Tag: kuntal ghosh

kuntal ghosh

  • Bonny Sengupta: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি?

    Bonny Sengupta: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল ১০ ঘণ্টার জেরাতে হয়নি, তাই ফের অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta)  তলব করল ইডি। আগামী মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে তলব ইডি-র। কুন্তল যে গাড়ি কিনতে টাকা দিয়েছিলেন, সেই গাড়ির নথি নিয়েই হাজির হতে বলা হয়েছে বনিকে।

    কুন্তলের টাকায় বিলাসবহুল গাড়ি বনির

    গতকাল ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta) জানিয়েছিলেন, কুন্তল ঘোষের থেকে পারিশ্রমিক বাবদ অগ্রিম ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তিনি। সেই টাকা দিয়েই কিনেছিলেন একটি ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি গাড়ি। পাঁচ বছর আগে কেনা এই বিলাসবহুল গাড়ির শোরুমেই নাকি গিয়ে টাকা মিটিয়ে এসেছিলেন কুন্তল ঘোষ। অথচ সেই টাকা পাওয়ার জন্য কোনও রশিদ নেননি অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এত বড় অঙ্কের টাকার লেনদেনে কোনও কাগজে সই করলেন না অভিনেতা? এই সমস্ত তথ্য জানতেই ফের একবার বনিকে তলব করা হয়েছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।

    আরও পড়ুন: নজরে নগদ ২০ কোটি! আরও জেরা বাকি, ফের কি ইডি হেফাজতে কেষ্ট?

    গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে তলব বনিকে

    আগামী মঙ্গলবার সেই ডিসকভারি গাড়ির কাগজপত্র নিয়েই যেতে বলা হয়েছে বনিকে। উল্লেখ্য, গতকাল বনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, পাঁচ বছরের মাথায় তিনি ওই ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি গাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে সেই ব্যক্তি কত টাকায় পাঁচ বছরের পুরনো গাড়িটি কিনেছিলেন সেই বিষয়টিও ইডির নজরে রয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, কুন্তলের লেনদেন খতিয়ে দেখে আরও কয়েকজন অভিনেত্রীর হদিশ মিলেছে। যাঁদের বিভিন্ন সময়ে টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে একের পর এক নাম নতুন নতুন উঠে আসছে। এবারে কোনও টলি অভিনেতার (Bonny Sengupta) নাম জড়িয়ে যাওয়ায় তাঁকেও তলব করা হল। তবে এখন এটাই দেখার, আরও কত নাম উঠে আসে এই কাণ্ডে, আর কোন কোন ক্ষেত্রের লোকজনের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকার লেনদেন হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • SSC Scam: ইভেন্টে আলাপ, কুন্তলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই! দাবি অভিনেত্রী কৌশানীর

    SSC Scam: ইভেন্টে আলাপ, কুন্তলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই! দাবি অভিনেত্রী কৌশানীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে টলিউড যোগ নতুন নয়। এবার নাম জড়িয়েছে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের। সঙ্গে তাঁর বান্ধবী কৌশানী মুখোপাধ্যায় (Kaushani Mukherjee)। অর্পিতা, হৈমন্তীর পর এবার কৌশানী? প্রশ্ন অনেকের মনেই। তবে সেই প্রশ্নের উত্তরে কৌশানী এদিন বলেন, ‘কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আমার কোনও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। একটা ইভেন্ট করেছিলাম, টাকা পেয়েছি, গল্প শেষ।’ একুশের ভোটে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে কৌশানী তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন। 

    কুন্তল-বনি যোগ

    সম্প্রতি কুন্তল ঘোষের সঙ্গে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের যোগাযোগ খুঁজে পেয়েছে ইডি। শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে তলবও করা হয় অভিনেতাকে। হাজিরাও দেন বনি। তিনি জানান, কুন্তল তাঁকে একটি ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি গাড়ি দিয়েছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি। সেই সঙ্গে বনি এও বলেন, কুন্তলের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতেই ওই গাড়ি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। বদলে কিছু ইভেন্টে তিনি কাজ করে দিয়েছিলেন। বনির বান্ধবী কৌশানীকে নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কুন্তলের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগাযোগ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়।

