Tag: lawyer

lawyer

  • Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    Bangladesh Crisis: হাসপাতালে ভর্তি রবীন্দ্র ঘোষ, চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে লড়বেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই আদালতে উঠবে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) জেলবন্দি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মামলা। তাঁর হয়ে লড়াই করার কথা ছিল যাঁর, সেই প্রবীণ আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে (Rabindra Ghosh) ভর্তি করা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা অনুভব করায় কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণের আইনজীবীকে। ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালতে চিন্ময় দাসের জামিন মামলার শুনানিতে বর্ষীয়ান ওই আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রবীন্দ্রকে গ্রেফতারির ছক?

    রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণকে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম আদালতে চলছে মামলা। তাঁর হয়ে মামলা লড়ছেন রবীন্দ্র। চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন তিনি। উঠেছেন ব্যারাকপুরে ছেলের বাড়িতে। ভারতে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম আদালতের এজলাসে উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশের আচরণ সন্ত্রাসবাদীদের মতো।” মামলা লড়তে গিয়ে রীতিমতো আঘাতও পেতে হয়েছে তাঁকে। তাই চিকিৎসা করাতে এসেছেন ভারতে। তিনি বলেছিলেন, “ফিরে গিয়ে ফের সওয়াল করব চিন্ময় কৃষ্ণের হয়ে।” আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারবেন না বলেই খবর। তবে বাংলাদেশে পৌঁছলেই যে রবীন্দ্র মামলা লড়তে পারবেন, এমন কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ হিন্দু সন্ন্যাসীর হয়ে মামলা লড়ার অপরাধে একাধিকবার খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, প্রবীণ ওই আইনজীবী বাংলাদেশে পৌঁছলেই তাঁকে গ্রেফতার করবে মহম্মদ ইউনূসের পুলিশ। চিন্ময় কৃষ্ণকে যাতে বেশি দিন গারদে আটকে রাখা যায়, তাই এই ছক।

    আরও পড়ুন: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    কী বলছেন প্রবীণ আইনজীবী?

    রবীন্দ্র বলেন, “বুধবারই দেশে ফেরার কথা ছিল আমার। কিন্তু বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশে ফিরতে পারব কিনা, নিশ্চিত নই। তবে (Bangladesh Crisis) আমি ২০ জন আইনজীবী দিয়েছি।” তিনি বলেন, “আমার দুজন জুনিয়র আইনজীবী এবং আরও ১৮ জন দাসের পক্ষে আগামিকাল আদালতে উপস্থিত থাকবেন। আমি তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব (Rabindra Ghosh)। সুস্থ হয়ে উঠলে আমি বাংলাদেশে ফিরে আসব।” বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষার জন্য তাঁর লড়াই চলবে বলেও জানান তিনি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: ‘চিন্ময় প্রভুর হয়ে সওয়াল করলেই গণপিটুনি’! মৌলবাদীদের সন্ত্রাসে ইস্তফা এপিপি-র

    Bangladesh: ‘চিন্ময় প্রভুর হয়ে সওয়াল করলেই গণপিটুনি’! মৌলবাদীদের সন্ত্রাসে ইস্তফা এপিপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কত নীচে নামবে? চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Prabhu) জেলবন্দি করে রাখার ছক বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদীদের। হিন্দুদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা এই সন্ন্যাসী যাতে ছাড়া না পান, তার জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে মৌলবাদীরা। টার্গেট করা হয় চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীদের টার্গেট করে জেহাদিরা। বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে হুমকি কোনও কিছু বাদ যায়নি। এমনকী, তাঁদের গণপিটুনির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে অতিরিক্ত পাবলিক প্রোসিকিউটরকে। 

    গণপিটুনির হুমকি দেন চিন্ময়কৃষ্ণ বিরোধী আইনজীবী!

    চিন্ময় দাসের হয়ে সওয়াল করলে গণপিটুনি দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন চিন্ময়ের বিরোধী পক্ষের আইনজীবী! ওই আইনজীবীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘ইসকনের, এই জঙ্গি সংগঠনের নেতা এই চিন্ময় দাসকে যতদিন পর্যন্ত হত্যা মামলায় আসামি করা হবে না, আইনজীবীদের আন্দোলন ততদিন চলবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই চট্টগ্রাম আদালত পাড়ায় যদি কেউ সাহস করে এই চিন্ময় দাসের পক্ষে এবং চিন্ময় দাসের তোষণের পক্ষে কেউ যদি ওকালতি করতে চায়, কিংবা ওকালতনামা দাখিল করে, সঙ্গে সঙ্গে এই বিল্ডিংয়ে তাকে গণপিটুনি দিতে হবে।’’

