Tag: kuntal ghosh

kuntal ghosh

  • Recruitment Scam: কুন্তলের চিঠি কাণ্ডে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    Recruitment Scam: কুন্তলের চিঠি কাণ্ডে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি নিয়ে প্রেসিডেন্সি জেল সুপারকে তলব করল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতরে পৌঁছন সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করাও শুরু হয়েছে। কুন্তলের চিঠি প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। 

    জেল সুপারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, সিবিআই সুপারের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে পারেন। জেলে বসেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ধৃত এবং বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। চিঠি পাঠানো হয়েছিল নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছেও। বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল সাম্প্রতিক সময়ে আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েক বার দাবি করেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের বড় নেতাদের নাম বলানোর জন্য তাঁকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের মাধ্যমেই হেস্টিংস থানায় অভিযোগ করেছিলেন কুন্তল। বিতর্কিত এই চিঠির বিষয়ে তখন থেকে তদন্তকারীদের নজরদারির আওতায় ছিল জেল সুপারের ভূমিকা।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে অশান্তির নেপথ্যে বিদেশিদের হাত! কেন্দ্রীয় তদন্ত চাইছে আদিবাসী সংগঠন

    একাধিক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    এর আগেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আঙুলে আংটি থাকার ইস্যুতে জেল সুপারকে তলব করেছিল বিশেষ সিবিআই আদালত। সেই মতো আদালতে সশরীরে হাজিরাও দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্সির সুপার দেবাশিস চক্রবর্তী। এবার সিবিআই দফতরে গেলেন তিনি। নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। চিঠি লেখার আগে কুন্তল কী বলে সুপারের কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছিলেন কিংবা সেই চিঠি কার হাত দিয়ে তিনি পাঠিয়েছিলেন, এরকম একাধিক বিষয়ে তদন্তকারীরা সুপারের কাছ থেকে জানতে চাইতে পারেন বলে অনুমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    Abhishek Banerjee: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও কুন্তল ঘোষ। আগামিকাল জরুরি শুনানির আর্জি জানালেন অভিষেক। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। কিন্তু, দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করেনি আদালত।

    অভিষেকের আর্জি

    নিয়োগ মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি প্রসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ইডি এবং সিবিআই জেরা করতে পারবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা। একক বেঞ্চের সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন অভিষেক। নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষও বিচারপতি সিন্‌হার একক বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হয়েছেন। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন। কিন্তু এখনই দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করা যাচ্ছে না। তবে শুক্রবার শুনানি হতে পারে।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে রায়

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নাম বলতে চাপ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মর্মে অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে একটি চিঠি দিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ। সেই মামলা হাইকোর্টে গড়ালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বেঞ্চ বদল হলেও রায় বহাল থাকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘বাংলা সরকার অসহিষ্ণু’’! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র উপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা আগেই প্রশ্ন করেছিলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) তদন্তে সহযোগিতা করতে সমস্যা কোথায়? তাঁর বক্তব্য ছিল, যে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে তদন্তকারী সংস্থা। এতে কোনও অসুবিধা থাকার কথা নয়। অভিষেকের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘তদন্তের সময় একাধিক ব্যক্তির নাম আসতেই পারে। এতে একজনের নাম এলে তিনি সহযোগিতা কেন করবেন না? একটু বেশি আশঙ্কায় ভুগছেন?’ এবার অমৃতা সিনহারও রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক। এখন ডিভিশন বেঞ্চ কী রায় দেবে তার দিকে তাকিয়ে অভিষেক।