    কৌশানীর দাবি

    প্রসঙ্গ না এড়িয়ে কৌশানী বলেন, “আমি কুন্তলকে বনির মাধ্যমে চিনেছি। একটা ইভেন্ট করেছি। ব্যস। ফিনিশ। আমি কুন্তলের সঙ্গে কোনও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে নেই যে ওঁর সম্বন্ধে জানতে যাব।” কৌশানী এও বলেন, বনির পেশাদার জীবনের যাবতীয় কিছু দেখাশোনা করেন ওঁর মা। তাই তিনি এসবের কিচ্ছু জানেন না। অভিনেত্রীর কথায়, ‘বনির প্রফেশনাল দিকটা ওঁর মা দেখেন। বাবা, মা আর বনি মিলে সবটা সামলান। আমি ওঁর অভিভাবক নই যে এটা কোরো না, ওটা কোরো না নির্দেশ দেব।’বনির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও তা হাটের মাঝে তিনি কখনও নামিয়ে আনেন না বলে জানিয়েছেন কৌশানী। তাঁর কথায়, ‘বনির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক চার দেওয়ালের মধ্যে। সেটাকে আমি কখনও বাইরে আনি না।’

    আরও পড়ুন: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    বনিকে গাড়ি নিয়ে কখনও জিজ্ঞেস করেননি তিনি? এই প্রশ্নের উত্তরে কৌশানীর দাবি, ‘বনি এত সফল একজন অভিনেতা। তিনি একটা গাড়ি কিনতে পারেন না? এটা নিয়ে কি সন্দেহ হওয়ার কথা?’ তবে কৌশানী বিষয়টিকে যতই সহজ করে দেখানোর চেষ্টা করুন না কেন ইডির প্রশ্ন বন্ধু এত দামি গাড়ি কিনলেন, তার বিষয়ে কিছুই জানতে চাইলেন না কৌশানী? সেটা বিশ্বাস করতে একটু হলেও খটকা লাগছে তদন্তকারীদের।  সঙ্গে আরও একটি তথ্য। বনির ‘বিশেষ বন্ধু’ কৌশানীও কুন্তল-ঘনিষ্ঠ সোমা চক্রবর্তীর নখ সাজানোর পার্লারের বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়েছেন। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে তবে কি নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত কুন্তলের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল কৌশানীরও। নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে ইডি জানতে পেরেছে এই সোমার অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢুকেছে কুন্তলের অ্যাকাউন্ট থেকে। সল্টলেকে সোমার একটি নেল পার্লার আছে। তবে সোমার ব্যাপারে কৌশানীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছেন, ‘‘আমি সোমা চক্রবর্তী নামটাই শুনছি এই প্রথম। ওঁর পার্লারের হয়ে মডেলিং করার কথা তো মনেই পড়ছে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bonny Sengupta: ‘পারিশ্রমিক’ হিসেবে গাড়ি নিয়েছিলেন বনি, কিন্তু কুন্তলের উল্টো বক্তব্য! কী বললেন তিনি?

    Bonny Sengupta: ‘পারিশ্রমিক’ হিসেবে গাড়ি নিয়েছিলেন বনি, কিন্তু কুন্তলের উল্টো বক্তব্য! কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে প্রায় ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর থেকে বেরোন টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত হুগলির বলাগড়ের যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের সূত্রে টলিপাড়ার বনিকে শুক্রবার তলব করেছিল ইডি। তবে তার এক দিন আগে বৃহস্পতিবার সকালেই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান বনি। এর পরই প্রকাশ্যে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইডি জেরার মাঝেই বিরতির সময়ে বনি সংবাদমাধ্যমে বলেন যে, কীভাবে তাঁর সঙ্গে কুন্তলের সম্পর্ক ও  গাড়ি কেনার জন্য তাঁকে ৩৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কোনও টলি অভিনেতাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন তদন্তকারীরা।