    জেহাদিদের হুমকির মুখে ত্রস্ত চিন্ময়ের আইনজীবীরা

    বিরোধী আইনজীবী প্রকাশ্যে যদি এই হুমকি দেন, তাহলে চিন্ময়ের হয়ে দাঁড়ানোর সাহস কী করে পাবেন তাঁর আইনজীবীরা। কেবলমাত্র হুমকি দেওয়া নয়। চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীদের ওপর নৃশংস হামলাও চালানো হয়। সোমবার তাঁর অন্যতম প্রধান আইনজীবী রমেন রায়ের ওপর ভয়াবহ হামলা হয়। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আরেও এক আইনজীবী রিগন আচার্যর চেম্বারেও হামলা চালানো হয়। ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয় সব। ৫০ জনের বেশি আইনজীবী চিন্ময়ের জন্য আদালতে লড়তে রাজি ছিলেন, কিন্তু সন্ত্রাসের জেরে সব আইনজীবী সকলেই এলাকা ছাড়া। কারও ফোন বন্ধ। আতঙ্কে আত্মগোপন করেছেন অনেক আইনজীবী। জেহাদিদের হুমকির ভয়ে চিন্ময় প্রভুর হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে আসার সাহস দেখাননি।

    অতিরিক্ত পিপি-কে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে

    শুধু তাই নয়। এও জানা গিয়েছে, সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে সওয়াল করতে ওকালতনামা জমা দিয়েছিলেন চট্টগ্রামের (Bangladesh) আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর। এই কথা জানতে পেরেই তাঁকে ঘিরে ধরে বাংলাদেশের বিরোধী আইনজীবীরা। লাগাতার হুমকি ও নির্যাতন করা হয় তাঁর উপরে। আইনজীবীর কক্ষে চড়াও হয়ে বাধ্য করা হয় অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর পদ থেকে ইস্তফা দিতে। ভাইরাল হয়েছে ওই মুহূর্তের হাড়হিম করা ভিডিও। কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘৫১ জনের বেশি আইনজীবী যাঁরা তাঁর হয়ে লড়াই করছেন, সবার বিরুদ্ধে পুলিশ কেস করা হয়েছে। সবার বাড়ি ঘর ভাঙা হয়েছে। আর ওদের মধ্যে অনেকে লুকিয়ে রয়েছে। কারণ ওরাও আতঙ্কে রয়েছে।’’ 

    ইউনূসের আসল চেহারা গোটা বিশ্বের সামনে উন্মোচিত

    এহেন মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট, যার মুখপাত্র হলেন চিন্ময়। তারা জোটের তরফে কড়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের হয়ে কোনও আইনজীবীকে দাঁড়াতে না দেওয়ার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। সরকার কী চাইছে? এটা কি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার নমুনা? এটা যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশে সনাতনী সহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? তাদের প্রশ্ন, এরপর কি আদৌ বলা যায় বাংলাদেশে আইনের শাসন আছে? প্রশ্ন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের। তাদের মতে, এই ঘটনা শান্তি-সম্প্রীতি-মানবাধিকারের হয়ে সওয়াল করে নোবেল পুরস্কার পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের আসল চেহারা গোটা বিশ্বের সামনে উন্মোচিত করে দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ইডির বিরুদ্ধে চিঠি দিয়ে নয়া ফন্দি! কুন্তলের পথেই কি শাহজাহান?

    Sheikh Shahjahan: ইডির বিরুদ্ধে চিঠি দিয়ে নয়া ফন্দি! কুন্তলের পথেই কি শাহজাহান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার শিরোনামে শেখ শাহজাহান (sheikh shahjahan)। এবার খোদ ইডির (ED) বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে সোজা আদালতে চিঠি দিলেন সন্দেশখালির (sandeshkhali) এই ত্রাস। ইডির হেফাজতে ‘জোর করে’ বয়ান লেখানো হয়েছে তাঁকে, এই মর্মেই অভিযোগ তুলে আদালতে আবেদন জানালেন তাঁর আইনজীবী। তবে এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবীরা আদালতে দাবি করে বলেন, “এই চিঠি শাহজাহানের লেখা নয়, তাঁর আর্জির চিঠিকে কোনও ভাবেই যেন আদালতের রেকর্ডে না রাখা হয়। এই চিঠি গৃহীত হলে এতদিন শাহজাহান যে বয়ান দিয়েছেন, তার আর গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।”

    উল্লেখ্য সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ একই ভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চিঠি দিয়েছিলেন। এবার তদন্ত থেকে বাঁচার জন্য শেখ শাহজাহান কি একই রাস্তা অবলম্বন করছেন? কার্যত নয়া ফন্দি!

