Tag: Lalu Prasad Yadav

Lalu Prasad Yadav

  • PM Modi: “যারা পশুখাদ্যও খেয়ে ফেলে, তারা দেশের কৃষকদের কল্যাণ করতে পারে না,” বললেন মোদি

    PM Modi: “যারা পশুখাদ্যও খেয়ে ফেলে, তারা দেশের কৃষকদের কল্যাণ করতে পারে না,” বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যারা পশুর জন্য তৈরি খাদ্যও খেয়ে ফেলে, তারা দেশের কৃষকদের কল্যাণ নিয়ে ভাবতে পারে না।” সোমবার বিহারের ভাগলপুরের এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ঠিক এই ভাষায়ই রাষ্ট্রীয় জনতা দল সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবকে (Lalu Yadav) নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য লালুর নাম মুখেও আনেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে তাঁর চাঁদমারি যে লালুই, তা বুঝতে বাকি থাকেনি উপস্থিত দর্শকদের।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্র ও বিহার উভয় জায়গায়ই এনডিএ সরকার সর্বদা কৃষকদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে সারা দেশের আমার কৃষক ভাইবোনেরা প্রধানমন্ত্রী কিষান নিধির সুবিধা পেতেন না। গত ছ’বছরে কিষান প্রকল্পের প্রতিটি পাই-পয়সা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে।” এর পরেই লালুকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “যারা পশুখাদ্যও খেয়ে ফেলে, তারা এ দেশের কৃষকদের কল্যাণ সম্পর্কে ভাবতে পারে না।”

    কৃষি রফতানি বেড়েছে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের কৃষি রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ভালো দাম পেতে পারছেন। এ বছরের বাজেটে সরকার একটি মাখানা বোর্ড তৈরির কথা ঘোষণা করেছে, যা শীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে।” মহাকুম্ভ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন লালু। তিনি বলেছিলেন, “ফালতু হ্যায় কুম্ভ।” এদিন তারও তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “যাঁরা জঙ্গলরাজে বিশ্বাসী, তাঁরা আমাদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে ঘৃণা করেন।”

    তিনি বলেন, “আমি আশাবাদী, প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্যকারীদের বিহারবাসী কখনও ক্ষমা করবেন না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউরোপের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি মানুষ এই মহাকুম্ভ পবিত্র স্নান করেছেন। কিন্তু জঙ্গলরাজের প্রতিনিধিরা এই পবিত্র অনুষ্ঠানের সমালোচনা করছেন। যারা রাম মন্দিরের বিরোধী, তারা মহাকুম্ভকে অপমান করার প্রতিটি সুযোগ নিচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে বিহারের জনগণ এই পবিত্র অনুষ্ঠানের বিরোধীদের কখনও ক্ষমা করবেন না।” তিনি বলেন, “বর্তমানে প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐক্যের মহাকুম্ভ (Lalu Yadav)। এটি ভারতের বিশ্বাস, ঐক্য ও সম্প্রীতির সর্ববৃহৎ উদযাপনকে উপস্থাপন করে (PM Modi)।”

  • Nitish Kumar: “ভুল করে গিয়েছিলাম, আমি এখন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গেই রয়েছি”, সাফ কথা নীতীশের

    Nitish Kumar: “ভুল করে গিয়েছিলাম, আমি এখন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গেই রয়েছি”, সাফ কথা নীতীশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা (জেডিইউ) ভুল করে দু’বার ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম। এখন আমরা সব সময় এনডিএর সঙ্গেই থাকব এবং উন্নয়নমূলক কাজে মনোনিবেশ করব।” সাফ জানিয়ে দিলেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী জেডিইউয়ের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব বলেছিলেন, “নীতীশ কুমারের জন্য আমাদের দরজা সব সময় খোলা। তাঁরও উচিত দরজা খুলে রাখা। এতে উভয়পক্ষের যাতায়াত সহজ হবে।”

    ভুল ‘কবুল’ নীতীশের (Nitish Kumar)

