Tag: Kunal ghosh

Kunal ghosh

  • Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    Trinamool Crisis: অমিত সকাশে তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুয়া-সঙ্গ ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, কোন দিকে গড়াচ্ছে বঙ্গ রাজনীতির জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Crisis) বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার শাসক এবং শাসিত দুই দলের এই দুই প্রতিনিধির এই বৈঠক ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবার এই বৈঠকের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সুদীপ। সেই বৈঠকে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

    তৃণমূলে ফের ‘রামধাক্কা’ (Trinamool Crisis)

    সুদীপের এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলে লাগে আরও এক ‘রামধাক্কা’। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া দল ছাড়েন। বছর চুয়াত্তরের মানস জানান, বর্তমানে দলে যে সঙ্কট চলছে, তাতে তিনি অসন্তুষ্ট। তাই দল ছেড়েছেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক পথে বাঁক নেবেন তিনি, তা স্পষ্ট করেননি পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। এদিকে, সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে তাঁরা পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতি এবং আলাদা আসন বিন্যাসের দাবি জানাবেন বলে খবর।

    বিদ্রোহ চারিদিকে

    বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তৃণমূলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৯ জন তাঁদের পাশে রয়েছেন। সুদীপ তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ২০। বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেলে তাঁরা সংসদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সুদীপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুদীপকে সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিলেও, তিনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেননি। কুণালের দাবি, ক্ষমতা ও পদলাভের লোভ থেকেই সুদীপ দলীয় নেতাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। তাই বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    কুণালের নিশানায়

    তিনি আরও (Trinamool Crisis) দাবি করেন, সম্প্রতি মমতার বাসভবনে সিআইডি অভিযানের সময় সুদীপ তাঁকে ফোন করে তাঁর অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তাঁর স্ত্রী নয়না সেখানে আসবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুদীপ আসেননি। কুণাল বলেন, “দিদির বাড়িতে না গিয়ে সুদীপদা এখন বিজেপির দরজায় পৌঁছে গিয়েছেন (Amit Shah)।” সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “বিশ্বাসঘাতক” বলেও আক্রমণ করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, তিনি শুধু দলের নেতৃত্বকেই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা তাঁর হয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় জানান, কয়েকদিন আগেও সুদীপ দল ছাড়ছেন না বলে আশ্বস্ত করেছিলেন তাঁকে। পরে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সুদীপকে বৈঠক করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত বলে জানান সৌগত।

    ডামাডোলের বাজারে সংগঠন সাজাচ্ছেন মমতা!  

    এদিকে, দলের এই ডামাডোলের বাজারের মধ্যেই সাংগঠনিক স্তরে একাধিক পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। সায়নী ঘোষের পরিবর্তে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুব সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Trinamool Crisis)। মহিলা সংগঠনের নতুন সভানেত্রী হয়েছেন আলিফা আহমেদ। উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সুদীপকে সরিয়ে সেখানকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণালকে। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন মুসারফ হোসেন। এরই মধ্যে রাজ্য বিধানসভায়ও সামনে চলে এল তৃণমূলে বড় ভাঙনের ছবি। দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৪ জন আলাদা গোষ্ঠী গঠন করে স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সেই গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এই স্বীকৃতিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির (Trinamool Crisis)।

    কোথাকার জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

  • Suvendu Adhikari: কাকলির পর শুভেন্দুর বৈঠকে ফিরহাদ-কুণাল-নয়না! হাজির ঋতব্রতও, বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন মোড়

    Suvendu Adhikari: কাকলির পর শুভেন্দুর বৈঠকে ফিরহাদ-কুণাল-নয়না! হাজির ঋতব্রতও, বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। এবার সেই বদলের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হল বুধবার নবান্নে আয়োজিত একটি হাইপ্রোফাইল বৈঠককে কেন্দ্র করে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত হলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh-Firhad Hakim), জাভেদ খান এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন সরকারের মেয়াদের শুরুতেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী শিবিরের দুই নেতার উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠকের নেপথ্যে কেবল সৌজন্য বিনিময় নয়, বরং শাসকদলে যোগদানের সুপ্ত ইঙ্গিত বা ‘দলবদল’-এর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    বৈঠকের প্রেক্ষাপট ও রুদ্ধদ্বার আলোচনা (Suvendu Adhikari)

    গত ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূল শিবিরের একাধিক প্রথম সারির নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলের গঠনমূলক পরামর্শকে স্বাগত জানানো হবে। তবে প্রশাসনিক আলোচনার আড়ালে এই বৈঠকের রাজনৈতিক গুরুত্ব যে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী, তা মানছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

    সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি অন্য কিছু?

    নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকটি বেশ কিছু সময় ধরে চলে। যদিও বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ হাকিম এবং কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh-Firhad Hakim) উভয়েই একে একটি ‘প্রশাসনিক সৌজন্য সাক্ষাৎ’ এবং কলকাতার কিছু বকেয়া উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা বলে দাবি করেছেন। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “কলকাতার মেয়র হিসেবে শহরের বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই আমি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলাম।” অন্যদিকে, কুণাল ঘোষও বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে হালকা করার চেষ্টা করে বলেন, “প্রতিটি বৈঠকের পেছনেই দলবদলের সমীকরণ খোঁজা অর্থহীন।” উল্লেখ্য এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খানও।

    জল্পনা বনাম বাস্তবতা

    তৃণমূল রাজত্বে দুই অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও প্রভাবশালী নেতার এভাবে নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করাকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা কেবল ‘প্রশাসনিক’ বলে মানতে নারাজ। এই বৈঠকের নেপথ্যে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ উঠে আসছে। এই সমীকরণগুলি হল-

    নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব

    রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠার পর তৃণমূলের বহু বিদায়ী মন্ত্রী ও নেতার সরকারি নিরাপত্তা ও ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং এলাকার উন্নয়ন সচল রাখতে নতুন শাসক শিবিরের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প নেই বলেই মনে করছেন অনেকে।

    তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ

    বেশ কিছুদিন ধরেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে পুরনো বনাম নতুন নেতৃত্বের কোন্দল প্রকাশ্যে আসছিল। বিশেষ করে কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh-Firhad Hakim) মতো নেতারা অতীতেও দলের একাংশের বিরুদ্ধে একাধিকবার সোচ্চার হয়েছিলেন। ফলে এই বৈঠক দলের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    শুভেন্দুর কৌশলী অবস্থান

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বরাবরই তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে দক্ষ। বিরোধী শিবিরের (Kunal Ghosh-Firhad Hakim) হেভিওয়েট নেতাদের নবান্নে ডেকে বৈঠক করার মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন ‘উদার ও সমন্বয়বাদী’ নেতার ভাবমূর্তি তুলে ধরছেন, অন্যদিকে বিদায়ী শাসকদলকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে ব্যাকফুটে ঠেলে দিচ্ছেন।

    রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

    এই বৈঠককে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়ে গেছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের দাবি, তৃণমূলের বহু নেতাই এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন যজ্ঞে শামিল হতে যোগাযোগ রাখছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই তালিকা আরও দীর্ঘ হবে।

    ঋতব্রত-সন্দীপনদের সঙ্গেই কুণাল-ববিরা!

    ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বা সন্দীপন সাহার মতো প্রকাশ্য বিদ্রোহীরা যে শুভেন্দুর বৈঠকে আসবেন, তা আগেই নিশ্চিত ছিল। কিন্তু, কুণাল-ববি-নয়নার উপস্থিতি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। কারণ, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্তও ফিরহাদ হাকিম (কলকাতার মেয়র) এবং কুণাল ঘোষের মতো নেতাদের কোণঠাসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল। অথচ, বুধবার তাঁদের দেখা গেল নবান্নের কনফারেন্স রুমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঠিক কয়েক আসন দূরে অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে বসে থাকতে।

    ‘সুবিধাবাদী রাজনীতি’

    অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরে এই বৈঠক নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দলের একাংশ বিষয়টিকে তীব্র সমালোচনা করে একে ‘সুবিধাবাদী রাজনীতি’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁদের মতে, দলের কঠিন সময়ে যাঁরা এভাবে বিরোধী শিবিরের দরজায় কড়া নাড়ছেন, তাঁরা আদতে নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত। তবে অন্য একটি অংশের দাবি, গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় একজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলের নেতারা দেখা করতেই পারেন, একে দলবদল ভাবা অতি রঞ্জিত মানসিকতার পরিচয়। সব মিলিয়ে, শুভেন্দুর সঙ্গে (Suvendu Adhikari) নবান্নের এই বৈঠক যে আগামী দিনে বাংলার রাজনৈতিক চালচিত্রকে অনেকটাই প্রভাবিত করবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবলই প্রশাসনিক স্তরে সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি অদূর ভবিষ্যতে কোনও বড়সড় রাজনৈতিক দলবদলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

  • TMC Resolution Sign: ‘সই কি ভূতে করল?’ বিধানসভায় স্বাক্ষর বিতর্কে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটালেন তৃণমূল বিধায়ক! তদন্তে সিআইডি

    TMC Resolution Sign: ‘সই কি ভূতে করল?’ বিধানসভায় স্বাক্ষর বিতর্কে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটালেন তৃণমূল বিধায়ক! তদন্তে সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনকে ঘিরে এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য রাজনীতি। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত একটি রেজোলিউশনে বিধায়কদের স্বাক্ষর (TMC Resolution Sign) নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে, আচমকাই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের (Trinamool Congress MLA) বাসভবনে হানা দেয় রাজ্য পুলিশের সিআইডি (CID) প্রতিনিধি দল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    চার তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সিআইডি

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে নিয়ম মেনে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল বিধানসভার সচিবকে। সেখানে নয়নার স্বাক্ষরে অসঙ্গতি রয়েছে বলে বিধানসভার তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল হেয়ার স্ট্রিট থানায়। জানা গিয়েছে, পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্বভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহরুল ইসলামের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি কর্তারা।  এর পর শুক্রবার সকালে ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় সিআইডি। তবে এর মধ্যেই বিধায়ক বাহারুল ইসলামের একটি দাবি এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে; তাঁর দাবি—‘‘ওই রেজোলিউশনে থাকা স্বাক্ষরটি আমার নয়।’’

    নয়নার ২ স্বাক্ষরের মধ্যে বিস্তর ফারাক!

    সূত্রের খবর, শপথের দিন নয়না প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের সামনে যে সই করেছিলেন, তার সঙ্গে পরিষদীয় দলের চিঠির সইয়ে ফারাক রয়েছে। সেই অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে। এই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টে নাগাদ সিআইডির একটি দল চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায়। রেজোলিউশনে থাকা স্বাক্ষরটি (TMC Resolution Sign) আদৌ তাঁর কি না, তা যাচাই করাই ছিল তদন্তকারীদের মূল উদ্দেশ্য। হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত সিআইডির ৬ সদস্যের এই দলটি বিধায়কের প্যান কার্ডও পরীক্ষা করে দেখে। সিআইডির এই আকস্মিক পরিদর্শনে চরম বিস্ময় প্রকাশ করে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা ঘটনাটিকে ‘শকিং’ বা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে বর্ণনা করেছেন।

    কী বললেন নয়না? (TMC Resolution Sign)

    নয়নার দাবি, হাতের লেখা তাঁর। তিনি বলেন, “গত ৬ মে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের লক্ষ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই সময় দলের (Trinamool Congress MLA) তৈরি করা একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আমি স্বাক্ষর করি। তবে আমি প্রথাগত সই না করে বড় হাতের অক্ষরে নিজের নাম লিখেছিলাম। বর্তমানে যে কাগজটি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে, সেটি আমারই হাতের লেখা (TMC Resolution Sign)।’’ ২০০১ সালে প্রথমবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর, পাঁচবারের বিধায়ক জীবনে এমন অস্বস্তিকর ও নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখোমুখি তাঁকে কখনও হতে হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যেই দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছেন এবং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুরো ঘটনাটি অবগত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

