Tag: LeT Commander

LeT Commander

  • LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া জঙ্গি হুমকি এল পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoJK) থেকে। একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা কাশ্মিরি প্রকাশ্যে জেহাদ (Jihad) ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার আহ্বান জানাচ্ছে (LET Commander)। ভিডিওটি তোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি কোনও অঞ্চল থেকে। এই ঘটনা এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন তার ঠিক এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে (LET Commander)

    ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম ওসিন্টটিভি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লস্কর-ই-তৈবার জম্মু ও কাশ্মীর ইউনাইটেড মুজাহিদিন (JKUM)-এর সিনিয়র কমান্ডার আবু মুসা কাশ্মিরি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাওয়ালকোট জেলার হাজিরা তহসিলের তাত্রিনোট এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছে। সেখানে সে প্রকাশ্যে হিংসার ডাক দেয় এবং দাবি করে যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যাবে না। হিন্দুদের গলা কেটে তবেই স্বাধীনতা আসবে।” সে আরও দাবি করে, এই একই বার্তা সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ মন্ত্রীদের কাছেও পৌঁছে দিয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    কাশ্মিরি এও বলে, “জেহাদের নামে সন্ত্রাস চালিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদি হিংসায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ আদর্শিক ও রাজনৈতিক মদতের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরির এই ভাষণের সময়টিও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঠিক আগেও সে একই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিল। ওই হামলায় গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয় (LET Commander)।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী চলতি বছরের প্রথম ব্রিফিংয়ে ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’কে মাত্র একটি ট্রেলার বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতের যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত (Jihad)।”

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য

    নয়াদিল্লিতে চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে দ্বিবেদী জানান, ৮৮ ঘণ্টার এই অভিযান ভারতের দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সেনাপ্রধান আবারও স্পষ্ট করে দেন, সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি একই সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের মদতদাতাদের একইভাবে মোকাবিলা করা হবে (LET Commander)।” তিনি আরও জানান, ভারতের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বাইরের কোনও চাপ ভারতকে দমাতে পারবে না।

    অপারেশন সিঁদুরের শিক্ষা

    অপারেশন সিঁদুর থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন দ্বিবেদী- সব স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আরও দৃঢ় সমন্বয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি। যদিও অপারেশন সিঁদুর স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৮৮ ঘণ্টা। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষ কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর পরেই ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, যার আওতায় পাকিস্তান ও পাক- অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো এবং বিমানঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। পরে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) আলোচনার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় (Jihad)। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানায়, এই অভিযান স্থগিত হয়েছে, শেষ হয়নি (LET Commander)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি হামলাকে যুদ্ধের সমতুল্য বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও সেনাপ্রধান জানান, ২০১৯ সালের অগাস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক স্পষ্টতা এবং ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে (LET Commander)।

  • Zakiur Rehman Lakhvi: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    Zakiur Rehman Lakhvi: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের আদালতে কারাবন্দি হয়েছিলেন জাকিউর রহমান লখভি (Zakiur Rehman Lakhvi)। তিনি এখন অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায়। এই দুই শহরের মধ্যে একটি হল লাহোর, যেখানে ভারতীয় ক্রিকেট দলের চ্যাম্পিয়ান্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে যাওয়ার কথা (Indian Cricket Team) ছিল। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের আল-কায়দা নিষেধাজ্ঞা কমিটি তালিকাভুক্ত করেছে লখভিকে। সেই লখভিই আবু ওয়াসি ছদ্মনাম নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানের দুই শহরে।

    কে এই লখভি (Zakiur Rehman Lakhvi)

    ডেভিড হেডলি ছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত প্রাক্তন মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি এজেন্ট। ধরা পড়েছিলেন এফবিআইয়ের হাতে। তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন, লখভি ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার প্রধান সামরিক কমান্ডার। তিনি ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। ওই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৭৫ জন। লখভির সমর্থক হিসেবে সক্রিয় ড. মহম্মদ সঈদ। তিনি ইসলামাবাদের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজেসের ইসলামিক চিন্তা ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। লখভির সঙ্গে তিনিও অংশ নেন ফিটনেস প্রশিক্ষণে।

