Tag: kuntal ghosh

kuntal ghosh

  • TET Scam: পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল!

    TET Scam: পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) অভিযোগে ইডির হাতে ধৃত কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল। সিবিআইয়ের দাবি, যাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত, তাঁকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখানো হত। টাকা নিয়ে পর্ষদের ওয়েবসাইটে উত্তীর্ণ দেখানোর পরে উধাও হয়ে যেত সেই চাকরি প্রার্থীর নাম।

    সিবিআই…

    সিবিআই সূত্রে দাবি, ২০১৪ সালের টেটের (TET Scam) রেজাল্ট দেখিয়ে টাকা তুলেছেন কুন্তল। এই টেটে যাঁরা ফেল করেছিলেন, ওয়েবসাইটে দেওয়া রেজাল্টে তাঁদের পাশ বলে দেখানো হয়েছিল। সেই রেজাল্টের প্রিন্ট আউটও দেওয়া হয়েছিল। দু এক দিন পর সেই চাকরি প্রার্থী যখন পর্ষদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের রোল নম্বর দিয়ে রেজাল্ট দেখতেন, সেখানে দেখতেন, তিনি ফেল করেছেন। যদিও তার আগে ভুয়ো রেজাল্ট দেখিয়ে টাকা তুলে নিয়েছিলেন কুন্তল।

    আরও পড়ুুন: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি

    কীভাবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ফেল করা চাকরি প্রার্থীদের নাম আপলোড করা হত? তবে কি ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে চাকরিপ্রার্থীদের নাম আপলোড করে প্রতারণা করতেন কুন্তল? নাকি এটা পর্ষদের একাংশের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ? এসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতি (TET Scam) নিয়ে কুন্তলের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগও উঠেছে, চাকরি দেওয়ার নামে কুন্তল যে টাকা তুলেছে, সেটাই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাখা হত। সেই টাকাই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছিল ইডি। 

    নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক ও কুন্তলের ভূমিকা বোঝাতে গিয়ে শেক্সপিয়রের ম্যাকবেথ নাটকের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক ভট্টাচার্য ম্যাকবেথ আর কুন্তলের ভূমিকা ব্যাঙ্কোর মতো। যেভাবে মিলেমিশে তাঁরা এসব করেছেন, তাতে এটাই স্পষ্ট। নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) শিকড় যে অনেক গভীরে, তা একাধিকবার দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। কুন্তলের ‘পর্ষদ’ যোগের প্রাথমিক ‘প্রমাণ’ পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সেই দাবিই মান্যতা পেল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জামিনের আবেদন খারিজ। আরও ৩৫ দিন জেলে থাকার নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয় যে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে আগামী ১৪ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতেই থাকতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে রাখা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। এদিন তিনি তাঁর জামিনের জন্য ফের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু কোনও কিছুই কাজে দিল না। শেষপর্যন্ত আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। ১৪ মার্চের পরেই মানিক মামলার আবার শুনানি হবে আদালতে।

    জেলে বন্দি থাকায় আপত্তি মানিকের

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্য জেলবন্দি। ফলে তাঁকে জেলে আটকে রাখা নিয়ে আজ আদালতে আপত্তি করেছেন তিনি। তিনি গতকালও বলেছিলেন, “আমি আর কত জ্বলব? আমার সামাজিক সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে এমন অনেক অভিযোগ আনা হচ্ছে যার প্রমাণ আমি বাড়িতে থাকলে দিতে পারতাম। কিন্তু আমি তো বন্দি!” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। ইডির আইনজীবী গতকাল সওয়াল করেননি। তবে আজ, বুধবার বেলা ১১টার সময়ে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে ফিরোজ এডুলজি মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন। বুধবারও ব্যাঙ্কশাল আদালতে মানিকের মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই তাঁর হয়ে আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। তবে তা শোনেনি আদালত।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    ইডির বিস্ফোরক দাবি

