বৃষ্টির এই স্বস্তি সাময়িক ছিল। আলিপুর আহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামীকাল সোমবার ১৩ মে থেকে আহাওয়ার (West Bengal Weather) কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।  ধীরে ধীরে চড়তে শুরু করবে পারদ। সর্বত্রই তিন থেকে চার ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে নীচেই রয়েছে তাপমাত্রা। বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে কিছু কিছু জায়গায়। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টির পূর্বাভাস? (West Bengal Weather) 

    দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ অংশেই হলুদ সতর্কতা থাকছে। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্যের (West Bengal Weather) বাকি জেলাগুলিতেও থাকছে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে সেখানে ঝোড়ো হাওয়ার গতি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার থাকবে। তবে কলকাতা (Kolkata Weather), হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামে রবিবারের পর আর ঝড়বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।
    অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও রয়েছে ঝড়বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা। উত্তরবঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া কোনও কোনও জায়গায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় কিছু কিছু স্থানে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। সেকারণে ওই জেলাগুলিতে জারি থাকছে হলুদ সতর্কতা।  

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    কলকাতার আবহাওয়া (Kolkata Weather)

    রবিবার সকাল থেকেই কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ। যদিও বেলা বাড়লে সম্পূর্ণ মেঘলা আকাশের দেখা মিলেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে বিকেলের দিকে শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইবে। এরপর সোমবার থেকে আবার ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। তবে রবিবারে শহর কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম। আর দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৭ ডিগ্রি কিম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    Weather Update: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গগনে গরজে মেঘ”! আজ, ২৫ বৈশাখ, শহরের আকাশে কালো মেঘের দল ভেসে বেড়াচ্ছে। কবিগুরুর জন্মদিনে ধারা-স্নানে স্নিগ্ধ হয়েছে ধরিত্রী। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টার কিছু পরেই কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। বুধবার সকালেও বইছে ঝোড়ো হাওয়া। টানা তাপপ্রবাহের পর দুদিনের বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া এবং রাতের কালবৈশাখীর জেরে কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা নেমেছে কয়েক ধাপ। শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও তাপপ্রবাহের সতর্কতা নেই।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    মঙ্গলবার রাজ্যের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টি (Weather Update) হওয়ার কথা থাকলেও সারা দিন তার দেখা মেলেনি। তবে সারা দিন তাপমাত্রা ছিল বেশ কম। আর্দ্রতার কারণে কিছুটা ভ্যাপসা ছিল আবহাওয়া। তবে গত কয়েক দিন যে গরম ছিল, সেই তুলনায় আবহাওয়া ছিল অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল-সহ বেশ কিছু জায়গায় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে রাত প্রায় ৯টা নাগাদ হয়েছে ঝড়বৃষ্টি। পূর্ব বর্ধমানেও বৃষ্টি হয়েছে। বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় হয়েছে অল্প বৃষ্টি। ঝাড়গ্রামের দিকে রাত সাড়ে ১১টার পর হয়েছে বৃষ্টি। উত্তরের বেশির ভাগ জেলাতেই মঙ্গলবার হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতায় বৃষ্টি শুরু হয় মাঝ রাতে। 

    বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বুধবার ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তাপমাত্রা আরও প্রায় ১-২ ডিগ্রি করে কমতে পারে প্রায় সব জেলায়। এমনটাই বলছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার ফের বৃষ্টি বাড়বে। সেদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলাতে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে বীরভূম মুর্শিদাবাদ নদিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে এবং উত্তরবঙ্গের মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলাতে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়া। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড় হবে পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতে এবং উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ঝড়ের সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    কেন বৃষ্টি

    বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা বর্তমানে ওড়িশা থেকে রাজস্থান পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অক্ষরেখা ছত্তীসগঢ় এবং মধ্যপ্রদেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে। এর টানেই প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। আবহাওয়া দফতরের তরফে আগামী ২৪ ঘন্টা সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।  আজও মৎস্যজীবীদের দীঘার উপকূলে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে। সমুদ্রের ভেতরে ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সমুদ্র উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    Weather Update: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে তীব্র গরম থেকে মুক্তির অপেক্ষায় রাজ্যবাসী। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরশুর পর থেকে তাপপ্রবাহের কবলের বাইরে চলে যাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। দহনজ্বালা থেকে মুক্তি পাবে দক্ষিণবঙ্গ। এতদিনে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সোমবার রাজ্যের সব জেলায় বৃষ্টির (Rain fall) সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় আগামিকাল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার কলকাতাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টির পূর্বাভাস? (Weather Update) 

    সোমবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও শনিবার থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, হুগলি ছাড়াও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার থেকেই হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনায়। 

    দহনজ্বালা থেকে মুক্তি দক্ষিণবঙ্গে 

    আবহাওয়া দফতর মনে করছে, এই বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। তবে এখনই নিস্তার মিলবে না ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও বীরভূমে। শনিবার পর্যন্ত চলবে তীব্র তাপপ্রবাহ। কিন্তু রবিবারের পর গোটা রাজ্যেই ৪০ ডিগ্রির নীচে নামবে পারদ (Weather Update)। এমনই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    আরও পড়ুন: গিলগিট বালতিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! খাদ থেকে বাস গড়িয়ে মৃত ২০, আহত ২১

    শহরের আবহাওয়ার আপডেট (Weather Update) 

    কলকাতায় (Kolkata) শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    তবে এই বৃষ্টি তাপপ্রবাহ কে পরবর্তী কতদিন ঠেকিয়ে রাখতে পারবে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে উষ্ণ এবং জলীয় হাওয়ার সংঘাতে কতটা ঘন মেঘ তৈরি হচ্ছে তার ওপর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাতে শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাতে শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মেট্রোর(Kolkata Metro) সময় বাড়ানো নিয়ে কলকাতা মেট্রো রেলকে বিবেচনা করতে বলল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। ‘শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হোক’-কদিন আগে এই আবেদন জানিয়েই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন আকাশ শর্মা নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি ছিল ডিভিশন বেঞ্চে। 

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ (Calcutta High Court) জানায়, অন্য শহরে রাত ১১টা পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যায়। বিশাল সংখ্যক মানুষ কলকাতায় কাজ করেন। কিন্তু অনেকে শহর থেকে অনেক দূরে থাকেন। তাঁদের কথা ভেবে শেষ মেট্রোর (Kolkata Metro) সময় বাড়ানো যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে হবে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নিলেন, তা জনস্বার্থ মামলাকারীকে চার সপ্তাহের মধ্যে জানিয়ে দিতে হবে বলেও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে।

    যাত্রীদের সমস্যা (Calcutta High Court)

    কলকাতা মেট্রোয়(Kolkata Metro) ব্লু লাইন অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত শেষ মেট্রো ছাড়া রাত্রি সাড়ে দশটা নাগাদ। তারপর আর আর কোনও মেট্রো না থাকায় কাজ সেরে বাড়ি ফিরতে বিকল্প পথ ধরতে হয় যাত্রীদের। ফলে ঘুর পথে বাড়ি ফিরতে কার্যত অসুবিধায় পড়ে যাত্রীরা। আসলে মেট্রোরেলে যে রাস্তা এক ঘণ্টায় যাতায়াত করা যায়, সেই রাস্তাই অন্য যানে যেতে অনেক বেশি সময় লাগে। তাই আরও একটু বেশি সময় মেট্রো রেলের পরিষেবা বাড়ানো গেলে অনেক যাত্রীই সুবিধ পাবেন, এই আবেদন রেখেই মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে।  

    আরও পড়ুন: এপ্রিলে রেকর্ড কালেকশন জিএসটির! সরকারি কোষাগারে ঢুকল ২ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা

    মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য 

    যদিও এ প্রসঙ্গে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই কারণেই শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হচ্ছে না। তবে আদালতের এই নির্দেশের (Calcutta High Court) পর মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ(Kolkata Metro) তাদের সিদ্ধান্ত বদলায় কিনা এখন সেটাই দেখার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Load Shedding: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    Kolkata Load Shedding: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই গরমের জ্বালায় নাজেহাল জীবন। ফ্যানের তলা থেকে ১ সেকেন্ডের জন্যেও সরা দায়। আর এই গরম পড়তেই লোডশেডিং (Load Shedding) জ্বালায় কার্যত বেহাল অবস্থা শহরবাসীর। তবে শুধু গ্রাম বা জেলা নয়, জেলার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শহরেও লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণাও। এমনই পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল  দক্ষিণ দমদম (South dumdum) পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দাড়ির নেহেরু কলোনি। 