    এই প্রসঙ্গেই ভুল ‘কবুল’ নীতীশের। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি ভুল করে তাদের সঙ্গে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার পুরানো বন্ধুদের সঙ্গেই রয়েছি।” বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের অবস্থা আগে কেমন ছিল? আমরা যখন ‘জীবিকা দিদি’ প্রকল্প শুরু করেছিলাম – মহিলারা খুশি হয়েছিলেন। যখনই তাঁদের কোনও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাঁদের সাহায্য করা হয়।” এর পরেই ভুল স্বীকার নীতীশের। তিনি বলেন, “তারা (বিরোধী) মহিলাদের জন্য কোনও কাজ করেছে? আমরা সকলের জন্য কাজ করেছি – হিন্দু, মুসলিম, উচ্চবর্ণ, পশ্চাদপদ, দলিত বা মহিলা – যেই হোক না কেন। মানুষের এটা মনে রাখা উচিত।”

    লালু সরকারের সমালোচনা

    লালুপ্রসাদ সরকারের সমালোচনা করে নীতীশ (Nitish Kumar) বলেন, “২০০৫ সালের আগে বিহারের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। সন্ধ্যার পর মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পেত। হাসপাতালে চিকিৎসার উপযুক্ত ব্যবস্থা ছিল না। রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ ছিল। শিক্ষার অবস্থা ভালো ছিল না। রাজ্যে প্রায়ই সাম্প্রদায়িক হিংসার খবর পাওয়া যেত।” ২০১৫ সালে আরজেডি-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এই জোটই সরকার গঠন করেছিল বিহারে।

    আরও পড়ুন: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    ২০১৭ সালে জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এনডিএতে ফিরে যান নীতীশ। ২০২২ সালের অগাস্টে লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের ওই জোটে ফিরে যান তিনি। পরে ফেরেন এনডিএ-তে। এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর যে বিহারে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন নীতীশ। পরে বলেন, “আগে বিহারের যে কোনও প্রান্ত থেকে মানুষের পাটনা পৌঁছতে ৬ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন তা কমে ৫ ঘণ্টা হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য (Bihar) সব ধরনের কাজ করা হচ্ছে (Nitish Kumar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lalu Prasad Yadav: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    Lalu Prasad Yadav: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উনি তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন।” বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav)। তাঁর এহেন মন্তব্যের জেরে তুঙ্গে বিতর্ক। জনতা দল ইউনাইটেডের দাবি, লালুর এমনতর মন্তব্য যৌনগন্ধীসুলভ এবং মহিলাদের (Mahila Samvad Yatra) প্রতি কুরুচিকর এবং অসম্মানজনক।

    ‘মহিলা সংবাদ যাত্রা’ (Lalu Prasad Yadav)

    ঘটনার সূত্রপাত নীতীশের একটি কর্মসূচিকে ঘিরে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে বিহারে শুরু হচ্ছে ‘মহিলা সংবাদ যাত্রা’। এই যাত্রার লক্ষ্য হল, মহিলাদের সমস্যার কথা সরাসরি শোনা এবং শাসন ব্যবস্থায় তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানো। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশের এহেন উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন লালু। তিনি বলেন, “আঁখ সেঁকনে যা রহে হ্যায়…।” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “উনি চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন।” লালুর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা রাজীব রঞ্জন। তাঁর কথায়, “লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) এই মন্তব্য ওঁর গোঁড়া মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।” বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য। লালুজি মানসিক ও শারীরিকভাবে অবনতির দিকে এগোচ্ছেন। ওঁর হাসপাতালে যাওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    কী বলছে বিজেপি

    লালুর মন্তব্যকে ধিক্কার জানিয়েছে বিহার বিজেপিও। পদ্ম-পার্টির বিহার রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল বলেন, “লালু যাদব মহিলাদের অসম্মান করেছেন। তাঁর মানসিকতা কেমন, তা এতেই স্পষ্ট।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির গিরিরাজ সিংয়ের প্রতিক্রিয়া, “ছি!, ছি! অত্যন্ত লজ্জাজনক। কেবলমাত্র লালু প্রসাদ যাদবের মতো মানুষই এমন মন্তব্য করতে পারেন। উনি খুব স্বার্থপর মানুষ।” তিনি বলেন, “ওঁর গোটা জীবনটাই কালিমালিপ্ত।” শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী বলেন, “এটি একেবারেই যৌনতাবাদী মন্তব্য। লালু যাদবের নিজের পরিবারের উচিত তাঁকে (Mahila Samvad Yatra) এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত রাখা (Lalu Prasad Yadav)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির বিনিময়ে জমি (Land For Job) ও অর্থ তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) লালু প্রসাদ যাদবকে তলব করল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। লালুর পাশাপাশি তলব করা হয়েছে তাঁর ছেলে তেজস্বীকেও। আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেও তলব করা হয়েছে। এই মামলায় তলব করা হয়েছে তেজ প্রতাপ যাদবকেও। এই প্রথম ডাকা হল তেজ প্রতাপকে। আগামী ৭ অক্টোবর তাঁদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

