Tag: kurmi

kurmi

  • Purulia: বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি কুড়মি সমাজের, ভোগান্তির শঙ্কা  

    Purulia: বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি কুড়মি সমাজের, ভোগান্তির শঙ্কা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঠিকানা সেই পুরুলিয়ার কুস্তাউড় রেল স্টেশন। গত বছর পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা বিভাগের এই স্টেশনে টানা পাঁচদিন রেল অবরোধের জেরে ট্রেন চলাচল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। রেলের ক্ষতি হয়েছিল কোটি কোটি টাকার। ভোগান্তিতে পড়েছিলেন হাজার হাজার যাত্রী। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ফের রেল অবরোধ করেছিল কুড়মি সমাজ। ফের একই কারণে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রেলযাত্রীরা। ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধে সামিল হতে চলেছে কুড়মি সমাজ। কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিতপ্রসাদ মাহাত।

    কেন রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত? (Purulia)

    কুড়মি জাতিকে এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। এমনই দাবি আন্দোলনকারীদের। তাঁদের বক্তব্য, এপ্রিল মাসে টানা আন্দোলন করেও কোনও লাভ হয়নি। কুড়মিদের স্বাভিমানে আঘাত করা হয়েছে। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্ত, সেই কথা তারা রাখেনি। তাই, দাবি পূরণে আবারও পুরুলিয়া (Purulia) সহ একাধিক জেলায় রেল অবরোধ করতে কোমর বেঁধে নামবে আন্দোলনরত কুড়মি সৈনিকরা।

    কী বললেন কুড়মি নেতা?

    মূলত জঙ্গলমহলে কুড়মি সম্প্রদায়ের আধিক্য। আদিবাসী কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিপ্ৰসাদ মাহাত বলেন, পুরুলিয়া, (Purulia) বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, অর্থাৎ জঙ্গলমহলের চার জেলাতেই বুধবারের আন্দোলনের প্রভাব পড়বে। এরই মধ্যে আদিবাসী কুড়মি সমাজের প্যান্ডেল পুলিশ খুলে দিতে বলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত, কুড়মিদের এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন চলছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্ত, সেই কথা তারা রাখেনি। আমাদের একটাই কথা ২০ সেপ্টেম্বর আমরা রেল অবরোধ সফল করবই। সকলকে বলা হয়েছে, পুলিশ যতই বাধা দেওয়ার চেষ্টা করুক চার জেলাতেই রেল অবরোধ হবে। ঝাড়খণ্ড, ওড়িশাতেও হবে। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তিনমাস আগেই আমরা কেন্দ্র-রাজ্যকে এক যোগে জানিয়েছি। কেউ এগিয়ে এলো না। একটা বৈঠক পর্যন্ত করল না কেউ।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদিবাসী কুড়মি সমাজের কাছ থেকে এই কর্মসূচি সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছি। তাদের জানিয়েও দিয়েছি, এভাবে রেল অবরোধ, রাস্তা অবরোধ বেআইনি। মানুষের যাতে ভোগান্তি না হয় সেটা আমর দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক কনভয়কাণ্ডে ধৃত কুড়মি নেতাদের সকলের জামিন, মুখ পুড়ল সিআইডি-র

    Abhishek Banerjee: অভিষেক কনভয়কাণ্ডে ধৃত কুড়মি নেতাদের সকলের জামিন, মুখ পুড়ল সিআইডি-র

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিন বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। মুখ পুড়ল সিআইডির। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ের হামলা কাণ্ডে কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত সহ সকলেই জামিন পেলেন। রাজেশ মাহাত প্রার্থীদের শুভেচ্ছা জানান। নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলা, মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় জামিন পেলেন কুড়মি নেতারা।

    কেন কুড়মি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল?