    তদন্তে ভয় পাচ্ছেন অভিষেক? প্রশ্ন বিরোধীদের

    এদিন বাঁকুড়ার সভা থেকে অভিষেক জানান, তিনি তদন্তে ভয় পান না। সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি আমাকে যেদিনই ডাকবে, আমি সেদিনই হাজিরা দেব। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।’’ এই প্রেক্ষিতে, তৃণমূলের সেকন্ড-ইন-কমান্ডকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। তাদের মতে, যদি তিনি ভয়ই না পেয়ে থাকেন, তাহলে জিজ্ঞাসাবাদ ঠেকাতে বার বার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন কেন? এই নিয়ে অভিষেকের সাফাই, আদালতে যাওয়াটা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের অধিকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “যখন ইচ্ছে আদালতে আসুন, কোনও রক্ষাকবচ নয়”! অভিষেকের আর্জি খারিজ হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: “যখন ইচ্ছে আদালতে আসুন, কোনও রক্ষাকবচ নয়”! অভিষেকের আর্জি খারিজ হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুন্তলের চিঠি মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রক্ষাকবচ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় অব্যাহতি চেয়েছিলেন অভিষেক। এদিনের শুনানিতে বিচারপতির অমৃতা সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ স্পষ্ট করে দেন, ‘২৪ ঘণ্টা আদালত খোলা আছে। প্রয়োজন পড়লে আদালতে আসুন।’ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার। 

    স্বস্তি মিলল না

    নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ আদালতে (Calcutta High Court) যাওয়ার পথে দাবি করেছিলেন, তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে চিঠিও দেন কুন্তল। চিঠি দিয়েছিলেন হেস্টিংস থানাতেও। সেই চিঠি প্রসঙ্গে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কিংবা সিবিআই প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারে। এরপর সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরিয়ে দেয়। সেই মামলা গিয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। শুক্রবার সেখানেও স্বস্তি মিলল না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    রক্ষাকবচ দেওয়ার আর্জি

    এদিন শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী হাইকোর্টের (Calcutta High Court) পুরনো নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানান। একই সঙ্গে তৃণমূল নেতাকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়ার আর্জি জানান তাঁর আইনজীবী। এই সময়ের মধ্যে তদন্তকারী সংস্থা যাতে চরম পদক্ষেপ নিতে না পারেন, তার জন্যও আবেদন করেন অভিষেকের আইনজীবী। বৃহস্পতিবারই কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন অভিষেক। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে তিনি এই আবেদন জানান।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে গৃহযুদ্ধ! তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের হুমকিতে ঘরছাড়া দলেরই পঞ্চায়েত সদস্য

    হাকিম বদলালে, হুকুম বদলায় না

    অভিষেকের আইনজীবী বলেন, এই মামলায় কী ভাবে তাঁর মক্কেলের নাম জড়াল, সেটাই পরিষ্কার নয়। অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগটা ঠিক কী, তা-ও তাঁর জানা নেই বলে জানান তিনি। সেই বক্তব্য শুনে বিচারপতি অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, “দেখুন হাকিম বদলালে, হুকুম বদলায় না। হুকুম একই থাকে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে মামলা সরে যাওয়ায় যারা আনন্দ করছিল, তা বন্ধ। এখন শোকের আবহ। তৈরি হয়ে থাকুন, সময় আসছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চান অভিষেক, আবেদন হাইকোর্টে

    Abhishek Banerjee: কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চান অভিষেক, আবেদন হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা সরানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। সেই মামলা দুটি গিয়েছে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। এর একটি তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সংক্রান্ত। বিচারপতি সিনহা অভিষেককে মামলায় যুক্ত হতে বলেছিলেন। সেই মতো বৃহস্পতিবার মামলাটিতে যুক্ত হয়েছেন তৃণমূলের দু নম্বর ব্যক্তি। সেই সঙ্গে মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন অভিষেক।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)…

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। তার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে কুন্তল অভিযোগ করেন, ইডি এবং সিবিআই তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলার জন্য চাপ দিচ্ছে। এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে চিঠি দেন কুন্তল। পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেন হেস্টিংস থানায়ও। সেই চিঠির বিষয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি বা সিবিআই প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, জেলবন্দি কুন্তল ঘোষের চিঠি ও অভিষেকের বক্তব্যের মধ্যে মিল রয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হয়েছিল।

    হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা সরিয়ে নেওয়া হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে। মামলা চলে যায় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। ওই মামলায় বিচারপতি সিনহার পর্যবেক্ষণ ছিল, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। তাহলে তদন্তে সহযোগিতা করতে অভিষেকের অসুবিধা কোথায়? অভিষেকের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, এই মামলায় কীভাবে তাঁর মক্কেলের নাম জড়াল, সেটাই পরিষ্কার নয়।

