Tag: Lakshadweep

Lakshadweep

  • Lakshadweep: লাক্ষাদ্বীপকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী মোদি সরকার, শীঘ্রই শুরু হচ্ছে কাজ

    Lakshadweep: লাক্ষাদ্বীপকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী মোদি সরকার, শীঘ্রই শুরু হচ্ছে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর প্রধানমন্ত্রী মোদির (Modi Government) সফর, তারপরেই মলদ্বীপের বদলে পর্যটকরা ছুটছিলেন লাক্ষাদ্বীপে (Lakshadweep)। নিজের সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের যে আর্জি জানিয়েছিলেন, তা আরও জোরদার করতে এবার বড় পদক্ষেপ শুরু করল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, লাক্ষাদ্বীপকে দেশের অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে সাজিয়ে তুলতে একাধিক বড় প্রকল্প আনছে মোদি সরকার।

    অত্যাধুনিকভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Lakshadweep)

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন (Lakshadweep) অনুযায়ী, কারাভাতি, আগাতি, মিনিকয় দ্বীপে বড় ভেসেল রাখার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে কালপেনি, কাদমঠ, আন্দ্রোথ দ্বীপের মতো দ্বীপগুলিকে অত্যাধুনিকভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই প্রথম প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর জন্য খরচ হবে ৩০৩ কোটি টাকা। লাক্ষাদ্বীপে তৈরি হবে মাল্টি-মডেল জেটি। একইসঙ্গে প্যাসেঞ্জার ওয়েটিং হলও তৈরি করা হবে বলে জানি গিয়েছে। কালপেনি, কাদমাঠ, কারাভেতি, আগাতি, মিনিকয় দ্বীপে আধুনিক প্রযুক্তির পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। জানা গিয়েছে, প্রকল্পগুলি রূপায়ণের যাবতীয় খরচ লাক্ষাদ্বীপ ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেই বহন করা হবে। কোচি পোর্ট অথারিটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব নিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরই লাক্ষাদ্বীপ সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে ছবি পোস্ট করার পরই কটাক্ষ করেন মলদ্বীপের মন্ত্রীরা। প্রধানমন্ত্রীর এই অপমানের পরই বয়কট মলদ্বীপের ডাক দেওয়া হয়। এর জেরে ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় মলদ্বীপের পর্যটন।

    প্রথম প্রকল্প কাদমঠ দ্বীপে (Lakshadweep)

    জানা গিয়েছে, প্রথম প্রকল্পটি শুরু হতে চলেছে কোচি থেকে প্রায় ৪০৭ কিলোমিটার দূরে লাক্ষাদ্বীপের কাদমঠ দ্বীপে। এখানেই তৈরি করা হবে, একটি জেটি। অত্যাধুনিক মানের ব্যবস্থা থাকবে সেখানে। প্রসঙ্গত কাদমঠ হল আমিনদিভি গোষ্ঠীর একটি দীর্ঘতম দ্বীপ, লাক্ষাদ্বীপের কেন্দ্রে অবস্থিত এটি। এর আয়তন হল ৩.৩৪ বর্গ কিলোমিটার। দৈর্ঘ্য হল ৯.৩ কিলোমিটার। প্রস্থ হল ০.৫৭ কিলোমিটার। এই দ্বীপেই একটি জেটি খোলার প্রস্তুতি নিয়েছে মোদি সরকার। দ্বীপটি ঢেলে সাজাতে বরাদ্দ করা হচ্ছে ৩০৩ কোটি টাকা। এখানে যাত্রীদের আসা-যাওয়ার একটি পৃথক টার্মিনালও তৈরি করছে মোদি সরকার। বিশ্বমানের সুযোগ সুবিধা সমেত এখানে যাত্রীদের একটি বিশ্রামাগারও তৈরি হবে। জানা গিয়েছে, লাক্ষাদ্বীপের পূর্ব ও পশ্চিম উভয়দিকেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ যাত্রীদের নানা সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। পর্যটকদের সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে কাল্পনি আন্দ্রোতো গুদাম ইত্যাদি দ্বীপে।

