Tag: Landslide

Landslide

  • Nagaland Landslide:পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে ধাক্কা গাড়িতে! নাগাল্যান্ডে মৃত ২, দেখুন ভিডিও

    Nagaland Landslide:পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে ধাক্কা গাড়িতে! নাগাল্যান্ডে মৃত ২, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাল্যান্ডের (Nagaland Landslide) ডিমাপুরের চুমৌকেদিমাতে পাথরের আঘাতে মাটিতে মিশল গাড়ি। ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।  ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনার ভিডিও ধরা পড়েছে অন্য একটি গাড়ির ড্যাশক্যাম থেকে। ওপর থেকে আসা একটি পাথরের চাঁই মুহূর্তের মধ্যে তুবড়ে দিল ৩ টি গাড়িকে সেই ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে ভিডিওতে। আহতদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    নাগাল্যান্ডে বিভিন্ন এলাকায় ধস

    নাগাল্যান্ডে (Nagaland Landslide) গত কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় ধস নামছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ চুমৌকেদিমা জেলায় ২৯ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। যে পাহাড়ের ধারের রাস্তায় গাড়িগুলি দাঁড়িয়েছিল,সেখানে প্রায়ই ধস নামে। পাহাড়ে ধসের কারণে ভারী পাথর নীচের দিকে গড়িয়ে আসে তীব্র গতিতে। দু’টি চারচাকার গাড়ি সেই পাথরের নীচে খেলনার মতো পিষে যায়। এই দুর্ঘটনায় এক জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্য এক জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া, গাড়ির ধ্বংসস্তূপে দীর্ঘ ক্ষণ এক জন আটকে ছিলেন। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

    আরও পড়ুন: রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের শিবিরে অস্ত্র লুটের চেষ্টা, মণিপুরে নিহত ১

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

    নাগাল্যান্ডের (Nagaland Landslide) মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে নাগাল্যান্ড সরকার।  ট্যুইটে নেইফিউ রিও লেখেন, “ মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৫ টা নাগাদ, ডিমাপুর এবং কোহিমার মধ্যে, জাতীয় সড়কে একটি গাড়ির ওপরে গড়িয়ে পড়ে একটি বড় পাথর। এই ঘটনায় দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাড়িটি। পলকা পাহাড়ের কাছে এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন দুজন। এবং তিনজন এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন।” এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি। ওই ঘটনায় আহতদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং সাহায্য করবে নাগাল্যান্ড সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেখানের জাতীয় সড়ক এবং অন্য যে সমস্ত বিপদজনক এবং দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা আছে সেখানে নিরাপত্তা পরিকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্র সরকার এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এই কাজ করতে বলা হবে। সেখানের বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে কোন সমঝোতা করা হবে না বলেও জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Landslide: হড়পা বান ও ধসের জোড়া ফলায় বিধ্বস্ত সিকিম, উদ্ধার ৩৫০০ পর্যটক

    Landslide: হড়পা বান ও ধসের জোড়া ফলায় বিধ্বস্ত সিকিম, উদ্ধার ৩৫০০ পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হড়পা বান ও ধসের (Landslide) জোড়া ফলায় বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমের (Sikim) বিস্তীর্ণ এলাকা। দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক আটকে রয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন অংশে। ধসের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে উত্তর সিকিমের মাঙ্গান থেকে চুংথা পর্যন্ত রাস্তা। এই রাস্তা ধরেই পেগং হয়ে লাচুং ও লাচেন পর্যন্ত যেতে হয় পর্যটকদের।

    চলছে উদ্ধার কাজ

    এসব জায়গায় বেড়াতে গিয়েছেন বহু পর্যটক। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাঙালিও রয়েছেন। হোটেলে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে রয়েছেন ২৩ জন বাংলাদেশি, ১০ জন আমেরিকান এবং তিনজন সিঙ্গাপুরের। জোরকদমে চলছে উদ্ধার কাজ। তবে প্রকৃতি বিরূপ হওয়ায় বিলম্বিত হচ্ছে উদ্ধার কাজ। ইতিমধ্যেই প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করেছেন সেনা বাহিনীর জওয়ানরা। উত্তর সিকিমে ধস (Landslide) এবং রাস্তা বন্ধের জেরে আটকে পড়েছিলেন এঁরা।