    কুন্তল ও বনির আর্থিক লেনদেন নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    প্রথমত, নিয়োগ দুর্নীতিতে বনির নাম জড়ানোর ফলে প্রশ্ন ওঠে যে, তবে কি টালিগঞ্জেও নিয়োগ দুর্নীতির ছায়া? দ্বিতীয়ত, অভিনেতা বলেন, “অনেক সময়ে হয় না, আমাদের পরিচিতরা কিছু দিতে চান, তেমনই হয়েছিল এক্ষেত্রে।” আর কোনও লেনদেন? তখন বনি জানিয়েছেন, আর কোনও লেনদেন তাঁর সঙ্গে কুন্তলের হয়নি। তবে কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্যই কুন্তল বনিকে টাকা দিয়েছিলেন? যদিও বনি এই গাড়ি নেওয়ার ব্যাপারে বলেন, “কিছু ইভেন্ট করে দেওয়ার কথা ছিল। আমি তখন গাড়ির প্রয়োজনীয়তার কথা বলি।” ফলে বনি জানান যে, গাড়ির বিষয়টি আসলে বিনিময় প্রথার কাজ করেছিল। তিনি কাজ করে দিয়েছিলেন, তার বদলে গাড়ি নিয়েছিলেন। বনি সেনগুপ্তের দাবি, কুন্তলের সঙ্গে লেনদেনের বিষয়ে তাঁর কোনও লিখিত চুক্তি হয়নি। সূত্রের দাবি, এখানেই ইডির তদন্তকারীদের প্রশ্ন, চুক্তি ছাড়া এত টাকা কিসের জন্য নিলেন বনি সেনগুপ্ত? তাঁর দাবির পক্ষে কি কোনও প্রমাণ আছে?

    আরও পড়ুন: ধর্মঘট রুখতে কড়া অবস্থান রাজ্যের, উপস্থিতির হার কত, নজর রাখবেন মমতা

    কুন্তলের উল্টো বক্তব্য

    কুন্তলের থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি বনি (Bonny Sengupta) ‘পারিশ্রমিক’ বলে উল্লেখ করলেও অন্যদিকে কুন্তল উল্টো কথাই বলেন। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “আমার ইভেন্টের টাকা নিয়ে উনি কী করেছেন আমি কী করে বলব?”

    অন্যদিকে বনির (Bonny Sengupta) ঘনিষ্ঠ বান্ধবী কৌশানি জানিয়েছেন, ধৃত যুব তৃণমূল নেতার সঙ্গে বনির আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। তিনি বলেন, “এগুলো অনেক আগের, বনি জানে, বনিই বলতে পারবে। বনির সঙ্গে কৌশানির ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আমি বাড়ির চার দেওয়ার মধ্যে রাখি। বাড়ির বাইরে যায় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bonny Sengupta: কুন্তলের টাকায় দামী গাড়ি কিনেছিলেন! ইডিকে কী বললেন টলি অভিনেতা বনি?

    Bonny Sengupta: কুন্তলের টাকায় দামী গাড়ি কিনেছিলেন! ইডিকে কী বললেন টলি অভিনেতা বনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবারে যুক্ত হয়েছে টলিউডের অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর (Bonny Sengupta) নাম। তবে এখানেই শেষ নয়, এর পরই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য এল প্রকাশ্যে। অভিযোগ, বনিকে নাকি লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই হয়েছিল সেই লেনদেন। আজ ইডি দফতরে জেরার মাঝে বিরতির সময়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে খোদ বনি স্বীকার করে বলেন, “উনি (কুন্তল) আমাকে একবারই (টাকা) দিয়েছিলেন। পাঁচ বছর আগে একটি গাড়ি কিনেছিলাম আমি। উনি আমাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন।” কত টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল? প্রশ্ন করা হলে ও তাঁকে ৩৫- ৪০ লক্ষ টাকা বলাতে তিনি বলেন, “ওই রকমই।”

    কুন্তল ও বনির মধ্যে টাকার লেনদেন!

