Tag: Kolkata

Kolkata

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে দুর্যোগ অব্যাহত! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? কী জানাল হাওয়া অফিস?

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে দুর্যোগ অব্যাহত! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? কী জানাল হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার দুর্ভোগের (Weather Update) মুখে উত্তরবঙ্গ। বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা আরো একবার বাড়বে। উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতের আশঙ্কাও। 

    প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গে  (Weather Update) 

    আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, মঙ্গলবারে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এই দুই জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০০ মিলিমিটারের বেশি হবার আশঙ্কা। একইসঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায়। অন্যদিকে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। 
    মঙ্গলবারের পর বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা আরো একবার বাড়বে। প্রবল বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার জেলায়। কালিম্পং ও কোচবিহার জেলাতে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Update) উত্তর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে। বৃহস্পতিবারেও আলিপুরদুয়ারে রয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। এছাড়া দার্জিলিং কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শুক্রবারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি জেলাতে। কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। আর সপ্তাহের শেষে শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকায়।   

    আবারও দুর্ভোগের আশঙ্কা উত্তরবঙ্গে 

    একটানা বৃষ্টির ফলে চলতি সপ্তাহেই আরো একবার দুর্যোগে দুর্ভোগ (West Bengal weather) হতে পারে উত্তরবঙ্গে। পার্বত্য এলাকায় নামতে পারে ধস। বিচ্ছিন্ন হতে পারে সড়ক যোগাযোগ ও বিপর্যস্ত হতে পারে টেলি কমিউনিকেশন। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর জলস্তর বেড়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।  এছাড়াও কাঁচা বাড়ি ও কাঁচা বাঁধের ক্ষতি হতে পারে। ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা শস্য চাষেও।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় (Weather Update) 

    তবে উত্তরবঙ্গের মত সতর্কতা জারি নেই দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ ও কাল স্ক্যাটার্ড রেইন হবে। বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। বুধবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা (West Bengal weather) বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তবে বুধবার, ১০ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূ্ম,‌ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বেশি থাকবে। 

    আরও পড়ুন: দেশের সেবায় ২ মাসে শহিদ ২ ভাই! শোকে পাথর উত্তরাখণ্ডের নেগি পরিবার

    মৌসুমী অক্ষরেখার অবস্থান  

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে শুরু হয়ে জয়সলমীর, ভিলওয়াড়া, রাইসেন, রাজনন্দগাঁও হয়ে পুরী পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এরপর ওই অক্ষরেখা দক্ষিণ পূর্ব  দিকে মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অন্যদিকে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্নাবর্ত (Weather Update) আপাতত পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এরপর ধীরে ধীরে এটি দক্ষিণ পশ্চিম দিক হয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান করবে। ফলে এর থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়ে ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Price Hike: অগ্নিমূল্য উচ্ছে-বেগুন-পটল-আলু! সংসার চলবে কী করে, ভাবছে কি রাজ্য?

    Price Hike: অগ্নিমূল্য উচ্ছে-বেগুন-পটল-আলু! সংসার চলবে কী করে, ভাবছে কি রাজ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালে প্রাতঃভ্রমণ সেরে বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছেন শহরবাসী। ভরা বর্ষায় বাজার আগুন (Price Hike)। মাছ-মাংস তো দূরে থাক, ক্রমশ আম বাঙালির নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে আনাজের দামও। সামান্য সবজি কিনতেই পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। কলকাতার বাজারে (Kolkata Market) বেগুন ১৫০-২০০ টাকা কেজি, টম্যাটো ১০০, লঙ্কা ১৫০, উচ্ছে ৮০-১০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা কেজিতে বিকোচ্ছে। চাল-ডালের দামও যে খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আছে, তা নয়। 

    মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক (Price Hike)