    উদ্ধার ২ হাজার

    শুক্রবার ভোরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সিকিমের লাচেন, লাচুং এবং চুংথাং উপত্যকা। তার জেরে উত্তর সিকিম জেলার সদর মঙ্গন থেকে চুংথাং পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। হড়পা বানে বিধ্বস্ত এলাকায় নদীর ওপর অস্থায়ী সেতু তৈরি করে উদ্ধার করা হচ্ছে পর্যটকদের। তাঁদের দেওয়া হচ্ছে গরম খাবার, থাকার জায়গা এবং চিকিৎসা সহায়তা। রবিবার সকাল থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: চলছে তাপপ্রবাহ, তিনদিনে উত্তর প্রদেশ, বিহারে মৃত ৯৮

    এদিকে, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পূর্ব  ভারত ও হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমে আগামী ৫ দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই কারণে পর্যটকদের দ্রুত উদ্ধারের পাশাপাশি চলছে রাস্তা সংস্কারের কাজও। ১৫ তারিখ থেকে নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে। তার জেরেই বিভিন্ন জায়গায় নেমেছে ধস (Landslide)। বন্ধ হয়ে গিয়েছে জনপ্রিয় পর্যটনস্থলগুলিতে যাওয়ার পথ। ধসের কারণে ৩৪৫টি চারচাকা গাড়ি ও ১১টি মোটর সাইকেলও আটকে পড়েছে বিভিন্ন এলাকায়। এদিকে, প্রবল বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে বিভিন্ন নদীর। তিস্তা, রঙ্গিত সহ একাধিক নদী রীতিমতো ফুঁসছে। পশ্চিম সিকিমের রিম্বি নদীর জলে ভেসে গিয়েছেন নবতিপর এক ব্যক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাড়ে চলা অতিভারী বৃষ্টির জেরে ধস (Landslide) নামল উত্তর সিকিমের (Sikkim) রাস্তায়। বৃহস্পতিবার রাতে চুংথাংয়ের কাছে পেগংয়ে ওই ধস নেমেছে। রাস্তার ওপর দিয়েই প্রবল বেগে বইছে ঝর্নার জল। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে লাচুং, লাচেন এবং ইয়ুমথাংয়ের সঙ্গে। ঘটনার জেরে উত্তর সিকিমে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন। জাতীয় সড়ক থেকে ধস সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এমতাবস্থায় শুক্রবার উত্তর সিকিমে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    সিকিম আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা (Landslide) গোপীনাথ রাহা বলেন, “উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকা ধসে বিপর্যন্ত। এমন বৃষ্টি হচ্ছে যে, আগামী পাঁচ দিন পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক হবে না। বিশেষ করে উত্তর সিকিমে অতিভারী বর্ষণ হবে। উত্তরবঙ্গেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ও সংলগ্ন সিকিম জুড়ে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ। বিভিন্ন এলাকা ধসের কবলে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি পর্যটকদের কী পরিস্থিতি বা কোথায় কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন।” নাগাড়ে বৃষ্টির (Landslide) জেরে ফুঁসছে পূর্ব ও পশ্চিম সিকিমের একাধিক নদী। পশ্চিম সিকিমের রিম্বি নদীতে ভেসে গিয়েছেন এক বৃদ্ধ। নর্থ সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী।

    এদিকে, রাতভর বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে তিস্তা ও রংফু নদীর। ওই নদীগুলিতে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, “তিস্তা সহ বেশ কয়েকটি পাহাড়ি নদীর জলস্তর কাল রাত থেকে বেড়েছে। ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে স্থানীয়দের। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাত সকালে ধস আসানসোলের (Asansol) কয়লা খাদানে (Coal Mine)। অন্তত ২৫ জন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা। ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইএসএফ (CISF)। রয়েছেন কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিও। অভিযোগ, খাদানে যাঁরা আটকে রয়েছেন, তাঁরা ভিন রাজ্যের শ্রমিক। তাঁদের দিয়েই চলছিল ওই খাদান থেকে কয়লা সরানোর কাজ।