    কাদের সমন পাঠানো হল? (Land For Job)

    স্পেশাল সিবিআই বিচারক বিশাল গগনে লালু, তাঁর দুই ছেলে এবং আরও ছয় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে বলেছেন। এছাড়াও চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে, তাঁদেরও ওই দিন তলব করা হয়েছে। অন্য একটি চার্জশিটে নাম রয়েছে অখিলেশ্বর সিং ও তাঁর স্ত্রী কিরণের। তাঁদেরও সমন পাঠিয়েছে আদালত। গত ৬ অগাস্ট জমা দেওয়া হয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট। তাতে ১১ জন অভিযুক্তের নামোল্লেখ করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে চারজন ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন। আদালত যাঁদের তলব করেছে, তাঁরা হলেন, লালু প্রসাদ যাদব, তেজস্বী যাদব, তেজ প্রতাপ যাদব, অখিলেশ্বর সিং, হাজারি প্রসাদ রায়, সঞ্জয় রায়, ধর্মেন্দ্র সিং ও কিরণ দেবী। আদালত (Land For Job) জানিয়েছে, ইডির চার্জশিটে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি অখিলেশ্বরের স্ত্রী কিরণকে। তবে তিনি মামলায় যুক্ত। কারণ তিনি তাঁর ছেলেকে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে জমি বিক্রি করেছেন মিশা ভারতীর কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    কী বলল আদালত

    তেজপ্রতাপকে এই মামলায় তলব প্রসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, এই কেলেঙ্কারিতে তেজ প্রতাপের জড়িত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি একে ইনফোসিস লিমিটেডের পরিচালকও ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, সেই সময় জমি ও টাকার বিনিময়ে বিহারের বহু যুবককে রেলের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হয়। লালু ও তাঁর ছেলে তেজস্বীর পাশাপাশি এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী ও তাঁদের দুই মেয়ে মিশা ও হেমার বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগ (Money Laundering Case) পেয়ে তদন্তে নামে ইডি (Land For Job)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আবারও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার চম্পারনের এক প্রচার সভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এদিন সেই সভা থেকেই রাহুল (Rahul Gandhi) ও লালুকে মটন পার্টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন তিনি। প্রসঙ্গে উঠল সেই পুরনো লালু-রাহুলের মটন পার্টির ভাইরাল ভিডিও।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের একে অপরের বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার সময় আছে কিন্তু রাম লালাকে দর্শন করার মত সময় তাদের কাছে নেই।” উল্লেখ্য, যখন জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম লালার মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় তখন সকলের মত রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ও লালু প্রসাদ যাদবকেও আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেই আমন্ত্রন উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “রাম মন্দির বিজেপির রাজনৈতিক অনুষ্ঠান।” এবার সেই ঘটনাকে প্রসঙ্গে এনেই রাহুল-লালুকে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী(PM Modi)।  

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    অন্যদিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যেখানে দুই নেতাকে একসাথে “চম্পারন মাটন” প্রস্তুত করতে দেখা গেছে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 
    উল্লেখ্য, কদিন আগেই নবরাত্রির সময় তেজস্বী যাদবের মাছ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছিল। সেই বিতর্কেই তেজস্বী সহ তাঁর বাবা লালুপ্রসাদ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সকলকে খোঁচা মেরে মোদির (PM Modi) দাবি, কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। একইসঙ্গে দুই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলের নেতা লালু প্রসাদ ও রাহুল গান্ধীকে মোঘলদের মতো `বিধর্মী`দের সঙ্গেও তুলনা করেন মোদি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে চলছিল পঞ্চম দফার নির্বাচন। ২০ মে, সোমবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৪৯টি আসনে। এর মধ্যে ছিল বিহারের কয়েকটি আসনও। ভোট কেমন হচ্ছে, তা দেখতে দুপুরে বেরিয়েছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে রোহিণী আচার্য। সারণ জেলার ছাপড়ার একটি বুথে আরজেডি প্রার্থী রোহিণী যেতেই আরজেডির কর্মী-সমর্থকরা সংঘর্ষে (Post Poll Violence) জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে।

