Tag: Lalu Prasad Yadav

Lalu Prasad Yadav

  • Bihar Assembly Election 2025: বিহার পদ্মময়, কুর্সিতে ফিরছে এনডিএ, রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন মহাজোটেই!

    Bihar Assembly Election 2025: বিহার পদ্মময়, কুর্সিতে ফিরছে এনডিএ, রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন মহাজোটেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ (NDA) ঝড়ে বিহারে (Bihar Assembly Election 2025) কুপোকাত আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাজোট। কংগ্রেসকে পেছনে ফেলে উঠে এল বামেরা। লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বীর আরজেডি নেমে গেল তিন নম্বরে। বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩টি। এর মধ্যে এনডিএর ঝুলিতে যেতে পারে ২০৮টি। তেজস্বীর দল এগিয়ে রয়েছে ৪১টি আসনে। এনডিএ যে ২০৮টি আসনে জয় পেতে চলেছে, তার মধ্যে পদ্মের একার ঝুলিতেই পড়েছে ৯০টিরও বেশি আসন। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জেডিইউয়ের হাতে যেতে চলেছে ৮১টি আসনের রাশ।

    উল্লসিত বঙ্গ বিজেপি (Bihar Assembly Election 2025)

    বিহারের গেরুয়া ঝড়ে যারপরনাই উল্লসিত বঙ্গ বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিহারে গেরুয়া ঝড়। এবার পালা বাংলার। এসআইআর দিয়ে শুদ্ধ ভোটার তালিকায় ভোটে জিতবে বিজেপি। একদম চিন্তা করবেন না, বিহারে এসআইআরের পরে ভোট হয়েছে। অপশাসনের তৃণমূলকে হারিয়ে বাংলাকে পরিষ্কার করবে বিজেপি।” প্রায় একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁয়ের গলায়ও। তিনিও বলেন, “বিহারে জয়ের পথে আমরা, এবার পালা বাংলার।” চলতি বছরই নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে চালাচ্ছে এসআইআর কর্মসূচি। এই কর্মসূচির নান্দীমুখ হয়েছিল বিহারে। তার পরেই এনডিএর বিপুল জয়ে ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছে বিরোধী দলগুলি।

    কুর্সি ধরে রাখার লড়াই

    কেবল এসআইআর নয়, বিহারের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে এবার আরও একটি কারণে দেশবাসীর আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল নীতীশ কুমারের এই রাজ্য। নীতীশের নেতৃত্বে এ রাজ্যে এনডিএ লড়লেও, তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে ভোটের ময়দানে নামে আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাগটবন্ধন। নীতীশের কাছে এই নির্বাচন ছিল ২০ বছরের কুর্সি ধরে রাখার লড়াই। আর তেজস্বীর লড়াই ছিল বিহারের মসনদে বসা। নির্বাচন হওয়ার পরেই যে প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজনীতির অন্দরমহলে, সেটি হল তেজস্বী কি পারবেন নীতীশকে মাত দিতে? নাকি ক্ষমতা ধরে রাখবে বিহারে জঙ্গলরাজের অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন ফেরানো ‘সুশাসন বাবু’? নীতীশ জমানায় বিহারে যে সুশাসন ফিরেছে তার হাতে গরম প্রমাণ তো এই বিধানসভা নির্বাচনই। এ রাজ্যের একটি বুথেও পুনর্নির্বাচন হয়নি। লাঠালাঠি-হানাহানির কোনও খবরও মেলেনি কোথাও (NDA)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে বিহারবাসী ভোট দিয়েছেন দু’হাত উপুড় করে।