    আচমকাই ধস…

    এদিন সকালে আচমকাই ধস নামে কুলটির বোডরা গ্রামে বিসিসিএলের বারো নম্বর হাজলা পিটের বিস্তীর্ণ অংশে। স্থানীয়দের দাবি, খাদানের নীচে চাপা পড়তে পারেন প্রায় ২৫জন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে এলাকায় আসে পুলিশ। খাদানের ভিতরে ঠিক কতজন আটকে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে খাদানে চলছিল কয়লা সরানোর কাজ। আচমকাই ধস নামে খাদানে। চাপা পড়ে যান খনির মধ্যে থাকা লোকজন। এ ব্যাপারে অবশ্য  মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিসিসিএল কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশোধের আগুন! ধর্ষণ করল ছেলে, বদলা নিতে মাকে গুলি করল দিল্লির এক কিশোরী

    ঘটনার জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর লালন মেহরা। তিনি বলেন, এখানে অবৈধভাবে কয়লার কারবার চলছে। কাউকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে সিন্ডিকেট করে এই অবৈধ কাজ (Coal Mine) করে। লালন বলেন, এখানে বেকারত্বের সমস্যা চূড়ান্ত। সামান্য ১০০ টাকার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়লা তোলার কাজ করেন অনেকেই। সেই সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করেন অন্যরা।    

    আসানসোলের বিস্তীর্ণ অংশে উন্নত মানের কয়লা পাওয়া যায়। দেশ তো বটেই, বিদেশেও চাহিদা রয়েছে আসানসোলের ওই কয়লার। কোনও খনি থেকে কয়লা তোলা হয়ে গেলে খনি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সেখানে মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ, তার পরেও ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে নামানো হয় ওই পরিত্যক্ত খনিগুলিতে। সামান্য কিছু পয়সার বিনিময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই খনিগুলিতেই নামেন শ্রমিকরা। সেখান থেকে পাওয়া কয়লা বেচে ফুলে ফেঁপে ওঠে কারবারিরা। শ্রমিকরা থাকেন কয়লা মতোই নিকষ কালো অন্ধকারে। যেদিন খনিতে ধস নামে, সেদিন দুশ্চিন্তার প্রহর গোণে দিন আনি দিন খাই শ্রমিকদের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    Joshimath: ‘ডুবছে’ জোশীমঠ! কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি, সরানো হল ৪৭ পরিবারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের কারণে বৃহস্পতিবার ফাটল দেখা গিয়েছিল জোশীমঠে (Joshimath)। এলাকার বেশ কিছু বাড়ির দেওয়ালেও ফাটল দেখা গিয়েছে। ঝুঁকি তৈরি হয়েছে শত শত বাড়ি মাটির তলায় চলে যাওয়ার। তার পরে এদিন রাতেই এলাকার বেশ কিছু পরিবারকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে এ রকম প্রায় ৪৭টি পারিবারকে প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে আশ্রয় শিবিরে। ভূমিধসের জেরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, প্রশাসনের তরফে তাঁদের ত্রাণও দেওয়া হচ্ছে।

    জোশীমঠের পরিস্থিতি…

    হিমালয়ের শহর জোশীমঠের বিস্তীর্ণ অংশে কেন ফাটল ধরল, তা জানতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, ভূমধসের কারণেই এলাকায় দেখা গিয়েছে বিরাট ফাটল। ফাটল ধরেছে এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে। ঘটনার জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী (CM) পুষ্কর সিং ধামি জানান, জোশীমঠের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি জোশীমঠ পরিদর্শনে যাবেন। ধামি বলেন, জোশীমঠে ভূমিধস এবং তার জেরে বাড়িতে ফাটল সম্পর্কে আলোচনা করতে এদিন সন্ধ্যায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করব। আগামিকাল আমি জোশীমঠ পরিদর্শন করব। বিজেপির তরফেও একটি দলকে পাঠানো হবে জোশীমঠে।

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) চামোলি জেলায় রয়েছে জোশীমঠ (Joshimath)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ছ হাজার ফিট। বদ্রীনাথ থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ফাটল ধরেছে। জানা গিয়েছে, এ পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার ৫৬১টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রবিগ্রামের ১৫৩টি, গান্ধীনগরের ১২৭টি, মনোহরবাগের ৭১টি, সিংধরের ৫২টি, পারসারির ৫০টি, আপার বাজারের ২৯টি, সুনীলের ২৭টি, মারওয়াড়ির ২৮টি এবং লোয়ার বাজারের ২১টি বাড়ি।

