Tag: Liz Truss

Liz Truss

  • Liz Truss: পুতিনের নির্দেশেই হ্যাক করা হয়েছিল ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের ফোন!

    Liz Truss: পুতিনের নির্দেশেই হ্যাক করা হয়েছিল ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের ফোন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (Britain) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের (Liz Truss) ব্যক্তিগত ফোন হ্যাক করা হয়েছিল। রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) হয়ে কাজ করে এমন সন্দেহভাজন সংস্থাই এ কাজ করেছে। ট্রাস যখন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী তখনই হ্যাক করা হয় তাঁর ব্যক্তিগত ফোন। শনিবার এ খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের নামকরা সংবাদপত্র ডেইলি মেইল।

    ব্রিটেনের ওই নামী সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন গুপ্তচররা ট্রাসের (Liz Truss) ঘনিষ্ঠ বন্ধু কোয়াসি কোয়ার্টেংয়ের সঙ্গে কথোপকথন ও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে একাধিক দেশের সঙ্গে ট্রাসের আলোচনার গোপন বিবরণের খোঁজ পেতেই ট্রাসের ফোন হ্যাক করেছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে বিভিন্ন দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাসের কথোপকথনও এজেন্টদের হাতে গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। হ্যাকাররা বছরখানেক ধরে ট্রাসের ফোন থেকে ডেটা ডাউনলোড করেছে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র। তিনি বলেন, সাইবার হুমকি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সরকারের শক্তপোক্ত ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মন্ত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ করতে হবে তার পরামর্শ এবং কীভাবে সাইবার হুমকির মোকাবিলা করতে হবে তার পরামর্শ দেওয়াও।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    বিদেশমন্ত্রীর পদ থেকে পরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ট্রাস (Liz Truss)। পার্টিগেট কেলেঙ্কারির জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বরিস জনসন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনককে (Rishi Sunak) হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন ট্রাস। তবে বেশিদিন ওই পদে ছিলেন না তিনি। মাত্র দেড় মাসের মাথায় পদত্যাগ করেন ট্রাসও। এর পরেই প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ফের এগিয়ে আসেন ঋষি। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকলেও, একেবারে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ান বরিস এবং লিজ। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষিকে বেছে নেয় তাঁর দল কনজারভেটিভ পার্টি। রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন ঋষি। পরে শপথ নেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী,  আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী, আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৪৪ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়লেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস (UK Prime Minister Liz Truss resignation)।অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন লিজ ট্রাস। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন করতে না পারায় পদত্যাগ করেন তিনি।দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের লজ্জার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

    তবে যতদিনই দায়িত্ব পালন করুন না কেন, এখন তার গায়ে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তকমা। ফলে যুক্তরাজ্যের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য যা যা সুবিধা রয়েছে তার সবই পাবেন লিজ ট্রাস।চলমান আর্থিক সংকটের মাঝে ব্রিটেনের এই সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিপুল অর্থ কেন পেনশন দেয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। যদিও ব্রিটিশ সরকারের দাবি, নিয়ম মেনেই এই পেনশন দেয়া হবে লিজ ট্রাসকে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে পেনশনের আওতাভুক্ত হয়েছেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সাবেকরা।ব্রিটেনের সবথেকে স্বল্প মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হলেও ‘পাবলিক ডিউটি কস্টস অ্যালাউন্স’ (পিডিসিএ) থেকে লিজ এখন এই ভাতা পাওয়ার অধিকারী।

    ব্রিটেনের করদাতাদের অর্থ থেকে প্রতি বছর অন্তত ১ লাখ ১৫ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড (১ লাখ ২৯ হাজার মার্কিন ডলার), যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি অর্থ তুলতে পারবেন লিজ ট্রাস।

    ক্ষমতায় আসার পর কর্পোরেট কর কমানোর মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার দায়ে দলীয় এমপিদের ক্ষোভের পর ২০ অক্টোবর বাধ্য হয়েই পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে আর কোনও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে এত অল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়নি। একই সঙ্গে লিজ ট্রাসের মতো আর কাউকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজের দলেরই সদস্যদের বিরোধিতার মুখেও পড়তে হয়নি। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ১৩ জন এমপি সরব হয়েছিলেন লিজ ট্রাসের ইস্তফার দাবিতে। তবে ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী হয়েও লাভবানই হলেন তিনি।

