Tag: Lebanon

Lebanon

  • Lebanon Pager Blast: পেজারে মাত্র ৩ গ্রাম বিস্ফোরক! হিজবুল্লার বিরুদ্ধে ৫ মাস আগে প্ল্যানিং মোসাদের

    Lebanon Pager Blast: পেজারে মাত্র ৩ গ্রাম বিস্ফোরক! হিজবুল্লার বিরুদ্ধে ৫ মাস আগে প্ল্যানিং মোসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর পর পেজার বিস্ফোরণে (Lebanon Pager Blast) কেঁপে উঠল লেবানন ও সিরিয়ার একাধিক এলাকা৷ পাঁচ মাস আগে থেকেই এই পেজার হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছিল ইজরায়েলের ‘দুর্ধর্ষ’ গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে এমনই দাবি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, লেবাননের হিজবুল্লা জঙ্গিগোষ্ঠী কয়েক মাস আগে তাইওয়ানের একটি কোম্পানিকে পেজার সরবরাহের বরাত দিয়েছিল। আর সেই বরাতেরই ৫ হাজার পেজারে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে দিয়েছিল মোসাদ (Israel’s Spy Agency Mossad)। এমনই অভিনব কায়দায় জঙ্গি দমনের পরিকল্পনা করে মোসাদ। 

    কেন বিস্ফোরণ

    মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটে থেকে লাগাতার বিস্ফোরণে (Lebanon Pager Blast) রক্তাক্ত হয়ে ওঠে লেবানন। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১ জন। আহত ৪ হাজার। জানা গিয়েছে, মূলত হিজবুল্লার সদস্যদের কাছে থাকা পেজার থেকেই বিস্ফোরণ হয়েছে। ইজরায়েল ও হামাসের যুদ্ধে হামাসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল লেবানন-সিরিয়ার হিজবুল্লা জঙ্গিদল। তাই এই বিস্ফোরণ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, গোল্ড অ্যাপোলো কোম্পানির কাছ থেকে হিজবুল্লার হাতে পেজার পৌঁছনোর আগেই মোসাদ বাহিনী সেগুলিতে মাত্র ৩ গ্রাম করে বিস্ফোরক গুঁজে রাখে। যদিও তাইওয়ানের ওই কোম্পানি বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ওই কাজ করেনি। যেগুলিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেগুলি তারা তৈরি করেনি।

    কীভাবে বিস্ফোরণের ছক

    লেবাননের (Lebanon Pager Blast) এক অধিকর্তা জানিয়েছেন, ওই পেজারে এমন বিস্ফোরক রাখা ছিল, যা কোডের মাধ্যমে অ্যাক্টিভেট হয়। মঙ্গলবার ওই কোড পাঠাতেই সমস্ত পেজারে একসঙ্গে বিস্ফোরণ হতে থাকে। মনে করা হচ্ছে, মোসাদ (Israel’s Spy Agency Mossad) পেজারের ভিতরে এমন বোর্ড ঢুকিয়ে দিয়েছিল, যাতে বিস্ফোরক জাতীয় কিছু ছিল। প্রতি পেজারে ৩ গ্রামেরও কম পরিমাণে বিস্ফোরক ভরা ছিল। পরিমাণ কম হওয়ায়, কোনও স্ক্য়ানার বা যন্ত্রে এই বিস্ফোরক ধরা পড়েনি। মনে করা হচ্ছে, এমন কোনও বিস্ফোরক রাখা ছিল যা ওই যন্ত্রের ব্যাটারির তাপমাত্রা বাড়িয়েছিল, যার জেরে বিস্ফোরণ ঘটে। 