    অন্যদিকে আজ ইডির আইনজীবী আদালতে কুন্তল ও মানিকের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আদালতে জানান, পরীক্ষার ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র ব্যবহার করে বিশেষ ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ পাঠানো হত দুর্নীতির জন্য। এর সঙ্গে হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষও যুক্ত ছিলেন। তবে, এসব সমস্ত কিছুই মানিকের নজরদারিতেই হত। ফলে এই সব দাবি করে ইডির আইনজীবী মানিকের জামিনের বিরোধিতা করেন। আর আদালতও আজ দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মানিকের আবেদন খারিজ করে দেয় ও আর ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের নজরদারিতেই নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ ব্যবহার করে চলত দুর্নীতি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের বিরোধিতা করতে গিয়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে নগর দায়রা আদালতে বিস্ফোরক অভিযোগ করল ইডি।  বুধবার, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ইডি-র বিশেষ আদালতে তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী দাবি করেন, এই কাজে মানিককে পুরো সাহায্য করতেন হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ।

    OMR শিটে সাঙ্কেতিক প্রশ্ন

    ইডির দাবি অনুযায়ী, দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, OMR শিটেও সাঙ্কেতিক প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। অর্থাৎ যারা টাকা দিয়েছে, তা বোঝা যেত উত্তরপত্র দেখেই। বিষয়টি কীরকম ? কোন দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা নাকি আগেই জানিয়ে দেওয়া হত চাকরিপ্রার্থীদের। বাকি প্রশ্নের উত্তর দিতে নিষেধ করা হয়েছিল। এই দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ও বাকি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া দেখেই বোঝা যেত, কোন কোন পরীক্ষার্থী টাকা দিয়েছেন।  নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা  কুন্তল ঘোষকে জেরা করে এই তথ্য মিলেছে বলে আদালতে দাবি করেছে ইডি। আদালতে ইডি-র আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, একসময় গোটা দুনিয়া থেকে বাংলায় ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসত। এখন অযোগ্যদের হাতে এই প্রজন্মের শিক্ষার ভার তুলে দেওয়া হয়েছে।সেই কারণেই অন্যত্র পড়তে যাচ্ছে বাংলার পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুন: ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে সিবিএসই পরীক্ষা, কবে পাওয়া যাবে অ্যাডমিট?

    টাকার পাহাড়

    কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, বেসরকারি বিএড কলেজ, ডিএলএড কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্থাকে অনুমোদন ও NOC পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা ছিল ৬-৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ২-৫ লক্ষ টাকা নিতেন। ইডি-র দাবি, পার্থর ক্ষেত্রে তাঁর ঠিক করা কোনও লোকের হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আরও দাবি, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া একটি সিডি-র একটিমাত্র ফোল্ডারে প্রায় ৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে। এদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি চাকরি পেয়েছেন। অথচ জেরায় মানিক দাবি করেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এসএসসি-র আধিকারিকদের! তুলেছিলেন ১৯ কোটি টাকা?

    Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এসএসসি-র আধিকারিকদের! তুলেছিলেন ১৯ কোটি টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের (TMC) যুব নেতা। অথচ কুন্তল ঘোষ নামের ওই নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) একাধিক আধিকারিক। এর আগে হুগলির ওই যুবনেতার হুগলি ও কলকাতার নিউটাউনের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তখনই বাজেয়াপ্ত হয় বেশ কিছু কাগজ এবং পেন ড্রাইভ। ইডি সূত্রে খবর, সেই সব নথি থেকেই এসএসসির (Recruitment Scam) বেশ কয়েকজন আধিকারিকের নাম ও পরিচয় পাওয়া গিয়েছে।

    ইডি…

    ইডির আধিকারিকদের অনুমান, কুন্তল চাকরি প্রার্থীদের ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল জাল জয়নিং লেটারও। অভিযোগ, নকল ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করেন ভুয়ো জয়েনিং লেটার তৈরি করতে কুন্তলকে সাহায্য করেছিলেন ওই আধিকারিকরা। তল্লাশি চালানোর সময় কুন্তলের বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি ওএমআর শিট উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সময় কুন্তল জানিয়েছিলেন, তথ্য জানার অধিকার আইনে ওই ওএমআর শিটগুলি পেয়েছিলেন তিনি। কুন্তলের এই দাবি অবশ্য বিশ্বাস করেননি তদন্তকারীরা। তাঁদের ধারণা, তদন্তের অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতেই মিথ্যে তথ্য দিয়েছিলেন কুন্তল। ইডির আধিকারিকদের অনুমান, এসএসসির আধিকারিকদের সাহায্যেই ওএমআর শিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি পেয়েছিলেন তিনি। সেই কারণেই তাঁদেরও জেরা করা হবে।

    আরও পড়ুুন: ফের বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা, ১৪টি মন্দিরে ভাঙচুর, কী বলছে প্রশাসন?

