Tag: lakshmi bhandar

lakshmi bhandar

  • Lakshmi Bhandar: “লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া হবে নাম”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতার

    Lakshmi Bhandar: “লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া হবে নাম”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লক্ষ্মী ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) নিয়ে রাজনীতি তৃণমূলের। সরকারি প্রকল্পের বন্টনের ক্ষেত্রেও আবারও সেই আমরা-ওরা ইস্যুকে সামনে আনার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বক্তব্য জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Lakshmi Bhandar)

    দিনহাটা-২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনহাটা-২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) পেয়েও ভোট দেননি যাঁরা, তাঁদের নাম কেটে দেওয়া হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাওয়ার পরেও তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, অন্ততপক্ষে আমাদের কিছু জনের নাম লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া দরকার আছে। যে টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছে, যে টাকাটা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার দিচ্ছে, সেটা নরেন্দ্র মোদির টাকা নয়, তৃণমূল সরকারের টাকা।”

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) প্রকল্পের আওতায় প্রথম দিকে সাধারণ শ্রেণির মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণির মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হত। বর্তমান টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে করা হয়েছে। যথাক্রমে ১০০০ টাকা ও ১২০০ টাকা করে দেওয়া হয়। আর এই ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ই বাংলার রাজনীতির একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কোচবিহার (Cooch Behar) আসনে ৩৯,২৫০ ভোটে বিজেপি প্রার্থী নিশীথকে হারিয়ে দেন তৃণমূল প্রার্থী জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তারপরও তৃণমূল নেতাদের একাংশের মতে, কিছু ভোট বিজেপিতে গিয়েছে। আর তাতেই এই মন্তব্য। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা বিরাজ বসু বলেন,  “বিরোধী দল করলেই তাঁকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা দেওয়া যাবে না। রেশন নিতে দেওয়া যাবে না। সরকারি বিভিন্ন যে প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা দেওয়া যাবে না, এটাই তৃণমূলী কালচার। এসব যত করবে, তৃণমূলের ভোট কমবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছেন দেবাংশু, কমিশনের দ্বারস্থ সন্দেশখালির রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছেন দেবাংশু, কমিশনের দ্বারস্থ সন্দেশখালির রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী তথা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মহিলা রেখা পাত্রের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে আনার অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় তফসিলি কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, রেখা পাত্রের (Rekha Patra) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ফোন নম্বর, স্বাস্থ্য সাথীর বিস্তারিত তথ্য তিনি সামজিক মাধ্যমে এনেছেন। এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তোলেন রেখা পাত্রের আইনজীবী। এই ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল নেতা কী বলেছিলেন (Rekha Patra)?

    তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেন, “রেখা পাত্রের (Rekha Patra) স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ব্যাপারে খোঁজ নেবেন। সরকারি সুবিধা পেতে গেলে তৃণমূল করতে হয় না।” তৃণমূলের পক্ষে দাবি করা হয়, বসিরহাটের এই বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সকল সুবিধা নিয়েছেন। এরপর রেখার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে দেন। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দেবাংশুর বিরুদ্ধে মহিলা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “শুনেছি রেখা পাত্র বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হয়ে অসুস্থ হয়েছেন। রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রেখা পাত্রের রয়েছে। তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান।”

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (Sandeshkhali)

    গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “সরকারের প্রকল্পের সুবিধা কেন নেবেন না সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষ। এই সুবিধা কি তৃণমূল দিচ্ছে? এটা তো সরকারের প্রকল্প। একজন লোকসভা প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য কেন প্রকাশ্যে আনা হল? বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনার অনুরোধ জানাবো। আবার বিজেপি নেতা অমিত মালব্য নিজে সামজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বলেন, “বিজেপি প্রার্থীর (Rekha Patra) ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে তৃণমূল। ব্যক্তিগত তথ্য যাতে প্রকাশ্যে না আসে তা নিশ্চিত করুক নির্বাচন কমিশন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার এই কমিশনের বিজ্ঞাপনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে সরকারি ফর্ম ফিলাপ। গত শনিবার থেকেই মডেল কোড অফ কনডাক্টকে উপেক্ষা করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, জব কার্ডের জন্য প্রকাশ্যে করে চলেছে আবেদন পত্র গ্রহণ। ঘটনায় ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    মমতার ছবি লাগিয়ে চলেছে ফর্ম ফিলাপ? (Laxmi Bhandar)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসি ১ নম্বর উচ্চগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কোলকোল শিক্ষা নিকেতনে গতকাল রবিবার একাধিক সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের (Laxmi Bhandar) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একেবারে সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে জয় বাংলা ফর্ম ফিলাপ করেন তৃণমূলের নেতারা। এই ফর্ম পূরণের জন্য ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

    তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মাত্র দুই দিন আগেই এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) এবং কর্মশ্রী অর্থাৎ পঞ্চাশ দিনের জব কার্ডের জন্য মাইকিং করা হয়। জানা গিয়েছে, এই প্রচারের পিছনে রয়েছে গলসি ১ নম্বর ব্লকের উচ্চগ্রাম অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায়। তিনি দায়িত্ব নিয়ে তৃণমূল দলের হয়ে এই প্রচার করেন। পঞ্চায়েত সদস্যা দুলালী বাউরি বলেন, “এদিনের ফর্ম ফিলাপের কাজ সরকারি দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হয়েছে। আমাকে ওই ফর্ম অঞ্চল সভাপতি দিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে শুধু মাত্র ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।” অপরদিকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায় জানান, “ফর্ম ফিলাপের সম্পর্কে কিছু জানিনা। কিছু মানুষের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না। রবিবারে এমন কাজের কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে তদন্ত করতে বলব।

    বিজেপির বক্তব্য 

    ঘটনায় কথা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তোলাবাজি করা হচ্ছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা অভিযোগ করব।” জেলা শাসক বিধান রায় বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখবো। প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজেপির (BJP) হাতিয়া ‘লাডলি বহেনা যোজনা’। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের মহিলাদের জন্য ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করেছেন। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এনিয়ে ঢালাও প্রচারে নেমেছে। এই টাকা বৃদ্ধিকে সামনে রেখে তৃণমূল যাতে ফায়দা তুলতে না পারে, তার জন্য ‘লাডলি বহেনা যোজনা’ নিয়ে বিজেপি জোরকদমে প্রচারে নামছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    লাডলি বহেনা যোজনা কী? (BJP)

    সম্প্রতি শিলিগুড়িতে বিজেপির (BJP) উত্তরবঙ্গের জ়োনের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দলের রাজ্যের সহ পর্যবেক্ষক আশা লাকড়া, সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে লাডলি বহেনা প্রকল্প নিয়ে প্রচার করার কথা বলা হয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারে যা দিচ্ছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যাবে লাডলি বহেনা প্রকল্পে। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মহিলাদের মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের নাম লাডলি বহেনা যোজনা। এই প্রকল্পের মতো পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু করেছিল। তফসিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা পেতেন ১০০০ টাকা। আর বাকিদের ৫০০ টাকা করে দেওয়া হত। এবারের বাজেটে ৫০০ টাকার জায়গায় ১০০০ টাকা ও ১০০০ টাকার জায়গায় ১২০০ টাকা করা হয়েছে। তাতেও লাডলি বহেনা যোজনার থেকে অনেকটা পিছিয়ে লক্ষ্মীর ভান্ডার । বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি পাবেন এই রাজ্যের মহিলারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির (BJP) শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল সরকার এরাজ্যে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে দেয়নি। এতে এই রাজ্যের মানুষ চিকিৎসায় বিপুল খরচের চাপমুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পে উপকৃত হচ্ছেন। সেরকম লাডলি বহেনা প্রকল্প থেকেও এরাজ্যের মহিলরা বঞ্চিত। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে এসব পাওয়া যাবে না। তাই তৃণমূলকে সরাতে হবে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে এরাজ্য থেকে ৩৫ টি আসন দিলে সেই পথ প্রশস্ত হবে। তাই নিজেদের উন্নয়নে এরাজ্যের মহিলাদের কাছে আমরা লাডলি বহেনা প্রকল্পের কথা তুলে ধরবো। কেননা মহিলা ভোটারের সংখ্যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্মীর ভান্ডারে কম টাকা দিয়েও তৃণমূল একতরফা ফায়দা নিতে চাইছে। এতে মহিলারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

     কী বলছে তৃণমূল?

