Tag: Li Qiang

Li Qiang

  • Bangladesh PM: চিন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিস্তা প্রকল্পে নজর ভারতের

    Bangladesh PM: চিন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিস্তা প্রকল্পে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের সরকারি সফরে চিনে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Bangladesh PM) বিএনপির তারেক রহমান। সোমবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ (Teesta Project Talks) ফ্লাইট চিনের দালিয়ান ঝৌশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    তারেকের কর্মসূচি (Bangladesh PM)

    এই সফরে তারেক বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স (সামার দাভোস ফোরাম ২০২৬)-এ অংশ নেবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং আয়োজিত নৈশভোজেও যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। সফরের মধ্যেই বেজিংয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকও করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ২৪ জুন তিনি বৈঠক করবেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। পরে দ্রুতগতির ট্রেনে তিনি যাবেন দালিয়ান থেকে বেজিংয়ে। বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, বাংলাদেশের নয়া সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও জোরদার করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বহুমাত্রিক বিনিময় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে সমন্বয় জোরদার করার সুযোগ হিসেবে চিন এই সফরকে দেখছে (Bangladesh PM)।

    ভারতের নজর

    এদিকে, তারেকের এই সফরে তিস্তা পরিকল্পনা নিয়ে কোনও অগ্রগতি বা ঘোষণা করা হয় কি না, সেদিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়না (POWERCHINA) তিস্তা যৌথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের (Teesta Comprehensive Management and Restoration Project) মউয়ের মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি করে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হল, তিস্তা নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, নদী খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন বাঁধ নির্মাণ ও পুরোনো বাঁধ সংস্কার, খনন করা মাটি ব্যবহার করে জমি পুনরুদ্ধার এবং শুখা মরশুমে জল সংরক্ষণের জন্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা (Bangladesh PM)। এই প্রকল্পে চিন যুক্ত হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছে ভারত। কারণ তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেকে’র কাছেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই এলাকায় চিনের প্রভাব বাড়লে ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে নয়া উদ্বেগ তৈরি (Teesta Project Talks) হতে পারে।

    ‘গোল্ডেন ৫০ ইয়ার্স’

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলাদেশে চিনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। চিনের দাবি, দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা গভীর হয়েছে এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের জন্যই ইতিবাচক ফল নিয়ে আসছে। এই সফরে বাংলাদেশ ও চিনের মধ্যে একাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং সমঝোতা সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য আর্থিক সাহায্য নিয়ে আলোচনা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ঢাকা চিনকে প্রযুক্তি, শিল্প বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অর্থায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশ-চিন সম্পর্কের ‘গোল্ডেন ৫০ ইয়ার্সে’ প্রবেশের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    এদিকে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে ভারত সফরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। ওই সূত্রের বক্তব্য, কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে বর্তমানে সেই পরিবেশ পুরোপুরি তৈরি হয়নি (Teesta Project Talks)। যদিও বাংলাদেশ মনে করে, ভারত ও চিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক কোনওভাবেই ‘জিরো-সাম গেম’ নয়, বরং (Bangladesh PM) উভয় দেশের সঙ্গেই ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ঢাকা।

     

  • Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    Li Qiang: জিনপিংয়ের একান্ত ঘনিষ্ঠ লি কিয়াংই হচ্ছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিউনিস্ট চিনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার। ভারতের প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে এই অধিবেশনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অধিবেশনে মন্ত্রিপরিষদে বড় ধরনের রদবদল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, সাংহাইয়ে দলীয় প্রধান লি কিয়াং (Li Qiang) হতে চলেছেন চিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    সাংহাইয়ে কোভিড সংক্রমণ বাড়বাড়ন্তের সময় ব্যাপক কড়াকড়ি শুরু করেছিল চিনের প্রশাসন। কঠোর নীতি প্রণয়নের নেপথ্যে ছিলেন ছিলেন লি কিয়াং (Li Qiang)। এবার তিনিই চিনের প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে চলেছেন। শি জিনপিং- এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট এই নেতা। যদিও এই নেতাকে নিয়ে অসন্তুষ্ট চিনা নাগরিকদের একাংশ। কারণ সাংহাইয়ের আর্থিক অবস্থার অবনতির নেপথ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল লির।     

    চিনের বার্ষিক এই অধিবেশনে প্রায় তিন হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এতে ঘোষিত হওয়া নতুন প্রধানমন্ত্রীকে (Li Qiang) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির হাল ধরতে হবে। জিনপিংয়ের পরে তিনিই হবেন দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় গত বছর দেশটির বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাইয়ে লকডাউন তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। লকডাউনের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধসে সমালোচিতও হয়েছিলেন লি। তারপরও তাঁর কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে যাওয়ার খবরে অনেকেই বিস্মিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    লি কিয়াংয়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, চিনের নিয়মকে পাশ কাটিয়ে অনৈতিক ভাবে প্রিমিয়ার পদে বসতে চলেছেন তিনি। শুধুমাত্র জিনপিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্টতার সুবাদেই দেশের অন্যতম শীর্ষ পদে বসছেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাঙ্কার বলেছেন, এই নিয়োগ ঘিরে একেবারেই অখুশি চিনের ব্যবসায়ী মহল। যদিও কোনও সংস্থার তরফে নয়া প্রিমিয়ারের বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কিছু বলা হয়নি। 

    আজ বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং মঞ্চের কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সেই জায়গা দখল করবেন। চিনের প্রিমিয়ার হিসাবে দেশের আর্থিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন লি (Li Qiang)। বিশেষজ্ঞদের মতে, শি-লির সুসম্পর্কের চিনা প্রশাসনে একটা নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ দুই নেতার মধ্যে বোঝাপড়ার কারণে উন্নতি হতে পারে চি্নের। কিন্তু অপর একাংশের দাবি, নয়া প্রিমিয়ারের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল জিনপিং। তাঁকে খুশি রাখতে ভুল নীতি প্রণয়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে চিনা রাষ্ট্রপতির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share