    এনডিএর জয়জয়কার

    এদিন সকালে গণনা শুরু হতেই দেখা যায়, একের পর এক আসনে এগিয়ে চলেছে এনডিএ। এনডিএর জয়ের লেখচিত্র যেমন তরতরিয়ে (Bihar Assembly Election 2025) ওপর দিকে উঠছে, ঠিক তেমনিই দ্রুত নীচে নামছে মহাগটবন্ধনের জয়ের গ্রাফ। ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, বিজেপি ছাপিয়ে গিয়েছিল নীতীশের জেডিইউকে। সেবার ১১৫টি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল নীতীশের দল, জয়ী হয়েছিল মাত্র ৪৩টি আসনে। আর ১১০টি আসনে লড়ে ৭৪টিতে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত গণনার ফল অনুযায়ী, ২০৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। আর মহাগটবন্ধনের ঝুলিতে পড়তে চলেছে মাত্র ৩৬টি আসন। গেরুয়া ঝড়ে পায়ের তলায় মাটিই খুঁজে পায়নি কংগ্রেস। তারা এগিয়ে রয়েছে মাত্র একটি আসনে। এমতাবস্থায় রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে থাকা কংগ্রেসকে ডুবন্ত নৌকার সঙ্গে তুলনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন, “তিনি (রাহুল) নিজেও ডুবছেন, জোটসঙ্গীদেরও ডোবাচ্ছেন। তিনি সব সময় অ্যাটম বোমা, হাইড্রোজেন বোমার কথা বলে বেড়ান। আমার মনে হয়, তিনি সব বোমা নিজের দল এবং জোটসঙ্গীদের ওপরই ফাটিয়েছেন। অন্তত ভোটের ফল তো তা-ই বলছে (Bihar Assembly Election 2025)।”

    মহাগটবন্ধন ভূপতিত

    এদিকে, বিহারে মহাগটবন্ধন ভূপতিত হতেই ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়লেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। দলের শোচনীয় হালে মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ শশী থারুর। তিনি বলেন, “বিপুল সংখ্যক মানুষের রায় যে এনডিএর সঙ্গেই রয়েছে, তা ভীষণভাবে (NDA) স্পষ্ট। এটি হতাশাজনক। যদি শেষ পর্যন্ত এটিই চূড়ান্ত ফল হয়, তা হলে আমাদের আত্মসমালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। আত্মসমালোচনা বলতে আমি শুধু এ বিষয়ে বসে চিন্তাভাবনা করার কথা বলছি না। কৌশলগত দিক থেকে বার্তা দেওয়ার দিক থেকে এবং সাংগঠনিক দিক থেকে আমাদের কী ভুল হয়েছে, তাও দেখতে হবে।” থারুর বলেন, “আমি বিহার ভোটে প্রচার করিনি। আমাকে প্রচার করার জন্য ডাকাও হয়নি। তাই আমি এ বিষয়ে সরাসরি কোনও তথ্য দিতে পারব না (Bihar Assembly Election 2025)। তবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কোথায় ভুল হয়েছে, তা অবশ্যই আমাদের দলের নেতাদের গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করা উচিত।”

    পিন্ডি চটকাল ইন্ডির!

    লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে পরাস্ত করতে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল যে জোট গঠন করেছিল, সেই ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। বিহারে মহাগটবন্ধন পরাভূত হতেই কংগ্রেসকে নিশানা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তাদের সাফ কথা, বিজেপি বিরোধিতায় কংগ্রেস যে ব্যর্থ, তা আরও একবার প্রমাণিত (NDA)। এনডিএ ঝড়ে বিহারে কাবু ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের দল জন সুরাজ পার্টিও। এই প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক-ই মমতার দলকে গত বিধানসভায় নির্বাচনী বৈতরণী পার করে দিয়েছিল বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের। সেই ‘কিং-মেকারে’র দলই স্বভূমিতে (পিকে বিহারেরই বাসিন্দা) স্বখাত সলিলে। নিজের রাজ্যেই খাতা খুলতে পারেনি পিকের দল। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এমতাবস্থায় পিকে মমতার দলকে জেতাতে কতটা সফল হবে, ইতিমধ্যেই তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের অন্দরে।

    রেকর্ড ভাঙল এনডিএ

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলে এনডিএ ভেঙে দিয়েছে নিজেই নিজের রেকর্ড (Bihar Assembly Election 2025)। ২০১০ সালের তারা পেয়েছিল ২০৬টি আসন। এবার এদিন বিকেল পর্যন্ত এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ২০৮টি কেন্দ্রে। প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভার নির্বাচন হয় দু’দফায়। প্রথম দফায় ভোট হয়েছিল ৬ নভেম্বর, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হয়েছে ১১ নভেম্বর। সব মিলিয়ে দু’দফায় ভোটদানের হার ছিল ৬৭.১৩ শতাংশ। বেশিরভাগ এক্সিট পোলে এনডিএর ক্লিন সুইপের পূর্বাভাস মিললেও, আরজেডির তেজস্বী যাদব সেই ভবিষ্যদ্বাণী উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন, মহাজোট বিরাট ব্যবধানে জয়ী হয়ে সরকার গড়বে। যদিও সেই আশা আপাতত দূরঅস্ত।