    সংঘর্ষের নেপথ্যে (Post Poll Violence)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় গিয়ে রোহিণী সটান ঢুকে পড়েন একটি বুথে। ভোটারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করতে শুরু করেন। এর পরেই এলাকা ছেড়ে চলে যান আরজেডি সুপ্রিমোর মেয়ে। পরে আরজেডি কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের একপ্রস্ত বচসা হয়। মঙ্গলবার সকালে দু’পক্ষে সংঘর্ষ (Post Poll Violence) বাঁধে। ঘটনায় হত হন একজন। জখম হয়েছেন দু’জন। এঁরা হলেন মনোজ যাদব ও গুড্ডু যাদব।

    প্রকাশ্যে চলল গুলি

    জানা গিয়েছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ে। গুলি লাগে মনোজ ও গুড্ডুর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। মনোজ ও গুড্ডুকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে। অশান্তির আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে আটক করা হয়েছে দু’জনকে। সারণের পুলিশ সুপার গৌরব মঙ্গলা বলেন, “হিংসায় যারা ইন্ধন জোগাচ্ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।”

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    এই সারণ কেন্দ্র থেকেই আরজেডির টিকিটে লড়ছেন লালুর মেয়ে রোহিণী। তাঁর বিরুদ্ধে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির বিদায়ী সাংসদ রাজীব প্রতাপ রুডি। এক সময় সারণ থেকেই লড়ে সংসদে গিয়েছিলেন লালু। রোহিণী যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা লালু প্রসাদ এবং দাদা তেজস্বী যাদবও (Post Poll Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগামী ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন নরেন্দ্র মোদি।” বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর দাবি, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন মোদি। চতুর্থবারেও তিনিই বসবেন প্রধানমন্ত্রীর আসনে।

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    শাহ বলেন, “আমি বলে দিতে পারি, আগামী ১০ বছর একমাত্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।” তিনি বলেন, “আমরা যদি ভালো কাজ করতে পারি, তবেই ক্ষমতায় টিকে থাকব। আর যদি নিজেদের ভুল শুধরে নিতে না পারি, তাহলে আমরা জিততে পারব না।” মোদির সেনাপতি বলেন, “মোদিজি ২০৪৭ সালে ভারত কোথায় পৌঁছবে তার পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন। বিকশিত ভারতের স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছেন।” তিনি বলেন, “খুব তাড়াতাড়িই লোকসভা নির্বাচনের আগেই সিএএ কার্যকর হয়ে যাবে।”

    তোষণকেন্দ্রিক রায়!

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমাদের দেশে যে গণতন্ত্র চলছে সেটা কাজের ওপর নির্ভর করে। সাফল্যের রাজনীতিতে মানুষ কাজ দেখে ভোট দেয়।” তিনি বলেন, “আগে জাত-পাত, ধর্মের ওপর ও তোষণকেন্দ্রিক রায় দিত দেশ। প্রধানমন্ত্রী মোদিই সেটা বদলে সাফল্যকেন্দ্রিক রাজনীতির আবহ তৈরি করেছেন। কে কী কাজ করেছেন তার ওপরই নির্ভর করে দেশ ক্ষমতায় থাকবে। কাজ করার যোগ্যতা মানুষ ক্ষমতায় থাকার সুযোগ করে দেবে।”

    আরও পড়ুুন: লোহিত সাগরে ত্রাতা ভারতীয় নৌসেনা, হুথি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার ২১

    দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। এদিন তারও উত্তর দিয়েছেন শাহ। বলেন, “যাঁরা বোকা বোকা কথা বলে দেশের রাজনীতির মান নামিয়ে দিচ্ছেন, মানুষ প্রত্যেকবার তাঁদের যোগ্য জবাব দিচ্ছেন। আমি মোদিজিকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ দিন কাজও করেছি। একটা দিক থেকে লালুজি ঠিকই বলেছেন যে মোদিজির কোনও পরিবার নেই। কারণ যাঁদের পরিবার রয়েছে, তাঁরা চাইবেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত ৪০ বছর ধরে মোদিজি কাজ করেই চলেছেন দেশের জন্য। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২৩ বছর কাটিয়ে দেওয়ার পরেও। আমি তাঁকে ছুটি নিতে দেখিনি। সকাল ৫টা থেকে কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছি। রাতেও কাজ করতে দেখেছি।” প্রধানমন্ত্রীর গায়ে দুর্নীতির কালির ছিটেফোঁটাও লাগেনি বলেও দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lalu Prasad Yadav: জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় টানা ১০ ঘণ্টা ইডির প্রশ্নবাণের মুখে লালু

    Lalu Prasad Yadav: জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় টানা ১০ ঘণ্টা ইডির প্রশ্নবাণের মুখে লালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে ইডির প্রশ্নবাণের মুখে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav)। সোমবার পাটনায় ইডির দফতরে হাজিরা দেন লালু। তার পরেই শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন রাতে। বাইরে তখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাপান্ত করছেন আরজেডির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    জমির বিনিময়ে চাকরি

    প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। সেই সময় বিহারের বহু যুবককে নিয়োগ করা হয়েছিল রেলের গ্রুপ ডি পদে। অভিযোগ, টাকা কিংবা জমির বিনিময়ে এঁদের নিয়োগ করা হয়েছিল। ঘটনায় নাম জড়ায় লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী ও তাঁর দুই মেয়ে মিসা ও হেমার বিরুদ্ধে। পরে (Lalu Prasad Yadav) নাম জড়ায় বিহারের সদ্য প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীরও। ইডির অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার সময় যে জমি দিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা, তা দেওয়া হয়েছিল লালুর পরিবারের সদস্য ও একে ইনফোসিস্টেমস নামে এক সংস্থার নামে।

    কেলেঙ্কারিতে লালুর পরিবার

    এই সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে লালুর পরিবারের সদস্যদের। কেলেঙ্কারির মূলে পৌঁছতে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালায় দিল্লি, পাটনা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। আরজেডির একাধিক নেতার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। এই মামলায় লালু ও তাঁর পরিবারের কয়েকজনের নামে সিবিআইয়ের পাশাপাশি চার্জশিট দিয়েছে ইডিও।

    আরও পড়ুুন: হেমন্ত সোরেনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি! ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে কে?

    আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেন, “এটা ইডির তলব নয়, বিজেপির তলব। এটা ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলবে। ততদিন পর্যন্ত একে ইডির তলব বলবেন না।” লালুর মেয়ে মিশা ভারতী বলেন, “তিনি (লালু) নিজে খেতে পারেন না। তাঁকে কাউকে খাইয়ে দিতে হয়। আমরা জানি না তিনি খেয়েছেন কিনা। সরকার আমার বাবাকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু একজন অসুস্থ মানুষকে গ্রেফতার করে তারা কী পাবে?”

    রবিবারই রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে বিহারে। মহাগটবন্ধনের সরকার ছেড়ে নীতীশ কুমার ফের ফিরেছেন বিজেপিতে। তার পরেই লালুকে ইডির তলবে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা বাড়বে বই কমবে না (Lalu Prasad Yadav)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের মুখে বিপাকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদের দল আরজেডি। লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রাবড়ি দেবী এবং মেয়ে মিসা ভারতীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল ইডি। রেলে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় (Land For Jobs Case) রাবড়ি ও মিসার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

    ইডির চার্জশিটে কারা?