    অন্যান্য বড় প্রকল্প

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ ঢেলে সাজানো হবে কালপেনি, কদমাথ এবং আন্দ্রোতে গুদাম ইত্যাদি দ্বীপকে

    বড় ভেসেল যাতায়াতের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে কাভারত্তি, আগাট্টি এবং মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জে।

    কালপেনি এবং কদমাঠে দ্বীপে ক্রুজ জাহাজ পরিচালনার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

    কালপেনি ও কদমথ দ্বীপে থাকা বর্তমান জেটিগুলিকে ঢেলে সাজানো হবে।

    জানা গিয়েছে, এই সমস্ত প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন করা হবে সাগরমালা কর্মসূচির অধীনে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপের অভ্যন্তরীণ যে তহবিল, সেটাও এক্ষেত্রে ব্যবহার করবে মোদি সরকার। প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের কাজ করছে কোচিং পোর্ট অথরিটি। যাবতীয় প্রযুক্তির কাজগুলি দেখভাল করছে তারা। অন্যদিকে চেন্নাইয়ের অ্যাসি সিস্টেম ইন্ডিয়া লিমিটেড একটি বিশদ প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করেছে এবিষয়ে।

    ৩৬টি ছোট ছোট দ্বীপের সমূহ লাক্ষাদ্বীপ

    ভারতের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হল লাক্ষাদ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভরা এই দ্বীপগুলি মোট ৩২ বর্গমিটার এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। এর আশেপাশে সমুদ্রসীমার ক্ষেত্রফল হল ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার। ভারতের অঙ্গরাজ্য কেরলের পশ্চিম উপকূল থেকে ২২০ থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দূরত্বে এই দ্বীপগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। 

    লাক্ষা, আমিনদিভি, মনিকয় দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি নিয়ে গড়ে উঠেছে এই লাক্ষাদ্বীপ। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে মত ৩৬টি দ্বীপ রয়েছে। লাক্ষা পর্যটন বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এই দ্বীপে বেড়াতে যেতে হয়। বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় হল ভ্রমণ করার আদর্শ সময়। এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ ভীষণ ভাবে পর্যটকদের মনকে মুগ্ধ করবে। এখানে ঘুরে দেখার সুন্দর জায়গাগুলি হল –

    আগাত্তি দ্বীপ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep Tourism) প্রবেশদ্বার হল এই আগাত্তি দ্বীপ। বিশ্বের অন্যতম সুন্দর লেগুন (নোনা জলের উপহ্রদ) রয়েছে এখানে। এখানে সুইমিং, স্বরকেলিং, কায়াকিংয়ের মতো ওয়াটার স্পোর্টস করার সুযোগ রয়েছে।

    বাঙ্গারাম দ্বীপ

    আগাত্তি দ্বীপের খুব কাছেই হল বাঙ্গারাম দ্বীপ। এখানে মানুষ বসবাস করে না। এখানকার সৈকত রাতে নীলাভ হয়। ডলফিন, অক্টোপাস, ফ্রগফিস দেখা যায়।

    মিনিকয় দ্বীপ

    উত্তর দ্বীপপুঞ্জের ২০০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত এই দ্বীপ। এই দ্বীপ অন্যতম বড় লেগুন। এখানে ১১ গ্রামের ক্লাস্টার রয়েছে। এইগুলিকে আভাহ নামে পরিচিত।

    কালপেনি দ্বীপ

    স্বচ্ছ এবং নীল জলের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপ। এখানে সুইমিং, স্নরকেরিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কাভারাত্তি দ্বীপ

    এই দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জায়গা। স্থানীয় বাজার বেশ দর্শনীয় স্থান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিতে মুগ্ধ পর্যটকরা! প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে

    PM Modi: মোদিতে মুগ্ধ পর্যটকরা! প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি-ম্যাজিক বলুন বা মোদির করিশমা! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যাওয়ার পর থেকেই বদলে গিয়েছে লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) ছবি। আগে যে দ্বীপে ঘুরতে যেতে ভয় পেত, পাঁচবার ভাবত, এখন সেই দ্বীপ ভ্রমণ পিপাসুদের আইকনিক গন্তব্য। এমনই দাবি করেছেন লাক্ষাদ্বীপের পর্যটন আধিকারিক ইমতিয়াজ  মহম্মদ টিবি। 

    লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পর্যটকরদের আগ্রহ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) পর্যটন আধিকারিক ইমতিয়াজ  মহম্মদ টিবি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রভাব বিশাল পড়েছে এখানে। আমাদের সঙ্গে বহু মানুষ যোগাযোগ করছেন। ফোন করে পর্যটন সংক্রান্ত খোঁজখবর নিচ্ছেন।’’ আন্তর্জাতিক পর্যটকেরাও লক্ষদ্বীপ নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। তাঁর কথায়, প্রচুর লোক এখন লাক্ষাদ্বীপ সম্পর্কে জানতে ফোন করছেন। শুধু দেশের লোকেরা নয়, বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক দ্বীপে বেড়াতে আসবেন বলে খবর নিচ্ছেন। লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ বিলাসবহুল ক্রুজ ভ্রমণ। পর্যটক বাড়ায় জাহাজ সংস্থার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। দ্বীপে ক্রমশ বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা, দাবি প্রশাসনের। এই অবস্থায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে লাক্ষাদ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি ‘নেশন ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করেছে”, প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন মোদি

    মোদি সফরের প্রভাব

    গত জানুয়ারি মাসে লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep) সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। নীল সমুদ্রের তীরে সুন্দরী প্রকৃতির কোলে প্রধানমন্ত্রীর অবসর কাটানোর ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়া এবং সংবাদমাধ্যমে। সেখানের অসাধারণ সুন্দর সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ান তিনি, স্নরকেলিংও করেন। বিদেশের কোনও সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে না গিয়ে, দেশের অন্দরেই থাকা এত সুন্দর সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি জানুয়ারি মাসে লাক্ষাদ্বীপের সাদা বালির সিবিচ, নীল জল আর আকাশের ছবি পোস্ট করেন এক্স হ্যান্ডেলে। ক্যাপশানে লেখেন, ‘সাহসী অভিযানকে আলিঙ্গন করতে চান যিনি, ‘লাক্ষাদ্বীপ তাঁর তালিকায় থাকবেই।’ পর দিন ৫০ হাজার মানুষ লক্ষদ্বীপ নিয়ে গুগলে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদির এই আহ্বানের প্রভাব কতটা জোরাল, তার প্রভাব বোঝা যাচ্ছে লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনের গ্রাফ দেখেই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Shami on Maldives Row: মলদ্বীপ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ‘অর্জুন’ শামি, কী বললেন তারকা পেসার

    Mohammed Shami on Maldives Row: মলদ্বীপ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ‘অর্জুন’ শামি, কী বললেন তারকা পেসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন সদ্য ‘অর্জুন’ পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতের পেস বোলার মহম্মদ শামি। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন চাইছেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, আমাদেরও উচিত তাঁর পাশে দাঁড়ানো!’ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মঙ্গলবারই অর্জুন পুরস্কার নেন শামি। মেরুন শুটে বেশ মানিয়েছিল তাঁকে। সদ্য সমাপ্ত একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিশ্বকাপে ২৪টি উইকেট নিয়ে তাক লাগিয়ে দেন ‘সাহসপুর এক্সপ্রেস’।