    পতনের পথে তেজস্বী

    এদিন বিকেল ৪টে পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, নিজের গড় রাঘোপুর আসনে পিছিয়ে পড়েছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তেজস্বীর পাশাপাশি হারতে চলেছেন লালুর আর এক ছেলে তেজপ্রতাপ যাদবও। আরজেডি থেকে তাঁকে বহিষ্কার করেছিলেন লালু। তার পরেই ‘জনশক্তি জনতা দল’ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। নেমে পড়েন লড়াইয়ের ময়দানেও। মহুয়া কেন্দ্রে প্রার্থী হন তেজপ্রতাপ স্বয়ং। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে তিনি নেমে গিয়েছেন চতুর্থ স্থানে (Bihar Assembly Election 2025)। এদিকে, বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার ভোটযুদ্ধে নেমেই কিস্তিমাত করে দিয়েছেন জনপ্রিয় গায়িকা মৈথিলী ঠাকুর। আলিনগর কেন্দ্রে জিততে চলেছেন (NDA) তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই!

    এনডিএর জয়জয়কারের ছবি সামনে আসতেই রাজধানী পাটনায় নীতীশ কুমারের কার্যালয়ে উচ্ছ্বাসের ছবি। সেলিব্রেশনে মেতেছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরাও। জানা গিয়েছে, বিহারে দশমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার। গত বারের চেয়ে এবার আরজেডির শক্তি কমেছে অর্ধেকেরও বেশি। এদিন সন্ধেয় নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর কার্যালয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    মোদি-শাহ জুটি

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বিহারে বিজেপির হয়ে বাজিমাত করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জুটি। বিজেপির এই দুই সৈনিক যেসব জায়গায়ই প্রচারে গিয়েছেন, সেখানেই পদ্মের রমরমা। এঁদের সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত (Bihar Assembly Election 2025) দিয়েছেন নীতীশের দলের নেতা-কর্মীরা। সব মিলিয়ে বিহার ফের এনডিএর (NDA) দখলে।

  • Bihar Assembly Election: নির্বাচনের আগে ধাক্কা, দুর্নীতি মামলায় লালু-রাবড়ি-তেজস্বীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

    Bihar Assembly Election: নির্বাচনের আগে ধাক্কা, দুর্নীতি মামলায় লালু-রাবড়ি-তেজস্বীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই বিহার বিধানসভা নির্বাচন (Bihar Assembly Election)। তার আগে বড় রাজনৈতিক ধাক্কা খেল রাজ্যের আরজেডি (RJD) নেতৃত্ব। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত ‘ল্যান্ড ফর জবস’ ও ‘আইআরসিটিসি দুর্নীতি’ মামলায় রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সুপ্রিমো ও প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব, তাঁর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী, এবং বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব-সহ একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিহার নির্বাচনের আগে লালু পরিবারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও দুর্বল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

    ‘ল্যান্ড ফর জবস’ মামলায় চার্জ গঠন

    সিবিআই-এর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে রেলমন্ত্রী থাকার সময় লালু প্রসাদ যাদব গ্রুপ-ডি পদের চাকরির বিনিময়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে তাঁদের জমি বা সম্পত্তি খুব কম দামে নিজের পরিবারের নামে নেন। এই মামলায় ২০২২ সালের মে মাসে সিবিআই চার্জশিট দাখিল করে, যেখানে লালু যাদব, রাবড়ি দেবী, তেজস্বী যাদব, মিসা ভারতীসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, পাটনা ও তার আশপাশের বেশ কিছু জমি লালু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছিল। আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৩(২) ও ১৩(১)(ডি) ধারায় চার্জ গঠন করেছে। শেষ দু’টি ধারা শুধুমাত্র লালু যাদবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এদিন আদালতে লালু, রাবড়ি ও তেজস্বী- তিনজনেই জানিয়েছেন তাঁরা বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। রাবড়ি দেবী বলেন, “এই মামলা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা।”

