Tag: lifestyle diseases

lifestyle diseases

  • Lifestyle Diseases: রাতে অফিস, দিনে ঘুম! নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন না তো?

    Lifestyle Diseases: রাতে অফিস, দিনে ঘুম! নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবনে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু! আর সবচেয়ে বড় বদল হয়েছে দিন-রাতের হিসাবে! দিনভর খাটুনি শেষে রাতে শান্তির বিশ্রাম! এ হিসাব এখন আর মেলে না! তাই বদলে যাচ্ছে শরীর! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রাত জাগার গভীর প্রভাব পড়ছে শরীরে (Lifestyle Diseases)!

    সমস্যা কোথায় (Lifestyle Diseases)? 

    ইনফরমেশন টেকনোলজির জগত হোক কিংবা বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, যে কোনও ক্ষেত্রে রাত জেগে কাজ এখন স্বাভাবিক! অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্ট আমেরিকার শিকাগো কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে থাকেন। আর কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভারতের দিন-রাতের সময়ের বিস্তর ফারাক। কিন্তু ক্লায়েন্টের চাহিদা মেনেই রাত বারোটার পরে ল্যাপটপ খোলে। অধিকাংশের কাজ যখন শেষ হয়, তখন সূর্যের আলো আকাশ ছুঁয়ে ফেলে! একদিন বা দু’দিন নয়। তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের বছরের পর বছর এভাবেই অফিস চলছে। রাতভর চলে অফিস আর দিনে ঘুম! ফলে, একদিকে রাত আর দিনের কাজের মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকছে। খাওয়ার সময়ও বদলে যাচ্ছে। তাই একাধিক সমস্যা (Lifestyle Diseases) দেখা দিচ্ছে।

    কোন কোন রোগের (Lifestyle Diseases) ঝুঁকি বাড়ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রাত জেগে মাসের পর মাস কাজ করা এবং দিনের বেলা ঘুমানো একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আর শরীরের একাধিক অঙ্গ তার জানান দিচ্ছে। লাগাতার রাত জাগার ফলে হজমের সমস্যা হয়। অধিকাংশের বমি, বুক জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন হজমের সমস্যার জেরে লিভার এবং অন্ত্রে খারাপ প্রভাব পড়ে। 
    হজমের সমস্যার পাশপাশি দীর্ঘ সময় রাত জাগার ফলে কিডনির উপরও চাপ পড়ে। সমস্যা হয় রক্তচাপের এবং হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে। 
    চিকিৎসকদের একাংশের মতে, রাতের পর রাত জেগে থাকলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয় না। অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমানোর সময় মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। যার জেরে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। দিনের বেলা যতই গভীর ঘুম হোক, পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ওই হরমোন নিঃসরণ হয় না। ফলে, দীর্ঘ সময় রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে (Lifestyle Diseases)। পাশপাশি হয় অনীদ্রার সমস্যা।

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রাত জাগা এবং দিনে ঘুম, অভ্যাস হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে রাতে ঘুম ঠিকমতো হয় না। কাজ না থাকলেও রাতে ঘুমানোর ইচ্ছে চলে যায়। দেখা দেয় অনীদ্রা রোগ। আর এই রোগ একাধিক মানসিক সমস্যা তৈরি করে। উদ্বেগ, মানসিক চাপ, অবসাদের মতো একাধিক সমস্যা দেখা দেয়।

    বিপদ (Lifestyle Diseases) এড়াতে কী করতে হবে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অফিসের জন্য জেগে থাকতে হলে, কিছু বাড়তি সতর্কতা বজায় রাখতেই হবে। তা না হলে একাধিক শারীরিক সমস্যা বাড়বে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রাত জাগতে হলে রাতের খাবার আটটার মধ্যে খেয়ে নিতে হবে। ভারী, অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাবার একেবারেই চলবে না। বিরিয়ানি, পিৎজার মতো খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। পুষ্টিকর সহজপাচ্য খাবার সন্ধ্যার মধ্যে খেতে হবে। যাতে রাত জাগার ফলে হজমের সমস্যা না হয়। রাত দশটার পরে খুব হালকা খাবার যেমন দুধ, কুকিজ, ড্রাই ফ্রুটস খাওয়া যেতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হালকা খাবার খেলে এবং হজমের সমস্যা কমানো গেলে হার্ট, লিভার, অন্ত্রের মতো একাধিক অঙ্গের বিপদ (Lifestyle Diseases) কমানো যাবে। 
    যাদের নিয়মিত রাত জাগতে হচ্ছে, তাদের জল পানের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। লাগাতার রাত জেগে থাকলে কিডনি থেকে ত্বক, সব কিছুর উপরেই কুপ্রভাব পড়ে। তাই বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। তাতে কিডনিতে পাথর থেকে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল সহ একাধিক সমস্যার মোকাবিলা সহজ হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    পাশপাশি নিয়মিত যোগাসনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনীদ্রার মতো সমস্যা এড়াতে, মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে যোগাসন সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যোগাসন জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Lifestyle diseases: ৪০ পেরিয়েই শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগ! কীভাবে কমাবেন ঝুঁকি?