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Scam) ঘটনায় ইডির পাশাপাশি তদন্ত করছে সিবিআইও। সেই সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের মুখ থেকে প্রথম শোনা যায় কুন্তলের নাম। তার পরেই কুন্তলকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠায় সিবিআই। পরে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনার তদন্তে নেমে কুন্তলকে গ্রেফতার করে ইডি। এদিকে, দুটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের দুটি অ্যাকাউন্টে নগদ সাড়ে ৬ কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পরে দ্রুত সেই টাকা সরিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ব্যাঙ্কের অনেকগুলি অ্যাকাউন্টে। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত কুন্তলকে জেরা করে এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখে এমনটাই জেনেছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। আগাম পরিকল্পনা করেই দুর্নীতির টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার (Recruitment Scam) করা হয়েছে বলে ধারণা তাঁদের। ইডি সূত্রে খবর, স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রায় ১৯ কোটি টাকা নেওয়ার কথা জেরায় স্বীকার করেছেন কুন্তল। নিজের শেয়ারটুকু রেখে সেই টাকা তিনি পাঠাতেন প্রভাবশালীদের কাছে। যেসব বাড়ি, ফ্ল্যাট কিংবা অফিস খুলে চাকরি প্রার্থী ও এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করতেন কুন্তল, সেগুলির দিকেও নজর রয়েছে ইডির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kuntal Ghosh: কুন্তলের থেকেও টাকা এসেছিল পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার ফ্ল্যাটে, নয়া তথ্য ইডির

    Kuntal Ghosh: কুন্তলের থেকেও টাকা এসেছিল পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার ফ্ল্যাটে, নয়া তথ্য ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে এল এক নয়া তথ্য। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার সঙ্গে যোগ আছে কুন্তল ঘোষেরও (Kuntal Ghosh)। টাকা এসেছিল কুন্তলের থেকেও। 

    কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার না হলেও কেন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তাঁকে? তৃণমূল যুবনেতার আইনজীবীর এই প্রশ্নের জবাবে আদালতে ইডি দাবি করে, পার্থ-অর্পিতার সঙ্গে কুন্তলের যোগ রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, কুন্তলের (Kuntal Ghosh) বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মানিক ভট্টাচার্য-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের বয়ানের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় কুন্তলকে। ইডি হেফাজতে জেরা করে কুন্তলের থেকে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে বলে খবর রয়েছে।

    কী দাবি ইডির? 

    ইডির তদন্তে উঠে এসেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে বাজার থেকে কুন্তল কোটি কোটি টাকা তুলেছে। কীভাবে টাকা তোলা হয়েছে? ইডি আদালতে দাবি করেছে, ১৩০ জনের থেকে ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন কুন্তল। শুধু তাই নয়, ১২০০ জনের থেকে ২০ হাজার করে নেওয়া হয়েছে। এর আগে আদালতে ইডি জানিয়েছিল, কুন্তলের (Kuntal Ghosh) বাড়ি থেকে ৩০টি ওএমআর শিট উদ্ধার হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয, সেই ওএমআর শিটগুলি ছিল গত ১১ ডিসেম্বর নেওয়া টেট পরীক্ষার। শুক্রবার আদালতে ইডি ফের দাবি করেছে, কুন্তলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ওএমআর শিটের সংখ্যা ৩০ নয়, ২৫০!

