Tag: letter

letter

  • Army: ওয়েনাড়ে জীবন বাজি রেখে সেনা জওয়ানদের লড়াই, কুর্ণিশ জানিয়ে হৃদয়স্পর্শী চিঠি খুদের

    Army: ওয়েনাড়ে জীবন বাজি রেখে সেনা জওয়ানদের লড়াই, কুর্ণিশ জানিয়ে হৃদয়স্পর্শী চিঠি খুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টির দাপটে ভূমিধসে তছনছ হয়ে গিয়েছে কেরলের ওয়েনাড় (Wayanad)। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে একেবারে দিশাহারা অবস্থা। বিপর্যয়ের পরই উদ্ধারকাজে নামেন সেনাবাহিনীর ৫০০ জওয়ান। শনিবারও উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন তাঁরা। জীবন বাজি রেখে জওয়ানরা (Army) অন্যের প্রাণ রক্ষা করেছেন। জওয়ানদের এই সেবা তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়ার মন জয় করে নিয়েছে। তাঁদের এই উদ্ধারকাজ দেখে জওয়ানদের হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখল তৃতীয় শ্রেণির ওই পড়ুয়া রায়ান।

    সেনাদের চিঠিতে কী লিখেছে রায়ান? (Army)

    জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কেরলে বন্যায় ৪০০ জনের মতো মারা যান। তারপর এত বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় কেরলে ঘটেনি। এবার ওয়েনাড়ে বিপর্যয়ের জেরে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপর্যয়ে মানুষকে উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন সেনা জওয়ানরা (Army)। বিধ্বস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের তলায় কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। কখনও বিস্কুট খেয়েই সারাদিন কাটাচ্ছেন জওয়ানরা। তাঁদের এই উদ্ধারকাজ দেখে হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখল ছোট্ট রায়ান। মালায়ালম ভাষায় জওয়ানদের চিঠি লিখল সে। চিঠিতে রায়ান লিখেছে, “আমার প্রিয় সেনা, ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত আমার ভালোবাসার ওয়েনাড় (Wayanad)। বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি খুব খুশি ও গর্বিত যে ধ্বংসস্তূপের তলায় যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের আপনারা উদ্ধার করছেন। আমি এখনই একটা ভিডিওতে দেখলাম, নিজেদের খিদে মেটাতে আপনারা বিস্কুট খেয়ে আবার সেতু নির্মাণে লেগে পড়লেন। আমিও একদিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই এবং দেশকে রক্ষা করতে চাই।”

    আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    খুদে রায়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে সেনা

    খুদে রায়ানের কাছে থেকে হৃদয়স্পর্শী চিঠি পেয়ে আপ্লুত সেনা (Army) জওয়ানরা। সেনার পক্ষ থেকেও রায়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুন্দর চিঠি লিখেছে। রায়ানকে ইয়ং ওয়ারিয়র বলে সেনাদের পক্ষ লেখা হয়েছে, “তোমার কথা আমাদের হৃদয় ছুঁয়েছে। তুমি সেনা পোশাক পরে আমাদের পাশে দাঁড়াবে, সেই দিনের অপেক্ষা করছি। সবাই মিলে আমরা দেশকে গর্বিত করব। ধন্যবাদ, ইয়ং ওয়ারিয়র।”

    <

    p style=”text-align: justify;”> 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    Narendra Modi: হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দননগরের দীপ্তানু এবং হাওড়ার উন্নতির কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) চিঠি। দুই জনের আঁকা ছবির প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এতে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার ডাকযোগে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে চিঠি এসে পৌঁছেছে দুই পরিবারে হাতে। তাঁদেরকে এই ভাবে চিঠি পাঠিয়ে অভিনন্দন জানানো হবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। এলাকায় খুশির আবহ।

    হাতে এঁকে মোদির ছবি দিয়েছিলেন (Narendra Modi)

