Tag: Kolkata

Kolkata

  • Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রেশন দুর্নীতি (Enforcement Directorate) মামলায় ফের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, হাসপাতালে আর্থিক বেনিয়মের একাধিক মামলার তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঠিক এই আবহের মধ্যেই কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ফের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ময়দানে নেমে পড়েছে ইডি। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন যাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ওরফে বালু-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাই এই অভিযানে শোরগোল পড়েছে।

    বাকিবুর ঘনিষ্ঠের বাড়িতে হানা (Enforcement Directorate)

    জানা গিয়েছে, কলকাতা, কল্যাণী, জয়নগর, মেদিনীপুর সহ মোট ৭ জায়গায় ইডি শুক্রবার তল্লাশি চালিয়েছে। কলকাতার এক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে ভবানীপুর থানা এলাকার চক্রবেড়িয়া সাউথ এলাকার বাসিন্দা লোহা সাউ নামে এক রেশন ডিলারের বাড়ি ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়। এদিকে নদিয়ার কল্যাণী-এ ব্লকে এক ফুড ইন্সপেক্টরের বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান ফেরাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের শিক্ষক

    দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা

    আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বহড়ুবাজারে একটি চালের গোডাউনে হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। বাইরে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ি ঘিরে রাখে, এরপর ভিতরে চলে তল্লাশি। একই ভাবে দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা দেয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় প্রথমে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। এরপর তাঁকে জেরা করায় উঠে আসে প্রাক্তন মন্ত্রী বালুর নাম। একই ভাবে রেশনের গম, চাল, আটা পাচার করে প্রচুর পরিমাণে কালো টাকা সাদা করার গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নাম উঠে এসেছে। এরপর সন্দেশখালিতে তল্লাশি করতে গেলে তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। একে একে বিরাট কুকীর্তি ফাঁস হওয়ায় চরম চাপের মুখে তৃণমূল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalighat Temple: সারদাদেবী কালীঘাটে মা কালীর সাক্ষাৎ দর্শন পেয়েছিলেন! জানেন সেই ঘটনা?

    Kalighat Temple: সারদাদেবী কালীঘাটে মা কালীর সাক্ষাৎ দর্শন পেয়েছিলেন! জানেন সেই ঘটনা?

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আসবেন আর কালীঘাট মন্দির (Kalighat Temple) দেখবেন না, এটা যেন অনেকের কাছেই অকল্পনীয়। এই মন্দিরে মা কালীর জগৎজোড়া খ্যাতি। বর্তমান মন্দিরের বয়স প্রায় ২০০ বছরের আশপাশে। কিন্তু, তার আগেও এখানে মায়ের নিত্য পুজো হত। বহু ভক্তের সমাগম হত। মন্দিরের পাশ দিয়ে তখন আদি গঙ্গায় টলটল করত জল। নৌকা পথে বহু ভক্ত এই মন্দিরে আসতেন। আর এখন মাকে দর্শন করতে দেশ-বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে ভিড় করেন।

    কালীঘাটের আদি কথা (Kalighat Temple)