    মাসখানেক ধরেই শহরের বাজার একেবারে আগুন (Price Hike)। বাঙালির হেঁশেলে যা যা লাগে, সবের দামই চড়া। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বাজার কমিটির সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৈঠকে থাকবেন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, টাস্ক ফোর্স, পুলিশের কর্তা, বিভাগীয় মন্ত্রী, সচিবরা। কী পদক্ষেপ করা যায়, সেখানে আলোচনা করে দেখা হবে। বিরোধীদের অভিমত, প্রতিবছরই পুজোর আগে এসময় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। হাত ছোঁয়ানো যায় না আনাজে। এ তো সবে শুরু। পুজো যত এগিয়ে আসবে দামও ততই বাড়বে। কিন্তু কোনওবারই এ নিয়ে বিশেষ পদক্ষেপ করে না সরকার। খুচরো তথা পাইকারি বাজারে আড়তদাররা দাম বাড়াতেই থাকেন। অতিরিক্ত লাভের আশায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ায় বিক্রেতারা। সরকার উদাসীন।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    কেন মূল্যবৃদ্ধি

    ফসলের এই মূল্যবৃদ্ধির (Price Hike) জন্য আবহাওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। জুলাই মাসের মাঝামাঝি হতে চললেও, যে পরিমাণ বর্ষার প্রয়োজন ছিল, তা দেখা যায়নি। বৃষ্টি হলেও, তা পর্যাপ্ত নয়। কৃষকরা জানিয়েছেন, এই সময় যে পরিমাণ বৃষ্টি হওয়ার কথা, তা হয়নি। ফলে প্রচুর শাক-সবজি মাঠে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে, শহরের বাজারে (Kolkata Market) দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই। এক শ্রেণি অসাধু চক্র কৃত্রিমভাবে এই সবজির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে সরকারের অভিমত। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে। যদিও বিরোধীদের দাবি, সরকার ঠুঁটো। সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অক্ষম প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে দুর্বৃত্ত চক্রের বাড়বাড়ান্ত, ভোটের পর তা আরও বেড়েছে।

    কার দাম কত

    আনাজের দাম:

    জ্যোতি আলু- ৩৫ টাকা। চন্দ্রমুখী আলু- ৪০ টাকা কেজি। পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা কেজি। বেগুন- ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। পটল- ৫০ টাকা। কাঁচা লঙ্কা- ১৫০ টাকা। টমেটো- ৮০ আশি টাকা ঢেঁড়শ- ৬০ টাকা। বিন- ৩০০ টাকা। শসা- ৮০ টাকা। করোলা- ৮০ টাকা। পেঁপে- ৫০ টাকা। রসুন- ৩০০ টাকা। আদা- ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। বিট- ৬০ টাকা। গাজর- ৬০ টাকা কেজি।

    চাল-ডাল-মশলার দাম (প্রতি কেজি):

    মিনিকেট চাল- ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। বাঁশকাঠি চাল- ৬০ টাকা। গোবিন্দভোগ চাল- ৯০ টাকা। দেরাদুন রাইস- ১২০ টাকা। আটা ও ময়দা- ৩৪ টাকা কেজি। অড়হড় ডাল- ১৮০ টাকা। মসুর ডাল- ১০০ টাকা। মুগডাল- ১০০ টাকা। ছোলার ডাল- ১০০ টাকা। সরষের তেল- ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। সয়াবিন তেল- ১০২ টাকা। সূর্যমুখী তেল- ১২২ টাকা। বাদ যাচ্ছে না মশলাও। তাতেও লেগেছে আগুন। জিরে (আস্ত)- ৪০০ টাকা। হলুদ- ৩০০ টাকা। শুকনো লঙ্কা- ৩৫০ টাকা। চিনি- ৪৮ টাকা। ধনে- ৪০০ টাকা। পোস্ত- ১৫০০ টাকা।

