Tag: Left front

Left front

  • Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে পড়ে গেল তৃণমূল! এলাকাবন্দি হয়ে গেলেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া উদয়ন গুহ। শুক্রবার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) চলাকালীন নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোতে পারবেন না তৃণমূলের এই মন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশ, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট চলাকালীন কোচবিহারের এই তৃণমূল নেতা নিজের এলাকা ছেড়ে বেরতে পারবেন না। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র দিনহাটায়ই ‘বন্দি’ থাকতে হবে। অন্য কোথাও যাতায়াত করতে পারবেন না।

    কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ (Lok Sabha Elections 2024)

    দিন কয়েক আগে কমিশনকে উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। তিনি (Lok Sabha Elections 2024) লিখেছিলেন, “আপনারা জানেন উদয়ন গুহই যাবতীয় অশান্তি পাকিয়ে থাকেন। আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া মিছিলে আমায় দু’বার আক্রমণ করেছেন।” একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তির প্রসঙ্গও তোলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে উদয়ন গুহর নাম ছিল। তাঁর ঘৃণাভাষণের জেরে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হিংসায় উদ্বুদ্ধ করছেন উদয়ন গুহ।” আরও লিখেছেন, “উনি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের মধ্যে ঘৃণা ভাষণের জন্য খ্যাত।” নিশীথ জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের সময় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা মুশকিল।

    আরও পড়ুুন: সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    উদয়নের ‘উত্তরণ’

    এক সময় ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন উদয়ন। তাঁর বাবা কমল গুহ বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন। কমল প্রয়াত হওয়ার পর রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লেখান উদয়ন। বাম আমলে উদয়নের দল যাঁদের ওপর অত্যাচার করত, তাঁরা কখনওই চাননি উদয়ন তৃণমূলে যোগ দিন। তবে দলনেত্রী উদয়নকে তৃণমূলে নেওয়ায় ছুঁচো গিলতে বাধ্য হন হার্ডকোর তৃণমূল নেতারা। তার প্রমাণ মিলেছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকের কাছে গোহারা হেরে যান উদয়ন। সাংসদ পদ ছেড়ে বিধায়ক হতে না চাওয়ায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন নিশীথ। তার পরেই হয় উপনির্বাচন। এবার উদয়ন জেতেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯ ভোটে। সেই সময় বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, উপনির্বাচনে বাম কায়দায় ভোট করিয়ে জয়ের মার্জিন দেড় লাখেরও বেশি করে ফেলেছেন একুশের নির্বাচনে ‘হেরো’ উদয়ন (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে হয়েছিল জোট গঠন। ‘ইন্ডি’ নামের সেই জোটকে এড়িয়েই একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস। আর বৃহস্পতিবারের বারবেলায় প্রথম দফার ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন বিকেলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এদিন যে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে ১৩টিতে লড়বে সিপিএম। বাকি তিনটি আসনে লড়বেন বাম শরিকরা। তৃণমূলের পর বামেরাও প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়ায় বাংলায় প্রশ্ন উঠছে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই। লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) প্রথম দফায় ১৯৫জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিজেপি। তার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল। এদিন ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামেরাও। যে জেলাগুলির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি হল, কোচবিহার, বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বর্ধমান পূর্ব, হুগলি, শ্রীরামপুর, দমদম, যাদবপুর, বাঁকুড়া, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া সদর।

    তালিকায় কারা?

    দমদমে সুজন চক্রবর্তী, যাদবপুরে সৃজন ভট্টাচার্য, কলকাতা দক্ষিণে সায়রা শাহ হালিম, কৃষ্ণনগরে এসএম সাদি, আসানসোলে জাহানারা খান, হাওড়া সদরে সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান পূর্বে নীরব খাঁ, তমলুকে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলিতে মনোদীপ ঘোষ, শ্রীরামপুরে দীপ্সিতা ধর, বাঁকুড়ায় নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত, বিষ্ণুপুরে শীতল কৈবদ্য, জলপাইগুড়িতে দেবরাজ বর্মনকে প্রার্থী করেছে সিপিএম। বালুরঘাটে দাঁড় করানো হয়েছে আরএসপির জয়দেব সিদ্ধান্তকে। মেদিনীপুর আসনে লড়বেন সিপিআইয়ের বিপ্লব ভট্ট। কোচবিহারে প্রার্থী হচ্ছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নীতীশচন্দ্র রায়।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    বামেদের প্রথম দফার প্রার্থিতালিকায় মহিলা রয়েছেন তিনজন। যে ১৬ জনের নাম এদিন ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১৪জনেরই ‘হাতেখড়ি’ হচ্ছে লোকসভা নির্বাচনে। যদিও এঁদের মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী হয়েছিলেন গত বিধানসভা নির্বাচনে। এদিকে, রাজ্যের ৮টি আসনে লড়াই করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন আইএসএফ সুপ্রিমো নওসাদ সিদ্দিকি। আগে জানিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারে তিনি স্বয়ং প্রার্থী হবেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এদিন জানিয়ে দিলেন প্রার্থী হচ্ছেন না তিনি (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রাজপথ সরগরম। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসছে বিজেপি। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দু’দিনের ধর্নায় বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন তো চলছেই। আর সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে আজই তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের সমাবেশ। যেখানে প্রধান বক্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পথে নামছে বাম-কংগ্রেসও। সপ্তাহের মধ্যে কর্মব্যস্ত দিনে শহরের রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