    এই আর্থিক ব্যয়ভারের ব্যাখ্যা দিয়ে ব্রিটেনের প্রশাসন জানিয়েছে, জনমানসে এই ব্যক্তিত্বদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই তাদের জনহিতকর কাজ এবং সেক্রেটারি রাখার খরচ বাবদ সরকারের পক্ষ থেকে এই ভাতা দেওয়া হয়।

    এই অর্থ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও তার ভার কিন্তু বহন করতে হয় দেশটির জনগণকেই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    Rishi Sunak: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী বদল। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK political crisis) হিসেবে শপথ নেওয়ার ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন লিজ ট্রাস। এবার কি তাহলে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)? এই প্রশ্নই ঘুরছে টেমসের তীরে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ট্রাসের বিপরীতে লড়েছিলেন ঋষি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি দিতে রাজি হয়নি ব্রিটেন। সুনককে পরাজিত করে মসনদে বসেন ট্রাস। ছয় সপ্তাহের মধ্যেই ছন্দপতন। 

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি  

    সূত্রের খবর, দলের মধ্যেই ট্রাসকে নিয়ে বিরোধিতা মাথা চাড়া দিয়েছিল। ট্রাসের অর্থনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সমালোচিত হয়। এরপরেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ট্রাস। শুরু হয় গুঞ্জন এবার কি তাহলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের কুর্সিতে বসবেন বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইনফোসিস’-র প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই? এখন প্রধানমন্ত্রীর (prime minister) দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ঋষিই। তাঁর সমর্থনে রয়েছেন শতাধিক সাংসদ। সোমবার অর্থাৎ ২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জন্য মনোনয়ন জমা নেবে কনজারভেটিভ দল। মোট তিনজন মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বলে রক্ষণশীল দলের তরফে জানানো হয়েছে। তবে মনোনয়ন দিতে হলে লাগবে অন্তত ১০০ সাংসদের সমর্থন।

      আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে উঠে আসছে কনজার্ভেটিভ পার্টির নেত্রী পেনি মর্ডন্টের নাম। গতবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের চতুর্থ এবং পঞ্চম রাউন্ডে সাংসদদের ভোট অনুযায়ী সুনকের পরেই ছিলেন তিনি। দলেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এ ছাড়া, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন জেরেমি হান্টও। কিন্তু তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চান না। তবে সুনক মনোনয়ন জমা দেবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ব্রিটিশ ট্যবলয়েডগুলির দাবি, সুনকই হতে পারেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নামে বাজিও ধরছেন বুকিরা। দামও উঠছে চরচর করে। এখন দিওয়ালির উপহার হিসেবে সুনক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীত্ব পান কিনা তা-ই দেখার অপেক্ষায় ভারতবাসী। কারণ সুনক প্রধানমন্ত্রী হলে প্রথম কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূতের হাতে যাবে ব্রিটেনের রাশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Liz Truss: ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস, ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ? 

    Liz Truss: ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস, ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের (United Kingdom) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন লিজ ট্রাস (Liz Truss)। ভারতীয়দের (India) মন ভেঙে দিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভুত ঋষি সুনাককে প্রায় ২০ হাজার ভোটে হারিয়ে ব্রিটেনের মসনদে বসেছেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী কী পরিবর্তন নিয়ে আসছেন, সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। একইভাবে তাকিয়ে ভারতও। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ কেমন রাখবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী এখন সে দিকেই তাকিয়ে দেশ। এর বরিস জনসনের সঙ্গে বরাবরই ভারতের ভাল সমীকরণ সামনে এসেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন হয় এখন তাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন তিনি। তখন তিনি ছিলেন বরিস সরকারের বিদেশসচিব। সেই সময় ট্রাস দীপাবলির আগেই ভারতের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ওই সফরে, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা খাতে সহায়তার জন্য ভারত যাতে রাশিয়ার পরিবর্তে যুক্তরাজ্য বেছে নেয়, তার জন্য ভারতকে বিশেষ অনুরোধও করেছিলেন তিনি। এপ্রিলে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে ব্রিটেনে ৩০ লক্ষ প্যাকেট প্যারাসিটামল রফতানির অনুমোদন দেওয়ার জন্য তিনি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ভারত সফর করেছিলেন লিজ ট্রাস। সেই সময়, তিনি ভারতকে ব্রিটেনের ‘সবচেয়ে বড় বন্ধু’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। 