    মাছ-মাংসের দামেও আগুন

    সবজি-আনাজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাছ-মাংসের দামও চড়া। কাতলা কেজিতে ৪০০-৪৫০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০, পাবদা ৬০০-৭০০, পমফ্রেট ৮০০ টাকা কেজি, ভেটকি ৮০০, বাগদা চিংড়ি ৮০০, গলদা চিংড়ি ৭০০-৮০০ টাকাতে বিকোচ্ছে। এক কেজির ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ টাকায়। ইলিশের ওজন দেড় কেজির বেশি হলে গুনতে হচ্ছে ১৮০০ টাকা। মুরগির মাংস ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে কেজিপ্রতি হয়েছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arpita Mukherjee: আরও বিপাকে অর্পিতা! নিয়োগ মামলায় ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’-কে জেরা করবে আয়কর দফতর

    Arpita Mukherjee: আরও বিপাকে অর্পিতা! নিয়োগ মামলায় ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’-কে জেরা করবে আয়কর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে এ বার জেরা করতে চাইছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস কী, কেন বাড়িতে এত টাকা রাখা ছিল— এ সব তথ্যই জানতে চাওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, দু বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও জামিন পাননি পার্থ ও অর্পিতার কেউই। এসবের মধ্যেই এবার অর্পিতাকে জেরা করতে চাইছেন আয়কর দফতরের বেনামি সম্পত্তি শাখার অফিসাররা।

    ঠিক কী জানিয়েছে আয়কর দফতর? (Arpita Mukherjee)

    বর্তমানে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে বন্দি রয়েছেন অর্পিতা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অর্পিতাকে এবার জেলে গিয়ে জেরা করতেন চাইছেন আয়কর দফতরের বেনামি সম্পত্তি শাখার অফিসাররা। সেই নিয়ে কলকাতায় বিশেষ ইডি আদালতে আবেদন জানিয়েছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। জেলে গিয়ে অর্পিতাকে জেরা করার জন্য অনুমতিও দিয়ে দিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে, আয়কর রিটার্ন ও বেনামি লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে ইন্ডিয়া ডে প্যারেড আলোকিত করতে অংশ নেবে রাম মন্দিরের প্রতিরূপ

    আগে কী ঘটেছিল? 

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২২ সালের ২২ জুলাই, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই একইদিনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও (Arpita Mukherjee) দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। তাঁর টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার অভিজাত আবাসনে লাগাতার তল্লাশি চালায় ইডি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে সোনার গয়নাগাটি, বিদেশি মুদ্রা-সহ নগদ প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে ইডি। তার ঠিক দিনপাঁচেক পর ফের বেলঘরিয়ার অভিজাত আবাসনে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেখান থেকেও বিপুল টাকা উদ্ধার করা হয়। সবমিলিয়ে নগদ ৪৯ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। এছাড়া ৫ কোটিরও বেশি মূল্যে গয়নাগাটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। নামে, বেনামে বহু সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার যৌথ মালিকানায় একাধিক সম্পত্তিরও সন্ধান পেয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) অফিসাররা। এরপর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। 
    তবে এই বিপুল টাকা ও গয়নাগাটির উৎস কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর ফ্ল্যাটকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসাবে কাজে লাগিয়েছেন বলেই দাবি করেন অর্পিতা (Arpita Mukherjee)। যদিও সেকথা অস্বীকার করেছেন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • TET Recruitment Case: বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে উদ্ধার বস্তাভর্তি নথি! কী মিলল সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযানে?

    TET Recruitment Case: বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে উদ্ধার বস্তাভর্তি নথি! কী মিলল সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতির (TET Recruitment Case) প্রসঙ্গ। গত তিন দিন ধরে তল্লাশি অভিযান চলছিল রাজ্যের শিক্ষা দফতরের কার্যালয় বিকাশ ভবনে। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে সল্টলেকের বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে বস্তাভর্তি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ নথিপত্র উদ্ধার করল সিবিআই। শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন কাগজপত্র রাখার জন্য ব্যবহৃত ওই গুদামটি ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিল করে দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। প্রায় দেড় বছর পরে বুধবার থেকে সেই গুদামে আবার আসেন সিবিআই তদন্তকারীরা। 

    উদ্ধার হওয়া বস্তাভর্তি নথিপত্রে কী আছে? 

