Tag: LIC

LIC

  • LIC: এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ!

    LIC: এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইলস্টোন ছুঁল লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এলআইসি)। বৃদ্ধি পেয়েছে এলআইসির (LIC) গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ। জানা গিয়েছে, গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ৫০ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এটি পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ। এলআইসির এইউএম-এর পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছে ৫০ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি।

    এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ (LIC)

    শতাংশের হিসেবে এক বছরে ১৬.৪৮ বেড়ে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ হয়েছে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। মার্কিন ডলারে এর পরিমাণ হল ৬১৬ বিলিয়ন। ২৩ অর্থবর্ষে এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ ৯৭ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। এক বছরে এই টাকার পরিমাণই ছাড়িয়ে গিয়েছে ৫০ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মূল্য ৩৩ হাজার কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এর মূল্য ২৯ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার (LIC) গচ্ছিত অর্থরাশির পরিমাণ এর দ্বিগুণ।

    ছাপিয়ে গেল কয়েকটি দেশের অর্থনীতিকে

    কেবল পাকিস্তান নয়, এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছে আরও দুই দেশের অর্থনীতিকেও। এই দুটি দেশের একটি রয়েছে এশিয়ায়, অন্যটি ইউরোপে। এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর। এদেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ৫২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ইউরোপের ডেনমার্কের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ৪১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। এই দুই দেশের অর্থনীতিকেই ছাপিয়ে গিয়েছে এলআইসি। ভারতের এই রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার এইউএম-এর পরিমাণ পাকিস্তান-সহ ভারতের তিন পড়শি দেশের সম্মিলিত অর্থনীতির চেয়েও বেশি। এই লিস্টে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জিডিপি ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। আর নেপালের মোট অর্থনীতির পরিমাণ ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার।

    আর পড়ুন: “জনতা কাজ চায়, স্লোগান নয়”, লোকসভা অধিবেশনের আগে বললেন মোদি

    জানা গিয়েছে, গত অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির মোট পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ কোটি টাকা। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যখন জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল দুই থেকে তিন শতাংশ, তখন গত এক বছরে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ১৬ শতাংশের বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, এলআইসির এই গচ্ছিত অর্থ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শেয়ার বাজারে তার অগ্রগতি। তথ্য বলছে, গত এক বছরে স্টক থেকে এলআইসি রিটার্ন পেয়েছে ৭১.৭৪ শতাংশ। এতে সুনিশ্চিত হয়েছে সংস্থার নির্ভরযোগ্যতা ও বৃদ্ধি। যা আকর্ষণ করেছে বিনিয়োগকারীদের। তার ফলেই চড়চড়িয়ে বেড়েছে অর্থনীতির পারদ (LIC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LIC: নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি! কেন্দ্রকে দিল লাভের কড়ি, পরিমাণ কত জানেন?

    LIC: নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি! কেন্দ্রকে দিল লাভের কড়ি, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিন্দকদের মুখে ঝামা ঘষে দিল এলআইসি (LIC)! কেন্দ্রীয় এই সংস্থাকে মোদি সরকার বিক্রি করে দিচ্ছে বলে নানা সময় বাজার গরম করার চেষ্টা করেছেন বিরোধীরা। সস্তা জনপ্রিয়তায় ভর করে ভোট-বৈতরণী পার হতে লাভজনক এই সংস্থাকেই ধুঁকছে বলে দেগেও দিয়েছেন তাঁরা। এহেন এলআইসি লাভের কড়ির একটা অংশ তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের হাতে। এলআইসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মোহান্তি বৃহস্পতিবার ওই চেক তুলে দেন। যার অর্থমূল্য, ১,৮৩১.০৯ কোটি টাকা।

    ৬৭ পূর্ণ এলআইসির

    চলতি বছর ৬৭ পূর্ণ করল এলআইসি। ১৯৫৬ সালে মাত্র ৫ কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এই সংস্থা। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ এলআইসির সম্পত্তির পরিমাণ ৪৫.৫০ লক্ষ কোটি টাকা। এর সঙ্গে রয়েছে ৪০.৮১ লাখ কোটি টাকার লাইফ ফান্ডও। দু’দশক আগে ইন্স্যুরেন্স সেক্টর খোলে এলআইসি। তার পর থেকে ইন্স্যুরেন্সের সিংহভাগ বাজার রয়েছে এলআইসির পকেটে।

    এখনও দেশের বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী বিনিয়োগের জন্য ভরসা করেন এলআইসির ওপর। লাভের কড়ি সরকারকে দেওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি, নিজেদের হাতে থাকা সান ফার্মার দু’ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছে এলআইসি। এজন্য এলআইসির হাতে এসেছে ৪,৬৯৯ কোটি টাকা।