    আরও পড়ুন: সবাই নাগরিক হলে ৭১- এর দলিল চায় কেন? সিএএ প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এদিকে কুন্তলের (Kuntal Ghosh) একাধিক অফিসের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, একাধিক অফিসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেখানে নিয়োগ দুর্নীতির বৈঠক হয়েছে সেই অফিসগুলিতেই। কারা আসতেন সেখানে? তদন্ত করতে গিয়ে ইডি জানতে পেরেছে কুন্তল ঘোষের বিভিন্ন এজেন্ট আসতেন সেখানে। তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতেন কুন্তল। খোঁজ নিতেন এজেন্টরা কি ভাবে কাজ করছেন। এমনকি যে প্রভাবশালী যোগ উঠে এসেছে, এই অফিসগুলিতেই হয়েছে একাধিক বৈঠক, যেখানে এসেছেন প্রভাবশালীরা, দাবি ইডির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন না হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আগামী ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। জেল হেফাজতে থাকাকালীন জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে পারবেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের আর্জিতে সায় দিয়ে এমনই জানাল আদালত।

    জামিনের আবেদন কুন্তলের আইনজীবীর

    কুন্তলের আইনজীবী আদালতে জানান, কুন্তলের বাড়ি থেকে কোনও টাকা মেলেনি। সরকারি নথি ও রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু নগদ টাকা ছাড়া পিএমএল অ্যাক্ট দেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন কুন্তলের আইনজীবী। এরপর আইনজীবী তাঁর মক্কেল অর্থাৎ কুন্তল ঘোষের জামিনের আবেদন জানান।

    কুন্তলের ২টি অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৬ কোটি টাকার হদিশ!

    কুন্তলের আইনজীবীকে পাল্টা জবাব দেন ইডির আইনজীবী। ইডির আইনজীবীর তরফে বলা হয়, কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই টাকার উৎস জানতে চায় ইডি। ৩০ কোটি টাকা যেটা তিনি রিসিভ করেছেন সেটারও প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যদিও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেছেন। ফলে আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘কুন্তলের আয় কি? কোথা থেকে এল এত তাকা?’ দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকা তোলার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যা তুলে অন্যত্র পাঠানো হয়ে গিয়েছে। বেআইনিভাবে ওই টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। এই বিপুল পরিমাণের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলার পর তিনি কাদের কাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, এখন সেটাই জানার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

    ইডির আরও দাবি, ১৩০ জন প্রার্থীর থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। পার্থর বাড়ি থেকে যে ৫০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে কুন্তলের দেওয়া টাকাও আছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুন্তলের যোগাযোগ বর্তমান ছিল বলে দাবি ইডির। ১২০০ প্রার্থীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। আদালত থেকে চাকরির অর্ডার করিয়ে দেবে বলে টাকা নেওয়া হয়। কুন্তল এবং তার সহযোগীদের মাধ্যমে পার্থ চট্টাপাধ্যায় ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের কাছে টাকা গিয়েছে। বাকি নামগুলি তদন্তের স্বার্থে বলা হচ্ছে না। ফলে আজ দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর কুন্তলের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডে ব্যবহার করা হয়েছে!

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডেও? টালিগঞ্জে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল, আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ জানা গিয়েছে, পার্টনারশিপের মাধ্যমে টলিউডে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ। ইডির দাবি, একটি বিশেষ মিউজিক ও কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ও তাঁর তৎকালীন পার্টনার। নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তলের নাম উঠে আসার পর একের পর এক তথ্য উঠে আসছে, ভবিষ্যতে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসবে, সেটাই এখন দেখার।

     

  • Recruitment Scam: ইডির জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি কুন্তল-গোপাল-তাপস, জেরা করা হয় শান্তনুকেও

    Recruitment Scam: ইডির জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি কুন্তল-গোপাল-তাপস, জেরা করা হয় শান্তনুকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক নাম উঠে আসছে। সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে। তাঁকে জেরা করেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। তাঁকে গ্রেফতার করার পরেই নাম উঠে আসে গোপাল দলপতির। ইডি সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার গোপালকে নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র আঞ্চলিক দফতরে যান তাপস মণ্ডল। সেখানেই কুন্তল, তাপস ও গোপালকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানেই গোপাল তদন্তকারীদের প্রশ্নের উত্তরে পার্থকে টাকা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করতেই ‘তাপসকে টাকা দেওয়া হয়েছে’ বলে চিৎকার শুরু করে দেন কুন্তল। ফলে ইডির অভিযোগ, তদন্তকারীদের লাগাতার বিভ্রান্ত করে বিপথে চালিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কুন্তল।