    ভিডিওয় ফাঁস লখভির পরিচয়ের পর্দা 

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিও। তাতে দেখা গিয়েছে, এক দাড়িওয়ালা ব্যক্তি একটি ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। দাবি করা হয়েছিল যে, এই ব্যক্তি লখভি স্বয়ং। ইন্ডিয়া টুডের ওপেন সোর্স ইনভেস্টিগেশন টিম তিনটি ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রোগ্রামের সাহায্যে নিশ্চিত করেছে যে, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি আসলেই সেই ওয়ান্টেড জঙ্গি লখভি (Zakiur Rehman Lakhvi) নিজে।

    ওই ভিডিও ফুটেজে ড. জায়েদ হারিসকেও দেখা গিয়েছে। তিনি নিজেকে ইসলামী পণ্ডিত হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁকে প্রায়ই ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করা ভিডিওগুলিতে দেখা যায়। ভিডিওটিতে সঈদ এবং হারিস উভয়কেই লখভির জন্য উল্লাস করতে দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: উগ্রবাদ দমনে ভালো কাজ করেছিলেন হাসিনা, অভিমত লিসা কার্টিসের

    ভিডিওতে মহম্মদকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ১৮ থেকে ১৯ মিনিটের মধ্যে ৬৩ বছর বয়সি একজন ব্যক্তি ব্যায়ামের ২১০ বার রিপিটেশন সম্পন্ন করেছে— এমনটি আমার পেশাগত অভিজ্ঞতায় কাউকে করতে দেখিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী, লখভি ১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ২০২৪ সালে তাঁর বয়স দাঁড়ায় ৬৩ বছর।

    সূত্রের খবর, লখভির বাসস্থান রয়েছে রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর এবং ওকারায়। এই তিন শহরেই স্বাধীনভাবে চলাফেরা করেন তিনি  (Champions Trophy)। এই জঙ্গি নেতা সন্ত্রাসে অর্থায়ন মামলায় পাকিস্তানি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। সূত্রের দাবি, ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি গ্রেফতার আদতে ছিল পাকিস্তানের একটি মিডিয়া নাটক (Zakiur Rehman Lakhvi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে বানচাল সন্ত্রাসী হামলার বড় ছক, জোড়া এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে বানচাল সন্ত্রাসী হামলার বড় ছক, জোড়া এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জোড়া এনকাউন্টারে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। গতকাল, মঙ্গলবার কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও অবন্তিপোরা জেলায় যৌথ বাহিনীর এনকাউন্টারে ৪ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন লস্কর-ই-তৈবার (LeT Commander) কমান্ডার মুখতার ভাট, বলে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ (Kashmir Police)।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অবন্তিপোরার বিজবেহারা এলাকায় জঙ্গিদের ওই ডেরা ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। এরপরই গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় লাদারমুডের বাসিন্দা হাবিবুল্লাহর ছেলে শাকির আহমেদ নামে এক স্থানীয় সন্ত্রাসী। পুলিশের রেকর্ড অনুসারে, নিহত সন্ত্রাসী নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন এইচএম এর সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং পুলিশ/এসএফ এবং হামলা সহ বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী অপরাধের মামলায় জড়িত ছিল।

    আবার একইভাবে, অবন্তিপোরার খান্দিপোরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির বিষয়ে জানতে পেরে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। এরপরে গুলির লড়াই শুরু হলে এনকাউন্টারে তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়। এই তিন সন্ত্রাসীর মধ্যে একজন বিদেশি। বাকি দুজন লস্কর-ই-তৈবার সদস্য বলে জানা গিয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের এডিজি দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, সেনা শিবিরে আত্মঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। এই খবর আগে জানতে পেরে যৌথ অভিযানে তা বানচাল করতে সমর্থ হয় নিরাপত্তা বাহিনী। আর এই অভিযানেই খতম হয়েছে লস্কর কমান্ডার মুখতার ভাট। এই তিন জেহাদি এক পুলিশকর্মী ও দুই আরপিএফ হত্যায় জড়িত ছিল। খতম হওয়া জঙ্গিদের কাছ থেকে একে ৪৭ রাইফেল, একে ৫৬ রাইফেল ও একটি পিস্তল উদ্ধার হয়। তাদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জম্মু এবং কাশ্মীরকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাব, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদির

LinkedIn
Share