    ২৬ মে নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীন ঝাড়গ্রাম থানার গড়শালবনি এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)  কনভয়ের উপর হামলা এবং মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সুয়োমুটো মামলা রুজু করে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। ঘটনার রাতেই ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ আদিবাসী নেগাচারি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি অনুপ মাহাত সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। তারপরের দিন ওড়িশা সীমানা লাগোয়া এলাকার নয়াগ্রাম থানা এলাকা থেকে কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত, আদিবাসী জনজাতি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি শিবাজী মাহাত সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। ঘটনা তদন্তে নেমে সিআইডি আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে। ঘটনায় মোট গ্রেফতার হন ১১ জন। সিআইডি রাজেশ মাহাত, শিবাজী মাহাতকে একাধিকবার নিজেদের হেফাজতে চেয়েও তাদের হেফাজতে পায়নি। এই প্রভাবশালী কুড়মি নেতাদের জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির দিন গড় শালবনির ঘটনায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি চালক এবং ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি নবু গোয়ালা ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই মামলাতে ধৃত কুড়মি নেতাদের শোন অ্যারেস্ট এর জন্য ঝাড়গ্রামের সিজেএম আদালতে আবেদন মঞ্জুর করেছিল আদালত। অপরদিকে জামবনি থানার আরও দু’টি মামলাতেও যুক্ত করা হয়েছিল কুড়মি নেতাদের। এছাড়াও খেমাশুলিতে রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনাতেও খড়গপুর লোকাল থানার মামলাতেও যুক্ত করা হয় কুড়মি নেতাদের। সিআইডি-র মামলাটি ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালতে চলছিল। কয়েকদিন আগে রাজেশ মাহাত ও শিবাজী  মাহাত ছাড়া সবাই জামিন পেয়েছিলেন।

    জামিনে ছাড়া পেয়ে কী বললেন কুড়মি নেতা?

    শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম বিশেষ সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেলেন কুড়মি আন্দোলনের দুই নেতা রাজেশ মাহাত ও শিবাজী মাহাত। গত বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন তাঁরা। এর আগে ঝাড়গ্রাম জেলার ছয়টি মামলায় জেলবন্দি কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত ও শিবাজী মাহাত জামিন পেয়েও জেল থেকে বের হতে পারেননি। কারণ, খড়্গপুর লোকাল থানার খেমাশুলিতে জাতীয় সড়ক  অবরোধের পুরানো মামলা থাকায় তাঁদেরকে জেলে থাকতে হয়েছিল। এদিন মেদিনীপুর আদালত থেকে দুই নেতার জামিনের কাগজপত্র আসে ঝাড়গ্রাম জেলে। তারপর সেই নথি খতিয়ে দেখে জেল কর্তৃপক্ষ তাঁদের ছাড়েন। শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিষেক (Abhishek Banerjee) কনভয়কাণ্ডে জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাত বলেন,’আমরা আইনের উপর বিশ্বাস ভরসা রেখেছিলাম এবং ন্যায় বিচার আমরা পেয়েছি। আমাদের আন্দোলন  শান্তিপূর্ণভাবে চলবে। নির্বাচন পরিপ্রেক্ষিতে আমি সমস্ত প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাই। জঙ্গলমহলের শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব সবার। সকলে শান্তি, মৈত্রী বজায় রাখবেন।’ তারপরেই হিন্দিতে রাজেশ বলেন,’সওয়াল বনগর ফির আঙ্গুয়া/ জবাব তেয়ার রাখনা/ জেল মে বিতে হুয়ে এদিন/ বেকার নেহি জায়েগা/ ফের এক এক দিনকা হিসাব রাখনা।’ তাঁর এই কথা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ১১ জন কুড়মি নেতাই জামিন পেয়ে গেলেন! 

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ১১ জন কুড়মি নেতাই জামিন পেয়ে গেলেন! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলার অভিযোগে ধৃত কুড়মি (Abhishek Banerjee) নেতারা জামিন পেলেন। জানা গিয়েছে, জামিনে মুক্ত হলেও আপাতত অনুপ মাহাতো ছাড়া বাকি সবাইকে জেল হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে। কারণ কুড়মি নেতা অনুপ মাহাতো বাদে রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতো সহ গ্রেফতার হওয়া মোট ১০ জন নেতা ও আন্দোলনকারীর নামে একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। শাসকদলের অভিযোগ ছিল, ঘটনায় ষড়যন্ত্র অন্য কোথা থেকে পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে। কিন্তু কুড়মি নেতাদের জামিন মেলায়, এই অভিযোগ ধোপে টিকল না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষরা।