    গত বুধ এবং বৃহস্পতি— দুদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে তল্লাশি চালান তাঁরা। এরপর শুক্রবার বেলায় আবার শুরু হয় তল্লাশি। দুপুরেই সেখান থেকে বস্তাভর্তি নথিপত্র নিয়ে বাইরে আসতে দেখা যায় সিবিআইয়ের গোয়েন্দাদের। সূত্রের খবর, ওই সমস্ত নথিপত্রে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (TET Recruitment Case) সঙ্গে সম্পর্কিত বহু ‘জরুরি তথ্য’ রয়েছে। এছাড়াও সিবিআই সূত্রে খবর, প্রাথমিকে নিয়োগের পরীক্ষা টেট সংক্রান্ত জরুরি তথ্য ছাড়াও সেখানে রয়েছে পরীক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রাপ্তদের নামের তালিকা। যা প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নতুন দিক খুলে দিতে পারে। আর যদি সত্যি এমনটা হয় তাহলে এই মামলার মোড় ঘুরে যেতে পারে বলে অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: রিচার্জের দাম বাড়াল জিও-এয়ারটেল! কোন প্ল্যানে কত খরচ? জানুন খুঁটিনাটি

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের পর চলতি বছর ৪ জানুয়ারি ফের বিকাশ ভবনে গিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)। জানা গিয়েছে দুবারই ওই ভবনের ছয় তলায় গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। শেষবার সেখানে রাজ্যের শিক্ষাসচিব মনীশ জৈনের ঘরে তাঁকে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর কিছু দরকারি নথি সংগ্রহ করে গুদাম সিল করে দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। আর এবার বুধবার ফের সেখানে হানা দিয়ে বস্তাভর্তি নথি উদ্ধার করে সিবিআই আধিকারিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hawker Eviction: বাদ গেল না গড়িয়া-সোনারপুর! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে চলল বুলডোজার

    Hawker Eviction: বাদ গেল না গড়িয়া-সোনারপুর! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে চলল বুলডোজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া বার্তার জেরে বুধবারের পরে বৃহস্পতিবারেও ফুটপাত ‘জবরদখলমুক্ত’ (Hawker Eviction) করতে ময়দানে নেমেছে প্রশাসন। বাদ গেল না গড়িয়া-সোনারপুরের (sonarpur-Garia) ফুটপাতের দোকানগুলিও। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে চলল বুলডোজার। কর্মসংস্থান হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল হকারেরা। 

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই শুরু অ্যাকশন 

    সোমবার রাজ্যের সমস্ত জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে নিয়ে বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে যেমন বেআইনি দখল নিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তেমনি ফুটপাত দখলমুক্ত (Hawker Eviction) করে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই রাজপুর সোনারপুর (sonarpur-Garia) পুরসভা ও বারুইপুর পুলিশ-প্রশাসন একটি জরুরি বৈঠক করে। তারপরেই প্রশাসন বুধবার সারাদিন মাইকিং করে রাজপুর সোনারপুর পুরসভার সমস্ত ফুটপাত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে ফুটপাত পরিষ্কার করার জন্য।  

    ফুটপাত দখল মুক্ত অভিযান (Hawker Eviction)

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত সেদিন প্রশাসনিক আধিকারিকরা মাইকিং করে বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে ফুটপাত দখল মুক্ত করার অভিযান শুরু হবে। এলাকায় প্রতিনিয়ত হকার্স বন্ধুদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে উঠছে এবং এর পাশাপাশি রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা ও বেড়েছে,যার ফলে প্রতিদিন অ্যাক্সিডেন্টও ক্রমে বেড়েই চলেছে। স্টেশনগুলো এরিয়া দখল করে রেখেছে রিক্সা, টোটো কিছু কিছু প্রাইভেট গাড়ি। বৃহস্পতিবার সকালে রাজপুর সোনারপুর পুরসভার প্রশাসনিক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সোনারপুর পুলিশ আধিকারিকরা মিলে এই ফুটপাত দখল মুক্ত অভিযান শুরু করবে।” 

    আরও পড়ুন: হকার উচ্ছেদে এবার সরব গেরুয়া শিবির, সিউরিতে বিক্ষোভ বিজেপির!