    বিস্ফোরণের নেপথ্যে কী ধরনের প্রযুক্তি

    যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হয় পেজার। পেজারের মাধ্যমে লোকেশন ট্র্যাক করা যায় না। বহু সময় আগে এটি পুরোদস্তুর ব্যবহার হত। তবে মোবাইল আসার পর তার ব্যবহার কমেছে। কিন্তু হিজবুল্লা গোষ্ঠী এই পেজার ব্যবহার করে, যাতে তাদের লোকেশন ট্র্যাক না করা যায়। সাধারণত হাতে বা পকেটে থাকে এই পেজার। মূলত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে মেসেজ পাঠায় ও গ্রহণ করে এই পেজার। ডিভাইসটির ছোট স্ক্রিনে সেই বার্তা দেখা যায়। মেসেজ এলে ফোনের মেসেজ টোনের মতো আওয়াজও হয় তাতে। এই পেজারের মধ্যেই বিস্ফোরক রাখার ছক কষে মোসাদ। কারণ পেজার বেজে উঠলে তাতে বোতামে আঙুল ঠেকালেই তা ট্রিগারের কাজ করবে। এভাবেই হয় পেজার তৈরি সময়, নয়তো তাইওয়ান থেকে পাঠানোর সময় কিংবা ডুপ্লিকেট পেজার হিজবুল্লার হাতে এসেছিল, যা বরাত পাওয়া সংস্থার মতো দেখতে হলেও তাদের তৈরি নয়।

    আরও পড়ুন: হ্যালের তৈরি ৪টি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার কিনছে নাইজিরিয়া

    মোবাইল কি নিরাপদ

    এ এক অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিন যুদ্ধকৌশল। ইজরায়েল আগেও এইভাবে বিস্ফোরণ (Lebanon Pager Blast) ঘটিয়েছিল। ১৯৯৬ সালে হামাস নেতা ইয়াহা আয়াসকে খুন করার জন্য মোবাইল ফোনে ১৫ গ্রাম আরডিএক্স বিস্ফোরক রেখেছিল। হামাস নেতা ফোন করা মাত্রই বিস্ফোরণ হয়। তবে, পেজারের মাধ্যমে ব্যপক ক্ষেত্রে এই ধরনের বিস্ফোরণ প্রথম। যদিও এই প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি ইজরায়েলি সেনাবাহিনী৷ কী ভাবে এবং কখন পেজারের ভিতরে বিস্ফোরক ভরা হয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই বিস্ফোরক কী ভাবে সক্রিয় করা হল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, হিজবুল্লার সদস্যদের ব্যবহৃত পেজারে লিথিয়াম ব্যাটারি রয়েছে। এই লিথিয়াম ব্যাটারিতে সবসময় বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে। অতিরিক্ত গরম হলে এগুলি ফেটে যায়। তবে এই ব্যাটারি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনেও ব্যবহৃত হয়। তাই পেজারের পর বাকি ইলেকট্রনিক পণ্যও যে ফাটবে না, তার কোনও গ্যারান্টি দিতে পারছে না লেবানন সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pager Blast: লেবাননে একের পর এক পেজার হামলা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, আহত ৪ হাজার

    Pager Blast: লেবাননে একের পর এক পেজার হামলা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, আহত ৪ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লেবাননে লাগাতার পেজার বিস্ফোরণে (Pager Blast) মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। আহতের সংখ্যা চার হাজার ছুঁইছুঁই। সিরিয়াতেও পেজার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মূলত হিজবুল্লা (Hezbollah) জঙ্গি সংগঠনকেই নিশানা করে এই হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি। এই হামলার পিছনে ইজরায়েলকেই (Israel) দোষারোপ করেছে হিজবুল্লা। হামলার পরই লেবাননের (Lebanon) সরকার সাধারণ মানুষকে পেজার ফেলে দিতে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া রেডিও এবং ট্রান্সমিটারও বিস্ফোরিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ধরনের কোনও যন্ত্রই  আপাতত ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে। 

    পেজার কী?

    পেজার (Pager Blast) হল যোগাযোগ মাধ্যমের অন্যতম একটি ডিভাইস। মোবাইল ফোনের বিকল্প হিসাবে পেজারের ব্যবহার হয়ে থাকে। সাধারণত বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী এই ডিভাইস ব্যবহার করে। লোকেশন ট্র্যাক করা যায় না এই পেজারে। হাতে বা পকেটে করে পেজার নিয়ে ঘোরা যায়। সেই পেজারের মধ্যেই বিস্ফোরক রেখে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে খবর। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকে বহুল ব্যবহার হত পেজারের। পেশাদার লোকজন অফিসের বাইরেও একে অপরকে দ্রুত কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়ার জন্য পেজার ব্যবহার করতেন। জরুরি পরিষেবাগুলিতে চিকিৎসক, নার্সদের কাছে এটি একটি দরকারি ডিভাইস ছিল। মোবাইল ফোন জনপ্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেজারের ব্যবহার কমতে থাকে। আজকাল আর কেউ পেজার ব্যবহার করে না। স্মার্টফোনেই কলিং, মেসেজ  থেকে ইন্টারনেটের যাবতীয় সুবিধা পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পর থেকে প্রথমবার! ভারতবাসীর খাদ্যশস্যের খরচে উল্লেখযোগ্য হ্রাস

    কেন হামলা?