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta) শুক্রবার তলব করেছিল ইডি। কিন্তু একদিন আগেই ইডি দফতরে পৌঁছে যান তিনি। এর পর দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা জেরার পর দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি চলাকালীন তিনি বাইরে বেরোন। সেখানেই উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কুন্তলের সঙ্গে তাঁর পাঁচ বছরের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, “২০১৭ সালে আমার কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আলাপ হয়। কিছু ইভেন্ট এবং অনুষ্ঠানের জন্য অর্গানাইজার মারফত পরিচয় হয় তাঁর সঙ্গে। আমি ওনার জন্য ২২ থেকে ২৫টি ইভেন্ট করেছিলাম। সেই বাবদ পারিশ্রমিক হিসেবে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা নিই।” তিনি বলে দেন, “যে টাকা নিয়েছি, তার সমস্ত কাগজপত্র আমার কাছে আছে। আমি দিয়ে দিয়েছি। তাছাড়া যে অর্থ নিয়েছি, তার বদলে কাজও করেছি। তাই ওই টাকাকে আমার পারিশ্রমিকই বলা যেতে পারে।” এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন কুন্তলের থেকে সেই টাকা ব্যাঙ্কেই নিয়েছিলেন ও যেই গাড়িটি কিনেছিলেন ওই টাকায়, সেটি বিক্রিও করে দিয়েছেন বনি।

    বনি (Bonny Sengupta) আরও জানান, কুন্তল পরে টলিউডে সিনেমা প্রযোজনা করবেন বলে জানালে, তাতে অভিনয় করবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন বনি। যদিও তিনি জানিয়েছেন, পরে সেই ছবি প্রযোজনার পরিকল্পনা বাতিল করে দেন কুন্তল।

    আরও পড়ুন: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    প্রশ্নের মুখে বনি-কৌশানির প্রোডাকশন হাউজ

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই নতুন প্রোডাকশন হাউস বিকে এন্টারটেইনমেন্ট খুলেছেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta) এবং তাঁর বান্ধবী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বনির কাছে ইডি-র তলব আসার পর থেকেই সেই প্রোডাকশন সংস্থা নিয়ে টলিউডের অন্দরে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। এদিন এবিষয়ে বনিকে জিজ্ঞাসা করা হলে, সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বনি জানিয়েছেন, ২০১৯ সালেই শেষ বার তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল কুন্তলের। তার পরে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি। এছাড়াও প্রশ্ন উঠেই যাচ্ছে যে, নিয়ো দুর্নীতির টাকা কি টলিউডেও ব্যবহার করা হয়েছে?

    এদিন বনি (Bonny Sengupta) বিরতির সময়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন। ফলে বিরতি শেষ হলে আবার সিজিও কমপ্লেক্সেই ফিরে যান ও ইডির মুখোমুখি হন। তবে আজকের জেরা শেষে পরে তাঁকে আবার আসতে বলা হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bonny Sengupta: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    Bonny Sengupta: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে পড়লেন টলিউড অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)। সংবাদমাধ্যমকে তাঁর বিষয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ। বৃহস্পতিবার আদালত থেকে বেরোনোর পথে হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ বলেন, “বনি পাঁচ বছর কাজ করেছে আমার ইভেন্টে। তারই পারিশ্রমিক।” সেই কাজ কী? অভিনয় না কি অন্য কিছু, তা স্পষ্ট করেননি কুন্তল। তবে কুন্তলের দাবি, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে বনির কাছে যে টাকা গিয়েছে তা নিছকই ‘পারিশ্রমিক’। অর্থাৎ, কাজের বিনিময়ে সেই টাকা পেয়েছেন টলিউড অভিনেতা।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি 

    বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা্র শুনানি ছিল। শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কুন্তল। বনিকে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta) তলব করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডাকে সাড়া দিয়ে নির্ধারিত দিনের একদিন আগেই, আজ ইডির মুখোমুখি হয়েছেন বনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বনির নাম সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। 

    প্রায় একই সময়ে কুন্তল আদালতে এবং বনি (Bonny Sengupta) সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। কুন্তলের অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে কেন, সেই প্রশ্নের জবাব পেতেই বনিকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। 

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বনি (Bonny Sengupta) বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিজেপির হয়ে প্রচারও করেছিলেন। কিন্তু এক বছর কাটতে না কাটতেই বিজেপির সদস্যপদ ছেড়ে দেন।  কুন্তলের দাবি অনুযায়ী, বিজেপিতে যোগ দিলেও তৃণমূলের নেতার সঙ্গে ‘কাজের’ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন বনি। উল্লেখ্য বনি বিজেপিতে যোগ দিলেও তাঁর প্রেমিকা টলিউড অভিনেত্রী কৌশানি বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেন।