    রাতভোর বিদ্যুৎহীন এলাকা (Load Shedding) 

    সোমবার রাতভোর বিদ্যুৎহীন (Load Shedding) ছিল দক্ষিণ দমদম পৌরসভা এলাকার একাংশ। ফলে এই গরমে ঘরে থাকতে না পেরে সারারাত জেগে হাত পাখা নিয়ে রাস্তাতেই বসে ছিলেন মহিলারা। ফলে নিদ্রাহীন রাত কাটিয়ে চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    একাধিকবার সিইএসসির কাস্টমার কেয়ারে (CESC customer care) ফোন করেও মেলেনি সাড়া। এমনই অভিযোগ এলাকাবাসীর। ফলত, গরমের মধ্যে চরম বিপাকে স্থানীয় মানুষজন। এ প্রসঙ্গে শঙ্করী বসু নামের এক বৃদ্ধা বলেন, “কালকে কারেন্ট গিয়েছে। সারা রাত জেগে বসে আছি। এখনও লোডশেডিং (Load Shedding)। সারা রাত ঘুম হচ্ছে না। ছেলেরা কাজে যেতে পারছে না। দু’দিন ছাড়া ছাড়া কারেন্ট যাচ্ছে। সিইএসসি কোনও উত্তরই দিচ্ছে না।” 

    আরও পড়ুন: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    সিইএসসির দাবি

    তবে অত্যাধিক পরিমাণে অনুমোদনহীন এসি ব্যবহার এই সমস্যার মূল কারণ বলেই জানিয়েছে সিইএসসি। সিইএসসি-র সূত্রে খবর, এসি-র জন্য যা আবেদন জমা পড়ে বাজারে বিক্রি হয় তার থেকে বেশি। অধিকাংশেরই অনুমোদন নেই। ফলে অনুমোদনহীন এসি গুলির বাড়তি লোডই বহু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন (Load Shedding) হওয়ার অন্যতম কারণ।

    তবে এটাই প্রথমবার নয়। গরম পড়লে প্রতিবছরই এই সমস্যার সম্মুখীন হয় শহরবাসী। আসলে নিজেদের ভালো থাকার জন্য অনুমতি ছাড়া এসি লাগাচ্ছে সবাই। আসলে এসি লাগাতে গেলে তার আগে অনুমতি নিতে হয় কিন্তু সে তো অনেক হ্যাপা তাই অনুমতি ছাড়াই এসি লাগাচ্ছে অনেকে। আর তার জেরেই প্রত্যেক রাত বিদ্যুৎহীন (Load Shedding)ভাবে কাটাচ্ছে শহরবাসীর। শুধুমাত্র বিদ্যুৎহীন থাকাই নয় কখনো কখনো দীর্ঘ সময়ের জন্য লো ভল্টেজের সমস্যারও সম্মুখীন হচ্ছে শহরবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে লাল মাটির দেশের অবস্থা আরও বেহাল। বাঁকুড়ার (Bankura Weather) তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি পার করেছে ইতিমধ্যেই। সকাল থেকেই হুহু করে বেড়েছে পারদ। বর্ষার কোনও খবর নেই আগামী সাতদিনে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই হাল থাকলে আগামী দিনে ঘরেও টেকা দায় হয়ে উঠবে। এমতাবস্থায় বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় মাইক প্রচার চালাচ্ছে পুলিশ। তাঁদের তরফ থেকে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে খোলা হয়েছে জলছত্র।

    ১০টা থেকে ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় না বের হওয়ার পরামর্শ (Bankura Weather)