    ইডির মুখোমুখি জেরা কুন্তল, তাপস ও গোপালকে

    মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র দফতরে আসেন গোপাল ও তাপস। রাত ১টা ২০ নাগাদ দু’জনে বের হন। মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে গোপাল দলপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি-র আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন একাধিকবার কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন কুন্তল ও গোপাল। কুন্তল ১৫ কোটি টাকা দেওয়ার দাবি করলেও, গোপাল তা অস্বীকার করেন। উল্টে জানতে চান কার সামনে টাকা দিয়েছেন কুন্তল? তার কোনও প্রমাণ রয়েছে কি না।

    অভিযোগ অস্বীকার গোপালের

    ইডি জানিয়েছে, গ্রেফতারের পরে কুন্তল দাবি করেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থকে তিনি সাড়ে ১৫ কোটি টাকা দিয়েছেন এবং সেই টাকা লেনদেনের অন্যতম সাক্ষী গোপাল। কিন্তু এই অভিযোগই অস্বীকার করেছেন গোপাল দলপতি। তিনি বলেছেন, পার্থের কাছে তিনি কোনও দিনই কোনও টাকা পৌঁছে দেননি। ইডি সূত্রে খবর, তার পরেই কুন্তল আচমকা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘গোপালদা, তুমি বলো। তাপস তোমার সামনেই আমার কাছ থেকে দশ কোটি টাকা নিয়ে কলেজ তৈরি করেছেন।’ কুন্তলের ওই দাবিও নস্যাৎ করে দিয়েছেন গোপাল।

    আরও পড়ুন: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭-এর টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে এমন কাজ, রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

    এমনকী নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানো আরেক যুব তৃণমূল নেতা ও হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগের কথা অস্বীকার করেন গোপাল। এর পর ইডি-র তরফে জানানো হয়, ৭ দিনের মধ্যে গোপালকে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি ও পুরনো মামলার সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে। তাপস ও কুন্তলের সামনে বসে গোপাল দাবি করেন, ২০১৬ সালে তাপস মারফত কুন্তলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তলের নির্দেশে তিনি নানা কাজ করেছেন। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কুন্তল বেশ কয়েক বার তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট চার-পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সেই লেনদেনের নথিও তাঁর কাছে আছে।

    তাপস মণ্ডল কী বললেন?

    অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল মঙ্গলবার ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদের পর দাবি করেন, গোপাল দলপতি তাঁর গ্রামের ছেলে। কিন্তু ৪ বছর পর দেখা হয়েছে। তিহার জেল থেকে গোপালের ছাড়া পাওয়ার কথা কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছ থেকে জেনে তিনিই পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের কসবা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে গোপালকে খুঁজে নিয়ে আসেন বলে দাবি করেন তাপস মণ্ডল।

    ফের তলব শান্তনুকে

    যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থ দিনও দীর্ঘ জেরা করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার প্রায় ৭ ঘণ্টা জেরার পর ইডির অফিস থেকে বেরোন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে শান্তনুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল ইডি। বুধবার বেলা ১২টার কিছু পরে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকেন যুব তৃণমূল নেতা। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ আবার বেরিয়ে আসেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, শান্তনুর কাছে কিছু নথি চাওয়া হয়েছিল। সেগুলিই জমা দিতে ইডির অফিসে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছিলেন। সেগুলির বিষয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বুধবার।

  • Recruitment Scam: কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে চাকরি, এই টোপেই কুন্তলের বাজিমাৎ?

    Recruitment Scam: কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে চাকরি, এই টোপেই কুন্তলের বাজিমাৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উত্তাল গোটা রাজ্য। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। তারপর থেকেই সামনে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক ভয়ঙ্কর তথ্য। ইডির দাবি, পর্ষদের সাইট হ্যাক করেই চাকরির টোপ দিতেন কুন্তল। ইডি গোয়েন্দারা আগেই জানিয়েছেন চাকরিচ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা নিতেন কুন্তল ঘোষ। ইডির প্রশ্ন ছিল, কীভাবে করানো হত এই চাকরি? তারপরেই সামনে এসেছে ওয়েবসাইট হ্যাক করার বিষয়টি। 