    কথিত আছে, কালীঘাটে (Kalighat Temple) দেবী সতীর পায়ের চারটে আঙুল পড়েছিল। এই মন্দিরে দেবীর পদতলে রয়েছে রুপোর তৈরি মহাদেব। দেবী কালী ডানহাতে অভয় আর বর দেন। তাঁর ডানদিকের দুটি হাতের একটিতে রয়েছে অভয় মুদ্রা। অন্যটি বরমুদ্রা। দেবীর বামহাতে আবার রয়েছে খড়্গ এবং বামদিকের নীচের হাতে ঝোলানো রয়েছে মুণ্ড। এই দেবী হলেন চামুণ্ডা। তাঁর হাতে যে খড়্গ রয়েছে, সেটা হল জ্ঞানখা। তিনি সেই খড়্গ দিয়ে অজ্ঞানতা নাশ করেন। কালীক্ষেত্র দীপিকা অনুযায়ী, ষোড়শ শতকের মধ্যভাগে ভুবনেশ্বর ব্রহ্মচারী নামে এক সাধক দেবী কালীর পুজো করতেন। তিনি তাঁর জামাই আগমাচার্য ভবানীদাস চক্রবর্তীকে কালীঘাটের মন্দির হস্তান্তরিত করেছিলেন। যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যর কাকা রাজা বসন্ত রায় এখানে মন্দির তৈরি করে দিয়েছিলেন। পরে, দেবীর মন্দির জীর্ণ হয়ে যাওয়ায় ১৮০৯ সালে সাবর্ণ রায়চৌধুরীরা এখানে মন্দির তৈরি করে দেন। এমনটাই দাবি, এই মন্দিরের সেবায়েত হালদার পরিবারের। কালীঘাটে দেবীর মন্দিরের পাশাপাশি এখানে রয়েছে শ্যামরায়ের মন্দির। যা তৈরিতে সহায়তা করেছিলেন বাওয়ালি রাজবাড়ির সদস্যরা। দেবীর মন্দিরের সামনের নাটমন্দির ১৮৩৫ সালে  তৈরি করেছিলেন আন্দুলের মহারাজ কাশীনাথ রায়। পঞ্জাবের তারা সিং এসে আবার গঠন করেছিলেন কালীঘাটের দেবী কালীর ভৈরব নকুলেশ্বরের মন্দির। এছাড়াও অন্যান্য জমিদার এবং ব্যবসায়ীরাও এই মন্দিরের চারপাশ তৈরিতে সহায়তা করেছিলেন। বিহারের মুঙ্গেরের ব্যবসায়ী গোবর্ধন দাস যেমন বানিয়ে দিয়েছিলেন কালীঘাট মন্দিরের আশপাশের রাস্তা। ১৮৪৩ সালে বৈষ্ণব উদয় নারায়ণ মণ্ডল কালীঘাট মন্দির চত্বরে বর্তমান শ্যামরাই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৫৮ সালে মদন গোপাল কোলে শ্যামরাই মন্দিরের জন্য একটি দোল মঞ্চ স্থাপন করেছিলেন।

    পুকুর থেকে উঠেছিল কালীর মূর্তি!

    এই মন্দিরের পূর্বদিকে একটি পুকুর আছে। এই পুকুর কুণ্ডপুকুর নামে পরিচিত। জনশ্রুতি আছে, সেই পুকুর থেকেই উঠে এসেছিল কালীঘাটের দেবী কালীর মূর্তি। রানি রাসমণিও নিত্যদিন কালীঘাটের এই মন্দিরে যাতায়াত করতেন। এখানে দেবীর মুখমণ্ডল একটি কষ্টিপাথরের শিলাখণ্ড। পাইকপাড়ার রাজা ইন্দ্র চন্দ্রসিং বাহাদুর দেবীর প্রতিদিনের ভোগের খরচ বহন করতেন। নেপালের জং বাহাদুর দেবীকে রুপোর ছাতা দিয়েছিলেন। প্রথমে দেবীর ছিল রুপোর হাত। পরে, বানানো হয় সোনার হাত। সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের রাজা সন্তোষ রায়ের থেকে প্রতিদিন কালীঘাট মন্দিরে ভোগের জিনিসপত্র আসত।  বর্তমানে পালাদার বা দেবীর সেবার ভার যাঁর ওপর পড়ে, তিনিই ভোগের খরচা বহন করেন। কোনও প্রাচীন তন্ত্রেও কালীঘাটের উল্লেখ নেই। কেবল মহানীল তন্ত্রে “কালীঘাটে গুহ্যকালী” বলে উল্লেখ রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ববিদ বাবু গৌরদাস বসাক বলেছেন, পঞ্চদশ শতাব্দীতে কালীঘাটের কোনও উল্লেখ দেখা যায় না। কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ১৫৪৪ সালে যে চণ্ডীকাব্যে গঙ্গাতীরের বর্ণনা করেছেন, সেখানে কালীঘাটের বর্ণনা দেখতে পাওয়া যায়।