    বাঁকুড়ায় (Bankura Weather) এমনিতেই গরমে নাজেহাল মানুষ। তার উপর এদিন সকাল থেকেই এতটাই রোদের তেজ যে বাইরে বের হলেই মুখ হাত পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। গরম হলকায় চোখ মুখ পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। বাইরে বেরোলেই নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা অনুভব করেছেন বহু মানুষ। বাইরে বেরিয়ে অসুস্থ বোধ করেছেন অনেকে। পুলিশের তরফ থেকে জেলা জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট। মাইকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় মানুষকে না বের হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আরও জানা গেছে গরমে বাঁকুড়ার বিভিন্ন জঙ্গলে আগুন লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বসন্ত থেকে মনসুনের আগে পর্যন্ত বাঁকুড়ার জঙ্গলে গাছের পাতা পড়া অব্যাহত থাকতে। শুকনো পাতায় আগুন লেগেছে দেখলেই দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে অনুরোধ করা হচ্ছে পুলিশের তরফ থেকে। জঙ্গলে গিয়ে বিড়ি সিগারেট খেতে নিষেধ করা হচ্ছে স্থানীয় মানুষকে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    বিষ্ণুপুরের (Bankura Weather) এসডিও সুপ্রকাশ দাস বলেছেন, “প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ যেতে না বের হন তাঁর জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। বিভিন্ন থানার পক্ষ থেকে জলছত্র খুলতে বলা হয়েছে। যে সকল পুলিশ রাস্তায় ডিউটি করছেন তাঁদের ওআরএস ও জল সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। ছাতা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। গরমের সময় জঙ্গলে আগুন লাগার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবারও কয়েকটি জায়গায় আগুন লক্ষ্য করা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC recruitment Verdict: প্রায় ২৬ হাজার বাতিল চাকরির মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টে, সোমেই শুনানি

    SSC recruitment Verdict: প্রায় ২৬ হাজার বাতিল চাকরির মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টে, সোমেই শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায় (SSC recruitment Verdict) দেবে দেশের শীর্ষ আদালত। মামলার শুনানির দিনক্ষণ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট একসঙ্গে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর নিয়োগ বাতিল করেছে। কলকাতা হাই কোর্টের (calcutta high court) চাকরি বাতিলের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এরপর সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সোমবারই সেই মামলারই শুনানি হতে পারে।

    প্রধান বিচারপতির বেঞ্চই শুনবে এই মামলা (SSC recruitment Verdict)

    শনিবার সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানানো হয়, আগামী সোমবার, ২৯ এপ্রিল এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল (SSC recruitment Verdict) মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ শুনবে এই মামলা। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে থাকবেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। সূত্রের খবর, সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে।

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC recruitment Verdict) বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ঐতিহাসিক রায়দানের পরই ২০১৬ সালের নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি ও ডি-এর সব নিয়োগ বাতিল করা হয়। পাশাপাশি অনিময় করে যারা চাকরি পান তাঁদের চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ হারে সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়েছে। হাই কোর্টের (calcutta high court) চাকরি বাতিলের এই রায়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এরপর বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছিল স্পেশাল লিভ পিটিশনও।

    আরও পড়ুন: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বাগুইআটিতে খুন তৃণমূল কর্মী! পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ, আটক ১৩

    ৩ মে শুনানি

    যদিও আগে জানা গিয়েছিল আগামী ৩ মে এসএসসি মামলায় (SSC recruitment Verdict) শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এদিন চূড়ান্ত দিন স্থির করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, সোমবার এসএসসি দুর্নীতি (SSC Scam) মামলার রায়দান করতে গিয়ে হাইকোর্ট জানায়, বারংবার যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা কমিশনের কাছে চাওয়া হলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেনি। বাধ্য হয়ে আদালতকে গোটা প্যানেল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুশহরকে টেক্কা দিয়ে রেকর্ড গড়ছে কলকাতার গরম। পাশাপাশি বিদ্যুতের (Electricity Crisis) চাহিদা ব্যাপক আকার নিয়েছে। সিইএসসি এবং বণ্টন সংস্থার সর্বকালীন চাহিদা এখন শীর্ষে। শহর কলকাতার নাগরিকদের একটা বড় অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেই বিদ্যুৎ। চরম গরমে নাকাল মানুষের জীবন। অথচ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ জোগানের ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে। কিন্তু মানুষের জীবন নাজেহাল।

