Tag: Krishnendu Mukherjee

  • Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির-মসজিদে প্রার্থনার সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তপ্ত আসানসোলের একাংশ (Asansol Violence)। হিংসা ছড়াল এলাকার কিছু পকেটে। কাসাই মহল্লা (Kasai Mohalla) এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এলোপাথাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়া, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

    গুজবের জেরে অশান্তি (Asansol Violence)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশ এলাকার ধর্মীয় স্থানগুলিতে গিয়ে লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ জানায়। এরপরই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ শুক্রবার সন্ধের নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে। এর পরেই এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। দ্রুত অবনতি হয় পরিস্থিতির। কাসাই বা জাহাঙ্গীরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়ির কাছে জড়ো হওয়া একদল মানুষ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক গাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। তাই হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তার আগে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এর পরেই নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাও। আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান, পুলিশ স্থানীয় মসজিদে গিয়েছিল শুধুমাত্র এই অনুরোধ জানাতে যে নমাজের সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ যেন মসজিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তাঁর দাবি, মসজিদ কমিটি ও পুলিশের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা চলছিল। সেই সময় হঠাৎই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে (Asansol Violence)। এরপরই উত্তেজিত জনতা হিংসাত্মক হয়ে ওঠে, হামলা চালায় পুলিশ ফাঁড়িতে।

    মন্দির-মসজিদে লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণে পথে পুলিশ

    জানা গিয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে রেলপার এলাকায় মন্দির ও মসজিদ—উভয় ক্ষেত্রেই লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল পুলিশ। হিংসার ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, যদিও এলাকার কিছু অংশে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ভিজি সতীশ পশুমার্থী জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সব কিছু পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কোনও সমস্যা নেই। আমরা সমস্ত সিসিটিভি (Kasai Mohalla) ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Asansol Violence)।”

     

LinkedIn
Share