    আইআরসিটিসি দুর্নীতি মামলা

    এই মামলাটি ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে লালু প্রসাদ যাদবের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন আইআরসিটিসি হোটেল রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি প্রদান সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দু’টি হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি বিজয় ও বিনয় কোচারের মালিকানাধীন সুজাতা হোটেলস প্রাইভেট লিমিটেড-কে বেআইনিভাবে দেওয়া হয়েছিল। মামলায় মোট ১৪ জন অভিযুক্ত রয়েছেন। আদালত ২৯ মে মামলার শুনানি শেষ করেছিল, সেই থেকে রায় সংরক্ষণ করে, এবং পরে ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারক অভিযুক্তদের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন। সিবিআই ২০১৭ সালে লালু যাদব এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। সিবিআই দিল্লির আদালতকে বলেছিল যে সমস্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) দিল্লিতে পৌঁছে সোমবার আদালতে হাজিরা দিতে যান লালু প্রসাদ যাদব। অসুস্থতার কারণে তিনি হুইলচেয়ারে করে আদালতে আসেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী রাবড়ি দেবী, ছেলে তেজস্বী যাদব ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রেমচাঁদ গুপ্ত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এই মামলায় একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই মামলায় লালু পরিবারের প্রত্যক্ষ আর্থিক সুবিধা পেয়েছে, যদিও ঘুষের সরাসরি প্রমাণ আপাতত পাওয়া যায়নি। বিহার নির্বাচনের ঠিক আগে আদালতের এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লালু পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন আরজেডি-র ভাবমূর্তিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    Land For Job: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির বিনিময়ে জমি (Land For Job) ও অর্থ তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) লালু প্রসাদ যাদবকে তলব করল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। লালুর পাশাপাশি তলব করা হয়েছে তাঁর ছেলে তেজস্বীকেও। আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেও তলব করা হয়েছে। এই মামলায় তলব করা হয়েছে তেজ প্রতাপ যাদবকেও। এই প্রথম ডাকা হল তেজ প্রতাপকে। আগামী ৭ অক্টোবর তাঁদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

    কাদের সমন পাঠানো হল? (Land For Job)

    স্পেশাল সিবিআই বিচারক বিশাল গগনে লালু, তাঁর দুই ছেলে এবং আরও ছয় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে বলেছেন। এছাড়াও চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে, তাঁদেরও ওই দিন তলব করা হয়েছে। অন্য একটি চার্জশিটে নাম রয়েছে অখিলেশ্বর সিং ও তাঁর স্ত্রী কিরণের। তাঁদেরও সমন পাঠিয়েছে আদালত। গত ৬ অগাস্ট জমা দেওয়া হয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট। তাতে ১১ জন অভিযুক্তের নামোল্লেখ করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে চারজন ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন। আদালত যাঁদের তলব করেছে, তাঁরা হলেন, লালু প্রসাদ যাদব, তেজস্বী যাদব, তেজ প্রতাপ যাদব, অখিলেশ্বর সিং, হাজারি প্রসাদ রায়, সঞ্জয় রায়, ধর্মেন্দ্র সিং ও কিরণ দেবী। আদালত (Land For Job) জানিয়েছে, ইডির চার্জশিটে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়নি অখিলেশ্বরের স্ত্রী কিরণকে। তবে তিনি মামলায় যুক্ত। কারণ তিনি তাঁর ছেলেকে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে জমি বিক্রি করেছেন মিশা ভারতীর কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    কী বলল আদালত