    গত ১২ মে সাঁকরাইলে লোকসভা ভোটের প্রচারে নির্বাচনী জনসভা করতে এসেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কিন্তু নির্বাচন, রাজনীতি ওঁরা বোঝেন না। মোদিকে দেখবে বলে বাবা-মায়ের হাত ধরে জনসভায় গিয়েছিলেন দুই বোন। তাঁদের হাতে আঁকা ছিল নরেন্দ্র মোদির ছবি, একই সঙ্গে তাঁদের হাতে ছিল ‘বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও’ পোস্টার। হাজার হাজার ভিড়ে নজর কেড়ে নিয়েছিলেন দুই বোন। প্রধানমন্ত্রী দুই বোনের সঙ্গে কোথাও বলেন এবং উপহার হিসেবে ছবিও গ্রহণ করেন। সেই দিন আপ্লুত হয়েছিলেন হাওড়া ক্যারি রোডের বাসিন্দা অবিনাশ শর্মার দুই মেয়ে বাণী শর্মা এবং উন্নতি শর্মা। তাঁদের প্রতিভার কথা ভুলে যাননি, প্রধানমন্ত্রী মোদি কথা রেখেছেন।

    প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা মোদি

    উন্নতির বাবা অবিনাশ শর্মা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) চিঠি (Letter) এসে পৌঁছেছে আমাদের বাড়িতে। আমরা স্বপ্নেও কোনও দিন ভাবতে পারিনি এইভাবে তিনি আমাদের মনে রাখবেন। আমার দুই সন্তানরা খুব উন্নতি করবে বলে আশীর্বাদ দিয়েছেন। তিনি আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা।”

    আরও পড়ুনঃ গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি

    আপ্লুত দীপ্তানু

    চন্দননগরের দীপ্তানু মুখোপাধ্যায় আইটি সেক্টরে কাজ করেন। তিনিও রিষড়ার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) ছবি এঁকে উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন। তাঁকেও এদিন প্রধানমন্ত্রী চিঠি (Letter) পাঠিয়েছেন। মোদির চিঠি পেয়ে দীপ্তানু বলেছেন, “আমি আপ্লুত, আমার কল্পনার অতীত! আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত। তিনি যখন এসেছিলেন তাঁকে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি, সাদরে তিনি গ্রহণ করেছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Post Office at Antarctica: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় তৃতীয় ডাকঘর খুলল ভারত

    Indian Post Office at Antarctica: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় তৃতীয় ডাকঘর খুলল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় ফের একটি ডাকঘর (Indian Post Office at Antarctica) খুলল ভারত। ৩৪ বছর পরে ফের খোলা হল একটি পোস্ট অফিস। সেখানে চিঠি পাঠানোর নতুন পিন কোড হল MH-1718. আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে এই পিন কোডটি ব্যবহার করা হচ্ছে।  আসলে ভারত আন্টার্কটিকায় একটি গবেষণা মিশনে রয়েছে। যাতে ভারত থেকে প্রায় ৫০-১০০ জন বিজ্ঞানী জনমানব শুন্য আন্টার্কটিকায় কাজ করছেন।

    কে উদ্বোধন করলে পোস্ট অফিসটি?

    মহারাষ্ট্রের চিফ পোস্টমাস্টার (Indian Post Office at Antarctica) জেনারেল কে কে শর্মা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের এই তৃতীয় পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারত অ্যান্টার্কটিকায় এর আগে ১৯৮৪ সালে দক্ষিণ গঙ্গোত্রী স্টেশনে প্রথম পোস্ট অফিস খুলেছিল। এবং দ্বিতীয় পোস্ট অফিসটি ১৯৯০ সালে মৈত্রী স্টেশনে খোলা হয়েছিল। আর এখন তৃতীয় পোস্ট অফিসটি খোলা হল। এই নয়া ডাকঘরটি (Indian Post Office at Antarctica) খোলা হয়েছে আন্টার্কটিকায় ভারতের ‘ভারতী গবেষণা কেন্দ্র স্টেশনে’। ‘মৈত্রী’ এবং ‘ভারতী’, আন্টার্কটিকায় ভারতের এই দুই ডাকঘরের মধ্যে দূরত্ব ৩০০০ কিলোমিটার। তবে দু’টি ডাকঘরই গোয়া ডাক বিভাগের শাখা।