    ঠিক কী হয়েছিল (Sheikh Shahjahan)?

    প্রসঙ্গত, শনিবারই শেষ হয় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ইডি হেফাজতের মেয়াদ। তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে (bankshall court) তোলা হলে প্রশ্ন-উত্তর চলাকালীনই তাঁর আইনজীবী প্রকাশ্যে আনেন শাহজাহানের লেখা ওই চিঠির প্রসঙ্গ। আদালত কক্ষেই পড়ে শোনানো হয় সেই চিঠি। চিঠির বয়ান শুনেই কার্যত শোরগোল পড়ে যায় আদালত কক্ষে।

    শাহজাহানের লেখা চিঠিতে কী ছিল?

    শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) লেখা চিঠিতে যা ছিল তা হল, “গত ১ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে থাকাকালীন আমাকে দিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড করানো হয়েছে। একই ভাবে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। পছন্দের বয়ান না দিলে আমি, আমার ভাই এবং আত্মীয়দের মাদক মামলায়, জড়িয়ে দেওয়া হবে।”

    পরবর্তী শুনানি ১৫ এপ্রিল

    এরপরেই চিঠির বয়ান নিয়ে ইডির আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন আদালতে। ওই চিঠি আদৌ শাহজাহানের (sheikh shahjahan) লেখা কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই চিঠি কি আবেদন পত্র? তা নিয়েও সওয়াল করেন ইডির আইনজীবীরা। একই ভাবে শাহজাহানের এই চিঠির আবেদন পদ্ধতি এবং বক্তব্যের বিরোধিতা করা হয়। শেষ পর্যন্ত আদালতের তরফ থেকে জানানো হয় চিঠি গ্রহণ করা হলেও ইডির স্পেশাল কোর্টে আগামী ১৫ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর”, বিস্ফোরক দিলীপ

    কুন্তল ঘোষও চিঠি দিয়েছিলেন

    উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত বলাগড়ের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ এবং রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত শঙ্কর আঢ্যও একই ভাবে চিঠি লিখে অভিযোগ তুলেছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে। রাজনীতির একাংশের মানুষ অবশ্য মনে করছেন, ধৃত তৃণমূল নেতা তদন্ত থেকে বাঁচার জন্য তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বাঁচার কৌশল করছেন। এখন শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) তদন্ত আগামী দিনে কোন পথে এগিয়ে যায় তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: খড়্গপুরে শ্রীনু নাইডু খুনের মামলায় অভিযুক্ত ১৩ জনই বেকসুর খালাস!

    Paschim Medinipur: খড়্গপুরে শ্রীনু নাইডু খুনের মামলায় অভিযুক্ত ১৩ জনই বেকসুর খালাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়্গপুরের (Paschim Medinipur) এক সময়ের ত্রাস শ্রীনু নাইডু খুনের মামলায় অভিযুক্ত ১৩ জনকেই বেকসুর খালাস করে দিলেন বিচারক। বিচারকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সরকারি পক্ষের আইনজীবী সমরকুমার নায়েকের। শ্রীনু নাইডুর স্ত্রী পূজা নাইডু বলেন, আইনের প্রতি বিশ্বাস আমার চলে গেল। হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের জন্য আবেদন করব।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Paschim Medinipur)?

    উল্লেখ্য, রেল শহরের (Paschim Medinipur) এক সময়ের ‘ত্রাস’ শ্রীনু নাইডু খুনের রায় ঘোষণা হল দীর্ঘ ছয় বছর পর। ২০১৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বিকেলে খড়্গপুরের নিউ সেটলমেন্ট এলাকায় ১৮ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কার্যালয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন শ্রীনু। দুষ্কৃতীদের হামলায় নিহত হন শ্রীনুর ডান হাত ধর্মা রাও। জখম হন আরও তিনজন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই বছরই ২৮ শে ফেব্রুয়ারি অন্ধপ্রদেশের তানুকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বাসব রামবাবুকে। ঘটনার ৮৭ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা পড়েছিল মেদিনীপুর আদালতে। খড়্গপুরে এক সময়ের রেল মাফিয়া বাসব রামবাবু সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয় এই মামলায়। দীর্ঘদিন বিচার প্রক্রিয়া চলার পর অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে ঘোষণা হল রেল শহরের অন্যতম মাফিয়া শ্রীনু নাইডু হত্যা মামলার রায়। অপর দিকে রায় অপ্রত্যাশিত বলে দাবি সরকারি পক্ষের আইনজীবীর।