    বিজেপির ধর্না

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নার দিনই রাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে অবস্থানে বসছে বঙ্গ বিজেপি।  শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের গেটের কাছে ৪০ ফুটের ধর্না মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ধর্নায় বসছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষও। বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। শ্যামবাজারে দলীয় ধর্না মঞ্চে হাজির থাকার কথা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। থাকতে বলা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের দলীয় বিধায়কদেরও। 

    বিজেপির প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এখনও কেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে প্রাপ্ত অর্থের হিসেব দিচ্ছে না দিল্লিকে? কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে কাটমানি৷ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আবাস যোজনা৷ এইধরনের নানান ইস্যুকে হাতিয়ার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এদিন সুর সপ্তমে তুলতে চাইছেন শুভেন্দু- সুকান্ত- দিলীপরা। শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের সামনে কর্মসূচি হবে বিজেপির। গাড়ি বন্ধ হবে না। তবে দুপুরের দিকে রাস্তার একাংশ বন্ধ করে যানযট নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মোতায়েন থাকবে প্রচুর পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    তৃণমূলের অবস্থান

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুধবারই ধর্না দেবেন আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে। সেখানে নিরাপত্তায় উপস্থিত থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাড়ি যাবে সভাস্থলের দিকে। ধর্মতলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের শহিদ মিনারের সভার জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন অফিসার, ২ জন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, ৪ জন ডিসি। এছাড়াও ৫০০-র বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকছে। পুলিশ সভাস্থলে ৩০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবে। এছাড়া আরও বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে আয়োজকদের তরফে। অন্যদিকে, ডিএ-র ধর্নামঞ্চে থাকছেন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার একজন। এছাড়াও বেশ কিছু পুলিশ মোতায়েন থাকবে শহিদ মিনারে।

    বাম-কংগ্রেসের মিছিল

    একই দিনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ পথে নামছে বাম-কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে রামলীলা ময়দান থেকে মিছিল শুরু করে মৌলালীর দিকে এগিয়ে যাবে। মল্লিক বাজার হয়ে পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট পার করে লেডি ব্র্যাবর্ন কলেজের সামনে শেষ হবে মিছিল। ফলে ওই সময় মৌলালি, এন্টালি, শিয়ালদহ, এপিসি রোড, পার্ক সার্কাস এলাকায় প্রবল যানজট হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বাম-তৃণমূল বোঝাপড়া? পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: বাম-তৃণমূল বোঝাপড়া? পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কারা নো ভোট টু বিজেপি করেছিল ২০২১-এ। এখন সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। শুক্রবার কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কার্যত বোমা ফাটালেন সুকান্ত। বিজেপিকে হারাতে তৃণমূল (TMC)-বাম বোঝাপড়া হয়েছে বলেই ইঙ্গিত করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    সুকান্তর (Sukanta Majumdar) অভিযোগ…

    শুক্রবার বিধানসভা অভিযান করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সে প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, বিজেপির অভিযান রুখতে পুলিশ ব্যস্ত ছিল। এসএফআইয়ের আন্দোলন বিধানসভার গেট অবধি পৌঁছে দেওয়া হল। আমরা ভেবেছিলাম বিমানবাবুর চেয়ার অবধি পৌঁছে দেওয়া হবে। কারণ ওখানে একটা বোঝাপড়া চলছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে কে কার দিকে আছে। সুকান্ত বলেন, জোট, ঘোঁট আগামিদিনে কী হবে। কারা নো ভোট টু বিজেপি করেছিল ২০২১-এ। এখন সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। সবটাই স্বচ্ছ জলের মতো পরিষ্কার।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষায় দুর্নীতি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে শুক্রবার বিধানসভা অভিযান করে এসএফআই। পুলিশ অবশ্য তাতে অনুমতি দেয়নি। বরং মিছিল রুখে দেওয়ার সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে পুলিশের নজর এড়িয়ে বিধানসভার মেইন গেটের বদলে পশ্চিম দিকের গেটে পৌঁছে যায় এসএফআইয়ের একদল নেতা-কর্মী। সেখানে পুলিশের সংখ্যা ছিল কম। রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বিধানসভার গেটে বসেছিলেন কয়েকজন।

    আরও পড়ুুন: সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিককে জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, কেন জানেন?