    মে মাসের ২৬ তারিখ ঝাড়গ্রামে ঘটে এই ঘটনা

    গত মে মাসের ২৬ তারিখ নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীন ঝাড়গ্রাম থানার গড়শালবনি এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলা এবং মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার রাত্রেই ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ আদিবাসী নেগাচারি কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি অনুপ মাহাতো সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। তার পরের দিন ওড়িশা সীমানা লাগোয়া এলাকার নয়াগ্রাম থানা এলাকা থেকে কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাতো, আদিবাসী জনজাতি কুড়মি (Abhishek Banerjee) সমাজের রাজ্য সভাপতি শিবাজী মাহাতো সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    সিআইডি তদন্তভার নেয় 

    পরে মামলা তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। ঘটনা তদন্তে নেমে সিআইডি আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করে। ঘটনায় মোট গ্রেফতার হয় ১১ জন। সিআইডি রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতোকে নিজেদের হেফাজতের চেয়েও পায়নি। এই প্রভাবশালী কুড়মি নেতাদের জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির দিন গড় শালবনির ঘটনায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি চালক এবং ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি নবু গোয়ালা ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সিআইডি-র মামলাটি ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালতে চলছিল। সোমবার ঝাড়গ্রামের এডিজে-১ আদালত রাজেশ মাহাতো, শিবাজী মাহাতো, অনুপ মাহাতো সহ মোট ১১ জন কুড়মি (Abhishek Banerjee) নেতা ও আন্দোলনকারীর জামিন মঞ্জুর করে। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী অশ্বিনী মণ্ডল ও তপন চৌধুরী বলেন,‘‘এই মামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য উঠে আসেনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ‘নো ভোট টু তৃণমূল’, বার্তা দিয়ে পঞ্চায়েতে সব আসনে প্রার্থী দিচ্ছে কুড়মিরা

    Panchayat Election: ‘নো ভোট টু তৃণমূল’, বার্তা দিয়ে পঞ্চায়েতে সব আসনে প্রার্থী দিচ্ছে কুড়মিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মি জনজাতিকে তফশিলি উপজাতি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে বারবার আন্দোলনে নেমেছে কুড়মি সমাজ। অবিলম্বে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের তরফে সিআরআই রিপোর্টের ওপর কমেন্ট এবং জাস্টিফিকেশন পাঠানোর দাবিতে রেল অবরোধ, জাতীয় সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি নিয়েছিলেন তাঁরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) এবার জঙ্গলমহলে শাসকদলের উপরে আরও চাপ বাড়াতে চলেছে তাঁরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর সহ জঙ্গলমহলের চার জেলায় প্রার্থী দিতে চলেছে কুড়মিরা। পাশাপাশি কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে “নো ভোট টু টিএমসি” বা শাসক দলকে একটিও ভোট না দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী বললেন কুড়মি নেতৃত্ব?

    কিছুদিন আগে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঝাড়গ্রাম গিয়েছিলেন। সেই সময় নিজেদের দাবিদাওয়ার কথা জানাতে কুড়মিরা অভিষেকের কনভয়ের সামনে যান। সেই সময় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিআইডি। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে কুড়মি সমাজের একাধিক নেতাকে। এমনিতেই দাবিপূরণ না হওয়ায় তৃণমূলের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল কুড়মিরা। এবার অভিষেকের কনভয়কাণ্ডে সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election)তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দিতে চাইছে কুড়়মিরা। কুড়মি সমাজের নেতা সুমন মাহাত বলেন,  “জঙ্গলমহলে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম সহ চার জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা প্রার্থী দেব। সেই মতো আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। ইতিমধ্যেই কারা প্রার্থী হবে তা একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হল তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। জঙ্গলমহলে কুড়মি সমাজের কোনও সদস্য একটি ভোটও তৃণমূলকে দেবে না। তারজন্য সমস্ত এলাকায় প্রচার করা শুরু হয়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতির দাবি, “কুড়মিদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী একগুচ্ছ প্রকল্প নিয়েছে। জঙ্গলমহলে শাসকের পাশে সব থেকে বেশি দাঁড়াবে কুড়মি সমাজের মানুষেরাই। ফলে, কে কী বলল তা কিছু এসে যায় না। নির্বাচনের (Panchayat Election) ফলাফলে তা প্রমাণিত হয়ে যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতে যাচ্ছে কুড়মিরা