    ‘সই কি ভূতে করল?’ প্রশ্ন ক্যানিং পূর্বের বিধায়কের

    এদিকে এই ঘটনাপ্রবাহে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুর শোনা গেছে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক বাহারুল ইসলামের (Trinamool Congress MLA) গলায়। রেজোলিউশনে নিজের স্বাক্ষর (TMC Resolution Sign) থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে প্রশ্ন তোলেন, ‘‘গত ৬ মে, যেদিন রেজোলিউশনে সই নেওয়া হয়েছিল, আমি বাড়ি থেকেই বের হইনি। কে করে দিল বুঝতে পারছি না। তাহলে আমার সইটা কি ভূতে করল?’’ বাহরুলের গলায় স্পষ্ট ক্ষোভের সুর শোনা যায়। তিনি আরও বলেন, “আমি তো সই করিনি। দল একবার আমাকে জানাতে পারত। আমি সই করতে চাই কি না, জানতেও চাওয়া হয়নি।” সাধারণত বিধানসভায় বিরোধীদলের পরিষদীয় দলের নেতাদের সম্মতিতেই বিধানসভার স্পিকার বিরোধীদলের নেতা নির্বাচনে সিলমোহর দেন।

    কী বলছে বিজেপি?

    যেহেতু নাম প্রস্তাব এবং স্বাক্ষর নিয়ে বিভ্রাট তৈরি হয়েছে তাই ঘটনার তদন্তে নেমছেন রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। কুণাল ঘোষ এখনও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি, বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও একই অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছে সিআইডি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই সিআইডি গিয়েছে। প্রক্সি সিগনেচারও হতে পারে। কলকাতা পুরনিগমে এরকম হয়। আর একটু অপেক্ষা করুন। সত্যিটা বেরিয়ে আসবে। যদি তিনি সই করে থাকেন, তাহলে কোনও অসুবিধা নেই। যদি কোনও রকম ট্যাম্পারিং করে থাকেন, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

  • Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সন্ধ্যায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তার পরেই তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়েছে বিদ্রোহ (TMC Inner Clash)। আরজি করকাণ্ডকে ঘিরে তীব্র আন্দোলনের জেরে তৃণমূল যে ক্রমশ ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছে, এই বিদ্রোহই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এতদিন চুপ করে রইলেও, এখন সুযোগ বুঝে দলের প্রতি চাপা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ঘাসফুল শিবিরের ছোট-বড় বিভিন্ন নেতা।

    সুখেন্দুশেখরের কটাক্ষ (Sandip Ghosh)

    গত কয়েকদিন ধরেই বেসুরো শোনাচ্ছিল সাংসদ তৃণমূলের সুখেন্দুশেখর রায়কে। সন্দীপের গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “মিডল স্ট্যাম্প আপরুটেড, হোয়াট নেক্সট?” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘মাঝের স্টাম্প ছিটকে গেল, এবার কে?’ কখনও বাস্তিল দুর্গের পতনের ছবি, কখনও আবার আরকে লক্ষ্মণের কার্টুন শেয়ার করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন সুখেন্দুশেখর। সোশ্যাল মিডিয়া মারফত তাঁর বক্তব্য জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের শান্তনু সেনও। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “ঈশ্বর বিচার করলেন। প্রমাণ হল আমি ভুল বলিনি। সঠিক জায়গায় দুর্নীতির তথ্যগুলো অনেক আগেই জানিয়েছিলাম।”

    দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন কুণাল

    তৃণমূলের কুণাল ঘোষ দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লবি হিসেবেই পরিচিত। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “সিবিআই তদন্ত করছে। সম্ভবত দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করেছে। এ বিষয়টি সন্দীপ বা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। দলের কোনও বক্তব্য নেই। কিছু অভিযোগ অনেক আগেই শোনা গিয়েছিল। তখন পদক্ষেপ নিলে এখনকার অস্বস্তি এড়াতে পারত স্বাস্থ্যভবন।” কুণালের মন্তব্যে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তাই কুণালের ইঙ্গিত স্পষ্ট বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Sandip Ghosh)।

