Tag: Legislative Assembly

Legislative Assembly

  •  Legislative Assembly: ২৫ নভেম্বর থেকে বিধানসভার অধিবেশন, আবাস নিয়ে উত্তপ্ত হতে পারে কক্ষ

     Legislative Assembly: ২৫ নভেম্বর থেকে বিধানসভার অধিবেশন, আবাস নিয়ে উত্তপ্ত হতে পারে কক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে বিধানসভায় শীতকালীন (Winter Session) অধিবেশন (Legislative Assembly) শুরু হবে। জানা যাচ্ছে, এবারের অধিবেশন উত্তপ্ত হতে পারে রাজ্য বিধানসভায় ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস দুর্নীতির অভিযোগকে ঘিরে। গত অধিবেশনে পাশ হয়েছিল ‘অপরাজিতা’ বিল। এদিকে, গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গে একদিনের সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রবীণ নেতা অমিত শাহ। তিনি মমতা সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, “রাজ্যে বিজেপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, ১০০ দিনের কাজের পাই-পয়সার হিসেব দেব।” অপর দিকে, আবাস থেকে মনরেগার কাজে দুর্নীতির অভিযোগে ব্যাকফুটে রাজ্য সরকার। ফলে তৃণমূল সরকারের উপর যে চাপ বাড়াতে চলেছে বিরোধী শিবির, তা রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    সরগরম হবে বিধানসভা?

    আসন্ন অধিবেশনে (Winter Session) আবাস থেকে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে সরকার বনাম বিরোধীপক্ষের বাকবিতণ্ডা দেখা যেতে পারে। জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ‘বঞ্চনার’ বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে উদ্যোগী শাসক দল। প্রতিবাদে জানাতে কোমর বাঁধছে বিজেপিও। উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের আগে ক্যাগ (সিএজি) রিপোর্ট নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা সরাসরি রাজ্যের মানুষ পাচ্ছেন না বলে মামলা হাইকোর্টে গড়িয়ে ছিল। ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, মিড ডে মিল-সহ একাধিক প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির ইস্যুতে লোকসভার ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মমতাকে তোপ দেগেছিলেন। ফলত, এই ইস্যুতে সরগরম হতে পারে বিধানসভা (Legislative Assembly)।

    আরও পড়ুনঃ নভেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ? রাজ্যের সরকারি ছুটিই বা কতদিন?

    জেলায় জেলায় বিক্ষোভ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

    গত রবিবার রাজ্যে একদিনের সফরে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি তৃণমূলের দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সারাসরি আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “রাজ্যে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন, আমরা ১০০ দিনের কাজের পাই পাই হিসেব দেব।” তার মন্তব্যে রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এরপর রাজ্য সরকার এলাকায় এলাকায় সমীক্ষা শুরু করলে জেলাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়ে শাসক পক্ষ। ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া-সহ একাধিক জেলায় তৃণমূল জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি আধিকারিকদের ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেছে। তাই নতুন করে পুনর্মূল্যায়ন করতে রাজ্য সরকার নবান্ন থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতন ইস্যুতে বুধবার সকাল থেকে তপ্ত বিধানসভা (West Bengal Legislative Assembly) অধিবেশন। এরই মধ্যেই নিজের শারীরিক নির্যাতনের ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিধায়কের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “বিধানসভার মধ্যেও আমরা নিরাপদ নই!”

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Suvendu Adhikari)

    বুধবার বিধানসভা অধিবেশনের শুরু থেকেই নারী নির্যাতন ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি পাল্টা বলেন, “নারী নির্যাতন ঘটনা ঘটলে সবার আগে বাংলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়। ক্রিমিন্যাল জাস্টিস কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে রাজ্যের হাত থেকে।” আর সে ইস্যুতে তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা স্লোগান দেন শাসক বিধায়করাও। প্রথম পর্বের অধিবেশন শেষ হয়। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়করা। অভিযোগ, সেই সময়েই বিধানসভার ভেতরে শুভেন্দুর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতার দাবি, সেই বাগ্‌বিতণ্ডার সময়েই তাঁকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করেছেন। তাঁর দাবি, বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে হেনস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নেপালকে হারিয়ে ৮২ রানে ম্যাচ জিতে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারত

    বিরোধী দলনেতার মন্তব্য  

    এ প্রসঙ্গে এদিন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ”বিধানসভার লবিতে আমি যখন বেরোচ্ছিলাম, তখন পূর্বস্থলীর বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চান। বিজেপি এমএলএ-রা কেন্দ্রীয় বাহিনী পায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইরে রাখার অর্ডার রয়েছে। আমি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, লিখে পাঠাচ্ছি এখনই।” স্পিকারকে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিধানসভার মধ্যে তাঁকে শারীরিক নিগ্রহের চেষ্টা করা হল। একবার হাউসের ভিতরে করেছেন, আজকে লবিতে করলেন। আমি বিধানসভায় আক্রান্ত হয়েছি। কোনও বিজেপি বিধায়ক আক্রান্ত হলে, তার দায় স্পিকারের।” স্পিকার হিসেবে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না বলেও চিঠিতে স্পষ্টভাবে লিখেছেন শুভেন্দু। 
    একই সঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আর্জিও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। যদিও শুভেন্দুর আনা শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WB Legislative Assembly: বিজেপির আপত্তি মেনে ৮ তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ককে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে দিলেন না স্পিকার

    WB Legislative Assembly: বিজেপির আপত্তি মেনে ৮ তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ককে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে দিলেন না স্পিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপত্তি জানিয়েছিল বিজেপি। একপ্রকার বাধ্য হয়ে তাতেই সায় দিলেন রাজ্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারলেন না তৃণমূলের ৬ জন বিধায়ক। ক্রিমিনাল জাস্টিস ডেলিভারি সিস্টেম নিয়ে দুদিনের আলোচনা শেষে বুধবার ভোটাভুটি চায় বিজেপির পরিষদীয় দল।

    দরজা বন্ধের নির্দেশ

    বুধবার অধিবেশনের ভোটাভুটি পর্বে অধিবেশন কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। এরপর শুরু হয় স্লিপ বিলি। স্লিপ বিলি শেষ হওয়ার পর শুরু হয় ভোটাভুটি পর্ব। এই সময় অধিবেশন কক্ষে ঢোকেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। উলুবেড়িয়া উত্তরের বিধায়ক নির্মল মাঝিও এই সময় ঢোকেন অধিবেশন কক্ষে। এর পরেই বিজেপি বিধায়করা স্পিকারকে সাফ জানিয়ে দেন, স্লিপ বিলির সময় যাঁরা বাইরে ছিলেন, তাঁরা ভোটাভুটিতে অংশ নিলে ওয়াকআউট করবেন তাঁরা। এই সময় বিধানসভা কক্ষে ঢুকতে যান রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রী সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত। স্পিকারের নির্দেশ শুনে ভোটাভুটি চলাকালীন আর ভিতরে ঢোকেননি তাঁরা।

    ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত 

    বিজেপির পরিষদীয় দল জানতে চায় বাইরে থাকা মন্ত্রীরা অধিবেশন কক্ষে রয়েছেন কীভাবে? এর পর ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান বিজেপির বেশিরভাগ বিধায়ক। এই সময় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গাকে অনুরোধ করেন, তাঁরা যেন ওয়াকআউট না করেন। তিনি এও জানান, বাইরে থাকা কোনও মন্ত্রী বা বিধায়ককে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। এর পরেই অধিবেশন কক্ষে ফেরেন পদ্ম বিধায়করা।

    আরও পড়ুুন: সাংসদ পদে ইস্তফা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বিজেপির ১০ জনের, তালিকায় কারা?

    স্পিকার জানান, ১০১-৪২ ভোটে পাশ হয়েছে ওই প্রস্তাব। দলীয় মন্ত্রী-বিধায়কদের আচরণে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের একাংশও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিধায়ক বলেন, এলাকার মানুষ যখন ভোট দিয়ে আমাদের বিধানসভায় পাঠিয়েছে, তখন আমাদের উচিত বিধানসভার প্রতিটি নিয়মকানুন মেনে চলা। এ ক্ষেত্রে আমাদের মন্ত্রী-বিধায়করা যে আচরণ করেছেন, তা কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share