    কালীঘাটে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও আলীবর্দী

    ইতিহাসের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, নবদ্বীপপতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় নবাব সরকারের কাছে ১২ লক্ষ টাকা খাজানার দায়ে ঋণী হওয়ায় মুর্শিদাবাদে কারারুদ্ধ হন। নবাব আলীবর্দী খাঁ রাজার গুণগরিমা জানতেন। তাই, অন্যদের মতো তাঁকে কারাগারে না রেখে নিজের সভায় রাখতেন। একবার কৃষ্ণচন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে নবাব আলিবর্দী নৌকা বিহারে যান। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নবাব বাহাদুরকে নিজের জমিদার দেখানোর জন্য কলকাতা (Kolkata) পর্যন্ত নিয়ে যান। সেখানে আদিগঙ্গায় নৌকা রেখে তাঁরা জঙ্গলে কিছুটা পথ হেঁটে একটি ছোট্ট কুটিরে এই কালী মূর্তি ও তাঁর উপাসককে দেখতে পান। রাজা সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে ব্রাহ্মণের সঙ্গে কথাবার্তায় জানতে পারেন, এটা সতী দেবীর অংশপীঠ। এই কালীর নামানুসারে স্থানের নাম কালীঘাট (Kalighat Temple)। ব্রাহ্মণ নিতান্ত নির্লোভী, কিছুমাত্র কাহারও সাহায্য প্রার্থী নন। কিন্তু, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নবাবকে অনুরোধ করে কালীর জন্য কিছু দেবোত্তর মঞ্জুর করতে বলেন। নবাব ব্রাহ্মণের নির্ভীকতা ও একাকী এই জঙ্গলে নিষ্ঠার সঙ্গে সাধনা করতে দেখে আশ্চর্য হন। তিনি রাজার অনুরোধ মাত্র উক্ত প্রদেশ কালীর দেব সেবার জন্য প্রদান করিলেন। আর রাজাকেও তাঁর সমস্ত ঋণ থেকে মুক্ত করে দেন। তবে, অনেকে এই তথ্য মানতে চান না। অনেকে আবার বলেন, মহারাজা বসন্ত রায় নিজের গুরু ভুবনেশ্বর ব্রহ্মচারীকে ১৬ শতাব্দীতে কালীঘাটের ছয় শত বিঘা ভূমি দেবোত্তর দান করিয়াছিলেন, ইহাই যুক্তিসঙ্গত। কারণ, উক্ত প্রদেশ সে সময় যশোহর-পতিদিগেরই দখলে ছিল। সাবর্ণ চৌধুরী কেশব রায়ের পুত্র সন্তোষ রায় কালীর বর্তমান মন্দির তৈরি করেছিলেন।

    কালীঘাট মন্দিরে মা সারদা

    জানা যায়, শ্রীমা সারদাদেবীও কালীঘাটে (Kalighat Temple) মা কালীকে দর্শন করতে এসেছিলেন। সে সময় তাঁরও অদ্ভুত দর্শন হয়েছিল। মন্দিরে সিঁদুর-আলতা দিয়ে পুজো দেওয়ার পর মন্দির থেকে বেরিয়ে যখন এয়ো স্ত্রীদের মাথায় তিনি সিঁদুর দিয়ে দিচ্ছেন, পাশে দাঁড়ানো এক অপরিচিত কালো মেয়ের কপালেও তিনি সিঁদুরের ফোঁটা এঁকে দিলেন। মেয়েটির কপালে হাত দিতেই সে ব্যথায় কুঁকড়ে গেল। সারদা মা বলে উঠলেন, কী মা ব্যথা পেলে? এই বলে মেয়েটির মুখের দিকে ভালো করে তাকাতেই দেখলেন মেয়েটির কপালের ত্রিনয়নে কিছুটা সিঁদুর পড়েছে। কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞান হারালেন শ্রীমা। পরে মেয়েটিকে খোঁজ করেও আর পাওয়া গেল না। পরে, শ্রীমা নিজের ঘনিষ্ঠজনের কাছে সে কথা বলেছিলেন।