    আরও পড়ুুন: মধ্যরাতেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে মোকা, শুক্রে কমবে তাপমাত্রা

    অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগটা ঠিক কী, তাও জানা নেই। সেই বক্তব্য শুনেই বিচারপতি অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর এদিন বিচারপতি সিনহার কথা মতো মামলায় যুক্ত হন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। পরে আদালতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে এই মামলা থেকে অব্যাহতি চান। শুক্রবার হবে এই মামলার শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • SSC Scam: পার্থ-অয়নের মধ্যে সেতু কুন্তল! নিয়োগ দুর্নীতিতে দাবি ইডির

    SSC Scam: পার্থ-অয়নের মধ্যে সেতু কুন্তল! নিয়োগ দুর্নীতিতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং প্রমোটার অয়ন শীলের (Ayan Sheel) মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করেছেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর আদালতে পেশ করা চার্জশিটে এমনই দাবি করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, বিভিন্ন এজেন্টের কাছ থেকে মোট ৪৫ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন। মোট পাঁচটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির টাকা পাচার করা হত। 

    ইডির দাবি

    সোমবার বিশেষ আদালতে ১১৩ পাতার চার্জশিট পেশ করে ইডি জানিয়েছে, শুধুমাত্র ২০১৪ সালের টেট নয়, ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের অবৈধ ভাবে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রেও, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ এবং অয়নের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেছিলেন কুন্তল। চার্জশিটে ইডির দাবি, শিক্ষা দফতরে অযোগ্যদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে একা অয়ন শীলই ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। পরে টাকার ভাগ পান পার্থ ঘনিষ্ঠ বেহালার ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় এবং হুগলির দুই বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, দুর্নীতির টাকা পাচারের উদ্দেশে অয়ন নিজেও নানা ফন্দি এঁটেছিলেন। এমনকী, খুলেছিলেন নির্মাণ সংস্থাও। পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পত্তি, পেট্রোল পাম্প থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর ব্যবসাও চালু করেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হলে রাজ্যপাল বসে থাকবেন না”, বললেন আনন্দ বোস

    চার্জশিটে রয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের থেকে ৪৫ কোটি টাকা তোলার পরে অয়ন ২৬ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়কে। ঘটনাচক্রে গত সপ্তাহেই বেহালার সরশুনায় সন্তুর ফ্ল্যাটে হানা দেয় সিবিআই। জানা গিয়েছে, অযোগ্যপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে ১৮ কোটি টাকা অয়ন বিনিয়োগ করেন নির্মাণ ব্যবসায়। এবিএস ইনফোজেন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে ওই টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল হুগলির চুঁচুড়ার ‘এবিএস টাওয়ার’ প্রকল্পে। নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় ‘শুক্লা সার্ভিস স্টেশন’ নামে একটি পেট্রোল পাম্প খোলা হয় দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে। অয়নের সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরে ইডি জানিয়েছে, যে স্থাবর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে, তার বাজার মূল্য ১০ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। গাড়ি রয়েছে ৬৪ লক্ষ টাকার। শেয়ার রয়েছে ২৩ লক্ষ টাকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kuntal Ghosh: কুন্তলের বিস্ফোরক চিঠিকাণ্ডে শুনানি হবে ‘সুপ্রিম’ রায়ের পর, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    Kuntal Ghosh: কুন্তলের বিস্ফোরক চিঠিকাণ্ডে শুনানি হবে ‘সুপ্রিম’ রায়ের পর, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বিস্ফোরক চিঠি মামলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারাধীন। তাই এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের পক্ষ থেকে ৩টি হার্ড ডিস্ক ও অরিজিনাল ভিজিটর রেজিস্টার খাতা জমা দেওয়া হয় আদালতে। এইসব নথি সিল কভারে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশ ছিল, সংশোধনাগারের সিসি টিভি ফুটেজ ও অরিজিনাল ভিজিটর রেজিস্টার খাতা পেশ করার।

    কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)…

    ২৯ মার্চ শহিদ মিনারের এক সভায় তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সারদা মামলায় হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তলও (Kuntal Ghosh) একই অভিযোগ করেন। প্রেসিডেন্সি জেলে বসে ইডি এবং সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে চিঠি লিখেছিলেন কুন্তল। সেই চিঠির মূল বক্তব্য হল, তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলার জন্য তাঁকে চাপ দিচ্ছেন ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। কুন্তলের অভিযোগ, অভিষেকের নাম না বলায় তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচারও চালিয়েছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    কুন্তলের  (Kuntal Ghosh) বিস্ফোরক চিঠি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, প্রয়োজনে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি এবং সিবিআই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। সেই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেছিলেন, ২১ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি সংশোধানাগারের প্রবেশ ও বাহিরপথের সিসিটিভির ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে কারা গিয়েছিলেন, তা জানাতে ভিজিটর্স রেজিস্টার খাতা জেল কর্তৃপক্ষকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এদিনই ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশ মোতাবেক এদিন তিনটি হার্ডডিস্ক, ভিজিটর রেজিস্টার খাতা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেন প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে তোলা টাকা কুন্তল খাটাচ্ছে হাওয়ালায়’, বিস্ফোরক অভিযোগ তাপসের

    Recruitment Scam: ‘অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে তোলা টাকা কুন্তল খাটাচ্ছে হাওয়ালায়’, বিস্ফোরক অভিযোগ তাপসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) জেলে রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। ওই একই কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেলে রয়েছেন বারাসতের জাতীয় পুরস্কার পাওয়া প্রধান শিক্ষক তাপস মণ্ডলও। বৃহস্পতিবার ফের বোমা ফাটালেন তিনি। আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত চত্বরে তাপস বলেন, আগে আমি বলেছিলাম ১০০ কোটির খেলা। এখন যেটা শুনছি, সেটা হল ৫০০ কোটি টাকার খেলা। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ভাঙিয়ে কুন্তল যে টাকা তুলেছে, সেই টাকা হাওয়ালায় খাটাচ্ছে। জেলে বসেই টাকা খাটাচ্ছে। জেলের ভিতরে অত্যাচার করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে চাপ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা। এদিন সে প্রসঙ্গে তাপস বলেন, আরে সব নাটক। ওর নাটক আপনারা জানেন না তো! শুধু দেখতে থাকুন। আরও অনেক নাটক দেখবেন। তিনি বলেন, কেবল অভিষেক নন, দলের বহু নেতার নাম করে কুন্তল টাকা তুলেছে। কাউকে টাকা দেয়নি। সব টাকা ওর কাছেই আছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam)…

    তাপসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুন্তল বলেন, ওর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। ভুলভাল বকছে। এদিন ফের একবার তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে (Recruitment Scam) সুর চড়িয়েছেন কুন্তল। তিনি বলেন, বিজেপির মুখপাত্র আর কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখপাত্র এক। তাহলে বুঝে নিন তদন্ত কোন দিকে যাচ্ছে। তিনি বলেন, হাতে একটা আংটি থাকলে কেউ প্রভাবশালী হয় না। আমার হাতে আংটি নেই, ঘামাচি আছে। কাউকে ইঙ্গিত করিনি, যে বোঝার ঠিক বুঝে যাবে। কুন্তল বলেন, কেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করব? পার্থ চট্টোপাধ্যায় আমার সিনিয়র লোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাল কী, যে হাতে একটা আংটি থাকলে বলছে প্রভাবশালী। তাই বলছি আমার হাতে আংটি নেই, ঘামাচি আছে। তিনি ফের বলেন, বিজেপির মুখপাত্র আর কেন্দ্রীয় এজেন্সির মুখপাত্র এক, তা হলে তদন্ত কোন পথে যাচ্ছে বুঝে নিন।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কুন্তল ও তাপস। তাপস প্রথমে অভিযোগ করেছিলেন, শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে কুন্তল কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। কুন্তলের পাল্টা অভিযোগ, তাঁর কাছে টাকা চেয়েছিলেন তাপস। সেই টাকা না দেওয়ার কারণেই ফাঁসাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Justice Abhijit Ganguly: ‘অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কুন্তলের চিঠি নিয়ে মন্তব্য বিচারপতির