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি পাপিয়া ঘোষ বিজেপির এই প্রচারকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা ও সাধারণ মানুষের জন্য যত সামাজিক প্রকল্প চালু করেছেন, তা কোথাও নেই। তাই বিজেপি যতই প্রচার করুক, লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    Birbhum: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভার ভোটে বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব”। সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা বাবু দাস। যা ঘিরে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বীরভূমের এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য রাজ্যে তৃণমূল সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করতে চাইছে। লোকসভা ভোটে মানুষ দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে ভোট দেবে না।  

    কোন তৃণমূল নেতা বলেন (Birbhum)?

    চার মাস পর ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট, পাখির চোখ করে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল নেতা বাবু দাস। এদিন বোলপুর (Birbhum) পৌরসভার অন্তর্গত এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রান্তিক এলাকায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদেরকে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করেন এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সংগীতা দাস। আর সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্লকের তৃণমূলের নেতা বাবু দাস বলেন, “বিজেপিকে গোহারা হারিয়ে দিন। লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা নিন। আর যদি কেউ ভাবে বিজেপিকে ভোট দিব, তাহলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ করে দেব। কথা দিয়ে গেলাম এমনকী সরকারি সব বন্ধ করে দেবো।” ঘটনায় অবশ্য বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূলের নেতাকে।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    তৃণমূল নেতা প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করার নিদান দিলে চরম বিতর্ক ছড়ায় বীরভূমে (Birbhum)। পাল্টা বিজেপি নেতা কাঞ্চন ঘোষ বলেন, “সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া আর হুমকি দিচ্ছেন নেতারা। তৃণমূলের গুন্ডারা রাজ্যের আইন-কানুনকে পরোয়া করে না। তবে মানুষ লোকসভার ভোটে বিজেপিকেই ভোট দেবে। তৃণমূল নেতারা কী করতে আমরাও দেখবো।”

    সংবাদ মাধ্যমে তৃণমূল নেতার সাফাই

    পরে বোলপুরের (Birbhum) তৃণমূল নেতা বাবু দাস সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাফাই দিয়ে বলেন, “চার মাস পরেই তো লোকসভার ভোট, তাই মহিলাদেরকে নিয়ে ভোট প্রচার শুরু করে দিলাম। কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে, বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। তাই সমস্ত মহিলাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছি লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সবকিছুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছেন। বিপুল ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ” তৃণমূলের দেওয়াল লিখনে শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ” তৃণমূলের দেওয়াল লিখনে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অন্যরকম ভোট প্রচারের দেওয়াল লিখন। ‘নির্দল, আরএসপি, বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর  ভান্ডার বন্ধ।’ শাসকদল তৃণমূলের এমন দেওয়াল লিখনে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বর্ধমানের ভাতারে এক জায়গায় দেওয়াল লিখনে এমনই ঘটনা চোখে পড়েছিল। সেখানেও লেখা ছিল, তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার মিলবে না। এই নিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। এবার একই দেওয়াল লিখনের চিত্র মিলল তপনে।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Dakshin Dinajpur)?

    দেওয়াল লিখন নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে তপনের ব্লক করদহে। তপন ব্লকের রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ করদহ গ্রামে (Dakshin Dinajpur) তৃণমূলের তরফে বেশ কিছু দেওয়াল লেখা হয়েছে। এর মধ্যে একটি দেওয়ালে প্রার্থীদের নাম লিখে ঘাসফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি লেখা হয়েছে নির্দল, আরএসপি ও বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হবে। এই নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্য, দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোটারদের ‘ব্ল্যাকমেল’ করা হচ্ছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যাওয়ায়, আপাত ভাবে শাসক দল নিজেদের দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    এক গ্রামবাসী (Dakshin Dinajpur) বলেন, ‘আমার যে প্রার্থীকে পছন্দ হবে, আমি তাঁকেই ভোট দেব। কিন্তু বিরোধীদের ভোট দিলে লক্ষ্মীর  ভান্ডার বন্ধ! এমন দেওয়াল লিখন দেখে অবাক হচ্ছি। মনে হচ্ছে, এমন দেওয়াল লিখে কি গ্রামের মানুষকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছে তৃণমূল?’