    মন্দিরে সোনার চূড়া

    দুশো বছরের প্রাচীন মন্দির। ধীরে ধীরে নতুন রূপে সেজে উঠছে সেই প্রাচীন মন্দির (Kalighat Temple)। রিলায়েন্স গোষ্ঠী এই মন্দির সংস্কারের দায়িত্ব পেয়েছে। মন্দিরের অন্দরসজ্জার জন্য সব মিলিয়ে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করছে রিলায়েন্স গোষ্ঠী। এবার সেই কালীঘাট মন্দির একেবারে নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে। ২৪ ক্যারেট গোল্ড দিয়ে তৈরি তিনটি সোনার চূড়া তৈরি করা হয়েছে। একেবারে নিখাদ সোনার চূড়া। সেই সোনার চূড়া একেবারে ঝলমল করছে মন্দিরের মাথায়। বর্তমানে এই মন্দিরটি ৬টি ভাগে বিভক্ত-ষষ্ঠী তলা, নাট মন্দির, জোড় বাংলা, হারকাঠ তলা, রাধা কৃষ্ণ মন্দির এবং কুন্ড পুকুর। বর্তমানে যে মূর্তিটিকে পুজো করা হয় সেটি কষ্টি পাথরের তৈরি, যা সোনা ও রূপ দিয়ে কাজ করা। বর্তমান জিভটি প্রায় ২ কিলো ১৯১ গ্রাম রুপোর উপর ৫৫৮ গ্রাম সোনা দিয়ে মোড়া। মাকে দর্শন করতে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্তের লাইন পড়়ে এই মন্দিরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: জনতার রায় জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ জুনিয়র ডাক্তারদের, চলছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    RG Kar Protest: জনতার রায় জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ জুনিয়র ডাক্তারদের, চলছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ড (RG Kar Protest) নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদ-আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা রাস্তায় নেমে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে সোমবার আরজি কর-কর মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই আবহের মধ্যে জনতার মতামত জানতে রাস্তাতেই ‘আদালত’ বসাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা (Juniro Doctor)। যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী কী প্রশ্ন রাখা হয়েছে? (RG Kar Protest)

    ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের তরফে নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়। এমনিতেই আন্দোলন (RG Kar Protest) চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছুদিন ধরেই ‘অভয়া ক্লিনিক’- এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। জানা গিয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার জেলায় জেলায় সকাল ১০টা থেকে ‘অভয়া ক্লিনিক’- এর আয়োজন করা হয়েছে। সেই ‘অভয়া ক্লিনিক’ সংলগ্ন এলাকাতেই ‘আদালত’ বসাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সাধারণ মানুষকে সেই ‘আদালতে’ উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা করতে এদিন অনেকেই ভিড় করছেন। জনতার কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথমেই জানতে চাওয়া হয়েছে, ‘আন্দোলন কোন পথে চলছে?’ একই সঙ্গে তাঁরা এই আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন কি না। ‘অভয়া ক্লিনিক’ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কি না, তা জানতে চান তাঁরা। পাশাপাশি, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত এবং আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে ‘পুলিশ এবং সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে’ সাধারণ মানুষ কী বলছে তা জানতে চান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    মানববন্ধন

    ‘অভয়া ক্লিনিক’ এবং ‘রাজপথে আদালত’ ছাড়াও রবিবার মানববন্ধনেরও (RG Kar Protest) ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। রবিবার বিকেল পাঁচটায় মানববন্ধন হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এ ছাড়াও, মধ্যরাতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডে মহিলা চিকিৎসকের খুনের বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। প্রায় প্রতি দিনই কোনও না কোনও কর্মসূচির আয়োজন করছেন। সেখানে শুধু চিকিৎসকেরা নন, সাধারণ মানুষও যোগ দিচ্ছেন। আন্দোলনকারীরা আশাবাদী, রবিবারের কর্মসূচিতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ নেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা, বৃষ্টি কবে থেকে?

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা, বৃষ্টি কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপের (Weather Update) জোড়া দাপটে আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। শনি ও রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের উপকূল সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি চলবে ৩-৪ দিন ধরে। সোম ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হবে বাংলাজুড়েই। বৃষ্টিতে ভাসতে পারে বঙ্গের ৬ জেলা। দু এক জায়গায় স্বল্প সময়ের জন্য বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির জেরে গরম থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে।

    যেতে মানা মৎস্যজীবীদের (Weather Update)

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। এই নিম্নচাপটি আপাতত অবস্থান করছে দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। এটি খুব ধীরে ধীরে উত্তর দিকে এগোবে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে ওড়িশা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পর এটি ক্রমশ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি বাড়তে পারে উপকূলে। সমুদ্র হতে পারে উত্তাল। তাই মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকবে। ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। মৎস্যজীবীদের রবিবার সকালের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে যেতে মানা মৎস্যজীবীদের।

