Tag: Lancet study

Lancet study

  • COVID-19: করোনাকালে বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে ১.৬ বছর, বলছে রিপোর্ট

    COVID-19: করোনাকালে বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে ১.৬ বছর, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারীর (COVID-19) কারণে ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু কমেছে ১.৬ বছর। এমনই তথ্য উঠে এলো ল্যানসেট জার্নাল নামের একটি পত্রিকার রিপোর্টে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, গড় আয়ু কমার কারণ হিসেবে আলাদা আলাদা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং অন্যান্য অনেক কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে থাকতে পারে। গবেষকদের সমীক্ষায় অনেকেই ছিলেন যাঁরা বার্ধক্য জনিত সমস্যাতেও ভুগছিলেন।

    বিশ্বের মোট ৮৪ শতাংশ দেশেই কমেছে গড় আয়ু

    রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের মোট ৮৪ শতাংশ দেশ এবং অঞ্চলে এই গড় আয়ু হ্রাসের ঘটনা ঘটেছে। গবেষণাতে দেখা যাচ্ছে, মেক্সিকো সিটি, পেরু, বলিভিয়ার মতো দেশগুলিতে গড় আয়ু কমার হার (COVID-19) সবচেয়ে বেশি। ২০২০ এবং ২০২১ সাল নাগাদ করোনা মহামারীর দাপটে বিশ্বজুড়ে প্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুর সব থেকে বেশি হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে যা অতীতে কখনও দেখা যায়নি। অন্যদিকে, মহামারীর সময় শিশু মৃত্যুর হার কমেছে, এমনটা রিপোর্টে উঠে এসেছে। ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের তুলনায় শিশুদের গড় আয়ু বেড়েছে দেখা যাচ্ছে এবং এই সময়ের মধ্যে পাঁচ লাখ শিশু মৃত্যু কম হয়েছে।

    কোন কোন সংস্থা করেছে এই গবেষণা?

    তবে গবেষকরা এও জানিয়েছেন, সারা বিশ্বজুড়ে শিশু মৃত্যুর হারে আঞ্চলিকভাবে নানা পার্থক্য রয়েছে। যেমন বিশ্বে মারা যাওয়া (COVID-19) প্রতি চারজন শিশুর মধ্যে একজনই দক্ষিণ এশিয়ার দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে, চারজন শিশুর মধ্যে প্রতি দুইজনকে দেখা দিয়েছে তারা আফ্রিকা মহাদেশের। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই রিপোর্ট সামনে আসার ফলে ভবিষ্যতে কী কী পরিবর্তন হতে পারে, মানুষের গড় আয়ুর, তা আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে। গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন (IHME), ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন (UW), গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজিজ স্টাডি (GBD)-এর যৌথ উদ্যোগে। গবেষণাতে আরও দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের মধ্যেই মৃত্যুর হার বেড়েছে। পুরুষদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেড়েছে ২২ শতাংশ এবং মহিলাদের মধ্যে এই হার ১৭ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indians use antibiotics: পটাপট খান অ্যাজিথ্রোমাইসিন! শুধু আপনি নন দেশের অনেকেই স্বচ্ছন্দ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে, দাবি ল্যানসেটের

    Indians use antibiotics: পটাপট খান অ্যাজিথ্রোমাইসিন! শুধু আপনি নন দেশের অনেকেই স্বচ্ছন্দ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে, দাবি ল্যানসেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য জ্বর, সর্দি, কাশি বা পেটের গণ্ডগোল চাই চটজলদি নিরাময়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বাচ্চার স্কুলে পরীক্ষা তাই তার শরীর খারপ হলে বেশিদিন স্কুলে ছুটি হয়ে যাবে। নিজের শরীর খারাপ হলে অফিসে ছুটি নিতে হবে। তাই দ্রুত নিরাময়ের হাতিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক। ছোটখাটো সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় নেই। নিজের জানা একটি অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স করলেই চট করে রোগ সেরে যাবে। এই ধারণা নিয়ে চলেন বশিরভাগ ভারতীয়ই। 

    আরও পড়ুন: অগাস্টের বেতন হয়নি পাঞ্জাবে, বাংলারও কি একই হাঁড়ির হাল?

    সম্প্রতি ল্যানসেটের একটি সমীক্ষার ফল বলছে, নিজেদের ইচ্ছেমতো সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন ভারতীয়রাই। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে কোভিডের আগে এবং কোভিড চলাকালীন ভারতীদের মধ্যে অ্যাজিথ্রোমাইসিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। এই ওষুধগুলির মধ্যে বেশির ভাগই কেন্দ্রের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার দ্বারা অনুমোদিত নয়। গবেষকরা ভারতের কাছে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতি আনার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। প্রয়োজনে নিয়মকানুনের সংস্কারমূলক আইন আনা জরুরি বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ কাম্য নয়। উপযুক্ত  চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। ল্যানসেটের সমীক্ষা মতে, ভারতীয়দর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে অ্যাজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার চল সবচেয়ে বেশি। আর তার পরেই সেফিক্সাইম ২০০ নামক ওষুধটির উপর নির্ভর করে ভারতীয়রা। কিছু অসুখের চিকিৎসা করতে গেলে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স পরীক্ষা করতে হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে বাতিল অ্যান্টিবায়োটিকের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অ্যান্টিবায়োটিক বেশি খেলে শরীরে তৈরি হয়, ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর)। আগামী দিনে তা বিপদ ডেকে আনে। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আর ওই অ্যান্টিবায়োটিক কাজে লাগে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share