    স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটরের বক্তব্য

    স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর সমরকুমার নায়ক বলেন, কোর্টের আদেশকে প্রভাবিত করা হয়েছে। এই মামলায় (Paschim Medinipur) সাক্ষী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণের বিষয়কে উপেক্ষা করে রায় ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত অনভিপ্রেত এই রায়। যেখান থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে তার তথ্য, যাঁরা গুলি খেয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাঁরা সবাই দোষীদের চিহ্নিত করেছেন। ফলে, এই আদেশে বিচারক প্রভাবিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন আইনজীবী। তিনি বলেন, আমরা বিচারে খুশি নই। এসপির সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা হাইকোর্টে কেস ফাইল করব।

    আসামি পক্ষের উকিলের বক্তব্য

    আসামি পক্ষের আইনজীবী (Paschim Medinipur) অজয়কুমার ঘোষের বক্তব্য, ১৩ জন আসামি যারা ছিল, তাদের সকলকেই এই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন বিচারক। মুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে অজয়বাবু বলেন, যদি দোষীরা কেউ অন্য মামলায় গ্রেফতার না হয়ে থাকেন, তাহলে মুক্তি পাবেন। আর যদি গ্রেফতার হয়ে থাকেন তাহলে মুক্তি পাবেন না। কিন্তু এই মামলায় ১৩ জন সকলেই অব্যাহতি পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: শিশুসন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মায়ের হয়ে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী

    Hooghly: শিশুসন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মায়ের হয়ে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) কোন্নগরে সন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মা এবং তাঁর বান্ধবীর হয়ে আদালতে সওয়াল করতে রাজি হননি কোনও আইনজীবী। স্বামীর অবশ্য স্পষ্ট দাবি, তাঁর স্ত্রীর যেন ফাঁসি হয়। আজ বুধবার দুপুরে শান্তা শর্মা এবং ইফফাক পারভিনকে তোলা হয় শ্রীরামপুর আদালতে। তদন্তের জন্য দুই জনকেই পুলিশ হেফাজতে চেয়েছে। আদালতে প্রশ্ন-উত্তরের পর ধৃত দুই জনকেই পুলিশের হেফাজতে নির্দেশ দেন বিচারক। ইতিমধ্যে হত্যার বিচার চেয়ে পোস্টার পড়েছে এলাকায়।

    শিশুর পিতার বক্তব্য (Hooghly)

    শ্রীরামপুর (Hooghly) আদলাত থেকে বেরিয়ে এদিন শিশু শ্রেয়াংশু শর্মার বাবা পঙ্কজ বলেন, “অপরাধীদের কঠিন শাস্তি চাই। যে খুন করেছে আমি চাই সব থেকে কঠিন শাস্তি হোক তার। ফাঁসি চাই। ১৩-১৪ বছর সাজা হলে আবার বেরিয়ে আসবে। এরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।”ছেলের মৃত্যু প্রসঙ্গে বাবা আরও বলেন, “ঘরের পাশে সিঁড়ির পাশে থাকা ইট, টেবিলে রাখা গণেশ মূর্তি দিয়ে আঘাত করে করা হয় ছেলেকে। এরপর রান্নাঘরের মধ্যে থাকা সব্জি কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করে খুনিরা।” তবে শিশুর মা বলেন, “নিজের ছেলেকে কেউ মারতে পারেনা।” তাঁদের একমাত্র ছেলের খুন কেন হল সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজ করছে পুলিশ।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    কোন্নগরের (Hooghly) আদর্শনগরের আট বছরের শিশুহত্যার ঘটনায় একাধিক নানান রহস্য রয়েছে। তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য, “সম্পর্কের টানাপড়নের শাস্তি পেতে হয়েছে ওই শিশুকে। শিশুর মা এবং তার বান্ধবীর মধ্যে ছিল সমকামিতার সম্পর্কের সমীকরণ। তবে ঠিক কী কারণে শিশুকে খুন করা হয়েছে এই নিয়ে তদন্ত আরও বাকি রয়েছে।” 

    ১৬ ফেব্রুয়ারি খুন হয়

    ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ সন্ধ্যা বেলায় শ্রেয়াংশু খুন হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় বাবা এবং মা দুই জনেই ছিল না। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাবা বাড়িতে পৌঁছান। কিন্তু হাসপাতালে (Hooghly) নিয়ে যেতেই মৃত্যু হয় শিশুর। যদিও প্রথমে বাবার দাবি ছিল কেউ তাঁর ছেলেকে খুন করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share