    আরও পড়ুন: ফের রাজ্য-রাজভবন সংঘাত! মমতার ‘অপরাজিতা বিল’ রাষ্ট্রপতিকে পাঠালেন বোস

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    কলকাতায় রবিবার সকালে রোদ ঝলমলে পরিষ্কার আকাশ থাকবে। চড়া রোদ ও সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। বেলায় কখনও আংশিক মেঘলা আকাশ হতে পারে। স্বল্প সময়ের খুব হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা থাকবে। ভারী বৃষ্টির (Weather Update) কোনও সম্ভাবনা নেই।  দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলা— পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম এবং হাওড়া জেলার অনেক জায়গায় রবিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে। ১০ সেপ্টেম্বর পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ঝাড়গ্রাম এবং হাওড়া জেলাগুলিতে বৃষ্টি বাড়বে। সোমবার এবং মঙ্গলবার বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। মূলত উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে। বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হবে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি

    রবিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়বে উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই। একইসঙ্গে অস্বস্তি ও বাড়বে। নিচের দিকের জেলাগুলিতে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে। এরপর আবার সোমবার ও মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি এই তিন জেলাতে। উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই স্থানীয়ভাবে স্বল্প সময়ের জন্য বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে প্রতিদিনই। অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টি হবে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, সিকিম, ঝাড়খণ্ড এবং তেলঙ্গানায়। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং অরুণাচল প্রদেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    RG Kar Protest: ফের রাজ্যজুড়ে রাত দখলের ডাক, আন্দোলনে সামিল হবে নির্যাতিতার পরিবারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচারের দাবিতে স্বাধীনতা দিবসের আগেরদিন রাত দখলের (Raat Dokhol) অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী ছিলেন রাজ্যবাসী। আবারও পথে নামছে আমজনতা। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানির আগের ফের রাত দখল করার ডাক কলকাতা থেকে জেলায় জেলায়। ইতিমধ্যেই কলকাতার (Kolkata) বিভিন্ন এলাকা সহ গোটা রাজ্য জুড়ে বহু জায়গাতেই ফের রাত দখলের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এই কর্মসূচিকে স্বতঃস্ফূর্ত নাগরিক প্রতিবাদ হিসেবেই দাবি করা হচ্ছে।

    রাত দখলের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায় (RG Kar Protest)

    সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির আগের রাতে নিজ নিজ এলাকায় রাত দখলের (Raat Dokhol)  ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট। লেখা হয়েছে, ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা রাত জাগছে সেই জনতা।’ প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে বিচারব্যবস্থার দিকেও। প্রশ্ন এক, ‘২৬ দিন গেলেও ধর্ষণের বিচার নেই কেন?’ প্রশ্ন দুই, ‘কর্মক্ষেত্রে মর্যাদার প্রশ্ন আদালত কানে নেয় না কেন?’ প্রশ্ন তিন, ‘কেন্দ্রে আনা নতুন আইনে লিঙ্গ প্রশ্ন পিছনে কেন?’ ৪ সেপ্টেম্বর কর্মসূচি শুরু রাত ১১টায়। নিজ নিজ এলাকায় মানববন্ধন (RG Kar Protest) গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়েছে। তার আগে, রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঘরে ঘরে আলো নিভিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ‘বিচার চাই’! বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম মানব বন্ধন, অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী কলকাতা

    কোথায় কোথায় আন্দোলন?

    বুধবার রাতে আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Protest) সুবিচার চেয়ে ফের সাধারণ মানুষকে পথে নামার আর্জি জানিয়ে সমাজমাধ্যমে জোর প্রচার শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কলকাতার ধর্মতলা, শ্যামবাজার, যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ড, গড়িয়াহাট, লেক গার্ডেন্স লর্ডস মোড়, কলেজ স্ট্রিট, নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা গেট, বেহালা, সিঁথির মোড় সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আরজি কর কাণ্ডের কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিলও হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, কল্যাণী, আসানসোল, বালুরঘাট, কৃষ্ণনগর, শ্রীরামপুর, চুঁচুড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাত দখল (Raat Dokhol) কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানি রয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ফের উঠবে। স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই আরজি কর কাণ্ডে হস্তক্ষেপ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগের শুনানিতে পুলিশি তদন্ত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের বক্তব্য জানাবে রাজ্য সরকারও। শুনানির আগের রাতে রাজ্যজুড়ে ফের প্রতিবাদে সরব হবেন রাজ্যবাসী।

    রাত দখলে থাকবে নির্যাতিতার পরিবার!