    এরপর বৃহস্পতিবার সকালেও পুলিশ ও স্থানীয় পুর-কর্মীরা এসে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান তুলে নিতে বলেছেন। দোকানদারদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে হবে তাঁদের । অন্যদিকে গলি রাস্তার উপর লোহার রডের সঙ্গে ত্রিপল দিয়ে দোকানের কাঠামোর অংশ খুলে ফেলতে নির্দেশ দেয় পুলিশ। পুলিশ আধিকারিকরা হকারদের নির্দেশ দেন, রাতের মধ্যে এগুলি না খুললে ফের অভিযান হবে ৷ তখন কলকাতা পুরনিগমের তরফে লোক এসে সব ভেঙে খুলে (Hawker Eviction) নিয়ে চলে যাবে। এরপর হকারদের আর কিছু করার থাকবে না। সেই নির্দেশ মতোই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সোনারপুর স্টেশন সংলগ্ন বাজার বেশ ফাঁকা। কারণ সব দোকানদাররা নিজেদের দোকান গুটিয়ে ফেলতে ব্যস্ত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেচাকেনা বন্ধ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Britannia Factory Closed: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির

    Britannia Factory Closed: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার স্বাদে ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে ব্রিটানিয়া বিস্কুট। আর সেই আবেগে আঘাত পড়ল সোমবার। তারাতলায় প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে গেল ব্রিটানিয়া কোম্পানির (Britannia Factory Closed)। সূত্রের খবর, কোম্পানিতে স্থায়ী কর্মী ছিলেন ১২২ জন এবং অস্থায়ী কর্মী ছিলেন ২৫০ জন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ২০১১ সালের পরে এই নিয়ে মোট ১৫টি কারখানা বন্ধ হল তারাতলা শিল্পাঞ্চলে। 

    বিজেপির অভিযোগ (BJP blames on TMC) 

    কারখানা বন্ধের এই ঘটনায় তৃণমূলের তোলাবাজিকেই সরাসরি দায়ী করছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মলব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, “আজকের ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজের কারখানার বন্ধ (Britannia Factory Closed) হয়ে যাওয়া বাংলার একসময়ের গভীর বিশৃঙ্খলার প্রতিফলন।” একইসঙ্গে কারখানা বন্ধের জন্য বাম শাসন আমলে সিপিআই(এম) এর ‘ইউনিয়নবাজি’ এবং টিএমসির ‘তোলাবাজি’ (চাঁদাবাজি) এর সম্মিলিত প্রভাবকে দায়ী করেছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, বাংলার ভাগ্য এখন ‘ইউনিয়নবাজি’ এবং ‘তোলাবাজি’র জোড়া অভিশাপে আটকে পড়েছে। এখন একটাই প্রশ্ন, এই অভিশাপ থেকে কবে মুক্তি পাবে বাংলা?” 

    অন্যদিকে অমিত মালব্যর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP blames on TMC) বলছেন, ”এমন একটি দল, যারা সারাক্ষণ তোলাবাজি করে, তাদের উপস্থিতিতে সেখানে শিল্প আসবে না।  মুখ্যমন্ত্রীরও শিল্প-বিরোধী ভাবমূর্তি রয়েছে।”
    যদিও বিজেপির এই আক্রমণের পাল্টা আঘাত হেনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলছেন, ”সংশ্লিষ্ট সংস্থার ম্যানেজমেন্টের নিজস্ব সমস্যা রয়েছে। যারা এটিকে রাজ্যের সামগ্রিক শিল্প পরিস্থিতির সঙ্গে মেশাচ্ছেন, তাঁরা ভুল করছেন।” 