    এদিকে, নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা তথা উত্তরপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের কাঞ্চন মল্লিক। ১ সেপ্টেম্বর হুগলির কোন্নগর শহর ও নবগ্রাম মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে ধর্না কর্মসূচি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনও। সেখানেই বেফাঁস মন্তব্য করেন বিধায়ক। পরে চান ক্ষমা। বলেন, “আমি যা বলেছি, তার জন্য আমি অত্যন্ত লজ্জিত ও দুঃখিত। আমার বাড়িতেও একজন বৃদ্ধ মানুষ রয়েছেন। তাঁকে মেডিক্যাল সাপোর্ট দিতে (TMC Inner Clash) হয়। আমি জানি, ডাক্তারের (Sandip Ghosh) প্রয়োজন কতটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিকতলা উপনির্বাচনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ ও বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের (Kalyan Chaubey) মধ্যে দ্বৈরথ অব্যাহত রইল। মানিকতলা উপনির্বাচনের আগে কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। এবার কুণালের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি প্রার্থী। উপনির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে কুনালের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ চৌবে।

    কুণাল ঘোষের অভিযোগ (Kunal Ghosh) 

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কুণাল ঘোষ বলেন, ”রবিবার আমাকে ভোটে অন্তর্ঘাতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে খেলার জগতে রাজ্য বা জাতীয় স্তরে বড় পদের প্রস্তাবও দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ।” তবে কুনাল এই অফার প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ”এই বিজেপি প্রার্থীকে (Kalyan Chaubey) একটা ভোটও দেওয়া উচিত নয়।” এরপর নিজের দাবির সপক্ষে একটি অডিয়ো ক্লিপ সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেন তৃণমূল নেতা। 

    যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, ”আমি কখনো কোথাও বলিনি ফুটবল ফেডারেশনের কোন পদে রাখব। সেটা অপপ্রচার করছেন। এটা ওনার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। কথোপকথনকে রেকর্ড করে বাইরে ছাড়া শুধুমাত্র ওনার বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ করল না, মানুষ এরপর থেকে কারোর সাথে কথা বলতে চাইলে দশবার ভাববে। আমি ওনাকে ফোন করেছি, কারণ উনি আমাকে বলেছিলেন রাত এগারোটায় ফোন করতে এবং সেই কথা রেকর্ড করে প্রকাশ্যে এনেছেন।” 

    বিজেপি প্রার্থীর পাল্টা জবাব (Kalyan Chaubey) 

    কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের পর নির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ। তাঁর বক্তব্য, ”‌আমি সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। সেই হিসাবে তাঁর সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু আমি কোনও প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। পুরো অডিয়ো ক্লিপিং শোনালে সেটা বোঝা যাবে।”‌ আর এরপরেই বিজেপি প্রার্থী একেবারে বেনজির আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষের উদ্দেশ্যে। পরিষ্কার বলেই দিলেন, “এই মানুষটা কয়েকদিন আগে তাপস রায়কে জেতানোর জন্য নিজের দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমার কাছে হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট রয়েছে। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সব লোকেরা তাপস রায়ের হয়ে কাজ করছে। বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তবে আমি ব্যক্তিগত কথোপকথন বাইরে আনব না।”   