    নির্যাতিতা চিকিৎসকের পরিবারও এবার পা মেলাবে ‘রাত দখল’ (Raat Dokhol) কর্মসূচিতে। তবে তাঁর বাবা-মা থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কী জানাল পরিবার? নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, “রাত দখলে (RG Kar Protest) পরিবারের সদস্যরা থাকবে। আমরা যাব কি না, গেলে কখন যাব, এখনও ঠিক হয়নি। তবে, গেলে আরজি করেই যাব।” তিনি আরও বলেন, “সন্দীপ ঘোষ দুর্নীতি মামলায় ধরা পড়েছে। আমাদের মেয়ের ব্যাপারে তো ধরা পড়েনি। তাই এই নিয়ে কি বলব! খুব তাড়াতাড়ি খুন ও দুর্নীতির মামলায় সাফল্য সিবিআই পাবে বলেই আশা রাখছি। তবে আমার মেয়ে দুর্নীতির বলি হয়েছে বলেই মনে করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল সারা দেশ। জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইস্যুকে সামনে রেখে রোজই পথে নেমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে নাগরিক সমাজ। তাঁদের এই আন্দোলনের প্রতি চরম আস্থা জ্ঞাপন করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁরা জানালেন, আগে এত কিছু জানলে মেয়েকে ডাক্তারিই পড়াতেন না। স্বপ্ন দেখতেন না স্টেথোস্কোপ গলায় ঝুলিয়ে রোগী দেখছেন মেয়ে।

    মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না! (RG Kar Incident)

    নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের (RG Kar Incident) জায়গা হয়ে উঠেছে। এমন ঘুঘুর বাসা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না।” বাবা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‘ডাক্তারদের মানুষ ভগবান হিসেবে মানেন। করোনার সময় আমার মেয়ের অনেকে পা ধরে বলেছিলেন, আপনার জন্য আমি প্রাণ ফিরে পেয়েছি। আপনি আমার কাছে ভগবান। এই ডাক্তারদের মানুষ ভগবান মনে করেন। আর তাঁরাই কিনা দুষ্কৃতী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে যে ধরনের চক্র চলে, এসব আগে জানলে আমি আমার মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতে পাঠাতাম না। কারণ, ডাক্তাররা এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভেবেই পাচ্ছি না। তবে, আমার মেয়ের জীবন দিয়ে হাসপাতালের একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে সেটা ভালো। আমি চাই, আমাদের মতো আর কোনও পরিবারের কন্যা সন্তানকে যেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।’’

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে লোহার ব্যারিকেড!

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আর সেই শান্তিপূর্ণ মিছিল (RG Kar Incident) আটকাতে লোহার ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। আর ফুল হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে (Panihati) নির্যাতিতার বাবা-মা জুনিয়র ডাক্তারদের ‘লালবাজার অভিযান’ কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলেন, ‘‘জুনিয়র ডাক্তাররা তো অস্ত্র বা তরোয়াল হাতে নিয়ে যাননি। তাঁরা তো ফুল হাতে নিয়ে মিছিল করেছেন। এই শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশকে লোহার ব্যারিকেড করতে হল? এটার কী খুব প্রয়োজন ছিল। এটা চরম অমানবিক। আসলে ওরা যে কিছু একটা ধামাচাপা দিতে চাইছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তবে, জুনিয়র ডাক্তারদের এই আন্দোলনের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই, যতদিন না আমার মেয়ে বিচার পাচ্ছে, ততদিন এভাবে ওরা আন্দোলন চালিয়ে যায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে কর্মরত তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে গোটা দেশ। সকলেই সুবিচারের জন্য লড়ছেন। আরজি কর কাণ্ডের এই ঘটনার প্রায় দেড় সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে সামনে এসেছে নির্যাতিতার নাম। ছড়িয়ে পড়েছে ছবিও। এবার তা নিয়েই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানেই মামলা চলাকালীন কার্যত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

    কী নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত? (RG Kar Incident) 

    এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ‘‘আমরা নির্দেশ দিচ্ছি মৃতের নাম ছবি প্রকাশ করা যাবে না। সমস্ত স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে মৃতের ছবি সরাতে হবে।’’ আসলে এদিন মামলা চলাকালীন দুজন আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন যে, মৃতের ছবি-নাম কোথাও কোথাও প্রকাশ করা হচ্ছে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “নির্যাতিতার নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী ময়নাতদন্তের আগের ও পরের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেহ দেখা যাচ্ছে। একটা প্যারামিটার আছে, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনও আছে। তারপর কীভাবে এটা হল?” এরপরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘একজন তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে, তাঁকে এইটুকু মর্যাদা দেওয়া উচিত।’’ প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে আইনজীবী (রাজ্য সরকারের তরফে) কপিল সিব্বল বলেন, ‘‘পুলিশ যাওয়ার আগেই ছবি তোলা হয়েছে। আমরা পুরো জায়গাটা ঘিরে রেখেছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: এক বছরে ভারতে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৭.৩ কোটি! বৃদ্ধি ব্রডব্যান্ড সংখ্যাতেও

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) গাইডলাইনই শুধু নয়, নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনও আছে। ভারতীয় আইনে ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার ঘটনায় নির্যাতিতার নাম, পরিচয় বা ছবি প্রকাশ করা যায় না। এমন কোনও তথ্য যা প্রকাশ করলে নির্যাতিতার পরিচয় জানা যেতে পারে, তাও প্রকাশ করা যায় না। আসলে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় কলকাতা সহ গোটা রাজ্য। এই আবহে মানুষ প্রতিবাদ করছেন রাস্তায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকেই নির্যাতিতার ছবি পোস্ট করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জাস্টিস দাবি সহ নাম দিয়ে তৈরি হয়েছে হ্যাশট্যাগ। তাই আইন অনুযায়ী নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা বন্ধ করতে এই নির্দেশ দিল আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘সিট গঠন করে সন্দীপ ঘোষকে বাঁচাবেন?’’, আরজি কর কাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    RG Kar Incident: ‘‘সিট গঠন করে সন্দীপ ঘোষকে বাঁচাবেন?’’, আরজি কর কাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যালে চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। এরই মধ্যে এবার আরজি কর মেডিক্যালে উঠল আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। আর তার তদন্তে এবার সিট (SIT) গঠন করল রাজ্য সরকার। তবে রাজ্য সরকারের সিট গঠনের বিষয়টিকে সন্দীপ ঘোষকে বাঁচানোর পদক্ষেপ বলেই অভিযোগ করছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। 

    ঠিক কী জানা গিয়েছে? (RG Kar Incident) 

    জানা গিয়েছে, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের জমানায়, ২০২১ সাল থেকে, ব্যাপক কারচুপি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আরজি কর মেডিক্যালে। এবার তাঁর তদন্তে অফিসার প্রণব কুমারের নেতৃত্বের ৪ সদস্যের সিট গঠন করল স্বরাষ্ট্র দফতর। দলের বাকি সদস্যরা হলেন ডিআইজি মুর্শিদাবাদ রেঞ্জ ওয়াকার রাজা, ডিআইজি সিআইডি সোমা দাস মিত্র এবং কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। এক মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটকে। নবান্নের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যে সব আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার পুরোটাই তদন্ত করে দেখবে এই সিট।   

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের, হাসপাতালগুলির নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে আসল ঘটনার থেকে দৃষ্টি সরানো এবং আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে বাঁঁচানোর চেষ্টা বলে আক্রমণ করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির মিডিয়া সেলের ইনচার্জ এবং মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক ট্যুইটার) লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্তের জন্য সিট (SIT) গঠন করেছে৷ এটি সন্দীপ ঘোষকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজ্য পুলিশ ঠিক সময়েই সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করবে, যাতে সিবিআই তাঁকে হেফাজতে নিতে না পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ না করলে ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের (RG Kar Incident) অবাধ ও সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভব নয়। তাঁকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সেমিনার হল নাকি অন্যত্র, নির্যাতিতাকে ধর্ষণ-খুন কোথায়? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    RG Kar Incident: সেমিনার হল নাকি অন্যত্র, নির্যাতিতাকে ধর্ষণ-খুন কোথায়? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) তোলপাড় গোটা দেশ। কলকাতার সরকারি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের নৃশংস ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় চলছে সিবিআই (CBI) তদন্ত। তবে তদন্তের মাঝেই চিন্তার ভাঁজ পড়ল তদন্তকারীদের কপালে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেস্ট বিভাগের সেমিনার হলেই কি ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল তরুণী ডাক্তার ছাত্রীকে? না কি অন্যত্র ঘটনা ঘটিয়ে সেমিনার হলে মৃতদেহ সাজিয়ে রাখা হয়েছিল‌? এই প্রশ্নেরই উত্তরের খোঁজেই তদন্তকারীরা। 