    কী বললেন শামি

    মঙ্গলবার সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শামি বলেন, ‘আমরা ভারতীয়। আমাদের সবার আগে দেখা উচিৎ দেশের স্বার্থ। আমি মনে করি দেশের পর্যটনকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা উচিৎ। এটা দেশের জন্য ভাল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চাইছেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আমাদের উচিৎ তাঁর পাশে দাঁড়ানো।’কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রী লাক্ষাদ্বীপে গিয়ে ছবি পোস্ট করেন। তার পর থেকেই সকলে লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পোস্ট করতে শুরু করেন। এর মাঝেই শুরু হয় মলদ্বীপ বিতর্ক। সে দেশের তিন মন্ত্রী ভারতের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ করেন। তার পর থেকেই মলদ্বীপকে বয়কট করার ডাক দিয়ে সমাজমাধ্যমে সরব হন নেটাগরিকদের একাংশ। সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু ক্রীড়াবিদ, অভিনেতাদের দেখা গিয়েছে  ভারতের পর্যটন নিয়ে প্রচার করতে। এবার শামিও দেশের পর্যটন নিয়ে মত প্রকাশ করলেন।

    কারা কারা অর্জুন সম্মান পেলেন

    সাধারাণত জাতীয় ক্রীড়া সম্মান দেওয়া হয় ২৯ অগাস্ট। তবে এবার হানঝাউ এশিয়ান গেমসের জন্য এই সম্মান পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার মেজর ধ্যান চাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার পেলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের তারকা জুটি চিরাগ শেট্টি ও সাত্বিকসাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি। খেলরত্নর জন্য ২৫ লক্ষ টাকা, অর্জুন ও দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ২৬ জন ক্রীড়াবিদ ও কোচকে সম্মানিত করা হয়েছে। শামির পাশাপাশি অর্জুন সম্মান পেয়েছেন বাংলার টেবল টেনিস তারকা ঐহিকা মুখোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা: মহম্মদ শামি (ক্রিকেট), অজয় রেড্ডি (অন্ধ ক্রিকেট) ওজস প্রবিন দেওতালে (তীরন্দাজ), অদিতি গোপীচাঁদ স্বামী (তীরন্দাজ), শীতল দেবী (প্যারা তিরন্দাজি), পারুল চৌধুরী এবং মুরলি শ্রীশঙ্কর (অ্যাথলেটিক্স), মোহাম্মদ হুসামুদ্দিন (অ্যাথলেটিক্স)। বক্সিং), আর বৈশালী (দাবা), দিব্যকৃতি সিং এবং আনুশ আগরওয়াল (অশ্বারোহী), দিক্ষা ডাগর (গলফ), কৃষাণ বাহাদুর পাঠক (হকি), সুশীলা চানু (হকি), পিঙ্কি (লন বল), ঐশ্বরী প্রতাপ সিং তোমর (শ্যুটিং) , অন্তিম পাংহাল (কুস্তি), ঐহিকা মুখোপাধ্যায় (টেবিল টেনিস)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    Lakshadweep: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের বুকে ইতিউতি ছড়িয়ে বেশ কয়েকটি দ্বীপ। সাগরের নীল জলরাশির মধ্যে এখানে ওখানে মাথা তুলে রয়েছে ঘন সবুজ বনানী। জলের নীচে গেলেই ধাঁধিয়ে যায় চোখ। রং-বেরংয়ের প্রবাল প্রাচীরের সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। এই হল লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) অপার সৌন্দর্যের নির্যাস।

    শিরোনামে লাক্ষাদ্বীপ

    মলদ্বীপের তিন মন্ত্রীর (অ)সৌজন্যের জেরে বর্তমানে ভারতের যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল খবরের শিরোনামে। এহেন সৌন্দর্যের আধার দখল করে নিচ্ছিল পাকিস্তান। পারেনি। কারণ যে সময় পাক সেনা দখল করার চেষ্টা করেছিল লাক্ষাদ্বীপ, সেই সময় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। বিষয়টি তাহলে খুলেই বলা যাক। স্বাধীনতার পরে পরে দেশের সর্বত্র পতপত করে উড়ছে তিরঙ্গা পতাকা। দেশের যেসব অঞ্চল রাজা কিংবা রানির শাসনাধীন ছিল, সেই সব রাজা-রানিকে বুঝিয়ে ভারতের অন্তর্ভু্ক্ত করে ফেলেছেন দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। যেহেতু ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়েছিল, তাই মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের রাশ যাওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের হাতে। কারণ তখনও লাক্ষাদ্বীপ ছেড়ে যায়নি ব্রিটিশরা।