    এদিকে একই মামলায় ইডি স্ক্যানারে রয়েছেন টলিউডের চার অভিনেত্রী। তাঁদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এখনই তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। এখন তাঁদের ডেকেও পাঠানো হবে না। খোঁজখবর নিয়ে ডেকে পাঠিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন হলে, তা হলে তাঁদেরও বনি সেনগুপ্তের মতোই নোটিস পাঠানো হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     
      

  • Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি

    Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের  হুগলির যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার শান্তনুকে (Santanu Banerjee) তলব করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির আরও এক তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর বেশ কয়েকবার শান্তনুকে জেরা করেছে ইডি। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে শান্তনুকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। শান্তনুর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নথিও চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, শুক্রবার সেই বিষয় জিজ্ঞেস করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা।  

    গত জানুয়ারি মাসে শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ইডির তরফে জানা গিয়েছে, শান্তনুর বাড়ি থেকে ৩০০ প্রার্থীর তালিকা পাওয়া গিয়েছে, সেই বিষয়ে তাঁকে আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। শুক্রবার আবার এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইডি-র আধিকারিকেরা। শান্তনু (Santanu Banerjee) ছাড়াও একই দিনে কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ইডি এবং সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষের নিউটাউনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায়। কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না তা জানতে চাইছে ইডি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলব করল ইডি  

    হুগলির বলাগড়ের অন্য এক যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পরেই শান্তনুর (Santanu Banerjee) নাম প্রকাশ্যে আসে। যদিও কুন্তল আধিকারিকদের জানিয়েছেন তিনি শান্তনুকে চেনেন না। তবে ইডি গোয়েন্দাদের সন্দেহ, ২০১৪ সাল থেকেই নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত রয়েছেন কুন্তল এবং শান্তনু। শর্ট ফিল্ম বানানোর একটি সংস্থায় কুন্তল এবং শান্তনুর স্ত্রীর অংশীদারিত্ব ছিল বলে ইডি সূত্রে খবর।

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডি-র নজরে ৭৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ইডি-র দাবি, যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই সমস্ত অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে। ২০১৭-র শেষ থেকে ২০১৯, নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সরাতে এই ৭৫টি অ্যাকাউন্টকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছে ইডি (Santanu Banerjee)। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোথায় কোথায় টাকা গিয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এর মধ্যে কুন্তলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫০ লক্ষের বেশি টাকা গিয়েছিল বান্ধবী সোমা চক্রবর্তীর অ্যাকাউন্টে। ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদে কুন্তলের থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন সোমা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে লেনদেন হয়েছে ৫০ লক্ষেরও বেশি! ফের ইডির তলব সোমাকে

    Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে লেনদেন হয়েছে ৫০ লক্ষেরও বেশি! ফের ইডির তলব সোমাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিনে একাধিকবার শিরোনামে উঠে এসেছেন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমা চক্রবর্তী (Recruitment Scam)। যাঁর দক্ষিণ কলকাতা ও বিধাননগরে রয়েছে পার্লার। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে এই সোমার যোগ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, সোমার সঙ্গে ৫০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে কুন্তলের। কিন্তু ফের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, এই ৫০ লক্ষ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বহু লেনদেন হয়েছে তাঁদের মধ্যে। কী কারণে সেই লেনদেন? কীসের এই টাকা? তা জানতেই সোমা চক্রবর্তীকে ফের তলব ইডির। আগামী শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে সোমাকে।

    ইডির কী দাবি?