    এবার এটাই দেখার পালা যে, আগে দেওয়া কথা রাখতে পারছেন কি না নতুন প্রধানমন্ত্রী। দীপাবলির আগেই কি সম্পন্ন হবে বাণিজ্য চ্যুক্তি? এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে ভারত। এছাড়াও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলদিমির জেলেন্সকিকে সমস্ত ভাবে সমর্থন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইউক্রেন থেকে নজর সরে ব্রিটেনের নজর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আসে কি না সে দিকেও তাকিয়ে আছে ভারত।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    সোমবার বরিস জনসন সরকারের বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস, ব্রিটেনের প্রাক্তন অর্থসচিব ঋষি সুনাককে পরাজিত করে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা নির্বাচিত হন। কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচনে লিজ পেয়েছেন ৮১,৩২৬ ভোট, অন্যদিকে প্রাক্তন চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক পেয়েছেন ৬০,৩৯৯ ভোট। অল্প ভোটের ব্যবধানে জিতেই, মার্গারেট থ্যাচার এবং থেরেসা মে-র পর তৃতীয় মহিলা হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি। 

    লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, “আশা করছি ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • UK PM Election: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    UK PM Election: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্বে পৌঁছলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। সঙ্গে তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রিটেনের বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস (Liz Truss)। মসনদ দখলের লড়াইয়ে সকলকে হারিয়ে শেষ দুইয়ে টিকে রয়েছেন তাঁরা। সামনে আর মাত্র একটা ধাপ। তারপরেই জানা যাবে কে হচ্ছেন ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী (UK PM Election)।   

    প্রথম থেকেই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে আসছেন ঋষি সুনক। এই অবধি তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। এর পরের ভোটাভুটি রাউন্ডেই ঠিক হয়ে যাবে কে হাসবেন শেষ হাসি। অনেকেই নিশ্চিত বরিস জনসনের ছেড়ে যাওয়া পদে বসবেন ঋষিই। যদি এমনটা হয়, তাহলে এই প্রথম কোনও অশ্বেতাঙ্গ, হিন্দু ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি  

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে শেষ তিনের লড়াই চলছিল। সেই জায়গা থেকে বুধবারের ভোটে ছিটকে যান পেনি মরডান্ট। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১০৫টি। ব্রিটেনের ট্রয়ের প্রতিনিধিদের তরফে শেষ ৫ ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন ঋষি। আপাতত তাঁর একমাত্র প্রতিপক্ষ ট্রাসের পক্ষে ভোট রয়েছে ১১৩টি। ঋষির দখলে রয়েছে ১৩৭ টি ভোট।

      আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    ঋষি সুনক কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদদের মধ্যে ভোটের সব রাউন্ডে জিতেছেন। কিন্তু, ট্রাসকেই এখন পর্যন্ত সরকারি দলের ২ লক্ষ সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বলে মনে করছে আর এক মহল। 

    শেষ নির্বাচনে সদস্যরাই তাঁদের দলের নেতা বা নেত্রীকে বেছে নেবেন। একসপ্তাহ ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলবে ঋষি ও ট্রাসের মধ্যে। ৫ সেপ্টেম্বর হবে ফল ঘোষণা। 

    ঋষি সুনকের বয়স ৪২। ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে বরিস জনসনই (Boris Johnson) তাঁকে নির্বাচন করে অর্থমন্ত্রী করেন। অতিমারি চলাকালীন ব্যবসা এবং কর্মচারীদের সাহায্য করার জন্য কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের একটি বিশাল প্যাকেজ তৈরির পরে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ঋষি। তিনি তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই। 

    স্ত্রীর নন-ডোমেস্টিক ট্যাক্স, নিজের ইউএস গ্রিন কার্ড এবং বিপুল সম্পত্তির কারণে মাঝে মাঝেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ঋষিকে। কোভিড লকডাউন অমান্য করার জন্য এবং ডাউনিং স্ট্রিট সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্যও জরিমানা করা হয় তাঁকে। ঋষি সুনকের দাদু ঠাকুমা পঞ্জাবের বাসিন্দা ছিলেন। 

    দুর্নীতির দায় নিয়ে গত ৭ জুলাই পদত্যাগ করেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতেই ব্রিটেনের রাজনীতিতে ডামাডোল শুরু হয়।  