    চিঠি এখনও নস্টালজিয়া

    যদিও বর্তমানে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপের (Indian Post Office at Antarctica) যুগ। মানুষ কয়েক সেকেন্ডে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় এখনও চিঠি আদান প্রদানের উন্মাদনা রয়েছে বলেই জানা যায়। চিঠির নস্টালজিয়া ও চিঠির মাধ্যমে পাওয়া অ্যান্টার্কটিকার পোস্টাল স্ট্যাম্প (Indian Post Office at Antarctica) জমাতে সেদেশের মানুষ এখন সমান ভাবে উৎসাহী। তাই  খামের উপর আন্টার্কটিকার ডাকঘরের স্ট্যাম্প সংগ্রহে রাখার জন্যও চিঠি পাঠান বহু মানুষ।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রেলমন্ত্রীর দরবারে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রেলমন্ত্রীর দরবারে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে উত্তরবঙ্গের খেলাধুলোর প্রসারে আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্রীয় স্টেডিয়াম গড়ার উদ্যোগ নিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ক্রীড়া মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই এই স্টেডিয়াম গড়ার বিষয়ে ছাড়পত্র মিলেছে। তবে, জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে রেলের ছাড়পত্র না মেলায় এই প্রকল্প এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। তাই ওই ছাড়পত্র দ্রুত দেওয়ার আর্জি নিয়ে দিল্লিতে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্ত মজুমদার। বুনিয়াদপুরে রেলের যে জমি রয়েছে, সেখানে জাতীয় উৎকর্ষ কেন্দ্র বা স্টেডিয়াম তৈরির বিষয়ে তাঁর হাতে চিঠি তুলে দেন তিনি।

    রেলের জমিতেই স্টেডিয়াম! (Sukanta Majumdar)

    শিল্পবিহীন সীমান্ত জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১২ সালের ৩০ অগাস্ট বুনিয়াদপুরে রেলের ওয়াগন কারখানার শিলান্যাস করেছিলেন। দ্বিতীয় ইউপিএ আমলে রেলমন্ত্রী হয়ে মমতা যে ১৭টি বড় মাপের রেল কারখানা ঘোষণা করেছিলেন, তার মধ্যে ছিল বুনিয়াদপুরের কারখানাটি। জানা গেছে, ২০১০-১১ সালে ঘোষিত ওই প্রকল্পটি গড়ে তুলতে ১৩২.৮২ কোটি টাকা খরচ ধরেছিল রেল। শুধু প্রতিশ্রুতিই ছিল। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শিলান্যাসের পর থেকেই নানা কারণে প্রকল্পটি ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। আদৌ কোনওদিন ওই জমিতে ফ্যাক্টরি গড়া হবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। তাই ওই রেলের জমিকেই কাজে লাগাতে এবার উদ্যোগী হলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আর পরিকল্পনা মতো এই এলাকায় আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম গড়ার কাজ সম্পূর্ণ হলে এলাকার হাল বদলে যাবে বলে আশা সুকান্তবাবুর।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রক স্টেডিয়াম করার ছাড়পত্র দিয়েছে। কিন্তু, জমির জন্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়া দফতর রেল দফতরকে চিঠি দিয়েছে। রেলের জমির এনওসি পাওয়ার পর সেখানে একটি স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২৭ ফুট চিঠি লিখে তাক লাগিয়েছেন আসানসোলের (Asansol) প্রেমিক অনুপম ঘোষাল। মনের কষ্ট তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁর লেখনীর মধ্যে দিয়ে। তাঁর সেই চিঠি এখন আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব প্রেম দিবসে সেই চিঠি নিয়েই তাঁর উৎকন্ঠা। বিশ্বের এই দীর্ঘতম চিঠি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইঁদুরে ছিঁড়ে ফেলছে সেই চিঠি। তাই সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন তিনি।

    ৩২৭ ফুট চিঠি নিয়ে বই লেখা হয়েছে (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর রোডের বাসিন্দা অনুপম ঘোষাল। এক সময় সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে পারেন না। ২০০০ সালে অনুপমবাবুর প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে চলে যান। আর তখনই সেই প্রেমিকাকে ভুলতে চিঠি লিখতে শুরু করেন। সেটাকে তাঁর জীবনের সুইসাইড নোট বলেছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লিখতে লিখতে এত বড় হয়ে যায় যে সেটা ক্রমেই একটি সাহিত্যে পরিণত হয়। ৩২৭ ফুট চিঠির দৌলতে রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে আসেন তিনি। তাঁকে নিয়ে এক সময় রীতিমতো চর্চা হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার দুটি বড় পাবলিশার এই চিঠিকে প্রকাশ করেছে বই হিসেবে। সেই বই বইমেলাতে বিক্রিও হয়েছে।

    কী বললেন চিঠির লেখক?