    এদিকে, ভূমিধসের কারণে আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে চার ধাম যাত্রার রাস্তা চওড়া করার কাজ। হেলং থেকে মারওয়াড়ি পর্যন্ত ওই রাস্তা চওড়া করার কাজ শুরু হয়েছিল। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ওই রাস্তা চওড়া করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। সেই কাজই আপাতত বন্ধ থাকছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।  

     

  • Uttarakhand Himachal Travel Tips: হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন এই বিষয়গুলো

    Uttarakhand Himachal Travel Tips: হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন এই বিষয়গুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত দুই পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড। প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধস ও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হিমাচল ও উত্তরাখন্ডে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে অবস্থার অবনতি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে উত্তরাখন্ডে। অপরদিকে হিমাচলে প্রায় ৩৬জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এরই মধ্যে যদি আপনারা উত্তরাখন্ড ও হিমাচলে যেতে চান ও বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে, তবে তাঁদের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া দরকার।

    আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন

    ২২ অগাস্ট আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, ২৫ অগাস্ট হিমাচলের বিভিন্ন জায়গা যেমন চাম্বা, কুল্লু, সোলান, মান্ডি, সিমলায় বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এই জায়গাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যটক ও স্থানীয়দের কোনও নদী ও ব্রিজের কাছে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    যাতাযাতের ব্যবস্থা

    হিমাচলের পাঠানকোট থেকে যোগীন্দর পর্যন্ত ট্রেনের যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। ধর্মশালার চক্কি নদীর ওপর রেলওয়ে ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাখন্ডের একাধিক ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাস ও বিমানের তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টি, বন্যা, ভূমিধসে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ, দেখুন সেই পরিস্থিতি

    রাস্তার অবস্থা

    ধসের ফলে হিমাচলের একাধিক জায়গা জুড়ে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মান্ডি থেকে বিভিন্ন জায়গার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মান্ডিতে মানালি-চন্ডিগড় হাইওয়ে, কাউটালা হয়ে মান্ডি-কুল্লু রাস্তা এবং সিমলা-কালকা রাস্তার পাশাপাশি সোলান জেলার কান্দাঘাট জাতীয় সড়ক 5-এ বন্ধ হয়ে রয়েছে। প্রায় ৭০০টির মত রাস্তা বন্ধ হিমাচেলে। অন্যদিকে উত্তরাখন্ডে তোটাঘাটিতে ঋষিকেশ-বদ্রীনাথ হাইওয়ে, নাগনীতে ঋষিকেশ-গঙ্গোত্রী হাইওয়ে বন্ধ করা হয়েছে।

    পর্যটন ও বিমান কর্তৃপক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে

    কর্তৃপক্ষ থেকে পর্যটকদের নিরাপদে ও সাবধানে যাতায়াত করতে বলা হয়েছে।

    এমার্জেন্সি হেল্প লাইন

    জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়): ০২২-২২০২৭৯৯০

    উত্তরাখণ্ড

    উত্তরাখণ্ড রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ

    স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার: ০১৩৫-০৩৩৪, ১০৭০ (টোল-ফ্রি)।

    জেলা জরুরী অপারেশন কেন্দ্র: ১০৭০

    হিমাচল প্রদেশ

    হিমাচল প্রদেশ রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ

    স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার: ১০৭০

    জেলা জরুরী অপারেশন রুম: ১০৭৭

    জরুরী পরিষেবা: ১০৮,১১

  • Weather Forecast: বন্যা, ভূমিধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি! ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে তিনদিনে মৃত্যু প্রায় ৫০ জনের

    Weather Forecast: বন্যা, ভূমিধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি! ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে তিনদিনে মৃত্যু প্রায় ৫০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর এবং পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য প্রবল বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভূমিধসে বিপর্যস্ত। গত তিনদিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত (heavy rain) আর তার জেরে বন্যা (flood) ও ভূমিধসে বহু মানুষের মৃত্যু (death) হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত তিন দিনে উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand), হিমাচল প্রদেশ (Himachal pradesh) এবং ওড়িশায় (Odisha) ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    হিমাচল প্রদেশ

