Tag: kurmi

kurmi

  • Kurmi: চারদিন ধরে চলছে কুড়মিদের রেল অবরোধ, শনিবারও একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল, ব্যাপক ভোগান্তি

    Kurmi: চারদিন ধরে চলছে কুড়মিদের রেল অবরোধ, শনিবারও একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল, ব্যাপক ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:আদিবাসী (Tribal People)  কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আজ চারদিন ধরে পুরুলিয়ার কুস্তাউর রেল স্টেশনে চলছে রেল অবরোধ। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে রেল ও সড়ক অবরোধ চলছে। শুক্রবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। সেখানে কোনও সমাধান হয়নি। শনিবার পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা বসে। তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রবিবার থেকে কোটশিলা স্টেশনে নতুন করে অবরোধ শুরু করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আন্দোলনের জেরে কত ট্রেন বাতিল হল?

    বুধবার থেকে রেল অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। গত চারদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শনিবারও কুড়মিদের (kurmi)  লাগাতার আন্দোলনের জেরে বাতিল করা হয়েছে একগুচ্ছ দূরপাল্লার ট্রেন। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এদিন ৭২ টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এরমধ্যে ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, লোকমান্য তিলক, শালিমার সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেন রয়েছে।  একাধিক ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রেল। রেল ও সড়ক অবরোধের ফলে গোটা জঙ্গলমহল একেবারে স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার রেল অবরোধ চারদিনে পা দিল। ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে ৪ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়ক অবরোধ চলছিল। সেই অবরোধ এদিন পাঁচদিনে পড়ল। তবে, পুরুলিয়া জেলায় রেল অবরোধ করা হলেও সড়ক অবরোধ করা হয়নি। এবার সড়ক পথ অবরোধ করা হবে বলে সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal Movement: আদিবাসীদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্‌ধের প্রভাব কেমন ছিল?

    Tribal Movement: আদিবাসীদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্‌ধের প্রভাব কেমন ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী ইউনাইটেড ফোরামের ৩৬ টি সংগঠন একত্রিত হয়ে ১২ ঘণ্টার জন্য বাংলা বন্‌ধ (Tribal Movement) ডাকে বৃহস্পতিবার। সিআরসি-র রিপোর্ট পরিবর্তনের মাধ্যমে কুড়মিদের তফশিলি উপজাতি (ST) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ। আর তার বিরুদ্ধেই তাদের এই আন্দোলন। কুড়মিদের কোনও ভাবেই তফশিলি উপজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না বলে রাজ্যের আদিবাসী সমাজ মনে করে। পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর সহ নানা জেলায় বন্‌ধ-এর চিত্র এদিন চোখে পড়েছে।

    দুর্গাপুরে বাংলা বন্‌ধ (Tribal Movement)

    আদিবাসীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় দুর্গাপুরের গলফ নগর মোড়ে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের ধর্মঘটে দুর্গাপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর বাজারে বন্‌ধ-এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে বলে জানা গেছে। বন্‌ধ-এর কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রাখেন। রঘুনাথপুর তেমাথা মোড়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ পথ অবরোধ করেন (Tribal Movement) এবং সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র ও তীর-ধনুক হাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ভোগান্তির মুখে সাধারণ মানুষ। ঘটনাস্থলে দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স উপস্থিত হয়।

    পশ্চিম মেদিনীপুরে বাংলা বন্‌ধ (Tribal Movement)

    ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের ডাকে ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্‌ধ ডাকা হয়েছিল। সেই মতো সকাল থেকেই ঘাটাল মহাকুমার ক্ষীরপাই ও দাসপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবরোধ করা হয়। রাজ্য সড়কের ওপর ব্যারিকেড লাগিয়ে চলে অবরোধ (Tribal Movement)। এর জেরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় রাজ্য সড়কে। পথে বেরিয়ে চরম সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। শুধু ঘাটাল মহকুমাই নয়, আদিবাসী সমাজের তরফে অবরোধ করা হয় মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন কেরানিচটি, ভাদুতলাতেও। এদিন সকাল থেকেই ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর রীতিমতো বাঁশ দিয়ে ঘিরে অবরোধে শামিল হয় আদিবাসীরা। অবরোধের কারণে মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড থেকে চলেনি কোনও বাস। ফলে সমস্যায় পড়তে হয়েছে নিত্যযাত্রীদেরও। রাজ্যের শাসকদল নৈতিকভাবে এই বন্‌ধ-এর বিরোধিতা করলেও, রাস্তায় নেমে সেভাবে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি তাদের। ভোটের রাজনীতির জন্যই কি বিরোধিতা নয়? প্রশ্ন বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস মিশ্রের। যদিও তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতির দাবি, প্রতিটি সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দলেরই আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ পুলিশের। সব মিলিয়ে আদিবাসী সংগঠনগুলির ডাকা বাংলা বন্‌ধ-এ ভালো প্রভাব পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর সহ রাঢ় বঙ্গে।

    দক্ষিণ দিনাজপুরে বাংলা বন্‌ধ (Tribal Movement)