    এলআইসি কর্মীদের জন্য সুখবর 

    এলআইসির (LIC) বাড়বাড়ন্তে খুশি কেন্দ্র। অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এলআইসি এজেন্টদের গ্র্যাচুইটির সীমা তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। এলআইসি কর্মীদের ৩০ শতাংশ হারে ফ্যামিলি পেনশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। পুনরায় নিযুক্ত হওয়া এলআইসি এজেন্টরা রিনিউয়াল কমিশনের সুবিধাও পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

    সংসদে নানা সময় এলআইসির প্রশংসা শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে। তিনি নিজেও টাকা রেখেছেন এলআইসিতে। ২০১৯ সালের হলফনামা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ করেছেন দু’টি পলিসিতে। ২০১০ সালে তিনি একক প্রিমিয়াম বাবদ দিয়েছিলেন ৪৯,৬৬৫ টাকা। ২০১৩ সালে অন্য একটি পলিসিতে একক প্রিমিয়াম (LIC) বাবদ তিনি দিয়েছেন ১,৪০,৬৮২ টাকা।

    আরও পড়ুুন: স্পেনের পর ‘কুমিরছানা’ বিজনেস সামিট! এবারও কি কোটি কোটি টাকা কার্যত জলেই যাবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    LIC IPO: ৪ মে আসছে এলআইসি-র আইপিও, শেয়ারের দাম কত হবে, জানাল সেবি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বাজারে আসছে এলআইসি-র আইপিও (LIC IPO)। ৪ মে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (Life Insurance Corporation) বা এলআইসি-র এই ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও)। 

    ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের তরফে জানানো হয়েছে, মে মাসের ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আইপিও কেনাবেচা চলবে। খুচরো বিনিয়োগকারী (retail investors) থেকে শুরু করে পলিসিহোল্ডার (LIC policyholders) এবং বিমা কর্মীরা (LIC employees) এই সময় আবেদন করতে পারবেন। তবে, প্রতিষ্ঠানিক এবং বড় বিনিয়োগকারীরা (institutional investors) এই সুবিধা ২ মে থেকেই লাভ করতে পারবেন। বুধবার সেবি থেকে বরাদ্দ শেয়ারের পরিমাণ-সহ আইপিও সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও জানানো হয়েছে। ৫ শতাংশের পরিবর্তে বর্তমানে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে বলে আগেই জানিয়েছে সংস্থা।

    প্রতিটি ইক্যুইটি শেয়ারের (equity share) মূল্য ৯০২ টাকা থেকে শুরু করে ৯৪৯ টাকা পর্যন্ত ধার্য করেছে সংস্থা (LIC IPO price band) ৷ সেক্ষেত্রে একটি লটে থাকা ১৫টি শেয়ার কিনতেই হবে বিনিয়োগকারীদের ৷ অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করতে হচ্ছে ১৪ হাজার টাকার কিছু বেশি ৷ তবে, বিনিয়োগকারীরা ১৫ এবং তার গুণিতকে শেয়ারের আবেদন জানাতে পারেন। জীবনবিমাকারী গ্রাহকদের জন্য ২.২১ কোটি এবং কর্মচারীদের জন্য ১.৫৮ কোটি শেয়ার সংরক্ষিত রাখা হবে। কর্মচারীরা শেয়ারের উপর ৪৫ টাকা ও জীবনবিমাকারী গ্রাহকরা ৬০ টাকা ছাড় পাবেন।

    চূড়ান্ত জমাপত্র অনুযায়ী, ১৬ মে-র মধ্যে আবেদনকারীদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে (Demat account) বিতরণ শেষ করবে সেবি। ১৭ মে থেকে এলআইসি শেয়ার বাজারে (share market) তাদের নাম নথিভুক্ত করবে এবং স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রাথমিকভাবে সংস্থার বাজারে সংস্থার ৩১ কোটি শেয়ার ছেড়ে তা থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা কোষাগারে আনার পরিকল্পনা ছিল সরকারের ৷ সেক্ষেত্রে সংস্থার ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল সরকার ৷ কিন্তু বাজার অস্থিরতার কারণে সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচিত হয় ৷ স্থির হয়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ৫ শতাংশের বদলে ৩.৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে।  এর ফলে ভ্যালুয়েশনও কমে দাঁড়ায় ২২.১৩ কোটি শেয়ার ৷ 

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আয়তনে কমলেও দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও হতে চলেছে জীবন বিমা নিগমের ৷  ডিআইপিএএম (DIPAM) সেক্রেটারি তুহিনকান্ত পাণ্ডে (Tuhin Kanta Pandey) বলেন, “আয়তন কমলেও জীবন বিমা নিগমের আইপিও-ই দেশের সর্ববৃহৎ আইপিও হতে চলেছে ৷” চলতি বছর বাজেট ঘোষণায় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার বিক্রির কথা ঘোষণা করেছিলেন নির্মলা সীতারমণ ৷

     

     

LinkedIn
Share