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তলের সঙ্গে একটি অভিজাত ক্লাবে আলাপ হয়েছিল সোমার। কুন্তল সোমাকে চেনেন না বলে দাবি করলেও তথ্য উঠে এসেছে যে, ২০১৫ সাল থেকেই একে অপরকে চেনেন তাঁরা। ইডির তদন্তকারীরা এ-ও জানতে পেরেছেন যে, সোমা এবং কুন্তলের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকারও বেশি। তবে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে সোমার ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। আর তাই দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছে সোমাকে, সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে ব্যাঙ্কের নথিও।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নয়া মোড়! টানা সাড়ে ৬ ঘণ্টা জেরা নতুন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমাকে

    কুন্তল ও সোমা কী জানিয়েছেন?

    গত শুক্রবার আদালত থেকে বেরোনোর মুখে কুন্তল দাবি করেছিলেন যে, তিনি সোমাকে চেনেন না। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, জেরায় সোমার সঙ্গে ‘বন্ধুত্বের’ কথা স্বীকার করেন কুন্তল। অন্য দিকে সোমাও জানান যে, কুন্তল তাঁর ‘বন্ধু’। সোমা তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ২০১৫ সাল থেকে তাঁর পার্লারের ব্যবসা। ২০১৯ সাল থেকে কুন্তলের কাছ থেকে ঋণ নেন তিনি। ব্যবসা বাড়ানোর জন্য বিনা সুদে ঋণ নিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। তবে এখনও সেই টাকা ফেরত দিতে হয়নি (Recruitment Scam)।

    অন্যদিকে ইডি মনে করছে, কোথাও কোনও সত্যি লুকনোর চেষ্টা করছেন সোমা। কুন্তল নিয়োগ দুর্নীতির টাকাই তাঁর কাছে পাঠিয়েছেন। কুন্তলের যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, সেখানে প্রায় ৬.৫ কোটি টাকা ছিল। সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই টাকা গিয়েছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ফলে এই সব নয়া তথ্য হাতে আসতেই ইডি ফের তলব করেছে সোমাকে। এখন এটাই দেখার, পরবর্তীতে আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment Scam)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নয়া মোড়! টানা সাড়ে ৬ ঘণ্টা জেরা নতুন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমাকে

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নয়া মোড়! টানা সাড়ে ৬ ঘণ্টা জেরা নতুন ‘রহস্যময়ী নারী’ সোমাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে  (Recruitment Scam) উঠে এসেছে নতুন নাম। তিনি হলেন সোমা চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে কুন্তলের যোগ থাকার অভিযোগে তাঁকে গতকাল সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি আধিকারিকরা। সেই মত হাজিরাও দেন তিনি। সূত্রের খবর, দীর্ঘ ছ’ঘন্টা কুড়ি মিনিট ধরে সোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। মূলত লেনদেনের বিষয়েই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    নতুন ‘রহস্যময়ী নারী’ কী বললেন?

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে  (Recruitment Scam) ধৃত তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে তাঁর লেনদেনের কথা জানতে পেরেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। গতকাল দুপুরেই ইডি অফিসে যান তিনি। সন্ধ্যা ৭ টা ২২ মিনিট নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে যান তিনি। গতকাল সোমার বয়ান রেকর্ড হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। পাশাপাশি, বেশ কিছু তথ্যও জমা দিয়েছেন সোমা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি তিনি। ক্যামেরা দেখেই হাত দিয়ে মুখ ঢাকার চেষ্টা করেন। পরে একটি অটোতে চেপে চলে যান তিনি। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতায় একটি পার্লার রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও এক ‘রহস্যময়ী নারী’র খোঁজ, কে এই মহিলা, কী বললেন কুন্তল?

    কুন্তলের কী দাবি?

    তবে সোমার কথা বলতেই কুন্তল বলেছেন, “আমি চিনি না।” ইডি সূত্রের খবর, ওই ‘রহস্যময়ী নারী’কে গাড়ি, ফ্ল্যাট, টাকা ইত্যাদি দিয়েছেন তৃণমূলের যুব নেতা। সোমাকে চিনতে অস্বীকার করে কুন্তল বলেন, “আমি জানি না। আমার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, যার সঙ্গে যোগাযোগ আছে খুঁজে দেখুন।” সোমাকে ফ্ল্যাট দেওয়ার দাবি নিয়ে কুন্তলের বক্তব্য, “আমার নিজেরই ফ্ল্যাট নেই তো কাকে ফ্ল্যাট দেব।” উল্লেখ্য, গতকাল আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় কুন্তলকে। তাঁকে আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত  (Recruitment Scam)।