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা (Dakshin Dinajpur) সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ‘শাসকদল আসলে বোঝে না সরকার আর দল কী। সরকার তো জনগণের জন্য। কিন্তু ভোট না দিলে সরকারি সুযোগসুবিধা যদি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে তো গণতন্ত্রের অবমাননা হয়। বিষয়টি তাঁরা নির্বাচন কমিশনের নজরে আনবেন বলে জানান এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও জেলা (Dakshin Dinajpur) তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, এই ধরনের প্রচারকে তৃণমূল কখনও মান্যতা দেয় না। যদি জেলার কোথাও এই ধরনের প্রচার কেউ করে থাকেন, তবে তাঁদের আমরা নিষেধ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshmi Bhandar: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পেও কাটমানি! টাকা ঢুকত যুবকের অ্যাকাউন্টে, তারপর কী হল?

    Lakshmi Bhandar: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পেও কাটমানি! টাকা ঢুকত যুবকের অ্যাকাউন্টে, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা প্রায় দুবছর ধরে এক যুবকের অ্যাকাউন্টে ঢুকত। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের হুদরাপুর এলাকায়। ফরিদা খাতুন নামে উপভোক্তার মোবাইলে প্রকল্পের টাকা ঢোকার ম্যাসেজ আসত। আর টাকা ঢুকত অন্যের অ্যাকাউন্টে। প্রশাসনের দরবারে গত দুবছর ধরেই দরবার করেও কোনও কাজ হয়নি। ব্লক প্রশাসনের একাংশকে হাত করে এই সব হয়েছে। এর পিছনে একটি চক্র কাজ করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lakshmi Bhandar)

    ব্লক অফিস সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীর ভান্ডারে(Lakshmi Bhandar)  মাসে মাসে ৫০০ টাকা করে জমা হওয়ার বিষয়টি মোবাইলে ফরিদা পেয়েছেন, কিন্তু প্রকৃত অর্থে সে টাকা তাঁর ব্যাঙ্কে জমা পড়েনি। বিডিও-র তদন্তে ধরা পড়ে যে অ্যাকাউন্টে ফরিদার টাকা জমা পড়ছে সেটি তাঁর অ্যাকাউন্টই নয়। সেটি সম্মতিনগরের হুদরাপুরের বাসিন্দা সাদের শেখ নামে এক যুবকের অ্যাকাউন্ট। নতুন বিডিও এসেছেন শুনে ফরিদা তাঁর অভিযোগ নিয়ে দু’দিন আগে হাজির হন তাঁর কাছে। দ্রুত দুর্নীতির তদন্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফরিদার হাতে টাকা তুলে দিলেন রঘুনাথগঞ্জ ২-এর বিডিও দেবোত্তম সরকার। বিষয়টি জানার পর সাদেরকে বিডিও ডেকে পাঠান। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। তাতেই সব কথা স্বীকার করে ওই যুবক।

    কী বললেন বিডিও?

    বিডিও দেবোত্তম বলেন, মহিলার অভিযোগ পেয়েই তদন্তের ভার দেওয়া হয় এক আধিকারিক চন্দন চৌবেকে। তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হুদরাপুরের যুবক সাদের শেখের অ্যাকাউন্টে ২৬ মাস ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা ঢুকেছে ফরিদা খাতুনের প্রাপ্য টাকা। ওই যুবক স্বীকার করে তার গ্রামেরই বন্ধু রাহুল শেখ তিন হাজার টাকার বিনিময়ে ফরিদা খাতুনের নামে ওই যুবকের অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ব্যাঙ্কে। ব্যাঙ্কও তা খতিয়ে দেখেনি। এই ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতি অবশ্যই ছিল। তা ছাড়া বাইরের দালাল চক্র এই ঘটনায় জড়িত জানিয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে। তবে যে যুবকের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছিল তিনি মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। আর মহিলার প্রাপ্য ১৩ হাজার টাকা তাঁকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share