    Lifestyle diseases: ৪০ পেরিয়েই শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগ! কীভাবে কমাবেন ঝুঁকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চল্লিশের চৌকাঠ পেরলেই দেখা দিচ্ছে নানা ঝুঁকি! হৃদরোগ থেকে ডায়াবেটিস, স্থূলতা কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো নানা জীবনযাপন সংক্রান্ত রোগের পাশপাশি ক্যান্সার, কিডনির অসুখ কিংবা অন্ত্রের একাধিক জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে, জীবনযাপনের ধরনে কয়েকটি বদল আর খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন ঘটলেই কমবে রোগের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরে (Lifestyle diseases) খাবার নিয়ে বাড়তি সচেতনতা জরুরি। কারণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস রোগের বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে‌। পাশপাশি, কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস থাকাও দরকার।

    কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাস চল্লিশোর্ধ্বদের রোগের ঝুঁকি কমাবে?

    প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরে (Lifestyle diseases) অধিকাংশের অন্ত্রের নানা সমস্যা দেখা দেয়। পাকস্থলীর একাধিক সমস্যা এবং হজমের গোলমাল হয় নিত্যসঙ্গী। তাই নিয়মিত প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি। এতে প্রচুর ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে। যা হজমে সাহায্য করে আবার অন্ত্র এবং পাকস্থলীকে সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই চল্লিশোর্ধ্বদের নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি।

    খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ খাবার!

    বয়স চল্লিশের চৌকাঠ পেরলেই একাধিক হাড়ের সমস্যা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই শরীরের প্রয়োজন খনিজ পদার্থ। এতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। হাড়ের ক্ষয় কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত অন্তত খান চারেক খেজুর, বাদাম কিংবা কিসমিস জাতীয় ড্রাই ফ্রুটস খেতে হবে (Lifestyle diseases)। যে কোনও ধরনের বাদাম, কিসমিস, পেস্তা, খেজুরে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। ফলে শরীর একাধিক রোগের মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

    তেল কম খাওয়ার অভ্যাস!

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে রান্নায় তেল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার। তাই চল্লিশোর্ধ্বদের তেলেভাজা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, লুচি, পরোটা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পাশপাশি, বিরিয়ানি, পিৎজা, মোগলাইয়ের মতো খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না (Lifestyle diseases) বলে তাঁরা জানাচ্ছেন। কারণ, এগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, যা হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকারক।

    মেনুতে থাকুক ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চল্লিশের পরে অনেকের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে‌। আবার মহিলাদের হাড়ের একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। তাই নিয়মিত কিউই, লেবু জাতীয় খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পাশপাশি, পালং শাক, ব্রকোলি, গাজর, টমেটো, কুমড়োর মতো সব্জি এবং ডিম খাওয়ার অভ্যাস থাকুক। তাতে শরীরে ভিটামিনের চাহিদা সহজেই‌ পূরণ হবে (Lifestyle diseases)।

    ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে!

    চল্লিশের পরে সুস্থ জীবন‌যাপনের জন্য ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তাই কতখানি খাওয়া উচিত সেদিকে নজরদারি জরুরি। মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এতে যেমন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে, তেমনি স্থূলতার সমস্যা ডেকে আনে (Lifestyle diseases)।‌ তাছাড়া অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন যেমন বিভিন্ন রকমের মাংস নিয়মিত না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এতে ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share