    প্রসঙ্গত, গতকালই কুন্তলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখার পর এই পার্লার মালিক সোমার নাম উঠে এসেছে। ইডি সূত্রের খবর, কুন্তলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সোমা চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছিল। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি কুন্তলের টাকা স্যালোঁ ব্যবসাতেও খাটানো হত? কেন সোমার অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে? আর এসব জানতেই তলব করা হয়েছিল সোমাকে। তবে টাকা লেনদেনের আসল কারণ এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: তৃণমূল নেতা কুন্তলকে ১৬ কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন এজেন্টরা!

    SSC Scam: তৃণমূল নেতা কুন্তলকে ১৬ কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন এজেন্টরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় কেউটে বের করল ইডি (ED)! কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কুন্তল ঘোষকে (Kuntal Ghosh) ১৬ কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন এজেন্টরা। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে কুন্তলকে এদিন ফের তোলা হয় আদালতে। ইডি জানায়, ১০ জন এজেন্টের বয়ান নেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছে ২০০ প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল কুন্তলকে। মোট ১৬ কোটি টাকা দেওয়া হয় কুন্তলকে। ইডির দাবি, প্রাথমিক থেকে নবম দশম শ্রেণির ওই চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে নিজের এজেন্ট মারফত টাকা নিয়েছিলেন হুগলির ওই যুব তৃণমূল নেতা। কুন্তলের ব্যাঙ্কের নথিপত্র যাচাই করে আরও এক নারীর সঙ্গে বিপুল অর্থ লেনদেনের হদিশও পেয়েছে ইডি।

    নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam)…

    ইডির আইনজীবীর দাবি, এজেন্টদের মাধ্যমে কুন্তল প্রার্থী পিছু ৮ লক্ষ টাকা (SSC Scam) করে নিয়েছিলেন। কুন্তলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি যাচাই করার পর এক মহিলাকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির এক সূত্রের দাবি, ২০২০ সাল থেকে এই মহিলার সঙ্গে কুন্তলের ৫০ লক্ষ টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছে। ইডির আইনজীবীর আরও দাবি, শুধু প্রাইমারি নয়, আপার প্রাইমারি এবং নবম দশম শ্রেণির চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকেও টাকা তুলেছেন কুন্তল। চাকরি প্রার্থীদের থেকে সংগৃহীত ১৬ কোটির থেকে কিছু টাকা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে যেতে পারে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা। ওই টাকার পুরোটাই নগদে লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    ফের জেল হেফাজত…

    ইডি সূত্রে দাবি, কেবল চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকেই নয়, বিএড কলেজের অনুমোদনের জন্যও টাকা নেওয়া হয়েছে। তা করতে গিয়ে পার্থর পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও এক ধৃত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের প্রভাব প্রতিপত্তিকেও কাজে লাগানো হয়েছে। এদিকে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকায় অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের এক যুব নেত্রীকে কুন্তল ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছিলেন বলেও সূত্রের খবর। তিনটি লাগোয়া ফ্ল্যাট ভেঙে একটি বানানো হয়েছিল। ওই অভিনেত্রীকে একটি গাড়িও কিনে দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই রাজ্য যুব সম্পাদকের পদের শিকে ছেঁড়ে কুন্তলের ভাগ্যে। এদিন কুন্তলকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। বিচারক তাঁকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুুন: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও এক ‘রহস্যময়ী নারী’র খোঁজ, কে এই মহিলা, কী বললেন কুন্তল?