    তেজপ্রতাপকে এই মামলায় তলব প্রসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, এই কেলেঙ্কারিতে তেজ প্রতাপের জড়িত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি একে ইনফোসিস লিমিটেডের পরিচালকও ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, সেই সময় জমি ও টাকার বিনিময়ে বিহারের বহু যুবককে রেলের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হয়। লালু ও তাঁর ছেলে তেজস্বীর পাশাপাশি এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী ও তাঁদের দুই মেয়ে মিশা ও হেমার বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগ (Money Laundering Case) পেয়ে তদন্তে নামে ইডি (Land For Job)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আবারও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার চম্পারনের এক প্রচার সভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এদিন সেই সভা থেকেই রাহুল (Rahul Gandhi) ও লালুকে মটন পার্টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন তিনি। প্রসঙ্গে উঠল সেই পুরনো লালু-রাহুলের মটন পার্টির ভাইরাল ভিডিও।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের একে অপরের বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার সময় আছে কিন্তু রাম লালাকে দর্শন করার মত সময় তাদের কাছে নেই।” উল্লেখ্য, যখন জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম লালার মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় তখন সকলের মত রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ও লালু প্রসাদ যাদবকেও আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেই আমন্ত্রন উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “রাম মন্দির বিজেপির রাজনৈতিক অনুষ্ঠান।” এবার সেই ঘটনাকে প্রসঙ্গে এনেই রাহুল-লালুকে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী(PM Modi)।  

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    অন্যদিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যেখানে দুই নেতাকে একসাথে “চম্পারন মাটন” প্রস্তুত করতে দেখা গেছে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 
    উল্লেখ্য, কদিন আগেই নবরাত্রির সময় তেজস্বী যাদবের মাছ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছিল। সেই বিতর্কেই তেজস্বী সহ তাঁর বাবা লালুপ্রসাদ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সকলকে খোঁচা মেরে মোদির (PM Modi) দাবি, কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। একইসঙ্গে দুই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলের নেতা লালু প্রসাদ ও রাহুল গান্ধীকে মোঘলদের মতো `বিধর্মী`দের সঙ্গেও তুলনা করেন মোদি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে চলছিল পঞ্চম দফার নির্বাচন। ২০ মে, সোমবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৪৯টি আসনে। এর মধ্যে ছিল বিহারের কয়েকটি আসনও। ভোট কেমন হচ্ছে, তা দেখতে দুপুরে বেরিয়েছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে রোহিণী আচার্য। সারণ জেলার ছাপড়ার একটি বুথে আরজেডি প্রার্থী রোহিণী যেতেই আরজেডির কর্মী-সমর্থকরা সংঘর্ষে (Post Poll Violence) জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে।

    সংঘর্ষের নেপথ্যে (Post Poll Violence)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় গিয়ে রোহিণী সটান ঢুকে পড়েন একটি বুথে। ভোটারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করতে শুরু করেন। এর পরেই এলাকা ছেড়ে চলে যান আরজেডি সুপ্রিমোর মেয়ে। পরে আরজেডি কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের একপ্রস্ত বচসা হয়। মঙ্গলবার সকালে দু’পক্ষে সংঘর্ষ (Post Poll Violence) বাঁধে। ঘটনায় হত হন একজন। জখম হয়েছেন দু’জন। এঁরা হলেন মনোজ যাদব ও গুড্ডু যাদব।

    প্রকাশ্যে চলল গুলি

    জানা গিয়েছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ে। গুলি লাগে মনোজ ও গুড্ডুর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। মনোজ ও গুড্ডুকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে। অশান্তির আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে আটক করা হয়েছে দু’জনকে। সারণের পুলিশ সুপার গৌরব মঙ্গলা বলেন, “হিংসায় যারা ইন্ধন জোগাচ্ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।”

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    এই সারণ কেন্দ্র থেকেই আরজেডির টিকিটে লড়ছেন লালুর মেয়ে রোহিণী। তাঁর বিরুদ্ধে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির বিদায়ী সাংসদ রাজীব প্রতাপ রুডি। এক সময় সারণ থেকেই লড়ে সংসদে গিয়েছিলেন লালু। রোহিণী যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা লালু প্রসাদ এবং দাদা তেজস্বী যাদবও (Post Poll Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগামী ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন নরেন্দ্র মোদি।” বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর দাবি, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন মোদি। চতুর্থবারেও তিনিই বসবেন প্রধানমন্ত্রীর আসনে।

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    শাহ বলেন, “আমি বলে দিতে পারি, আগামী ১০ বছর একমাত্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।” তিনি বলেন, “আমরা যদি ভালো কাজ করতে পারি, তবেই ক্ষমতায় টিকে থাকব। আর যদি নিজেদের ভুল শুধরে নিতে না পারি, তাহলে আমরা জিততে পারব না।” মোদির সেনাপতি বলেন, “মোদিজি ২০৪৭ সালে ভারত কোথায় পৌঁছবে তার পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন। বিকশিত ভারতের স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছেন।” তিনি বলেন, “খুব তাড়াতাড়িই লোকসভা নির্বাচনের আগেই সিএএ কার্যকর হয়ে যাবে।”

    তোষণকেন্দ্রিক রায়!