    লেবাননে (Lebanon) পর পর পেজার বিস্ফোরণের (Pager Blast) পিছনে ইজরায়েলের হাত রয়েছে বলেই দাবি হিজবুল্লার। গাজা উপত্যকায় হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে চলা যুদ্ধে হামাসকে সমর্থন করে হিজবুল্লা। ইজরায়েলের উপরে হামলাও চালিয়েছে এই গোষ্ঠী। তাদের সন্দেহ, বদলা নিতেই এবার পেজার হ্যাক করে লাগাতার বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে ইজরায়েল। দাবি করা হচ্ছে, লেবাননের রাজধানী এবং তার সংলগ্ন এলাকার রাস্তায় পড়ে শয়ে শয়ে মানুষ। কারও হাত উড়েছে, কারও আবার পা। কেউ আবার চোট পেয়েছেন মাথায়। পরিজনদের খোঁজে উদ্ভান্তের মতো চারপাশ দৌড়তেও দেখা যাচ্ছে মানুষজনকে। সামান্য সময়ের পর পর বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত লেবানন এবং সিরিয়ার বিস্তীর্ণ জনজীবন। সরকারি সূত্রে খবর, এই হামলায় হিজবুল্লার একাধিক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের তালিকায় রয়েছে এক কিশোরীও। ইরানের রাষ্ট্রদূত মোজিতবা আমানি আহত হয়েছেন এই হামলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজার দখল নিল ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। অন্তত এমনটাই দাবি নেতানিয়াহু সরকারের। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জোয়াভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, ১৬ বছর ধরে যে হামাস (Israel-Hamas War) জঙ্গিরা গাজা শহরকে দখল করে রেখেছিল, তাদেরকে ক্ষমতারচ্যুত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর দাপটে হামাস জঙ্গিরা গাজার দক্ষিণ দিক দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। হামাসের সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে বর্তমানে দখল নিচ্ছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। জানা গিয়েছে, গাজা দখলের পরে আপাতত ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল, হামাস জঙ্গিদের হাতে পণবন্দী থাকা ইজরায়েলের নাগরিকদের দ্রুত মুক্ত করা। কীভাবে পণবন্দীদের মুক্ত করা যায় তারই পরিকল্পনায় ব্যস্ত রয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।

    কী বলছেন হামাসের মুখপাত্র?

    অন্যদিকে, ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel-Hamas War) মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার। কাতারের প্রতিনিধির মাধ্যমেই এক পক্ষের বার্তা অন্য পক্ষে যাচ্ছে বলে খবর। ইজরায়েলের মারে বেসামাল হামাস এখন যুদ্ধ বিরতি চাইছে। হামাসের তরফে মুখপাত্র আবু ওবেদিয়া বলেন, ‘‘আমরা মধ্যস্থতাকারীকে (কাতার) জানিয়েছি যে, পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি পেলে আমরা কিছু পণবন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি। ওই পাঁচ দিনে আমরা আহতদের চিকিৎসা করব এবং ত্রাণ বিতরণ করব। কিন্তু শত্রুপক্ষ গড়িমসি করছে।’’ জানা গিয়েছে, ৫ দিনের যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা যদি ইজরায়েল করে সেক্ষেত্রে ৭০জন পণবন্দীকে ছাড়তে রাজি হয়েছে হামাস জঙ্গিরা (Israel-Hamas War)। অন্যদিকে, ইজরায়েল ১০০ জন পণবন্দীর মুক্তির দাবি জানিয়েছে। এখন দেখার যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

    উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি

    গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় হামাস-ইজরায়েলের (Israel-Hamas War) যুদ্ধ। প্রথমেই ইজরায়েলের ওপরে পাঁচ হাজার রকেট হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। ইহুদি ভূখণ্ডে ঢুকে অনেক নাগরিককে পণবন্দি করে নিয়ে যায় তারা। এরপরই পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন আর দুটো দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। হামাসের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে ইরানপন্থী লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। তারা রকেট হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েলও। কয়েকদিন আগে সিরিয়াতে ইরানপন্থী অন্য একটি জঙ্গি সংগঠনের অস্ত্রঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছে আমেরিকা। অভিযোগ ওই অস্ত্র সরবরাহ করা হতো হামাস জঙ্গিদের। বেশ উত্তপ্ত রয়েছে মধ্য প্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ শুরুর পরে ইজরায়েল সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel: হামাসের পর এবার ইজরায়েলে হামলা হেজবোল্লা, সিরিয়ার, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    Israel: হামাসের পর এবার ইজরায়েলে হামলা হেজবোল্লা, সিরিয়ার, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের (Israel) ওপর হামলা চালিয়েছিল হামাসরা। এবার আক্রমণ ধেয়ে এল উত্তরের লেবানন ভূখণ্ড থেকেও। বুধবার রাতে  আকাশযান থেকেও হামলা চালানো হয়েছে লেবানন সীমান্তবর্তী ইজরায়েলি শহর বেইট শিয়ার, সাফেদ এবং টাইবেরিয়াসের ওপর। অনুমান, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লার ড্রোন হানা দিয়েছে ইজরায়েল ভূখণ্ডে। ইজরায়েল সেনা সূত্রে খবর, ঘটনার নেপথ্যে লেবাননের বায়ুসেনার ভূমিকাও থাকতে পারে।

    হেজবুল্লা বাহিনীর হুঁশিয়ারি

    বুধবার সকালেই ইরানের মদতপুষ্ট হেজবুল্লা বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইজরায়েলকে। বিবৃতি জারি করে লেবাননের ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর এক মুখপাত্র বলেছিলেন, “প্যালেস্তাইনকে ইউক্রেন ভাবলে ভুল করবে অন্যরা। বাইরের কোনও শক্তি ইজরায়েল ও হামাসের সংঘাতে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এরই কয়েক ঘণ্টা পরে শুরু হয়েছে হামলা। হেজবুল্লা বাহিনীতে রয়েছে লক্ষাধিক যোদ্ধা। এর আগেও ইজরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে তারা।

    হামাসকে শুভেচ্ছা হেজবুল্লার 

    ৭ অক্টোবর হামাস যখন প্রথম হামলা চালায়, তখন তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল লেবানের হেজবুল্লা। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ বুধবার পড়ল পঞ্চম দিনে। এদিন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে হাজার চারেক ইজরায়েলি নাগরিকের। এহেন পরিস্থিতিতে হেজবুল্লা ঢুকে পড়ায় হতাহতের সংখ্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা। ইজরায়েলি (Israel) সেনার তরফে জানানো হয়েছে, দেশের আকাশসীমায় বেআইনি অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে লেবানন। তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভিতরে ঢুকে পড়েছে পড়শি দেশ।

    ১৯৮২ সালে হেজবুল্লা প্রতিষ্ঠা করে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। ইজরায়েলের বাহিনী লেবানন আক্রমণ করলে এবং ইসলামি বিপ্লবকে আরব দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতেই গড়া হয়েছিল হেজবুল্লা। সেই হেজবুল্লাই এবার সঙ্গত দিতে শুরু করল হামাসকে।

    আরও পড়ুুন: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    এদিকে, সিরিয়া সীমান্তে মোতায়েন থাকা কামান থেকেও গোলা ছোড়া হচ্ছে ইজরায়েলে (Israel)। তেল আভিভের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের বাহিনী গোলা ও মর্টার শেলের জবাব দিচ্ছে। সিরিয়া থেকে যে হামলা হচ্ছে, তা আমরা প্রতিহত করছি।” প্রসঙ্গত, সিরিয়ার সঙ্গেও ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলের রক্তাক্ত সংঘাত হয়েছে একাধিকবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Intercontinental Cup 2023: নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ড্র সুনীলদের! রবিবার ফাইনালে লেবাননের সামনে ভারত

