Tag: Lalu

Lalu

  • Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের ৫০ বছর বয়সী ছেলে নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন দলে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর তাঁর বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেই সময় নিশান্ত তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করছেন। জেডিইউর সদস্য হওয়ার পর নিশান্ত (Nishant Kumar) দলীয় নেতাদের বলেন, “আমি একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দলের দেখাশোনা করার চেষ্টা করব। আমার বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমরা তাঁর নির্দেশনায় কাজ করব। আমি দল এবং জনগণের আস্থা অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করব।”

    কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন (Nitish Kumar)

    পঁচাত্তর বছর বয়সী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বিহারে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কারণে “সুশাসনবাবু” উপাধি পেয়ছেন। তিনি ১৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত দিক থেকে একজন টেকনোলজিস্ট নিশান্ত কুমার কয়েক দশক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার আড়ালে ছিলেন। এটি নীতীশ কুমারের পারিবারিক রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে এখন তিনি ছেলেকে রাজনীতিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউর সিনিয়র নেতারা নিশান্তের (Nishant Kumar)  রাজনীতিতে প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি জেডিইউ কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন।”

    লালু-সুশীল কুমারের পর নীতীশ

    নিশান্তের (Nishant Kumar) জেডিইউতে যোগদানের সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করেছে জল্পনার। তাঁর বাবা শীর্ষ পদ ছেড়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি-জেডিইউ সরকারে নিশান্তকে এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন অবশেষে বিহারে বিজেপি তাদের পদমর্যাদার একজন মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই সংসদের উভয় কক্ষ এবং রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আসছিলাম। ইতিমধ্যেই লোকসভার সাংসদ, একজন বিধায়ক এবং একজন এমএলসিও ছিলাম। রাজ্যসভার মেয়াদ এই চার সদস্যপদকে সম্পূর্ণ করবে।” অনেকে বলছেন, এই পরিবর্তন লালু যাদব এবং প্রয়াত সুশীল মোদির বিরল রেকর্ড অর্জনে সহায়তা করবে।

    কটাক্ষ বিরোধীদের

    প্রধান বিরোধী দল আরজেডি বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক অপহরণ” চালানোর অভিযোগ করেছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মূল ভোটাররা এখন প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন। আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, “তেজস্বী যাদব গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বারবার বলেছিলেন নীতীশ কুমার একজন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ২১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তি এখন রাজ্যসভায় আসতে চান, এটা শিশুসুলভ আচরণ। আরজেডি সাংসদ নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই, যাঁকে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা বিহারের কারও কাছে ভালো লাগবে না। নীতীশকে দেশি মাদুরো বানিয়েছে।”

  • Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির বিনিময়ে জমি (Land For Job) ও অর্থ তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) লালু প্রসাদ যাদবকে তলব করল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। লালুর পাশাপাশি তলব করা হয়েছে তাঁর ছেলে তেজস্বীকেও। আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেও তলব করা হয়েছে। এই মামলায় তলব করা হয়েছে তেজ প্রতাপ যাদবকেও। এই প্রথম ডাকা হল তেজ প্রতাপকে। আগামী ৭ অক্টোবর তাঁদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

    কাদের সমন পাঠানো হল? (Land For Job)

    স্পেশাল সিবিআই বিচারক বিশাল গগনে লালু, তাঁর দুই ছেলে এবং আরও ছয় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে বলেছেন। এছাড়াও চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে, তাঁদেরও ওই দিন তলব করা হয়েছে। অন্য একটি চার্জশিটে নাম রয়েছে অখিলেশ্বর সিং ও তাঁর স্ত্রী কিরণের। তাঁদেরও সমন পাঠিয়েছে আদালত। গত ৬ অগাস্ট জমা দেওয়া হয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট। তাতে ১১ জন অভিযুক্তের নামোল্লেখ করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে চারজন ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন। আদালত যাঁদের তলব করেছে, তাঁরা হলেন, লালু প্রসাদ যাদব, তেজস্বী যাদব, তেজ প্রতাপ যাদব, অখিলেশ্বর সিং, হাজারি প্রসাদ রায়, সঞ্জয় রায়, ধর্মেন্দ্র সিং ও কিরণ দেবী। আদালত (Land For Job) জানিয়েছে, ইডির চার্জশিটে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি অখিলেশ্বরের স্ত্রী কিরণকে। তবে তিনি মামলায় যুক্ত। কারণ তিনি তাঁর ছেলেকে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে জমি বিক্রি করেছেন মিশা ভারতীর কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    কী বলল আদালত