    পথ অবরোধ বেলগাছিয়ায় (Electricity Crisis)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কাল শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলগাছিয়া লাল ময়দান এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করেছিলেন। সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ তাঁরা বেলগাছিয়া সেতুর কাছে মূল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করেন। ফলে সাময়িক ভাবে রাস্তায় বেশ কিছু সময়ের জন্য যানজট হয়ে যায়। এমনকী আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় রোগীদের। অবশেষে সকাল ৯ টার সময় পুলিশ কোনও রকম বুঝিয়ে অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    এলাকার এক বাসিন্দা মহম্মদ এতেশাম নামে এক অবরোধকারী বলেন, “গত তিন দিন ধরে পরিস্থিতি একদম খারাপ। বিদ্যুৎ (Electricity Crisis) এই থাকে এই নেই। সিইএসসি-কে বার বার ফোন করেও লাভ হচ্ছে না। গত বছর এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থার তাতে কিছুই যায় আসে না। এই বছর অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। তাই মানষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন।” আবার বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বয়স্ক মাকে দিনে চারবার নেবুলাইজার নিতে হয়। বেলা ১১ টায় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। নেবুলাইজারে ওষুধ তখন অর্ধেক ব্যবহার করা গিয়েছিল। পরে যতক্ষণে বিদ্যুৎ এসেছিল ততক্ষণে সেই ওষুধ ব্যবহার করার সুযোগ হয়নি। তীব্র গরমে প্রশাসনের উচিত মানুষের অসুবিধাগুলিকে নজরে রাখা।”

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির বক্তব্য

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে ডব্লউবিএসইডিসিএল জানিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা পৌঁছেছিল ৯৯৩৫ মেগাওয়াট। যা ছিল সর্বকালীন রেকর্ড। আবার গত বছর সর্বোচ্চ চাহিদা পৌঁছেছিল ৯২০০ মেগাওয়াট। গতবারের ১৮ জুনের চাহিদা এবারে এপ্রিল মাসেই ছাপিয়ে গিয়েছে। আবার শুক্রবার ৩ টে ১৫ মিনিটে সিইএসসি সবথেকে বেশি চাহিদা ছিল ২৭২৮ মেগাওয়াট। যা এই বছরের সবথেকে বেশি চাহিদা। একই ভাবে গত বছর ১৬ জুন এই চাহিদার পরিমাণ ছিল ২৬০৬ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা ভালো ভাবেই মেটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। তবে গরম বাড়লে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে এটাও স্বাভাবিক। ফলে গত বছরের চাহিদাকে মাথায় রেখে এই বছর কেন অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তাই মানুষের মনে বড় প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন:চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, “জোগানে (Electricity Crisis) কোনও খামতি নেই। কয়েকমাস আগে থকেই সেই দিকে আমরা নজরে রেখেছি। সিইএসসি সংস্থার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয় সেই দিকে আমরা নজর দেওয়ার চেষ্টা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির পথ চেয়ে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু এখনই বৃষ্টির কোনো রকম আশা দেখাতে পারছেনা আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আপাতত এই পরিস্থিতিই চলবে আরও বেশ কয়েকদিন। মে মাসের শুরুতেও থাকবে এই দহন-জ্বালা। রবিবারেও দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি তাপপ্রবাহের থাবা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। রবিবার উত্তরবঙ্গের ৩টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

    উত্তরে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Heatwave)

    দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে অবশ্য হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়িতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া দিতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও জলপাইগুড়িতে স্বস্তি মিলবে না। অন্যদিকে দক্ষিণদিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যহত

    তবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে দুর্বিষহ (Heatwave) পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ১ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলায়-জেলায় তাপপ্রবাহের দাপট জারি থাকবে। কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হবে, কোথাও আবার টানা তাপপ্রবাহের জেরে আরও নাকাল পরিস্থিতি তৈরি হবে। দক্ষিণবঙ্গে ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতা (kolkata) সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ চলবে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহ টের পাওয়া যেতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই জেলাগুলিতে বইবে লু। এর ফলে চরমে উঠবে আবহাওয়া। পশ্চিমের সব জেলাতেই শুকনো গরমের সতর্কতা জারি। কলকাতা সহ উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে দুপুরে লু এর পরিস্থিতি বাকি সময়ে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই

    উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের (Heatwave) কারণে ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা (Temperature)। আপাতত এই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই। অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বই কমবে না। তবে শুধু পশ্চিমাঞ্চলই নয় দক্ষিণবঙ্গেও  (South bengal) এপ্রিল ও মে মাস জুড়ে চলবে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি। ফলে দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে এখনই নিস্তার নেই। নেই বৃষ্টিপাতের সম্ভবনাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share