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও এক ‘রহস্যময়ী নারী’র খোঁজ, কে এই মহিলা, কী বললেন কুন্তল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এবারে উঠে এল আরও এক রহস্যময়ী নারীর নাম। অর্পিতা, হৈমন্তীর পরে এবার সোমা। পুরো নাম সোমা চক্রবর্তী। ইডি সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের নথিপত্র ঘেঁটে খোঁজ মিলেছে এই সোমা চক্রবর্তীর। অভিযোগ, ২০২০ সাল থেকে এই সোমা চক্রবর্তীকেই লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল। এমনকী শুধু টাকা নয়, তাঁকে নাকি ফ্ল্যাট ও গাড়িও কিনে দিয়েছেন কুন্তল। ফলে এদিন সোমা চক্রবর্তীকে তলব করেছে ইডি। চলছে জেরা। অন্যদিকে কুন্তল দাবি করেছেন, সোমা নামে কোনও মহিলাকেই নাকি তিনি চেনেন না।

    কে এই সোমা চক্রবর্তী?

    ইডি সূত্রে খবর, সোমা চক্রবর্তী নামে ওই মহিলা নেল পার্লারের মালকিন। তাঁর নিউটাউনে একটি নেল পার্লার রয়েছে। কুন্তল ঘোষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্ক্রুটিনি করেই সোমা চক্রবর্তীর নাম সামনে আসে। তদন্তকারীদের দাবি, ২০২০ থেকে ২০২৩ সালে কুন্তল গ্রেফতারির আগে পর্যন্ত তাঁর অ্যাকাউন্টে দফায় দফায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। ফলে তাঁর সঙ্গে কী সম্পর্ক কুন্তলের, ঠিক কী কারণে কুন্তল ঘোষ সোমার অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করেছিলেন? শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকাই কি সোমা চক্রবর্তীর নেল পার্লারের মাধ্যমে সাদা করার চেষ্টা করা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি আধিকারিকরা সোমাকে ডেকে পাঠান ও জেরার মুখোমুখি হন তিনি (Recruitment Scam)।

    আরও পড়ুন: ৪০ নম্বর হয়ে গেল ১০! গ্রুপ-সির ৩৪৭৮টি উত্তরপত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী দাবি কুন্তলের?

    অন্যদিকে আজ আদালতে পেশের সময় সোমা চক্রবর্তীকে চেনেন না বলেই দাবি করেছেন কুন্তল। সোমাকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুন্তল বলেন, “আমি জানি না। আমার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, যার সঙ্গে যোগাযোগ আছে খুঁজে দেখুন।” আজ ফের গোপাল দলপতির নামে এদিন অভিযোগ করেন কুন্তল। বলেন, “হৈমন্তীকে বাঁচানোর জন্য গোপাল নানা কথা বলেছে।” সোমাকে ফ্ল্যাট, গাড়ি কিনে দেওয়ার কথা উঠলে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে আদালতে কুন্তল বলেন, “আমার নিজেরই ফ্ল্যাট নেই তো কাকে ফ্ল্যাট দেব।” ফলে সোমার সঙ্গে কুন্তলের কী সম্পর্ক, কোন সূত্র ধরে এই টাকার লেনদেন, সেই জবাব কুন্তলের কাছ থেকে এখনও স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি (Recruitment Scam)।

    হৈমন্তীর কী দাবি?

    অন্যদিকে এই নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) নাম উঠে আসা হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় এই প্রথমবার মুখ খুললেন। তিনি বলেন, “আমি কোনও ভাবেই এই দুর্নীতর সঙ্গে জড়িত নই। জানি না, কীভাবে দুর্নীতি হয়। কোনও ধারণাই নেই আমার। আমাকে শুধু শুধু হেনস্তা করা হচ্ছে।” তাঁর দাবি, “কেউ একটা আমার নাম বলে দিল। আর সেটা যাচাই করা হল না? এই কুন্তলকে আমি তো চিনিই না।”

    আবার স্বামী গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের কথা জিজ্ঞেস করা হলে, তাঁকে চেনেন কিনা প্রশ্ন করলে সাফ বলেন, “চিনি মানে? ২০১২ সালে আমাদের বিয়ে হয়। এখন বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে।” গোপালের নাম উঠে এসেছে নিয়োগ দুর্নীতিতে। এই প্রসঙ্গে হৈমন্তীর দাবি, “আমি সিনেমার জগত নিয়ে থাকি। গোপালবাবুর সঙ্গে যখন থাকতাম, তখনও সিনেমার জগত নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম। উনি কাজ করতেন জানতাম। তবে, তাঁর কাজ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে আমার কাজ নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হত।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share