    অনুপমবাবু বলেন, মনের জ্বালা থেকে চিঠি লিখেছিলাম। এখন সেই চিঠি আমাকে চর্চায় নিয়ে এসেছে। আমার এই চিঠি দিয়ে বই লেখা হবে, তা আমি ভাবতে পারিনি। তবে, আমার আক্ষেপ মূল চিঠিটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে। এতবড় চিঠি সংরক্ষণ করে রাখা আমার পক্ষেও সম্ভব নয়। তাই আমি চাইছি, সরকার যদি উদ্যোগী হয়ে এই চিঠি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তাহলে আমার এই সৃষ্টি বেঁচে থাকতে পারে। পাশাপাশি বর্তমান যুগের প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রতি আমার আর্তি, প্রেম আসবে যাবে। হয়তো প্রেম হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই তার থেকে খারাপ কিছু নয়, বরং সৃষ্টিশীল কিছু করে রাখো, যেটা পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমার জীবনে আমি সেই শিক্ষাই পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটে (Balurghat) মেডিক্যাল কলেজের দাবি জোরাল হতে শুরু করেছে। শাসক, বিরোধী সব নেতা মন্ত্রীদের পাশাপাশি এবারে জেলার বিশিষ্টজনেরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে চলেছেন। প্রতিদিন ১০ জন করে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা( নাট্যকর্মী, কবি, সাহিত্যিক আইনজীবী প্রমূখ) মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেডিক্যাল  কলেজের দাবিতে চিঠি দেবেন। এদিন থেকে সেই চিঠি পাঠানোর কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল কলেজের দাবি নিয়ে জেলায় লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া অরাজনৈতিক সংস্থা প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশন। এদিন বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে এসে সেই চিঠিগুলি প্রদান করা হয়।

    বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি (Balurghat)  

    দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত জেলা  হিসেবে বরাবরই পিছিয়ে পড়া জেলা। এই জেলার সদর হাসপাতালে বহু রোগের চিকিৎসা হয় না। যার ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা দেখা দিলে ভিন জেলা বা রাজ্যে ছুটতে হয়। এছাড়াও জেলা থেকে প্রতিবার বহু ছেলেমেয়ে বাইরে ডাক্তারি পড়তে যায়। এই জেলায় যে শুধুমাত্র চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা নয়,  ওয়াকিবহালের মতে অর্থনীতিক ক্ষেত্রেও মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলার হিলি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতা বা চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যায়। এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে বাংলাদেশীরাও চিকিৎসা করতে আসবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সমস্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে। যা মেডিক্যাল কলেজের জন্য পর্যাপ্ত বলেই দাবি স্বাস্থ্য কর্তাদের। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনে কোনও উচ্চবাচ্য না থাকা নিয়ে সরব হয়ে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী। লোকসভা ভোটের আগে যা নিয়ে সরগরম হতে চলেছে জেলা রাজনীতি।

    ১০টি করে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিদিন চিঠি পাঠানো হবে

    প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশনের সম্পাদক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,  এই জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না। এখানে গরিব  ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ অতি প্রয়োজনীয়। সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলেও এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে না।তাই মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের দাবি জানিয়ে আমরা আজ থেকে প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১০ টি করে চিঠি পাঠাবো।  যতদিন না পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজ ঘোষণা হচ্ছে,ততদিন শহরের বিশিষ্টজনেরা এই চিঠি পাঠাবেন।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া জেলা। তিন দিক বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা একটা প্রত্যন্ত এলাকা। কলকাতা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এই জেলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল নয় বললেই চলে। কিন্তু, সরকারের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে এখানে। সেটিকেই যদি মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করা যায় বা কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প রয়েছে যে প্রতিটা জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখানে যেমন মানুষ চিকিৎসা পাবেন,তেমনি  এখান থেকে পড়াশুনা করে ডাক্তারও অনেকে হবেন।

    রাজ্যের মন্ত্রী কী বললেন?

    রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার কথা চলছে। তবে যখন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ পেল, তখনই হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি, সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে এখানে কেন হবে না? আমার ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলায় এসে বিষয়টি দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে (Santiniketan) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা পাওয়ার পরই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর সেই সংক্রান্ত একটি শ্বেত পাথরের ফলক বসিয়েছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর পূর্ত দফতরের কাছে থেকে উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা বিশ্বভারতীকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর আরও একবার চিঠি লেখেন। শুধু তাই নয় তিনি রাস্তায় নেমে রাস্তা দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সকলের কাছে আবেদন পর্যন্ত রাখেন। উপাচার্য পর পর দুবার চিঠি দিলেও মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এবার রাস্তা ফেরত চেয়ে তৃতীয়বার চিঠি লিখলেন উপাচার্য। সেখানে রাস্তা ফেরত চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণও করেছেন তিনি।

    চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে কী লিখেছেন উপাচার্য? (Santiniketan)

    চিঠিতে শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) রাস্তা ফেরতের আবেদন জানাতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে  চিঠিতে লেখা হয়েছে,’নিজের চোখ দিয়ে বাস্তব না দেখে, ‘আপনি (মুখ্যমন্ত্রী) এখনও কান দিয়ে দেখেন।’ সেই সঙ্গে ফলক সরিয়ে নেওয়ার কথাও চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তৃণমূলের নেতা- মন্ত্রীদের গ্রেফতারি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার মন্ত্রিসভার দুই মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। আপনার বিশ্বস্ত নেতারা (কেউ বীরভূম থেকে) জেলে রয়েছেন। কেউ তিহাড়েও রয়েছেন।

    উপাচার্যের চিঠি নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিশ্বভারতীর উপাচার্যের এই চিঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেছেন, চিঠির ভাষা কী আছে জানি না। বর্তমান উপাচার্য এমন ভাব দেখাচ্ছেন, যেন সবকিছু তাঁর নিজস্ব। আমরা চাই বিশ্বভারতী নিজের ঐতিহ্য নিয়ে চলুক। কিন্তু, তিনি যেভাবে চলছেন তাতে বিশ্বভারতী থেকে রবি ঠাকুরকে মুছতে চাইছেন। এটা নিয়েই আমাদের আপত্তি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য তিন কিলোমিটার রাস্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়েও সাড়া মেলেনি। এবার উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা ফেরত পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এর আগে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা-সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলির সামনে থেকে টোটো এবং বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা, টোটোগুলিকে ছাতিমতলা ও উপাসনা গৃহসংলগ্ন স্থান থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহের সামনে থেকে সংগীত ভবন পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে টোটোর যাতায়াতও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। বিশ্বভারতীর এই পদক্ষেপ সঠিক বলে মনে করছেন শান্তিনিকেতনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের একাংশ।

     চিঠিতে উপাচার্য কী লিখেছেন? (Visva Bharati)

    মূলত ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা রক্ষায় যান নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি বিশ্বভারতীকে (Visva Bharati) দেওয়া হোক, এই মর্মে গত মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাস্তা ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, আবেদন জানিয়েও উত্তর না মেলায়, বিশ্বভারতীর পরিদর্শক তথা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি পাঠালেন উপাচার্য। ওই চিঠিতে উপাচার্য লেখেন, ‘আমরা রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বভারতীর রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক অনুরোধ করেছি, যদিও কোনও উত্তর নেই। তাই বিশ্বভারতীকে রাস্তাটি পুনরায় দিতে আপনার হস্তক্ষেপ ও প্রচেষ্টা প্ৰাৰ্থনা করছি। ঐতিহ্য রক্ষায় সহযোগিতা করেন।’

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করার পর খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে সমস্তমহলেই। তার আগে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্বভারতী (Visva Bharati) শান্তিনিকেতন পরিদর্শনে আসে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলেরই মতামতের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় নাম ওঠে শান্তিনিকেতনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatar: মাওবাদীর নাম করে ভাতারে এক চিকিৎসকের কাছে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি চিঠি, আতঙ্ক