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমাদের দেশে যে গণতন্ত্র চলছে সেটা কাজের ওপর নির্ভর করে। সাফল্যের রাজনীতিতে মানুষ কাজ দেখে ভোট দেয়।” তিনি বলেন, “আগে জাত-পাত, ধর্মের ওপর ও তোষণকেন্দ্রিক রায় দিত দেশ। প্রধানমন্ত্রী মোদিই সেটা বদলে সাফল্যকেন্দ্রিক রাজনীতির আবহ তৈরি করেছেন। কে কী কাজ করেছেন তার ওপরই নির্ভর করে দেশ ক্ষমতায় থাকবে। কাজ করার যোগ্যতা মানুষ ক্ষমতায় থাকার সুযোগ করে দেবে।”

    আরও পড়ুুন: লোহিত সাগরে ত্রাতা ভারতীয় নৌসেনা, হুথি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার ২১

    দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। এদিন তারও উত্তর দিয়েছেন শাহ। বলেন, “যাঁরা বোকা বোকা কথা বলে দেশের রাজনীতির মান নামিয়ে দিচ্ছেন, মানুষ প্রত্যেকবার তাঁদের যোগ্য জবাব দিচ্ছেন। আমি মোদিজিকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ দিন কাজও করেছি। একটা দিক থেকে লালুজি ঠিকই বলেছেন যে মোদিজির কোনও পরিবার নেই। কারণ যাঁদের পরিবার রয়েছে, তাঁরা চাইবেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত ৪০ বছর ধরে মোদিজি কাজ করেই চলেছেন দেশের জন্য। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২৩ বছর কাটিয়ে দেওয়ার পরেও। আমি তাঁকে ছুটি নিতে দেখিনি। সকাল ৫টা থেকে কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছি। রাতেও কাজ করতে দেখেছি।” প্রধানমন্ত্রীর গায়ে দুর্নীতির কালির ছিটেফোঁটাও লাগেনি বলেও দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lalu Prasad Yadav: জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় টানা ১০ ঘণ্টা ইডির প্রশ্নবাণের মুখে লালু

    Lalu Prasad Yadav: জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় টানা ১০ ঘণ্টা ইডির প্রশ্নবাণের মুখে লালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে ইডির প্রশ্নবাণের মুখে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav)। সোমবার পাটনায় ইডির দফতরে হাজিরা দেন লালু। তার পরেই শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন রাতে। বাইরে তখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাপান্ত করছেন আরজেডির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    জমির বিনিময়ে চাকরি

    প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। সেই সময় বিহারের বহু যুবককে নিয়োগ করা হয়েছিল রেলের গ্রুপ ডি পদে। অভিযোগ, টাকা কিংবা জমির বিনিময়ে এঁদের নিয়োগ করা হয়েছিল। ঘটনায় নাম জড়ায় লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী ও তাঁর দুই মেয়ে মিসা ও হেমার বিরুদ্ধে। পরে (Lalu Prasad Yadav) নাম জড়ায় বিহারের সদ্য প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীরও। ইডির অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার সময় যে জমি দিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা, তা দেওয়া হয়েছিল লালুর পরিবারের সদস্য ও একে ইনফোসিস্টেমস নামে এক সংস্থার নামে।

    কেলেঙ্কারিতে লালুর পরিবার

    এই সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে লালুর পরিবারের সদস্যদের। কেলেঙ্কারির মূলে পৌঁছতে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালায় দিল্লি, পাটনা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। আরজেডির একাধিক নেতার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। এই মামলায় লালু ও তাঁর পরিবারের কয়েকজনের নামে সিবিআইয়ের পাশাপাশি চার্জশিট দিয়েছে ইডিও।

    আরও পড়ুুন: হেমন্ত সোরেনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি! ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে কে?

    আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেন, “এটা ইডির তলব নয়, বিজেপির তলব। এটা ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলবে। ততদিন পর্যন্ত একে ইডির তলব বলবেন না।” লালুর মেয়ে মিশা ভারতী বলেন, “তিনি (লালু) নিজে খেতে পারেন না। তাঁকে কাউকে খাইয়ে দিতে হয়। আমরা জানি না তিনি খেয়েছেন কিনা। সরকার আমার বাবাকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু একজন অসুস্থ মানুষকে গ্রেফতার করে তারা কী পাবে?”

    রবিবারই রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে বিহারে। মহাগটবন্ধনের সরকার ছেড়ে নীতীশ কুমার ফের ফিরেছেন বিজেপিতে। তার পরেই লালুকে ইডির তলবে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা বাড়বে বই কমবে না (Lalu Prasad Yadav)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    Land For Jobs Case: ইডির চার্জশিটে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নাম, লোকসভা ভোটের আগে বিপাকে লালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের মুখে বিপাকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদের দল আরজেডি। লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রাবড়ি দেবী এবং মেয়ে মিসা ভারতীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল ইডি। রেলে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় (Land For Jobs Case) রাবড়ি ও মিসার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

    ইডির চার্জশিটে কারা?

    ইডির চার্জশিটে নাম রয়েছে লালুর আর এক মেয়ে হেমা যাদব, লালু পরিবারের ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যাল, রেলের কর্মী এবং সুবিধাভোগী (অভিযোগ) হৃদয়ানন্দ চৌধুরী, একে ইনফোসিস্টেম প্রাইভেট লিমিটেড ও এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড নামে দুই সংস্থা এবং ওই দুই সংস্থার ডিরেক্টর শরিকুল বারীর নামও। লালু ও তাঁর ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধেও ওই মামলায় তদন্ত করছে ইডি। প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, ওই সময় বিহারের বহু যুবককে জমি ও টাকার বিনিময়ে (Land For Jobs Case) রেলে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। কাঠগড়ায় তোলা হয় রাবড়ি ও তাঁর দুই মেয়ে মিসা ও হেমাকে।

    ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে রেলে চাকরি

    সিবিআইয়ের দাবি, লালুপ্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকার সময় বহু ‘অযোগ্য’ ব্যক্তিকে মুম্বই, জব্বলপুর, কলকাতা সহ রেলের বিভিন্ন জোনে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এজন্য তাঁদের কাছ থেকে জমি বা মোটা টাকা নিয়েছিলেন লালুর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ নেতারা। অভিযোগ পেয়ে জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মূলে পৌঁছতে তদন্তে নামে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের হাতে ধরা দিলে পুলিশ শাহজাহানকে লাশ বানিয়ে দিতে পারে”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ইডির আগে তদন্ত করেছিল সিবিআই-ও। ২০২২ সালের ২০ মে সিবিআই হানা দেয় দিল্লি, পাটনা-সহ দেশের ১৫টি জায়গায়। লালুর দল আরজেডির একাধিক নেতার বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই। ওই বছরেরই ২২ অক্টোবর লালুপ্রসাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ওই চার্জশিটে লালু-পত্নী রাবড়ি এবং দুই কন্যা মিসা ও হেমার নামও ছিল। এই চারজন বাদে আরও ১২ জনের নামও ছিল সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে। এবার ইডির চার্জশিটেও নাম রয়েছে রাবড়ি, মিসা এবং হেমার। মঙ্গলবার দিল্লির পিএমএলএ আদালতে চার্জশিট (Land For Jobs Case) পেশ করেছে ইডি। ১৬ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পদ্ম শিবিরকে ধরাশায়ী করতে গঠিত হয়েছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি। এই জোটে রয়েছে লালুর দলও। সপরিবারে অভিযুক্ত লালুর দলকে নিয়ে ইন্ডি জোটের নেতারা কী করেন, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে চাকরি কেলেঙ্কারিতে ইডির কাচের তলায় লালুপুত্র (Tejashwi Yadav)। ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে ফের তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি ইডির দফতরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পৌঁছেছে তেজস্বী যাদবের কাছে। ওই দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। একইসঙ্গে, এই মামলায় আগামী ২৭ ডিসেম্বর লালুপ্রসাদকেও ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ পিতা-পুত্রকে তলব ইডির। প্রসঙ্গত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পশু-খাদ্য কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় লালু প্রসাদ যাদবের। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলও খেটেছেন তিনি। এবার ফের দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে তলব করল ইডি। বিহারে নীতীশ কুমারের দল ও লালু যাদবের জোট সরকার চলছে বর্তমানে।