    প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি (Recruitment Scam) পেতে যেটা অবশ্যক তা হল টেট পাশের শংসাপত্র। সে আসলই হোক বা ভুয়ো। আর এই ভুয়ো শংসাপত্রই সাপ্লাই করতেন তৃণমূল যুবনেতা। টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট পেতেন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ছিল না তাদের নাম। ইডি সূত্রে দাবি, ওই প্রার্থীদের নাম ওয়েবসাইটে না থাকার কারণ হল, পর্ষদের ওয়েবসাইট হ্যাক করে নকল শংসাপত্র বানানো হয়েছিল এবং সেই সাইবার অপরাধের মূল মাথা ধৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। 

    ইডি সূত্রে খবর, ভুয়ো নিয়োগপত্রের (Recruitment Scam) বিনিময়ে যুবনেতা প্রায় ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন। ইডির আরও দাবি, বেসরকারি কলেজ সংগঠনের সভাপতি তাপস মণ্ডলের মাধ্যমে ৩২৫ জনের কাছ থেকে প্রাথমিকে নিয়োগের অগ্রিম টাকা তোলেন কুন্তল। মাথাপিছু এক লক্ষ টাকা। তবে সেই ৩২৫ জনের মধ্যে চাকরি হয়েছে মাত্র ২৭ জনের। অন্যদিকে, ওই ৩২৫ জনের কাছেই রয়েছে টেট পাশের ‘শংসাপত্র’, যা ডাউনলোড করা হয়েছে পর্ষদের ওয়েবসাইট থেকেই।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, হাতে ‘শংসাপত্র’ সত্ত্বেও পর্ষদের (Recruitment Scam) ওয়েবসাইটে নাম না আসায় বিচলিত হয়ে পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। বহুদিন দিন অপেক্ষা করেও নিয়োগপত্র না-আসায় অযোগ্য প্রার্থীরা কুন্তলকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তাপসের উপরেও চাপ আসে। ইডির দাবি, কুন্তলের দুই কর্মচারী এই কাজে তাকে সাহায্য করত। কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে অযোগ্য প্রার্থীদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হত তালিকায়।

    ফের তলব শান্তনুকে 

    এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ও যুব তৃণমূল (Recruitment Scam) নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার তলব করেছে ইডি। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট ও সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি নিয়ে আজই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে শান্তনুর বলাগড়ের বাড়ি থেকে অ্যাডমিট কার্ড, শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করে ইডি। ইডির দাবি, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। সেই সূত্রেই শান্তনুকে আজ ফের তলব করেছে ইডি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে গোপাল-কুন্তলকে মুখোমুখি জেরা! ১২ ঘণ্টা পর ইডির দফতর ছাড়লেন তাপসরা

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে গোপাল-কুন্তলকে মুখোমুখি জেরা! ১২ ঘণ্টা পর ইডির দফতর ছাড়লেন তাপসরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরার পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি)-র দফতর থেকে বেরোলেন মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ তাপস মণ্ডল এবং গোপাল দলপতি। ইডি  সূত্রে খবর গোপাল দলপতির কাছে বেশ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে সেই সমস্ত নথি জমা করতে হবে। 

    তাপস মণ্ডলের কথা

    রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ইডি-র মুখোমুখি হতে মঙ্গলবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে একসঙ্গে হাজির হন গোপাল এবং তাপস। মঙ্গলবার গভীর রাতে দু’জনকে ইডির অফিস থেকে বার হতে দেখা যায়। রাতে বেরোনোর সময় গোপাল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তাপস মণ্ডল বলেন, “গোপালের সঙ্গে আমার দীর্ঘ চার বছর পর দেখা। ও যে বাইরে আছে সেটাও আমি জানতাম না।” তারপরই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, “ওর একটা অর্থলগ্নি সংস্থা ছিল। এরপর গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে চলে যায়। পরবর্তীকালে অফিসারাই আমায় জানান যে গোপাল বাইরে আছে। আপনি খোঁজ করুন।” একই সঙ্গে তাপস বলেন, “গোপাল আমার গ্রামের ছেলে। ২৮ জানুয়ারি আমি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম মেদিনীপুরে, আমি ওর খোঁজ করে নিয়ে এসেছি। গোপালকে কুন্তলের সঙ্গে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    গোপালের দাবি