    Kurmi: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতে যাচ্ছে কুড়মিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা ঝাড়গ্রাম জেলা। ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কুড়মি (Kurmi) সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত সহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এবার জঙ্গলমহলে কুড়মি সমাজের সঙ্গে সংঘাত আরও চরমে উঠতে চলেছে রাজ্য সরকারের। কারণ, এবার মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা এবং দুলাল মুর্মুর বিরুদ্ধে জঙ্গলমহলের প্রতিটি থানায় এফআইআর করতে চলেছে ঘাঘর ঘেরা কেন্দ্রীয় কমিটি।

    কেন থানায় অভিযোগের সিদ্ধান্ত?

    ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচির মাঝেই অভিষেকের কনভয়ের হামলার সময় ভাঙচুর করা হয় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার কনভয়। ঘটনার পর পরই কুড়মিদের আন্দোলন নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। কুড়মি (Kurmi) সমাজের নেতাদের হুমকি দিতে শোনা যায় শাসক দলের দাপুটে নেতা দুলাল মুর্মুকে। অন্যদিকে, কনভয়কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় একের পর এক কুড়মি নেতাকে। এই আবহেই বৈঠকে বসেন ঘাঘর ঘেরা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা। একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কমিটির তরফে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি লড়াই লড়ার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেওয়া হবে না। বরং জঙ্গলমহলের কুড়মি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে পাঠানো হবে কূপ। সেই কুপেই এক টাকা করে অর্থ সাহায্য নেওয়া হবে কুড়মি পরিবারের থেকে। ঘাঘর ঘেরা কমিটির অন্যতম সদস্য সুদীপ রায় মাহাত বলেন, কনভয়কাণ্ডে আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি প্রথম থেকে করে আসছি। এবার আমরা এই দাবির সমর্থনে আদালতের দ্বারস্থ হব। আর মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, বিধায়ক দুলাল মুর্মু কুড়মিদের (Kurmi) নিয়ে যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জঙ্গলমহলের সব থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে। আর যে সব কুড়মি নেতাদের  গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের হয়ে আইনি লড়াই আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় হামলায় কুড়মি সমাজের প্রধান সহ গ্রেফতার ৮, প্রতিবাদ মিছিল

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয় হামলায় কুড়মি সমাজের প্রধান সহ গ্রেফতার ৮, প্রতিবাদ মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ে হামলার ঘটনায় রাজেশ মাহাত সহ ৮ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। রাজেশ পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি। তিনি খড়্গপুরের একটি হাইস্কুলের শিক্ষক। তাঁকে শুধু গ্রেফতার নয়, খড়্গপুরের স্কুল থেকে কোচবিহারের সিতাইয়ে বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার শালবনির শালডহরা এলাকায় কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়।

    দলীয় নেতা গ্রেফতারি নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    কুড়মি সমাজের ঘাঘর ঘেরার কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা সুমন মাহাত বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি ভাবেন একজন রাজেশকে গ্রেফতার করে আমাদের আন্দোলনকে ভেঙে দেবেন, তাহলে তিনি ভুল ভাবছেন। আমাদের আন্দোলন থামবে না। বরং, এই ঘটনার পর আমাদের এই আন্দোলন আরও জোরদার হবে।

    শালবনির সভা থেকে কুড়মিদের নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মণিপুরে জাতি দাঙ্গার মতো এখানে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে। পাহাড় আলাদা করে দাও। এই জাতি দাঙ্গা করেছিল বিজেপি। আমি কোনওরকমে সামলেছি।  রাজবংশী আর কামতাপুরীদের আলাদা করে দাও। আমি সামলেছি।   এখন আদিবাসী আর কুড়মিদের লরিয়ে দিচ্ছে। টাকা দিচ্ছে বিজেপি। জাতি দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। বিজেপিকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর। এরপরই কুড়মিদের হুঁশিয়ারি, আমাকে চমকানোর চেষ্টা করবেন না। হিংসা করলে আমাকে পাশে পাবেন না। আমরা চারবার কেন্দ্রের কাছে কুড়মিদের জন্য চিঠি দিয়েছি।

    মুখ্যমন্ত্রীর আচরণে ক্ষুব্ধ কুড়মি নেতারা, কেন?

    শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান কুড়মিদের ঘাঘর ঘেরা কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তাঁদের থানায় দিনভর আটকে রাখা হলেও  মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা সুমনবাবু বলেন, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় হামলার সঙ্গে কুড়মিরা কেউ জড়িত নই। আর কারা এই কাজ করেছে তা মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ প্রশাসন রয়েছে, তারা চিহ্নিত করুক। আর সাত দফা দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা দেখা করতে এসেছিলাম। কিন্তু, থানায় আমাদের আটকে রেখে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। আর কুড়মিদের নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দেওয়া প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী যে কথা বলছেন তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একজন দাঙ্গাবাজ নেত্রী। তাই, সবকিছুতেই তিনি দাঙ্গাকে দেখতে পান। মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জন্যই জঙ্গলমহলে কুড়মিরা আন্দোলন করছে। জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে তৃণমূল শুধু ভোট নিয়ে গিয়েছে, তাদের উন্নয়নে কিছু করেনি। তাই, কুড়মিরা এভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ঝাড়গ্রামে অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ভাঙচুর মন্ত্রীর গাড়িও

    Abhishek Banerjee: ঝাড়গ্রামে অভিষেকের কনভয়ে হামলা, ভাঙচুর মন্ত্রীর গাড়িও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিশৃঙ্খলা। কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছিল। বর্ধমানের ভাতারে রোড শো চলাকালীন দলেরই কর্মীরা তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। মালদাতেও তাঁর কনভয় আটকে গ্রামবাসীরা তৃণমূল নেতাদের দুর্নীতির কথা বলেছিলেন। এবার ঝাড়গ্রামে অভিষেকের কনভয় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এমনকী কনভয়ে থাকা বন প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। কনভয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখানো কুড়মিরাই এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    শুক্রবার বিকেলে বেলপাহাড়ির ইন্দিরা চক থেকে ঝাড়গ্রাম জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বেলপাহাড়ি, জামবনি, দহিজুড়ির পর ঝাড়গ্রামে যান তিনি। ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন তিনি। ঝাড়গ্রাম শহরে রোড শো শেষ করে ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক ধরে লোধাশুলি হয়ে গজাশিমুলের ক্যাম্পে আসার সময় শালবনি এলাকার গড়শালবনিতে অভিষেক এর কনভয় দেখার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন কুড়মিরা। অভিযোগ, অভিষেকের গাড়ি পার হওয়ার পর তাঁর কনভয়ের সঙ্গে থাকা গাড়িতে পাথর ছুঁড়তে শুরু করা হয়। লাঠি দিয়ে গাড়িতে ও বাইকে থাকা তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাথর ছোঁড়ার কারণে ভেঙে যায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি। ঘটনায় জখম হন মন্ত্রীর গাড়ির চালক। ভাঙচুর চালানো হয় সংবাদমাধ্যমের গাড়িও। ঘটনায় বেশকয়েকজন তৃণমূল কর্মী এবং পথ চলতি সাধারণ মানুষ জখম হয়েছেন।

    কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    গজাশিমুলের মঞ্চ থেকে হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বলেন , “কুড়মিদের আন্দোলনের নাম করে বিরবাহা হাঁসদা আদিবাসী মেয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাঁর কনভয়ে হামলা করা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি ভেঙেছে। আন্দোলনের নামে হামলা চালিয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের গলায় গামছা দিয়ে টেনে ফেলা হয়েছে। আপনারা আন্দোলন করুন শান্তিপূর্ণভাবে। গাড়ির উপরে পাথর মেরে হামলা করেছে। এদের প্ররোচনায় পা দেবেন না কোনও বুথ সভাপতি। আপনারা কথা বলতে চাইলে শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলতে পারেন। এই ঝাড়গ্রামের মানুষ আজকে শপথ নিন, এর পিছনে কারা রয়েছেন তা আমরা সব জানি। আমি দেড় কিমি পথ হাঁটলাম, তখন দেখলাম কেউ নেয়। আদিবাসী কুড়মি সমাজ জয় গরাম তো বলবে, তাহলে তারা জয় শ্রীরাম কেন বললেন? আদিবাসী কুড়মি সমাজ আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপনাদেরকে স্পষ্ট করে বলতে হবে, আপনাদের পতাকা হাতে নিয়ে বিজেপি লোকেরা কুড়মিদের নামে আন্দোলন করছে। এ কোন আন্দোলন?”