    অদিবাসী নয়, এমন ক্ষত্রিয় কুড়মিদের দ্বারা আদিবাসীদের ইতিহাস বিকৃতি করা হচ্ছে এবং সরকারি মদতে সিআরসি-র রিপোর্টকে পরিবর্তন করে কুড়মিদের এসটি তালিকাভুক্তকরণ করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে সরব হয়েছে ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশন। আর তাই বৃহস্পতিবার সকাল ছটা থেকেই সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে পালিত হয় বন্‌ধ। সকাল থেকেই কোনও বেসরকারি বাস চলাচল করেনি (Tribal Movement)৷ শুনসান বালুরঘাট পাবলিক বাস স্ট্যান্ড চত্বর। বেসরকারি বাস চলাচল না করার ফলে সমস্যায় নিত্যযাত্রীরা। এদিকে কিছু সরকারি বাস সকাল ছটার আগে চলাচল করলেও তারপরে আর চলাচল করতে দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে আদিবাসীদের বন্‌ধ সফল বলে দাবি করছেন সংগঠনের নেতারা।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: এবার ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হল অভিষেককেও

    Abhishek Banerjee: এবার ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হল অভিষেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে এগরার খাদিকুল গ্রামে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মানস ভুঁইয়া, দোলা সেনসহ তৃণমূলের একাধিক জনপ্রতিনিধি। খাদিকুল গ্রামে ঢুকতেই তাঁদের ঘিরে ধরে চোর চোর স্লোগান দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার নবজোয়ারের যাত্রাপথে চোর, চোর স্লোগান শুনতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার রাতে খাতড়া থেকে ছাতনার কমলপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় যুবরাজের কনভয়। ইন্দপুর বাংলায় কনভয় আসতেই আচমকা ‘চোর, চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন একদল স্থানীয় বাসিন্দা। চাকরি চোর, গরু চোর বলে চিত্কার করতে থাকেন তাঁরা। কনভয়ের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীরা বিড়ম্বনায় পড়ে যান। অভিষেকের কনভয় এই ঘটনায় আমল না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়। তবে, তৃণমুলের সেকেন্ড ইন কমান্ড-এর এই বিড়ম্বনায় যথেষ্ট চাপে রয়েছে জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব। পাশাপাশি জেলা পুলিশের আইবির কাছে কেন আগাম খবর ছিল না, তা নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কীভাবে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে জেলার পুলিশ কর্তাদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ। কারণ, পাছে যুবরাজের কোপে পড়তে হয় তাঁদের।

    কুর্মিদের ঘাঘর ঘেরার মুখে অভিষেক (Abhishek Banerjee)

    জেলার জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসের নবজোয়ার যাত্রার পথে দফায় দফায় কুর্মিদের ঘাঘর ঘেরার মুখেও পড়ে অভিষেকের কনভয়। মঙ্গলবার সিমলাপাল থেকে খাতড়া যাওয়ার পথে বনকাটা ও জামদা গ্রামে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয়ের সামনে কুর্মিরা ঘাঘর ঘেরা করেন। তবে, তাঁর কনভয় থামেনি। ফের খাতড়া ঢোকার মুখে কুর্মিরা পথ অবরোধ করলে অভিষেক কনভয় থামিয়ে কুর্মি নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিষেকের (Abhishek Banerjee) পরামর্শ “জোর জবরদস্তি করে গায়ের জোরে পথ অবরোধ নয়, দাবি আদায়ের আন্দোলন হোক সৌজন্যতা বজায় রেখে। কুর্মি নেতারা নিজেরাই বলছেন রাজ্যের সরকার মানবিক। তাই সরকারের ওপর ভরসা রাখা উচিত”। পাশাপাশি, কুর্মি নেতাদের কাছে তাঁদের দাবি দাওয়া সম্পর্কিত চিঠি চেয়ে নেন তিনি। এমনকী কলকাতায় ফিরে এই বিষয়ে কথা বলতে কুর্মি নেতার মোবাইল নম্বরও চেয়ে নেন তিনি।

    কী বললেন কুর্মি নেতারা?

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় চলে যাওয়ার পর কুর্মি নেতারা সাফ জানিয়েছেন, মুখের কথায় নয়, যতদিন না তাঁদের দাবি মিটছে, তাঁরা ততদিন এই ঘাঘর ঘেরা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ওবিসি শ্রেণিভুক্ত কুর্মিরা তাদের তফশিলি জাতির স্বীকৃতির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন। অবিলম্বে তাঁদের দাবি মেনে কেন্দ্রের কাছে সংশোধিত সিআরআই রিপোর্ট পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে, একথা এদিন অভিষেকও (Abhishek Banerjee) জানালেন তাঁদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ঘোষণা মতো বুধবার পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হলেন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People)। এদিন সকাল থেকেই তীর, ধনুক, ধামসা-মাদল নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা স্টেশনে এসে জমায়েত হন। পরে, বিভিন্ন দাবিদাওয়ার স্লোগান তুলে রেল লাইনে নেমে অবরোধ শুরু করেন। সকাল পাঁচটা থেকে রেল অবরোধ শুরু করে। পাশাপাশি সড়ক অবরোধ করা হয়। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

    আন্দোলনের জেরে কত ট্রেন বাতিল হল?