    Justice Abhijit Ganguly: ‘অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কুন্তলের চিঠি নিয়ে মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা মারাত্মক প্রবণতা। তদন্তকারী আধিকারিকদের হুমকি দেওয়া ও তদন্তের গতি স্তব্ধ করার জন্য এসব করা হচ্ছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে এ সব বন্ধ করতে হবে। এই অতিচালাকি বরদাস্ত করা যাবে না। বুধবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) পত্রবোমা ফাটিয়েছেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষ। দিন কয়েক ধরে আদালতে আসা-যাওয়ার পথে সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন তিনি। কুন্তলের দাবি, তাঁর মুখ দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি চিঠি দিয়ে আদালতকেও জানিয়েছেন বলে দাবি ওই প্রাক্তন তৃণমূল নেতার। সেই প্রসঙ্গেই এদিন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নির্দেশ…

    এদিন অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) জানান, বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করতে পারবে না পুলিশ। নিম্ন আদালতও এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না। তাঁর নির্দেশ, বুধবারের মধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা বিচারককে হাইকোর্টে পেশ করতে হবে কুন্তলের অভিযোগপত্র। তাছাড়া প্রেসিডেন্সি জেল সুপারের মাধ্যমে হেস্টিংস থানায় কুন্তলের যে অভিযোগপত্র গিয়েছে, সেটা খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে পেশ করতে হবে আদালতে। এদিনই দুপুর তিনটের মধ্যে তা পেশ করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় হুগলি জেলার প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করে ইডি। বর্তমানে তিনি রয়েছেন জেল হেফাজতে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কুন্তল। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছেও। সেই অভিযোগপত্র দেখতে চেয়েই এদিন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। এদিন এ ব্যাপারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ইডির আইনজীবী। তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে কুন্তল কী অভিযোগ এনেছেন, তা জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানায়, প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারের মাধ্যমে হেস্টিংস থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কুন্তল। তাই কুন্তলের সেই চিঠির বিষয়বস্তু জানতে চায় তারা।

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া কুন্তল নানা সময় বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর বিরুদ্ধে। যদিও হৈমন্তী সংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছিলেন তাঁর সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার কোনও যোগ নেই। একই দাবি করেছিলেন হৈমন্তীর স্বামী গোপাল দলপতিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Scam: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি! আদালতে আর কী কী জানাল ইডি?

    TET Scam: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি! আদালতে আর কী কী জানাল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রেই দুর্নীতি (TET Scam) হয়েছে অন্তত ১০০ কোটি টাকার। মঙ্গলবার আদালতে এমনই দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। মঙ্গলবার আদালতে রিমান্ড লেটারে ইডি (Enforcement Directorate) দাবি করে, আগামী দিনে তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই অঙ্ক বহু গুণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুর্নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অয়ন শীলরা একই সঙ্গে যুক্ত।

    কুন্তলের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে কুন্তলের বিরুদ্ধে ১০৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেন গোয়েন্দারা। সেই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিকের চাকরি বিক্রি করে ১০০ কোটি টাকা তুলেছেন অয়ন শীল। মঙ্গলবার কুন্তলের বিরুদ্ধে পেশ করা চার্জশিটে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছে ইডি। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগসাজস করে প্রাথমিকে (TET Scam) চাকরি বিক্রি করেছেন অয়ন শীল। ২০১২ ও ২০১৪ সালের টেটে প্রায় ১০০ কোটি টাকার চাকরি বিক্রি করেছেন তিনি। জেরায় একথা কুন্তল জানিয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আদালতে মানিক

    এদিন মানিক ভট্টাচার্য ও তাঁর স্ত্রী শতরূপা ও পুত্র সৌভিককে আদালতে পেশ করে ইডি। রিমান্ড লেটারে ইডি-র তরফে দাবি করা হয়, ধৃত কুন্তল ঘোষের বয়ান থেকে জানা গেছে যে, ২০১২ এবং ২০১৪-র টেট-এ (TET Scam) বহু অযোগ্য প্রার্থীকে পাস করিয়ে দিয়ে, তাঁদের থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন শীল। গোটা বিষয়টা জানতেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। এর পাশাপাশি, ইডির আইনজীবী এদিন আদালতে দাবি করেন, মানিক ভট্টাচার্য গোটা পরিবারকে নিয়ে একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক থেকে এক টাকাও খরচ হয়নি। ইডির অনুমান নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) কালো টাকাই এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: থরে থরে সাজানো ওএমআর শিট! অয়নের বাড়িতে মিলল চাকরি পরীক্ষার এই সব উত্তর পত্র