    লৌহমানবের কৌশলে কুপোকাত পাকিস্তান

    এমতাবস্থায় আরব সাগরের বুকে মুসলমান অধ্যুষিত লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) গুরুত্ব অনুধাবন করে দখল নিতে ছোটে পাক বাহিনী। সে খবর কানে পৌঁছে যায় লৌহমানবের। সঙ্গে সঙ্গে তিনি লাক্ষাদ্বীপের উদ্দেশে রওনা করিয়ে দেন ভারতীয় রণতরী। পাক বাহিনী লাক্ষাদ্বীপে পা রাখার ঢের আগেই সেখানে ইউনিয়ন জ্যাক (ব্রিটেনের পতাকা) নামিয়ে ভারতীয় সেনা তুলে দেয় তিরঙ্গা পতাকা। ভারত লাক্ষাদ্বীপের দখল নিয়েছে শুনে আর এগোনোর সাহস দেখায়নি পাক বাহিনী। লাক্ষাদ্বীপ অন্তর্ভুক্ত হয় ভারতের মানচিত্রে। যার পুরো ক্রেডিটই বর্তায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যাটেলের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সম্পত্তির হিসেব কি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারবেন অভিষেক?’’ প্রশ্ন বিচারপতির

    ৩৬টি দ্বীপের সমাহার লাক্ষাদ্বীপ। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের আয়তন ৩২.৬৯ বর্গ কিলোমিটার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণেই এই দ্বীপপুঞ্জের দখল নেওয়ার স্বপ্নে পাড়ি জমিয়েছিল পাক সেনা। পাকিস্তানের যে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন ভারত গৌরব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। প্রসঙ্গত, মালাবার উপকূলের কাছেই লাক্ষাদ্বীপ। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপলব্ধি করেছিলেন এই দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত অবস্থানের গুরুত্ব। তার জেরেই আজও রত্নগর্ভা এই দ্বীপপুঞ্জ (Lakshadweep) জ্বলজ্বল করছে ভারতের মানচিত্রে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ নাকি লাক্ষাদ্বীপ— পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে কোনটা সেরা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর ও সেখানের পর্যটনের প্রচার নিয়েই আপত্তি মলদ্বীপের (India Maldives Relations)। সে দেশের তিন মন্ত্রীর অপমানজনক মন্তব্য আগুনে ঘি ঢেলেছে। দেশের পাশে দাঁড়িয়ে সুর চড়িয়েছেন বলিউডের অভিনেতা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। সকলেই বিদেশের বদলে দেশের এই মনমুগ্ধকর পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। সকলেই আওয়াজ তুলেছেন, বিদেশের বদলে দেশের দ্বীপগুলিতে যান। অক্ষয় কুমার থেকে সলমন খান, জন আব্রাহাম থেকে শ্রদ্ধা কপূর, কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর সকলেরই দাবি—বয়কট করা হোক মলদ্বীপকে (India Maldives Relations)।

    লাক্ষাদ্বীপই হোক গন্তব্য

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “মলদ্বীপের বিশিষ্টজনেদের কথায় আমি স্তম্ভিত। ভারতই সবচেয়ে বেশি পর্যটক পাঠায় মলদ্বীপে। আর ভারতই তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। তাহলে এই ঘৃণা আমরা সহ্য করব না। দেশের মর্যাদা রাখতে দেশের দ্বীপগুলিতেই যাওয়া উচিত আমাদের।”

    জন আব্রাহাম ও শ্রদ্ধা কাপুরও একই কথা বলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশকে যেখানে অপমান করা হয়, সেখানে না যাওয়াই শ্রেয়। লাক্ষাদ্বীপের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন তাঁরা। 