    কী বললেন কুড়মি নেতা?

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয়ে হামলায় তাদের হাত নেই বলে দাবি করলেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত। তিনি বলেন, “এখানে লোকজন জড়ো হয়েছিল। স্থানী লোকজন ছিল। অন্ধকারের মধ্যে কনভয় যাওয়ার সময় কে কোথায় ঢিল ছুঁড়েছে সেটা তো আমাদের দায়িত্ব নয়। আমাদের কোন উদ্দেশ্য নেই। এই ঘটনার সঙ্গে কুড়মিদের কোনও যোগ নেই”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মিদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের পাশে দাঁড়াল না দল, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: কুড়মিদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের পাশে দাঁড়াল না দল, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের (TMC) কো-অর্ডিনেটের  অজিত মাইতির বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোলপাড় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রাজনীতি। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে কুড়মি জনজাতির মধ্যেও। দিকে দিকে কুড়মি অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে কার্যত চাপে পড়ে সাংবাদিক বৈঠক করে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। মেদিনীপুর সংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত অজিত মাইতির। এমন বক্তব্যকে দল সমর্থন করে না। অজিত মাইতির পাশে যে দল নেই তা জেলা সভাপতির বক্তব্যেই স্পষ্ট। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    জেলা সভাপতির নির্দেশের পরও ফের বেফাঁস অজিত মাইতি, কী বললেন?

    একদিকে যখন জেলা সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করছে তখন ফের বেলাগাম অজিত মাইতি। কুড়মি সমাজের মানুষেরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেওয়াল লিখতে দেওয়া হবে না বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরোধিতা করে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে অজিতবাবুর  হুঁশিয়ারি, আমরা হাতে চুড়ি পড়ে বসে নেই। দেওয়াল আমরা লিখবই। দাসপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সফরের প্রস্তুতি সভা থেকেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। উল্লেখ্য, অজিতবাবু কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থী নেতাদের সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মন্তব্যের পর থেকেই কুড়মি আন্দোলন সম্পর্কে অজিত মাইতির মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অপমানিত হয়ে পথে নেমেছে কুড়মি সমাজ।  অবিলম্বে অজিত মাইতিকে ক্ষমা চাইতে হবে এমন দাবিতে সরব হয়েছে কুড়মি জনজাতির মানুষেরা। এই আবহেও ক্ষমা চাওয়া তো দূর অস্ত, শাসকদলের দাপুটে নেতার ঔদ্ধত্যে স্তম্ভিত শাসক দলের একাংশ। সব মিলিয়ে দল পাশে না থাকলেও তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতির মুখে যে লাগাম টানা যাচ্ছে না তা কার্যত স্পষ্ট। দেওয়াল লিখন নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তিনি বলেন,  দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। গায়ের জোরে দেওয়াল লিখনের কোনও প্রশ্নই আসে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মিদের আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। সরকারকে টেনে নামানোর চেষ্টা যাঁরা করছেন, তাঁদের কোনওভাবেই সমর্থন নয়। কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি। ১৪ ই মে মেদিনীপুর শহরে আদিবাসী জমায়েতের ডাক দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। তৃণমূল নেতার এমন মন্তব্যে শাসকদলের সঙ্গে কুড়মি সমাজের সংঘাত বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতি?