    কী জানিয়েছেন তদন্তকারীরা? (RG Kar Incident) 

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আরজি করের চেস্ট বিভাগে ৬০টি শয্যা রয়েছে। তা ছাড়া, সেমিনার হল-সহ আরও দু’টি ঘর রয়েছে। ওই ঘরের শয্যাগুলি রাতে সাধারণত খালি থাকে। সেখানেও খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চেস্ট বিভাগের নানা জায়গায় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে ম্যাপিং এবং ভিডিও করা হয়েছে। 

    ফের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা সন্দীপ ঘোষের (CBI) 

    ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন জায়গা জরিপ করার পাশাপাশি আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও শুক্রবার থেকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। রবিবারের পর ফের সোমবার সকালে আবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে চতুর্থ বার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। এদিন বেশ কিছু নথি নিয়ে দফতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি সন্দীপ।  

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় (RG Kar Incident) গত বৃহস্পতিবার সন্দীপ ঘোষকে তলব করা হয়েছিল। তবে সে দিন হাজিরা দেননি তিনি। এরপর শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে সন্দীপের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, তিনি নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার আবেদনও জানিয়েছিলেন। কিন্তু ওই দিনই রাস্তা থেকে সিবিআই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তারপর থেকে প্রতি দিনই তাঁকে তলব করা হয়েছে। রবিবার প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। 

    অন্যদিকে, নিহত ওই চিকিৎসক কোনও চক্রান্তের শিকার হয়েছিলেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই (CBI)। তবে ধৃত সঞ্জয় রায়ের কিছু অসংলগ্ন কথাবার্তা তদন্তকারীদের চিন্তায় রেখেছে। জানা গিয়েছে, সঞ্জয়ের থেকে কথা বার করার জন্য মনোবিদের সাহায্যও  নিতে পারে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    RG Kar Incident: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ…’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরব মিঠুন চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় সম্প্রতি আরজি করে (RG Kar Incident) এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। এই ঘটনার বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন আম জনতা। বিচারের আশায় সরব হয়েছেন বিভিন্ন তারকারা। ন্যক্কারজনক এই ঘটনায় পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপিও। বিরোধীদের মিছিল, ধর্নার পাশাপাশি উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের, ইস্তফার দাবিও। আর এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।  

    কী বলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? (Mithun Chakraborty) 

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) প্রতিবাদের ঝড় দেশের সর্বত্র। এ প্রসঙ্গে এদিন বিজেপি (BJP) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘আমি অনেকদিন ধরে অনেক জায়গায় অনেকবার এই কথাটা বলে এসেছি যে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। কী বলব, বাঙালি হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছি। পরিবারের (নির্যাতিতার পরিবার) প্রতি আমার সম্পূর্ণ সহানুভূতি রইল। আর যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাড়াতাড়ি তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় কাম্য।’’ বিজেপি নেতার এই বক্তব্য বিজেপির ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা হয়। 

    বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচি (RG Kar Incident) 

    সোমবার থেকে বিজেপি আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে। আগামী ২০ অগাস্ট থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে বিজেপির। সোমবার ধর্নার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে রাজ্য বিজেপি। ঠিক হয়েছে, ভাগে ভাগে বিভিন্ন স্তরের নেতারা বসবেন ধর্নায়। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ২০ তারিখ এই ধর্নায় উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা। জানা গিয়েছে আগামী ২১ অগাস্ট রাজ্য বিজেপির সাংসদরা ধর্না দেবেন। ২২ তারিখ ঘেরাও করবেন স্বাস্থ্য ভবন।    

    ‘তিলোত্তমা’র বিচার চেয়ে পথে টলিউড 

    অন্যদিকে রবিবার ‘তিলোত্তমা’র বিচার চেয়ে (RG Kar Incident) পথে নেমেছে টলিউড তারকারা। টেকিনিশিয়ান স্টুডিয়ো থেকে শুরু হওয়া তারকাদের মিছিলে ছিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, ঐন্দ্রিলা সেন, অঙ্কুশ হাজরা, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, সৌরসেনী মৈত্র, অনির্বাণ চক্রবর্তী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, রাহুল অরুণোদয় বন্দোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়-সহ অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share