    শ্রদ্ধা কাপুর তো বলেছেন, লাক্ষাদ্বীপের সৌন্দর্য দেখে এখনই ছুটি নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে।

    অভিনেতা সলমন খান প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনেই বলেন, “কী দারুণ লাগছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রভাই মোদিকে লাক্ষাদ্বীপের সুন্দর, পরিষ্কার সৈকতে ঘুরতে দেখে। আর সবথেকে ভাল বিষয় হল এটা আমাদের দেশেই রয়েছে।”

    প্রাক্তন কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পোস্ট না করলেও, ‘অতিথি দেব ভব’-র দর্শন ও মহারাষ্ট্রের সিন্ধুদুর্গের সৌন্দর্য্য নিয়ে লম্বা এক পোস্ট লেখেন।

     

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দেশের দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আরও গুচ্ছ কর্মসূচি এমাসেই

    PM Modi: দেশের দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আরও গুচ্ছ কর্মসূচি এমাসেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারির ১২ তারিখে উদ্বোধন হবে ভারতের দীর্ঘতম সেতুর। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুও। মুম্বই ট্রান্স হারবার লিঙ্ক নামের এই সেতুটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার এ খবর জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।

    কী বললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি জানান, সেতুটি ২১.৮ কিমি দীর্ঘ। এ যাবৎ কাল পর্যন্ত এটিই ভারতের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুম্বইয়ের সেওরির সঙ্গে জুড়বে রাইগাদের নবসেবা এলাকাকে। স্থলপথে যেতে গেলে এখন সময় লাগে ঘণ্টা দুয়েক। সেতু চালু হয়ে গেলে সময় কমে দাঁড়াবে ১৫-২০ মিনিটে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই দুই জায়গার সংযোগের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার শ্রীবৃদ্ধিও ঘটবে। সেতুটিতে ছ’টি লেন থাকবে। এর ১৬.৫ কিলোমিটার অংশ যাবে সমুদ্রের ওপর দিয়ে। বাকি ৫.৫ কিলোমিটার অংশ যাবে স্থলভাগের ওপর দিয়ে। পরে এই সেতুটিকে জুড়ে দেওয়া হবে মুম্বই পুণে এক্সপ্রেস ওয়ের সঙ্গে।

    প্রধানমন্ত্রীর গুচ্ছ কর্মসূচি

    জানুয়ারির ১২ তারিখে এই সেতু উদ্বোধনের আগেও বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। চলতি মাসের ২ এবং ৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ু এবং লাক্ষাদ্বীপেও। এই দুই এলাকায় তিনি বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে। ভারতী দশন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনিই হবেন প্রধান অতিথি।

    আরও পড়ুুন: মোদির টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরা ‘অবধারিত’, এবার বলছে ব্রিটিশ দৈনিকও

    পরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন তিনি। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রেল, রাস্তা, তেল, গ্যাস, শিপিং এবং উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্র। তিরুচিরাপল্লিতে তিনি তিরুচিরাপল্লি আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে নয়া টার্মিনাল বিল্ডিংয়েরও উদ্বোধন করবেন। এই টার্মিনালে পরিষেবা পাবেন বছরে ৪৪ লাখেরও বেশি যাত্রী। প্রতিদিন পিক আওয়ার্সে টার্মিনালটি ব্যবহার করতে পারবেন ৩ হাজার ৫০০ যাত্রী।

    এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী উড়ে যাবেন লাক্ষাদ্বীপের উদ্দেশে। এখানে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা তাঁর। ৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী যাবেন লাক্ষাদ্বীপেরই কাভারাত্তিতে। এখানেও পানীয় জল, সৌরশক্তি, স্বাস্থ্য এবং টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে একাধিক প্রকল্পের শিল্পান্যাস করবেন তিনি (PM Modi)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share