    সকাল থেকে রেল অবরোধ করার জন্য খড়গপুর-আদ্রা শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেন বাতিল হয়ে যায়। আগাম রেল অবরোধের কথা ঘোষণা করায় দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়। জানা গিয়েছে, টাটা-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া -হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-বরবিল জনশতাব্দী, হাওড়া-রাঁচি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু মেমু স্পেশাল বাতিল করা হয়েছে। এমনিতেই মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এদিন জাতীয় সড়কের পাশাপাশি রেলপথও অবরোধ করা হয়। ফলে, জাতীয় সড়কে লাইন দিয়ে ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর নতুন করে রেল অবরোধ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

    আন্দোলন নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমরা রাজ্য সরকারকে বহুদিন ধরে সময় দিয়েছি। কিন্তু, আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কোনও হেলদোল নেই। তাই, আমরা এর আগেই এই কর্মসূচি নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। রাজ্য সরকার আমাদের দাবির বিষয়ে বিবেচনা না করলে আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব। এর আগে ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়। দাবিদাওয়া আদায়ে এবার সেই আন্দোলন আরও জোরদার করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: ৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি আদিবাসীদের! কেন জানেন?

    Tribal People: ৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি আদিবাসীদের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঠিকানা সেই কুস্তাউর রেল স্টেশন। গত বছর পুরুলিয়া জেলায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা বিভাগের এই স্টেশনে টানা পাঁচদিন রেল অবরোধের জেরে ট্রেন চলাচল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। রেলের ক্ষতি হয়েছিল কোটি কোটি টাকার। ভোগান্তিতে পড়েছিলেন হাজার হাজার যাত্রী। ফের একই কারণে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রেলযাত্রীরা। আগামী ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধে সামিল হতে চলেছে কুরমি সমাজ। কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন আদিবাসী (Tribal People) কুরমি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা (মূল মানতা) অজিতপ্রসাদ মাহাতো। কয়েকদিন আগেই জেলা ও রাজ্য কমিটির সমস্ত পদাধিকারীদের নিয়ে পুরুলিয়া বিটি সরকার রোডে অবস্থিত কার্যালয়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কেন রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত? Tribal People

    কুরমি জাতিকে এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, ৫ এপ্রিল রেল অবরোধ কর্মসূচির নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই বিভ্রান্তি কাটল কুরমি নেতা অজিতপ্রসাদ মাহাতোর দিল্লি সফরের পর। কারণ, দিল্লি সফরে গিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন, কেন্দ্রীয় আদিবাসী (Tribal People) কল্যাণ মন্ত্রক রাজ্য সরকারের কাছে ২০১৭ সালের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে শুধুমাত্র কমেন্ট এবং জাস্টিফিকেশন চেয়েছিল। কিন্ত, রাজ্য সরকার সেই রাস্তায় না হেঁটে কেন্দ্রের ঘাড়ে দায় চাপিয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুরমি সমাজ সহ কুরমিদের বিভিন্ন সংগঠন রাজ্য সরকারের কাছে বারবার এই বিষয়ে দরবার করেও বিফল হয়েছে। অজিতবাবু বলেন, কুরমিদের এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন চলছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। কুরমিদের স্বাভিমানে আঘাত করা হয়েছে। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্তু, সেই কথা তারা রাখেনি। তাই, দাবি পূরণে আবারও রেল অবরোধ করতে কোমর বেঁধে নামবে আন্দোলনরত কুরমি সৈনিকরা।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি? Tribal People

    রেল অবরোধের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, যে কোনো সমাজ নিজের অধিকারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাতেই পারে। যদি তাদের দাবি সঠিক হয়, তাহলে সেই বিষয়টিতে বিশেষ নজর দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার বার বার বলছে, রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি। এভাবে কুরমি সম্প্রদায়কে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেছে তারা এবং পরিষ্কারভাবে কিছুই বলছে না। সরকারের উচিত সমাজের ন্যায্য দাবিগুলো দেখা। রেল অবরোধ নিয়ে তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। তবে রেল অবরোধ না করে নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে অন্য পন্থা অবলম্বন করলে ভালো হবে।

    কী বললেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি? Tribal People

    পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। তাদের জন্য কী তথ্যপ্রমাণ পাঠানো জরুরি, সেই বিষয়ে নির্দেশিকা রয়েছে সংবিধানে। তারপরেও কেন্দ্র টালবাহানা করছে। যদিও রেল অবরোধ কর্মসূচিকে আমরা সমর্থন করছি না।

    আদিবাসীদের দাবি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কী বক্তব্য? Tribal People

    কেন্দ্রীয় সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য, তারা কোনোভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেবে না। কোনও জাতিকে এসটি তালিকায় সংযোজন বা বিয়োজনের দায় একমাত্র রাজ্য সরকারের। কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারের পাঠানো বিভিন্ন রিপোর্ট পরীক্ষা করতে পারে মাত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share