    আরও পড়ুন: ধর্মের ভিত্তিতে ভোটদান! লোকসভা ভোটে বিরাট ভূমিকায় মুসলিম ভোটারেরা

    কর্মীদের অভিযোগ 

    অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, ২০০৪ সাল থেকে যে আড়াইশো জন অস্থায়ী কর্মী কাজ করছিলেন তাঁদেরকে কোম্পানি কোনও টাকাপয়সা না দিয়ে এই কোম্পানি বন্ধ (Britannia Factory Closed) করে দিয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, স্থায়ী কর্মী যাঁরা ১০ বছরের উপরে চাকরি করছেন, তাঁদের এক এক জনকে ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছে কোম্পানি। ছয় থেকে দশ বছরের নিচে যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁদেরকে ১৮ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা দিয়েছে কোম্পানি। এর নিচে যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁদেরকে ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছে কোম্পানি। কিন্তু অস্থায়ী কর্মীদের কোনও টাকা পয়সা এখনও পর্যন্ত দেয়নি কোম্পানি বলেই অভিযোগ। 
    কিন্তু কী কারণে কলকাতার (Kolkata) একমাত্র ব্রিটানিয়া কারখানা বন্ধ হয়ে গেল? ব্যবসায় মন্দা? নাকি শ্রমিক সমস্যা? এনিয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে ব্যবসায়িক দিক থেকে কোনও সমস্যা হয়নি বলেই মত শ্রমিকদের একাংশের। এখনও বঙ্গে ব্রিটানিয়ার খাদ্যসামগ্রী বিক্রিতে অন্য যে কোনও সংস্থার চেয়ে যথেষ্ট এগিয়ে। তবে কেন বন্ধ হল কারখানা (Britannia Factory Closed) সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Update: অবশেষে অপেক্ষার অবসান! দক্ষিণবঙ্গে আগমন বর্ষার, ভারী বৃষ্টি কবে থেকে?

    Monsoon Update: অবশেষে অপেক্ষার অবসান! দক্ষিণবঙ্গে আগমন বর্ষার, ভারী বৃষ্টি কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি। উত্তরবঙ্গে বর্ষা (Monsoon Update) প্রবেশ করেছিল গত ৩১ মে৷ কিন্তু এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য চাতকের মতো চেয়ে ছিল দক্ষিণবঙ্গবাসী৷ এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। ২১ জুন দক্ষিণবঙ্গেও (West Bengal Weather Update) প্রবেশ করল বর্ষা। সম্প্রতি এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দুই বঙ্গে বর্ষা প্রবেশের এই ফারাক গত পাঁচ বছরে দেখা যায়নি ৷

    দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ বর্ষার (Monsoon Update) 

    আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঙ্গেয় বঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার বেশিরভাগ অংশে ইতিমধ্যেই বর্ষা প্রবেশ করেছে। একইসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম জেলার কিছু অংশেরও দখল নিয়েছে মৌসুমী বায়ু। তবে বর্ষা এলেও ভারী বৃষ্টি এখনই হবে না সেখানে। বরং রবিবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে ৷ 

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ওড়িশা, দক্ষিণবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহারের আরও কিছু অংশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতির জন্য পরিস্থিতি অনুকূল থাকবে। আবহবিদদের মতে, খুব বেশি বৃষ্টি (Monsoon Update) না হলেও দিনের তাপমাত্রা কম থাকবে। কলকাতা-সহ আশেপাশের জেলাগুলিতে আকাশ মেঘাছন্ন থাকবে। রাতের তাপমাত্রাও যে খুব বাড়বে তা না। পাশাপাশি, আর্দ্রতা ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (West Bengal Weather Update) 

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝিরঝিরে হালকা বৃষ্টি (Monsoon Update) চললেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বেশ কমে যাবে। সেই সঙ্গে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। কাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আগামী সপ্তাহের বুধবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ফের বৃষ্টি বাড়বে। 

    আরও পড়ুন: নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করল এমবাপে-হীন ফ্রান্স

    কলকাতার আবহাওয়া 

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার কলকাতা শহরে হালকা বৃষ্টি (Monsoon Update) হতে পারে। বৃষ্টির হাত ধরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে মুক্তি মিলবে। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তবে এরপর আগামী দিন চারেক শহর কলকাতার আবহাওয়ায় বিশেষ বদল নেই। 