    এবার কুড়মিদের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমরে শাসকদল তৃণমূল (TMC)।  উল্লেখ্য, এস টি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সিআরআই রিপোর্টের ওপর রাজ্যের তরফে জাস্টিফিকেশন পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে, এই দাবিকে সামনে রেখে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ। গত এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে টানা প্রায় পাঁচদিন অবরুদ্ধ হয়েছে রেল এবং জাতীয় সড়ক। রাজ্যের তরফে বৈঠকের ডাক পেয়েও আশানুরূপ ফল না মেলায় কুড়মিদের দেওয়ালে কোনও রাজনৈতিক প্রচার নয় বলে সম্প্রতি ফরমান জারি করেছে কুড়মি সংগঠন ঘাঘরগেরা কেন্দ্রীয় কমিটি। জঙ্গলমহলের একাধিক এলাকায় কুড়মিরা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন মুছে সেখানে জয় গরাম লিখে দিয়েছে। এই আবহেই অজিত মাইতির গলায় রীতিমতো হুমকির সুর। তৃণমূল (TMC) বিধায়ক বলেন, কুড়মি আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূল ও সরকারকে ছোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। তাই এই আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কুড়মি আন্দোলনের পিছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মদত রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে, দেওয়াল লিখন করতে দেওয়া হবে না বলে কুড়মিদের পক্ষ থেকে যে ফরমান জারি করা হয়েছে, তা মানা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অজিতবাবু।

    কী বললেন কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি?

    পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, আমরা নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু, অজিতবাবুর মতো নেতার কাছে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য আমি আশা করিনি। তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে এলে বিনয়ের সঙ্গে আমাদের কথা বলেন। অজিতবাবুর সেটা মেনে চলা উচিত। জঙ্গলমহলে অশান্তি ছড়ালে তার দায় অজিত মাইতিকে নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: পাঁচদিনের মাথায় উঠল কুড়মিদের রেল অবরোধ! শুরু হল ট্রেন চলাচল

    Kurmi: পাঁচদিনের মাথায় উঠল কুড়মিদের রেল অবরোধ! শুরু হল ট্রেন চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও প্রতিশ্রুতি বা দাবিদাওয়া পূরণে কোনও আশ্বাস মেলেনি। রবিবার সকালে আচমকাই পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশন থেকে অবরোধ তুলে নিল কুড়মিরা (kurmi)  । তবে, রবিবার নতুন করে পুরুলিয়ার কোটশিলায় রেল অবরোধ শুরু হয়েছিল। সঙ্গে রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। কুস্তাউর স্টেশন এদিন সকালে রেল অবরোধ উঠলেও কোটশিলায় অবরোধ চলছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি স্টেশনে রেল অবরোধ উঠে যায়। তবে, জাতীয় সড়ক অবরোধ চলছে। ৬দিনে পড়ল জাতীয় সড়ক অবরোধ। জানা গিয়েছে, কুস্তাউরের পর অন্যান্য স্টেশন থেকে রেল অবরোধ উঠে যাবে। ৫ এপ্রিল রেল অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। গত পাঁচদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শনিবারও কুড়মিদের (kurmi)  লাগাতার আন্দোলনের জেরে ৭২ টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। আর এদিন রেল অবরোধ উঠলেও রেলের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। একাধিক ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। তবে, এদিন পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে প্রথমে মালগাড়ি এবং  পরে, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করে।

    কুড়মিদের অবরোধ তোলার কারণ কী?

    আদিবাসী (Tribal People), কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিন তাদের আন্দোলন পাঁচদিনে পড়েছিল। তবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিন্তু, কোনও রফাসূত্র মেলেনি। রবিবার সাত সকালে সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। আন্দোলনকারীরা কুস্তাউর স্টেশন এসে ফের আন্দোলনে যোগ দেন। পরে, জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক তাঁদের কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসে। ১০ এপ্রিল মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও আন্দোলনকারীরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কুস্তাউর স্টেশনে রেলের পক্ষ থেকে আলো, জল সব কিছুই বন্ধ রাখা হয়েছে। চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যে সব কুড়মিরা জড়িত রয়েছেন তাদের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, আন্দোলন ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল। তাই, আপাতত এদিন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    কী বললেন কুড়মি সংগঠনের নেতা?

    রেল অবরোধ তোলা প্রসঙ্গে কুড়মি (kurmi)   সংগঠনের নেতা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আসলে আমাদের আন্দোলন দুর্বল করতে প্রশাসন বহু চেষ্টা করছে। মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। আর মুখ্য সচিবের সঙ্গে এর আগে বৈঠক করেছি। কোনও লাভ হয়নি। তাই, এবার আর বৈঠক করতে রাজি হইনি। নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে আমরা আপাতত অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলাম। আর রেল অবরোধের জন্য সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে, সেটা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিলাম। তবে, আগামীদিনে আমরা ফের আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share