    আরও পড়ুন: নারী থেকে পুরুষ হয়ে ইতিহাস গড়লেন আইআরএস আধিকারিক

    উল্লেখ্য, ভোটের আগের দিনই কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey) অভিযোগ করে বলেছিলেন কুণাল ঘোষ নাকি বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। এর জন্য একাধিকবার তাঁর বাড়িও গিয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী বলেন, “উনি আমার বাড়িতে একটা মেরুন স্যান্ট্রো করে অংখ্যবার গিয়েছেন। আমায় বলেছিলেন বিজেপিতে যোগ দেবেন।” এ নিয়ে কুণাল (Kunal Ghosh) জানিয়েছিলেন, “বিজেপি-তে যাওয়ার ইচ্ছা হলে পচা কল্যাণকে আমার লাগবে না।” যদিও বুধবার ‘পচা কল্যাণ’ শব্দটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী বলেন, “এই শব্দটাকে আমি নিন্দা করছি। উনি নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বালি, কয়লা, গরু, বিদ্যা, রেশন চুরি করে না বিজেপি। বিজেপি (BJP) স্বচ্ছ পার্টি। বিপক্ষে একটা পার্টি আছে দুর্নীতি আর দুর্নীতি। ওরা বালি, কয়লা, গরু, রেশন, বিদ্যা চুরি করে।” পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) আউশগ্রামের অভিরামপুরে বোলপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহার সমর্থনে জনসভায় এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তিনি আরও বলেন, “আপনারা ভাবুন কাকে ভোট দেবেন। ওরা যা দিচ্ছে সব নিয়ে নিন। ওসব আপনাদেরই পয়সা। আপনারই পয়সা আপনাকে দিচ্ছে, আসলে ঘুরিয়ে নাক দেখাচ্ছে। কিন্তু ভোটটা বিজেপিকে দিন।”

    বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়

    বিজেপিকে মুসলিম বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অবস্থান স্পষ্ট করে মিঠুন বলেন, “বিজেপি মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়। দাঙা করে না বিজেপি।আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি বলেছে আমরা মানুষের রাজনৈতিক সমর্থন (Lok Sabha Election 2024) নিয়ে জিতব। আমাদের এখানে কেউ স্ক্যাম করলে আমরা এক মিনিটও ভাবি না।”

    আরও খবর: “৪ জুনের পর পিসি ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    ইভিএম কারচুপি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত মালদা জেলার ফারাক্কার জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো ইভিএম কারচুপির সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি (Mithun Chakraborty) বলেন ১৫ লক্ষ ইভিএম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর কাছ নাকি খবর রয়েছে। মমতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “আগেই বলেছি। ওনার মাথার ঠিক নেই। যা ইচ্ছে বলুক, বলতে দিন।” অন্যদিকে আসানসোল বিক্ষোভ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার দোষ, আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমার শরীর খারাপ। আমার পা কাঁপছে, পরে একদিন যাব।” এসএসসির চাকরিহারা নিয়ে প্রশ্ন করতেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, “আরও একটা বড় স্ক্যাম আছে। অদ্বিতীয়া বলে একটি মেয়ে আছে। ব্লগ করেছে, একটু খানি দেখে তারপরে বলবেন। আমি কিছু বলছি না।” ২০১৪ সালের চাকরি প্রার্থীদের প্যানেল বাতিল নিয়ে তিনি বলেন, “ভুল করে থাকলে তার সাজা পেতে হবে”।

    খোশমেজাজে মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন চাঁদিফাটা গরমেও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) মঞ্চে বেশ খোশমেজাজে ছিলেন।  এক ভক্ত তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, চশমা পরে থাকেন কেন? তিনি তৎক্ষনাৎ চশমা খুলে দিয়ে হেয়ালির ছলে বলেন, “আমার চোখগুলো খুব সুন্দর।” এরপর মিঠুন নিজের কয়েকটি সিনেমার ডায়লগ বলার পাশাপাশি নিজের লেখা গানও গেয়ে শোনান (Lok Sabha Election 2024)। হেলিকপ্টারে ওঠার কুনাল ঘোষের পদ কেড়ে নেওয়া প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghsoh) দলের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “নর্দমা। ওকে নিয়ে কিছু বলব না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

    “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

    সুকান্তের বক্তব্য

    পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

    পুলিশের ব্যর্থতা

    পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কী কী উদ্ধার হয়?

    শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে তৃণমূল নেতাদের কল রেকর্ড 

    Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে তৃণমূল নেতাদের কল রেকর্ড 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bhupatinagar Blast) এবার নিহত তৃণমূল (TMC) নেতার কল ডিটেলস-এর দিকে নজর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র(NIA)। বিস্ফোরণে মৃত তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না সহ আরও দুজনের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই তালিকায় রয়েছেন এনআইএ-র ওপর হামলার ঘটনায় আটক বলাই মাইতি এবং মনোব্রত জানা।

    ২ ডিসেম্বর কী নিয়ে কথা হয়েছিল? (Bhupatinagar Blast)

    ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Blast) ভয়াবহ বিষ্ফোরণ হয়েছিল। বোমা বাঁধতে গিয়ে বিষ্ফোরণ হয় বলে জানা যায়। মৃত্যু হয়েছিল রাজকুমার ও তার ভাই দেবকুমার ও বিশ্বজিৎ গায়েনের। মৃত্যু হয়েছিল আরও একাধিক মানুষের। বিষ্ফোরণের ভয়াবহতায় বাড়ির ছাদ উড়ে যায়। ছিন্নভিন্ন দেহ ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থল থেকে কয়েক ফুট দূরের পুকুরে। বোমা বাঁধার আগে রাজকুমার মান্নার সঙ্গে বলাই ও মনোব্রতর কথা হয়েছিল, এমন একাধিক প্রমাণ (Bhupatinagar Blast) এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। ২ ডিসেম্বর কী নিয়ে কথা হয়েছিল রাজকুমারের সঙ্গে বলাই ও মনোব্রতর, তা জানতে চান তদন্তকারীরা। তা জানতেই কল ডিটেলস খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। কল ডিটেলসের সঙ্গে তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের বয়ান মিলিয়ে দেখতে চান। কার নির্দেশে রাজকুমার তৈরি করছিলেন, বোমা তৈরির কাঁচামাল কারা দিয়েছিল, কাদের কাছে বোমা পৌঁছে দেওয়ার বরাত ছিল, সেই সব বিষয় বিস্তারিত খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই বলাই ও মনোব্রতকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে।

    পাল্টা চাপ সৃষ্টি করার কৌশল (Bhupatinagar Blast) 

    প্রসঙ্গত আদালতের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে এনআইএ। কিন্তু আদালতে নির্দেশে যে তদন্ত হচ্ছে, তাতেও রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে গ্রামবাসীদের হামলার মুখে পড়েছেন তদন্তকারীরা। এনআই এ-র উপরে হামলা চালানো হয় সন্দেশখালির কায়দায়। মারধরের পর পুলিশে অভিযোগ জানান তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে পুলিশ। শ্লীলতাহানি সহ একাধিক ধারায় এনআইএ’র আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করার কৌশল নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির (Bhupatinagar Blast)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Incident: ভূপতিনগরকাণ্ডে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যপাল, ৩ তৃণমূল নেতাকে তলব এনআইএ-র

    Bhupatinagar Incident: ভূপতিনগরকাণ্ডে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যপাল, ৩ তৃণমূল নেতাকে তলব এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করলেন। শনিবার রাতে এনআইএ-র শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস ( C.V. Anand Bose)। সেদিন সকালে ঘটনাস্থলে এনআইএ-র (NIA) আধিকারিকদের সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, কীভাবে হামলা হল, হামলার সময় কতজন মানুষ ওখানে ছিল, তার বিস্তারিত বর্ণনা শোনেন তিনি। কেন আধিকারিকরা সেখানে গিয়েছিলেন, সেই সম্পর্কেও জানতে চান রাজ্যপাল। রাজভবন (Governer’s House) সূত্রে খবর, পুরো বিষয় জানার পর রাজ্যপাল সম্পূর্ণ রিপোর্ট তলব করেছেন।

    সেদিন কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত ভূপতিনগর (Vupatinagar Blast) বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে শনিবার সকালে হামলার মুখে পড়েন এনআইএ আধিকারিকরা। তাঁদের গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এক এনআইএ আধিকারিকের উপর লাঠি নিয়ে হামলা করা হয়। সেই আধিকারিক এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ভগবানপুর ২ নম্বর ব্লকের ভূপতিনগরে প্রচণ্ড জোরে বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণের ভয়াবহতায় কেঁপে উঠেছিল আশপাশের এলাকা। এই ঘটনায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না, তার ভাই দেবকুমার মান্না ও বিশ্বজিৎ গায়েনের মৃত্যু হয়। মৃত্যু হয়েছিল আরও একজনের। ছিন্নভিন্ন, ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছিল বাড়ির ছাদ ও কয়েক মিটার দূরের পুকুর থেকে। সেই ঘটনায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএ’র কাঁধে।