    ফের বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে 

    অন্যদিকে, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের যে অংশে বর্ষার (Monsoon Update) প্রবেশের বাকি ছিল, সেই অংশেও ছড়িয়েছে মৌসুমী বায়ু। ফলে উত্তরবঙ্গে এখন বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলায় বৃষ্টি চলবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Metro Work: মেট্রোরুটে গাছ কাটা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টের

    Metro Work: মেট্রোরুটে গাছ কাটা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে জোকা থেকে তারাতলা পর্যন্ত মেট্রো চলছে। বাকি পথ সম্প্রসারণের কাজ হচ্ছে। কিন্তু সেই পথে মেট্রোরেল (Metro Work) প্রকল্পের জন্য দেদার গাছ কাটা হচ্ছে। সম্প্রতি এর বিরোধিতা করে  কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই মামলা খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে প্রধান বিচারপতি জানালেন মোমিনপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মেট্রোর কাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Metro Work) 

    এর আগে শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গাছ কাটা আটকাতে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়। তাঁদের দাবি ছিল, ৭০০-র বেশি গাছ কাটা হয়েছে ইতিমধ্যে। ময়দান এলাকায় সবথেকে বেশি গাছ কাটা হয়েছে। তার ফলে গোটা শহরের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছিল। এই প্রেক্ষিতেই গাছ কাটা বন্ধের আর্জি জানানো হয় আদালতে। এরপর ময়দান এলাকায় গাছ কাটা নিয়ে মেট্রোর কাজে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। এবার সেই মামলাই বৃহস্পতিবার খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। 

    আরও পড়ুন: ভিজল কলকাতা! হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত, ধারাপাত দক্ষিণের একাধিক জেলায়

    কিসের ভিত্তিতে অনুমতি দিল আদালত?  

    জানা গিয়েছে গাছ কাটা হলেও আবার গাছ লাগানোর কথা আগেই জানিয়েছে মেট্রো নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএল। অথচ এই তথ্য আদালতকে সঠিক ভাবে জানাননি মামলাকারী। তা ছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি (Metro Work) আদায় করে কাজ শুরু করে নির্মাণ সংস্থা। আদালত মনে করছে, সংবাদমাধ্যমের তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই মামলা করা হয়েছে। তাই মামলাটি খারিজ করে আরভিএনএল-কে নির্মাণ কাজ চালিয়ে অনুমতি দিল হাইকোর্ট। 
    উল্লেখ্য, গাছ কাটার এই ইস্যু নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য ময়দান চত্বরের গাছগুলি পুনরায় প্রতিস্থাপন বা ট্রান্সপ্লান্টেশন করার জন্য বনদফতরের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুমতি (Metro Work) মিলেছে। তাই কাজে বাধা আসার কোনও অর্থ হয় না। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছন অভিনেত্রী। যদিও ঋতুপর্ণা সিজিওতে (CGO Complex) পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছন তাঁর হিসাবরক্ষক। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে দফতরে পৌঁছছেন তিনি। এদিকে, এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর আইনজীবীরাও। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ যেখানে করা হবে সেখানে আপাতত আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেই ইডি সূত্রে খবর।  

    কী কারণে তলব অভিনেত্রীকে? (Rituparna Sengupta)

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণার (Rituparna Sengupta) হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সমস্ত হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। অভিনেত্রীও পরে সিজিওতে (CGO Complex) আসবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হিসাবরক্ষক। সেই মতো কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিনেত্রী এসে পৌঁছন সিজিওতে।

    আরও পড়ুন: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলাতেও তলব করেছিল ইডি

    গত ৫ জুন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, অভিনেত্রী (Rituparna Sengupta) সেই সময়ে বিদেশে ছিলেন। তাই মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এখন সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে ফিরে এলে যোগাযোগ করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো এবার হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী। তবে উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময়ও ইডি-র দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share