    চার রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হিমাচল প্রদেশ। বন্যার কারণে বেশ কিছু রাস্তা, রেলসেতু ভেঙে পড়েছে। বহু গ্রাম জলমগ্ন। প্রায় ৩৩০ টি রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে। মাটির বাড়িগুলি ভেঙে পড়েছে। রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হল মান্ডি। প্রবল বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই সেখানে ৩৬ জন মারা গিয়েছেন। ১২ জন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। বন্যায় ভেসে গিয়ে এখনও পাঁচ জন মানুষ নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।

    উত্তরাখন্ড

    এই রাজ্যে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ১০ জনের বেশি নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। নদীর দুই কূল ভেসে যাওয়ায় বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত। সেতু ভেঙে গিয়েছে। এরই মধ্যে একটি রেসোর্টে আটকে পড়া ২৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। উত্তরাখন্ডের দেরাদুন, তেহরি, পাউরি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    ওড়িশা

    ওড়িশার পরিস্থিতিও খুব খারাপ। মুষলধারায় বৃষ্টিতে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ওড়িশায় বন্যায় প্রভাবিত হয়েছেন প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ। বহু মানুষ বন্যার জেরে ঘড় ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে জল ও বিদ্যুত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে সরানো হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে।

    ঝাড়খন্ড

    এই রাজ্যেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন বদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫০০ জনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে নলকারী নদীর জলে ভেসে গিয়েছেন কমপক্ষে পাঁচ জন। তবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, জব্বলপুর, উজ্জয়িনী, মান্ডসুর সহ ৩৯ টি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে জবলপুরের হনুমান তাল মন্দিরের অনেকাংশ জলের তলায়। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে ও নদীর জলস্তরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh), ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), ওড়িশা (Odisha) এবং উত্তরাখণ্ড (Uttrakhand) সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে শনিবার এই রাজ্যগুলিতে বন্যা(Flood) এবং ভূমিধস (Landslides) হয়েছে। এই রাজ্যগুলো থেকে প্রায় ৩৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। ত্রাণ বিলিও শুরু হয়েছে। উদ্ধার কার্যে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    হিমাচল প্রদেশে একটি পরিবারের ৮ সদস্য সহ অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় ভূমিধস এবং বন্যা হয়েছে ৷ আবার ১০ জন আহতও হয়েছেন। শুধুমাত্র মান্ডিতেই ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১৩ জন মারা গেছে এবং ছয়জন নিখোঁজ, ডেপুটি কমিশনার অরিন্দম চৌধুরী জানান। নিখোঁজদের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    উত্তরাখণ্ডে শনিবার সকালেই মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও তার জেরে বন্যা হওয়ায় ৪ জনের মৃত্যু এবং ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। বিভিন্ন নদীর সেতু ভেঙে বিপর্যস্ত এলাকা। সেতু ভেসে যাওয়ায় বেশি কয়েকটি এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বেশ নদীতীরবর্তী একাধিক গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    অন্যদিকে প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ওড়িশা। বন্যার কবলে পড়েছেন অন্তত ৫০০টি গ্রামের প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ। ওড়িশায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে ওড়িশার উত্তরের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির জেরে আরও ক্ষতি হয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ময়ূরভঞ্জ, কেন্দ্রপাড়া এবং বালাসোর সহ বেশ কয়েকটি জেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ দল পাঠিয়েছেন। শনিবার প্লাবিত মহানদীর প্রবল স্রোতে একটি নৌকা ভেসে গেলে সেখান থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আবার প্রবল বৃষ্টিতে ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জেলায় বহু গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে এবং নিচু এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। পশ্চিম সিংভূমে বাড়ির মাটির দেওয়াল পড়ে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আবার নলকারী নদীর জলে দুজন ভেসে গিয়েছেন।

    জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার ত্রিকুটা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত বিখ্যাত মাতা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরের যাত্রা (Vaishno Devi Yatra) রবিবার সকালে ফের শুরু হল৷ রাতভর ভারী বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে  স্থগিত ছিল তীর্থযাত্রা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। 

     

LinkedIn
Share