    অন্যদিকে ইডির (ED) অফিস থেকে বেরোনোর সময় গোপাল বলেন, ‘‘তদন্তে আমি সাহায্য করছি। আবার যে দিন আমায় ডাকবে সে দিনই আসব।’’ কুন্তল বা শান্তনুর সঙ্গে লেনদেন সংক্রান্ত কোনও রকম চুক্তি হয়েছিল কি না সে প্রশ্নে গোপাল (gopal) বলেন, ‘‘এই রকম কোনও ডিল কখনও হয়নি। আমি এর আগে কুন্তলকে চিনতাম না। তাপসদাই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।’’ তিনি আরও জানান, কুন্তল (kuntal) এবং তাঁকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে মঙ্গলবার। গোপাল বলেন, ” ও ওর বক্তব্য পেশ করেছে আমি আমারটা। কুন্তল বা শান্তনুর সঙ্গে কোনও রকমের চুক্তি ছিল না। কুন্তলের থেকে কোনও টাকা পেতাম না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Recruitment Scam: ‘কিছু দুষ্কৃতী মিলে রাজ্যটাকে ধ্বংস করে দেবে’, কুন্তল ঘোষ প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Recruitment Scam: ‘কিছু দুষ্কৃতী মিলে রাজ্যটাকে ধ্বংস করে দেবে’, কুন্তল ঘোষ প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলাগড়ের তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের (Recruitment Scam) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি ইডির তল্লাশিতে কুন্তলের চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে টেটের ওএমআর শিট। সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে অ্যাডমিট কার্ডও। আর তা দেখে বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়! মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, “কিছু দুষ্কৃতী রাজ্যটাকে ধ্বংস করে দেবে? কী হচ্ছে এটা? কী করে কুন্তলের কাছে ওএমআর সিট, অ্যাডমিট কার্ড পাওয়া যায়! ইডিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করব।” সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে প্রাথমিক পর্ষদের তরফের  আইনজীবী জানান, কুন্তলের বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছে ১৮৬টি ওএমআর সিট ও অ্যাডমিট কার্ড। বিষয়টি শুনেই ফুঁসে ওঠেন বিচারপতি। প্রশ্ন তোলেন, “কারা বসে রয়েছে পর্ষদে? কী করে হয় দুর্নীতি? কেউ নিজে কিছু করবে না, আবার আদালত করলে তাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে দুর্নীতি ঢাকার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না৷”

    তাপসের বয়ানেই গ্রেফতার কুন্তল 

    প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি বলাগড়ের আরেক তৃণমূল যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Recruitment Scam) বাড়িতে প্রায় ১২ ঘণ্টা তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি (Recruitment Scam)৷ একই দিনে তৃণমূত্র যুবনেতা কুন্তল ঘোষের নিউটাউনের দু’টি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়৷ এরপর ২১ জানুয়ারি গ্রেফতার হন কুন্তল ঘোষ ৷ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য৷ তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে একাধিকবার জেরা করেছে ইডি৷ তাঁর কাছ থেকেই হুগলির এই দুই তৃণমূল যুবনেতার সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে একাধিকবার তাপস মণ্ডলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন কুন্তল। সাংবাদিকদের কাছে তিনি বার বার অভিযোগ করেন, “তাপস মণ্ডলকে ঘুষ দিইনি বলেই আজ আমার এই হাল হল৷” তাপস মণ্ডল তদন্তকারীদের কাছে জানিয়েছেন, নিয়োগ দুর্নীতির ১৯ কোটি টাকা কুন্তলের কাছে গিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডির আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, কুন্তলের হাতেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে অন্তত ৩৫ জনের অবৈধ চাকরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মমতার পাশে নেই কেষ্ট! অনুব্রত-হীন বীরভূমে মুখ বাঁচাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের? 

    উল্লেখ্য, কুন্তল ঘোষ হুগলির বলাগড় অঞ্চলের (Recruitment Scam) প্রভাবশালী তৃণমূল যুবনেতা। নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত 21 অক্টোবর চিনারপার্কের একটি আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। কুন্তলের হুগলি-সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলাতে একাধিক বিএড কলেজ রয়েছে। সেই সুত্রেই মানিক ভট্টাচার্য-‘ঘনিষ্ঠ’ বিএড কলেজ সংগঠনের সভাপতি তাপস মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয় হয় কুন্তলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share