    Bhatar: মাওবাদীর নাম করে ভাতারে এক চিকিৎসকের কাছে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি চিঠি, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদীর নাম করে এক চিকিৎসকের কাছে তোলা চাওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রীতিমতো সক্রিয় একটি কার্তুজে গায়ে চিঠি জড়িয়ে মাওবাদী নাম দিয়ে ওই চিকিৎসককে হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার (Bhatar) গ্রামীণ হাসপাতালে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    চিঠিতে ঠিক কী লেখা রয়েছে? (Bhatar)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের ভাতার (Bhatar) গ্রামীণ  হাসপাতালের দন্ত চিকিৎসক অপর্ণা মুখোপাধ্যায়কে হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আউটডোরে দরজা খুলে ঢুকে দেখেন দরজার সামনেই একটি সক্রিয় কার্তুজ জড়ানো চিঠি পড়ে আছে। চিঠি খুলে তিনি দেখেন, তাতে লাল কালি দিয়ে লেখা আছে, বুধবার পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হবে। না হলে গোটা পরিবারের প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। নীচে মাওবাদী লেখা রয়েছে। চিঠির নীচে প্রেরক হিসেবে তপন মাহাতর নাম লেখা আছে। বুধবারের মধ্যে পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলা হলেও এদিন সেই টাকা নিতে কেউ আসেনি। তবুও, মাওবাদীদের নামে চিঠি ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    চিকিৎসকের কী বক্তব্য?

    চিকিৎসক অপর্ণা মুখোপাধ্যায় বলেন, চিঠি পাওয়ার পরই ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিককে বিষয়টি জানিয়েছি। পরে, ভাতার (Bhatar) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এভাবে আমাকে কেন চিঠি দেওয়া হল তা বুঝতে পারছি না। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    কী বললেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন,চিঠিটি দরজার নীচ দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে জানানো হয়েছে। কে বা কারা কেন এরকম করল তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    অভিযোগ পাওয়ার পরই ভাতার (Bhatar) থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভয় দেখানোর জন্যই এই রকম মাওবাদী নাম দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে, কার্তুজটি সক্রিয়। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘সংবিধানকে অসম্মান করা হচ্ছে’’! রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘‘সংবিধানকে অসম্মান করা হচ্ছে’’! রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রীদের বোঝা উচিত কোন ভাষার প্রয়োগ করলে দেশের সংবিধানকে অশ্রদ্ধা করা হয়।  পত্র–রহস্য নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত এখন চরমে। রাজ্যপালকে আক্রমণ করতে গিয়ে শব্দবন্ধের শালীনতা অতিক্রম করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর আক্রমণে উঠে এসেছে ‘রক্তচোষা রাক্ষসের’ মতো শব্দবন্ধও। রাজ্যের মন্ত্রীদের এহেন আক্রমণকে ভালো চোখে দেখছেন না রাজ্যপাল। শালীনতা বজায় রেখে সংবিধানকে সম্মান জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। 

    কী বললেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “মন্ত্রীদের বোঝা উচিত যে এরকম আক্রমণে ভারতের সংবিধানের অসম্মান হচ্ছে। তাঁরা তাঁদের মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের এসবের জন্য দায়ী করছেন। তাঁরা যখন সাংবিধানিক প্রধান সম্পর্কে অসংসদীয় মন্তব্য করেন, তখন তাঁরা মন্ত্রী পরিষদে তাঁদের দলের নেতাকেও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।” রাজ্যপালের ‘গোপন চিঠি’ নিয়ে গুঞ্জন সর্বত্র।  গুঞ্জন শুরু হয়েছে, রাজ্যের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কাছে কড়া নালিশ করেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের কাছে নালিশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ থেকে একাধিক বিলে স্বাক্ষর না করার জেরে দূরত্ব বেড়েছে। 

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর বাদানুবাদ অন্যমাত্রা নিয়েছে গত কয়েকদিনে। রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে উপাচার্য নিয়োগ। মর্জি মতো রাজ্যপাল তথা আচার্য একের পর এক অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করে যাচ্ছেন বলে আক্রমণ করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। রাজ্যপালের উত্তর, একাধিক মামলায় সরকারকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ধারণা বলবৎ করা প্রয়োজনীয়। কিছু রাষ্ট্রীয় আইন থাকতে পারে যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ বা হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব রাজ্য সরকারকে দেয়। তবে হস্তক্ষেপের নামে কোনও রাজ্য সরকার আর্থিক ফান্ডিং বন্ধ করলে সেটা অসাংবিধানিক। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে অনুমোদন এসেছে, সেটা বিচার করেই অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share