    তেজপ্রতাপকে এই মামলায় তলব প্রসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, এই কেলেঙ্কারিতে তেজ প্রতাপের জড়িত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি একে ইনফোসিস লিমিটেডের পরিচালকও ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, সেই সময় জমি ও টাকার বিনিময়ে বিহারের বহু যুবককে রেলের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হয়। লালু ও তাঁর ছেলে তেজস্বীর পাশাপাশি এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী ও তাঁদের দুই মেয়ে মিশা ও হেমার বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগ (Money Laundering Case) পেয়ে তদন্তে নামে ইডি (Land For Job)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লালু প্রসাদ যাদবের কটাক্ষের জবাব দিল বিজেপি। সোমবার তারা অনলাইনে প্রচার শুরু করল ‘মোদি কা পরিবার’ (Modi Ka Parivar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও নিশানা করেছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এক্স হ্যান্ডেলে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন লালুকে।

    কী বলেছিলেন লালু?

    প্রসঙ্গত, রবিবার পাটনার এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে লালু বলেন, “তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তো প্রকৃত হিন্দুও নন। হিন্দু ঐতিহ্য অনুসারে একজন ছেলে তাঁর বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরে মাথা মুড়িয়ে ফেলেন, দাড়ি কেটে ফেলেন। কিন্তু যখন মা মারা গেলেন, তখন মোদি এটা করেননি (Modi Ka Parivar)।” লালু বলেন, “ওঁর যদি পরিবার না থাকে, আমরা কী করতে পারি? উনি রাম মন্দির নিয়ে বড়াই করেই চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর জবাব

    লালুকে জবাব দিতে তেলঙ্গানার আদিলাবাদের জনসভাকেই বেছে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমি ওঁদের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করেছি। তার উত্তরে ওঁরা বলছেন, মোদির পরিবার নেই। আমার জীবন তো একটা খোলা বই। আমি আমার দেশের জন্য বাঁচব। আমার ভারত আমার পরিবার।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, ইস্তফা বিধায়ক পদেও, ওগরালেন একরাশ ক্ষোভ

    বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “ইন্ডি ব্লকে তো কোনও হিন্দুই নেই। তাঁদের কাছে হিন্দু মানে হল দলিত, সাবর্ন, উত্তর ভারতীয়রা, দক্ষিণ ভারতীয়রা, কন্নড়, তামিল, তেলুগু, মারাঠি, পাঞ্জাবি, বাঙালি এমনকী হিন্দিভাষীরা। কিন্তু হিন্দু নয়। কারণ তারা ভারতকে টুকরো টুকরো ভাবে দেখতে চায়। একটি পরিবার দেশ ভাগ করেছিল রাজনীতি করতে। আর আজ, তারা যাদের সঙ্গে রয়েছে, তারাও দেশকে ভাগ করতে চায়। তারা এটা চায় কারণ দেশের একটি অংশও যদি তারা শাসন করতে পারে!”

    বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা বলেন, “লালুর মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় রাজনীতি তাঁদের কাছে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তাঁরা দেশের সনাতন ধর্মকেই অপমান করছেন। লালু, যিনি নিজেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, তিনি যে ভাষায় কথা বলছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে, তাতে স্পষ্ট তাঁরা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে। তাঁরা দেশের শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা ঐতিহ্যের বিরোধী (Modi Ka Parivar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share