    এদিকে, রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাস সংক্রমণের জেরে পরপর শিশুমৃত্যু নিয়ে রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চা ও যুব মোর্চার স্বাস্থ্যভবন অভিযানকে ঘিরে কুরুক্ষেত্র হয়ে ওঠে সল্টলেকের করুণাময়ী চত্বর। পুলিশ বাধা দেওয়ায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে। এদিন দুপুর থেকে করুণাময়ীতে জমায়েত করেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। দুপুর আড়াইটে নাগাদ করুণাময়ী মোড় থেকে শুরু হওয়া মিছিল পুলিশ আটকাতেই সৃষ্টি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। একটি গাড়িতে করে বিজেপি কর্মীরা করুণাময়ী মোড়ে পৌঁছতেই গাড়িতে উঠে পড়ে পুলিশ। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ঘোষণা করে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এরই কিছুক্ষণ পরে লোহাপুল মোড় থেকে ইন্দ্রনীল খাঁ, তনুজা চক্রবর্তী, অগ্নিমিত্রা পালের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল বেনফিশ মোড়ে পৌঁছতেই আটকে দেয় পুলিশ। তখনই বাঁধে খণ্ডযুদ্ধ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala BJP: ‘তালিবানি’ হয়ে যাচ্ছে বাম-শাসিত কেরালা! বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala BJP: ‘তালিবানি’ হয়ে যাচ্ছে বাম-শাসিত কেরালা! বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম (Left Front) শাসিত কেরালা (Kerala) ক্রমেই “তালিবানি” (Talibanized) হয়ে যাচ্ছে। এমনই অভিযোগ করলেন কেরালা বিজেপি সভাপতি কে সুরেন্দ্রন (K Surendran)।

    সম্প্রতি, ওই রাজ্যের এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এক ছাত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। তাতে বাধ সাধেন এক মুসলিম ধর্মগুরু। তাঁর নিদান, প্রকাশ্যে মঞ্চে উঠে কোনও মুসলিম ছাত্রী পুরস্কার নিতে পারবে না। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভিডিওর সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম।

    সূত্রের খবর, কেরালার একটি অনুষ্ঠানে মাশিদা নামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে সংবর্ধন দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। ক্লাসে প্রথম হওয়ার কারণে মাশিদাকে পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক মুসলিম ধর্মগুরু (Muslim creric)। পুরস্কার নিতে ওই ছাত্রীকে মঞ্চে আসার অনুরোধ জানান আয়োজকরা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে উপস্থিত ওই ধর্মগুরু আয়োজকদের তিরস্কার করছেন। তিনি বলছেন, যদি কোনও মেয়েকে সম্মান দেওয়া হয়, তবে তাকে নয়, তার বাবা-মা বা অভিভাবকদের মঞ্চে ডাকতে হবে।

    এক ধর্মগুরুর এহেন মন্তব্যে ক্ষোভ উগরে দেয় কেরালা বিজেপি। পদ্ম শিবিরের কেরালা রাজ্য সভাপতি সুরেন্দ্রন বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) একজন ছাত্রের ক্ষেত্রে এমন আচরণ হওয়া সত্ত্বেও কোনও মন্তব্য করেননি। একটি ধর্মীয় সংগঠন ওই ছাত্রীকে প্রকাশ্যে অপমান করেছে। তার পরেও মামলা দায়ের হয়নি। শিশু অধিকার কমিশনও নীরব। কেরালায় এসব কী হচ্ছে? তালিবানাইজড হচ্ছে।

    আরও পড়ুন : অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    এখানেই থেমে না থেকে সুরেন্দ্রন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যে এবং তাঁর জ্ঞাতসারেই তালিবানদের অনুসরণ করা হচ্ছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকার সন্ত্রাসীদের মদত দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিভাগ কেরালায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী একটি বিশেষ মহলের সব স্বার্থ রক্ষা করছেন। অন্য শ্রেণির অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, খ্রিষ্টানরাও এখানে সংখ্যালঘুর মতো অনুভব করছে।

    কেরালা হাইকোর্ট লাভ জেহাদ নিয়ে ২০০৯ সালের একটি পর্যবেক্ষণের রাশ টেনে মাস কয়েক আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও বলতে শোনা গিয়েছিল, কেরালাকে মুসলিম রাজ্যে পরিণত করতে চাইছে একদল ষড়যন্ত্রকারী। সরকারে থাকা বাম জোট এই বিষয়ে কিছুই করছে না। এবার সেই একই অভিযোগ শোনা গেল আরও এক বিজেপি নেতার গলায়। এবং খোদ কেরালারই!

     

LinkedIn
Share