    Intercontinental Cup 2023: নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ড্র সুনীলদের! রবিবার ফাইনালে লেবাননের সামনে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল কোন দুটি দল হিরো ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপের (Intercontinental Cup 2023) ফাইনালে খেলবে। ভানুয়াটুরকে হারানোর পর সুনীল ছেত্রীদের খেতাবী লরাইয়ে নামার টিকিট প্রায় পাকা ছিল। তা নিশ্চিত হয়ে যায় ভানুয়াটুরের কাছে মঙ্গোলিয়া হেরে যাওয়ায়। ফলে লেবাননের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার কার্যত নিয়ম রক্ষার ম্যাচ ছিল ভারতের কাছে। ফিফা ক্রম তালিকায় এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে জয় পেল না ভারত। গোলশূন্যভাবে শেষ হয় ম্যাচটি। রবিবার ফাইনালে লেবাননের বিরুদ্ধেই খেলবে ভারত।

    লেবানন কঠিন প্রতিপক্ষ

    এদিন কোচ ইগর স্টিমাচ তাই রিজার্ভ বেঞ্চ বড় করে নিতে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যই তিনি সাজিয়েছিলেন দল। দুরন্ত ছন্দে থাকা, ক্যাপ্টেন সুনীল ছেত্রীকে (Sunil Chetri) শুরু থেকে খেলানো হয়নি। উল্টোদিকে লেবানন যেহেতু ফাইনালে খেলা আগেই নিশ্চিত করেছিল, তাই ভারতের বিরুদ্ধে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে তেমন গা ঝাড়া দেয়নি। এমনিতে লেবানন কঠিন প্রতিপক্ষ। অতীতে ভারতকে বেশ কয়েকবার বেগ দিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার লেবাননের খেলা দেখে মনে হয়েছে তারা ফাইনালের জন্য নিজেদের গুটিয়ে রাখলেন।

    গোল নষ্ট, তবে জমাট রক্ষণ

    ওড়িশার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে লেবাননের বিরুদ্ধে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট রক্ষণ জমাট করে আক্রমণ সারতে চেয়েছিলেন। এক্ষেত্রে কিছুটা সফল কোচ ইগর স্তিমাচ। বেশ কয়েকবার ভারতীয় ডিফেন্সে লেবাননের আক্রমণে ঝড় আছড়ে পড়েছিল। তবে অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সন্দেশ ঝিঙ্গানের নেতৃত্বে ভারতীয় ডিফেন্ডাররা তা সহজে ই প্রতিরোধ করে। ম্যাচের সেরাও হন সন্দেশ। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল ভারতীয় দল। আশিক কুরিয়া সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। শেষ পর্যন্ত গোলের খোঁজে সেই সুনীল ছেত্রীর উপরে ভরসা রাখতে হয় কোচকে। ৮১ মিনিটে মাঠে নামেন ভারত অধিনায়ক। চেষ্টার কসুর করেননি সুনীল। তবে গোল পাননি। ভারতীয় দলকে ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে বড় অবদান রয়েছে সুনীল ছেত্রীর। গত ম্যাচে ভানুয়াটুর বিরুদ্ধে জয়সূচক গোলটি এসেছিল তার পা থেকে। জার্সির ভেতরে বল নিয়ে অভিনব সেলিব্রেশনে তিনি বার্তা দিয়েছিলেন সমর্থকদের যে বাবা হতে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: ২০২৩-২৫ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সূচি ঘোষণা করল আইসিসি

    কোচ স্টিমাচের পরিকল্পনা

    ম্যাচ শেষে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিমাচ বলেন, “আমরা একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। গোল হজম না করাটা খুবই ইতিবাচক। যা ফাইনালের আগে ছেলেদের মনোবল বাড়াবে।” গোল খেতে না হওয়াটাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন জাতীয় দলের হেড কোচ। এই পারফরম্যান্সের পর কোচ স্টিমাচও আশাবাদী। তিনি বলেন, “আমরা রক্ষণে খুব ভালো করেছি। অনেক সুযোগও তৈরি করেছি। এমনকী সুনীল শেষে নেমেও দুর্দান্ত একটা সুযোগ পেয়েছিল। আমরা ক্লিন শিট রাখতে চেয়েছিলাম, পেরেছি। কিন্তু গোল করতে হবে। অনেক কাজ বাকি। আগামী তিন দিনে সেগুলো করতে হবে আমাদের।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share