    আগেও তেজস্বীকে ৮ ঘণ্টা জেরা করে ইডি

    তবে এই প্রথম নয়। চাকরি কেলেঙ্কারির মামলায় এ বছরের এপ্রিলে তেজস্বীকে (Tejashwi Yadav) তলব করে ইডি। তখন প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই প্রথম লালুপ্রসাদকে এই মামলার তদন্তে ডেকে পাঠাল ইডি। গত নভেম্বরেই এই মামলায় লালুর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যালকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁকে জেরা করার পরই নাকি লালুকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে।

    রেলমন্ত্রী থাকাকালীন জমির বিনিময়ে চাকরি দেন লালু?

    প্রসঙ্গত, প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব। সেসময় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন (২০০৪-০৯) বিহারের বহু যুবককে জমির বিনিময়ে রেলের ‘গ্রুপ ডি’ পদে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি এবং তাঁদের দুই কন্যা মিসা এবং হেমার বিরুদ্ধেও। এখন দেখার তদন্তে কী উঠে আসে। বছরের শুরুতেই অবশ্য একই মামলায় আরজেডি প্রধান লালু, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং কন্যা মিসা ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় লালু, রাবড়ি-সহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। পরে চার্জশিটে তেজস্বীর (Tejashwi Yadav) নামও জোড়ে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী বণ্টনকাণ্ডে (Ration Scam) ক্রমেই বের হচ্ছে ঝুলি থেকে বিড়াল! রেশন সামগ্রী বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেই কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে আধিকারিকরা মনে করছেন, বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ থাকতে পারে।

    ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’

    উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পরেই বিরোধীরা স্লোগান দিয়েছিল, ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’। এই স্লোগান যে নিছক স্লোগান নয়, ইডির তদন্তকারীরাও তা মনে করছেন। ইডির দাবি, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির তদন্তে উঠে এসেছে ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার নাম। এই সংস্থার ডিরেক্টর দীপেশ চন্দক ও হিতেশ চন্দক। ১৯৯৬ সালে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে এঁরা গ্রেফতার হয়েছিলেন সিবিআইয়ের হাতে (Ration Scam)। রাজসাক্ষী হওয়ায় ছাড়া পেয়েছিলেন তাঁরা। 

    দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ

    ইডির দাবি, দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। চন্দকদের রাইস মিল ও আটা চাকিতে রেশনের চাল, গম ভাঙিয়ে প্যাকেটবন্দি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হত। ইডির তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন, চন্দকদের এই ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেডে’ও কি বাকিবুর রহমান মডেলে, পরিমাণে কম দিয়ে দুর্নীতি চলত কি না। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির পর ২০১৮ সালে ফের সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন দীপেশ।

    আরও পড়ুুন: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি”, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    এবার তিনি গ্রেফতার হন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের গোডাউনের লিজ বাড়ানোর সময় এফসিআইয়ের এক আধিকারিককে ঘুষ দিতে গিয়ে। দীপেশকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। এর পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। তখনই শোনা যায়, কোনও এক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রয়েছেন দীপেশ। এই প্রভাবশালী ব্যক্তিই জ্যোতিপ্রিয় কি না, তা তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়িতে (Ration Scam) তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সম্প্রতি মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক চাটার্ড অ্যাকাউন্টের বাড়ি থেকে তিনটি নোটবুকও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। সেই সূত্রেই জানা যায়, চন্দক পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র। এদিকে, শনিবার ইডি ম্যারাথন তল্লাশি চালায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর সাহা ব্রাদার্সের চালকল, আটাকল, অফিস ও সল্টলেকের হোটেলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share