    ইডির চার্জশিটে নাম রয়েছে লালুর আর এক মেয়ে হেমা যাদব, লালু পরিবারের ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যাল, রেলের কর্মী এবং সুবিধাভোগী (অভিযোগ) হৃদয়ানন্দ চৌধুরী, একে ইনফোসিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড ও এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড নামে দুই সংস্থা এবং ওই দুই সংস্থার ডিরেক্টর শরিকুল বারীর নামও। লালু ও তাঁর ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধেও ওই মামলায় তদন্ত করছে ইডি। প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, ওই সময় বিহারের বহু যুবককে জমি ও টাকার বিনিময়ে (Land For Jobs Case) রেলে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। কাঠগড়ায় তোলা হয় রাবড়ি ও তাঁর দুই মেয়ে মিসা ও হেমাকে।

    ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে রেলে চাকরি

    সিবিআইয়ের দাবি, লালুপ্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকার সময় বহু ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে মুম্বই, জব্বলপুর, কলকাতা সহ রেলের বিভিন্ন জোনে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এজন্য তাঁদের কাছ থেকে জমি বা মোটা টাকা নিয়েছিলেন লালুর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ নেতারা। অভিযোগ পেয়ে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মূলে পৌঁছতে তদন্তে নামে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের হাতে ধরা দিলে পুলিশ শাহজাহানকে লাশ বানিয়ে দিতে পারে”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ইডির আগে তদন্ত করেছিল সিবিআই-ও। ২০২২ সালের ২০ মে সিবিআই হানা দেয় দিল্লি, পাটনা-সহ দেশের ১৫টি জায়গায়। লালুর দল আরজেডির একাধিক নেতার বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই। ওই বছরেরই ২২ অক্টোবর লালুপ্রসাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ওই চার্জশিটে লালু-পত্নী রাবড়ি এবং দুই কন্যা মিসা ও হেমার নামও ছিল। এই চারজন বাদে আরও ১২ জনের নামও ছিল সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে। এবার ইডির চার্জশিটেও নাম রয়েছে রাবড়ি, মিসা এবং হেমার। মঙ্গলবার দিল্লির পিএমএলএ আদালতে চার্জশিট (Land For Jobs Case) পেশ করেছে ইডি। ১৬ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পদ্ম শিবিরকে ধরাশায়ী করতে গঠিত হয়েছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি। এই জোটে রয়েছে লালুর দলও। সপরিবারে অভিযুক্ত লালুর দলকে নিয়ে ইন্ডি জোটের নেতারা কী করেন, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে চাকরি কেলেঙ্কারিতে ইডির কাচের তলায় লালুপুত্র (Tejashwi Yadav)। ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে ফের তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি ইডির দফতরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পৌঁছেছে তেজস্বী যাদবের কাছে। ওই দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। একইসঙ্গে, এই মামলায় আগামী ২৭ ডিসেম্বর লালুপ্রসাদকেও ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ পিতা-পুত্রকে তলব ইডির। প্রসঙ্গত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পশু-খাদ্য কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় লালু প্রসাদ যাদবের। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলও খেটেছেন তিনি। এবার ফের দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে তলব করল ইডি। বিহারে নীতীশ কুমারের দল ও লালু যাদবের জোট সরকার চলছে বর্তমানে।

    আগেও তেজস্বীকে ৮ ঘণ্টা জেরা করে ইডি

    তবে এই প্রথম নয়। চাকরি কেলেঙ্কারির মামলায় এ বছরের এপ্রিলে তেজস্বীকে (Tejashwi Yadav) তলব করে ইডি। তখন প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই প্রথম লালুপ্রসাদকে এই মামলার তদন্তে ডেকে পাঠাল ইডি। গত নভেম্বরেই এই মামলায় লালুর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যালকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁকে জেরা করার পরই নাকি লালুকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে।

    রেলমন্ত্রী থাকাকালীন জমির বিনিময়ে চাকরি দেন লালু?

    প্রসঙ্গত, প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব। সেসময় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন (২০০৪-০৯) বিহারের বহু যুবককে জমির বিনিময়ে রেলের ‘গ্রুপ ডি’ পদে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি এবং তাঁদের দুই কন্যা মিসা এবং হেমার বিরুদ্ধেও। এখন দেখার তদন্তে কী উঠে আসে। বছরের শুরুতেই অবশ্য একই মামলায় আরজেডি প্রধান লালু, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং কন্যা মিসা ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় লালু, রাবড়ি-সহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। পরে চার্জশিটে তেজস্বীর (Tejashwi Yadav) নামও জোড়ে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share