    মানিকের জামিনের আর্জি খারিজ

    এদিন আদালতে মানিক ভট্টাচার্যের আইনজীবী বলেন, “আমার মক্কেল কিছু বলতে চান।” তখন বিচারক বলেন, “আমরা সবাই আইনের ছাত্র। শুনেছি উনি আইন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। উনি নিশ্চই জানেন, একবার আইনজীবী নিয়োগ করলে আর আদালতে নিজে বলা যায় না। ” এদিন শুনানির পরে মানিককে ১৮ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক। শতরূপা এবং সৌভিকের জামিনের আর্জি সংক্রান্ত নির্দেশ বুধবার ঘোষণা করা হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: তৃণমূলের (TMC) বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা ও আর এক বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি (ED)। অন্তত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Interrogation) দাবি তেমনই। ইডি সূত্রে খবর, কুন্তলকে জেরা করে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থায় আরও দুজন পার্টনার ছিলেন। এবার তাঁদেরও জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থার মাধ্যমে কী ধরনের লেনদেন হয়েছে, নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা এই সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা, সেসবই খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ইডির দাবি, কুন্তলের দুটি অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। টাকা গিয়েছে টালিগঞ্জের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্টেও।

    ইডির দাবি…

    এদিন ইডির আইনজীবীর (Interrogation) দাবি, দুটো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে সাড়ে ৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। টালিগঞ্জের কয়েকজনের সঙ্গেও যোগসূত্র রয়েছে। শর্ট ফিল্ম তৈরির জন্য পার্টনারশিপ ফার্ম তৈরি করেছেন কুন্তল। এই টাকার একটা বড় অংশ শর্ট ফিল্ম বানানোর জন্য টালিগঞ্জের স্টারদের কাছে গিয়েছে। একজনকে গাড়ি কিনে দিয়েছিল। যাঁর নাম বনি সেনগুপ্ত। তিনি স্বীকার করেন যে, গাড়ি কেনার জন্য ৪৪ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা বনি ফেরত দিয়েছেন। টাকা নিয়েছিলেন সোমা চক্রবর্তীও। তিনিও ৫৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় তাঁরা জানতেন যে এটা নিয়োগ দুর্নীতির টাকা। জানতে পেরে টাকা ফেরত দিয়েছন।

    আরও পড়ুুন: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    এদিকে, শান্তনুকে (Interrogation) নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা। একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর স্বামী পুরোপুরি নির্দোষ। তবে কেউ ষড়যন্ত্র করেছেন কি না, তা অবশ্য জোর দিয়ে বলতে পারেননি তিনি। শনিবার সকাল থেকে শান্তনুর বাড়ি, গেস্ট হাউস, ঘনিষ্ঠের বাড়িতে গিয়েছে ইডি। যদিও প্রিয়ঙ্কা বলেন, শান্তনু কোনও দুর্নীতির সঙ্গে একেবারেই যুক্ত নন। তদন্ত চলছে সবটাই দেখতে পাবেন। সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। তিনি বলেন, এত টাকার সম্পত্তি রয়েছে, আমার জানা নেই। থাকলে আমি জানতাম। কুন্তল তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন বলেও জানান প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, কুন্তল ঘোষকে চিনতাম, ঠিক যেমন পাড়ার ছেলেদের চেনে। আমাদের বাড়িতেও এসেছে। বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান হলে নিমন্ত্রণ করা হত, তখন আসত। প্রিয়ঙ্কার দাবি, তাঁর স্বামীর যা কিছু সবটাই নিজে থেকে করেছেন। ধাবা, গেস্ট হাউস, বাড়ি সবই সৎপথের রোজগারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share