    এখন ঋষি বা ট্রাস বিজয়ী যেই হোন না কেন, তাঁকে গত কয়েক দশকের মধ্যে ব্রিটেনের সবথেকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ব্রিটেন। মুদ্রাস্ফীতি বার্ষিক ১১% ছুঁতে চলেছে। থমকে গিয়েছে বৃদ্ধি। শিল্প খানিকটা বেড়েছে। তবু ডলারের তুলনায় পাউন্ডের দর এখন সবচেয়ে কম। তাই প্রধানমন্ত্রীর পদে যেই আসুন না কেন, তাঁর জন্যে অপেক্ষা করছে এক কাঁটা বেছানো সিংহাসন। 

  • UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK PM Race) বরিস জনসন (Boris Johnson)। এরপরে কার মাথায় উঠবে প্রধানমন্ত্রীর খেতাব তা নিয়েই এখন বিশ্বজোড়া চর্চা। ভোটাভুটির প্রথম রাউন্ডের পরে প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থানে রইলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রাক্তন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। তিনি পেয়েছেন ২৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী পেনি মর্ডান্ট পেয়েছেন ১৯ শতাংশ ভোট। লিজ ট্রস ১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন (Liz Truss)। চতুর্থ স্থানে কেমি বেদেনোক ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, টম টুজেন্ট ১০ শতাংশ ভোট পেয়ে ৫ নম্বরে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রাভারম্যান ৯ শতাংশ ভোট নিয়ে ছয় নম্বরে রয়েছেন। এলিমিনেশন  রাউন্ডে, দুই প্রার্থী, নাদিম জাহাভি এবং জেরেমি হান্ট যথাক্রমে ৭ এবং ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে বাদ পড়েছেন। 

    আরও পড়ুন: কী হল বরিস সরকারের? চার মন্ত্রীর পদত্যাগে চিন্তায় জনসন

    দলের ৩৫৮ জন সাংসদের মধ্যে ৮৮ জনের সমর্থন পেয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতি রাউন্ডে যারা সবচেয়ে কম ভোট পাবেন, তাঁরা প্রতিযোগিতা থেকে বাদ যাবেন। চলতে হবে ভোট। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দুজনকে চূড়ান্ত করতে হবে। তারপর কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা তাঁদের নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। এরপরে ৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    বর্তমানে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতিযোগিতায় রয়েছেন আরেক ভারতীয় রাজনীতিবিদ সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান। 

    কে এই ঋষি সুনক?  

    বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের (Infosys) প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির (Narayana Murthy) জামাই এই ঋষি সুনক। ১৯৮০-র ১২ মে ব্রিটেনের বন্দর শহর সাউদাম্পটনে (Southampton) জন্ম হয় ঋষি সুনকের। অক্সফোর্ড (Oxford) ও স্ট্যান্ডফোর্ড (Stanford) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ঋষি রাজনীতিতে আসার আগে ছিলেন ব্যবসায়ী। ২০১৫-য় রিচমন্ড ইয়র্কশায়ার (Richmond Yorkshire) থেকে জিতে প্রথমবার সাংসদ হন তিনি। বরিসের মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান। ২০০৯-এ বিয়ে করেন ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির কন্যা অক্ষতাকে। দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। একটা সময় ব্রেক্সিটের প্রচারে বরিসের পাশে ঋষিকেই মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায়। একাধিক বিতর্কেও নাম জড়িয়েছে তাঁর। পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে (Partygate scandal) নাম জড়ায় ঋষি সুনকের।  

    দলের নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজতেও কনজারভেটিভ পার্টিতে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। যে প্রার্থীরা ৩০ এর কম ভোট পেয়েছেন তাঁদের বাদ দেওয়া হয়। ব্রিটেনের নিয়ম অনুযায়ী, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে কেবলমাত্র সেই প্রার্থীরাই পরের রাউন্ডে যেতে পারবেন, যারা অন্তত ৩০ জন সাংসদের সমর্থন পাবেন। ভোটের আগে সব প্রার্থীদের পার্টির কর্মীদের সামনে বক্তৃতা রাখার জন্যে ১২ মিনিটের সময় দেওয়া হয়।   

    শেষ রাউন্ডের শেষে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনি কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য হয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বরেই মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। এমনটাই আশা করা হচ্ছে। 

LinkedIn
Share