    ৩ তৃণমূল নেতাকে নোটিশ

    এই ঘটনায় তৃণমূলের জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানবকুমার পড়েয়া, সুবীর মাইতি ও নবকুমার পান্ডাকে ফের নোটিশ দিল এনআইএ। শনিবার তিনজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন এনআইএ আধিকারিকরা। তাদের সোমবার সকালে নিউটাউনের এনআইএ দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আগেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু একবারও তাঁরা হাজিরা দেননি।

    মানহানির মামলার হুমকি জিতেন্দ্রর

    এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এনআইএর কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক রঙ দিতে তৎপর। হেমতাবাদের সভা থেকে তিনি বলেন, “হামলা মেয়েরা করেনি, করেছে এনআইএ। গদ্দারটা জানে হারবে। তাই লোকের বাড়িতে লোক পাঠাচ্ছে। তুমি লোকের বাড়িতে ঢুকে যাবে রাতে। তৃণমূলের সব সভাপতিকে এমএলএকে গ্রেফতার করবে। সবাই শাঁখা-পলা পড়ে বসে থাকবে?” প্রসঙ্গত জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিরুদ্ধে এক এনআইএ আধিকারিকের বাড়ি গিয়ে নামের তালিকা তুলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছিল শাসক দল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ অভিযোগ তুলেছিলেন, ২৬ মার্চ জিতেন্দ্র তিওয়ারি N.I.A.’র এসপি ধরাম সিং-এর কলকাতার বাড়িতে গিয়ে একটি খাম তুলে দিয়ে এসেছিলেন। জিতেন্দ্র তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “মানহানিকর বক্তব্য রাখা হয়েছে। সাত দিন সময় দিলাম। নিজের বক্তব্য ফেরত না নিলে মানহানিকর মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Dinajpur: “অভিষেক নাদান, কুণাল ননসেন্স!” মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণ তৃণমূল বিধায়কের

    North Dinajpur: “অভিষেক নাদান, কুণাল ননসেন্স!” মমতার পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: :”হি ইজ এ ননসেন্স”, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত কুণাল ঘোষকে ইমিডিয়েট স্যাক করে দেওয়া। তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ ইস্যুতে কুণাল ঘোষের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে এই মন্তব্য করলেন উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (North Dinajpur)

    বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur) জেলার ইসলামপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ খোলেন দাপুটে তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রবীণদের ছাড়া বাংলা কেন, কোনও রাজ্য বা ভারতবর্ষ চলবে না। প্রবীণদের যে জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, তাঁরা তা দেবেন। প্রবীণদের বাদ দিয়ে দেশ চলে নাকি? কোনও রাজ্য চলে? ভারত চলবে? এইজন্য এই লোকটা যে নিজের স্বার্থের জন্য কথা বলছেন, আমার মনে হয় মমতার উচিত এই লোকটাকে সরিয়ে দেওয়া। কারণ এদের বক্তব্যে প্রবীণ সম্মানীয় নেতারা কষ্ট পাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, “নবীনদের হাতে দেওয়া মানে ‘বাঁদরের হাতে নারকেল দেওয়া।’ চালাতে পারবে নাকি তারা? দেশের জন্য অনেক ত্যাগ দরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক ত্যাগ করেছেন। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করে বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করেছেন। অন্য দলে অথবা এই দলেও কোনও যোগ্য ব্যক্তি নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া।

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন করিম চৌধুরী?

    এমনকী তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে, এ বাচ্চা আছে, এ বালক আছে। একে আপনি সঙ্গে রাখেন। কিন্তু, তাঁকে সব ক্ষমতা দেবেন না। এ বাচ্চা আছে, নাদান আছে। ‘নাদান, বাচ্চা, নাবালক’কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেনাপতি করে দিয়েছেন। আস্তে আস্তে ট্রেনিং পাবে, তারপর উঠবে। এখন ট্রেনিং পাওয়ার আগেই যদি ও উঠে যেতে চায়, এটা অসম্ভব। অভিষেককে বলব, ধৈর্য ধরো। ধৈর্য রাখো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share